(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১২৭১টি]



5536 OK

(৫৫৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫১২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الَّذِي يَكْذِبُ عَلَيَّ يُبْنَى لَهُ بَيْتٌ فِي النَّارِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার সম্পর্কে মিথ্যা বলবে, তার জন্যে জাহান্নামে একটি ঘর তৈরি করা হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5537 OK

(৫৫৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৫১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ الرِّجَالَ وَالنِّسَاءَ يَتَوَضَّئُونَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَمِيعًا مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে নারী ও পুরুষদেরকে একই পাত্র থেকে, একসঙ্গে ওযু করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5538 OK

(৫৫৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ قَالَ نَادَى ابْنُ عُمَرَ بِالصَّلَاةِ بِضَجْنَانَ ثُمَّ نَادَى أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ ثُمَّ حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ الْمُنَادِيَ فَيُنَادِي بِالصَّلَاةِ ثُمَّ يُنَادِي أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ وَفِي اللَّيْلَةِ الْمَطِيرَةِ فِي السَّفَرِ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

জাজনান উপত্যকায় একবার সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু নামাযের ঘোষণা দেন, তারপর প্রচার করেন যে, তোমরা তোমাদের নিজেদের তাঁবুতে নামায পড়ো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে এই হাদীসটি বর্ণনা করলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভ্রমণের সময় ঠান্ডার রাতে বা বৃষ্টির রাতে নামাযের ঘোষণা দিতেন এবং প্রচার করতেন যে, “তোমরা নিজেদের তাঁবুতে নামায পড়ো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5539 OK

(৫৫৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২৯৬৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ قَالَ مَرَرْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ وَابْنِ عَبَّاسٍ فِي طَرِيقٍ مِنْ طُرُقِ الْمَدِينَةِ فَإِذَا فِتْيَةٌ قَدْ نَصَبُوا دَجَاجَةً يَرْمُونَهَا لَهُمْ كُلُّ خَاطِئَةٍ قَالَ فَغَضِبَ وَقَالَ مَنْ فَعَلَ هَذَا قَالَ فَتَفَرَّقُوا فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ يُمَثِّلُ بِالْحَيَوَانِ


হজরত সাঈদ বিন যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি, ইবনে ওমর ও ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু মদীনার একটি রাস্তা দিয়ে হেঁটেছিলাম এবং আমরা কিছু অল্প বয়স্ক ছেলেকে দেখলাম যে, তারা একটি মুরগিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নিয়ে, সেটিকে লক্ষ্য করে তীর ছুড়ছিলো। তাদের নিক্ষেপকৃত যে তীর গুলো মুরগির গায়ে লাগবে না, ঐ প্রতিটি তীর মুরগির মালিকদের থাকবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু রাগান্বিত হয়ে বললেন, “কে করেছে এটা?” ফলে ঐ ছেলেরা বিক্ষিপ্ত হয়ে গেলো। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ ব্যক্তিকে অভিসম্পাত করেছেন, যে কোনো প্রাণীকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গ্রহণ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5540 OK

(৫৫৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৯৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ وَحَجَّاجٌ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ الْمَعْنَى قَالَ حَجَّاجٌ عَنْ جَبَلَةَ وَقَالَ ابْنُ جَعْفَرٍ سَمِعْتُ جَبَلَةَ قَالَ كَانَ ابْنُ الزُّبَيْرِ يَرْزُقُنَا التَّمْرَ قَالَ وَقَدْ كَانَ أَصَابَ النَّاسَ يَوْمَئِذٍ جَهْدٌ فَكُنَّا نَأْكُلُ فَيَمُرُّ عَلَيْنَا ابْنُ عُمَرَ وَنَحْنُ نَأْكُلُ فَيَقُولُ لَا تُقَارِنُوا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الْإِقْرَانِ قَالَ حَجَّاجٌ نَهَى عَنْ الْقِرَانِ إِلَّا أَنْ يَسْتَأْذِنَ الرَّجُلُ أَخَاهُ وَقَالَ شُعْبَةُ لَا أُرَى هَذِهِ الْكَلِمَةَ فِي الِاسْتِئْذَانِ إِلَّا مِنْ كَلَامِ ابْنِ عُمَرَ


হজরত জাবলা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে খেজুর খেতে দিতেন। একদা আমরা খেজুর খাচ্ছিলাম, তখন সাইয়্যিদনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের পাশ দিয়ে গেলেন ও তিনি বললেন, “তোমরা একসাথে অনেক গুলো খেজুর খাবেন না, কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার ভাইয়ের অনুমতি ছাড়া, একসাথে অনেক খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন।” ইমাম শুবা বলেন যে, “আমি মনে করি যে, জায়েজ জিনিস হলো, সাইয়্যিদুনা ইবনে উমরের কথা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5541 OK

(৫৫৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ ابْنَ ابْنِهِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ وَاقِدٍ يَا بُنَيَّ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَنْظُرُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِلَى مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ خُيَلَاءَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি অহঙ্কার বশত তার কাপড় মাটিতে টেনে হেঁটে চলে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না, তার সাথে কোনো কথা বলবেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5542 OK

(৫৫৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭০৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْأَعْمَشِ سَمِعَ أَبَا وَائِلٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ وَيُقَالُ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلَانٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কেয়ামতের দিন প্রত্যেক প্রতারকের জন্যে একটি পতাকা থাকবে। আর বলা হবে যে, ‘এটি অমুক প্রতারকের পতাকা’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5543 OK

(৫৫৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৫৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ ابْنِ جُدْعَانَ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ وَهُوَ عَلَى دَرَجِ الْكَعْبَةِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي صَدَقَ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ أَلَا إِنَّ قَتِيلَ الْعَمْدِ الْخَطَإِ بِالسَّوْطِ أَوْ الْعَصَا فِيهِ مِائَةٌ مِنْ الْإِبِلِ وَقَالَ مَرَّةً الْمُغَلَّظَةُ فِيهَا أَرْبَعُونَ خَلِفَةً فِي بُطُونِهَا أَوْلَادُهَا إِنَّ كُلَّ مَأْثُرَةٍ كَانَتْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ وَدَمٍ وَدَعْوَى وَقَالَ مَرَّةً وَدَمٍ وَمَالٍ تَحْتَ قَدَمَيَّ هَاتَيْنِ إِلَّا مَا كَانَ مِنْ سِقَايَةِ الْحَاجِّ وَسِدَانَةِ الْبَيْتِ فَإِنِّي أُمْضِيهِمَا لِأَهْلِهِمَا عَلَى مَا كَانَتْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মক্কা বিজয়ের দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাবার সিঁড়িতে বসে বলেছিলেন, “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন। সমস্ত সৈন্যবাহিনীকে একাই পরাজিত করেছেন। তোমরা মনে রাখবেন যে, একজন নিহত ব্যক্তির রক্তপণ হলো চল্লিশটি গর্ভবতী উটসহ একশত উট। তোমরা মনে রাখবেন যে, জাহেলী যুগের প্রতিটি অহঙ্কার, প্রতিটি রক্ত ​​এবং প্রতিটি দাবী আমার দুই পায়ের নিচে। (সুরতাং তা বাতিল করা হলো।) তবে হাজীদের পানি সরবরাহ এবং বায়তুল্লাহ শরীফের চাবি বহন করার অবস্থান, যতক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ব থাকবে, আমি ততক্ষণ পর্যন্ত এই পদের অধিকারীদের জন্যে তা বজায় রাখবো। (এই অবস্থানগুলি একই লোকেদের সাথেই থাকবে।)” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5544 OK

(৫৫৪৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وُضِعَ الْعَشَاءُ وَأُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ قَالَ وَلَقَدْ تَعَشَّى ابْنُ عُمَرَ مَرَّةً وَهُوَ يَسْمَعُ قِرَاءَةَ الْإِمَامِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কারো সামনে খাবার রাখা হয় এবং নামায দাঁড়িয়ে যায়, তখন তোমরা আগে খেয়ে নাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5545 OK

(৫৫৪৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ كَانَ يَغْدُو إِلَى الْمَسْجِدِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَيُصَلِّي رَكَعَاتٍ يُطِيلُ فِيهِنَّ الْقِيَامَ فَإِذَا انْصَرَفَ الْإِمَامُ رَجَعَ إِلَى بَيْتِهِ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَقَالَ هَكَذَا كَانَ يَفْعَلُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত নাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হযরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু জুমার দিনে মসজিদে যেতেন এবং কয়েক রাকাত সালাত পড়তেন, যাতে তিনি দীর্ঘ সময় দাড়িয়ে থাকতেন। এরপর জুমার নামায শেষ হলে, ঘরে ফিরে তিনি দুই রাকাত নামায পড়তেন এবং বলতেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও এইরূপ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5546 OK

(৫৫৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ حَدَّثَنَا إِيَادٌ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نُعْمٍ أَوْ نُعَيْمٍ الْأَعْرَجِيِّ شَكَّ أَبُو الْوَلِيدِ قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الْمُتْعَةِ وَأَنَا عِنْدَهُ مُتْعَةِ النِّسَاءِ فَقَالَ وَاللَّهِ مَا كُنَّا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَانِينَ وَلَا مُسَافِحِينَ ثُمَّ قَالَ وَاللَّهِ لَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَيَكُونَنَّ قَبْلَ يَوْمِ الْقِيَامَةِ الْمَسِيحُ الدَّجَّالُ وَكَذَّابُونَ ثَلَاثُونَ أَوْ أَكْثَرُ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ أَخْبَرَنَا إِيَادٌ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَلَمْ يَشُكَّ فِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ


হজরত আব্দুর রহমান আল-আরজি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি আমার উপস্থিতিতে হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নারীদের সঙ্গে যৌন মিলন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বললেন যে, “আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে কোনো অনৈতিক বা যৌন অনৈতিক কাজ করিনি।” তিনি আরো বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, “কিয়ামতের পূর্বে খ্রীষ্ট দাজ্জাল এবং ত্রিশ বা ততোধিক মিথ্যাবাদী অবশ্যই আসবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5547 OK

(৫৫৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (বিদায় হজ্জ উপলক্ষে) বলেছেন, “আমার মৃত্যুর পরে তোমরা একে অপরের ঘাড়ে আঘাত করে, কাফের হয়ে যেও না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5548 OK

(৫৫৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (বিদায় হজ্জ উপলক্ষে) বলেছেন, “আমার মৃত্যুর পরে তোমরা একে অপরের ঘাড়ে আঘাত করে, কাফের হয়ে যেও না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5549 OK

(৫৫৪৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا قُدَامَةُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ حُصَيْنٍ التَّمِيمِيُّ عَنْ أَبِي عَلْقَمَةَ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنْ يَسَارٍ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ رَآنِي ابْنُ عُمَرَ وَأَنَا أُصَلِّي بَعْدَمَا طَلَعَ الْفَجْرُ فَقَالَ يَا يَسَارُ كَمْ صَلَّيْتَ قُلْتُ لَا أَدْرِي قَالَ لَا دَرَيْتَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ عَلَيْنَا وَنَحْنُ نُصَلِّ هَذِهِ الصَّلَاةَ فَقَالَ أَلَا لِيُبَلِّغْ شَاهِدُكُمْ غَائِبَكُمْ أَنْ لَا صَلَاةَ بَعْدَ الصُّبْحِ إِلَّا سَجْدَتَانِ


হজরত ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইয়াসার যিনি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর আযাদকৃত গোলাম তিনি বলেন, একবার হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে ফজরের পর সালাত আদায় করতে দেখে বললেন, “হে ইয়াসার! আপনি কত রাকাত পড়েছেন?” আমি বললাম যে, “আমার মনে নেই।” তিনি বললেন, “মনে নেই। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও এমন সময় একবার এসেছিলেন এবং আমরাও একই ভাবে সালাত আদায় করছিলাম, তাই তিনি উপস্থিত ও অনুপস্থিত সকলকে এই বার্তা পৌঁছে দিতে বললেন যে, ‘ফজরের পর দুই রাকাত ছাড়া আর কোনো সালাত নেই’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5550 OK

(৫৫৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪১৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ قَالَ أَبِي وَهُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَقِيلٍ صَالِحُ الْحَدِيثِ ثِقَةٌ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَمْزةَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ اللَّهُمَّ الْعَنْ فُلَانًا اللَّهُمَّ الْعَنْ الْحَارِثَ بْنَ هِشَامٍ اللَّهُمَّ الْعَنْ سُهَيْلَ بْنَ عَمْرٍو اللَّهُمَّ الْعَنْ صَفْوَانَ بْنَ أُمَيَّةَ قَالَ فَنَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ لَيْسَ لَكَ مِنْ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ قَالَ فَتِيبَ عَلَيْهِمْ كُلِّهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফাজরের সলাতের শেষ রাকআতে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলার পর বলতে শুনেছেন যে, “হে আল্লাহ! আপনি অমুক, অমুক এবং অমুকের উপর আপনার অভিশাপ বর্ষণ করুন। হে আল্লাহ! আপনি হারিস বিন হিশাম, সুহাইল বিন আমর ও সাফওয়ান বিন উমাইয়ার উপর আপনার অভিশাপ বর্ষণ করুন।” তখন আল্লাহ তায়ালা এই আয়াত অবতীর্ণ করলেন,
لَيۡسَ لَكَ مِنَ ٱلۡأَمۡرِ شَيۡءٌ أَوۡ يَتُوبَ عَلَيۡهِمۡ أَوۡ يُعَذِّبَهُمۡ فَإِنَّهُمۡ ظَٰلِمُونَ١٢٨
হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই ব্যাপারে আপনার কোনো কিছুই করণীয় নেই যে, হয় আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দিবেন, কেননা নিশ্চয় তারা অন্যায়কারী। (৩. আল ইমরান : ১২৮)
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5551 OK

(৫৫৫১)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ الْغَلَابِيُّ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَزَلَ الْعَقِيقَ فَنَهَى عَنْ طُرُوقِ النِّسَاءِ اللَّيْلَةَ الَّتِي يَأْتِي فِيهَا فَعَصَاهُ فَتَيَانِ فَكِلَاهُمَا رَأَى مَا كَرِهَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওয়াদী আকিকে শিবির স্থাপন করেছিলেন এবং লোকদেরকে তাদের স্ত্রীদেরকে না জানিয়ে হঠাৎ করে তাদের কাছে যেতে নিষেধ করেছিলেন। দুই জন যুবক এই নিষেধ মানেনি, তাই তাদেরকে বিভীষিকাময় দৃশ্য দেখতে হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5552 OK

(৫৫৫২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

قَالَ مُوسَى وَأَخْبَرَنِي سَالِمٌ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَى فِي مُعَرَّسِهِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّكَ فِي بَطْحَاءَ مُبَارَكَةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একজন ফেরেশতা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিবিরে এসে বললেন যে, “আপনি বরকতময় উপত্যকায় আছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5553 OK

(৫৫৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ مُحَارِبَ بْنَ دِثَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ مِنْ مَخِيلَةٍ لَمْ يَنْظُرْ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি অহঙ্কার বশত মাটিতে কাপড় টেনে নিয়ে হাঁটে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। আল্লাহ তার সাথে কথা বলবেন না ও তার প্রতি দয়া করবেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5554 OK

(৫৫৫৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ حَدَّثَنِي سَالِمٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رُؤْيَا رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ اجْتَمَعُوا فَقَامَ أَبُو بَكْرٍ فَنَزَعَ ذَنُوبًا أَوْ ذَنُوبَيْنِ وَفِي نَزْعِهِ ضَعْفٌ وَاللَّهُ يَغْفِرُ لَهُ ثُمَّ نَزَعَ عُمَرُ فَاسْتَحَالَتْ غَرْبًا فَمَا رَأَيْتُ عَبْقَرِيًّا مِنْ النَّاسِ يَفْرِي فَرِيَّهُ حَتَّى ضَرَبَ النَّاسُ بِعَطَنٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “একদা (স্বপ্নে) লোকজনকে একটি মাঠে সমবেত দেখতে পেলাম। তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু উঠে দাঁড়ালেন এবং এক অথবা দুই বালতি পানি উঠালেন। পানি উঠাতে তিনি দুর্বলতা বোধ করছিলেন। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন। অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বালতিটি হাতে নিলেন। বালতিটি তখন বড় আকার ধারণ করলো। আমি মানুষের মধ্যে পানি উঠাতে উমারের মত সুদক্ষ ও শক্তিশালী ব্যক্তি আর দেখিনি। শেষে উপস্থিত লোক তাদের উটগুলোকে পানি পান করিয়ে উটশালে নিয়ে গেলো।” হাম্মাম রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “আমি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করতে শুনেছি, আবূ বকর দুই বালতি পানি উঠালেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5555 OK

(৫৫৫৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১৮০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ اسْتَطَاعَ أَنْ يَمُوتَ بِالْمَدِينَةِ فَلْيَفْعَلْ فَإِنِّي أَشْفَعُ لِمَنْ مَاتَ بِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি মদীনায় মারা যেতে পারে, সে যেনো তা করে। কেননা যে ব্যক্তি মদীনায় মারা যাবে, আমি তার জন্যে সুপারিশ করবো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5556 OK

(৫৫৫৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৭৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ فَقَالَ حَرَامٌ فَقُلْتُ أَنَهَى عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ يَزْعُمُونَ ذَلِكَ


হজরত সাবিত বিনানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে মটকার নাবীজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন, “এটা হারাম।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি তা নিষেধ করেছেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ, লোকেরা তাই বলে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5557 OK

(৫৫৫৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৯৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ وَكُلُّ خَمْرٍ حَرَامٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রতিটি নেশাকারী দ্রব্যই মদ এবং প্রতিটি মদই হারাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5558 OK

(৫৫৫৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى أَنْبَأَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي عَبْدٍ فَكَانَ لَهُ مَا يَبْلُغُ ثَمَنَ الْعَبْدِ فَإِنَّهُ يُقَوَّمُ قِيمَةَ عَدْلٍ فَيُعْطَى شُرَكَاؤُهُ حَقَّهُمْ وَعَتَقَ عَلَيْهِ الْعَبْدَ وَإِلَّا فَقَدْ أَعْتَقَ مَا أَعْتَقَ


ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি যৌথ মালিকানাভুক্ত দাসের নিজের প্রাপ্য অংশকে স্বাধীন করে দেয়, যদি সে ধনী হয়, তবে দাসটিকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করা তার দায়িত্ব হয়ে যায়। এরপর ঐ দাসের আনুপাতিক অংশের মূল্য নির্ধারণ করা হবে, অতঃপর তার শরীকদেরকে তাদের প্রাপ্য দেয়া হবে এবং তার জন্যে দাসটি স্বাধীন হয়ে যাবে। অন্যথায় (আনুপাতিক অংশের মূল্য নির্ধারণ ও অন্যান্য শরীককে তাদের প্রাপ্য না দেয়া হলে) সে যেটুকু স্বাধীন করেছে, দাসটি সেটুকুই স্বাধীন হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5559 OK

(৫৫৫৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর নফল নামায পড়তেন, সওয়ারী যে দিকেই মুখ করে থাকতো না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5560 OK

(৫৫৬০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৮৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ يَقُومُ فِي رَشْحِهِ إِلَى أَنْصَافِ أُذُنَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াতের তাফসীরে বলেছেন,
يَوۡمَ يَقُومُ ٱلنَّاسُ لِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ٦
যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের পালনকর্তার সামনে দাঁড়াবে। (৮৩. আত মুতাফফিফীন : ৬)

ঐ দিনের দৈর্ঘ্য হবে পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। তখন মানুষ অর্ধেক কান পর্যন্ত ঘামে উঠে দাঁড়াবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5561 OK

(৫৫৬১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৫৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي ابْنُ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَحَدُكُمْ قَالَ لِأَخِيهِ يَا كَافِرُ فَقَدْ بَاءَ بِهَا أَحَدُهُمَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ যখন তার ভাইকে বলবে, ‘হে কাফির!’ তখন তাদের দুজনের একজন কাফির হয়ে যাবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5562 OK

(৫৫৬২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১৭৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ وَعَفَّانُ قَالَا حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ قَالَ عَفَّانُ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ قَالَ كُنْتُ آخِذًا بِيَدِ ابْنِ عُمَرَ إِذْ عَرَضَ لَهُ رَجُلٌ فَقَالَ كَيْفَ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي النَّجْوَى يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يُدْنِي الْمُؤْمِنَ فَيَضَعُ عَلَيْهِ كَنَفَهُ وَيَسْتُرُهُ مِنْ النَّاسِ وَيُقَرِّرُهُ بِذُنُوبِهِ وَيَقُولُ لَهُ أَتَعْرِفُ ذَنْبَ كَذَا أَتَعْرِفُ ذَنْبَ كَذَا أَتَعْرِفُ ذَنْبَ كَذَا حَتَّى إِذَا قَرَّرَهُ بِذُنُوبِهِ وَرَأَى فِي نَفْسِهِ أَنَّهُ قَدْ هَلَكَ قَالَ فَإِنِّي قَدْ سَتَرْتُهَا عَلَيْكَ فِي الدُّنْيَا وَإِنِّي أَغْفِرُهَا لَكَ الْيَوْمَ ثُمَّ يُعْطَى كِتَابَ حَسَنَاتِهِ وَأَمَّا الْكُفَّارُ وَالْمُنَافِقُونَ فَيَقُولُ الْأَشْهَادُ هَؤُلَاءِ الَّذِينَ كَذَبُوا عَلَى رَبِّهِمْ أَلَا لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الظَّالِمِينَ


হজরত সাফওয়ান ইবনু মুহরিব আল–মাযিনী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আমি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে তাঁর হাত ধরে চলছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি এসে বললো, “কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা ও তাঁর মুমিন বান্দার একান্তে কথাবার্তা সম্পর্কে আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কি বলতে শুনেছেন?” তখন তিনি বললেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তাআলা মুমিন ব্যক্তিকে নিজের কাছে নিয়ে আসবেন এবং তার উপর স্বীয় আবরণ দ্বারা তাকে ঢেকে নিবেন। তারপর বলবেন, ‘অমুক পাপের কথা কি তুমি জানো?’ তখন সে বলবে, ‘হ্যাঁ, হে আমার প্রতিপালক!’ এভাবে তিনি তার কাছ হতে তার পাপগুলো স্বীকার করিয়ে নিবেন। আর সে মনে করবে যে, তার ধ্বংস অনিবার্য। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন, ‘আমি পৃথিবীতে তোমার পাপ গোপন রেখেছিলাম। আর আজ আমি তা মাফ করে দিবো।’ তারপর তার নেক আমলনামা তাকে দেয়া হবে। কিন্তু কাফির ও মুনাফিকদের সম্পর্কে সাক্ষীরা বলবে, এরাই তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিলো। সাবধান, যালিমদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5563 OK

(৫৫৬৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর নফল নামায পড়তেন, সওয়ারী যে দিকেই মুখ করে থাকতো না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5564 OK

(৫৫৬৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ بَيْنَمَا النَّاسُ يُصَلُّونَ فِي مَسْجِدِ قُبَاءَ الْغَدَاةَ إِذْ جَاءَ جَاءٍ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُنْزِلَ عَلَيْهِ اللَّيْلَةَ قُرْآنٌ وَأُمِرَ أَنْ تُسْتَقْبَلَ الْكَعْبَةُ فَاسْتَقْبَلُوهَا وَاسْتَدَارُوا فَتَوَجَّهُوا نَحْوَ الْكَعْبَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

লোকেরা কুবা মসজিদে সকালের নামায বায়তুল-মাকসিদের দিকে মুখ করে আদায় করছিলো। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললো যে, “আজ রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, তাঁকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে নামাযে কাবার দিকে মুখ করার জন্যে। অতএব আপনারাও কাবার দিকে মুখ করুন।” এ কথা শুনে লোকেরা সাথে সাথে সালাতের মধ্যেই কাবার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলো।
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5565 OK

(৫৫৬৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ জুমুআর নামাযের জন্যে আসে, তখন সে যেনো গোসল করে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস