
(۳۱۶۵۹) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنْ مَرْوَانَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ : سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ ، قَالَ : إنْ حَدَثَ بِی حَدَثٌ فَعَبْدِی حُرٌّ ، فَاحْتَاجَ إلَیْہِ ، أَلَہُ أَنْ یَبِیعَہُ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৫৯ ) ইবরাহীম বর্ণনা করেন যে, হজরত মুহাম্মাদ বিন সিরীনকে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল , যে বলেছিল যে, যদি কেউ আমাকে আঘাত করে তবে আমার গোলাম স্বাধীন , তাহলে তাকে বিক্রি করতে হবে , সে কি বিক্রি করতে পারবে ? তাকে ? সে হ্যাঁ বলেছে !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ : فِی رَجُلٍ قَالَ لِعَبْدِہِ : إنْ مِتّ فِی مَرَضِی ہَذَا فَأَنْتَ حُرٌّ ، قَالَ : لَیْسَ لَہُ أَنْ یَبِیعَہُ حَتَّی یَمُوتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৬০) জাবির (রাঃ ) থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত আমীর (রাঃ) সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে তার ক্রীতদাসকে বলেছিল যে , আমি যদি এ রোগে মারা যাই তাহলে আমি মুক্ত , তাই মৃত্যু পর্যন্ত এ দাস বিক্রি করা জায়েজ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی، عَنْ ہِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ وَمُحَمَّدٍ: أَنَّہُمَا کَرِہَا أَنْ یَشْتَرِیَ الْوَصِیُّ مِنَ الْمِیرَاثِ شَیْئًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৬৬১) হিশাম থেকে বর্ণিত হয়েছে যে , হজরত হাসান ও মুহাম্মদ এ বিষয়টিকে অপছন্দ করতেন যে উইলকারীর উত্তরাধিকার থেকে কিছু ক্রয় করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ وَعَطَائٍ ، قَالاَ : لاَ یَجُوزُ لِوَالٍ أَنْ یَشْتَرِیَ مِمَّا وَلِیَ عَلَیْہِ۔ قَالَ : وَقَالَ مُجَاہِدٌ : لاَ تَشْتَرِ إحْدَی یَدَیْک مِنَ الأُخْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৬২ ) উসমান বিন আসওয়াদ বলেন যে , হযরত মুজাহিদ ও আতা ( রা . ) বলেছেন যে , কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির জন্য ঐ সম্পদ থেকে কিছু ক্রয় করা জায়েয নয় , যা তার দায়িত্ব এক হাত অন্য হাতে কিছু কিনতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ صِلَۃَ بْنِ زُفَرَ ، قَالَ : کَانَ عِنْدَ عَبْدِ اللہِ فَأَتَاہُ رَجُلٌ عَلَی فَرَسٍ أَبْلَقٍ ، فَقَالَ : تَأْمُرُنِی أَنْ أَشْتَرِیَ ہَذَا ؟ قَالَ : وَمَا شَأْنُہُ ؟ قَالَ : أَوْصَی إلَیَّ رَجُلٌ وَتَرَکَہُ فَأَقَمْتہ فِی السُّوقِ عَلَی ثَمَنٍ ، قَالَ : لاَ تَشْتَرِہِ ، وَلاَ تَسْتَسْلِفْ مِنْ مَالِہِ۔ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ : سَمِعْتہ مِنْ صِلَۃَ مُنْذُ سِتِّینَ سَنَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৬৬৩) সালাহ বিন জাফর বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ (রা.) - এর সঙ্গে ছিলাম , যখন এক ব্যক্তি একটি বড় ঘোড়ায় চড়ে তাঁর কাছে এলেন , তিনি বললেন , আপনি কি আমাকে এই সম্পত্তি থেকে কিছু কেনার নির্দেশ দিচ্ছেন ? আমি আপনি জিজ্ঞাসা করলেন , এটি কার সম্পদ ? তিনি বললেনঃ এক ব্যক্তি আমার কাছে অসিয়ত করে এই সম্পত্তি রেখে মারা গেল , আমি দাম দিয়ে বাজারে রেখেছি , তিনি বললেন , তাকে কিনবেন না এবং তার সম্পদ থেকে কিছু নেবেন না । ইবনে ইসহাক বলেন , আমি ষাট বছর আগে সালাহ ইবনে জাফর থেকে এ কথা শুনেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا سِنَانُ بْنُ ہَارُونَ الْبُرْجُمِیُّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ وَابْنِ سِیرِینَ، قَالاَ : فِی رَجُلٍ أَوْصَی لِعَبْدِہِ بِالثُّلُثِ ، قَالاَ : ذَلِکَ مِنْ رَقَبَتِہِ ، فَإِنْ کَانَ الثُّلُثُ أَکْثَرَ مِنْ ثَمَنِہِ عَتَقَ وَدَفَعَ إلَیْہِ مَا بَقِی ، وَإِنْ کَانَ أَقَلَّ مِنْ ثُمَّنِہِ عَتَقَ وَسَعَی لَہُمْ فِیمَا بَقِی ، وَإِنْ أَوْصَی لَہُمْ بِدَرَاہِمَ ، فَإِنْ شَائَ الْوَرَثَۃُ أَجَازُوا ، وَإِنْ شَاؤُوا لَمْ یُجِیزُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৬৪ ) আশআত থেকে বর্ণিত আছে যে , হজরত হাসান ও মুহাম্মাদ বিন সিরীন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে তার সম্পদের এক তৃতীয়াংশ তার ক্রীতদাসকে দিয়েছিল , যদি এই সম্পদ তার মূল্যের এক - তৃতীয়াংশের বেশি হয় তবে সে হবে মুক্ত করুন .এবং অবশিষ্ট সম্পত্তি তাকে দেওয়া হবে , এবং যদি তা তার মূল্যের চেয়ে কম হয় তবে সে মুক্ত হবে এবং উত্তরাধিকারীদের জন্য অবশিষ্ট মূল্য অর্জন করবে এবং যদি কোন মৃত ব্যক্তি যদি উত্তরাধিকারীরা ক্রীতদাসদের একটি উইল করে থাকে তবে তারা চাইলে এই উইল বাস্তবায়ন করতে পারে এবং তারা চাইলে তা বাস্তবায়ন করতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۵) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ ابْنِ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ جَابِرٍ : أَنَّہُ قِیلَ لَہُ فِی الْوَصِیَّۃِ عِنْدَ الْمَوْتِ : لَوْ أَعْتَقْت غُلاَمَک ! فَقَرَأَ ہَذِہِ الآیَۃَ : {وَلْیَخْشَ الَّذِینَ لَوْ تَرَکُوا مِنْ خَلْفِہِمْ ذُرِّیَّۃً ضِعَافًا خَافُوا عَلَیْہِمْ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৬৫) ইবনে আবি খালিদ বলেন , মৃত্যুর সময় হাকিম ইবনে জাবিরকে বলা হয়েছিল যে , তুমি যদি তোমার ক্রীতদাসকে মুক্ত করে দাও , তাহলে কি ভালো ? তিনি এটি তেলাওয়াত করলেন : { وال ْ يْ خشَ الَّذِِي نَ لَوْ تركوا مِنْ خلفِحْ زِــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــر ,
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِیزِ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ جَابِرٍ : أَنَّہُ لَمَّا حَضَرَہُ الْمَوْتُ وَکَانَ لَہُ غُلاَمٌ فَقِیلَ لَہُ : لَوْ أَعْتَقْت ہَذَا ؟ فَقَالَ : إنِّی لَمْ أَتْرُکْ لِوَلَدِی غَیْرَہُ ، قَالَ : فَأَعَادُوا عَلَیْہِ : لَوْ أَعْتَقَہُ ، فَقَرَأَ ہَذِہِ الآیَۃَ {وَلْیَخْشَ الَّذِینَ لَوْ تَرَکُوا مِنْ خَلْفِہِمْ ذُرِّیَّۃً ضِعَافًا خَافُوا عَلَیْہِمْ} إلَی قَوْلِہِ {سَدِیدًا}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৬৬) হজরত হাকিম ইবনে জাবির সম্পর্কে ইসমাইল বর্ণনা করেন যে, তার মৃত্যুর সময় এসে গেছে এবং সে একজন ক্রীতদাস ছিল , তাকে বলা হয়েছিল যে , তুমি তাকে মুক্ত করে দিলে ভালো হয় , এই বলে যে, আমি আমার উত্তরাধিকারীদের জন্য আর কোনো ক্রীতদাস রেখে যাচ্ছি না । , বর্ণনাকারী বলেছেন . যে তারা আবার বলেছিল যে আপনি তাদের মুক্ত করলে ভাল হবে , তাই তিনি তাকে বললেন : তিনি তা আবৃত্তি করলেন ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۷) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ نُسَیْرٍ ، قَالَ : قَالَ رَجُلٌ لِلرَّبِیعِ بْنِ خُثَیْمٍ : أَوْصِ لِی بِمُصْحَفِکَ ، قَالَ : فَنَظَرَ إلَی ابْنٍ لَہُ صَغِیرٍ ، فَقَالَ : {وَأُولُوا الأَرْحَامِ بَعْضُہُمْ أَوْلَی بِبَعْضٍ فِی کِتَابِ اللہِ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৬৭ ) নুসির বলেন যে, এই ব্যক্তি হযরত রাবিয়া বিন খাশিমকে বললেন যে, তিনি তাঁর মুশহাফকে তাঁর মৃত্যুর জন্য অসিয়ত করেছেন ! তিনি তার ছোট ছেলের দিকে তাকিয়ে এই আয়াতটি পাঠ করলেন ( আল্লাহর কিতাবে কিছু আত্মীয় অন্যদের চেয়ে বেশি ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۸) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، قَالَ : مَرِضَ أَبُو الْعَالِیَۃِ فَأَعْتَقَ مَمْلُوکًا ، ذَکَرَوا لَہُ أَنَّہ مِنْ وَرَائِ النَّہَرِ ، فَقَالَ : إنْ کَانَ حَیًّا فَلاَ أَعْتِقُہُ ، وَإِنْ کَانَ مَیِّتًا فَہُوَ عَتِیقٌ وَذَکَرَ ہَذِہِ الآیَۃَ {وَلَہُ ذُرِّیَّۃٌ ضُعَفَائُ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৬৬৮) আসিম বলেন, হজরত আবুল আলি অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি তাঁর এক ক্রীতদাসকে মুক্ত করেন , যার সম্পর্কে তাঁকে বলা হয় যে , তিনি খাল পাড়ি দিয়েছিলেন , তিনি বলেন , বেঁচে থাকলে আমি তাঁকে মুক্ত করব না মৃত, তারপর তিনি মুক্ত , এবং তারপর তিনি এই আয়াত উল্লেখ : .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، عَنِ الأَشْجَعِیِّ سَمِعَ سُفْیَانَ یَقُولُ : فِی رَجُلٍ أَوْصَی بِثُلُثِہِ لِرَجُلَیْنِ فَیُوجَدُ أَحَدُہُمَا مَیِّتًا ، قَالَ : یَکُونُ لِلآخَرِ۔ یَعْنِی : الثُّلُثَ کُلَّہُ۔ قَالَ یَحْیَی : وَہُوَ الْقَوْلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 31669 ) আশজাজি বলেন যে আমি হজরত সূফীকে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে দুজনের জন্য উইল করেছিল এবং তারপর তাদের মৃত অবস্থায় পেয়েছিল । আমি তাকে বলতে শুনেছি যে সেই সম্পদের পুরো তৃতীয়াংশ অন্যদের জন্য হবে । ইয়াহিয়া বলেন , এটি একটি শক্তিশালী উক্তি .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَمَانٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی رَجُلٍ أَوْصَی لِعَقِبِ بَنِی فُلاَنٍ ، قَالَ : لَیْسَ الْمَرْأَۃُ مِنَ الْعَقِبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৭০ ) আবদ আল-মালিক থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত আতা (রা.) সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে তার উত্তরসূরিদের জন্য অসিয়ত করেছিল যে , একজন মহিলা একজন পুরুষ । পরবর্তীরা আমার পক্ষ থেকে নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : عَقِبُ الرَّجُلِ : وَلَدُہُ ، وَوَلَدُ وَلَدِہِ مِنَ الذُّکُورِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(31671) ইবনে আবী যায়েব থেকে বর্ণিত আছে যে , যুহরী বলেছেন যে, মানুষের মধ্যে আদমের পরে তার পুরুষ সন্তান এবং তারপর তাদের পুরুষ সন্তান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷۲) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا وَضَّاحٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ : فِی رَجُلٍ تُوُفِّیَ وَتَرَکَ ثَلاَثَۃَ بَنِینَ ، وَقَالَ : ثُلُثُ مَالِی لأَصْغَرِ بَنِیَّ ، فَقَالَ : الأَکْبَرُ : أَنَا لاَ أُجِیزُ ، وَقَالَ الأَوْسَطُ : أَنَا أُجِیزُ ، فَقَالَ : اجْعَلْہَا عَلَی تِسْعَۃِ أَسْہُمٍ : یُرْفَعُ ثَلاَثَۃ ، فَلَہُ سَہْمُہُ وَسَہْمُ الَّذِی أَجَازَہُ۔ وَقَالَ حَمَّادٌ : یُرَدُّ عَلَیْہِمَ السَّہْمُ جَمِیعًا۔ وَقَالَ عَامِرٌ : الَّذِی رَدَّ إنَّمَا رَدَّ عَلَی نَفْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৭২ ) মুগীরা থেকে বর্ণিত আছে যে , হজরত হামদ সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে মৃত্যুকালে তিনটি সন্তান রেখে যায় এবং বলে যে তার সম্পদের তৃতীয়াংশ কনিষ্ঠ পুত্রের জন্য , তখন জ্যেষ্ঠ পুত্র বললেন , আমি এই অসিয়ত বাস্তবায়ন করব না । আর মা’র ছেলে বলল যে আমি এটা বাস্তবায়ন করছি , বললেন যে আমার মতে এই সম্পত্তির নয় ভাগে ভাগ করতে হবে , তিন ভাগ বড় ছেলেকে দেওয়া হবে , তারপর ছোট ছেলেকে তার অংশ এবং নির্বাহীর অংশ দেওয়া হবে .উইল প্রত্যাখ্যান করেছে , সে কেবল তার অংশ প্রত্যাখ্যান করেছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الْفَزَارِیِّ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، قَالَ : سُئِلَ الزُّہْرِیُّ عَنِ امْرَأَۃٍ أَوْصَتْ بِثُلُثِ مَالِہَا لِزَوْجِہَا فِی سَبِیلِ اللہِ ؟ قَالَ : لاَ یَجُوزُ إلاَّ أَنْ تَقُولَ : ہُوَ فِی سَبِیلِ اللہِ إلَی زَوْجِی ، یَضَعُہُ حَیْثُ شَاء ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 31673 ) উযাই বলেন , যুহরীকে এমন এক মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তার সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ তার স্বামীকে দিয়েছিল .তাঁর ইচ্ছা কি ছিল , তিনি বলেছিলেন যে এই অসিয়ত জায়েজ নয় , হ্যাঁ , ব্যতীত যখন সে বলে যে এই সম্পদ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য .এটি আমার স্বামীকে দেওয়া হোক এবং তিনি যেখানে খুশি সেখানে ব্যয় করতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، قَالَ : کُنْتُ عِنْدَ دَاوُد بْنِ أَبِی ہِنْدٍ ، فَجَائَ رَجُلاَنِ أَوْ أَکْثَرُ مِنْ آلِ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ بَیْنَہُمْ عُبَیْدُ اللہِ بْنُ أَبِی بَکْرٍ ، وَجَاؤُوا مَعَہُمْ بِکِتَابٍ فِی صَحِیفَۃٍ ذَکَرُوا أَنَّہَا وَصِیَّۃُ أَنَسِ بْنِ مَالِکَ ، فَفُتِحْت صَدْرُہَا : بِسْمِ اللہِ الرَّحْمَن الرَّحِیمِ ہَذَا ذِکْرُ مَا کَتَبَ أَنَسُ بْنُ مَالِکٍ فِی ہَذِہِ الصَّحِیفَۃِ مِنْ أَمْرِ وَصِیَّتِہِ ، إنِّی أُوصِی مَنْ تَرَکْت مِنْ أَہْلِی کُلّہُم بِتَقْوَی اللہِ وَشُکْرِہِ وَاسْتِمْسَاکٍ بِحَبْلِہِ ، وَإِیمَانٍ بِوَعْدِہِ ، وَأُوصِیہِمْ بِصَلاَحِ ذَاتِ بَیْنِہِم وَالتَّرَاحُمِ وَالْبِرِّ وَالتَّقْوَی ، ثُمَّ أَوْصَی إنْ تُوُفِّیَ أَنَّ ثُلُثَ مَالِہِ صَدَقَۃٌ إلاَّ أَنْ یُغَیِّرَ وَصِیَّتَہُ قَبْلَ أَنْ یَلْحَقَ بِاللہِ ، أَلْف فِی سَبِیلِ اللہِ إنْ کَانَ أَمْرُ الأُمَّۃِ یَوْمئِذٍ جَمِیعًا ، وَفِی الرِّقَابِ وَالأَقْرَبِینَ ، وَمَنْ سَمَّیْت لَہُ الْعِتْقَ مِنْ رَقِیقِی یَوْمَ دُبُر مِنِّی فَأَدْرَکَہُ الْعِتْقُ فَإِنَّہُ یُقِیمُہُ وَلِیُّ وَصِیَّتِی فِی الثُّلُثِ غَیْرَ حَرِجٍ ، وَلاَ مُنَازِعٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৬৭৪) ইবনে উলিয়া বলেন , আমি দাউদ ইবনে আবী হিন্দের সাথে ছিলাম , হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) -এর পরিবারের দুই বা ততোধিক লোক তার কাছে এলেন , হযরত উবায়দুল্লাহ ইবনে আবী বকর ( রা . ) - কেও তিনি সঙ্গে নিয়ে এলেন একটি দলিলের ভিতর একটি চিঠি , এবং তিনি বলেছিলেন যে এটি হজরত আনাস বিন মালিক (রা:) এর ইচ্ছা ছিল , আমি এটি খুললাম এবং তাতে লেখা ছিল : পরম করুণাময়, পরম করুণাময় আল্লাহর নামে : এটি । এই দলিলে আনাস বিন মালেক ( রা ) যে উইলটি লিখেছিলেন তার উল্লেখ আছে , “ আমি চাই আমার পরিবারের সবাই আল্লাহ তাবারককে ভয় করুক এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুক এবং তাঁর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরুক এবং তাঁর প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করুক । আমি অসিয়ত করেছিলাম , এবং আমি তাদের নিজেদের মধ্যে ভালোভাবে বসবাস করতে এবং একে অপরের সাথে সদ্ব্যবহার করতে বলি এবং আল্লাহকে ভয় করতে বলি , অতঃপর তিনি অসিয়ত করলেন যে , তার সম্পত্তির এক - তৃতীয়াংশ দান , কিন্তু তিনি তার পরিবর্তন করলেন তার মৃত্যুর আগে উইল করবে , যার মধ্যে এক হাজার আল্লাহর পথে মুজাহিদদের জন্য, যদি সে সময় উম্মাহর শিরাজ ছত্রভঙ্গ না হয় এবং দাস - দাস মুক্ত করে আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে বণ্টন করা হয় । আমি গ্রহণ করেছি , এবং আমার পরে যাদের আমি মুক্ত করেছি , এবং যখন তার স্বাধীনতার সময় আসবে , তখন সে আমার ইচ্ছার এক তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী থাকবে , এমনভাবে যাতে কেউ না থাকে গর্ব এবং কলহ সৃষ্টি করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : کَانَ مِنْہُمْ مَنْ یُوَرِّثُ الصَّامِتَ وَمِنْہُمْ مَنْ لاَ یُوَرِّثُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৭৫ ) মুহাম্মাদ বিন সিরীন বলেন , আমার পূর্বসূরিরা কেউ সম্পদ ( দিরহাম ও দিনার ) রেখে যেতেন এবং কেউ কেউ রাখেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، قَالَ : قَالَ سُفْیَانُ : لاَ تَجُوزُ وَصِیَّۃٌ لأَہْلِ الْحَرْبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৭৬ ) উবায়দ আল্লাহ ইবনে মুসা বলেন যে , সূফী বলেছেন যে , যুদ্ধরতদের জন্য অসিয়ত করা জায়েয নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷۷) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ السَّائِبِ : أَنَّ رَجُلاً أَوْصَی أَنْ تُعْتَقَ عَنْہُ رَقَبَتَانِ بِثَمَنٍ ، وَسَمَّاہُ ، فَلَمْ یُوجَدْ بِذَلِکَ الثَمَنُ رَقَبَتَانِ ، فَسَأَلْت عَطَائً ، فَقَالَ : اشْتَرُوا رَقَبَۃً وَاحِدَۃً وَأَعْتِقُوہَا عَنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 31677 ) সাঈদ বিন সায়েব বলেন , এক ব্যক্তি অসিয়ত করলেন যে , তার পক্ষ থেকে দুটি ক্রীতদাস ক্রয় করে মুক্ত করা হবে এবং তাদের মূল্য আমাকে বলুন , কিন্তু আমি এই মূল্যে দুটি ক্রীতদাস পেতে পারিনি । কার দ্বারা মুক্ত হতে হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ہِشَامُ بْنُ حَسَّانٍ ، قَالَ : کَانَ أَوَّلُ وَصِیَّۃِ مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ : ہَذَا مَا أَوْصَی بِہِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَمْرَۃَ ، أَنَّہُ یَشْہَدُ أَنْ لاَ إلَہَ إلاَّ اللَّہُ ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُہُ وَرَسُولُہُ ، وَأَوْصَی بَنِیہِ وَأَہْلِہِ أَنِ {اتَّقُوا اللَّہَ وَأَصْلِحُوا ذَاتَ بَیْنِکُمْ وَأَطِیعُوا اللَّہَ وَرَسُولَہُ إنْ کُنْتُمْ مُؤْمِنِینَ} ، وَأُوصِیہِمْ بِمَا أَوْصَی بِہِ إبْرَاہِیمُ بَنِیہِ وَیَعْقُوبُ : {یَا بَنِیَّ إنَّ اللَّہَ اصْطَفَی لَکُمُ الدِّینَ فَلاَ تَمُوتُنَّ إلاَّ وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} وَزَعَمَ أَنَّہَا کَانَتْ أَوَّلَ وَصِیَّۃِ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 31678) হিশাম বিন হাসান বলেন যে মুহাম্মদ বিন সিরীন ( রহঃ ) এর প্রথম উইল এটি : এটি মুহাম্মদ বিন আবী উমরাহ যে অসিয়ত করেছিলেন , আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে , আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমি আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসূল এবং আমি আমার কাছে অসিয়ত করছি । পুত্র ও আমার পরিবারবর্গ যেন আল্লাহকে ভয় করে এবং সৎপথে জীবনযাপন করে এবং যদি তারা ঈমানদার হয় তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে এবং আমি তাদের জন্য ওসিয়্যাত করছি যা হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) করেছিলেন ।তাঁর পুত্র ও হজরত আকূব ( আ . ) - এর প্রতি যে হে বৎস ! নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তোমার দ্বীনকে পছন্দ করেছেন , তাই তুমি মুসলমান হওয়া অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে এবং তিনি বলেন যে এটি হজরত আনাস ( রা . ) ইবনে মালিক ( রা . ) - এর প্রথম অসিয়ত ছিল । আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস