(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১১৮১টি]



5626 OK

(৫৬২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَأَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْبَطْحَاءِ ثُمَّ هَجَعَ بِهَا هَجْعَةً ثُمَّ دَخَلَ مَكَّةَ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَفْعَلُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘বাথা’ নামক স্থানে যোহর, আসর, মাগরিব ও এশার নামায পড়লেন। সেখানে রাত্রি যাপন করলেন। তারপর মক্কায় প্রবেশ করেন। বর্ণনাকারী বলেন, হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুও একই কাজ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5627 OK

(৫৬২৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ يَعْنِي ابْنَ الطَّبَّاعِ أَخْبَرَنِي مَالِكٌ عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَاوُسٍ الْيَمَانِيِّ قَالَ أَدْرَكْتُ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُونَ كُلُّ شَيْءٍ بِقَدَرٍ قَالَ وَسَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُلُّ شَيْءٍ بِقَدَرٍ حَتَّى الْعَجْزُ وَالْكَيْسُ


হজরত তাউস ইয়ামানি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনেক সাহাবীকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “সব কিছুই নিয়তের সঙ্গে জড়িত”। আর আমি হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকেও বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সব কিছুই নিয়তির সাথে জড়িত, এমনকি মূর্খতা এবং প্রজ্ঞাও নিয়তির সাথে জড়িত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5628 OK

(৫৬২৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৪৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ جُرَيْجٍ أَوْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ أَرْبَعُ خِلَالٍ رَأَيْتُكَ تَصْنَعُهُنَّ لَمْ أَرَ أَحَدًا يَصْنَعُهُنَّ قَالَ مَا هِيَ قَالَ رَأَيْتُكَ تَلْبَسُ هَذِهِ النِّعَالَ السِّبْتِيَّةَ وَرَأَيْتُكَ تَسْتَلِمُ هَذَيْنِ الرُّكْنَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ لَا تَسْتَلِمُ غَيْرَهُمَا وَرَأَيْتُكَ لَا تُهِلُّ حَتَّى تَضَعَ رِجْلَكَ فِي الْغَرْزِ وَرَأَيْتُكَ تُصَفِّرُ لِحْيَتَكَ قَالَ أَمَّا لُبْسِي هَذِهِ النِّعَالَ السِّبْتِيَّةَ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَلْبَسُهَا يَتَوَضَّأُ فِيهَا وَيَسْتَحِبُّهَا وَأَمَّا اسْتِلَامُ هَذَيْنِ الرُّكْنَيْنِ فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَلِمُهُمَا لَا يَسْتَلِمُ غَيْرَهُمَا وَأَمَّا تَصْفِيرِي لِحْيَتِي فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَفِّرُ لِحْيَتَهُ وَأَمَّا إِهْلَالِي إِذَا اسْتَوَتْ بِي رَاحِلَتِي فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا وَضَعَ رِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ وَاسْتَوَتْ بِهِ رَاحِلَتُهُ أَهَلَّ


হজরত উবায়দ ইবনু জুরায়জ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললাম, “হে আবূ আবদুর রহমান! আমি আপনাকে এমন চারটি কাজ করতে দেখেছি, যা আপনার সঙ্গী-সাথীদের কাউকে করতে দেখিনি।” তিনি বললেন, “হে ইবনু জুরায়জ! সেগুলো কী কী?” আমি বললাম, “আমি দেখেছি আপনি রুকনে হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত আর কোনো রুকন স্পর্শ করেন না। আমি আরও লক্ষ্য করেছি যে, আপনি পশম বিহীন চামড়ার জুতা পরিধান করেন। আমি আরো দেখেছি যে, আপনি হলুদ রঙ্গ ব্যবহার করেন। আমি আরও লক্ষ্য করেছি যে, আপনি মাক্কাতে অবস্থান কালে (যিলহজ্জ মাসের) আট তারিখে ইহরাম বাঁধেন। অথচ লোকেরা নতুন চাঁদ দেখার সাথে সাথে ইহরাম বাঁধে।” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “রুকন সমূহের ব্যাপারে কথা হচ্ছে এই যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রুকনে হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী ছাড়া অন্য কোনো রুকন স্পর্শ করতে দেখিনি। আর পশম বিহীন জুতার ব্যাপার হচ্ছে এই যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পশম বিহীন চামড়ার জুতা পরিধান করতে দেখেছি। তিনি তা পায়ে দিয়ে ওযুও করতেন। আমিও তাই এ ধরনের জুতা পছন্দ করি। হলুদ রঙ্গের সম্পর্কে কথা হচ্ছে এই যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে এ রঙ্গ ব্যবহার করতে দেখেছি। অতএব আমিও এ রঙ্গ পছন্দ করি। ইহরাম সম্পর্কে বলতে হয় যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তখনি তালবিয়াহ পাঠ করতে শুনেছি, যখন তাঁর উট যাত্রা শুরু করতো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5629 OK

(৫৬২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১২৮] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ كُنْتُ فِي سَرِيَّةٍ مِنْ سَرَايَا رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَاصَ النَّاسُ حَيْصَةً وَكُنْتُ فِيمَنْ حَاصَ فَقُلْنَا كَيْفَ نَصْنَعُ وَقَدْ فَرَرْنَا مِنْ الزَّحْفِ وَبُؤْنَا بِالْغَضَبِ ثُمَّ قُلْنَا لَوْ دَخَلْنَا الْمَدِينَةَ فَبِتْنَا ثُمَّ قُلْنَا لَوْ عَرَضْنَا أَنْفُسَنَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِنْ كَانَتْ لَهُ تَوْبَةٌ وَإِلَّا ذَهَبْنَا فَأَتَيْنَاهُ قَبْلَ صَلَاةِ الْغَدَاةِ فَخَرَجَ فَقَالَ مَنْ الْقَوْمُ قَالَ فَقُلْنَا نَحْنُ الْفَرَّارُونَ قَالَ لَا بَلْ أَنْتُمْ الْعَكَّارُونَ أَنَا فِئَتُكُمْ وَأَنَا فِئَةُ الْمُسْلِمِينَ قَالَ فَأَتَيْنَاهُ حَتَّى قَبَّلْنَا يَدَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে একটি এলাকায় যুদ্ধের জন্যে পাঠালেন। যখন আমরা শত্রুর মুখোমুখি হলাম, তখন আমরা প্রথম পর্যায়ে পালিয়ে গিয়ে, কিছু লোকের সঙ্গে লুকিয়ে মদিনায় ফিরে আসি। আমরা মুখ ফিরিয়ে নিয়ে যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করলাম এবং আল্লাহর গজব নিয়ে ফিরে এলাম। তখন আমরা ভাবলাম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর কাছে গিয়ে আমাদের অজুহাত বর্ণনা করা উচিত। তারপর আমরা বললাম যে, “আমরা মদীনায় যাবো এবং সেখানে রাত্রি যাপন করবো। যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে শাস্তি দিতে চান, তবে খুব ভালো, নইলে আমরা আবার যুদ্ধের জন্যে ফিরে যাবো।” তাই আমরা ফজরের নামাজের আগে নবীজির খেদমতে হাজির হলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা কারা?” আমরা বললাম, “আমরা পলায়নকারী দল।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “না, বরং তোমরা পিছন ফিরে আক্রমনকারী দল। আর আমি তোমাদেরই একটি দল, বরং আমি সমগ্র মুসলিমদের একটি দল।” তারপর আমরা এগিয়ে গেলাম এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বরকতময় হাতে চুম্বন করলাম।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5630 OK

(৫৬৩০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৫৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ اللَّيْثِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ أَبَرَّ الْبِرِّ صِلَةُ الْمَرْءِ أَهْلَ وُدِّ أَبِيهِ بَعْدَ أَنْ يُوَلِّيَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের জন্যে সবচেয়ে বড় নেক কাজ হলো, কোনো ব্যক্তির পিতার ইন্তিকালের পর, তার বন্ধু-বান্ধবের সাথে সদ্ব্যবহার বজায় রাখা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5631 OK

(৫৬৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪১৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ نَزَعَ يَدَهُ مِنْ الطَّاعَةِ فَلَا حُجَّةَ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَنْ مَاتَ مُفَارِقًا لِلْجَمَاعَةِ مَاتَ مِيتَةً جَاهِلِيَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সঠিক শাসকের আনুগত্য থেকে হাত সরিয়ে নেয়, কিয়ামতের দিন তার কোনো দলীল গ্রহণ করা হবে না এবং যে ব্যক্তি মুসলমানদের জামায়াত ত্যাগ করে মৃত্যুবরণ করবে, সে জাহিলিয়্যাহতের মৃত্যুবরণ করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5632 OK

(৫৬৩২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِي عِمْرَانَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ صَلَّى صَلَاةَ الصُّبْحِ فَلَهُ ذِمَّةُ اللَّهِ فَلَا تُخْفِرُوا اللَّهَ ذِمَّتَهُ فَإِنَّهُ مَنْ أَخْفَرَ ذِمَّتَهُ طَلَبَهُ اللَّهُ حَتَّى يُكِبَّهُ عَلَى وَجْهِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সকালের সালাত আদায় করে, সে আল্লাহর দায়িত্বের অধীন হয়ে যায়, তাই তোমরা আল্লাহর দায়িত্ব ভঙ্গ করো না। কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহর দায়িত্ব ভঙ্গ করবে, আল্লাহ তাকে খুঁজে বের করে অন্ধকার জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5633 OK

(৫৬৩৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُوسَى يَعْنِي ابْنَ دَاوُدَ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هَانِئٍ عَنْ عَبَّاسِ بْنِ جُلَيْدٍ الْحَجْرِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَمْ يُعْفَى عَنْ الْمَمْلُوكِ قَالَ فَصَمَتَ عَنْهُ ثُمَّ أَعَادَ فَصَمَتَ عَنْهُ ثُمَّ أَعَادَ فَقَالَ يُعْفَى عَنْهُ كُلَّ يَوْمٍ سَبْعِينَ مَرَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! একজন ক্রীতদাসের সাথে কতবার ক্ষমার আচরণ করা উচিত?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ থাকলেন। সে আবার একই প্রশ্ন করলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবারো চুপ থাকলেন। তৃতীয়বার জিজ্ঞাসা করা হলে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাকে প্রতিদিন সত্তর বার করে ক্ষমা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5634 OK

(৫৬৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৬২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَبِيعَ الرَّجُلُ طَعَامًا حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ كَيْفَ ذَلِكَ قَالَ ذَلِكَ دَرَاهِمُ بِدَرَاهِمَ وَالطَّعَامُ مُرْجَأٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য বা কোনো শস্য ক্রয় করে, সে যেনো তা পুরোপুরি দখল করার আগে বিক্রি না করে।” আমি [বর্ণনাকারী] তাকে বললাম, “কেনো এমন হলো?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “এটা হবে দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম বিক্রি করার মতো, অথচ খাদ্যদ্রব্য এখনো স্থগিত রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5635 OK

(৫৬৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৬৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ فَالْأَمِيرُ الَّذِي عَلَى النَّاسِ رَاعٍ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلَى أَهْلِ بَيْتِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ وَالْمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ عَلَى بَيْتِ زَوْجِهَا وَهِيَ مَسْئُولَةٌ وَالْعَبْدُ رَاعٍ عَلَى مَالِ سَيِّدِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ أَلَا فَكُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। কাজেই প্রত্যেকেই নিজ অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসার সম্মুখীন হবে। জনগণের শাসক তাদের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। একজন পুরুষ তার পরিবার পরিজনদের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী স্বামীর ঘরের এবং তার সন্তানের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। আর ক্রীতদাস আপন মনিবের সম্পদের রক্ষণা-বেক্ষণকারী। কাজেই এ বিষয়ে সে জিজ্ঞাসিত হবে। শোন! তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। কাজেই প্রত্যেকেই আপন অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5636 OK

(৫৬৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৭৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثَلُكُمْ وَمَثَلُ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى كَرَجُلٍ اسْتَعْمَلَ عُمَّالًا فَقَالَ مَنْ يَعْمَلُ مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ إِلَى نِصْفِ النَّهَارِ عَلَى قِيرَاطٍ قِيرَاطٍ أَلَا فَعَمِلَتْ الْيَهُودُ ثُمَّ قَالَ مَنْ يَعْمَلُ لِي مِنْ نِصْفِ النَّهَارِ إِلَى صَلَاةِ الْعَصْرِ عَلَى قِيرَاطٍ قِيرَاطٍ أَلَا فَعَمِلَتْ النَّصَارَى ثُمَّ قَالَ مَنْ يَعْمَلُ لِي مِنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ إِلَى غُرُوبِ الشَّمْسِ عَلَى قِيرَاطَيْنِ قِيرَاطَيْنِ أَلَا فَأَنْتُمْ الَّذِينَ عَمِلْتُمْ فَغَضِبَ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى قَالُوا نَحْنُ كُنَّا أَكْثَرَ عَمَلًا وَأَقَلَّ عَطَاءً قَالَ هَلْ ظَلَمْتُكُمْ مِنْ حَقِّكُمْ شَيْئًا قَالُوا لَا قَالَ فَإِنَّمَا هُوَ فَضْلِي أُوتِيهِ مَنْ أَشَاءُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদেরও পূর্বের যেসব উম্মত অতীত হয়ে গেছে, তাদের অনুপাতে তোমাদের অবস্থান হলো আসরের সালাত এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার মধ্যবর্তী সময় টুকুর সমান। আর তোমাদের ও ইয়াহূদী নাসারাদের দৃষ্টান্ত হলো ঐ ব্যক্তির মতো, যে ব্যক্তি কয়েকজন লোককে তার কাজে লাগালো এবং জিজ্ঞেস করলো, “তোমাদের মধ্যে কে আছে যে, আমার জন্যে দুপুর পর্যন্ত এক কিরাতের বিনিময়ে কাজ করবে?” তখন ইয়াহূদীরা এক এক কিরাতের বিনিময়ে দুপুর পর্যন্ত কাজ করলো। অতঃপর সে ব্যক্তি আবার বললো, “তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে, সে দুপুর হতে আসরের সালাত পর্যন্ত এক কিরাতের বিনিময়ে আমার কাজটুকু করে দিবে?” তখন নাসারারা এক কিরাতের বিনিময়ে দুপুর হতে আসর সালাত পর্যন্ত কাজ করলো। সে ব্যক্তি আবার বললো, “কে এমন আছ, যে দুই কিরাতের বদলায় আসর সালাত হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আমার কাজ করে দিবে?” আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “দেখো, তোমরাই হলে সে সব লোক, যারা আসর সালাত হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দুই কিরাতের বিনিময়ে কাজ করলে। দেখো, তোমাদের পারিশ্রমিক দ্বিগুণ।” এতে ইয়াহূদী ও নাসারারা অসন্তুষ্ট হয়ে গেলো এবং বললো, “আমরা কাজ করলাম অধিক আর মজুরি পেলাম কম।” আল্লাহ বলেন, “আমি কি তোমাদের পাওনা দিতে কোনো যুলুম করেছি বা কিছু কম করেছি?” তারা উত্তরে বললো, “না।” তখন আল্লাহ বললেন, “এটা হলো আমার অনুগ্রহ, আমি যাকে ইচ্ছা, তা দান করে থাকি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5637 OK

(৫৬৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ قَائِمًا عِنْدَ بَابِ عَائِشَةَ فَأَشَارَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ فَقَالَ الْفِتْنَةُ هَاهُنَا حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যেদা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কক্ষের দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইশারা করে বললেন, “এই দিক থেকেই ফিতনা শুরু হবে, যেখান থেকে শয়তানের শিং বেরোয়।” এই কথাটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনবার বললেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5638 OK

(৫৬৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا لَمْ يَجِدْ الْمُحْرِمُ النَّعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ الْخُفَّيْنِ وَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنْ الْكَعْبَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মুহাররাম জুতা না পেলে সে মোজা পরবে, কিন্তু গোড়ালির নিচের অংশ কেটে ফেলবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5639 OK

(৫৬৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৪২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ سَالِمٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يَقُولُ هَذِهِ الْبَيْدَاءُ الَّتِي يَكْذِبُونَ فِيهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاللَّهِ مَا أَحْرَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا مِنْ عِنْدِ الْمَسْجِدِ


হজরত সালিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু (মাকাম বিদাহ সম্পর্কে) বলতেন, “এটি একটি বিদআতের স্থান, যে সম্পর্কে তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভুলভাবে উপস্থাপন করো। আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদ থেকেই ইহরাম বেঁধেছেন (বিদআতের স্থান থেকে নয়, যেভাবে তোমরা এটিকে বিখ্যাত করেছো)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5640 OK

(৫৬৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫১৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي الْوَحْدَةِ مَا سَارَ أَحَدٌ وَحْدَهُ بِلَيْلٍ أَبَدًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি মানুষ একা ভ্রমণের ক্ষতি জানতো, তাহলে কেউ কখনোই রাতে একা ভ্রমণ করতো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5641 OK

(৫৬৪১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُؤَمَّلٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجَلُكُمْ فِي أَجَلِ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ كَمَا بَيْنَ صَلَاةِ الْعَصْرِ إِلَى غُرُوبِ الشَّمْسِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদেরও পূর্বের যেসব উম্মত অতীত হয়ে গেছে, তাদের অনুপাতে তোমাদের অবস্থান হলো আসরের সালাত এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার মধ্যবর্তী সময় টুকুর সমান।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5642 OK

(৫৬৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৮৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ يَقُومُ فِي رَشْحِهِ إِلَى أَنْصَافِ أُذُنَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াতের তাফসীরে বলেছেন,
يَوۡمَ يَقُومُ ٱلنَّاسُ لِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ٦
যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের পালনকর্তার সামনে দাঁড়াবে। (৮৩. আত মুতাফফিফীন : ৬)

ঐ দিনের দৈর্ঘ্য হবে পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। তখন মানুষ অর্ধেক কান পর্যন্ত ঘামে উঠে দাঁড়াবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5643 OK

(৫৬৪৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُؤَمَّلٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ قَالَ قَالَ لِي مُحَارِبُ بْنُ دِثَارٍ مَا سَمِعْتَ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يَذْكُرُ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْكَوْثَرِ فَقُلْتُ سَمِعْتُهُ يَقُولُ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ هَذَا الْخَيْرُ الْكَثِيرُ فَقَالَ مُحَارِبٌ سُبْحَانَ اللَّهِ مَا أَقَلَّ مَا يَسْقُطُ لِابْنِ عَبَّاسٍ قَوْلٌ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ لَمَّا أُنْزِلَتْ إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ نَهَرٌ فِي الْجَنَّةِ حَافَتَاهُ مِنْ ذَهَبٍ يَجْرِي عَلَى جَنَادِلِ الدُّرِّ وَالْيَاقُوتِ شَرَابُهُ أَحْلَى مِنْ الْعَسَلِ وَأَشَدُّ بَيَاضًا مِنْ اللَّبَنِ وَأَبْرَدُ مِنْ الثَّلْجِ وَأَطْيَبُ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ قَالَ صَدَقَ ابْنُ عَبَّاسٍ هَذَا وَاللَّهِ الْخَيْرُ الْكَثِيرُ


হজরত আতা ইবনে সায়েব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার মোহারেব ইবনে দাসার আমাকে জিজ্ঞেস করলেন যে, “আপনি সাঈদ ইবনে জুবের রাদিয়াল্লাহু আনহুকে হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বরাত দিয়ে সূরা কাওসার সম্পর্কে কি বলতে শুনেছেন?” আমি বললাম যে, “আমি তাদেরকে বলতে শুনেছি যে, কাওসার অর্থ হচ্ছে, প্রচুর কল্যাণ।” মোহারেব ইবনে দাসার বললেন, “সুবহান আল্লাহ! হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কথা এতো কম ওজনের হতে পারে না।” আমি পুনরায় বললাম যে, “আমি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি যে, যখন সূরা কাউসার অবতীর্ণ হয়েছিলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কাউসার হচ্ছে জান্নাতের একটি নদীর নাম। যার জল মুক্তা ও ইয়াকুত নুড়ির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর পানি মধুর চেয়েও মিষ্টি, দুধের চেয়েও সাদা, বরফের চেয়েও ঠান্ডা এবং কস্তুরীর চেয়েও বেশি সুগন্ধি যুক্ত।” একথা শোনার পর মোহারেব বললেন, “হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ঠিকই বলেছেন, কারণ খোদার কসম এটাই হচ্ছে প্রচুর কল্যাণ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5644 OK

(৫৬৪৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৫৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي ابْنُ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَحَدُكُمْ قَالَ لِأَخِيهِ يَا كَافِرُ فَقَدْ بَاءَ بِهَا أَحَدُهُمَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ যখন তার ভাইকে বলবে, ‘হে কাফির!’ তখন তাদের দুজনের একজন কাফির হয়ে যাবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5645 OK

(৫৬৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১২৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ بِشْرِ بْنِ حَرْبٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ حُجْرَةِ عَائِشَةَ يَقُولُ يُنْصَبُ لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا غَدْرَةَ أَعْظَمُ مِنْ غَدْرَةِ إِمَامِ عَامَّةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কেয়ামতের দিন প্রত্যেক প্রতারকের জন্যে একটি পতাকা থাকবে। আর বলা হবে যে, ‘এটি অমুক প্রতারকের পতাকা’। আর রাষ্ট্রের চেয়ে বড় কোনো প্রতারণা হবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5646 OK

(৫৬৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৭৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ فَقَالَ حَرَامٌ فَقُلْتُ أَنَهَى عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ يَزْعُمُونَ ذَلِكَ


হজরত সাবিত বিনানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে মটকার নাবীজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন, “এটা হারাম।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি তা নিষেধ করেছেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ, লোকেরা তাই বলে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5647 OK

(৫৬৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَاصَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَمَضَانَ فَوَاصَلَ النَّاسُ فَقَالُوا نَهَيْتَنَا عَنْ الْوِصَالِ وَأَنْتَ تُوَاصِلُ قَالَ إِنِّي لَسْتُ كَأَحَدٍ مِنْكُمْ إِنِّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসে একটি সাহরী খেয়ে পরপর একাধিক রোজা পালন করতেন। যখন লোকেরাও তা পালন করতে লাগলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে তা করতে নিষেধ করেন। তারা বললো যে, “আপনি আমাদেরকে একটানা অনেক দিন রোজা রাখতে নিষেধ করছেন, অথচো আপনি নিজেই তা পালন করছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি তোমাদের মতো নই, আমাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে খাওয়ানো ও পান করানো হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5648 OK

(৫৬৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْخَيْلُ بِنَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন পর্যন্ত ঘোড়ার কপালের কেশ গুচ্ছে কল্যাণ স্থাপন করা হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5649 OK

(৫৬৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৫১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ سَرِيَّةً إِلَى نَجْدٍ فَبَلَغَتْ سِهَامُهُمْ اثْنَيْ عَشَرَ بَعِيرًا وَنَفَّلَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعِيرًا بَعِيرًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নজদে একটি কাফেলা পাঠালেন, তাতে (গনীমতের মাল হিসেবে) বারোটি উট প্রাপ্ত হলো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে একটি করে উট পুরস্কার হিসেবে দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5650 OK

(৫৬৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى أَنْبَأَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي عَبْدٍ فَكَانَ لَهُ مَا يَبْلُغُ ثَمَنَ الْعَبْدِ فَإِنَّهُ يُقَوَّمُ قِيمَةَ عَدْلٍ فَيُعْطَى شُرَكَاؤُهُ حَقَّهُمْ وَعَتَقَ عَلَيْهِ الْعَبْدَ وَإِلَّا فَقَدْ أَعْتَقَ مَا أَعْتَقَ


ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি যৌথ মালিকানাভুক্ত দাসের নিজের প্রাপ্য অংশকে স্বাধীন করে দেয়, যদি সে ধনী হয়, তবে দাসটিকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করা তার দায়িত্ব হয়ে যায়। এরপর ঐ দাসের আনুপাতিক অংশের মূল্য নির্ধারণ করা হবে, অতঃপর তার শরীকদেরকে তাদের প্রাপ্য দেয়া হবে এবং তার জন্যে দাসটি স্বাধীন হয়ে যাবে। অন্যথায় (আনুপাতিক অংশের মূল্য নির্ধারণ ও অন্যান্য শরীককে তাদের প্রাপ্য না দেয়া হলে) সে যেটুকু স্বাধীন করেছে, দাসটি সেটুকুই স্বাধীন হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5651 OK

(৫৬৫১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৪১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الصَّلَاةُ فِي الْجَمِيعِ تَزِيدُ عَلَى صَلَاةِ الرَّجُلِ وَحْدَهُ سَبْعًا وَعِشْرِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জামাতে নামাজ পড়ার ফজিলত, একাকী নামাজ পড়ার চেয়ে সাতাশ (২৭) গুণ বেশি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5652 OK

(৫৬৫২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৮৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَاخَ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ فَصَلَّى بِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুল-হিলাইফাহ উপত্যকায় তাঁর উট বসিয়ে সেখানে সালাত আদায় করেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5653 OK

(৫৬৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَثَلُ صَاحِبِ الْقُرْآنِ مَثَلُ صَاحِبِ الْإِبِلِ الْمُعَقَّلَةِ إِنْ عَقَلَهَا صَاحِبُهَا حَبَسَهَا وَإِنْ أَطْلَقَهَا ذَهَبَتْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কুরআন বাহকের উদাহরণ হলো, বাঁধা উটের মালিকের মতো। উট যখন তার মালিক দ্বারা বাঁধা থাকে, তখন তার মালিকের নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর উট যখন খোলা থাকে, তখন তার মালিকের কাছ থেকে উট বেরিয়ে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5654 OK

(৫৬৫৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى أَنْبَأَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كُنَّا نَتَبَايَعُ الطَّعَامَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَبْعَثُ عَلَيْنَا مَنْ يَأْمُرُنَا بِنَقْلِهِ مِنْ الْمَكَانِ الَّذِي ابْتَعْنَاهُ فِيهِ إِلَى مَكَانٍ سِوَاهُ قَبْلَ أَنْ نَبِيعَهُ


ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমলে খাদ্যবস্তু ক্রয়-বিক্রয় করতাম। তখন আমাদের নিকট এমন ব্যক্তিকে তিনি পাঠাতেন, যিনি নির্দেশ দিতেন যেন আমরা যে স্থানে খাদ্য ক্রয় করেছি, পুনরায় বিক্রি করার আগে তা যেন অন্যত্র স্থানান্তর করি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5655 OK

(৫৬৫৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩২১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ اقْتَنَى كَلْبًا إِلَّا كَلْبَ صَيْدٍ أَوْ مَاشِيَةٍ نَقَصَ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি এমন কুকুর পালন করে, যা পাহারাদার কুকুর নয় এবং শিকারী কুকুরও নয়, তবে তার সওয়াব প্রতিদিন দুই কিরাআত কমানো হবে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৬৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস