(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২২৬১টি]



4546 OK

(৪৫৪৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ رَزِينِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْأَحْمَرِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الرَّجُلِ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ ثَلَاثًا فَيَتَزَوَّجُهَا آخَرُ فَيُغْلَقُ الْبَابُ وَيُرْخَى السِّتْرُ ثُمَّ يُطَلِّقُهَا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا هَلْ تَحِلُّ لِلْأَوَّلِ قَالَ لَا حَتَّى يَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ و حَدَّثَنَاه أَبُو أَحْمَدُ يَعْنِي الزُّبَيْرِيَّ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ رَزِينٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলো যে, “যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিনবার তালাক দেয় এবং অন্য কোনো পুরুষ সেই মহিলাকে বিয়ে করে। এখন দ্বিতীয় স্বামী যদি তার সহবাসের পূর্বে ঐ স্ত্রীকে তালাক দেয়। উক্ত স্ত্রীলোকটি কি প্রথম স্বামীর সাথে পুনর্বিবাহে আবদ্ধ হতে পারবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “না, পুনর্বিবাহে আবদ্ধ হতে পারবে না। যতক্ষণ না, দ্বিতীয় স্বামী ঐ মহিলার মধু পান করে (তার সাথে সহবাস করে)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4547 OK

(৪৫৪৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ مَكَّةَ قَالَ اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ مَنَايَانَا بِهَا حَتَّى تُخْرِجَنَا مِنْهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মক্কায় প্রবেশ করতেন, তখন তিনি দোয়া করতেন,

اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ مَنَايَانَا بِهَا حَتَّى تُخْرِجَنَا مِنْهَا

“হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে এখান থেকে বের না করা পর্যন্ত, আমাদেরকে এখানে মৃত্যু দিয়েন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4548 OK

(৪৫৪৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا حَنْظَلَةُ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تُضْرَبَ الصُّوَرُ يَعْنِي الْوَجْهَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুখে আঘাত করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4549 OK

(৪৫৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৭৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا وُضِعَ عَشَاءُ أَحَدِكُمْ وَأُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَلَا يَقُومُ حَتَّى يَفْرُغَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কারো সামনে খাবার আনা হয় এবং সে নামাজের জন্য দাঁড়ায়, তখন সে যেনো খাবার শেষ করার আগে, নামাজে না দাঁড়ায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4550 OK

(৪৫৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৯৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ سَعِيدُ بْنُ خُثَيْمٍ حَدَّثَنَا حَنْظَلَةُ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ أَبِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ إِذَا أَتَى الرَّجُلَ وَهُوَ يُرِيدُ السَّفَرَ قَالَ لَهُ ادْنُ حَتَّى أُوَدِّعَكَ كَمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوَدِّعُنَا فَيَقُولُ أَسْتَوْدِعُ اللَّهَ دِينَكَ وَأَمَانَتَكَ وَخَوَاتِيمَ عَمَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যদি কোনো ব্যক্তি আমার পিতা সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে আসতো, যে সফরে যাচ্ছিলো, তিনি তাকে বলতেন, “তুমি আমার কাছে এসো, যাতে আমি তোমাকে সেইভাবে বিদায় করতে পারি, যেভাবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে বিদায় দিতেন।” ঐ ব্যক্তি চলে গেলে, তারপর তিনি বলতেন যে,

أَسْتَوْدِعُ اللَّهَ دِينَكَ وَأَمَانَتَكَ وَخَوَاتِيمَ عَمَلِكَ

“আমি তোমাকে তোমার দ্বীন ও তোমার বিশ্বাস সহ এবং তোমার কর্মের পরিণাম আল্লাহর উপর অর্পণ করছি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4551 OK

(৪৫৫১)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ عُمَرَ الْجُمَحِيُّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ حَسَّانَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَنْزِلُ بِعَرَفَةَ وَادِيَ نَمِرَةَ فَلَمَّا قَتَلَ الْحَجَّاجُ بْنَ الزُّبَيْرِ أَرْسَلَ إِلَى ابْنِ عُمَرَ أَيَّةَ سَاعَةٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَرُوحُ فِي هَذَا الْيَوْمِ فَقَالَ إِذَا كَانَ ذَاكَ رُحْنَا فَأَرْسَلَ الْحَجَّاجُ رَجُلًا يَنْظُرُ أَيَّ سَاعَةٍ يَرُوحُ فَلَمَّا أَرَادَ ابْنُ عُمَرَ أَنْ يَرُوحَ قَالَ أَزَاغَتْ الشَّمْسُ قَالُوا لَمْ تَزِغْ الشَّمْسُ قَالَ زَاغَتْ الشَّمْسُ قَالُوا لَمْ تَزِغْ فَلَمَّا قَالُوا قَدْ زَاغَتْ ارْتَحَلَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরাফাতের ময়দানে ‘নামিরা’ উপত্যকায় অবতরণ করেছিলেন। রাবী বলেন, হাজ্জাজ বিন ইউসুফ, যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহুকে হত্যা করার পর, বিন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করে পাঠায় যে, আজকের এ দিনের কোন সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (খোতবা দিতে মাঠের কেন্দ্রস্থলে) রওয়ানা হতেন? তিনি বলেন, “সেই সময় উপস্থিত হলে স্বয়ং আমরাই রওয়ানা হবো।” অতএব তিনি কখন রওয়ানা হন, তা লক্ষ্য করার জন্যে হাজ্জাজ একজন লোক পাঠায়। বিন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন রওয়ানা হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন জিজ্ঞেস করলেন, “সূর্য কি ঢলে পড়েছে?” লোকেরা বললো, “এখনও ঢলেনি।” তিনি বসে রইলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “সূর্য কি ঢলে পড়েছে?” তারা বললো, “এখনও ঢলেনি।” কিছুক্ষণ পর তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, “সূর্য কি ঢলে পড়েছে?” তারা বললো, “হাঁ।” তারা যখন বললো, সূর্য ঢলেছে তখন তিনি রওয়ানা হলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4552 OK

(৪৫৫২)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ فَرْقَدٍ السَّبَخِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَدَّهِنُ عِنْدَ الْإِحْرَامِ بِالزَّيْتِ غَيْرَ الْمُقَتَّتِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইহরাম বাঁধতেন, তখন তিনি ঘ্রাণহীন জয়তুনের তেল মাথায় মাখতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫২]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4553 OK

(৪৫৫৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ زَاذَانَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ دَعَا غُلَامًا لَهُ فَأَعْتَقَهُ فَقَالَ مَا لِي مِنْ أَجْرِهِ مِثْلُ هَذَا لِشَيْءٍ رَفَعَهُ مِنْ الْأَرْضِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ لَطَمَ غُلَامَهُ فَكَفَّارَتُهُ عِتْقُهُ


হজরত জাযান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার সাইয়্যিদুনা ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার এক ক্রীতদাসকে ডেকে তাকে মুক্ত করে, মাটি থেকে একটি খড় তুলে নিয়ে বললেন, “এই খড়ের বিনিময়েও তাকে মুক্ত করার জন্যে, আমি কোনো সওয়াব পাবো না। কেননা, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার গোলামকে থাপ্পড় মারবে, তার কাফফারা হলো তাকে মুক্ত করা’।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4554 OK

(৪৫৫৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا عُبَادَةُ بْنُ مُسْلِمٍ الْفَزَارِيُّ حَدَّثَنِي جُبَيْرُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ لَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَعُ هَؤُلَاءِ الدَّعَوَاتِ حِينَ يُصْبِحُ وَحِينَ يُمْسِي اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي وَمَالِي اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي وَآمِنْ رَوْعَاتِي اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِي وَعَنْ يَمِينِي وَعَنْ شِمَالِي وَمِنْ فَوْقِي وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي قَالَ يَعْنِي الْخَسْفَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকাল ও সন্ধ্যায় এই দুআ গুলোর কোনোটিই পড়া ছেড়ে দিতেন না,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي وَمَالِي اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي وَآمِنْ رَوْعَاتِي اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِي وَعَنْ يَمِينِي وَعَنْ شِمَالِي وَمِنْ فَوْقِي وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي

“হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষমা এবং আমার দীন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদের নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ! আপনি আমার দোষত্রুটি গুলো ঢেকে রাখুন এবং ভীতিপ্রদ বিষয়সমূহ হতে আমাকে নিরাপদ রাখুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে হিফাযাত করুন আমার সম্মুখ হতে, আমার পিছন দিক হতে, আমার ডান দিক হতে, আমার বাম দিক হতে এবং আমার উপর দিক হতে। হে আল্লাহ! আমি আপনার মর্যাদার ওয়াসিলায় মাটিতে ধ্বসে যাওয়া হতে আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4555 OK

(৪৫৫৫)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ النَّجْرَانِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِسَكْرَانَ فَضَرَبَهُ الْحَدَّ فَقَالَ مَا شَرَابُكَ قَالَ الزَّبِيبُ وَالتَّمْرُ قَالَ يَكْفِي كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِنْ صَاحِبِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একজন মাতালকে আনা হলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি কোনো ধরনের নশা করেছো?” সে বললো, “কিসমিস ও খেজুর মিশ্রিত পানি খেয়েছি মাত্র।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এ দুটির প্রত্যেকটি (নেশা হিসেবে) একে অপরের জন্যে যথেষ্ট।” সুতরাং, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে হদের শাস্তি প্রদান করলেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4556 OK

(৪৫৫৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ أَبِي طُعْمَةَ مَوْلَاهُمْ وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْغَافِقِيِّ أَنَّهُمَا سَمِعَا ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لُعِنَتْ الْخَمْرُ عَلَى عَشْرَةِ وُجُوهٍ لُعِنَتْ الْخَمْرُ بِعَيْنِهَا وَشَارِبُهَا وَسَاقِيهَا وَبَائِعُهَا وَمُبْتَاعُهَا وَعَاصِرُهَا وَمُعْتَصِرُهَا وَحَامِلُهَا وَالْمَحْمُولَةُ إِلَيْهِ وَآكِلُ ثَمَنِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মদের উপর দশভাবে অভিসম্পাত করা হয়েছে। (১) স্বয়ং মদ (অভিশপ্ত), (২) মদ উৎপাদক, (৩) যে মদ উৎপাদন করায়, (৪) মদের বিক্রেতা, (৫) মদের ক্রেতা, (৬) মদের বহনকারী, (৭) মদ যার জন্যে বহন করা হয়, (৮) মদের মূল্য ভোগকারী, (৯) মদ পানকারী ও (১০) মদ পরিবেশনকারী (এদের সকলেই অভিশপ্ত)।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4557 OK

(৪৫৫৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُوسَى قَالَ وَكِيعٌ نَرَى أَنَّهُ ابْنُ عُقْبَةَ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ يَمِينُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّتِي يَحْلِفُ عَلَيْهَا لَا وَمُقَلِّبِ الْقُلُوبِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে শব্দগুলো দিয়ে প্রায়শই শপথ করতেন তা হলো,
لَا وَمُقَلِّبِ الْقُلُوبِ
“অন্তরের পরিবর্তনকারীর শপথ”। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4558 OK

(৪৫৫৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ حَدِّثْنِي عَنْ طَلَاقِكَ امْرَأَتَكَ قَالَ طَلَّقْتُهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَذَكَرَهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا فِي طُهْرِهَا قَالَ قُلْتُ لَهُ هَلْ اعْتَدَدْتَ بِالَّتِي طَلَّقْتَهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَمَا لِي لَا أَعْتَدُّ بِهَا وَإِنْ كُنْتُ قَدْ عَجَزْتُ وَاسْتَحْمَقْتُ


আনাস বিন সিরীন থেকে বর্ণিতঃ

আমি ইবনে উমারকে বললাম, “আপনার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ঘটনাটি আমাকে বর্ণনা করুন।” তিনি বললেন, “সে ঋতুবতী থাকা অবস্থায় তাকে তালাক দিয়েছিলাম। অতঃপর এ কথা উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জানালাম। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা জানালেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘ওকে তালাক প্রত্যাহার করার নির্দেশ দাও। যখন স্ত্রী পবিত্র হবে, তখন তাকে তালাক দিক’।” আনাস বলেন, আমি ইবনে উমারকে বললাম, “ঋতুবতী অবস্থায় যাকে তালাক দিয়েছিলেন, তার সাথে কি ইদ্দাত পালন করেছিলেন?” তিনি বললেন, “ইদ্দাত পালন না করার কী আছে? আমি তো বুড়ো হয়ে গিয়েছিলাম এবং বোকামি করেছিলাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4559 OK

(৪৫৫৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُصْمٍ وَقَالَ إِسْرَائِيلُ ابْنِ عِصْمَةَ قَالَ وَكِيعٌ هُوَ ابْنُ عُصْمٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ فِي ثَقِيفَ مُبِيرًا وَكَذَّابًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সাকিফ গোত্রে এক মিথ্যুকের এবং এক নর হত্যাকারীর আবির্ভাব হবে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4560 OK

(৪৫৬০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ عَلِيٍّ الْأَزْدِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةُ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مَثْنَى مَثْنَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রাতে ও দিনে দুই রাকাত নফল সালাত রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4561 OK

(৪৫৬১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৪৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْمُصَوِّرُونَ يُعَذَّبُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيُقَالُ أَحْيُوا مَا خَلَقْتُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে সেই ব্যক্তির, যে ব্যক্তি চিত্র নির্মান করে। তাকে বলা হবে, ‘তুমি যাদেরকে নির্মান করেছো, তাদের মধ্যে ফুঁ দিয়ে তাদেরকে জীবন দান করো’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4562 OK

(৪৫৬২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى إِلَى بَعِيرِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সামনে তাঁর উটটি রেখে সতরা হিসেবে ব্যবহার করলেন এবং সালাত আদায় করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4563 OK

(৪৫৬৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ بَيْنَمَا النَّاسُ يُصَلُّونَ فِي مَسْجِدِ قُبَاءَ الْغَدَاةَ إِذْ جَاءَ جَاءٍ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُنْزِلَ عَلَيْهِ اللَّيْلَةَ قُرْآنٌ وَأُمِرَ أَنْ تُسْتَقْبَلَ الْكَعْبَةُ فَاسْتَقْبَلُوهَا وَاسْتَدَارُوا فَتَوَجَّهُوا نَحْوَ الْكَعْبَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

লোকেরা কুবা মসজিদে সকালের নামায বায়তুল-মাকসিদের দিকে মুখ করে আদায় করছিলো। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললো যে, “আজ রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, তাঁকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে নামাযে কাবার দিকে মুখ করার জন্যে। অতএব আপনারাও কাবার দিকে মুখ করুন।” এ কথা শুনে লোকেরা সাথে সাথে সালাতের মধ্যেই কাবার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলো।
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4564 OK

(৪৫৬৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْمُجَالِدِ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ انْتَفَى مِنْ وَلَدِهِ لِيَفْضَحَهُ فِي الدُّنْيَا فَضَحَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رُءُوسِ الْأَشْهَادِ قِصَاصٌ بِقِصَاصٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার সন্তানকে দুনিয়াতে লাঞ্ছিত করার জন্যে, তাকে অস্বীকার করবে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন, সকল সাক্ষীদের সামনে লাঞ্ছিত করবেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4565 OK

(৪৫৬৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ خَالِهِ الْحَارِثِ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُنَا بِالتَّخْفِيفِ وَإِنْ كَانَ لَيَؤُمُّنَا بِالصَّافَّاتِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে সংক্ষিপ্ত নামাযের ইমামতি করার নির্দেশ দিতেন। আর আমাদের ইমামতি করার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূরা সাফাতের কয়েকটি আয়াতের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4566 OK

(৪৫৬৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ هِشَامِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ أَسِيدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنَّا نَقُولُ فِي زَمَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَسُولُ اللَّهِ خَيْرُ النَّاسِ ثُمَّ أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ عُمَرُ وَلَقَدْ أُوتِيَ ابْنُ أَبِي طَالِبٍ ثَلَاثَ خِصَالٍ لَأَنْ تَكُونَ لِي وَاحِدَةٌ مِنْهُنَّ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ زَوَّجَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ابْنَتَهُ وَوَلَدَتْ لَهُ وَسَدَّ الْأَبْوَابَ إِلَّا بَابَهُ فِي الْمَسْجِدِ وَأَعْطَاهُ الرَّايَةَ يَوْمَ خَيْبَرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে আমরা বলতাম যে, মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম হচ্ছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তারপর সাইয়্যিদুনা আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, তারপর সাইয়্যিদুনা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং সাইয়্যিদুনা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনটি বিশেষ মর্যাদা পেয়েছেন। যার প্রত্যেকটি মর্যাদা আমার কাছে লাল উটের চেয়েও প্রিয়ো। (১) সাইয়্যিদুনা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রিয় কন্যা সাইয়্যিদুনা ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে বিয়ে করেছেন এবং তার গর্ভে সন্তানও হয়েছে। (২) খাইবার যুদ্ধের দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে যুদ্ধের পতাকা দিয়েছিলেন। (৩) সাইয়্যিদুনা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ঘরের দরজা বাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদে নববীর সকল দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4567 OK

(৪৫৬৭)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ يَزِيدَ بْنِ بِشْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَحَجِّ الْبَيْتِ وَصَوْمِ رَمَضَانَ قَالَ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ وَالْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ ابْنُ عُمَرَ الْجِهَادُ حَسَنٌ هَكَذَا حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইসলাম পাঁচটি বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত। (১) আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, এমন সাক্ষ্য দেওয়া, (২) সালাত কায়েম করা, (৩) যাকাত দেওয়া, (৪) আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ করা, (৫) এবং রমজানের রোজা রাখা।” এক ব্যক্তি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুক জিজ্ঞেস করলো, “আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদ?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “জিহাদ একটি উত্তম জিনিস, কিন্তু ঐ সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এই বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬৭]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4568 OK

(৪৫৬৮)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي الْيَقْظَانِ عَنْ زَاذَانَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةٌ عَلَى كُثْبَانِ الْمِسْكِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ رَجُلٌ أَمَّ قَوْمًا وَهُمْ بِهِ رَاضُونَ وَرَجُلٌ يُؤَذِّنُ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ خَمْسَ صَلَوَاتٍ وَعَبْدٌ أَدَّى حَقَّ اللَّهِ تَعَالَى وَحَقَّ مَوَالِيهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন তিন ধরনের ব্যক্তি ‘মিসকের’ টিলায় থাকবে। প্রথম সেই গোলাম, যে আল্লাহর হক্ব আদায় করে আর নিজ মুনীবের হক্বও আদায় করেছে। দ্বিতীয় সেই ব্যক্তি, যে মানুষের সলাত আদায় করায়, আর মানুষরা তার উপর খুশী। আর তৃতীয় হলো সেই ব্যক্তি, যে দিনরাত সব সময় পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের জন্যে আযান দিয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4569 OK

(৪৫৬৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنِي أَبُو يَحْيَى الطَّوِيلُ عَنْ أَبِي يَحْيَى القَتَّاتِ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَعْظُمُ أَهْلُ النَّارِ فِي النَّارِ حَتَّى إِنَّ بَيْنَ شَحْمَةِ أُذُنِ أَحَدِهِمْ إِلَى عَاتِقِهِ مَسِيرَةَ سَبْعِ مِائَةِ عَامٍ وَإِنَّ غِلَظَ جِلْدِهِ سَبْعُونَ ذِرَاعًا وَإِنَّ ضِرْسَهُ مِثْلُ أُحُدٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জাহান্নামে জাহান্নামীদের দেহ এতো মোটা হবে যে, তাদের কানের লতি থেকে কাঁধ পর্যন্ত সাত বছরের দূরত্ব থাকবে। তাদের চামড়ার পুরুত্ব হবে সত্তর গজ এবং তার মাড়ির দাঁত হবে উহুদ পাহাড়ের মতো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৬৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4570 OK

(৪৫৭০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الرُّقْبَى وَقَالَ مَنْ أُرْقِبَ فَهُوَ لَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উমরা (এক প্রকার দান) এবং রুকবা নিষেধ করেছেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রুকবা বলতে কিছু নেই। তবে কারো অনুকূলে কিছু রুকবা করা হলে, তার জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরও সে তার মালিক হবে।” রাবী বলেন, রুকবা এই যে, দানকারি বললো, “আমার ও তোমার মধ্যে যে শেষে মরবে এটা তার।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4571 OK

(৪৫৭১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ قَائِمًا عِنْدَ بَابِ عَائِشَةَ فَأَشَارَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ فَقَالَ الْفِتْنَةُ هَاهُنَا حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যেদা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কক্ষের দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইশারা করে বললেন, “এই দিক থেকেই ফিতনা শুরু হবে, যেখান থেকে শয়তানের শিং বেরোয়।” এই কথাটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনবার বললেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4572 OK

(৪৫৭২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫২৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ الْمُنْذِرِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ الْمَاءُ قَدْرَ قُلَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثٍ لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ قَالَ وَكِيعٌ يَعْنِي بِالْقُلَّةِ الْجَرَّةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “পানি যখন দুই বা তিনটি মটকা সমান হয়, তখন তাতে ময়লা প্রবেশ করে না (অর্থাৎ, তখন পানি অপবিত্র হয় না)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4573 OK

(৪৫৭৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ لَمْ يَكُنْ نَبِيٌّ قَبْلِي إِلَّا وَصَفَهُ لِأُمَّتِهِ وَلَأَصِفَنَّهُ صِفَةً لَمْ يَصِفْهَا مَنْ كَانَ قَبْلِي إِنَّهُ أَعْوَرُ وَاللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لَيْسَ بِأَعْوَرَ عَيْنُهُ الْيُمْنَى كَأَنَّهَا عِنَبَةٌ طَافِيَةٌ


হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক নবীই তার উম্মতের সামনে দাজ্জালের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন, কিন্তু আমি তোমাদের কাছে তার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করবো যা আমার আগে কোনো নবী বর্ণনা করেননি। মনে রেখো দাজ্জাল হবে কানা (এবং প্রভুত্ব দাবি করবে) অথচ আল্লাহ কানা নন। তার ডান চোখ আঙুর বীজের মতো ফুলা থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4574 OK

(৪৫৭৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ مُتَعَمِّدًا حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইচ্ছাকৃত ভাবে আসরের সালাত ত্যাগ করলো, তার পরিবার-পরিজন ও সম্পদ যেনো ধ্বংস হয়ে গেলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4575 OK

(৪৫৭৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَحِيرٍ الصَّنْعَانِيُّ الْقَاصُّ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ الصَّنْعَانِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَنْظُرَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ كَأَنَّهُ رَأْيُ عَيْنٍ فَلْيَقْرَأْ إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ وَإِذَا السَّمَاءُ انْفَطَرَتْ وَإِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ وَأَحْسَبُهُ أَنَّهُ قَالَ سُورَةَ هُودٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কিয়ামতের দৃশ্য নিজ চোখে দেখতে চায়, সে যেনো সূরা ৮১.আত তাকউয়ীর, সূরা ৮২.আল ইনফিতার এবং সূরা ৮৪.আল ইনশিক্বাক্ব পাঠ করে।” তিনি সম্ভবত সূরা ১১.হুদও উল্লেখ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস