(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৩৬১টি]



5446 OK

(৫৪৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ عَنِ سَعْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَأَنْ يَمْتَلِئَ جَوْفُ أَحَدِكُمْ قَيْحًا يَرِيهِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمْتَلِئَ شِعْرًا قَالَ حَجَّاجٌ سَمِعْتُ يُونُسَ بْنَ جُبَيْرٍ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কারো জন্য কবিতা দিয়ে পেট ভরানোর চেয়ে পুঁজ দিয়ে পেট ভরা উত্তম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5447 OK

(৫৪৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَدْخُلُوا عَلَى هَؤُلَاءِ الْقَوْمِ الَّذِينَ عُذِّبُوا إِلَّا أَنْ تَكُونُوا بَاكِينَ فَإِنْ لَمْ تَكُونُوا بَاكِينَ فَلَا تَدْخُلُوا عَلَيْهِمْ فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ يُصِيبَكُمْ مِثْلُ مَا أَصَابَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সামুদ সম্প্রদায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন, “তোমরা এসব আযাব প্রাপ্ত সম্প্রদায়ের লোকালয়ে ক্রন্দনরত অবস্থা ব্যতীত প্রবেশ করবে না। কান্না না আসলে সেখানে প্রবেশ করো না। কারণ আমি ভয় পাচ্ছি যে, তাদের উপর যা আপতিত হয়েছিলো, তা তোমাদের প্রতিও আসতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5448 OK

(৫৪৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৯৯৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ وَيَزِيدُ قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ اتَّخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ فَاتَّخَذَ النَّاسُ خَوَاتِيمَهُمْ مِنْ ذَهَبٍ فَرَمَى بِهِ وَقَالَ لَنْ أَلْبَسَهُ أَبَدًا قَالَ يَزِيدُ فَنَبَذَ النَّاسُ خَوَاتِيمَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি পরেন। আংটিটির মোহর হাতের তালুর ভিতরের দিকে ঘুরিয়ে রাখেন। তাতে তিনি مُحَمَّدٌ رَسُوْلُ اللهِ খোদাই করেছিলেন। লোকেরাও এ রকম আংটি ব্যবহার করতে শুরু করেন। যখন তিনি দেখলেন যে, তারাও ঐ রকম আংটি ব্যবহার করছে, তখন তিনি তা ছুঁড়ে ফেলে দেন এবং বলেন, “আমি আর কখনও এটা ব্যবহার করবো না।” তাই লোকেরাও তাদের আংটি গুলি নিক্ষেপ করেছিলো। এরপর তিনি একটি রূপার আংটি ব্যবহার করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা দিয়ে মোহর করতেন, কিন্তু পরতেন না। লোকেরাও রূপার আংটি পরা শুরু করে। ইবনু উমার বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে আবূ বাকর , তারপর উমার ও তারপর উসমান তা ব্যবহার করেছেন। শেষে উসমানের হাত থেকে আংটিটি ‘আরীস’ নামক কূপের মধ্যে পড়ে যায়। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5449 OK

(৫৪৪৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أُسَامَةُ أَحَبُّ النَّاسِ إِلَيَّ مَا حَاشَا فَاطِمَةَ وَلَا غَيْرَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের মধ্যে ওসামা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয়। আর ফাতিমা ছাড়া, অন্য কেউ নেই, যে আমার কাছে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রিয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5450 OK

(৫৪৫০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ رَقَبَةَ عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سُمَيْرَةَ قَالَ كُنْتُ أَمْشِي مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَإِذَا نَحْنُ بِرَأْسٍ مَنْصُوبٍ عَلَى خَشَبَةٍ قَالَ فَقَالَ شَقِيَ قَاتِلُ هَذَا قَالَ قُلْتُ أَنْتَ تَقُولُ هَذَا يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ فَشَدَّ يَدَهُ مِنْ يَدِي وَقَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا مَشَى الرَّجُلُ مِنْ أُمَّتِي إِلَى الرَّجُلِ لِيَقْتُلَهُ فَلْيَقُلْ هَكَذَا فَالْمَقْتُولُ فِي الْجَنَّةِ وَالْقَاتِلُ فِي النَّارِ


হজরত আব্দুর রহমান ইবনু সামুরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাত ধরে মদিনাহর কোনো এক রাস্তায় হাঁটছিলাম। হঠাৎ তিনি একটি ঝুলন্ত মাথার নিকট এসে বললেন, “এর হত্যাকারী বড়ই দুর্ভাগা!” তিনি যেতে যেতে বললেন, “আমার মতে সে অত্যন্ত দুর্ভাগা। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘যদি আমার উম্মতের কাউকে হত্যা করার জন্যে, কোনো লোক অগ্রসর হয়, তাহলে তাকে এভাবে বলো, হত্যাকারী জাহান্নামে যাবে, আর নিহত ব্যাক্তি জান্নাতে যাবে’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5451 OK

(৫৪৫১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৮৪৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنِي صَخْرُ بْنُ جُوَيْرِيَةَ عَنْ نَافِعٍ قَالَ لَمَّا خَلَعَ النَّاسُ يَزِيدَ بْنَ مُعَاوِيَةَ جَمَعَ ابْنُ عُمَرَ بَنِيهِ وَأَهْلَهُ ثُمَّ تَشَهَّدَ ثُمَّ قَالَ أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّا قَدْ بَايَعْنَا هَذَا الرَّجُلَ عَلَى بَيْعِ اللَّهِ وَرَسُولِهِ وَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ الْغَادِرَ يُنْصَبُ لَهُ لِوَاءٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُقَالُ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلَانٍ وَإِنَّ مِنْ أَعْظَمِ الْغَدْرِ أَنْ لَا يَكُونَ الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ تَعَالَى أَنْ يُبَايِعَ رَجُلٌ رَجُلًا عَلَى بَيْعِ اللَّهِ وَرَسُولِهِ ثُمَّ يَنْكُثَ بَيْعَتَهُ فَلَا يَخْلَعَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ يَزِيدَ وَلَا يُشْرِفَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ فِي هَذَا الْأَمْرِ فَيَكُونَ صَيْلَمٌ بَيْنِي وَبَيْنَهُ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

লোকেরা যখন ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়ার আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করেছিলো, তখন সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সমস্ত পুত্র ও পরিবারকে একত্রিত করেছিলেন। তিনি শহীদদের কথা স্বীকার করে বললেন, “আমরা এই ব্যক্তির কাছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নামে আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছি এবং আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘প্রত্যেক প্রতারকের জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং বলা হবে যে, এটি অমুক ব্যক্তির ধোঁকা এবং শিরকের পর সবচেয়ে বড় ধোঁকা হচ্ছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর প্রতি বিশ্বাসী নয়। সে রসূলের নামে কারো কাছে আনুগত্যের শপথ করে অতঃপর তা ভঙ্গ করে।’ তাই তোমাদের কেউ যেনো ইয়াজিদের আনুগত্য ভঙ্গ না করে, এমনকি খিলাফতের নির্দেশের দিকেও না তাকায়, অন্যথায় আমার আর তার মধ্যে কোনো সম্পর্ক থাকবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5452 OK

(৫৪৫২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ أَنَّ أَبَا الْمَلِيحِ قَالَ لِأَبِي قِلَابَةَ دَخَلْتُ أَنَا وَأَبُوكَ عَلَى ابْنِ عُمَرَ فَحَدَّثَنَا أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَلْقَى لَهُ وَسَادَةً مِنْ أَدَمٍ حَشْوُهَا لِيفٌ وَلَمْ أَقْعُدْ عَلَيْهَا بَقِيَتْ بَيْنِي وَبَيْنَهُ


হজরত খালিদ আল-খাদ্দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আবুল-মিলাহ, আবু কালাবাকে বললেন যে, “আমি এবং তোমার পিতা সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেদমতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি আমাদেরকে এই হাদিসটি শুনিয়েছেন যে, তিনি একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিকট উপস্থিত হলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে খেজুরের ছাল ভরা একটি চামড়ার বালিশ বসার জন্যে দিলেন। কিন্তু তিনি তাতে হেলান দিয়ে বসলেন না এবং বালিশটি তার ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মধ্যেই পড়ে রইলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5453 OK

(৫৪৫৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ عَنِ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ مِنْ أَفْرَى الْفِرَى أَنْ يُرِيَ عَيْنَيْهِ فِي الْمَنَامِ مَا لَمْ تَرَيَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের জন্যে সবচেয়ে বড় মিথ্যা হচ্ছে, এমন স্বপ্ন বর্ণনা করা, যা সে দেখেনি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5454 OK

(৫৪৫৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ الْكَرِيمُ ابْنُ الْكَرِيمِ ابْنِ الْكَرِيمِ ابْنِ الْكَرِيمِ يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِمْ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শরীফ ইবনে শরীফ ইবনে শরীফ ইবনে শরীফ ছিলেন, সাইয়্যেদনা ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহীম আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5455 OK

(৫৪৫৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪৬৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ كَسَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُبْطِيَّةً وَكَسَا أُسَامَةَ حُلَّةً سِيَرَاءَ قَالَ فَنَظَرَ فَرَآنِي قَدْ أَسْبَلْتُ فَجَاءَ فَأَخَذَ بِمَنْكِبِي وَقَالَ يَا ابْنَ عُمَرَ كُلُّ شَيْءٍ مَسَّ الْأَرْضَ مِنْ الثِّيَابِ فَفِي النَّارِ قَالَ فَرَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ يَتَّزِرُ إِلَى نِصْفِ السَّاقِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে একটি রেশমী কাপড় দিলেন এবং সাইয়্যিদুনা উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে একজোড়া রেশমী কাপড় দিলেন এবং তিনি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাঁধ ধরে বললেন যে, “হে ইবনে উমর! কাপড়ের যে অংশ মাটিতে পড়বে, তা জাহান্নামে থাকবে।” বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দেখেছি যে, তিনি তার পায়ের অর্ধেক পর্যন্ত এটি তুলে রাখতেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5456 OK

(৫৪৫৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪৩৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ عَقِيلٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَسَاهُ حُلَّةً سِيَرَاءَ وَكَسَا أُسَامَةَ قُبْطِيَّتَيْنِ ثُمَّ قَالَ مَا مَسَّ الْأَرْضَ فَهُوَ فِي النَّارِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে একটি রেশমী কাপড় দিলেন এবং সাইয়্যিদুনা উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে একজোড়া রেশমী কাপড় দিলেন এবং বললেন যে, “কাপড়ের যে অংশ মাটিতে পড়বে, তা জাহান্নামে থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5457 OK

(৫৪৫৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِكْرِمَةَ عَنْ أَبِي الْمُغِيرَةِ بْنِ حُنَيْنٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَذْهَبًا مُوَاجِهَ الْقِبْلَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কেবলার দিকে মুখ করে হাঁটতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5458 OK

(৫৪৫৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ أَبِي طُعْمَةَ مَوْلَاهُمْ وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْغَافِقِيِّ أَنَّهُمَا سَمِعَا ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لُعِنَتْ الْخَمْرُ عَلَى عَشْرَةِ وُجُوهٍ لُعِنَتْ الْخَمْرُ بِعَيْنِهَا وَشَارِبُهَا وَسَاقِيهَا وَبَائِعُهَا وَمُبْتَاعُهَا وَعَاصِرُهَا وَمُعْتَصِرُهَا وَحَامِلُهَا وَالْمَحْمُولَةُ إِلَيْهِ وَآكِلُ ثَمَنِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মদের উপর দশভাবে অভিসম্পাত করা হয়েছে। (১) স্বয়ং মদ (অভিশপ্ত), (২) মদ উৎপাদক, (৩) যে মদ উৎপাদন করায়, (৪) মদের বিক্রেতা, (৫) মদের ক্রেতা, (৬) মদের বহনকারী, (৭) মদ যার জন্যে বহন করা হয়, (৮) মদের মূল্য ভোগকারী, (৯) মদ পানকারী ও (১০) মদ পরিবেশনকারী (এদের সকলেই অভিশপ্ত)।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5459 OK

(৫৪৫৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَصْبُغُ ثِيَابَهُ وَيَدَّهِنُ بِالزَّعْفَرَانِ فَقِيلَ لَهُ لِمَ تَصْبُغُ ثِيَابَكَ وَتَدَّهِنُ بِالزَّعْفَرَانِ قَالَ لِأَنِّي رَأَيْتُهُ أَحَبَّ الْأَصْبَاغِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَّهِنُ بِهِ وَيَصْبُغُ بِهِ ثِيَابَهُ


হজরত আসলাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার কাপড় রঞ্জিত করতেন এবং জাফরান তেল লাগাতেন। কেউ তাকে জিজ্ঞেস করলো, “কেনো আপনি আপনার কাপড় রং করেন এবং জাফরান তেল লাগান?” তিনি বললেন, “আমি দেখেছি যে, জাফরান তেলে রাঙানোর জন্যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রিয় ছিলো এবং তিনি তা লাগাতেন এবং কাপড় রং করতে ব্যবহার করতেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5460 OK

(৫৪৬০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫২৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ حَدَّثَنَا هِشَامٌ يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ دَخَلْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطِيعٍ فَقَالَ مَرْحَبًا بِأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ ضَعُوا لَهُ وِسَادَةً فَقَالَ إِنَّمَا جِئْتُكَ لِأُحَدِّثَكَ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ نَزَعَ يَدًا مَنْ طَاعَةِ اللَّهِ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَا حُجَّةَ لَهُ وَمَنْ مَاتَ وَهُوَ مَفَارِقٌ لِلْجَمَاعَةِ فَإِنَّهُ يَمُوتُ مِيتَةً جَاهِلِيَّةً


হজরত যায়েদ বিন আসলাম রাদিয়াল্লাহু আনহু তার পিতা থেকে থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে আবদুল্লাহ ইবনে মুতীর কাছে গেলাম। তিনি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে স্বাগত জানালেন এবং লোকদের নির্দেশ দিলেন তাঁকে একটি বালিশ দিতে। হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি তোমাদের কাছে একটি হাদিস বর্ণনা করতে এসেছি, যা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সঠিক পথ থেকে সরে যায়, বিচারের দিন তার কোনো যুক্তিই প্রহণ করা হবে না এবং যে ব্যক্তি জামায়াত ত্যাগ করে মারা যায়, সে জাহেলিয়াতের মৃত্যুবরণ করবে’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5461 OK

(৫৪৬১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبَّادٌ يَعْنِي ابْنَ عَبَّادٍ حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ أَهْلَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْحَجِّ مُفْرَدًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে আমরা শুধু হজের ইহরাম বেঁধেছিলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5462 OK

(৫৪৬২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৭০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ أَخْبَرَنِي الثِّقَةُ أَوْ مَنْ لَا أَتَّهِمُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ خَطَبَ إِلَى نَسِيبٍ لَهُ ابْنَتَهُ قَالَ فَكَانَ هَوَى أُمِّ الْمَرْأَةِ فِي ابْنِ عُمَرَ وَكَانَ هَوَى أَبِيهَا فِي يَتِيمٍ لَهُ قَالَ فَزَوَّجَهَا الْأَبُ يَتِيمَهُ ذَلِكَ فَجَاءَتْ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمِّرُوا النِّسَاءَ فِي بَنَاتِهِنَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার তিনি তার এক আত্মীয়ের মেয়ের জন্যে বিবাহের বার্তা পাঠালেন। তার মা তাকে ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে বিয়ে দিতে চাইলেন এবং তার পিতা চেয়েছিলেন যে, তিনি তার এতিম ভাতিজাকে ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে বিয়ে দিবেন। অবশেষে তার পিতা তাকে তার এতিম ভাতিজির সাথে বিয়ে দিলেন এবং সেই মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে এসে পুরো ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন যে, “কন্যারা বিয়ের ব্যাপারে নিজেদের নারীদের সাথেও পরামর্শ করা উচিত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5463 OK

(৫৪৬৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৫৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ اللَّيْثِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ أَبَرَّ الْبِرِّ صِلَةُ الْمَرْءِ أَهْلَ وُدِّ أَبِيهِ بَعْدَ أَنْ يُوَلِّيَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের জন্যে সবচেয়ে বড় নেক কাজ হলো, কোনো ব্যক্তির পিতার ইন্তিকালের পর, তার বন্ধু-বান্ধবের সাথে সদ্ব্যবহার বজায় রাখা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5464 OK

(৫৪৬৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৯৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ بَيْنَا نَحْنُ نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ قَالَ رَجُلٌ فِي الْقَوْمِ اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ الْقَائِلُ كَذَا وَكَذَا فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ عَجِبْتُ لَهَا فُتِحَتْ لَهَا أَبْوَابُ السَّمَاءِ قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَمَا تَرَكْتُهُنَّ مُنْذُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ ذَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সলাত আদায় করেছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি বলে উঠলো,

اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا

“আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, বড়। সব প্রশংসা আল্লাহর জন্যে। আর সকাল ও সন্ধ্যায় তারই পবিত্রতা বর্ণনা করতে হবে।”

সলাত শেষে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, “এ কথা গুলো কে বললো?” সবার মধ্যে থেকে জনৈক ব্যক্তি বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি ঐ কথা গুলো বলেছি।” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “কথাগুলো আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কারণ কথা গুলোর জন্যে আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়েছিলো।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ কথা বলতে শোনার পর থেকে, তাঁর উপর আমাল করা আমি কখনো ছাড়িনি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5465 OK

(৫৪৬৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُحِلَّتْ لَنَا مَيْتَتَانِ وَدَمَانِ فَأَمَّا الْمَيْتَتَانِ فَالْحُوتُ وَالْجَرَادُ وَأَمَّا الدَّمَانِ فَالْكَبِدُ وَالطِّحَالُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমাদের জন্যে দুই প্রকারের মৃতজীব ও দুই প্রকারের রক্ত হালাল করা হয়েছে। মৃত জীব দুইটি হলো, মাছ ও টিড্ডি (এক প্রকারের বড় জাতের ফড়িং) এবং দুই প্রকারের রক্ত হলো, কলিজা ও প্লীহা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5466 OK

(৫৪৬৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ عَنْ أَبِي الزَّاهِرِيَّةِ عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَقِيمُوا الصُّفُوفَ فَإِنَّمَا تَصُفُّونَ بِصُفُوفِ الْمَلَائِكَةِ وَحَاذُوا بَيْنَ الْمَنَاكِبِ وَسُدُّوا الْخَلَلَ وَلِينُوا فِي أَيْدِي إِخْوَانِكُمْ وَلَا تَذَرُوا فُرُجَاتٍ لِلشَّيْطَانِ وَمَنْ وَصَلَ صَفًّا وَصَلَهُ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى وَمَنْ قَطَعَ صَفًّا قَطَعَهُ اللَّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা তোমাদের নামাযের কাতার সমূহ সোজা করে নাও। পরস্পর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াও এবং উভয়ের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা বন্ধ করো। আর তোমাদের ভাইদের হাতে নরম হয়ে যাও। তোমরা শয়তানের জন্যে কাতারের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা রেখে দিও না। যে ব্যক্তি কাতার মিলাবে, আল্লাহও তাকে তারঁ রহমত দ্বারা মিলাবেন। আর যে ব্যক্তি কাতার ভঙ্গ করবে, আল্লাহও তাকে তাঁর রহমত হতে কর্তন করবেন।” ইমাম আবূ দাউদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “তোমাদের ভাইদের হাতে নরম হয়ে যাও” এর অর্থ হচ্ছে, কোনো ব্যক্তি এসে কাতারে প্রবেশ করতে চাইলে, প্রত্যেক ব্যক্তিই তার জন্যে নিজ নিজ কাঁধ নরম করে দিবে, যেনো সে সহজে কাতারে শামিল হতে পারে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5467 OK

(৫৪৬৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ لَيْثٍ وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُهَاجِرِ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ائْذَنُوا لِلنِّسَاءِ بِاللَّيْلِ إِلَى الْمَسَاجِدِ تَفِلَاتٍ لَيْثٌ الَّذِي ذَكَرَ تَفِلَاتٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা নারীদেরকে পর্দা অবস্থায় রাতে মসজিদে আসার অনুমতি দাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5468 OK

(৫৪৬৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ مَرَّتَيْنِ بَيْنَهُمَا جَلْسَةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে দুটি খুতবা দিতেন এবং উভয়ের মধ্যে অল্প বিরতির পর বসতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5469 OK

(৫৪৬৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ كَسَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُبْطِيَّةً وَكَسَا أُسَامَةَ حُلَّةً سِيَرَاءَ قَالَ فَنَظَرَ فَرَآنِي قَدْ أَسْبَلْتُ فَجَاءَ فَأَخَذَ بِمَنْكِبِي وَقَالَ يَا ابْنَ عُمَرَ كُلُّ شَيْءٍ مَسَّ الْأَرْضَ مِنْ الثِّيَابِ فَفِي النَّارِ قَالَ فَرَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ يَتَّزِرُ إِلَى نِصْفِ السَّاقِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে একটি রেশমী কাপড় দিলেন এবং সাইয়্যিদুনা উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে একজোড়া রেশমী কাপড় দিলেন এবং তিনি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাঁধ ধরে বললেন যে, “হে ইবনে উমর! কাপড়ের যে অংশ মাটিতে পড়বে, তা জাহান্নামে থাকবে।” বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দেখেছি যে, তিনি তার পায়ের অর্ধেক পর্যন্ত এটি তুলে রাখতেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5470 OK

(৫৪৭০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫০৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْيَدُ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنْ الْيَدِ السُّفْلَى الْيَدُ الْعُلْيَا الْمُنْفِقَةُ وَالْيَدُ السُّفْلَى السَّائِلَةُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “উপরের হাত নিচের হাতের চেয়ে উত্তম।” উপরের হাত অর্থ ব্যয়কারী হাত এবং নীচের হাত অর্থ গ্রহীতার হাত। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5471 OK

(৫৪৭১)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৩৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ جَامِعٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَمْنَعُ عَبْدٌ زَكَاةَ مَالِهِ إِلَّا جُعِلَ لَهُ شُجَاعٌ أَقْرَعُ يَتْبَعُهُ يَفِرُّ مِنْهُ وَهُوَ يَتْبَعُهُ فَيَقُولُ أَنَا كَنْزُكَ ثُمَّ قَرَأَ عَبْدُ اللَّهِ مِصْدَاقَهُ فِي كِتَابِ اللَّهِ سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً يُطَوَّقُهُ فِي عُنُقِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যাকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু সে এর যাকাত আদায় করেনি, কিয়ামতের দিন তার সম্পদকে টেকো মাথা বিশিষ্ট (বিষের তীব্রতার কারণে) বিষধর সাপের আকৃতি দান করে তার গলায় ঝুলিয়ে দেয়া হবে। সাপটি তার মুখের দুপার্শ্ব কামড়ে ধরে বলবে, ‘আমি তোমার সম্পদ, আমি তোমার জমাকৃত মাল’।” অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিলাওয়াত করেন,
وَلَا يَحۡسَبَنَّ ٱلَّذِينَ يَبۡخَلُونَ بِمَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِۦ هُوَ خَيۡرٗا لَّهُمۖ بَلۡ هُوَ شَرّٞ لَّهُمۡۖ سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُواْ بِهِۦ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۗ وَلِلَّهِ مِيرَٰثُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٞ١٨٠
আল্লাহ তাঁর স্বীয় অনুগ্রহ থেকে যে সম্পদ দান করেছেন, যারা আল্লাহর পথে সেই সম্পদ ব্যয় করতে কৃপণতা করে, তারা যেনো তাদের এ কৃপণতার কারণে না ভাবে যে, তাদের এ কৃপণতা তাদের জন্যে ভালো। বরং, তাদের এ কৃপণতা তাদের জন্যে মন্দ। যে সম্পদের বিষয়ে তারা কৃপণতা করে, ঐ সম্পদ কিয়ামতের দিনে তাদের গলায় ঝুলানো থাকবে। আল্লাহর জন্যেই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উত্তরাধিকার। তোমরা যা করো, আল্লাহ তা জানেন। (৩. আল ইমরান : ১৮০) [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5472 OK

(৫৪৭২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৯৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ وَكُلُّ خَمْرٍ حَرَامٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রতিটি নেশাকারী দ্রব্যই মদ এবং প্রতিটি মদই হারাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5473 OK

(৫৪৭৩)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ الْحِمْصِيُّ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ زُفَرَ عَنْ هَاشِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ مَنْ اشْتَرَى ثَوْبًا بِعَشَرَةِ دَرَاهِمَ وَفِيهِ دِرْهَمٌ حَرَامٌ لَمْ يَقْبَلْ اللَّهُ لَهُ صَلَاةً مَادَامَ عَلَيْهِ قَالَ ثُمَّ أَدْخَلَ أُصْبُعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ ثُمَّ قَالَ صُمَّتَا إِنْ لَمْ يَكُنْ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمِعْتُهُ يَقُولُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যে ব্যক্তি দশ দিরহাম দিয়ে একটি কাপড় ক্রয় করে এবং তাতে এক দিরহামও হারাম থাকে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ওই কাপড়টি তার শরীরে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার কোনো সালাত কবুল হবে না। এরপর হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার কানে আঙুল দিয়ে বললেন, “এই কানগুলো বধির হয়ে যাবে, যদি আমি এ কথা গুলো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে না শুনে থাকি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৭৩]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5474 OK

(৫৪৭৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَأَبُو سَعِيدٍ قَالَا حَدَّثَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا سِمَاكٌ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي عَلَى الْخُمْرَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খেজুর গাছের পাতা দিয়ে তৈরি চাটাইয়ের উপর নামায পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5475 OK

(৫৪৭৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا هُرَيْمٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ تُحْمَلُ مَعَهُ الْعَنَزَةُ فِي الْعِيدَيْنِ فِي أَسْفَارِهِ فَتُرْكَزُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ঈদুল আযহা উপলক্ষে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে একটি বর্শা বহন করা হয়েছিলো। যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে রাখা হয়েছিলো। আর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটাকে সতরা বানিয়ে নামাজের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস