
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنْتُ أَبِيعُ الْإِبِلَ بِالْبَقِيعِ فَأَبِيعُ بِالدَّنَانِيرِ وَآخُذُ الدَّرَاهِمَ وَأَبِيعُ بِالدَّرَاهِمِ وَآخُذُ الدَّنَانِيرَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يَدْخُلَ حُجْرَتَهُ فَأَخَذْتُ بِثَوْبِهِ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِذَا أَخَذْتَ وَاحِدًا مِنْهُمَا بِالْآخَرِ فَلَا يُفَارِقَنَّكَ وَبَيْنَكَ وَبَيْنَهُ بَيْعٌ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি জান্নাতুল বাকিতে উট বিক্রি করতাম, যদি আমি তা দিনারের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে ক্রেতার কাছ থেকে দিরহাম নিতাম। আর যদি দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে আমি ক্রেতার কাছ থেকে দিনার নিতাম। এই বিষয়টি সঠিক হালাল কিনা, তা জানার জন্যে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলাম। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ঘরে প্রবেশ করতে যাচ্চিলেন, তখন আমি তাঁর কাপড় টেনে ধরে এই বিষয়ে জানতে চাইলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “দামের বিনিময়ে হলে, এমন ক্রয়-বিক্রয়ে কোনো সমস্যা নেই। তবে যখন তুমি দিনার বা দিরহামের বিনিময়ে কোনো কিছু ক্রয়-বিক্রি করো, তখন তুমি তোমার ও তোমার সঙ্গীর থেকে ততক্ষন পর্যন্ত আলাদা হয়ো না, যতক্ষন পর্যন্ত না, তুমি ক্রয়-বিক্রি চুরান্ত করে ফেলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫২৯৬]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَجَدَ فِي الرَّكْعَةِ الْأُولَى مِنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ فَرَأَى أَصْحَابُهُ أَنَّهُ قَرَأَ تَنْزِيلُ السَّجْدَةِ قَالَ وَلَمْ أَسْمَعْهُ مِنْ أَبِي مِجْلَزٍ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহরের নামাজের ইমামতি করার সময়, প্রথম রাকাতে তেলাওয়াতে সেজদা পড়লেন এবং নামাযের মধ্যে সেজদা করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫২৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَهُوَ مُوَجِّهٌ إِلَى خَيْبَرَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি খায়বার যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি একটি গাধার উপর বসে নামায পড়ছেন।
[মুসনাদে আহমাদ : ৫২৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ غَيْلَانَ بْنَ سَلَمَةَ الثَّقَفِيَّ أَسْلَمَ وَتَحْتَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اخْتَرْ مِنْهُنَّ أَرْبَعًا
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
গাইলান বিন সালামা আল-সাকাফী যখন ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন তার দশজন স্ত্রী ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছিলেন, “তাদের মধ্যে চারটি বেছে নিয়ে নিজেক কাছে রেখে দাও। (এবং বাকি ছয়টিকে তালাক দিয়ে দাও।)” [মুসনাদে আহমাদ : ৫২৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنْتُ أَبِيعُ الْإِبِلَ بِالْبَقِيعِ فَأَبِيعُ بِالدَّنَانِيرِ وَآخُذُ الدَّرَاهِمَ وَأَبِيعُ بِالدَّرَاهِمِ وَآخُذُ الدَّنَانِيرَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يَدْخُلَ حُجْرَتَهُ فَأَخَذْتُ بِثَوْبِهِ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِذَا أَخَذْتَ وَاحِدًا مِنْهُمَا بِالْآخَرِ فَلَا يُفَارِقَنَّكَ وَبَيْنَكَ وَبَيْنَهُ بَيْعٌ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি জান্নাতুল বাকিতে উট বিক্রি করতাম, যদি আমি তা দিনারের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে ক্রেতার কাছ থেকে দিরহাম নিতাম। আর যদি দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে আমি ক্রেতার কাছ থেকে দিনার নিতাম। এই বিষয়টি সঠিক হালাল কিনা, তা জানার জন্যে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলাম। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ঘরে প্রবেশ করতে যাচ্চিলেন, তখন আমি তাঁর কাপড় টেনে ধরে এই বিষয়ে জানতে চাইলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “দামের বিনিময়ে হলে, এমন ক্রয়-বিক্রয়ে কোনো সমস্যা নেই। তবে যখন তুমি দিনার বা দিরহামের বিনিময়ে কোনো কিছু ক্রয়-বিক্রি করো, তখন তুমি তোমার ও তোমার সঙ্গীর থেকে ততক্ষন পর্যন্ত আলাদা হয়ো না, যতক্ষন পর্যন্ত না, তুমি ক্রয়-বিক্রি চুরান্ত করে ফেলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০০]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস


حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَّامٍ عَنِ الْحَكَمِ بْنِ مِينَاءَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُمَا شَهِدَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ وَهُوَ عَلَى أَعْوَادِ الْمِنْبَرِ لَيَنْتَهِيَنَّ أَقْوَامٌ عَنْ وَدْعِهِمْ الْجُمُعَاتِ أَوْ لَيَخْتِمَنَّ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى قُلُوبِهِمْ وَلَيُكْتَبَنَّ مِنْ الْغَافِلِينَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বরে থাকা অবস্থায় বলেছেন, “লোকেরা যেনো জুমআর নামায বর্জন করা থেকে বিরত থাকে, নতুবা আল্লাহ তাদের অন্তরে মোহর মেরে দিবেন এবং তাদেরকে গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত করে দিবেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ يُغْبَنُ فِي الْبَيْعِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْ لَا خِلَابَةَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
কুরাইশদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিলো, যে ব্যবসার ক্ষেত্রে লোকদের থেকে প্রতারণায় পড়তো। সে এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে উল্লেখ করলে, তিনি বললেন, “তুমি লেন-দেনের সময় বলো যে, এই লেন-দেনে কোনো প্রতারণা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا أَبُو جَنَابٍ يَحْيَى بْنُ أَبِي حَيَّةَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ لَقَدْ رَأَيْتُنَا وَمَا صَاحِبُ الدِّينَارِ وَالدِّرْهَمِ بِأَحَقَّ مِنْ أَخِيهِ الْمُسْلِمِ ثُمَّ لَقَدْ رَأَيْتُنَا بِأَخَرَةٍ الْآنَ وَلَلدِّينَارُ وَالدِّرْهَمُ أَحَبُّ إِلَى أَحَدِنَا مِنْ أَخِيهِ الْمُسْلِمِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমরা এমন একটি সময় দেখেছি, যখন আমাদের দৃষ্টিতে এক দিরহাম ও এক দিনারের অধিকারী কোনো মুসলিম ব্যক্তি, তার দরিদ্র মুসলিম ভাইয়ের চেয়ে বেশি হকদার ছিলো না। আর এখন আমরা এমন একটি সময় দেখছি, যেখানে এক দিরহাম ও এক দিনারের অধিকারী কোনো মুসলিম ব্যক্তি, তার দরিদ্র মুসলিম ভাই থেকে প্রিয়। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৩]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস


حَدَّثَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا يَعْنِي ضَنَّ النَّاسُ بِالدِّينَارِ وَالدِّرْهَمِ وَتَبَايَعُوا بِالْعَيْنِ وَاتَّبَعُوا أَذْنَابَ الْبَقَرِ وَتَرَكُوا الْجِهَادَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَنْزَلَ اللَّهُ بِهِمْ بَلَاءً فَلَمْ يَرْفَعْهُ عَنْهُمْ حَتَّى يُرَاجِعُوا دِينَهُمْ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন যে, “যখন মানুষ দিনার ও দিরহাম নিয়ে কৃপণ হতে শুরু করবে, উৎকৃষ্ট ও দামি জিনিসপত্র ক্রয় করবে, গরুর লেজ অনুসরণ করবে এবং জিহাদের উদ্দেশ্য ত্যাগ করে, তখন আল্লাহ তাদের উপর দুঃখ-কষ্ট নাযিল করবেন এবং যতক্ষণ না মানুষ দ্বীনে ফিরে আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি তাদের দুঃখ-কষ্ট দূর করবেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৪]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস

وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَتَكُونَنَّ هِجْرَةٌ بَعْدَ هِجْرَةٍ إِلَى مُهَاجَرِ أَبِيكُمْ إِبْرَاهِيمَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى لَا يَبْقَى فِي الْأَرَضِينَ إِلَّا شِرَارُ أَهْلِهَا وَتَلْفِظُهُمْ أَرَضُوهُمْ وَتَقْذَرُهُمْ رُوحُ الرَّحْمَنِ عَزَّ وَجَلَّ وَتَحْشُرُهُمْ النَّارُ مَعَ الْقِرَدَةِ وَالْخَنَازِيرِ تَقِيلُ حَيْثُ يَقِيلُونَ وَتَبِيتُ حَيْثُ يَبِيتُونَ وَمَا سَقَطَ مِنْهُمْ فَلَهَا
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “(মদিনায়) হিজরাতের পর আরেকটি হিজরাত হবে (সিরিয়াতে)। পৃথিবীবাসীর যারা এ সময় ইবরাহীম আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হিজরাতের স্থানে (সিরিয়াতে) একত্রিত হবে, তারাই হবে উত্তম। ঐ সময় দুনিয়ার খারাপ লোকেরাই অন্যান্য এলাকায় অবশিষ্ট থাকবে। তাদের আবাসস্থল তাদেরকে স্থানান্তরে নিক্ষেপ করবে। আল্লাহ তাদেরকে মন্দ জানেন। আগুন তাদেরকে বাঁদর ও শূকরের সাথে সমবেত করবে। যেখানে তারা রাত্রি যাপন করবে, সেখানেই আগুন রাত্রি যাপন করবে এবং তাদের মধ্য থেকে যে কেউ গর্জন করবে, সে আগুনের অংশ হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৫]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস

وَلَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَخْرُجُ مِنْ أُمَّتِي قَوْمٌ يُسِيئُونَ الْأَعْمَالَ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لَا يُجَاوِزُ حَنَاجِرَهُمْ قَالَ يَزِيدُ لَا أَعْلَمُ إِلَّا قَالَ يَحْقِرُ أَحَدَكُمْ عَمَلَهُ مِنْ عَمَلِهِمْ يَقْتُلُونَ أَهْلَ الْإِسْلَامِ فَإِذَا خَرَجُوا فَاقْتُلُوهُمْ ثُمَّ إِذَا خَرَجُوا فَاقْتُلُوهُمْ ثُمَّ إِذَا خَرَجُوا فَاقْتُلُوهُمْ فَطُوبَى لِمَنْ قَتَلَهُمْ وَطُوبَى لِمَنْ قَتَلُوهُ كُلَّمَا طَلَعَ مِنْهُمْ قَرْنٌ قَطَعَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَرَدَّدَ ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِشْرِينَ مَرَّةً أَوْ أَكْثَرَ وَأَنَا أَسْمَعُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক আসবে যারা খারাপ কাজ করবে। তারা কুরআন তিলাওয়াত করবে, কিন্তু তা তাদের গলা থেকে নামবে না। তোমাদের নামাযের সাথে তাদের নামাযের কোন মিল থাকবে না, তোমাদের রোযার সাথে তাদের রোযার কোন মিল থাকবে না এবং তোমাদের কুরআন পাঠের সাথে তাদের কুরআন পাঠের মিল থাকবে না। তারা কুরআন পড়বে আর ভাববে এটা তাদের পক্ষে, অথচ আসলে তা তাদের বিপক্ষে। তাদের কুরআন পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না (অর্থাৎ মুখেই উচ্চারিত হবে, হৃদয়ে স্থান পাবে না) তাদেরকে যেখানে পাও হত্যা করো। কেননা তাদেরকে হত্যা করার জন্য কিয়ামতের দিন পুরস্কার দেয়া হবে। তারা ধনুক থেকে যেরূপ দ্রুত বেগে তীর নিক্ষিপ্ত হয়; সেরূপ তীব্র গতিতে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একথাটি বিশ বার বা তারও বেশি বার পুনরাবৃত্তি করতেন এবং আমি তা শুনতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى أَخْبَرَنَا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا رَجَعَ مِنْ أُحُدٍ سَمِعَ نِسَاءَ الْأَنْصَارِ يَبْكِينَ عَلَى أَزْوَاجِهِنَّ فَقَالَ لَكِنْ حَمْزَةُ لَا بَوَاكِيَ لَهُ فَبَلَغَ ذَلِكَ نِسَاءَ الْأَنْصَارِ فَجِئْنَ يَبْكِينَ عَلَى حَمْزَةَ قَالَ فَانْتَبَهَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ اللَّيْلِ فَسَمِعَهُنَّ وَهُنَّ يَبْكِينَ فَقَالَ وَيْحَهُنَّ لَمْ يَزَلْنَ يَبْكِينَ بَعْدُ مُنْذُ اللَّيْلَةِ مُرُوهُنَّ فَلْيَرْجِعْنَ وَلَا يَبْكِينَ عَلَى هَالِكٍ بَعْدَ الْيَوْمِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন উহুদ যুদ্ধ থেকে ফিরে আসেন, তখন আনসার মহিলারা তাদের শহীদ স্বামীদের জন্যে কাঁদতে থাকে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হামযার জন্যে কাঁদার কেউ নেই?” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছু সময়ের জন্যে ঘুমিয়ে পড়লেন। এরপর যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চোখ জেগে উঠলো এবং সেই মহিলারাও একইভাবে কাঁদছিলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা আজ হামযার নাম ধরে কাঁদতে থাকো। তোমরা তাদেরকে এখন ফিরে যেতে বলো এবং আজকের পরে যারা মারা গেছে, তাদের জন্যে তোমরা আর কাঁদবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ عَنْ مَالِكٍ يَعْنِي ابْنَ مِغْوَلٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ إِنْ كُنَّا لَنَعُدُّ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمَجْلِسِ يَقُولُ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ مِائَةَ مَرَّةٍ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমরা এক মজলিসে গণনা করলাম যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই বাক্যটি একশত বার বলেছেন।
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ
“হে আমার পালনকর্তা, আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি তওবা কবুলকারী, ক্ষমাশীল।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ الْأَصَمِّ قَالَ دَعَانَا رَجُلٌ فَأَتَى بِخِوَانٍ عَلَيْهِ ثَلَاثَةَ عَشَرَ ضَبًّا قَالَ وَذَاكَ عِشَاءً فَآكِلٌ وَتَارِكٌ فَلَمَّا أَصْبَحْنَا غَدَوْنَا عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَسَأَلْتُهُ فَأَكْثَرَ فِي ذَلِكَ جُلَسَاؤُهُ حَتَّى قَالَ بَعْضُهُمْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا آكُلُهُ وَلَا أُحَرِّمُهُ قَالَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بِئْسَمَا قُلْتُمْ إِنَّمَا بُعِثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُحِلًّا وَمُحَرِّمًا ثُمَّ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ مَيْمُونَةَ وَعِنْدَهُ الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ وَامْرَأَةٌ فَأُتِيَ بِخِوَانٍ عَلَيْهِ خُبْزٌ وَلَحْمُ ضَبٍّ قَالَ فَلَمَّا ذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَنَاوَلُ قَالَتْ لَهُ مَيْمُونَةُ إِنَّهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَحْمُ ضَبٍّ فَكَفَّ يَدَهُ وَقَالَ إِنَّهُ لَحْمٌ لَمْ آكُلْهُ وَلَكِنْ كُلُوا قَالَ فَأَكَلَ الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ وَالْمَرْأَةُ قَالَ وَقَالَتْ مَيْمُونَةُ لَا آكُلُ مِنْ طَعَامٍ لَمْ يَأْكُلْ مِنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হজরত ইয়াযীদ বিন আসিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একজন লোক সন্ধ্যায় বেলায় আমাদেরকে ডেকে একটি টেবিল বসিয়েছিলো, যেখানে তেরোটি রান্না করা দুব্বা (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) ছিলো। আমাদের মধ্যে কেউ তা খেয়েছিলো এবং কেউ তা খায়নি। সকালে আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গেলাম এবং আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, তার সাথে বসে থাকা লোকেরা এই বিষয়ে বিস্তর কথা বলেছিলো, তাদের একজন বললো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি এটা খাই না এবং আমি এটা নিষেধও করি না।” আর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তুমি একটি মন্দ কথা বলেছো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শুধু হালাল ও হারাম শিক্ষা দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিলো। একবার একটি থালা আনা হলো যাতে কিছু রুটি এবং দুব্বার (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) গোশত ছিলো। আল-ফাদল বিন আব্বাস, খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ এবং একজন মহিলাও সেখানে ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা হতে কিছু নিতে গেলে মায়মূনা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, এটা দুব্বার (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) গোশত। তাই তিনি তার হাত প্রত্যাহার করে বললেন, “এটি এমন গোশত যা আমি কখনও খাইনি। এটা আমার এলাকায় পাওয়া যায় না, তাই আমি তা খেতে অপছন্দ করি। তবে তোমরা এগিয়ে গিয়ে তা খাও।” আল-ফাদল বিন আব্বাস, খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ এবং মহিলাটি খেয়েছিলেন। কিন্তু তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনেই খাওয়া হয়েছিলো এবং যদি তা হারাম হতো, তবে তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে খাওয়া হতো না। আর মায়মূনা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমি এমন খাবার খাবো না, যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাননি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ عَنْ أَبِي حَنْظَلَةَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الصَّلَاةِ فِي السَّفَرِ فَقَالَ الصَّلَاةُ فِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ فَقَالَ إِنَّا آمِنُونَ لَا نَخَافُ أَحَدًا قَالَ سُنَّةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হজরত আবু হানযালা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমরকে সফরের নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, “সফরের নামায দুই রাকাত।” আমি বললাম, “এখন তো সব জায়গায় মুসলমানদের বিজয় সূচিত হয়েছে এবং শত্রু পক্ষের দিক থেকে কোনো ভয় নেই। তাহলে কি নামায সংক্ষেপ করার কোনো প্রয়োজন আছে?” তিনি বললেন, “এটা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَقِيلِ بْنِ طَلْحَةَ سَمِعْتُ أَبَا الْخَصِيبِ قَالَ كُنْتُ قَاعِدًا فَجَاءَ ابْنُ عُمَرَ فَقَامَ رَجُلٌ مِنْ مَجْلِسِهِ لَهُ فَلَمْ يَجْلِسْ فِيهِ وَقَعَدَ فِي مَكَانٍ آخَرَ فَقَالَ الرَّجُلُ مَا كَانَ عَلَيْكَ لَوْ قَعَدْتَ فَقَالَ لَمْ أَكُنْ أَقْعُدُ فِي مَقْعَدِكَ وَلَا مَقْعَدِ غَيْرِكَ بَعْدَ شَيْءٍ شَهِدْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَامَ لَهُ رَجُلٌ مِنْ مَجْلِسِهِ فَذَهَبَ لِيَجْلِسَ فِيهِ فَنَهَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হজরত আবুল খাসিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার আমি বসে ছিলাম, তখন হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এলেন। এক ব্যক্তি তার স্থান ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন, কিন্তু হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সেখানে বসলেন না। বরং অন্য জায়গায় গিয়ে বসলেন। ঐ লোকটি হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললো, “ সেখানে বসলে আপনার কোনো ক্ষতি হতো না।” তিনি বললেন, “আমি আপনার জায়গায় বা অন্য কারো জায়গায় বসতে পারবো না, কারণ আমি দেখেছি যে, একবার এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মজলিসে আসলো এবং অন্য একজন উঠে তার জন্যে তার জায়গা খালি করে দিলো। যে ব্যক্তি আসলো, যখন সে তার স্থানে বসতে শুরু করলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ঐ স্থানে বসতে নিষেধ করলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১১]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي نُعَيْمٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَسَأَلَهُ رَجُلٌ عَنْ شَيْءٍ قَالَ شُعْبَةُ وَأَحْسِبُهُ سَأَلَهُ عَنْ الْمُحْرِمِ يَقْتُلُ الذُّبَابَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ أَهْلُ الْعِرَاقِ يَسْأَلُونَ عَنْ الذُّبَابِ وَقَدْ قَتَلُوا ابْنَ بِنْتِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُمَا رَيْحَانَتِي مِنْ الدُّنْيَا
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার ইরাকের জনৈক ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন যে, “মহররম ব্যক্তি যদি একটি মাছি মেরে ফেলে, তাহলে তার হুকুম কি?” সাইয়্যিদুনা ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন যে, “এই ইরাকের লোকেরা এসে আমাকে মৌমাছি হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছে, অথচো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাতিকে তারা (কাউকে জিজ্ঞাসা না করে) শহীদ করেছে। যদিও নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর দুই নাতি সম্পর্কে বলেছিলেন যে, ‘এই দুইজনই পৃথিবীতে আমার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ يَعْنِي الْمُؤَذِّنَ يُحَدِّثُ عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي الْمُثَنَّى يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِنَّمَا كَانَ الْأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّتَيْنِ وَقَالَ حَجَّاجٌ يَعْنِي مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً غَيْرَ أَنَّهُ يَقُولُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ وَكُنَّا إِذَا سَمِعْنَا الْإِقَامَةَ تَوَضَّأْنَا ثُمَّ خَرَجْنَا إِلَى الصَّلَاةِ قَالَ شُعْبَةُ لَا أَحْفَظُ غَيْرَ هَذَا حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ مُؤَذِّنَ الْعُرْبَانِ فِي مَسْجِدِ بَنِي هِلَالٍ عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي الْمُثَنَّى مُؤَذِّنِ مَسْجِدِ الْجَامِعِ فَذَكَرَ هَذَا الْحَدِيثَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বরকতময় দিনগুলোতে আযানের শব্দ দুইবার করে বলা হতো এবং ইকামাতের শব্দ একবার করে বলা হতো। যদিও ‘কাদকা মাতিস সালাহ’ দুইবার করেই বলা হতো। আর ইকামাত শুনলেই আমরা নামাযের জন্যে প্রস্তুত হয়ে যেতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ رَزِينِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْأَحْمَرِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الرَّجُلِ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ ثَلَاثًا فَيَتَزَوَّجُهَا آخَرُ فَيُغْلَقُ الْبَابُ وَيُرْخَى السِّتْرُ ثُمَّ يُطَلِّقُهَا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا هَلْ تَحِلُّ لِلْأَوَّلِ قَالَ لَا حَتَّى يَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ و حَدَّثَنَاه أَبُو أَحْمَدُ يَعْنِي الزُّبَيْرِيَّ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ رَزِينٍ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলো যে, “যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিনবার তালাক দেয় এবং অন্য কোনো পুরুষ সেই মহিলাকে বিয়ে করে। এখন দ্বিতীয় স্বামী যদি তার সহবাসের পূর্বে ঐ স্ত্রীকে তালাক দেয়। উক্ত স্ত্রীলোকটি কি প্রথম স্বামীর সাথে পুনর্বিবাহে আবদ্ধ হতে পারবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “না, পুনর্বিবাহে আবদ্ধ হতে পারবে না। যতক্ষণ না, দ্বিতীয় স্বামী ঐ মহিলার মধু পান করে (তার সাথে সহবাস করে)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ حُرَيْثٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ وَأَمَرَ أَنْ يُنْتَبَذَ فِي الْأَسْقِيَةِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লাউয়ের খোসা ও তৈলাক্ত পাত্র বিশেষে নাবীজ তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু মাটির পাত্রে নাবীজ বানানোর অনুমতি দিয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ طَافَ بِالْبَيْتِ سَبْعًا ثُمَّ صَلَّى عِنْدَ الْمَقَامِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّفَا مِنْ الْبَابِ الَّذِي يَخْرُجُ إِلَيْهِ فَطَافَ بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ قَالَ وَأَخْبَرَنِي أَيُّوبُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ هُوَ سُنَّةٌ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় আসেন, সাতবার তাওয়াফ করেন, মাকামে ইব্রাহীমের পেছনে দুই রাকাত নামায পড়েন। তারপর এই দরজা দিয়ে সাফার দিকে চলে যান, যা সাফার দিকে যায়। আর সাফা ও মারওয়ার মাঝখানে সাই আদায় করেন। অতঃপর তিনি বললেন, এটা সুন্নত। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ سَالِمٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يَقُولُ هَذِهِ الْبَيْدَاءُ الَّتِي يَكْذِبُونَ فِيهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاللَّهِ مَا أَحْرَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا مِنْ عِنْدِ الْمَسْجِدِ
হজরত সালিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু (মাকাম বিদাহ সম্পর্কে) বলতেন, “এটি একটি বিদআতের স্থান, যে সম্পর্কে তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভুলভাবে উপস্থাপন করো। আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদ থেকেই ইহরাম বেঁধেছেন (বিদআতের স্থান থেকে নয়, যেভাবে তোমরা এটিকে বিখ্যাত করেছো)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الشُّؤْمُ فِي ثَلَاثٍ الْفَرَسِ وَالْمَرْأَةِ وَالدَّارِ قَالَ سُفْيَانُ إِنَّمَا نَحْفَظُهُ عَنْ سَالِمٍ يَعْنِي الشُّؤْمَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তিনটি জিনিসের মধ্যে অশুভ লক্ষণ থাকতে পারে, ঘরের মধ্যে, ঘোড়ার মধ্যে ও মহিলাদের মধ্যে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ فَأَبْرِدُوهَا بِالْمَاءِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জ্বর হচ্ছে জাহান্নামের উত্তাপের প্রভাব, তাই তোমরা একে পানি দিয়ে ঠান্ডা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ أَنْهُ سَمِعَ أَبَاهُ مُحَمَّدًا يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا زَالَ جِبْرِيلُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوصِينِي بِالْجَارِ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ سَيُوَرِّثُهُ أَوْ قَالَ خَشِيتُ أَنْ يُوَرِّثَهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জিব্রাইল আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে আমার প্রতিবেশীর ব্যাপারে অবিচল ভাবে এতো বেশি অসিয়ত করেছেন যে, আমি মনে করতে লাগলাম যে, প্রতিবেশীকে আমার সম্পদের উত্তরাধিকারী করা হবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (বিদায় হজ্জ উপলক্ষে) বলেছেন, “আমার মৃত্যুর পরে তোমরা একে অপরের ঘাড়ে আঘাত করে, কাফের হয়ে যেও না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ أُوتِيَ نَبِيُّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَفَاتِيحَ كُلِّ شَيْءٍ غَيْرَ خَمْسٍ إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَاذَا تَكْسِبُ غَدًا وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঁচটি জিনিস ছাড়া সবকিছুর জ্ঞানের চাবি দেওয়া হয়েছিলো। অতঃপর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন,
إِنَّ ٱللَّهَ عِندَهُۥ عِلۡمُ ٱلسَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ ٱلۡغَيۡثَ وَيَعۡلَمُ مَا فِي ٱلۡأَرۡحَامِۖ وَمَا تَدۡرِي نَفۡسٞ مَّاذَا تَكۡسِبُ غَدٗاۖ وَمَا تَدۡرِي نَفۡسُۢ بِأَيِّ أَرۡضٖ تَمُوتُۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرُۢ٣٤
নিশ্চয় কেবল মাত্র আল্লাহর কাছেই কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন ও মায়ের গর্ভাশয়ের মধ্যে যা আছে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না যে, আগামীকাল সে কী উপার্জন করবে। আর কেউ জানে না যে, কোন দেশে সে মারা যাবে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, পূর্ণ অবগত। (৩১. লোকমান : ৩৪) [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا يُونُسُ أَخْبَرَنِي زِيَادُ بْنُ جُبَيْرٍ قَالَ كُنْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ بِمِنًى فَمَرَّ بِرَجُلٍ وَهُوَ يَنْحَرُ بَدَنَةً وَهِيَ بَارِكَةٌ فَقَالَ ابْعَثْهَا قِيَامًا مُقَيَّدَةً سُنَّةَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হজরত যিয়াদ বিন জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি মিনার ময়দানে হযরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলোাম, পথিমধ্যে তিনি এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যার উট বসা অবস্থায় ছিলো এবং হযরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, “উটটিকে দাঁড় করাও এবং তার পা বেঁধে দাও এবং তারপর তাকে জবেহ করো। এটাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي الْوَحْدَةِ مَا سَارَ أَحَدٌ وَحْدَهُ بِلَيْلٍ أَبَدًا
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি মানুষ একা ভ্রমণের ক্ষতি জানতো, তাহলে কেউ কখনোই রাতে একা ভ্রমণ করতো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَطَعَ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ وَحَرَّقَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বনু নাযীরের গাছ কেটে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস