(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১০৯১টি]



5716 OK

(৫৭১৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ حَنْظَلَةَ يَذْكُرُ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْفِطْرَةِ حَلْقُ الْعَانَةِ وَتَقْلِيمُ الْأَظْفَارِ وَقَصُّ الشَّارِبِ وَقَالَ إِسْحَاقُ مَرَّةً وَقَصُّ الشَّوَارِبِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “গোপনাঙ্গের চুল পরিষ্কার করা, নখ কাটা এবং গোঁফ ছাঁটা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অংশ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5717 OK

(৫৭১৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৪৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ يَعْنِي الْغَطَفَانِيَّ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْقَزَعِ وَالْقَزَعُ أَنْ يُحْلَقَ الصَّبِيُّ فَيُتْرَكَ بَعْضُ شَعَرِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘কুযা’ করতে নিষেধ করেছেন। ‘কুযা’ অর্থ হলো শিশুদের মাথার সম্পূর্ণ চুল না কেটে, মাথায় কিছু চুল বাকি রাখা। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5718 OK

(৫৭১৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৪৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ يَعْنِي الْغَطَفَانِيَّ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْقَزَعِ وَالْقَزَعُ أَنْ يُحْلَقَ الصَّبِيُّ فَيُتْرَكَ بَعْضُ شَعَرِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘কুযা’ করতে নিষেধ করেছেন। ‘কুযা’ অর্থ হলো শিশুদের মাথার সম্পূর্ণ চুল না কেটে, মাথায় কিছু চুল বাকি রাখা। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5719 OK

(৫৭১৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ حَدَّثَنِي حَنْظَلَةُ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَكْرَهُ الْعَلَمَ فِي الصُّورَةِ وَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ضَرْبِ الْوَجْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মুখে দাগ লাগা অপছন্দ করতেন এবং বলতেন যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুখে আঘাত করতে নিষেধ করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5720 OK

(৫৭২০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ أَبِي النَّضْرِ حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ مِنْ الْحِنْطَةِ خَمْرٌ وَمِنْ التَّمْرِ خَمْرٌ وَمِنْ الشَّعِيرِ خَمْرٌ وَمِنْ الزَّبِيبِ خَمْرٌ وَمِنْ الْعَسَلِ خَمْرٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “গম, খেজুর, কিশমিশ এবং মধু থেকেও মদ তৈরি হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5721 OK

(৫৭২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ حَدَّثَنِي أَبِي عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا صَارَ أَهْلُ الْجَنَّةِ فِي الْجَنَّةِ وَأَهْلُ النَّارِ فِي النَّارِ جِيءَ بِالْمَوْتِ حَتَّى يُوقَفَ بَيْنَ الْجَنَّةِ وَالنَّارِ ثُمَّ يُذْبَحُ ثُمَّ يُنَادِي مُنَادٍ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ خُلُودٌ لَا مَوْتَ يَا أَهْلَ النَّارِ خُلُودٌ لَا مَوْتَ فَازْدَادَ أَهْلُ الْجَنَّةِ فَرَحًا إِلَى فَرَحِهِمْ وَازْدَادَ أَهْلُ النَّارِ حُزْنًا إِلَى حُزْنِهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন মৃত্যুকে এনে জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝখানে স্থাপন করা হবে, এবং তাকে জবাই করা হবে। তখন একজন ঘোষণাকারী ডাক দিয়ে বলবে, ‘হে জান্নাতীরা! তোমরা চিরকাল জান্নাতে থাকবে, তোমরা এখানে কখনোই মরবে না। আর হে জাহান্নামীরা! তোমরা চিরকাল জাহান্নামে থাকবে, তোমরা এখানে কখনোই মরবে না।’ এই ঘোষণা শুনে জান্নাত বাসীদের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে যাবে। আর জাহান্নাম বাসীদের দুঃখ আরও বেড়ে যাবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5722 OK

(৫৭২২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫০২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ النَّذْرِ وَقَالَ إِنَّهُ لَا يَرُدُّ مِنْ الْقَدَرِ شَيْئًا وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنْ الْبَخِيلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানত করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন যে, “এর দ্বারা ভাগ্যের কোনো সিদ্ধান্ত রহিত হয় না, বরং কৃপণ ব্যক্তির কাছ থেকে কিছু সম্পদ বের হয়ে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5723 OK

(৫৭২৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ الْقَاسِمِ الْحَنَفِيُّ يَمَامِيٌّ سَمِعْتُ عِكْرِمَةَ بْنَ خَالِدٍ الْمَخْزُومِيَّ يَقُولُ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ تَعَظَّمَ فِي نَفْسِهِ أَوْ اخْتَالَ فِي مِشْيَتِهِ لَقِيَ اللَّهَ وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজেকে বড় মনে করে অথবা অহঙ্কার করে, সে কিয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকবেন।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5724 OK

(৫৭২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬১৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ وَلَكِنَّهُمَا آيَةٌ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمَا فَصَلُّوا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “চন্দ্র এবং সূর্য এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শনের অন্যতম। কারো জন্ম বা মৃত্যুর কারণে এদের গ্রহণ হয় না। তাই তোমরা যখন প্রথম গ্রহণ দেখতে পাও, তখন আল্লাহকে স্মরণ করো (নামায পড়ো)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5725 OK

(৫৭২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪১৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ قَالَ أَبِي وَهُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَقِيلٍ صَالِحُ الْحَدِيثِ ثِقَةٌ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَمْزةَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ اللَّهُمَّ الْعَنْ فُلَانًا اللَّهُمَّ الْعَنْ الْحَارِثَ بْنَ هِشَامٍ اللَّهُمَّ الْعَنْ سُهَيْلَ بْنَ عَمْرٍو اللَّهُمَّ الْعَنْ صَفْوَانَ بْنَ أُمَيَّةَ قَالَ فَنَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ لَيْسَ لَكَ مِنْ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ قَالَ فَتِيبَ عَلَيْهِمْ كُلِّهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফাজরের সলাতের শেষ রাকআতে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলার পর বলতে শুনেছেন যে, “হে আল্লাহ! আপনি অমুক, অমুক এবং অমুকের উপর আপনার অভিশাপ বর্ষণ করুন। হে আল্লাহ! আপনি হারিস বিন হিশাম, সুহাইল বিন আমর ও সাফওয়ান বিন উমাইয়ার উপর আপনার অভিশাপ বর্ষণ করুন।” তখন আল্লাহ তায়ালা এই আয়াত অবতীর্ণ করলেন,
لَيۡسَ لَكَ مِنَ ٱلۡأَمۡرِ شَيۡءٌ أَوۡ يَتُوبَ عَلَيۡهِمۡ أَوۡ يُعَذِّبَهُمۡ فَإِنَّهُمۡ ظَٰلِمُونَ١٢٨
হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই ব্যাপারে আপনার কোনো কিছুই করণীয় নেই যে, হয় আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দিবেন, কেননা নিশ্চয় তারা অন্যায়কারী। (৩. আল ইমরান : ১২৮)
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5726 OK

(৫৭২৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ قَالَ قَالَ حَيْوَةُ أَخْبَرَنِي أَبُو عُثْمَانَ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دِينَارٍ أَخْبَرَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَفْرَى الْفِرَى مَنْ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ وَأَفْرَى الْفِرَى مَنْ أَرَى عَيْنَيْهِ فِي النَّوْمِ مَا لَمْ تَرَيَا وَمَنْ غَيَّرَ تُخُومَ الْأَرْضِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলো, কোনো ব্যক্তি তার বংশধরকে তার পিতা ছাড়া অন্য কারো সাথে সম্পর্কিত করে, অথবা এমন স্বপ্ন বর্ণনা করে, যা সে দেখেনি, অথবা জমির সীমানা পরিবর্তন করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5727 OK

(৫৭২৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي أَبِي إِسْحَاقُ بْنُ يَسَارٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسِ بْنِ مَخْرَمَةَ قَالَ أَقْبَلْتُ مِنْ مَسْجِدِ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ بِقُبَاءَ عَلَى بَغْلَةٍ لِي قَدْ صَلَّيْتُ فِيهِ فَلَقِيتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ مَاشِيًا فَلَمَّا رَأَيْتُهُ نَزَلْتُ عَنْ بَغْلَتِي ثُمَّ قُلْتُ ارْكَبْ أَيْ عَمِّ قَالَ أَيْ ابْنَ أَخِي لَوْ أَرَدْتُ أَنْ أَرْكَبَ الدَّوَابَّ لَرَكِبْتُ وَلَكِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمْشِي إِلَى هَذَا الْمَسْجِدِ حَتَّى يَأْتِيَ فَيُصَلِّيَ فِيهِ فَأَنَا أُحِبُّ أَنْ أَمْشِيَ إِلَيْهِ كَمَا رَأَيْتُهُ يَمْشِي قَالَ فَأَبَى أَنْ يَرْكَبَ وَمَضَى عَلَى وَجْهِهِ


হজরত আবদুল্লাহ বিন কায়স বিন মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি আমার খচ্চরে চড়ে মসজিদে কুবা থেকে আসছিলাম, যেখানে আমার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছিলো। পথে আমি সায়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে দেখা করলাম, যিনি পায়ে হেঁটে আসছিলেন। তাকে দেখে আমি খচ্চর থেকে নেমে গেলাম এবং তাকে বললাম, “চাচা! আপনি এতে উঠুন।” তিনি বললেন, “ভাগ্নে! যদি আমি ঘোড়ায় চড়তে চাইতাম, তাহলে আমি অবশ্যই সওয়ার খুঁজে পেতাম, কিন্তু আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই মসজিদের দিকে হেঁটে যেতে দেখেছি। তিনি সেখানে পৌঁছানোর পর নামাজ পড়তেন। তাই, আমি যেমন তাকে হাঁটতে দেখেছি, আমিও তেমন হাঁটতে পছন্দ করি।” তাই তিনি সওয়ার করতে অস্বীকৃতি জানান এবং হেঁটে তার পথে চলে যান। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5728 OK

(৫৭২৮)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ نَافِعٍ قَالَ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ إِذَا جَلَسَ فِي الصَّلَاةِ وَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ وَأَشَارَ بِإِصْبَعِهِ وَأَتْبَعَهَا بَصَرَهُ ثُمَّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَهِيَ أَشَدُّ عَلَى الشَّيْطَانِ مِنْ الْحَدِيدِ يَعْنِي السَّبَّابَةَ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন সলাতে বসতেন, নিজের দুই হাত নিজের দুই রানের উপর রাখতেন। আর শাহাদাত আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করতেন এবং তার চোখের দৃষ্টি থাকতো আঙ্গুলের প্রতি।। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এ শাহাদাত আঙ্গুল শায়ত্বনের কাছে লোহার চেয়েও বেশী শক্ত।” অর্থাৎ শাহাদাত আঙ্গুল দিয়ে তাওহীদের ইশারা করা, শায়ত্বনের উপর লোহা নিক্ষেপ করার চেয়েও কঠিন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5729 OK

(৫৭২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬৬৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ قَطَنِ بْنِ وَهْبٍ أَوْ وَهْبِ بْنِ قَطَنٍ اللَّيْثِيِّ شَكَّ إِسْحَاقُ عَنْ يُحَنَّسَ مَوْلَى الزُّبَيْرِ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ إِذْ أَتَتْهُ مَوْلَاةٌ لَهُ فَذَكَرَتْ شِدَّةَ الْحَالِ وَأَنَّهَا تُرِيدُ أَنْ تَخْرُجَ مِنْ الْمَدِينَةِ فَقَالَ لَهَا اجْلِسِي فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَصْبِرُ أَحَدُكُمْ عَلَى لَأْوَائِهَا وَشِدَّتِهَا إِلَّا كُنْتُ لَهُ شَفِيعًا أَوْ شَهِيدًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ


হজরত যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহুর আযাদকৃত ক্রীতদাস ইউহান্নাস থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি সায়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে বসে ছিলাম, এমন সময় একজন দাসী তার কাছে এসে পরিস্থিতির কষ্টের কথা বলতে শুরু করে। সে মদীনা ছেড়ে অন্য কোথাও যাওয়ার অনুমতি চাইলো। সায়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, “বসো, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি মদীনার কষ্ট ও দুঃখ ভোগ করবে, সে যেনো কষ্টের মধ্যে ধৈর্য ধারণ করে, কেননা আমি কিয়ামতের দিন তার জন্যে সুপারিশ করবো’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5730 OK

(৫৭৩০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ أَنَّ يَحْيَى بْنَ أَبِي كَثِيرٍ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا قِلَابَةَ حَدَّثَهُ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ تَخْرُجُ نَارٌ مِنْ حَضْرَمَوْتَ أَوْ بِحَضْرَمَوْتَ فَتَسُوقُ النَّاسَ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا تَأْمُرُنَا قَالَ عَلَيْكُمْ بِالشَّامِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “সিরিয়ার একটি অঞ্চল হাদরামাউত থেকে একটি আগুন বের হবে, যা লোকদেরকে গ্রাস করবে।” আমরা জিজ্ঞেস করলাম, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহলে ঐ সময়ের জন্যে, আপনি আমাদেরকে কি আদেশ করেন?” তিনি বললেন, “সিরিয়া দেশকে তোমাদের উপর ওয়াজিব করা (সেখানে যাওয়া)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5731 OK

(৫৭৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ أَوْ قَالَ مَا يَتْرُكُ الْمُحْرِمُ فَقَالَ لَا يَلْبَسُ الْقَمِيصَ وَلَا السَّرَاوِيلَ وَلَا الْعِمَامَةَ وَلَا الْخُفَّيْنِ إِلَّا أَنْ لَا يَجِدَ نَعْلَيْنِ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْهُمَا أَسْفَلَ مِنْ الْكَعْبَيْنِ وَلَا الْبُرْنُسَ وَلَا شَيْئًا مِنْ الثِّيَابِ مَسَّهُ وَرْسٌ وَلَا زَعْفَرَانٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মুহাররম কি ধরনের পোশাক পরতে পারে?” অথবা জিজ্ঞেস করলো, “মহাররমকে কি ধরনের পোশাক পরিত্যাগ করতে হবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একজন মুহাররম জামা, শালওয়ার, পাগড়ী ও মোজা পরিধান করতে পারবে না। যার জুতা নেই, সে যেনো পায়ের গোড়ালির নিচে কাটা মোজা পরিধান করে এবং সেই সাথে টুপি বা টুপির টুকরো পরিধান করে। ওয়ারিস (এক প্রকার হলুদ রঙের তৃণ জাতীয় সুগন্ধি) নামক ঘাসযুক্ত কাপড় বা জাফরান কাপড়ে লাগালে মুহাররম ঐ কাপড় পরিধান করতে পারবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5732 OK

(৫৭৩২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمٌ حَدَّثَنَا لَيْثٌ حَدَّثَنِي نَافِعٌ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ كَانَ يُنِيخُ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ الَّتِي كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُنِيخُ بِهَا وَيُصَلِّي بِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি যুল-হুলাইফার বাথা উপত্যকায় তার বাহনে আরোহণ করতেন, এটি সেই জায়গা, যেখানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উটকে বসিয়ে নামাজ পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5733 OK

(৫৭৩৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩১৪১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ قَالَ قَالَ مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ حَلَقَ رِجَالٌ يَوْمَ الْحُدَيْبِيَةِ وَقَصَّرَ آخَرُونَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَرْحَمُ اللَّهُ الْمُحَلِّقِينَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَالْمُقَصِّرِينَ قَالَ يَرْحَمُ اللَّهُ الْمُحَلِّقِينَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَالْمُقَصِّرِينَ قَالَ يَرْحَمُ اللَّهُ الْمُحَلِّقِينَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَالْمُقَصِّرِينَ قَالَ وَالْمُقَصِّرِينَ قَالُوا فَمَا بَالُ الْمُحَلِّقِينَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ظَاهَرْتَ لَهُمْ الرَّحْمَةَ قَالَ لَمْ يَشُكُّوا قَالَ فَانْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

কিছু পুরুষ আল-হুদাইবিয়ার দিনে তাদের মাথা মুণ্ডন করেছিলো এবং অন্যরা তাদের চুল ছেঁটে ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যারা মাথা মুণ্ডন করেছে, আল্লাহ তাদের প্রতি রহম করুন।” সাহাবীগণ বললো, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যারা চুল ছেঁটেছে, তাদের জন্যেও আল্লাহর রহমতের প্রার্থনা করুন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যারা মাথা মুণ্ডন করেছে, আল্লাহ তাদের প্রতি রহম করুন।” সাহাবীগণ বললো, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যারা চুল ছেঁটেছে, তাদের জন্যেও আল্লাহর রহমতের প্রার্থনা করুন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যারা মাথা মুণ্ডন করেছে, আল্লাহ তাদের প্রতি রহম করুন।” সাহাবীগণ বললো, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যারা চুল ছেঁটেছে, তাদের জন্যেও আল্লাহর রহমতের প্রার্থনা করুন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যারা চুল ছেঁটেছে, আল্লাহ তাদের প্রতিও রহম করুন।” সাহাবীগণ বললো, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যারা মাথা মুণ্ডন করেছে তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ কি আছে যে, আপনি তাদের জন্যে অধিক রহমতের প্রার্থনা করেছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তারা সন্দেহ করেনি।” অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চলে গেলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5734 OK

(৫৭৩৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمٌ حَدَّثَنَا لَيْثٌ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ إِذَا تَبَايَعَ الرَّجُلَانِ فَكُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا بِالْخِيَارِ مَا لَمْ يَتَفَرَّقَا فَكَانَا جَمِيعًا وَيُخَيِّرُ أَحَدُهُمَا الْآخَرَ فَإِنْ خَيَّرَ أَحَدُهُمَا الْآخَرَ فَتَبَايَعَا عَلَى ذَلِكَ وَجَبَ الْبَيْعُ وَإِنْ تَفَرَّقَا بَعْدَ أَنْ تَبَايَعَا وَلَمْ يَتْرُكْ وَاحِدٌ مِنْهُمَا الْبَيْعَ فَقَدْ وَجَبَ الْبَيْعُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন দুই জন ব্যক্তি ক্রয়-বিক্রয় করে, তখন তাদের উভয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের ইখতিয়ার থাকে, যতক্ষণ না তারা একে অপর থেকে পৃথক হয়ে যাবে।” অন্য সময় তিনি বলেছেন, “তারা পরস্পর পৃথক হওয়া পর্যন্ত, অথবা একে অন্যকে ইখতিয়ার দেয়, যদি একে অন্যকে ইখতিয়ার দেয় এবং এর উপর ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করে, তবে সে ক্রয়-বিক্রয় ওয়াজিব হয়ে যাবে। আর যদি বিক্রয় করার পর তারা পৃথক হয়ে যায় এবং তাদের মধ্যে কেউই ক্রয়-বিক্রয় রহিত না করে, তবে ক্রয়-বিক্রয় ওয়াজিব হবে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5735 OK

(৫৭৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৯৯৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ وَيَزِيدُ قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ اتَّخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ فَاتَّخَذَ النَّاسُ خَوَاتِيمَهُمْ مِنْ ذَهَبٍ فَرَمَى بِهِ وَقَالَ لَنْ أَلْبَسَهُ أَبَدًا قَالَ يَزِيدُ فَنَبَذَ النَّاسُ خَوَاتِيمَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি পরেন। আংটিটির মোহর হাতের তালুর ভিতরের দিকে ঘুরিয়ে রাখেন। তাতে তিনি مُحَمَّدٌ رَسُوْلُ اللهِ খোদাই করেছিলেন। লোকেরাও এ রকম আংটি ব্যবহার করতে শুরু করেন। যখন তিনি দেখলেন যে, তারাও ঐ রকম আংটি ব্যবহার করছে, তখন তিনি তা ছুঁড়ে ফেলে দেন এবং বলেন, “আমি আর কখনও এটা ব্যবহার করবো না।” তাই লোকেরাও তাদের আংটি গুলি নিক্ষেপ করেছিলো। এরপর তিনি একটি রূপার আংটি ব্যবহার করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা দিয়ে মোহর করতেন, কিন্তু পরতেন না। লোকেরাও রূপার আংটি পরা শুরু করে। ইবনু উমার বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে আবূ বাকর , তারপর উমার ও তারপর উসমান তা ব্যবহার করেছেন। শেষে উসমানের হাত থেকে আংটিটি ‘আরীস’ নামক কূপের মধ্যে পড়ে যায়। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5736 OK

(৫৭৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تَأْمُرُنَا أَنْ نُصَلِّيَ مِنْ اللَّيْلِ قَالَ يُصَلِّي أَحَدُكُمْ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ الصُّبْحَ صَلَّى وَاحِدَةً فَأَوْتَرَتْ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى مِنْ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! রাতের নামায সম্পর্কে আপনি আমাদেরকে কি নির্দেশ দেন (রাতে কিভাবে নামাজ পড়তে হয়)?” তিনি বললেন, “তুমি দুই রাকাত নামায পড়ো এবং যখন ফজরের আশঙ্কা থাকে, তখন এ দুয়ের সাথে আরও এক রাকাত নামায যোগ করো। রাতে তুমি যতটুকু সালাত আদায় করেছো, ততটুকুই বিতরের জন্যে যথেষ্ট হবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5737 OK

(৫৭৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৪৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الرُّؤْيَا جُزْءٌ مِنْ سَبْعِينَ جُزْءًا مِنْ النُّبُوَّةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একটি ভালো স্বপ্ন হলো, নবুওয়াতের সত্তরতম (৭০) অংশের এক ভাগ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5738 OK

(৫৭৩৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمٌ حَدَّثَنَا جِسْرٌ حَدَّثَنَا سَلِيطٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَحْسَسْتُمْ بِالْحُمَّى فَأَطْفِئُوهَا بِالْمَاءِ الْبَارِدِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কারো জ্বর আসে, তখন ঠান্ডা পানি দিয়ে তা নিবারণ করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5739 OK

(৫৭৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫১১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ مِصْرَ يَحُجُّ الْبَيْتَ قَالَ فَرَأَى قَوْمًا جُلُوسًا فَقَالَ مَنْ هَؤُلَاءِ الْقَوْمُ فَقَالُوا قُرَيْشٌ قَالَ فَمَنْ الشَّيْخُ فِيهِمْ قَالُوا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَالَ يَا ابْنَ عُمَرَ إِنِّي سَائِلُكَ عَنْ شَيْءٍ أَوْ أَنْشُدُكَ أَوْ نَشَدْتُكَ بِحُرْمَةِ هَذَا الْبَيْتِ أَتَعْلَمُ أَنَّ عُثْمَانَ فَرَّ يَوْمَ أُحُدٍ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَتَعْلَمُ أَنَّهُ غَابَ عَنْ بَدْرٍ فَلَمْ يَشْهَدْهُ قَالَ نَعَمْ قَالَ وَتَعْلَمُ أَنَّهُ تَغَيَّبَ عَنْ بَيْعَةِ الرِّضْوَانِ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَكَبَّرَ الْمِصْرِيُّ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ تَعَالَ أُبَيِّنْ لَكَ مَا سَأَلْتَنِي عَنْهُ أَمَّا فِرَارُهُ يَوْمَ أُحُدٍ فَأَشْهَدُ أَنَّ اللَّهَ قَدْ عَفَا عَنْهُ وَغَفَرَ لَهُ وَأَمَّا تَغَيُّبُهُ عَنْ بَدْرٍ فَإِنَّهُ كَانَتْ تَحْتَهُ ابْنَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَإِنَّهَا مَرِضَتْ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَكَ أَجْرُ رَجُلٍ شَهِدَ بَدْرًا وَسَهْمُهُ وَأَمَّا تَغَيُّبُهُ عَنْ بَيْعَةِ الرِّضْوَانِ فَلَوْ كَانَ أَحَدٌ أَعَزَّ بِبَطْنِ مَكَّةَ مِنْ عُثْمَانَ لَبَعَثَهُ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عُثْمَانَ وَكَانَتْ بَيْعَةُ الرِّضْوَانِ بَعْدَمَا ذَهَبَ عُثْمَانُ فَضَرَبَ بِهَا يَدَهُ عَلَى يَدِهِ وَقَالَ هَذِهِ لِعُثْمَانَ قَالَ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ اذْهَبْ بِهَذَا الْآنَ مَعَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক মিসরবাসী বাইতুল্লাহর হাজ্জ আদায় করে। সে একদল লোককে বসা দেখে বলে, “এরা কারা?” লোকেরা বললো, “এরা কুরাইশ বংশীয়।” সে পুনরায় বলে, “এই বয়স্ক (শায়খ) লোকটি কে?” লোকেরা বললো, “ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু।” সে সময় সে তার নিকটে এসে বললো, “আপনাকে আমি কয়েকটি বিষয়ে প্রশ্ন করবো। অতএব আপনি আমাকে (তা) বলুন। আমি এ বাইতুল্লাহর মর্যাদার শপথ দিয়ে আপনাকে প্রশ্ন করছি, আপনি কি অবহিত আছেন যে, উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু উহূদ যুদ্ধের দিন (যুদ্ধক্ষেত্র হতে) পলায়ন করেছেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” সে আবার বললো, “আপনি কি জানেন, তিনি (হুদাইবিয়ায় অনুষ্ঠিত) বাইআতুর রিযওয়ানে অনুপস্থিত ছিলেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” সে পুনরায় বললো, “আপনি কি অবহিত আছেন যে, তিনি বদরের যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তাতে উপস্থিত হননি?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” সে বললো, “আল্লাহু আকবার।” তারপর ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, “এবার এসো! যেসব বিষয়ে তুমি প্রশ্ন করেছো, তা তোমাকে আমি সুস্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দেই। উহূদের দিন তার পলায়নের ঘটনা প্রসঙ্গে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তার ঐ ব্যাপারটি ইতোমধ্যেই আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করে দিয়েছেন, সম্পূর্ণ ভাবে মাফ করেছেন। তারপর বদরের যুদ্ধে তার অনুপস্থিতির কারণ এই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামেএর মেয়ে (রুকাইয়াহ) তার সহধর্মিণী ছিলেন (এবং সে সময় তিনি মারাত্নক অসুস্থ ছিলেন)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বললেন, যে লোক বদরের যুদ্ধে যোগদান করেছে তার সমপরিমাণ সাওয়াব ও গানীমাত তুমি পাবে। আর তিনি রুকাইয়ার দেখাশুনা করার জন্যে তাকে মাদীনাতে থাকারই নির্দেশ দিলেন। আর বাইআতে রিদওয়ানে তার অনুপস্থিতির কারণ এই যে, মাক্কাবাসীদের কাছে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর চাইতে বেশি মর্যাদাবান কোন মুসলিম লোক (হুদাইবিয়ায়) উপস্থিত থাকলে রসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (তার পরিবর্তে) তাকেই প্রেরণ করতেন। তা না থাকাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুকেই (মাক্কায়) প্রেরণ করলেন। আর উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর মক্কার অভিমূখে রওয়ানা হয়ে যাওয়ার পর বাইআতুর রিযওয়ান অনুষ্ঠিত হয়।” বর্ণনাকারী বলেন, (বাইআত অনুষ্ঠানকালে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ডান হাতের দিকে ইশারা করে বললেন, এটা উসমানের হাত। তারপর তিনি ঐ হাতটি তাঁর অন্য হাতের উপর স্থাপন করে বললেন, এটি উসমানের (বাইআত)। তারপর ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু লোকটিকে বললেন, “এবার তুমি এ ব্যাখ্যা সঙ্গে নিয়ে যাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5740 OK

(৫৭৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৮৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ انْتَهَيْتُ إِلَى النَّاسِ وَقَدْ فَرَغَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْخُطْبَةِ فَقُلْتُ مَاذَا قَامَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا نَهَى عَنْ الْمُزَفَّتِ وَالدُّبَّاءِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মিম্বরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলাম, তখনও আমি কিছু শোনার সুযোগ পাইনি। আমি লোকদের জিজ্ঞেস করলাম, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি বলেছেন?” লোকেরা বললো, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাঠের পাত্রে, তৈলাক্ত পাত্রে, কদুর খোলের পাত্রে ও মাটির সবুজ পাত্রে নাবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5741 OK

(৫৭৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৫১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الْمُغِيرَةِ الطَّائِفِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمِقْدَامِ قَالَ رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ يَمْشِي بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَقُلْتُ لَهُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا لَكَ لَا تَرْمُلُ فَقَالَ قَدْ رَمَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَرَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুকাদাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সাফা-মারওয়ার মাঝখানে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতে দেখেছি। তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, “হে আবু আব্দুর রহমান! আপনি কেনো দ্রুত হাঁটছেন না?” তিনি বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এখানে উভয়টিই করেছেন, এখানে গতি বাড়িয়েছেন এবং গতি বাড়াননি। আমি যদি স্বাভাবিক গতিতে হাঁটি, তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এভাবে হাঁটতে দেখেছি এবং আমি যদি দ্রুত হাঁটি, তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও এভাবে দ্রুত হাঁটতে দেখেছি।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৪১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5742 OK

(৫৭৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫১৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي الْوَحْدَةِ مَا سَارَ أَحَدٌ وَحْدَهُ بِلَيْلٍ أَبَدًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি মানুষ একা ভ্রমণের ক্ষতি জানতো, তাহলে কেউ কখনোই রাতে একা ভ্রমণ করতো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5743 OK

(৫৭৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৬৭] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ يَزِيدَ بْنِ بِشْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَحَجِّ الْبَيْتِ وَصَوْمِ رَمَضَانَ قَالَ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ وَالْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ ابْنُ عُمَرَ الْجِهَادُ حَسَنٌ هَكَذَا حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইসলাম পাঁচটি বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত। (১) আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, এমন সাক্ষ্য দেওয়া, (২) সালাত কায়েম করা, (৩) যাকাত দেওয়া, (৪) আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ করা, (৫) এবং রমজানের রোজা রাখা।” এক ব্যক্তি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুক জিজ্ঞেস করলো, “আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদ?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “জিহাদ একটি উত্তম জিনিস, কিন্তু ঐ সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এই বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৪৩]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5744 OK

(৫৭৪৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمٌ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ صَدَرْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ يَوْمَ الصَّدَرِ فَمَرَّتْ بِنَا رُفْقَةٌ يَمَانِيَةٌ وَرِحَالُهُمْ الْأُدُمُ وَخُطُمُ إِبِلِهِمْ الْخُزُمُ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَنْظُرَ إِلَى أَشْبَهِ رُفْقَةٍ وَرَدَتْ الْحَجَّ الْعَامَ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ إِذْ قَدِمُوا فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ فَلْيَنْظُرْ إِلَى هَذِهِ الرُّفْقَةِ


হজরত সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজ্জ থেকে ফিরে ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ফিরছিলাম। আমরা একটি ইয়েমেনী কাফেলার পাশ দিয়ে গেলাম। তাদের তাঁবু ছিলো চামড়ার তৈরি এবং তাদের উটের খুরগুলি দড়ির মতো মনে হয়েছিলো। ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এই কাফেলাটি দেখে বললেন, “যে কেউ এই বছর হজ্জের জন্যে আগত এমন একটি কাফেলা দেখতে চায়, যা বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ, সে যেনো এই কাফেলাটি দেখে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5745 OK

(৫৭৪৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ وَإِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى قَالَا حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ وَقَالَ هَاشِمٌ حَدَّثَنَا لَيْثٌ حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمْسَحُ مِنْ الْبَيْتِ إِلَّا الرُّكْنَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কাবার অন্য কোন অংশ স্পর্শ করতে দেখিনি, কেবল কালো পাথর এবং ইয়ামানী কোণা ছাড়া। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৭৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস