(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১০৩১টি]



5776 OK

(৫৭৭৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا النَّاسُ كَإِبِلٍ مِائَةٍ لَا يُوجَدُ فِيهَا رَاحِلَةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের উদাহরণ হলো, এমন একশটি উটের মতো, যার একটিও চড়ার উপযোগী নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5777 OK

(৫৭৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩২৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বিলাল কেবল মাত্র রাতেই আযান দেয়, সুতরাং ইবনে উম্মে মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত, তোমরা সেহরীর জন্যে পানাহার করতে থাকো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5778 OK

(৫৭৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩২৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বিলাল কেবল মাত্র রাতেই আযান দেয়, সুতরাং ইবনে উম্মে মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত, তোমরা সেহরীর জন্যে পানাহার করতে থাকো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5779 OK

(৫৭৭৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৭১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ صَحِبْتُ ابْنَ عُمَرَ إِلَى الْمَدِينَةِ فَلَمْ أَسْمَعْهُ يُحَدِّثُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا حَدِيثًا كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأُتِيَ بِجُمَّارَةٍ فَقَالَ إِنَّ مِنْ الشَّجَرِ شَجَرَةً مَثَلُهَا كَمَثَلِ الرَّجُلِ الْمُسْلِمِ فَأَرَدْتُ أَنْ أَقُولَ هِيَ النَّخْلَةُ فَنَظَرْتُ فَإِذَا أَنَا أَصْغَرُ الْقَوْمِ فَسَكَتُّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هِيَ النَّخْلَةُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “গাছ সমূহের মধ্যে এমন একটি গাছ আছে যার পাতা কখনো ঝরে না। সেটিই মুমিনের উদাহরণ। তোমরা আমাকে বলো, সেটা কোন গাছ?” আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, সকলেই ধারণা করতে লাগলো পাহাড়ী অথবা জংলী গাছ হবে, কিন্তু আমার মনে হলো সেটা নিশ্চই খেজুর গাছ। অবশেষে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সেটা খেজুর গাছ।” অথচ আমি সেটা বলতে লজ্জা পাচ্ছিলাম (বয়সে ছোট হবার কারণে তা বলিনি)। আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট আমার মনের ধারণা প্রকাশ করলাম। তিনি বললেন, “তুমি যদি সেই কথাটা বলে দিতে, তাহলে সেটা আমার নিকট এতো এতো সম্পদের চাইতেও অধিক প্রিয় হতো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5780 OK

(৫৭৮০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭০৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْأَعْمَشِ سَمِعَ أَبَا وَائِلٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ وَيُقَالُ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلَانٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কেয়ামতের দিন প্রত্যেক প্রতারকের জন্যে একটি পতাকা থাকবে। আর বলা হবে যে, ‘এটি অমুক প্রতারকের পতাকা’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5781 OK
View Quran

(৫৭৮১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا لَيْثٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَرَّقَ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ وَقَطَّعَ وَهِيَ الْبُوَيْرَةُ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى مَا قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا فَبِإِذْنِ اللَّهِ وَلِيُخْزِيَ الْفَاسِقِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বানী নযীর গোত্রের খেজুর গাছ জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন এবং কেটে ফেলেছিলেন। এ গাছগুলো ছিল ‘বুয়াইরা’ নামক জায়গায়। এরপর আল্লাহ তাআলা এই আয়াত অবতীর্ণ করেন,

مَا قَطَعۡتُم مِّن لِّينَةٍ أَوۡ تَرَكۡتُمُوهَا قَآئِمَةً عَلَىٰٓ أُصُولِهَا فَبِإِذۡنِ ٱللَّهِ وَلِيُخۡزِيَ ٱلۡفَٰسِقِينَ٥
তোমরা খেজুর গাছ হতে যেগুলোকে কেটে ফেলেছো অথবা যেগুলোকে তাদের শিকড়ের উপরে দন্ডায়মান রেখে দিয়েছো, সুতরাং তা আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে। আর যেনো আল্লাহ অবাধ্যদেরকে লাঞ্ছিত করেন। (৫৯. আল হাশর : ৫) [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5782 OK

(৫৭৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا لَيْثٌ حَدَّثَنِي نَافِعٌ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ أَخْبَرَهُ أَنَّ امْرَأَةً وُجِدَتْ فِي بَعْضِ مَغَازِي رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَقْتُولَةً فَأَنْكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَتْلَ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার এক যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন নারীকে যুদ্ধে নিহত হতে দেখলেন, তখন তিনি তাতে অসন্তুষ্ট হলেন এবং নারী ও শিশুদেরকে হত্যা করতে নিষেধ করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5783 OK

(৫৭৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪৩০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ إِذَا انْصَرَفَ مِنْ الْجُمُعَةِ انْصَرَفَ إِلَى مَنْزِلِهِ فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَذَكَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু জুমার নামাজ শেষ করে ঘরে ফিরে যেতেন এবং দুই রাকাত নামাজ পড়তেন এবং বলতেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও একই কাজ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5784 OK

(৫৭৮৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا كُنْتُمْ ثَلَاثَةً فَلَا يَنْتَجِي اثْنَانِ دُونَ صَاحِبِهِمَا قَالَ قُلْنَا فَإِنْ كَانُوا أَرْبَعًا قَالَ فَلَا يَضُرُّ


হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি তোমরা কখনো তিনজন ব্যক্তি একত্রে থাকো, তবে তোমাদের দুইজন ব্যক্তি, তৃতীয় ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে (একান্তে) কথা বলবে না, কারণ এটি তাকে দুঃখ দিবে।” আমরা জিজ্ঞেস করলাম, “চারজন হলে কী হবে?” হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তাহলে তো কোনো সমস্যা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5785 OK

(৫৭৮৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تُبَاعَ الثَّمَرَةُ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهَا قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا صَلَاحُهَا قَالَ إِذَا ذَهَبَتْ عَاهَتُهَا وَخَلَصَ طَيِّبُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফল পাকানোর আগে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ফল পাকা বলতে কী বোঝায়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যখন তা থেকে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দূর হয়ে যায় এবং উত্তম ফল বের হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5786 OK

(৫৭৮৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪২৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْكُمْ أَحَدٌ إِلَّا يُعْرَضُ عَلَيْهِ مَقْعَدُهُ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ إِنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَمِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَإِنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ النَّارِ فَمِنْ أَهْلِ النَّارِ يُقَالُ هَذَا مَقْعَدُكَ حَتَّى تُبْعَثَ إِلَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কবর বাসীদের প্রত্যেক ব্যক্তিকে সকাল ও সন্ধ্যায় তার বাসস্থানের সামনে হাজির করা হয়। যদি সে জান্নাত বাসী হয়, তাহলে তাকে জান্নাত বাসীদের আবাস দেখানো হয়। আর যদি সে জাহান্নাম বাসী হয়, তাহলে তাকে জাহান্নাম বাসীদের আবাস দেখানো হয়। আর বলা হয় যে, এটিই তোমার আবাসস্থল, যতক্ষণ না তোমরা পুনরুত্থিত হবে।”


[মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5787 OK

(৫৭৮৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৭৬১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ قَالَ قَالَ نَافِعٌ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَبِيعُ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ وَلَا يَخْطُبُ بَعْضُكُمْ عَلَى خِطْبَةِ بَعْضٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ যেনো, একে অপরের দামের উপর দাম বাড়িয়ে, কোনো বস্তু ক্রয় না করে। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেনো, তার ভাইয়ের বিয়ের প্রস্তাবের উপরে, তার বিয়ের প্রস্তাব না পাঠায়।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5788 OK

(৫৭৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৭১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ تَطْلِيقَةً وَهِيَ حَائِضٌ فَسَأَلَ عُمَرُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهُ أَنْ يَرْجِعَهَا ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ يُطَلِّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا قَالَ وَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سُئِلَ عَنْ الرَّجُلِ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَيَقُولُ أَمَّا أَنَا فَطَلَّقْتُهَا وَاحِدَةً أَوْ اثْنَتَيْنِ ثُمَّ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهُ أَنْ يُرْجِعَهَا ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ يُطَلِّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا وَأَمَّا أَنْتَ طَلَّقْتَهَا ثَلَاثًا فَقَدْ عَصَيْتَ اللَّهَ بِمَا أَمَرَكَ بِهِ مِنْ طَلَاقِ امْرَأَتِكَ وَبَانَتْ مِنْكَ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় এক ত্বলাক্ব দেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে আদেশ দিলেন, তিনি যেনো তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনেন এবং মহিলা পবিত্র হয়ে, আবার ঋতুবতী হয়ে, পরবর্তী পবিত্রা অবস্থা আসা পর্যন্ত, তাকে নিজের কাছে রাখেন। পবিত্র অবস্থায় যদি তাকে ত্বলাক্ব দিতে চায়, তবে সঙ্গমের পূর্বে ত্বলাক দিতে হবে। এটাই ইদ্দাত, যে সময় স্ত্রীদেরকে ত্বলাক্ব দেয়ার জন্যে আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন। আবদুল্লাহকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি তাদেরকে বলেন, “তুমি যদি তাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়ে দাও, তবে স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করা পর্যন্ত, তোমার জন্যে হারাম হয়ে যাবে।” অন্য বর্ণনায় হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তুমি যদি এক বা দুইত্বলাক্ব দিতে, তবে সেটাই উত্তম। কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এরকমই নির্দেশ দিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5789 OK

(৫৭৮৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا لَيْثٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يُقِيمَنَّ أَحَدُكُمْ الرَّجُلَ مِنْ مَجْلِسِهِ ثُمَّ يَجْلِسُ فِيهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেনো, অন্য কাউকে তার স্থান থেকে তুলে নিজে সেখানে না বসে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5790 OK

(৫৭৯০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ كَيْفَ صَلَاةُ الْمُسَافِرِ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ فَقَالَ أَمَّا أَنْتُمْ فَتَتَّبِعُونَ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخْبَرْتُكُمْ وَأَمَّا أَنْتُمْ لَا تَتَّبِعُونَ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ لَمْ أُخْبِرْكُمْ قَالَ قُلْنَا فَخَيْرُ السُّنَنِ سُنَّةُ نَبِيِّنَا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ فَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا خَرَجَ مِنْ هَذِهِ الْمَدِينَةِ لَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْهَا


হজরত বিশর বিন হারব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদিনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলাম, “হে আবু আব্দুর রহমান! মুসাফিরের নামাজ কিভাবে পড়া হয়?” তিনি বললেন, “যদি তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণ করো, তাহলে আমি তোমাকে বলবো। আর যদি না করো, তাহলে আমি তোমাকে বলবো না।” আমরা বললাম, “হে আবু আব্দুর রহমান! সর্বোত্তম পন্থা হলো, আমাদের রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত।” তিনি বলেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন এই শহর ত্যাগ করতেন, তখন ফিরে না আসা পর্যন্ত তিনি দুই রাকাতের বেশি নামায পড়তেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5791 OK

(৫৭৯১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ أَخْبَرَنَا بِشْرٌ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي مَدِينَتِنَا وَبَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا وَبَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِنَا وَبَارِكْ لَنَا فِي مُدِّنَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ! আমাদের মদীনা শহর, আমাদের সিরিয়া ও আমাদের ইয়েমেনে বরকত দান করুন এবং আমাদের সাএ বরকত দান করুন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5792 OK

(৫৭৯২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ مُتَعَمِّدًا حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইচ্ছাকৃত ভাবে আসরের সালাত ত্যাগ করলো, তার পরিবার-পরিজন ও সম্পদ যেনো ধ্বংস হয়ে গেলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5793 OK

(৫৭৯৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬৪১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُؤَمَّلٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجَلُكُمْ فِي أَجَلِ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ كَمَا بَيْنَ صَلَاةِ الْعَصْرِ إِلَى غُرُوبِ الشَّمْسِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদেরও পূর্বের যেসব উম্মত অতীত হয়ে গেছে, তাদের অনুপাতে তোমাদের অবস্থান হলো আসরের সালাত এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার মধ্যবর্তী সময় টুকুর সমান।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5794 OK

(৫৭৯৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ وَسُرَيْجٌ قَالَا حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ مُعْتَمِرًا فَحَالَ كُفَّارُ قُرَيْشٍ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْبَيْتِ فَنَحَرَ هَدْيَهُ وَحَلَقَ رَأْسَهُ بِالْحُدَيْبِيَةِ فَصَالَحَهُمْ عَلَى أَنْ يَعْتَمِرُوا الْعَامَ الْمُقْبِلَ وَلَا يَحْمِلَ السِّلَاحَ عَلَيْهِمْ وَقَالَ سُرَيْجٌ وَلَا يَحْمِلَ سِلَاحًا إِلَّا سُيُوفًا وَلَا يُقِيمَ بِهَا إِلَّا مَا أَحَبُّوا فَاعْتَمَرَ مِنْ الْعَامِ الْمُقْبِلِ فَدَخَلَهَا كَمَا كَانَ صَالَحَهُمْ فَلَمَّا أَنْ أَقَامَ ثَلَاثًا أَمَرُوهُ أَنْ يَخْرُجَ فَخَرَجَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উমরার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন, কিন্তু কুরাইশদের কাফেররা তাঁর এবং আল্লাহর ঘরের মাঝখানে বাধা হয়ে দাঁড়াল। হুদায়বিয়ায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কুরবানীর পশু জবাই করতে এবং তার মাথা মুণ্ডন করতে বাধ্য করা হলো। তিনি তাদের সাথে এই শর্তে সন্ধি করলেন যে, তারা পরের বছর উমরার জন্য ফিরে আসবে এবং অস্ত্র সাথে আনবে না, যদিও তাদের তরবারি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হবে এবং মক্কায় তাদের অবস্থান কুরাইশদের ইচ্ছানুযায়ী হবে। তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পরের বছর উমরার জন্যে রওনা হলেন এবং সন্ধির শর্তানুযায়ী মক্কায় প্রবেশ করলেন। তিন দিন অবস্থান করার পর, কুরাইশরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফিরে যেতে বললো, তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা ত্যাগ করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5795 OK

(৫৭৯৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَبَّدَ رَأْسَهُ وَأَهْدَى فَلَمَّا قَدِمَ مَكَّةَ أَمَرَ نِسَاءَهُ أَنْ يَحْلِلْنَ قُلْنَ مَا لَكَ أَنْتَ لَا تَحِلُّ قَالَ إِنِّي قَلَّدْتُ هَدْيِي وَلَبَّدْتُ رَأْسِي فَلَا أَحِلُّ حَتَّى أَحِلَّ مِنْ حَجَّتِي وَأَحْلِقَ رَأْسِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মাথা মুণ্ডন করলেন এবং কুরবানীর পশুও সঙ্গে করে নিলেন। মক্কায় পৌঁছে তিনি তাঁর স্ত্রীদের ইহরাম খুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন। তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনি কেনো হালাল হচ্ছেন না?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি আমার কুরবানীর পশুর গলায় হার বেঁধেছি এবং চুল বেঁধেছি, তাই আমি আমার হজ্জ সম্পন্ন না করা এবং মাথা মুণ্ডন না করা পর্যন্ত হালাল হতে পারবো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5796 OK

(৫৭৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَأَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْبَطْحَاءِ ثُمَّ هَجَعَ بِهَا هَجْعَةً ثُمَّ دَخَلَ مَكَّةَ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَفْعَلُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘বাথা’ নামক স্থানে যোহর, আসর, মাগরিব ও এশার নামায পড়লেন। সেখানে রাত্রি যাপন করলেন। তারপর মক্কায় প্রবেশ করেন। বর্ণনাকারী বলেন, হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুও একই কাজ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5797 OK

(৫৭৯৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ عَنْ أَيُّوبَ وَعُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الدَّجَّالَ أَعْوَرُ عَيْنِ الْيُمْنَى وَعَيْنُهُ الْأُخْرَى كَأَنَّهَا عِنَبَةٌ طَافِيَةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “দাজ্জালের ডান চোখ কানা থাকবে এবং তার অন্য চোখ আঙ্গুরের বীজের মতো ফুলে থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5798 OK

(৫৭৯৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর নফল নামায পড়তেন, সওয়ারী যে দিকেই মুখ করে থাকতো না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5799 OK

(৫৭৯৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَيَّانَ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ سَمِعَ ابْنُ عُمَرَ رَجُلًا يَقُولُ وَالْكَعْبَةِ فَقَالَ لَا تَحْلِفْ بِغَيْرِ اللَّهِ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ حَلَفَ بِغَيْرِ اللَّهِ فَقَدْ كَفَرَ وَأَشْرَكَ


হজরত সাদ ইবনে উবাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এক ব্যক্তিকে কাবার শপথ করতে শুনেছিলেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করো না, কারণ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “তোমার পিতার নামে বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করো না। কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে শপথ করে, সে শিরক করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5800 OK

(৫৮০০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১২০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ قَالَ جَلَسْتُ أَنَا وَمُحَمَّدٌ الْكِنْدِيُّ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ثُمَّ قُمْتُ مِنْ عِنْدِهِ فَجَلَسْتُ إِلَى سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ فَجَاءَ صَاحِبِي وَقَدْ اصْفَرَّ وَجْهُهُ وَتَغَيَّرَ لَوْنُهُ فَقَالَ قُمْ إِلَيَّ قُلْتُ أَلَمْ أَكُنْ جَالِسًا مَعَكَ السَّاعَةَ فَقَالَ سَعِيدٌ قُمْ إِلَى صَاحِبِكَ قَالَ فَقُمْتُ إِلَيْهِ فَقَالَ أَلَمْ تَسْمَعْ إِلَى مَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ قُلْتُ وَمَا قَالَ قَالَ أَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَعَلَيَّ جُنَاحٌ أَنْ أَحْلِفَ بِالْكَعْبَةِ قَالَ وَلِمَ تَحْلِفُ بِالْكَعْبَةِ إِذَا حَلَفْتَ بِالْكَعْبَةِ فَاحْلِفْ بِرَبِّ الْكَعْبَةِ فَإِنَّ عُمَرَ كَانَ إِذَا حَلَفَ قَالَ كَلَّا وَأَبِي فَحَلَفَ بِهَا يَوْمًا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَحْلِفْ بِأَبِيكَ وَلَا بِغَيْرِ اللَّهِ فَإِنَّهُ مَنْ حَلَفَ بِغَيْرِ اللَّهِ فَقَدْ أَشْرَكَ


হজরত সাদ বিন উবাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মুহাম্মদ কুন্দি আমাকে বললো, “তুমি কি হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কথা শুনেছো?” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “তিনি কি বলেছেন?” সে বললো, “এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বললো, ‘হে আবূ আব্দুল রহমান! আমি যদি কাবা ঘরের শপথ করি, তাহলে কি আমার গুনাহ হবে’?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “কাবা ঘরের শপথ করার কি দরকার? যদি তুমি কাবা ঘরের শপথ করতে চাও, তাহলে তুমি কাবা ঘরের প্রভু আল্লাহর শপথ করো। কারণ একবার হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন, ‘আমার পিতার শপথ!’ তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তোমার পিতার নামে বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করো না। কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে শপথ করে, সে শিরক করে’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5801 OK

(৫৮০১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৫০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ سَعْدٍ قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَضْرِبُ بِإِحْدَى يَدَيْهِ عَلَى الْأُخْرَى وَهُوَ يَقُولُ الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا ثُمَّ نَقَصَ أُصْبُعَهُ فِي الثَّالِثَةِ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাছে আসলেন এবং সেই সময় তিনি এক হাত অপর হাতের উপর আঘাত করলেন এবং বললেন, “মাস এমন এবং এই রকম হয়”, তারপর তিনি তৃতীয়বার তার বুড়ো আঙ্গুল বন্ধ করলেন। (অর্থাৎ, মাস কোনো কোনো সময় উনত্রিশ (২৯) দিনেও হয়, আবার ত্রিশ (৩০) দিনেও হয়)। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5802 OK

(৫৮০২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৮৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ يَقُومُ فِي رَشْحِهِ إِلَى أَنْصَافِ أُذُنَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াতের তাফসীরে বলেছেন,
يَوۡمَ يَقُومُ ٱلنَّاسُ لِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ٦
যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের পালনকর্তার সামনে দাঁড়াবে। (৮৩. আত মুতাফফিফীন : ৬)

ঐ দিনের দৈর্ঘ্য হবে পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। তখন মানুষ অর্ধেক কান পর্যন্ত ঘামে উঠে দাঁড়াবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5803 OK

(৫৮০৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا دَخَلَ مَكَّةَ قَالَ اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ مَنَايَانَا بِهَا حَتَّى تُخْرِجَنَا مِنْهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় প্রবেশের সময় এই দুআ করতেন,

اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ مَنَايَانَا بِهَا حَتَّى تُخْرِجَنَا مِنْهَا

“হে আল্লাহ, আমাদের এখানে মৃত্যু দিও না, যতক্ষণ না তুমি আমাদের এখান থেকে বের করে দাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5804 OK

(৫৮০৪)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيُّ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى غُفْرَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ لِكُلِّ أُمَّةٍ مَجُوسًا وَإِنَّ مَجُوسَ أُمَّتِي الْمُكَذِّبُونَ بِالْقَدَرِ فَإِنْ مَاتُوا فَلَا تَشْهَدُوهُمْ وَإِنْ مَرِضُوا فَلَا تَعُودُوهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক জাতিরই কিছু জাদুকর থাকে, আর আমার উম্মতের জাদুকররা হলো কাদরিয়া (তাকদীর অস্বীকারকারী)। যদি তারা অসুস্থ হয়, তাহলে তোমরা তাদের দেখতে যেও না এবং যদি তারা মারা যায়, তাহলে তোমরা তাদের জানাজায় অংশগ্রহণ করো না।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮০৪]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5805 OK

(৫৮০৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৭৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ أَصَابَ عُمَرُ أَرْضًا بِخَيْبَرَ فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْتَأْمَرَهُ فِيهَا فَقَالَ أَصَبْتُ أَرْضًا بِخَيْبَرَ لَمْ أُصِبْ مَالًا قَطُّ أَنْفَسَ عِنْدِي مِنْهُ فَمَا تَأْمُرُ بِهِ قَالَ إِنْ شِئْتَ حَبَسْتَ أَصْلَهَا وَتَصَدَّقْتَ بِهَا قَالَ فَتَصَدَّقَ بِهَا عُمَرُ أَنْ لَا تُبَاعَ وَلَا تُوهَبَ وَلَا تُوَرَّثَ قَالَ فَتَصَدَّقَ بِهَا عُمَرُ فِي الْفُقَرَاءِ وَالْقُرْبَى وَالرِّقَابِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى وَابْنِ السَّبِيلِ وَالضَّيْفِ لَا جُنَاحَ عَلَى مَنْ وَلِيَهَا أَنْ يَأْكُلَ مِنْهَا بِالْمَعْرُوفِ أَوْ يُطْعِمَ صَدِيقًا غَيْرَ مُتَأَثِّلٍ فِيهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু খায়বারে একখন্ড জমি পান। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললেন, “আমি খায়বারে একখন্ড জমি পেয়েছি, যা অপেক্ষা উত্তম সম্পদ ইতিপূর্বে আমি পাইনি। আপনি আমাকে এর কি নির্দেশ দেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি চাইলে আসল জমি রেখে দিয়ে এর থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ (ফসল) সদাক্বাহ করে দাও।” তখন থেকে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সিদ্ধান্ত নেন যে, আসল জমি বিক্রয় করা যাবে না, হেবা করা যাবে না এবং তাতে কোনরূপ উত্তরাধিকার স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে না। তিনি তা দান করে দিলেন ফকীর, আত্নীয়স্বজন, দাস মুক্ত করণে, আল্লাহর পথে এবং মুসাফিরদের জন্যে। বর্ণনাকারী মুসাদ্দাদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বিশর সূত্রে মেহমানের কথাও উল্লেখ করেন। পরে তারা একমত হয়ে বর্ণনা করেন, যিনি এ সম্পত্তির মোতাওয়াল্লী হবেন, তিনি ন্যায় সঙ্গত ভাবে তা থেকে ভোগ করতে পারবেন এবং বন্ধুদেরও আপ্যায়ন করতে পারবেন। কিন্তু নিজের জন্যে সঞ্চয় করতে পারবেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস