(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৪৬১টি]



6346 OK

(৬৩৪৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا دَرَّاجٌ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّهُ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَاذَا يُبَاعِدُنِي مِنْ غَضَبِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ قَالَ لَا تَغْضَبْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আল্লাহর গজব থেকে আমাকে কী রক্ষা করতে পারে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “রাগ করো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6347 OK

(৬৩৪৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا دَرَّاجٌ عَنْ عِيسَى بْنِ هِلَالٍ الصَّدَفِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ أَرْوَاحَ الْمُؤْمِنِينَ تَلْتَقِي عَلَى مَسِيرَةِ يَوْمٍ مَا رَأَى أَحَدُهُمْ صَاحِبَهُ قَطُّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মুমিনদের আত্মারা একদিনের পথের দূরত্বে মিলিত হয়, অথচ তাদের কেউই একে অপরকে দেখেনি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6348 OK

(৬৩৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩৪৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ مِنْ كِتَابِهِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شُرَيْحٍ سَمِعْتُ شُرَحْبِيلَ بْنَ يَزِيدَ الْمَعَافِرِيَّ أَنَّهُ سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ هُدَيَّةَ الصَّدَفِيَّ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ أَكْثَرَ مُنَافِقِي أُمَّتِي قُرَّاؤُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, “আমার উম্মতের অধিকাংশই মুনাফিক হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6349 OK

(৬৩৪৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنِي حُيَيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيَّ حَدَّثَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَرِيَّةً فَغَنِمُوا وَأَسْرَعُوا الرَّجْعَةَ فَتَحَدَّثَ النَّاسُ بِقُرْبِ مَغْزَاهُمْ وَكَثْرَةِ غَنِيمَتِهِمْ وَسُرْعَةِ رَجْعَتِهِمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى أَقْرَبَ مِنْهُ مَغْزًى وَأَكْثَرَ غَنِيمَةً وَأَوْشَكَ رَجْعَةً مَنْ تَوَضَّأَ ثُمَّ غَدَا إِلَى الْمَسْجِدِ لِسُبْحَةِ الضُّحَى فَهُوَ أَقْرَبُ مَغْزًى وَأَكْثَرُ غَنِيمَةً وَأَوْشَكُ رَجْعَةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক যোদ্ধাবাহিনী প্রেরণ করেন। এই যুদ্ধ সফরে তারা বহু যুদ্ধলব্ধ সম্পদ লাভ করে খুব শীঘ্রই ফিরে আসে। লোকেরা তাদের যুদ্ধস্থানের নিকটবর্তিতা, লব্ধ সম্পদের আধিক্য এবং ফিরে আসার শীঘ্রতা নিয়ে সবিস্ময় বিভিন্ন আলোচনা করতে লাগলো। তা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে ওদের চেয়ে নিকটতর যুদ্ধক্ষেত্র, ওদের চেয়ে অধিকতর লব্ধ সম্পদ এবং ওদের চেয়ে শীঘ্রতর ফিরে আসার কথার সন্ধান বলে দিবো না? যে ব্যক্তি সকালে ওযু করে চাশতের নামাযের উদ্দেশ্যে মসজিদে যায়, সে ব্যক্তি ওদের চেয়ে নিকটতর যুদ্ধক্ষেত্রে যোগদান করে, ওদের চেয়ে অধিকতর সম্পদ লাভ করে এবং ওদের চেয়ে অধিকতর শীঘ্র ঘরে ফিরে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6350 OK

(৬৩৫০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا حُيَيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ جَاءَ حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ اجْعَلْنِي عَلَى شَيْءٍ أَعِيشُ بِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا حَمْزَةُ نَفْسٌ تُحْيِيهَا أَحَبُّ إِلَيْكَ أَمْ نَفْسٌ تُمِيتُهَا قَالَ بَلْ نَفْسٌ أُحْيِيهَا قَالَ عَلَيْكَ بِنَفْسِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হামজা রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! দয়া করে আমাকে এমন একটা কাজ দিন, যাতে আমি এর মাধ্যমে আমার জীবিকা নির্বাহ করতে পারি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হামজা! আত্মাকে জীবিত রাখা কি তোমার কাছে বেশি প্রিয়, নাকি হত্যা করা?” সে বললো, “তাকে জীবিত রাখা।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাহলে তোমার আত্মাকে দৃঢ়ভাবে তোমার নিয়ন্ত্রণে রাখো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6351 OK

(৬৩৫১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا حُيَيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا أَخَافُ عَلَى أُمَّتِي إِلَّا اللَّبَنَ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ بَيْنَ الرَّغْوَةِ وَالصَّرِيحِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি আমার উম্মতের জন্যে কেবল মাত্র ‘দুধের’ ভয় পাই, কারণ শয়তান ‘ফেনা’ এবং ‘পবিত্রতার’ মাঝখানে থাকে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6352 OK

(৬৩৫২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنِي حُيَيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَجُلًا جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا عَمَلُ الْجَنَّةِ قَالَ الصِّدْقُ وَإِذَا صَدَقَ الْعَبْدُ بَرَّ وَإِذَا بَرَّ آمَنَ وَإِذَا آمَنَ دَخَلَ الْجَنَّةَ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا عَمَلُ النَّارِ قَالَ الْكَذِبُ إِذَا كَذَبَ الْعَبْدُ فَجَرَ وَإِذَا فَجَرَ كَفَرَ وَإِذَا كَفَرَ دَخَلَ يَعْنِي النَّارَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বেহেস্তের আমল কী?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সত্য কথা বলা, যখন কোনো বান্দা সত্য কথা বলে, তখন সে সৎকর্ম করে, এবং যখন সে সৎকর্ম করে, তখন সে ঈমান আনে, এবং যখন সে ঈমান আনে, তখন সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” তারপর সে জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! জাহান্নামের আমল কী?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মিথ্যা কথা বলা, যখন কোনো বান্দা মিথ্যা কথা বলে, তখন সে পাপ করে, এবং যখন সে পাপ করে, তখন সে কুফরী করে, এবং যখন সে কুফরী করে, তখন সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6353 OK

(৬৩৫৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا حُيَيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَطَّلِعُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِلَى خَلْقِهِ لَيْلَةَ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ فَيَغْفِرُ لِعِبَادِهِ إِلَّا لِاثْنَيْنِ مُشَاحِنٍ وَقَاتِلِ نَفْسٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা মধ্য শাবানের রাতে প্রতি তাঁর সৃষ্টির প্রতি দৃষ্টিপাত করেন এবং দুইজন ব্যক্তি ব্যতীত সকল বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। (১) যাদের মধ্যে ঘৃণা ও শত্রুতা রয়েছে এবং (২) একজন খুনী।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6354 OK

(৬৩৫৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنِي حُيَيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيَّ حَدَّثَهُ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يَقُولُ أُنْزِلَتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُورَةُ الْمَائِدَةِ وَهُوَ رَاكِبٌ عَلَى رَاحِلَتِهِ فَلَمْ تَسْتَطِعْ أَنْ تَحْمِلَهُ فَنَزَلَ عَنْهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁর বাহনে আরোহণ করছিলেন, তখন তাঁর উপর সূরা আল-মায়িদাহ নাজিল হয়। কিন্তু বাহনটি তাঁর ভার বহন করতে পারেনি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নেমে যেতে হয়েছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6355 OK

(৬৩৫৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي رَبِيعَةُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الدَّيْلَمِيِّ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَهُوَ فِي حَائِطٍ لَهُ بِالطَّائِفِ يُقَالُ لَهُ الْوَهْطُ وَهُوَ مُخَاصِرٌ فَتًى مِنْ قُرَيْشٍ يُزَنُّ بِشُرْبِ الْخَمْرِ فَقُلْتُ بَلَغَنِي عَنْكَ حَدِيثٌ أَنَّ مَنْ شَرِبَ شَرْبَةَ خَمْرٍ لَمْ يَقْبَلْ اللَّهُ لَهُ تَوْبَةً أَرْبَعِينَ صَبَاحًا وَأَنَّ الشَّقِيَّ مَنْ شَقِيَ فِي بَطْنِ أُمِّهِ وَأَنَّهُ مَنْ أَتَى بَيْتَ الْمَقْدِسِ لَا يَنْهَزُهُ إِلَّا الصَّلَاةُ فِيهِ خَرَجَ مِنْ خَطِيئَتِهِ مِثْلَ يَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ فَلَمَّا سَمِعَ الْفَتَى ذِكْرَ الْخَمْرِ اجْتَذَبَ يَدَهُ مِنْ يَدِهِ ثُمَّ انْطَلَقَ ثُمَّ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو إِنِّي لَا أُحِلُّ لِأَحَدٍ أَنْ يَقُولَ عَلَيَّ مَا لَمْ أَقُلْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ شَرِبَ مِنْ الْخَمْرِ شَرْبَةً لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ فَإِنْ عَادَ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ فَإِنْ عَادَ قَالَ فَلَا أَدْرِي فِي الثَّالِثَةِ أَوْ فِي الرَّابِعَةِ فَإِنْ عَادَ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ أَنْ يَسْقِيَهُ مِنْ رَدْغَةِ الْخَبَالِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


হজরত আবদুল্লাহ বিন দাইলামী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি সাইয়্যিদিনা ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর কাছে গেলাম, যখন তিনি তায়েফে তাঁর “ওয়াহত” নামক বাগানে ছিলেন এবং কুরাইশদের এক যুবকের পেটে হাত রেখে তাকে নত করছিলেন। যুবকটিকে মদ পান করার জন্যে শাস্তি দেওয়া হচ্ছিলো। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, “আমি তোমার সম্পর্কে এই হাদীসটি জানতে পেরেছি যে, যে ব্যক্তি এক চুমুক মদ পান করবে, আল্লাহ তার তওবা চল্লিশ দিন পর্যন্ত কবুল করবেন না। আর প্রকৃত হতভাগা সেই ব্যক্তি, যে তার মাতৃগর্ভ থেকে হতভাগা হয়ে এসেছে এবং যে ব্যক্তি সেখানে নামাজ পড়ার একমাত্র উদ্দেশ্য নিয়ে বায়তুল মাকদিসে উপস্থিত হয়, তাহলে সে গুনাহ থেকে এমনভাবে পবিত্র হবে, যেনো সে তার মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নিয়েছে।” মদের কথা শুনে যুবকটি তার হাত ছেড়ে দিয়ে চলে গেলো। সায়্যিদুনা আব্দুল্লাহ বিন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমি কাউকে এমন কিছু আমার উপর আরোপ করার অনুমতি দেই না, যা আমি বলিনি।” আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি এক চুমুক মদ পান করে, তার চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামাজ কবুল হবে না। যদি সে তওবা করে, তাহলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। যদি সে আবার মদ পান করে, তাহলে চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামাজ কবুল হবে না। যদি সে তওবা করে, তাহলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন।” তিনি তৃতীয় বা চতুর্থবার বললেন, “যদি সে আবার পান করে, তাহলে কিয়ামতের দিন আল্লাহর অধিকার আছে যে, তাকে জাহান্নামীদের বমি পান করাবে।” আর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিকে অন্ধকারে সৃষ্টি করেছেন, তারপর সেদিন তিনি তাদের উপর আলোকপাত করেছেন। যে ব্যক্তি সেই আলো দ্বারা আলোকিত হয়েছিলো, সে হিদায়াত পেয়েছে, আর যে আলোকিত হয়নি, সে বিপথগামী হয়েছে।” এই কারণেই আমি বলি যে, আল্লাহর জ্ঞান অনুসারে লেখার পর কলম শুকিয়ে গেছে। আর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “সায়্যিদুনা সুলাইমান আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে তিনটি দোয়া করেছিলেন, যার মধ্যে দুটি দোয়া আল্লাহ কবুল করেছিলেন, এবং আমরা আশা করি যে, তৃতীয়টিও তার পক্ষে হবে। তিনি আল্লাহর কাছে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা চেয়েছিলেন এবং আল্লাহ তাকে তা দান করেছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে এমন একটি সরকার চেয়েছিলেন, যা তার পরে আর কেউ পাবে না, এবং আল্লাহ তাকে তা দান করেছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন যে, যে কেউ আল-আকসা মসজিদে নামাজ পড়ার নিয়তে ঘর থেকে বের হয়, সে যেনো নামাজের পরে এমন ভাবে বের হয়, যেনো তার মা আজ তাকে জন্ম দিয়েছেন। আমরা আশা করি আল্লাহ তাকেও তা দান করেছেন।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6356 OK

(৬৩৫৬)

সহিহ হাদিস

قَالَ وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ خَلَقَ خَلْقَهُ فِي ظُلْمَةٍ ثُمَّ أَلْقَى عَلَيْهِمْ مِنْ نُورِهِ يَوْمَئِذٍ فَمَنْ أَصَابَهُ مِنْ نُورِهِ يَوْمَئِذٍ اهْتَدَى وَمَنْ أَخْطَأَهُ ضَلَّ فَلِذَلِكَ أَقُولُ جَفَّ الْقَلَمُ عَلَى عِلْمِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিকুলকে অন্ধকারে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর একই দিনে তিনি তাদের উপর আলোকপাত করেছেন। যার উপর সেই আলো পড়েছে, সে হেদায়েত পেয়েছে। আর যে সেই আলোর সন্ধান পেলো না, সে পথভ্রষ্ট হয়েছে। সেজন্যই আমি বলি যে, আল্লাহর জ্ঞান অনুযায়ী লেখার পর কলম শুকিয়ে গেছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6357 OK

(৬৩৫৭)

সহিহ হাদিস

وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ دَاوُدَ عَلَيْهِ السَّلَام سَأَلَ اللَّهَ ثَلَاثًا أَعْطَاهُ اثْنَتَيْنِ وَنَحْنُ نَرْجُو أَنْ تَكُونَ لَهُ الثَّالِثَةُ فَسَأَلَهُ حُكْمًا يُصَادِفُ حُكْمَهُ فَأَعْطَاهُ اللَّهُ إِيَّاهُ وَسَأَلَهُ مُلْكًا لَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ مِنْ بَعْدِهِ فَأَعْطَاهُ إِيَّاهُ وَسَأَلَهُ أَيُّمَا رَجُلٍ خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ لَا يُرِيدُ إِلَّا الصَّلَاةَ فِي هَذَا الْمَسْجِدِ خَرَجَ مِنْ خَطِيئَتِهِ مِثْلَ يَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ فَنَحْنُ نَرْجُو أَنْ يَكُونَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ أَعْطَاهُ إِيَّاهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “সায়্যিদুনা সুলাইমান আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে তিনটি দোয়া করেছিলেন, যার মধ্যে দুটি দোয়া আল্লাহ কবুল করেছিলেন, এবং আমরা আশা করি যে, তৃতীয়টিও তার পক্ষে হবে। তিনি আল্লাহর কাছে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা চেয়েছিলেন এবং আল্লাহ তাকে তা দান করেছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে এমন একটি সরকার চেয়েছিলেন, যা তার পরে আর কেউ পাবে না, এবং আল্লাহ তাকে তা দান করেছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন যে, যে কেউ আল-আকসা মসজিদে নামাজ পড়ার নিয়তে ঘর থেকে বের হয়, সে যেনো নামাজের পরে এমন ভাবে বের হয়, যেনো তার মা আজ তাকে জন্ম দিয়েছেন। আমরা আশা করি আল্লাহ তাকেও তা দান করেছেন।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6358 OK

(৬৩৫৮)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ حَدَّثَنِي أَبُو قَبِيلٍ قَالَ كُنَّا عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي وَسُئِلَ أَيُّ الْمَدِينَتَيْنِ تُفْتَحُ أَوَّلًا الْقُسْطَنْطِينِيَّةُ أَوْ رُومِيَّةُ فَدَعَا عَبْدُ اللَّهِ بِصُنْدُوقٍ لَهُ حَلَقٌ قَالَ فَأَخْرَجَ مِنْهُ كِتَابًا قَالَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بَيْنَمَا نَحْنُ حَوْلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَكْتُبُ إِذْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ الْمَدِينَتَيْنِ تُفْتَحُ أَوَّلًا قُسْطَنْطِينِيَّةُ أَوْ رُومِيَّةُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَدِينَةُ هِرَقْلَ تُفْتَحُ أَوَّلًا يَعْنِي قُسْطَنْطِينِيَّةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদিনা ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কেউ জিজ্ঞাসা করলো, “কোন শহরটি প্রথমে বিজিত হবে, কনস্টান্টিনোপল না রোম?” সাইয়্যিদুনা আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু আংটিযুক্ত একটি বাক্স আনতে বললেন, সেখান থেকে একটি বই বের করে বললেন, “একবার আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে বসে লিখছিলাম। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো, ‘কোন শহরটি প্রথমে বিজিত হবে, কনস্টান্টিনোপল না রোম?’ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘হেরাক্লিয়াস শহর, অর্থাৎ কনস্টান্টিনোপল, প্রথমে বিজিত হবে’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6359 OK

(৬৩৫৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২৯৪] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ سَيْفٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَمُوتُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ أَوْ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ إِلَّا وَقَاهُ اللَّهُ فِتْنَةَ الْقَبْرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি শুক্রবার বা শুক্রবার রাতে মারা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের ফিতনা থেকে রক্ষা করবেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৫৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6360 OK

(৬৩৬০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هُبَيْرَةَ عَنْ أَبِي سَالِمٍ الْجَيْشَانِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَحِلُّ أَنْ يَنْكِحَ الْمَرْأَةَ بِطَلَاقِ أُخْرَى وَلَا يَحِلُّ لِرَجُلٍ أَنْ يَبِيعَ عَلَى بَيْعِ صَاحِبِهِ حَتَّى يَذَرَهُ وَلَا يَحِلُّ لِثَلَاثَةِ نَفَرٍ يَكُونُونَ بِأَرْضِ فَلَاةٍ إِلَّا أَمَّرُوا عَلَيْهِمْ أَحَدَهُمْ وَلَا يَحِلُّ لِثَلَاثَةِ نَفَرٍ يَكُونُونَ بِأَرْضِ فَلَاةٍ يَتَنَاجَى اثْنَانِ دُونَ صَاحِبِهِمَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একজন পুরুষের জন্যে জায়েয নয় যে, একজন মহিলাকে তালাক দিয়ে অন্য নারীকে বিয়ে করা। আর একজন পুরুষের জন্য জায়েয নয় যে, একজনের বিয়ের প্রস্তাবের উপর অপরজনের বিয়ের প্রস্তাব দিতে যতক্ষণ না, সে তাকে ছেড়ে দেয়। অপরিচিত দেশে নির্জন ভূমিতে তিনজন পুরুষের জন্যে, তাদের একজনকে তাদের নেতা হিসেবে নিয়োগ করা বাধ্যতামূলক। নির্জন ভূমিতে বসবাসকারী তিনজন পুরুষের জন্যে, তাদের দুজনের মধ্যে ফিসফিসানি করে তৃতীয়জনকে রেখে যাওয়া জায়েয নয়। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6361 OK

(৬৩৬১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبَاحٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ الْمُسْلِمَ الْمُسَدِّدَ لَيُدْرِكُ دَرَجَةَ الصَّوَّامِ الْقَوَّامِ بِآيَاتِ اللَّهِ بِحُسْنِ خُلُقِهِ وَكَرَمِ ضَرِيبَتِهِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنِ الْحَارِثِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ ابْنِ حُجَيْرَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الْمُسْلِمَ الْمُسَدِّدَ فَذَكَرَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, “একজন নেককার মুসলিম তার উত্তম চরিত্র, মহত্ত্ব এবং দয়ার কারণে রোজাদার এবং রাত জাগরণকারীদের স্তরে পৌঁছে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6362 OK

(৬৩৬২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ سَمِعَ سُفْيَانَ بْنَ عَوْفٍ يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ وَنَحْنُ عِنْدَهُ طُوبَى لِلْغُرَبَاءِ فَقِيلَ مَنْ الْغُرَبَاءُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ أُنَاسٌ صَالِحُونَ فِي أُنَاسِ سُوءٍ كَثِيرٍ مَنْ يَعْصِيهِمْ أَكْثَرُ مِمَّنْ يُطِيعُهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর সাথে ছিলাম। তিনি বললেন, “শুভ সংবাদ অপরিচিত অল্প সংখ্যক লোকদের জন্যে।” কেউ একজন জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অপরিচিত অল্প সংখ্যক লোক কাদের বলা হয়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে এমন কিছু সৎ মুমিন লোক আছে, যাদের সংখ্যা কাফেরদের সংখ্যার চেয়ে কম। যারা মানুষ অসৎ হয়ে গেলে তাদেরকে সংস্কার করে সঠিক পথে রাখতে সচেষ্ট হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6363 OK

(৬৩৬৩)

সহিহ হাদিস

قَالَ وَكُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا آخَرَ حِينَ طَلَعَتْ الشَّمْسُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَيَأْتِي أُنَاسٌ مِنْ أُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ نُورُهُمْ كَضَوْءِ الشَّمْسِ قُلْنَا مَنْ أُولَئِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ فُقَرَاءُ الْمُهَاجِرِينَ وَالَّذِينَ تُتَّقَى بِهِمْ الْمَكَارِهُ يَمُوتُ أَحَدُهُمْ وَحَاجَتُهُ فِي صَدْرِهِ يُحْشَرُونَ مِنْ أَقْطَارِ الْأَرْضِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে বসে ছিলাম, আর সূর্য উঠছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের কিছু লোক সূর্যের আলোর মতো তাদের আলো নিয়ে আসবে।” আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!” তারা কারা হবে? তিনি বললেন, “দরিদ্র মুহাজিরদের, যাদের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলি এড়ানো হয়, যারা তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বুকে নিয়ে মারা যেতো, তাদের পৃথিবীর প্রান্ত থেকে একত্রিত করা হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6364 OK

(৬৩৬৪)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا رَاشِدُ بْنُ يَحْيَى الْمَعَافِرِيُّ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيَّ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا غَنِيمَةُ مَجَالِسِ الذِّكْرِ قَالَ غَنِيمَةُ مَجَالِسِ الذِّكْرِ الْجَنَّةُ الْجَنَّةُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললাম, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যিকিরের সমাবেশের প্রতিদান কী?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যিকিরের প্রতিদান হলো জান্নাত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬৪]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6365 OK

(৬৩৬৫)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنِ الْحَارِثِ بْنِ يَزِيدَ الْحَضْرَمِيِّ عَنِ ابْنِ حُجَيْرَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَرْبَعٌ إِذَا كُنَّ فِيكَ فَلَا عَلَيْكَ مَا فَاتَكَ مِنْ الدُّنْيَا حِفْظُ أَمَانَةٍ وَصِدْقُ حَدِيثٍ وَحُسْنُ خَلِيقَةٍ وَعِفَّةٌ فِي طُهْرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “চারটি জিনিস ও গুণ যদি তোমার মধ্যে থাকে, তাহলে সমগ্র পৃথিবী হারানোর মধ্যেও কোনো ক্ষতি নেই। (১) আমানত রক্ষা করা, (২) কথায় সত্যবাদিতা, (৩) উত্তম চরিত্র এবং (৪) খাদ্যে পবিত্রতা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6366 OK

(৬৩৬৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ سُوَيْدِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رِبَاطُ يَوْمٍ خَيْرٌ مِنْ صِيَامِ شَهْرٍ وَقِيَامِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর পথে এক দিনের পাহারা, এক মাসের রোজা ও নামাজের চেয়েও উত্তম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6367 OK

(৬৩৬৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৬১৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَمَتَ نَجَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে চুপ থাকে সে নাজাত পায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6368 OK

(৬৩৬৮)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْقُلُوبُ أَوْعِيَةٌ وَبَعْضُهَا أَوْعَى مِنْ بَعْضٍ فَإِذَا سَأَلْتُمْ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ أَيُّهَا النَّاسُ فَاسْأَلُوهُ وَأَنْتُمْ مُوقِنُونَ بِالْإِجَابَةِ فَإِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَجِيبُ لِعَبْدٍ دَعَاهُ عَنْ ظَهْرِ قَلْبٍ غَافِلٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “অন্তর হলো পাত্রের মতো, কিছু কিছু অন্য গুলোর চেয়ে গভীর, তাই যখন তুমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করো, তখন নিশ্চিত ভাবে প্রার্থনা করো যে, তিনি তোমার প্রার্থনা কবুল করবেন, কারণ আল্লাহ এমন বান্দার প্রার্থনা কবুল করেন না, যে তাঁকে গাফেল হৃদয়ে ডাকে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6369 OK

(৬৩৬৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنِي حُيَيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ تُوُفِّيَ رَجُلٌ بِالْمَدِينَةِ فَصَلَّى عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا لَيْتَهُ مَاتَ فِي غَيْرِ مَوْلِدِهِ فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ النَّاسِ لِمَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ الرَّجُلَ إِذَا تُوُفِّيَ فِي غَيْرِ مَوْلِدِهِ قِيسَ لَهُ مِنْ مَوْلِدِهِ إِلَى مُنْقَطَعِ أَثَرِهِ فِي الْجَنَّةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মদিনায় এক ব্যক্তি মারা গেলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার জানাজার নামাজ পড়ালেন এবং বললেন, “আমি আশা করি, সে যদি তার জন্মভূমিতে মারা না যেতো।” একজন জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা কেনো?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেছেন, “এর কারণ হলো, যখন কোনো ব্যক্তি তার জন্মভূমি ব্যতীত অন্য কোথাও মারা যায়, তখন তাকে তার জন্মভূমি থেকে তার পদচিহ্নের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত জান্নাতে স্থান দেওয়া হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৬৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6370 OK
View Quran

(৬৩৭০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنِي حُيَيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ حَدَّثَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ امْرَأَةً سَرَقَتْ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَاءَ بِهَا الَّذِينَ سَرَقَتْهُمْ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هَذِهِ الْمَرْأَةَ سَرَقَتْنَا قَالَ قَوْمُهَا فَنَحْنُ نَفْدِيهَا يَعْنِي أَهْلَهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اقْطَعُوا يَدَهَا فَقَالُوا نَحْنُ نَفْدِيهَا بِخَمْسِ مِائَةِ دِينَارٍ قَالَ اقْطَعُوا يَدَهَا قَالَ فَقُطِعَتْ يَدُهَا الْيُمْنَى فَقَالَتْ الْمَرْأَةُ هَلْ لِي مِنْ تَوْبَةٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ نَعَمْ أَنْتِ الْيَوْمَ مِنْ خَطِيئَتِكِ كَيَوْمِ وَلَدَتْكِ أُمُّكِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِي سُورَةِ الْمَائِدَةِ فَمَنْ تَابَ مِنْ بَعْدِ ظُلْمِهِ وَأَصْلَحَ إِلَى آخِرِ الْآيَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র যুগে এক মহিলা চুরি করেছিলো। যাদের ঘর থেকে চুরি হয়েছিলো তারা সেই মহিলাকে ধরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে নিয়ে এসে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই মহিলা আমাদের কাছ থেকে চুরি করেছে।” ঐ মহিলার লোকেরা বললো, “আমরা তাকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তার হাত কেটে ফেলো।” তারা বললো, “আমরা পঞ্চাশ দিনার দিয়ে তাকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তার হাত কেটে ফেলো।” তাই তার ডান হাত কেটে ফেলা হলো। পরে মহিলাটি বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার তওবা কি কবুল হতে পারে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আজ তুমি তোমার পাপ থেকে এমন ভাবে পবিত্র হয়ে গেলে, যেনো আজ তোমার মা তোমাকে জন্ম দিয়েছে।” এই উপলক্ষে আল্লাহ তায়ালা সূরা আল-মায়িদার এই আয়াতটি নাযিল করেন,
فَمَن تَابَ مِنۢ بَعۡدِ ظُلۡمِهِۦ وَأَصۡلَحَ فَإِنَّ ٱللَّهَ يَتُوبُ عَلَيۡهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٞ رَّحِيمٌ٣٩
কিন্তু যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি নিজ অত্যাচারের পরে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে ও সংশোধিত হয়, তাহলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৫. আল মায়েদাহ : ৩৯) [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৭০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6371 OK

(৬৩৭১)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ حُيَيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيَّ حَدَّثَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي فِي مَرَابِدِ الْغَنَمِ وَلَا يُصَلِّي فِي مَرَابِدِ الْإِبِلِ وَالْبَقَرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছাগলের পালে নামাজ পড়তেন, কিন্তু উট ও গরুর পালে নামাজ পড়তেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৭১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6372 OK

(৬৩৭২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ حَدَّثَنِي عَمْرٌو يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ مَنْ تَرَكَ الصَّلَاةَ سُكْرًا مَرَّةً وَاحِدَةً فَكَأَنَّمَا كَانَتْ لَهُ الدُّنْيَا وَمَا عَلَيْهَا فَسُلِبَهَا وَمَنْ تَرَكَ الصَّلَاةَ سُكْرًا أَرْبَعَ مَرَّاتٍ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يَسْقِيَهُ مِنْ طِينَةِ الْخَبَالِ قِيلَ وَمَا طِينَةُ الْخَبَالِ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ عُصَارَةُ أَهْلِ جَهَنَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি নেশার কারণে এক ওয়াক্ত নামায ত্যাগ করে, সে যেনো দুনিয়া এবং দুনিয়ার সমস্ত নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হলো। আর যে ব্যক্তি নেশার কারণে চার ওয়াক্ত নামায ত্যাগ করে, আল্লাহর উপর হক হলো তাকে তায়নাতুল খাবাল থেকে পান করানো।” কেউ জিজ্ঞাসা করলো “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাইনাত আল-খাবালের মানে কী?” তিনি বললেন, “তাইনাত আল-খাবাল হলো জাহান্নামের লোকেদের পুঁজ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6373 OK

(৬৩৭৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي يَنْفَتِلُ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ وَرَأَيْتُهُ يُصَلِّي حَافِيًا وَمُنْتَعِلًا وَرَأَيْتُهُ يَشْرَبُ قَائِمًا وَقَاعِدًا قَالَ مُحَمَّدٌ يَعْنِي غُنْدَرًا أَنْبَأَنَا بِهِ الْحُسَيْنُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এমন ভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছেন যে, তিনি সালাতের পরে ডানে-বামে উভয় দিক থেকেই ফিরে যেতেন। আমি তাঁকে খালি পায়ে এবং জুতা পরে সালাত আদায় করতে দেখেছি। আর আমি তাঁকে দাঁড়িয়ে এবং বসে পানি পান করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6374 OK

(৬৩৭৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَيْثَمُ بْنُ خَارِجَةَ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ عَنِ ابْنِ حَرْمَلَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَقُصُّ عَلَى النَّاسِ إِلَّا أَمِيرٌ أَوْ مَأْمُورٌ أَوْ مُرَاءٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ধনী ব্যক্তি, অনুমতি প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ভণ্ড ব্যক্তি ব্যতীত আর কেউ লোকদের কাছে গল্প বলে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6375 OK

(৬৩৭৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ وَهَاشِمٌ يَعْنِي ابْنَ الْقَاسِمِ قَالَا حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَاشِدٍ الْخُزَاعِيُّ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى أَنْ لَا يُقْتَلَ مُسْلِمٌ بِكَافِرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোনো মুসলিমকে কোনো কাফেরের কারণে হত্যা করা যাবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৩৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস