(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৫১১টি]



5296 OK

(৫২৯৬)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنْتُ أَبِيعُ الْإِبِلَ بِالْبَقِيعِ فَأَبِيعُ بِالدَّنَانِيرِ وَآخُذُ الدَّرَاهِمَ وَأَبِيعُ بِالدَّرَاهِمِ وَآخُذُ الدَّنَانِيرَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يَدْخُلَ حُجْرَتَهُ فَأَخَذْتُ بِثَوْبِهِ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِذَا أَخَذْتَ وَاحِدًا مِنْهُمَا بِالْآخَرِ فَلَا يُفَارِقَنَّكَ وَبَيْنَكَ وَبَيْنَهُ بَيْعٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি জান্নাতুল বাকিতে উট বিক্রি করতাম, যদি আমি তা দিনারের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে ক্রেতার কাছ থেকে দিরহাম নিতাম। আর যদি দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে আমি ক্রেতার কাছ থেকে দিনার নিতাম। এই বিষয়টি সঠিক হালাল কিনা, তা জানার জন্যে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলাম। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ঘরে প্রবেশ করতে যাচ্চিলেন, তখন আমি তাঁর কাপড় টেনে ধরে এই বিষয়ে জানতে চাইলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “দামের বিনিময়ে হলে, এমন ক্রয়-বিক্রয়ে কোনো সমস্যা নেই। তবে যখন তুমি দিনার বা দিরহামের বিনিময়ে কোনো কিছু ক্রয়-বিক্রি করো, তখন তুমি তোমার ও তোমার সঙ্গীর থেকে ততক্ষন পর্যন্ত আলাদা হয়ো না, যতক্ষন পর্যন্ত না, তুমি ক্রয়-বিক্রি চুরান্ত করে ফেলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫২৯৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5297 OK

(৫২৯৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَجَدَ فِي الرَّكْعَةِ الْأُولَى مِنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ فَرَأَى أَصْحَابُهُ أَنَّهُ قَرَأَ تَنْزِيلُ السَّجْدَةِ قَالَ وَلَمْ أَسْمَعْهُ مِنْ أَبِي مِجْلَزٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহরের নামাজের ইমামতি করার সময়, প্রথম রাকাতে তেলাওয়াতে সেজদা পড়লেন এবং নামাযের মধ্যে সেজদা করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫২৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5298 OK

(৫২৯৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَهُوَ مُوَجِّهٌ إِلَى خَيْبَرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি খায়বার যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি একটি গাধার উপর বসে নামায পড়ছেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫২৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5299 OK

(৫২৯৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৮০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ غَيْلَانَ بْنَ سَلَمَةَ الثَّقَفِيَّ أَسْلَمَ وَتَحْتَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اخْتَرْ مِنْهُنَّ أَرْبَعًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

গাইলান বিন সালামা আল-সাকাফী যখন ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন তার দশজন স্ত্রী ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছিলেন, “তাদের মধ্যে চারটি বেছে নিয়ে নিজেক কাছে রেখে দাও। (এবং বাকি ছয়টিকে তালাক দিয়ে দাও।)” [মুসনাদে আহমাদ : ৫২৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5300 OK

(৫৩০০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫২৯৬] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنْتُ أَبِيعُ الْإِبِلَ بِالْبَقِيعِ فَأَبِيعُ بِالدَّنَانِيرِ وَآخُذُ الدَّرَاهِمَ وَأَبِيعُ بِالدَّرَاهِمِ وَآخُذُ الدَّنَانِيرَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يَدْخُلَ حُجْرَتَهُ فَأَخَذْتُ بِثَوْبِهِ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِذَا أَخَذْتَ وَاحِدًا مِنْهُمَا بِالْآخَرِ فَلَا يُفَارِقَنَّكَ وَبَيْنَكَ وَبَيْنَهُ بَيْعٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি জান্নাতুল বাকিতে উট বিক্রি করতাম, যদি আমি তা দিনারের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে ক্রেতার কাছ থেকে দিরহাম নিতাম। আর যদি দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে আমি ক্রেতার কাছ থেকে দিনার নিতাম। এই বিষয়টি সঠিক হালাল কিনা, তা জানার জন্যে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলাম। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ঘরে প্রবেশ করতে যাচ্চিলেন, তখন আমি তাঁর কাপড় টেনে ধরে এই বিষয়ে জানতে চাইলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “দামের বিনিময়ে হলে, এমন ক্রয়-বিক্রয়ে কোনো সমস্যা নেই। তবে যখন তুমি দিনার বা দিরহামের বিনিময়ে কোনো কিছু ক্রয়-বিক্রি করো, তখন তুমি তোমার ও তোমার সঙ্গীর থেকে ততক্ষন পর্যন্ত আলাদা হয়ো না, যতক্ষন পর্যন্ত না, তুমি ক্রয়-বিক্রি চুরান্ত করে ফেলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5301 OK

(৫৩০১)

হাদিস দেখুন [৩১:২০২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَّامٍ عَنِ الْحَكَمِ بْنِ مِينَاءَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُمَا شَهِدَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ وَهُوَ عَلَى أَعْوَادِ الْمِنْبَرِ لَيَنْتَهِيَنَّ أَقْوَامٌ عَنْ وَدْعِهِمْ الْجُمُعَاتِ أَوْ لَيَخْتِمَنَّ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى قُلُوبِهِمْ وَلَيُكْتَبَنَّ مِنْ الْغَافِلِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বরে থাকা অবস্থায় বলেছেন, “লোকেরা যেনো জুমআর নামায বর্জন করা থেকে বিরত থাকে, নতুবা আল্লাহ তাদের অন্তরে মোহর মেরে দিবেন এবং তাদেরকে গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত করে দিবেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5302 OK

(৫৩০২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ يُغْبَنُ فِي الْبَيْعِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْ لَا خِلَابَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

কুরাইশদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিলো, যে ব্যবসার ক্ষেত্রে লোকদের থেকে প্রতারণায় পড়তো। সে এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে উল্লেখ করলে, তিনি বললেন, “তুমি লেন-দেনের সময় বলো যে, এই লেন-দেনে কোনো প্রতারণা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5303 OK

(৫৩০৩)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا أَبُو جَنَابٍ يَحْيَى بْنُ أَبِي حَيَّةَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ لَقَدْ رَأَيْتُنَا وَمَا صَاحِبُ الدِّينَارِ وَالدِّرْهَمِ بِأَحَقَّ مِنْ أَخِيهِ الْمُسْلِمِ ثُمَّ لَقَدْ رَأَيْتُنَا بِأَخَرَةٍ الْآنَ وَلَلدِّينَارُ وَالدِّرْهَمُ أَحَبُّ إِلَى أَحَدِنَا مِنْ أَخِيهِ الْمُسْلِمِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা এমন একটি সময় দেখেছি, যখন আমাদের দৃষ্টিতে এক দিরহাম ও এক দিনারের অধিকারী কোনো মুসলিম ব্যক্তি, তার দরিদ্র মুসলিম ভাইয়ের চেয়ে বেশি হকদার ছিলো না। আর এখন আমরা এমন একটি সময় দেখছি, যেখানে এক দিরহাম ও এক দিনারের অধিকারী কোনো মুসলিম ব্যক্তি, তার দরিদ্র মুসলিম ভাই থেকে প্রিয়। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৩]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5304 OK

(৫৩০৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৯৩] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا يَعْنِي ضَنَّ النَّاسُ بِالدِّينَارِ وَالدِّرْهَمِ وَتَبَايَعُوا بِالْعَيْنِ وَاتَّبَعُوا أَذْنَابَ الْبَقَرِ وَتَرَكُوا الْجِهَادَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَنْزَلَ اللَّهُ بِهِمْ بَلَاءً فَلَمْ يَرْفَعْهُ عَنْهُمْ حَتَّى يُرَاجِعُوا دِينَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন যে, “যখন মানুষ দিনার ও দিরহাম নিয়ে কৃপণ হতে শুরু করবে, উৎকৃষ্ট ও দামি জিনিসপত্র ক্রয় করবে, গরুর লেজ অনুসরণ করবে এবং জিহাদের উদ্দেশ্য ত্যাগ করে, তখন আল্লাহ তাদের উপর দুঃখ-কষ্ট নাযিল করবেন এবং যতক্ষণ না মানুষ দ্বীনে ফিরে আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি তাদের দুঃখ-কষ্ট দূর করবেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৪]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5305 OK

(৫৩০৫)

যঈফ হাদিস

وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَتَكُونَنَّ هِجْرَةٌ بَعْدَ هِجْرَةٍ إِلَى مُهَاجَرِ أَبِيكُمْ إِبْرَاهِيمَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى لَا يَبْقَى فِي الْأَرَضِينَ إِلَّا شِرَارُ أَهْلِهَا وَتَلْفِظُهُمْ أَرَضُوهُمْ وَتَقْذَرُهُمْ رُوحُ الرَّحْمَنِ عَزَّ وَجَلَّ وَتَحْشُرُهُمْ النَّارُ مَعَ الْقِرَدَةِ وَالْخَنَازِيرِ تَقِيلُ حَيْثُ يَقِيلُونَ وَتَبِيتُ حَيْثُ يَبِيتُونَ وَمَا سَقَطَ مِنْهُمْ فَلَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “(মদিনায়) হিজরাতের পর আরেকটি হিজরাত হবে (সিরিয়াতে)। পৃথিবীবাসীর যারা এ সময় ইবরাহীম আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হিজরাতের স্থানে (সিরিয়াতে) একত্রিত হবে, তারাই হবে উত্তম। ঐ সময় দুনিয়ার খারাপ লোকেরাই অন্যান্য এলাকায় অবশিষ্ট থাকবে। তাদের আবাসস্থল তাদেরকে স্থানান্তরে নিক্ষেপ করবে। আল্লাহ তাদেরকে মন্দ জানেন। আগুন তাদেরকে বাঁদর ও শূকরের সাথে সমবেত করবে। যেখানে তারা রাত্রি যাপন করবে, সেখানেই আগুন রাত্রি যাপন করবে এবং তাদের মধ্য থেকে যে কেউ গর্জন করবে, সে আগুনের অংশ হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5306 OK

(৫৩০৬)

সহিহ হাদিস

وَلَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَخْرُجُ مِنْ أُمَّتِي قَوْمٌ يُسِيئُونَ الْأَعْمَالَ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لَا يُجَاوِزُ حَنَاجِرَهُمْ قَالَ يَزِيدُ لَا أَعْلَمُ إِلَّا قَالَ يَحْقِرُ أَحَدَكُمْ عَمَلَهُ مِنْ عَمَلِهِمْ يَقْتُلُونَ أَهْلَ الْإِسْلَامِ فَإِذَا خَرَجُوا فَاقْتُلُوهُمْ ثُمَّ إِذَا خَرَجُوا فَاقْتُلُوهُمْ ثُمَّ إِذَا خَرَجُوا فَاقْتُلُوهُمْ فَطُوبَى لِمَنْ قَتَلَهُمْ وَطُوبَى لِمَنْ قَتَلُوهُ كُلَّمَا طَلَعَ مِنْهُمْ قَرْنٌ قَطَعَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَرَدَّدَ ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِشْرِينَ مَرَّةً أَوْ أَكْثَرَ وَأَنَا أَسْمَعُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক আসবে যারা খারাপ কাজ করবে। তারা কুরআন তিলাওয়াত করবে, কিন্তু তা তাদের গলা থেকে নামবে না। তোমাদের নামাযের সাথে তাদের নামাযের কোন মিল থাকবে না, তোমাদের রোযার সাথে তাদের রোযার কোন মিল থাকবে না এবং তোমাদের কুরআন পাঠের সাথে তাদের কুরআন পাঠের মিল থাকবে না। তারা কুরআন পড়বে আর ভাববে এটা তাদের পক্ষে, অথচ আসলে তা তাদের বিপক্ষে। তাদের কুরআন পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না (অর্থাৎ মুখেই উচ্চারিত হবে, হৃদয়ে স্থান পাবে না) তাদেরকে যেখানে পাও হত্যা করো। কেননা তাদেরকে হত্যা করার জন্য কিয়ামতের দিন পুরস্কার দেয়া হবে। তারা ধনুক থেকে যেরূপ দ্রুত বেগে তীর নিক্ষিপ্ত হয়; সেরূপ তীব্র গতিতে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একথাটি বিশ বার বা তারও বেশি বার পুনরাবৃত্তি করতেন এবং আমি তা শুনতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5307 OK

(৫৩০৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى أَخْبَرَنَا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا رَجَعَ مِنْ أُحُدٍ سَمِعَ نِسَاءَ الْأَنْصَارِ يَبْكِينَ عَلَى أَزْوَاجِهِنَّ فَقَالَ لَكِنْ حَمْزَةُ لَا بَوَاكِيَ لَهُ فَبَلَغَ ذَلِكَ نِسَاءَ الْأَنْصَارِ فَجِئْنَ يَبْكِينَ عَلَى حَمْزَةَ قَالَ فَانْتَبَهَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ اللَّيْلِ فَسَمِعَهُنَّ وَهُنَّ يَبْكِينَ فَقَالَ وَيْحَهُنَّ لَمْ يَزَلْنَ يَبْكِينَ بَعْدُ مُنْذُ اللَّيْلَةِ مُرُوهُنَّ فَلْيَرْجِعْنَ وَلَا يَبْكِينَ عَلَى هَالِكٍ بَعْدَ الْيَوْمِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন উহুদ যুদ্ধ থেকে ফিরে আসেন, তখন আনসার মহিলারা তাদের শহীদ স্বামীদের জন্যে কাঁদতে থাকে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হামযার জন্যে কাঁদার কেউ নেই?” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছু সময়ের জন্যে ঘুমিয়ে পড়লেন। এরপর যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চোখ জেগে উঠলো এবং সেই মহিলারাও একইভাবে কাঁদছিলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা আজ হামযার নাম ধরে কাঁদতে থাকো। তোমরা তাদেরকে এখন ফিরে যেতে বলো এবং আজকের পরে যারা মারা গেছে, তাদের জন্যে তোমরা আর কাঁদবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5308 OK

(৫৩০৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ عَنْ مَالِكٍ يَعْنِي ابْنَ مِغْوَلٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ إِنْ كُنَّا لَنَعُدُّ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمَجْلِسِ يَقُولُ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ مِائَةَ مَرَّةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা এক মজলিসে গণনা করলাম যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই বাক্যটি একশত বার বলেছেন।

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ

“হে আমার পালনকর্তা, আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি তওবা কবুলকারী, ক্ষমাশীল।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5309 OK

(৫৩০৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ الْأَصَمِّ قَالَ دَعَانَا رَجُلٌ فَأَتَى بِخِوَانٍ عَلَيْهِ ثَلَاثَةَ عَشَرَ ضَبًّا قَالَ وَذَاكَ عِشَاءً فَآكِلٌ وَتَارِكٌ فَلَمَّا أَصْبَحْنَا غَدَوْنَا عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَسَأَلْتُهُ فَأَكْثَرَ فِي ذَلِكَ جُلَسَاؤُهُ حَتَّى قَالَ بَعْضُهُمْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا آكُلُهُ وَلَا أُحَرِّمُهُ قَالَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بِئْسَمَا قُلْتُمْ إِنَّمَا بُعِثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُحِلًّا وَمُحَرِّمًا ثُمَّ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ مَيْمُونَةَ وَعِنْدَهُ الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ وَامْرَأَةٌ فَأُتِيَ بِخِوَانٍ عَلَيْهِ خُبْزٌ وَلَحْمُ ضَبٍّ قَالَ فَلَمَّا ذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَنَاوَلُ قَالَتْ لَهُ مَيْمُونَةُ إِنَّهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَحْمُ ضَبٍّ فَكَفَّ يَدَهُ وَقَالَ إِنَّهُ لَحْمٌ لَمْ آكُلْهُ وَلَكِنْ كُلُوا قَالَ فَأَكَلَ الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ وَالْمَرْأَةُ قَالَ وَقَالَتْ مَيْمُونَةُ لَا آكُلُ مِنْ طَعَامٍ لَمْ يَأْكُلْ مِنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত ইয়াযীদ বিন আসিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একজন লোক সন্ধ্যায় বেলায় আমাদেরকে ডেকে একটি টেবিল বসিয়েছিলো, যেখানে তেরোটি রান্না করা দুব্বা (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) ছিলো। আমাদের মধ্যে কেউ তা খেয়েছিলো এবং কেউ তা খায়নি। সকালে আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গেলাম এবং আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, তার সাথে বসে থাকা লোকেরা এই বিষয়ে বিস্তর কথা বলেছিলো, তাদের একজন বললো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি এটা খাই না এবং আমি এটা নিষেধও করি না।” আর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তুমি একটি মন্দ কথা বলেছো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শুধু হালাল ও হারাম শিক্ষা দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিলো। একবার একটি থালা আনা হলো যাতে কিছু রুটি এবং দুব্বার (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) গোশত ছিলো। আল-ফাদল বিন আব্বাস, খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ এবং একজন মহিলাও সেখানে ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা হতে কিছু নিতে গেলে মায়মূনা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, এটা দুব্বার (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) গোশত। তাই তিনি তার হাত প্রত্যাহার করে বললেন, “এটি এমন গোশত যা আমি কখনও খাইনি। এটা আমার এলাকায় পাওয়া যায় না, তাই আমি তা খেতে অপছন্দ করি। তবে তোমরা এগিয়ে গিয়ে তা খাও।” আল-ফাদল বিন আব্বাস, খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ এবং মহিলাটি খেয়েছিলেন। কিন্তু তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনেই খাওয়া হয়েছিলো এবং যদি তা হারাম হতো, তবে তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে খাওয়া হতো না। আর মায়মূনা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমি এমন খাবার খাবো না, যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাননি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5310 OK

(৫৩১০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ عَنْ أَبِي حَنْظَلَةَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الصَّلَاةِ فِي السَّفَرِ فَقَالَ الصَّلَاةُ فِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ فَقَالَ إِنَّا آمِنُونَ لَا نَخَافُ أَحَدًا قَالَ سُنَّةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবু হানযালা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমরকে সফরের নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, “সফরের নামায দুই রাকাত।” আমি বললাম, “এখন তো সব জায়গায় মুসলমানদের বিজয় সূচিত হয়েছে এবং শত্রু পক্ষের দিক থেকে কোনো ভয় নেই। তাহলে কি নামায সংক্ষেপ করার কোনো প্রয়োজন আছে?” তিনি বললেন, “এটা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5311 OK

(৫৩১১)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَقِيلِ بْنِ طَلْحَةَ سَمِعْتُ أَبَا الْخَصِيبِ قَالَ كُنْتُ قَاعِدًا فَجَاءَ ابْنُ عُمَرَ فَقَامَ رَجُلٌ مِنْ مَجْلِسِهِ لَهُ فَلَمْ يَجْلِسْ فِيهِ وَقَعَدَ فِي مَكَانٍ آخَرَ فَقَالَ الرَّجُلُ مَا كَانَ عَلَيْكَ لَوْ قَعَدْتَ فَقَالَ لَمْ أَكُنْ أَقْعُدُ فِي مَقْعَدِكَ وَلَا مَقْعَدِ غَيْرِكَ بَعْدَ شَيْءٍ شَهِدْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَامَ لَهُ رَجُلٌ مِنْ مَجْلِسِهِ فَذَهَبَ لِيَجْلِسَ فِيهِ فَنَهَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবুল খাসিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি বসে ছিলাম, তখন হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এলেন। এক ব্যক্তি তার স্থান ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন, কিন্তু হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সেখানে বসলেন না। বরং অন্য জায়গায় গিয়ে বসলেন। ঐ লোকটি হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললো, “ সেখানে বসলে আপনার কোনো ক্ষতি হতো না।” তিনি বললেন, “আমি আপনার জায়গায় বা অন্য কারো জায়গায় বসতে পারবো না, কারণ আমি দেখেছি যে, একবার এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মজলিসে আসলো এবং অন্য একজন উঠে তার জন্যে তার জায়গা খালি করে দিলো। যে ব্যক্তি আসলো, যখন সে তার স্থানে বসতে শুরু করলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ঐ স্থানে বসতে নিষেধ করলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5312 OK

(৫৩১২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي نُعَيْمٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَسَأَلَهُ رَجُلٌ عَنْ شَيْءٍ قَالَ شُعْبَةُ وَأَحْسِبُهُ سَأَلَهُ عَنْ الْمُحْرِمِ يَقْتُلُ الذُّبَابَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ أَهْلُ الْعِرَاقِ يَسْأَلُونَ عَنْ الذُّبَابِ وَقَدْ قَتَلُوا ابْنَ بِنْتِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُمَا رَيْحَانَتِي مِنْ الدُّنْيَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার ইরাকের জনৈক ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন যে, “মহররম ব্যক্তি যদি একটি মাছি মেরে ফেলে, তাহলে তার হুকুম কি?” সাইয়্যিদুনা ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন যে, “এই ইরাকের লোকেরা এসে আমাকে মৌমাছি হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছে, অথচো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাতিকে তারা (কাউকে জিজ্ঞাসা না করে) শহীদ করেছে। যদিও নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর দুই নাতি সম্পর্কে বলেছিলেন যে, ‘এই দুইজনই পৃথিবীতে আমার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5313 OK

(৫৩১৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ يَعْنِي الْمُؤَذِّنَ يُحَدِّثُ عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي الْمُثَنَّى يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِنَّمَا كَانَ الْأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّتَيْنِ وَقَالَ حَجَّاجٌ يَعْنِي مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً غَيْرَ أَنَّهُ يَقُولُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ وَكُنَّا إِذَا سَمِعْنَا الْإِقَامَةَ تَوَضَّأْنَا ثُمَّ خَرَجْنَا إِلَى الصَّلَاةِ قَالَ شُعْبَةُ لَا أَحْفَظُ غَيْرَ هَذَا حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ مُؤَذِّنَ الْعُرْبَانِ فِي مَسْجِدِ بَنِي هِلَالٍ عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي الْمُثَنَّى مُؤَذِّنِ مَسْجِدِ الْجَامِعِ فَذَكَرَ هَذَا الْحَدِيثَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বরকতময় দিনগুলোতে আযানের শব্দ দুইবার করে বলা হতো এবং ইকামাতের শব্দ একবার করে বলা হতো। যদিও ‘কাদকা মাতিস সালাহ’ দুইবার করেই বলা হতো। আর ইকামাত শুনলেই আমরা নামাযের জন্যে প্রস্তুত হয়ে যেতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5314 OK

(৫৩১৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ رَزِينِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْأَحْمَرِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الرَّجُلِ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ ثَلَاثًا فَيَتَزَوَّجُهَا آخَرُ فَيُغْلَقُ الْبَابُ وَيُرْخَى السِّتْرُ ثُمَّ يُطَلِّقُهَا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا هَلْ تَحِلُّ لِلْأَوَّلِ قَالَ لَا حَتَّى يَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ و حَدَّثَنَاه أَبُو أَحْمَدُ يَعْنِي الزُّبَيْرِيَّ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ رَزِينٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলো যে, “যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিনবার তালাক দেয় এবং অন্য কোনো পুরুষ সেই মহিলাকে বিয়ে করে। এখন দ্বিতীয় স্বামী যদি তার সহবাসের পূর্বে ঐ স্ত্রীকে তালাক দেয়। উক্ত স্ত্রীলোকটি কি প্রথম স্বামীর সাথে পুনর্বিবাহে আবদ্ধ হতে পারবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “না, পুনর্বিবাহে আবদ্ধ হতে পারবে না। যতক্ষণ না, দ্বিতীয় স্বামী ঐ মহিলার মধু পান করে (তার সাথে সহবাস করে)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5315 OK

(৫৩১৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ حُرَيْثٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ وَأَمَرَ أَنْ يُنْتَبَذَ فِي الْأَسْقِيَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লাউয়ের খোসা ও তৈলাক্ত পাত্র বিশেষে নাবীজ তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু মাটির পাত্রে নাবীজ বানানোর অনুমতি দিয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5316 OK

(৫৩১৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ طَافَ بِالْبَيْتِ سَبْعًا ثُمَّ صَلَّى عِنْدَ الْمَقَامِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّفَا مِنْ الْبَابِ الَّذِي يَخْرُجُ إِلَيْهِ فَطَافَ بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ قَالَ وَأَخْبَرَنِي أَيُّوبُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ هُوَ سُنَّةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় আসেন, সাতবার তাওয়াফ করেন, মাকামে ইব্রাহীমের পেছনে দুই রাকাত নামায পড়েন। তারপর এই দরজা দিয়ে সাফার দিকে চলে যান, যা সাফার দিকে যায়। আর সাফা ও মারওয়ার মাঝখানে সাই আদায় করেন। অতঃপর তিনি বললেন, এটা সুন্নত। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5317 OK

(৫৩১৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৪২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ سَالِمٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يَقُولُ هَذِهِ الْبَيْدَاءُ الَّتِي يَكْذِبُونَ فِيهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاللَّهِ مَا أَحْرَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا مِنْ عِنْدِ الْمَسْجِدِ


হজরত সালিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু (মাকাম বিদাহ সম্পর্কে) বলতেন, “এটি একটি বিদআতের স্থান, যে সম্পর্কে তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভুলভাবে উপস্থাপন করো। আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদ থেকেই ইহরাম বেঁধেছেন (বিদআতের স্থান থেকে নয়, যেভাবে তোমরা এটিকে বিখ্যাত করেছো)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5318 OK

(৫৩১৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩১৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الشُّؤْمُ فِي ثَلَاثٍ الْفَرَسِ وَالْمَرْأَةِ وَالدَّارِ قَالَ سُفْيَانُ إِنَّمَا نَحْفَظُهُ عَنْ سَالِمٍ يَعْنِي الشُّؤْمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তিনটি জিনিসের মধ্যে অশুভ লক্ষণ থাকতে পারে, ঘরের মধ্যে, ঘোড়ার মধ্যে ও মহিলাদের মধ্যে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5319 OK

(৫৩১৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ فَأَبْرِدُوهَا بِالْمَاءِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জ্বর হচ্ছে জাহান্নামের উত্তাপের প্রভাব, তাই তোমরা একে পানি দিয়ে ঠান্ডা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5320 OK

(৫৩২০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ أَنْهُ سَمِعَ أَبَاهُ مُحَمَّدًا يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا زَالَ جِبْرِيلُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوصِينِي بِالْجَارِ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ سَيُوَرِّثُهُ أَوْ قَالَ خَشِيتُ أَنْ يُوَرِّثَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জিব্রাইল আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে আমার প্রতিবেশীর ব্যাপারে অবিচল ভাবে এতো বেশি অসিয়ত করেছেন যে, আমি মনে করতে লাগলাম যে, প্রতিবেশীকে আমার সম্পদের উত্তরাধিকারী করা হবে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5321 OK

(৫৩২১)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (বিদায় হজ্জ উপলক্ষে) বলেছেন, “আমার মৃত্যুর পরে তোমরা একে অপরের ঘাড়ে আঘাত করে, কাফের হয়ে যেও না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5322 OK

(৫৩২২)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৭৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ أُوتِيَ نَبِيُّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَفَاتِيحَ كُلِّ شَيْءٍ غَيْرَ خَمْسٍ إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَاذَا تَكْسِبُ غَدًا وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঁচটি জিনিস ছাড়া সবকিছুর জ্ঞানের চাবি দেওয়া হয়েছিলো। অতঃপর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন,

إِنَّ ٱللَّهَ عِندَهُۥ عِلۡمُ ٱلسَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ ٱلۡغَيۡثَ وَيَعۡلَمُ مَا فِي ٱلۡأَرۡحَامِۖ وَمَا تَدۡرِي نَفۡسٞ مَّاذَا تَكۡسِبُ غَدٗاۖ وَمَا تَدۡرِي نَفۡسُۢ بِأَيِّ أَرۡضٖ تَمُوتُۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرُۢ٣٤
নিশ্চয় কেবল মাত্র আল্লাহর কাছেই কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন ও মায়ের গর্ভাশয়ের মধ্যে যা আছে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না যে, আগামীকাল সে কী উপার্জন করবে। আর কেউ জানে না যে, কোন দেশে সে মারা যাবে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, পূর্ণ অবগত। (৩১. লোকমান : ৩৪) [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5323 OK

(৫৩২৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২২৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا يُونُسُ أَخْبَرَنِي زِيَادُ بْنُ جُبَيْرٍ قَالَ كُنْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ بِمِنًى فَمَرَّ بِرَجُلٍ وَهُوَ يَنْحَرُ بَدَنَةً وَهِيَ بَارِكَةٌ فَقَالَ ابْعَثْهَا قِيَامًا مُقَيَّدَةً سُنَّةَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত যিয়াদ বিন জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি মিনার ময়দানে হযরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলোাম, পথিমধ্যে তিনি এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যার উট বসা অবস্থায় ছিলো এবং হযরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, “উটটিকে দাঁড় করাও এবং তার পা বেঁধে দাও এবং তারপর তাকে জবেহ করো। এটাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5324 OK

(৫৩২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫১৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي الْوَحْدَةِ مَا سَارَ أَحَدٌ وَحْدَهُ بِلَيْلٍ أَبَدًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি মানুষ একা ভ্রমণের ক্ষতি জানতো, তাহলে কেউ কখনোই রাতে একা ভ্রমণ করতো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5325 OK

(৫৩২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩০৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَطَعَ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ وَحَرَّقَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বনু নাযীরের গাছ কেটে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস