(২৯) হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৬৮২৩-৭৭৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ৯৪৫টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৮৫৫টি]



6912 OK

(৬৯১২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْعَلَاءِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُؤْمِنُ يَغَارُ الْمُؤْمِنُ يَغَارُ الْمُؤْمِنُ يَغَارُ وَاللَّهُ أَشَدُّ غَيْرًا


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একজন মুমিন ঈর্ষান্বিত হয়, একজন মুমিন ঈর্ষান্বিত হয়, একজন মুমিন ঈর্ষান্বিত হয়। আর আল্লাহ তার চেয়েও বেশি ঈর্ষান্বিত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6913 OK

(৬৯১৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ بَكْرٍ عَنْ أَبِي رَافِعٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ لَقِيتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا جُنُبٌ فَمَشَيْتُ مَعَهُ حَتَّى قَعَدَ فَانْسَلَلْتُ فَأَتَيْتُ الرَّحْلَ فَاغْتَسَلْتُ ثُمَّ جِئْتُ وَهُوَ قَاعِدٌ فَقَالَ أَيْنَ كُنْتَ فَقُلْتُ لَقِيتَنِي وَأَنَا جُنُبٌ فَكَرِهْتُ أَنْ أَجْلِسَ إِلَيْكَ وَأَنَا جُنُبٌ فَانْطَلَقْتُ فَاغْتَسَلْتُ فَقَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ إِنَّ الْمُؤْمِنَ لَا يَنْجُسُ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি অপবিত্র অবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে দেখা করলাম। আমি তাঁর সাথে হেঁটে গেলাম যতক্ষণ না তিনি এক জায়গায় বসে পড়লেন। আমি তাঁর পিছনে পিছন পিছন গিয়ে আমার তাঁবুতে গেলাম, গোসল করলাম এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে ফিরে এলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখনও সেখানে ছিলেন এবং আমাকে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি কোথায় চলে গিয়েছিলে?” আমি বললাম, “আমি অপবিত্র অবস্থায় ছিলাম এবং অপবিত্র অবস্থায় আপনার সাথে বসতে আমার ভালো লাগছিলো না, তাই আমি গিয়ে গোসল করলাম (এবং তারপর আপনার কাছে এলাম)।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সুবহানাল্লাহ! একজন বিশ্বাসী কখনোই অপবিত্র নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6914 OK

(৬৯১৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِخَيْرِكُمْ قَالُوا نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ خِيَارُكُمْ أَطْوَلُكُمْ أَعْمَارًا وَأَحْسَنُكُمْ أَعْمَالًا قَالَ أَبُو عَبْد الرَّحْمَنِ سَأَلْتُ أَبِي عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ وَسُهيْلٍ عَنْ أَبِيهِ فَقَالَ لَمْ أَسْمَعْ أَحَدًا ذَكَرَ الْعَلَاءَ إِلَّا بِخَيْرٍ وَقَدَّمَ أَبَا صَالِحٍ عَلَى الْعَلَاءِ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি কি তোমাদেরকে বলবো না যে, তোমাদের মধ্যে কে সর্বোত্তম?” সাহাবীগণ রাদিয়াল্লাহু আনহুম বললেন, “হ্যাঁ, হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম হলো তারা, যারা দীর্ঘজীবী হয় এবং তাদের আমলও সর্বোত্তম (যারা সৎ চরিত্রবান ব্যক্তি)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6915 OK

(৬৯১৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ سُلَيْمَانَ يَعْنِي التَّيْمِيَّ عَنْ بَرَكَةَ عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمُدُّ يَدَيْهِ حَتَّى إِنِّي لَأَرَى بَيَاضَ إِبْطَيْهِ وَقَالَ سُلَيْمَانُ يَعْنِي فِي الِاسْتِسْقَاءِ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাঁর হাত এমনভাবে ছড়িয়ে দিতে দেখেছি যে, তাঁর পবিত্র বগলের শুভ্রতা আমি দেখতে পাচ্ছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, এটি ছিল দুআ পাঠের সময়। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6916 OK

(৬৯১৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ آدَمَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ الْجُمُعَةَ عَلَى مَنْ قَبْلَنَا فَاخْتَلَفُوا فِيهَا وَهَدَانَا اللَّهُ لَهَا فَالنَّاسُ لَنَا فِيهَا تَبَعٌ غَدًا لِلْيَهُودِ وَبَعْدَ غَدٍ لِلنَّصَارَى


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর জুমার দিন (শুক্রবার) ফরজ করেছিলেন। কিন্তু তারা এ ব্যাপারে মতবিরোধ করেছিলো। ফলে আগামীকাল (শনিবার) হয়ে গেলো ইহুদিদের জন্যে এবং পরশু (রবিবার) হয়ে গেলো খ্রিস্টানদের জন্যে। কিন্তু আল্লাহ আমাদেরকে এতে পথ দেখিয়েছেন, তাই এখন মানুষ এই সঠিক দিনটির ব্যাপারে (শুক্রবার) আমাদের অনুসরণ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6917 OK

(৬৯১৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ الرَّجُلَ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ لَا يَرَى بِهَا بَأْسًا يَهْوِي بِهَا سَبْعِينَ خَرِيفًا فِي النَّارِ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কখনো কখনো কোনো ব্যক্তি এমন কিছু বলে, যার মধ্যে সে কোনো ক্ষতিকর কিছু দেখতে পায় না, কিন্তু কিয়ামতের দিন সেই একটি কথার কারণে সে সত্তর বছর জাহান্নামে কাটাবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6918 OK

(৬৯১৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ خِلَاسٍ عَنْ أَبِي رَافِعٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَدْرَكْتَ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَصَلِّ عَلَيْهَا أُخْرَى


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমরা সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের এক রাকাত নামায পাও, তখন তার সাথে আরও এক রাকাত যোগ করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6919 OK

(৬৯১৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ مَالِكٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ امْرَأَتَيْنِ مِنْ بَنِي هُذَيْلٍ رَمَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى فَأَلْقَتْ جَنِينًا فَقَضَى فِيهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِغُرَّةٍ عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার বনু হুযাইলের দুই মহিলার মধ্যে ঝগড়া শুরু হলো। তাদের একজন অন্যজনের দিকে পাথর ছুঁড়ে মারলো, ফলে যে গর্ভবতী ছিলো তার গায়ে তার পাথরটি আঘাত করলো। ফলে গর্ভের শিশুটি মৃত অবস্থায় জন্মগ্রহণ করলো। সুতরাং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই বিষয়ের উপর রক্তপণ হিসেবে একটি দাস বা দাসী নির্ধারণ করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6920 OK

(৬৯২০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ لَوْ رَأَيْتُ الظِّبَاءَ بِالْمَدِينَةِ مَا ذَعَرْتُهَا إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا بَيْنَ لَابَتَيْهَا حَرَامٌ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি মদীনা মুনাওয়ারায় হরিণ দেখলেও তাদের ভয় দেখাবো না, কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মদীনা মুনাওয়ারার দুই কোণের মধ্যবর্তী স্থান হলো পবিত্র স্থান। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6921 OK

(৬৯২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ وَلَكِنَّ الشَّدِيدَ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একজন পালোয়ান সে নয়, যে কাউকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়, বরং প্রকৃত পালোয়ান সে, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6922 OK

(৬৯২২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يُكَبِّرُ كُلَّمَا خَفَضَ وَرَفَعَ وَيَقُولُ إِنِّي أَشْبَهُكُمْ صَلَاةً بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু যখনই নামাযের সময় রুকু করতেন অথবা মাথা উঁচু করতেন, তখন তিনি তাকবীর বলতেন এবং বলতেন যে, “আমি নামাযে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6923 OK

(৬৯২৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ تَوَضَّأَ فَلْيَنْثُرْ وَمَنْ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি অজু করে, সে যেনো তার নাকও পরিষ্কার করে। আর যে ব্যক্তি পাথর দিয়ে অজু করে, সে যেনো বেজোড় সংখ্যা বেছে নেয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6924 OK

(৬৯২৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ تُسَافِرُ يَوْمًا وَلَيْلَةً إِلَّا مَعَ ذِي رَحِمٍ مِنْ أَهْلِهَا


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে নারী আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যে তার পরিবারের কোনো মাহরাম সদস্য ছাড়া, একদিনের জন্যও সফর করা জায়েজ নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6925 OK

(৬৯২৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ وَمِنْبَرِي عَلَى حَوْضِي


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমার ঘর ও আমার মিম্বরের মধ্যবর্তী অংশটি জান্নাতের বাগান এবং কিয়ামতের দিন আমার মিম্বর আমার হাউজের উপর স্থাপন করা হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6926 OK

(৬৯২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَيُّوبُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ وَعَنْ كُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنْ الطَّيْرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন প্রত্যেক বন্য প্রাণীকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র থাবা দিয়ে শিকার করতে পারে। আর এমন প্রত্যেক পাখিকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র নখ দিয়ে শিকার করতে পারে। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6927 OK

(৬৯২৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ سُمَيٍّ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ السَّفَرُ قِطْعَةٌ مِنْ الْعَذَابِ يَمْنَعُ أَحَدَكُمْ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ وَنَوْمَهُ فَإِذَا قَضَى أَحَدُكُمْ نَهْمَتَهُ مِنْ سَفَرِهِ فَلْيُعَجِّلْ إِلَى أَهْلِهِ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সফর এমন একটি শাস্তি, যা তোমাদের কাউকে তার খাদ্য, পানীয় এবং ঘুম থেকে বিরত রাখে। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন সফরে তার প্রয়োজন পূরণ করে, তখন তার উচিত যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব তার বাড়িতে ফিরে যাওয়া।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6928 OK

(৬৯২৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ سُمَيٍّ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي النِّدَاءِ وَالصَّفِّ الْأَوَّلِ ثُمَّ لَمْ يَجِدُوا إِلَّا أَنْ يَسْتَهِمُوا عَلَيْهِ لَاسْتَهَمُوا عَلَيْهِ وَلَوْ يَعْلَمُوا مَا فِي التَّهْجِيرِ لَاسْتَبَقُوا إِلَيْهِ وَلَوْ يَعْلَمُوا مَا فِي الْعِشَاءِ وَالصُّبْحِ لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি মানুষ আজান এবং প্রথম কাতারের সওয়াব জানতো, এবং লটারী না করে তা পেতে না পারতো, তাহলে তাদের উভয়ের সওয়াব পাওয়ার জন্যে লটারী করতো। যদি মানুষ তাড়াতাড়ি নামাযে আসার সওয়াব জানতো, তাহলে তারা দ্রুত নামাযের দিকে ছুটে আসতো। যদি তারা এশা ও ফজরের নামাযের সওয়াব জানতো, তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও, মসজিদে উপস্থিত হতো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6929 OK

(৬৯২৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَمُرَّ الرَّجُلُ بِقَبْرِ الرَّجُلِ فَيَقُولَ يَا لَيْتَنِي كُنْتُ مَكَانَكَ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না, কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে বলবে, ‘হায়! আমি যদি তোমার জায়গায় থাকতাম’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6930 OK

(৬৯৩০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يُبْعَثَ دَجَّالُونَ كَذَّابُونَ قَرِيبٌ مِنْ ثَلَاثِينَ كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ رَسُولُ اللَّهِ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না, ত্রিশজন দাজ্জাল এবং মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব ঘটবে। যাদের প্রত্যেকেই মনে করবে যে, সে আল্লাহর রসূল।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6931 OK

(৬৯৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَاصَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَمَضَانَ فَوَاصَلَ النَّاسُ فَقَالُوا نَهَيْتَنَا عَنْ الْوِصَالِ وَأَنْتَ تُوَاصِلُ قَالَ إِنِّي لَسْتُ كَأَحَدٍ مِنْكُمْ إِنِّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসে একটি সাহরী খেয়ে পরপর একাধিক রোজা পালন করতেন। যখন লোকেরাও তা পালন করতে লাগলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে তা করতে নিষেধ করেন। তারা বললো যে, “আপনি আমাদেরকে একটানা অনেক দিন রোজা রাখতে নিষেধ করছেন, অথচো আপনি নিজেই তা পালন করছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি তোমাদের মতো নই, আমাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে খাওয়ানো ও পান করানো হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6932 OK

(৬৯৩২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ مَالِكٍ عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَأْتُوا الصَّلَاةَ وَأَنْتُمْ تَسْعَوْنَ وَأْتُوهَا وَعَلَيْكُمْ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা দৌড়ে নামাজে এসো না, বরং শান্ত ভাবে এসো। যতটা পাও নামাজ পড়ো এবং যা অবশিষ্ট থাকে, তা পরে পূর্ণ করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6933 OK

(৬৯৩৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ أَيْنَ الْمُتَحَابُّونَ بِجَلَالِي الْيَوْمَ أُظِلُّهُمْ فِي ظِلِّي يَوْمَ لَا ظِلَّ إِلَّا ظِلِّي


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন বলবেন, “”যারা আমার জন্যে একে অপরকে ভালোবেসে ছিলো তারা আজ কোথায়? আমার গৌরবের কসম! আজ আমি তাদেরকে আমার ছায়ায় আশ্রয় দিবো, কেননা আজ আমার ছায়া ছাড়া আর কোথাও কোনো ছায়া নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6934 OK

(৬৯৩৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمِرْتُ بِقَرْيَةٍ تَأْكُلُ الْقُرَى يَقُولُونَ يَثْرِبُ وَهِيَ الْمَدِينَةُ تَنْفِي النَّاسَ كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমাকে এমন এক জনপদে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা অন্যান্য সকল জনপদকে গ্রাস করবে। মানুষ একে ইয়াসরিব বলে, যদিও এর আসল নাম হচ্ছে মদিনা। আর মদিনা মানুষের পাপ মুছে দেয়, ঠিক যেমন ভাবে কামারের চুলা লোহার ময়লা পরিষ্কার করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6935 OK

(৬৯৩৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ سَلَمَةَ مِنْ آلِ ابْنِ الْأَزْرَقِ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِي مَاءِ الْبَحْرِ هُوَ الطَّهُورُ مَاؤُهُ الْحَلَالُ مَيْتَتُهُ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমুদ্রের পানি সম্পর্কে বলেছেন যে, “সমুদ্রের পানি পবিত্র এবং সমুদ্রের মৃত মাছ হালাল।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6936 OK

(৬৯৩৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ نُعَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى أَنْقَابِ الْمَدِينَةِ مَلَائِكَةٌ لَا يَدْخُلُهَا الدَّجَّالُ وَلَا الطَّاعُونُ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মদীনার প্রবেশ পথ গুলো ফেরেশতারা পাহারা দিচ্ছে। তাই এখানে দাজ্জাল বা প্লেগ প্রবেশ করতে পারবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6937 OK

(৬৯৩৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ يُرِدْ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُصِبْ مِنْهُ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ যার মঙ্গল চান, তাকে তিনি কল্যাণ দান করেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6938 OK

(৬৯৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৬১] view_link


সহিহ হাদিস

قَالَ ابْنُ عُمَرَ حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَخَّصَ فِي بَيْعِ الْعَرَايَا بِخَرْصِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরাইয়ার ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছেন যে, ওজনকৃত খেজুরের বিনিময়ে গাছের অনুমানকৃত খেজুর বিক্রি করা যেতে পারে। মূসা ইবনে উকবা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আরাইয়া বলা হয়, বাগানে এসে কতগুলো নির্দিষ্ট গাছের খেজুর, শুকনা খেজুরের বদলে ক্রয় করে নেয়া। তবে তা পাঁচ ওসাক অথবা পাঁচ ওসাকের কম পরিমাণে হতে হবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6939 OK

(৬৯৩৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ أَبُو الْعَبَّاسِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَائِشَةَ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا فَرَغَ أَحَدُكُمْ مِنْ التَّشَهُّدِ الْآخِرِ فَلْيَتَعَوَّذْ مِنْ أَرْبَعٍ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন নামাযের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ শেষ করবে, তখন সে চারটি জিনিস থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করবে,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَعَذَابِ الْقَبْرِ وَشَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ

“হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার কাছে জাহান্নামের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর একচোখা মিথ্যাবাদী দাজ্জালের ফিতনা থেকে প্রার্থনা করছি। আর আমি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে প্রার্থনা করছি। ” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6940 OK

(৬৯৪০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ وَصَفَّ النَّاسُ صُفُوفَهُمْ وَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَامَ مَقَامَهُ ثُمَّ أَوْمَأَ إِلَيْهِمْ بِيَدِهِ أَنْ مَكَانَكُمْ فَخَرَجَ وَقَدْ اغْتَسَلَ وَرَأْسُهُ يَنْطِفُ فَصَلَّى بِهِمْ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার সালাত শুরু হলে লোকেরা সারিবদ্ধ হতে শুরু করলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও এসে তাঁর স্থানে দাঁড়ালেন। কিছুক্ষণ পর (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মনে পরলো যে, তিনি যুনুবী অবস্থায় আছেন। তাই) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদেরকে হাত দিয়ে ইশারা করে বললেন, “তোমরা এখানেই থাকো।” এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চলে গেলেন। যখন তিনি ফিরে এলেন, তখন তিনি গোসল করেছিলেন এবং তাঁর মাথা থেকে পানি ঝরছিলো। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লোকদের সালাত পড়ালেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6941 OK

(৬৯৪১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ نَبِيٍّ وَلَا وَالٍ إِلَّا وَلَهُ بِطَانَتَانِ بِطَانَةٌ تَأْمُرُهُ بِالْمَعْرُوفِ وَبِطَانَةٌ لَا تَأْلُوهُ خَبَالًا وَمَنْ وُقِيَ شَرَّهُمَا فَقَدْ وُقِيَ وَهُوَ مَعَ الَّتِي تَغْلِبُ عَلَيْهِ مِنْهُمَا


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এমন কোনো নবী বা শাসক নেই, যার দুই ধরনের উপদেষ্টা নেই। একটি দল তাকে ভালো কাজ করার নির্দেশ দেয় ও মন্দ কাজ থেকে নিযেধ করে। আর অন্য দলটি (দুর্ভাগ্যের ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা পালন করতে) কোনো কসরত রাখে না। যে ব্যক্তি উভয়ের অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাবে, সে নিরাপদ থাকবে এবং যে দল তাদের উপর জয়লাভ করবে, তাকে তাদের মধ্যে গণ্য করা হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস