(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৬৩১টি]



5176 OK

(৫১৭৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ حَدِّثْنِي عَنْ طَلَاقِكَ امْرَأَتَكَ قَالَ طَلَّقْتُهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَذَكَرَهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا فِي طُهْرِهَا قَالَ قُلْتُ لَهُ هَلْ اعْتَدَدْتَ بِالَّتِي طَلَّقْتَهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَمَا لِي لَا أَعْتَدُّ بِهَا وَإِنْ كُنْتُ قَدْ عَجَزْتُ وَاسْتَحْمَقْتُ


আনাস বিন সিরীন থেকে বর্ণিতঃ

আমি ইবনে উমারকে বললাম, “আপনার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ঘটনাটি আমাকে বর্ণনা করুন।” তিনি বললেন, “সে ঋতুবতী থাকা অবস্থায় তাকে তালাক দিয়েছিলাম। অতঃপর এ কথা উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জানালাম। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা জানালেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘ওকে তালাক প্রত্যাহার করার নির্দেশ দাও। যখন স্ত্রী পবিত্র হবে, তখন তাকে তালাক দিক’।” আনাস বলেন, আমি ইবনে উমারকে বললাম, “ঋতুবতী অবস্থায় যাকে তালাক দিয়েছিলেন, তার সাথে কি ইদ্দাত পালন করেছিলেন?” তিনি বললেন, “ইদ্দাত পালন না করার কী আছে? আমি তো বুড়ো হয়ে গিয়েছিলাম এবং বোকামি করেছিলাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5177 OK

(৫১৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ حَدِّثْنِي عَنْ طَلَاقِكَ امْرَأَتَكَ قَالَ طَلَّقْتُهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَذَكَرَهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا فِي طُهْرِهَا قَالَ قُلْتُ لَهُ هَلْ اعْتَدَدْتَ بِالَّتِي طَلَّقْتَهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَمَا لِي لَا أَعْتَدُّ بِهَا وَإِنْ كُنْتُ قَدْ عَجَزْتُ وَاسْتَحْمَقْتُ


আনাস বিন সিরীন থেকে বর্ণিতঃ

আমি ইবনে উমারকে বললাম, “আপনার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ঘটনাটি আমাকে বর্ণনা করুন।” তিনি বললেন, “সে ঋতুবতী থাকা অবস্থায় তাকে তালাক দিয়েছিলাম। অতঃপর এ কথা উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জানালাম। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা জানালেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘ওকে তালাক প্রত্যাহার করার নির্দেশ দাও। যখন স্ত্রী পবিত্র হবে, তখন তাকে তালাক দিক’।” আনাস বলেন, আমি ইবনে উমারকে বললাম, “ঋতুবতী অবস্থায় যাকে তালাক দিয়েছিলেন, তার সাথে কি ইদ্দাত পালন করেছিলেন?” তিনি বললেন, “ইদ্দাত পালন না করার কী আছে? আমি তো বুড়ো হয়ে গিয়েছিলাম এবং বোকামি করেছিলাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5178 OK

(৫১৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৯৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ وَحَجَّاجٌ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ الْمَعْنَى قَالَ حَجَّاجٌ عَنْ جَبَلَةَ وَقَالَ ابْنُ جَعْفَرٍ سَمِعْتُ جَبَلَةَ قَالَ كَانَ ابْنُ الزُّبَيْرِ يَرْزُقُنَا التَّمْرَ قَالَ وَقَدْ كَانَ أَصَابَ النَّاسَ يَوْمَئِذٍ جَهْدٌ فَكُنَّا نَأْكُلُ فَيَمُرُّ عَلَيْنَا ابْنُ عُمَرَ وَنَحْنُ نَأْكُلُ فَيَقُولُ لَا تُقَارِنُوا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الْإِقْرَانِ قَالَ حَجَّاجٌ نَهَى عَنْ الْقِرَانِ إِلَّا أَنْ يَسْتَأْذِنَ الرَّجُلُ أَخَاهُ وَقَالَ شُعْبَةُ لَا أُرَى هَذِهِ الْكَلِمَةَ فِي الِاسْتِئْذَانِ إِلَّا مِنْ كَلَامِ ابْنِ عُمَرَ


হজরত জাবলা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে খেজুর খেতে দিতেন। একদা আমরা খেজুর খাচ্ছিলাম, তখন সাইয়্যিদনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের পাশ দিয়ে গেলেন ও তিনি বললেন, “তোমরা একসাথে অনেক গুলো খেজুর খাবেন না, কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার ভাইয়ের অনুমতি ছাড়া, একসাথে অনেক খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন।” ইমাম শুবা বলেন যে, “আমি মনে করি যে, জায়েজ জিনিস হলো, সাইয়্যিদুনা ইবনে উমরের কথা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5179 OK

(৫১৭৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ وَعَفَّانُ قَالَا حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ قَالَ عَفَّانُ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ قَالَ كُنْتُ آخِذًا بِيَدِ ابْنِ عُمَرَ إِذْ عَرَضَ لَهُ رَجُلٌ فَقَالَ كَيْفَ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي النَّجْوَى يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يُدْنِي الْمُؤْمِنَ فَيَضَعُ عَلَيْهِ كَنَفَهُ وَيَسْتُرُهُ مِنْ النَّاسِ وَيُقَرِّرُهُ بِذُنُوبِهِ وَيَقُولُ لَهُ أَتَعْرِفُ ذَنْبَ كَذَا أَتَعْرِفُ ذَنْبَ كَذَا أَتَعْرِفُ ذَنْبَ كَذَا حَتَّى إِذَا قَرَّرَهُ بِذُنُوبِهِ وَرَأَى فِي نَفْسِهِ أَنَّهُ قَدْ هَلَكَ قَالَ فَإِنِّي قَدْ سَتَرْتُهَا عَلَيْكَ فِي الدُّنْيَا وَإِنِّي أَغْفِرُهَا لَكَ الْيَوْمَ ثُمَّ يُعْطَى كِتَابَ حَسَنَاتِهِ وَأَمَّا الْكُفَّارُ وَالْمُنَافِقُونَ فَيَقُولُ الْأَشْهَادُ هَؤُلَاءِ الَّذِينَ كَذَبُوا عَلَى رَبِّهِمْ أَلَا لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الظَّالِمِينَ


হজরত সাফওয়ান ইবনু মুহরিব আল–মাযিনী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আমি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে তাঁর হাত ধরে চলছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি এসে বললো, “কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা ও তাঁর মুমিন বান্দার একান্তে কথাবার্তা সম্পর্কে আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কি বলতে শুনেছেন?” তখন তিনি বললেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তাআলা মুমিন ব্যক্তিকে নিজের কাছে নিয়ে আসবেন এবং তার উপর স্বীয় আবরণ দ্বারা তাকে ঢেকে নিবেন। তারপর বলবেন, ‘অমুক পাপের কথা কি তুমি জানো?’ তখন সে বলবে, ‘হ্যাঁ, হে আমার প্রতিপালক!’ এভাবে তিনি তার কাছ হতে তার পাপগুলো স্বীকার করিয়ে নিবেন। আর সে মনে করবে যে, তার ধ্বংস অনিবার্য। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন, ‘আমি পৃথিবীতে তোমার পাপ গোপন রেখেছিলাম। আর আজ আমি তা মাফ করে দিবো।’ তারপর তার নেক আমলনামা তাকে দেয়া হবে। কিন্তু কাফির ও মুনাফিকদের সম্পর্কে সাক্ষীরা বলবে, এরাই তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিলো। সাবধান, যালিমদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5180 OK

(৫১৮০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ اسْتَطَاعَ أَنْ يَمُوتَ بِالْمَدِينَةِ فَلْيَفْعَلْ فَإِنِّي أَشْفَعُ لِمَنْ مَاتَ بِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি মদীনায় মারা যেতে পারে, সে যেনো তা করে। কেননা যে ব্যক্তি মদীনায় মারা যাবে, আমি তার জন্যে সুপারিশ করবো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5181 OK

(৫১৮১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৭৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ وَاقِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ أَنَّهُ سَمِعَ نَافِعًا قَالَ رَأَى ابْنُ عُمَرَ مِسْكِينًا فَجَعَلَ يُدْنِيهِ وَيَضَعُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَجَعَلَ يَأْكُلُ أَكْلًا كَثِيرًا فَقَالَ لِي لَا تُدْخِلَنَّ هَذَا عَلَيَّ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ الْكَافِرَ يَأْكُلُ فِي سَبْعَةِ أَمْعَاءٍ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু একজন দরিদ্র লোককে দেখে তাকে কাছে ডাকলেন এবং তার সামনে খাবার রাখলেন। লোকটি প্রচুর খাবার খেলো। এটি দেখে তিনি আমাকে বললেন, “ভবিষ্যতে তাকে আমার কাছে আসতে দিও না। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামক বলতে শুনেছি যে, ‘কাফির ব্যক্তি সাত পেটে খায়’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5182 OK

(৫১৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৫৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ الَّذِي يَجُرُّ ثَوْبَهُ مِنْ الْخُيَلَاءِ لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ نَافِعٌ فَأُنْبِئْتُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ قَالَتْ فَكَيْفَ بِنَا قَالَ شِبْرًا قَالَتْ إِذَنْ تَبْدُوَ أَقْدَامُنَا قَالَ ذِرَاعًا لَا تَزِدْنَ عَلَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি গর্বভরে নিজের কাপড় হেচড়িয়ে চলে (টাকনুর নিচে কাপড় পরে), কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তার প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন না।” উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, “ইয়া রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নারীরা তাদের কাপড়ের নিম্নাংশ কিভাবে রাখবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তারা তা এক বিঘত লম্বা করে দিবে।” উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, “তা হলে তো তাদের পা খোলা থাকবে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাহলে তারা তা এক হাত লম্বা করবে, এর উপর যেনো, তারা লম্বা না করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5183 OK

(৫১৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৩৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الضَّبِّ فَقَالَ لَا آكُلُهُ وَلَا أُحَرِّمُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দব্ব (অনেকটা গুইসাপের মতো দেখতে) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “আমি তা খাই না এবং হারামও করি না।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5184 OK

(৫১৮৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَدْخُلُوا عَلَى هَؤُلَاءِ الْقَوْمِ الَّذِينَ عُذِّبُوا إِلَّا أَنْ تَكُونُوا بَاكِينَ فَإِنْ لَمْ تَكُونُوا بَاكِينَ فَلَا تَدْخُلُوا عَلَيْهِمْ فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ يُصِيبَكُمْ مِثْلُ مَا أَصَابَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সামুদ সম্প্রদায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন, “তোমরা এসব আযাব প্রাপ্ত সম্প্রদায়ের লোকালয়ে ক্রন্দনরত অবস্থা ব্যতীত প্রবেশ করবে না। কান্না না আসলে সেখানে প্রবেশ করো না। কারণ আমি ভয় পাচ্ছি যে, তাদের উপর যা আপতিত হয়েছিলো, তা তোমাদের প্রতিও আসতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5185 OK

(৫১৮৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ ذَكَرَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ الْجَنَابَةَ تُصِيبُهُ مِنْ اللَّيْلِ فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَغْسِلَ ذَكَرَهُ وَيَتَوَضَّأَ ثُمَّ يَنَامَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, “যদি কোনো ব্যক্তি অপবিত্র হয়ে যায়, তাহলে সে কি সেই অবস্থায় ঘুমাতে পারবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হ্যাঁ, অযু করো ও তোমার গোপনাঙ্গ ধৌত করো এবং ঘুমাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5186 OK

(৫১৮৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১০৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ الْحَسَنِ الْهِلَالِيُّ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ هُبَيْرَةَ بْنِ يَرِيمَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اطْلُبُوا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ فَإِنْ غُلِبْتُمْ فَلَا تُغْلَبُوا عَلَى السَّبْعِ الْبَوَاقِي


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা রমযানের শেষ দশ দিনে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো। তাতে যদি তোমরা ব্যর্থ হও, তবে অবশিষ্ট সাত দিনে ব্যর্থ হবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5187 OK

(৫১৮৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২১১০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ عَنِ الْجُرَيْرِيِّ عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ كِلَاهُمَا عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ رَمَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةَ أَشْوَاطٍ بِالْبَيْتِ إِذَا انْتَهَى إِلَى الرُّكْنِ الْيَمَانِي وَمَشَى حَتَّى يَأْتِيَ الْحَجَرَ ثُمَّ يَرْمُلُ وَمَشَى أَرْبَعَةَ أَطْوَافٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَكَانَتْ سُنَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাবা ঘরের তিন চক্কর রমল করলেন। যখন তিনি ইয়েমেনী কোণে পৌঁছলেন, তখন তিনি হাঁটতে লাগলেন, যতক্ষণ না তিনি কালো পাথরে পৌঁছলেন, তারপর তিনি চার চক্কর স্বাভাবিক ভাবে কাবা ঘর প্রদক্ষিণ করলেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এটাই সুন্নত। [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5188 OK

(৫১৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تُبَاعَ الثَّمَرَةُ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهَا قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا صَلَاحُهَا قَالَ إِذَا ذَهَبَتْ عَاهَتُهَا وَخَلَصَ طَيِّبُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফল পাকানোর আগে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ফল পাকা বলতে কী বোঝায়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যখন তা থেকে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দূর হয়ে যায় এবং উত্তম ফল বের হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5189 OK

(৫১৮৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৬৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ الصَّالِحُ فِيهَا أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ هَذِهِ الْأَيَّامِ يَعْنِي أَيَّامَ الْعَشْرِ قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِلَّا رَجُلًا خَرَجَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْجِعْ مِنْ ذَلِكَ بِشَيْءٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ قَالَ وَحَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُجَاهِدٍ لَيْسَ فِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ يَعْنِي مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ فِيهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যুল-হিজ্জার প্রথম দশ দিনের চেয়ে কোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়ো নয়, যেমনটি এই দশ দিনে প্রিয়ো।” সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদও নয়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এমনকি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদও নয়। তবে হ্যাঁ, যে ব্যক্তি নিজের জান-মাল নিয়ে বের হয় এবং তার কোনো একটি নিয়েও ফিরে আসে না, সে প্রিয়ো হতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5190 OK

(৫১৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর নফল নামায পড়তেন, সওয়ারী যে দিকেই মুখ করে থাকতো না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5191 OK

(৫১৯১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ بَيْنَهُمَا سَالِمٌ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي بَعْدَ الْجُمُعَةِ رَكْعَتَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার নামাযের পর, নিজ ঘরে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5192 OK

(৫১৯২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ أَنَّ مُعَاوِيَةَ قَدِمَ مَكَّةَ فَدَخَلَ الْكَعْبَةَ فَبَعَثَ إِلَى ابْنِ عُمَرَ أَيْنَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ صَلَّى بَيْنَ السَّارِيَتَيْنِ بِحِيَالِ الْبَابِ فَجَاءَ ابْنُ الزُّبَيْرِ فَرَجَّ الْبَابَ رَجًّا شَدِيدًا فَفُتِحَ لَهُ فَقَالَ لِمُعَاوِيَةَ أَمَا إِنَّكَ قَدْ عَلِمْتَ أَنِّي كُنْتُ أَعْلَمُ مِثْلَ الَّذِي يَعْلَمُ وَلَكِنَّكَ حَسَدْتَنِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদনা আমীর মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার মক্কায় এসে আল্লাহর ঘর পরিদর্শন করলেন এবং সায়্যিদনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বার্তা পাঠালেন যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর ঘরের ভেতরে কোন অংশে প্রার্থনা করেছেন?” তিনি বললেন, “কাবার ঠিক সামনের দুই স্তম্ভের মাঝখানে।” সাইয়্যিদনা আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু এসে দরজায় টোকা দিলে দরজা খুলে যায়, তখন তিনি আমীর মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন, “আপনি জানেন যে, আমিও এ বিষয়টি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার মতো জানি। (তবুও আপনি তার কাছ থেকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন?) আসল কথা হলো আপনি আমাকে হিংসা করেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5193 OK

(৫১৯৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ জুমুআর নামাযের জন্যে আসে, তখন সে যেনো গোসল করে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5194 OK

(৫১৯৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَهُوَ مُوَجِّهٌ إِلَى خَيْبَرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি খায়বার যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি একটি গাধার উপর বসে নামায পড়ছেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5195 OK

(৫১৯৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَمَّرُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّقِّيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ خَيْثَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ النُّعْمَانِ بْنِ قُرَادٍ عَنْ رَجُلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خُيِّرْتُ بَيْنَ الشَّفَاعَةِ أَوْ يَدْخُلُ نِصْفُ أُمَّتِي الْجَنَّةَ فَاخْتَرْتُ الشَّفَاعَةَ لِأَنَّهَا أَعَمُّ وَأَكْفَى أَتُرَوْنَهَا لِلْمُنَقَّيْنَ لَا وَلَكِنَّهَا لِلْمُتَلَوِّثِينَ الْخَطَّاءُونَ قَالَ زِيَادٌ أَمَا إِنَّهَا لَحْنٌ وَلَكِنْ هَكَذَا حَدَّثَنَا الَّذِي حَدَّثَنَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে একজন আগন্তুক আমার সামনে আসলেন এবং দুইটি প্রস্তাবের যে কোনে একটি গ্রহণের ইখতিয়ার (স্বাধীনতা) দিলেন, (১) হয় আমার উম্মাতের অর্ধেক সংখ্যক ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে অথবা (২) আমার সুপারিশের সুযোগ থাকবে। আমি সুপারিশ করাকেই বেছে নিলাম। আর তা হবে সেই সকল ব্যক্তির জন্যে, যে সকল ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার সাথে কোনে শরীক না করে মৃত্যুবরণ করেছে। কেননা শাফাআত ব্যাপক বিস্তৃত এবং অধিক ফলপ্রসূ। তোমরা কি মনে করো যে, শাফাআত মুত্তাকীদের জন্যে? না, বরং তা গুনাহগার, অপরাধে অভিযুক্ত এবং সত্য-মিথ্যার মধ্যে মিশ্রণকারীদের জন্যে হবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5196 OK

(৫১৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২৯৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْحَكَمِ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَمَّ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আজকের এই মাস ঊনত্রিশ (২৯) দিনে পূর্ণ হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5197 OK

(৫১৯৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تَأْمُرُنَا أَنْ نُصَلِّيَ مِنْ اللَّيْلِ قَالَ يُصَلِّي أَحَدُكُمْ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ الصُّبْحَ صَلَّى وَاحِدَةً فَأَوْتَرَتْ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى مِنْ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! রাতের নামায সম্পর্কে আপনি আমাদেরকে কি নির্দেশ দেন (রাতে কিভাবে নামাজ পড়তে হয়)?” তিনি বললেন, “তুমি দুই রাকাত নামায পড়ো এবং যখন ফজরের আশঙ্কা থাকে, তখন এ দুয়ের সাথে আরও এক রাকাত নামায যোগ করো। রাতে তুমি যতটুকু সালাত আদায় করেছো, ততটুকুই বিতরের জন্যে যথেষ্ট হবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5198 OK

(৫১৯৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ مُتَعَمِّدًا حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইচ্ছাকৃত ভাবে আসরের সালাত ত্যাগ করলো, তার পরিবার-পরিজন ও সম্পদ যেনো ধ্বংস হয়ে গেলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5199 OK

(৫১৯৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ জুমুআর নামাযের জন্যে আসে, তখন সে যেনো গোসল করে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫১৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5200 OK

(৫২০০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭০৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْأَعْمَشِ سَمِعَ أَبَا وَائِلٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ وَيُقَالُ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلَانٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কেয়ামতের দিন প্রত্যেক প্রতারকের জন্যে একটি পতাকা থাকবে। আর বলা হবে যে, ‘এটি অমুক প্রতারকের পতাকা’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫২০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5201 OK

(৫২০১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫০৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى فِي بَعْضِ مَغَازِيهِ امْرَأَةً مَقْتُولَةً فَنَهَى عَنْ قَتْلِ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন যুদ্ধে একজন নারীকে নিহত হতে দেখলেন, তখন তিনি নারী ও শিশুদের হত্যা বন্ধ করে দেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫২০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5202 OK

(৫২০২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجَمَ يَهُودِيًّا وَيَهُودِيَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ইহুদী ব্যভীচারী পুরুষ ও ব্যভীচারীনী মহিলাকে পাথর ছুড়ে মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫২০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5203 OK

(৫২০৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ ابْنَ ابْنِهِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ وَاقِدٍ يَا بُنَيَّ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَنْظُرُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِلَى مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ خُيَلَاءَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি অহঙ্কার বশত তার কাপড় মাটিতে টেনে হেঁটে চলে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না, তার সাথে কোনো কথা বলবেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫২০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5204 OK

(৫২০৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابُ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا أَبُو حَمْزَةَ يَعْنِي السُّكَّرِيَّ عَنْ إِبْرَاهِيمَ يَعْنِي الصَّائِغَ عَنِ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَفْصِلُ بَيْنَ الْوَتْرِ وَالشَّفْعِ بِتَسْلِيمَةٍ وَيُسْمِعُنَاهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিতর ও দুই রাকাতের মধ্যে সালাম দিতেন এবং সালামের আওয়াজ আমাদের কানে পৌঁছে যেতো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫২০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5205 OK

(৫২০৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ أَبِي قُرَّةَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ يَعْنِي ابْنَ بِلَالٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ كَانَ حَالِفًا فَلَا يَحْلِفْ إِلَّا بِاللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَكَانَتْ قُرَيْشٌ تَحْلِفُ بِآبَائِهَا فَقَالَ لَا تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি শপথ করতে চায়, সে যেনো আল্লাহর নামে শপথ করে। তোমার পূর্ব-পুরুষদের নামে শপথ করো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫২০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস