(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২২৯১টি]



4516 OK

(৪৫১৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫০৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى فِي بَعْضِ مَغَازِيهِ امْرَأَةً مَقْتُولَةً فَنَهَى عَنْ قَتْلِ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন যুদ্ধে একজন নারীকে নিহত হতে দেখলেন, তখন তিনি নারী ও শিশুদের হত্যা বন্ধ করে দেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4517 OK

(৪৫১৭)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ سَعْدٍ مَوْلَى طَلْحَةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ لَقَدْ سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا لَوْ لَمْ أَسْمَعْهُ إِلَّا مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ حَتَّى عَدَّ سَبْعَ مِرَارٍ وَلَكِنْ قَدْ سَمِعْتُهُ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ قَالَ كَانَ الْكِفْلُ مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ لَا يَتَوَرَّعُ مِنْ ذَنْبٍ عَمِلَهُ فَأَتَتْهُ امْرَأَةٌ فَأَعْطَاهَا سِتِّينَ دِينَارًا عَلَى أَنْ يَطَأَهَا فَلَمَّا قَعَدَ مِنْهَا مَقْعَدَ الرَّجُلِ مِنْ امْرَأَتِهِ أَرْعَدَتْ وَبَكَتْ فَقَالَ مَا يُبْكِيكِ أَكْرَهْتُكِ قَالَتْ لَا وَلَكِنْ هَذَا عَمَلٌ لَمْ أَعْمَلْهُ قَطُّ وَإِنَّمَا حَمَلَنِي عَلَيْهِ الْحَاجَةُ قَالَ فَتَفْعَلِينَ هَذَا وَلَمْ تَفْعَلِيهِ قَطُّ قَالَ ثُمَّ نَزَلَ فَقَالَ اذْهَبِي فَالدَّنَانِيرُ لَكِ ثُمَّ قَالَ وَاللَّهِ لَا يَعْصِي اللَّهَ الْكِفْلُ أَبَدًا فَمَاتَ مِنْ لَيْلَتِهِ فَأَصْبَحَ مَكْتُوبًا عَلَى بَابِهِ قَدْ غَفَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لِلْكِفْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে একটি হাদিস বর্ণনা করতে শুনেছি। আমি ঐ হাদীসটি তাঁকে একবার, দুইবার, এমনকি সাতবারের বেশী বর্ণনা করতে শুনেছি। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, বনী ইসরাঈলের মধ্যে ‘কিফল’ নামক জনৈক ব্যক্তি কোনো গুনাহ হতে বিরত থাকতো না। কোনো এক সময় জনৈকা মহিলা (দারিদ্র্য ক্লিষ্ট হয়ে) তার নিকটে আসলো। সে তাকে যেনা করার শর্তে ষাট দীনার দিলো। স্বামী যেমন স্ত্রীর উপর উঠে, সে যখন তেমনই উঠলো, তখন মহিলা কাঁপতে লাগলো এবং কেঁদে ফেললো। সে প্রশ্ন করলো, “তুমি কাঁদছো কেনো? আমি কি তোমার উপর জোর যবরদস্তি করছি?” মহিলা বললো, “না; কিন্তু এ গুনাহর কাজটি আমি কখনো করিনি। প্রয়োজন ও অভাব আজ আমাকে এ কাজ করতে বাধ্য করেছে।” সে বললো, “অভাবে পড়েই তুমি এসেছো এবং কখনও তা করনি? তুমি চলে যাও এবং যা দিয়েছি এগুলো তোমার। আল্লাহ তাআলার কসম! এরপর হতে আমি আর কখনো আল্লাহ তাআলার নাফারমানী করবো না।” ঐ রাতেই সে মারা গেলো। সকাল হলে দেখা গেলো, তার বাড়ীর দরজায় লেখা রয়েছে, “আল্লাহ তাআলা কিফলকে মাফ করে দিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫১৭]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4518 OK

(৪৫১৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي الْوَحْدَةِ مَا سَارَ أَحَدٌ وَحْدَهُ بِلَيْلٍ أَبَدًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি মানুষ একা ভ্রমণের ক্ষতি জানতো, তাহলে কেউ কখনোই রাতে একা ভ্রমণ করতো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4519 OK

(৪৫১৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ صُهَيْبٍ عَنْ زَيْدٍ الْعَمِّىِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَرَادَ أَنْ تُسْتَجَابَ دَعْوَتُهُ وَأَنْ تُكْشَفَ كُرْبَتُهُ فَلْيُفَرِّجْ عَنْ مُعْسِرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি চায় যে, তার দোয়া কবুল হোক এবং তার দুশ্চিন্তা দূর হোক, সে যেনো অভাবীদের অভাব পূরন করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫১৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4520 OK

(৪৫২০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَبَّلَ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতে চুম্বন করার সুযোগ পেয়েছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4521 OK

(৪৫২১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ قَائِمًا عِنْدَ بَابِ عَائِشَةَ فَأَشَارَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ فَقَالَ الْفِتْنَةُ هَاهُنَا حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যেদা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কক্ষের দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইশারা করে বললেন, “এই দিক থেকেই ফিতনা শুরু হবে, যেখান থেকে শয়তানের শিং বেরোয়।” এই কথাটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনবার বললেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4522 OK

(৪৫২২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَاصَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَمَضَانَ فَوَاصَلَ النَّاسُ فَقَالُوا نَهَيْتَنَا عَنْ الْوِصَالِ وَأَنْتَ تُوَاصِلُ قَالَ إِنِّي لَسْتُ كَأَحَدٍ مِنْكُمْ إِنِّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসে একটি সাহরী খেয়ে পরপর একাধিক রোজা পালন করতেন। যখন লোকেরাও তা পালন করতে লাগলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে তা করতে নিষেধ করেন। তারা বললো যে, “আপনি আমাদেরকে একটানা অনেক দিন রোজা রাখতে নিষেধ করছেন, অথচো আপনি নিজেই তা পালন করছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি তোমাদের মতো নই, আমাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে খাওয়ানো ও পান করানো হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4523 OK

(৪৫২৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ الْمُنْذِرِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ الْمَاءُ قَدْرَ قُلَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثٍ لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ قَالَ وَكِيعٌ يَعْنِي بِالْقُلَّةِ الْجَرَّةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “পানি যখন দুই বা তিনটি মটকা সমান হয়, তখন তাতে ময়লা প্রবেশ করে না (অর্থাৎ, তখন পানি অপবিত্র হয় না)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4524 OK

(৪৫২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ قَائِمًا عِنْدَ بَابِ عَائِشَةَ فَأَشَارَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ فَقَالَ الْفِتْنَةُ هَاهُنَا حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যেদা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কক্ষের দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইশারা করে বললেন, “এই দিক থেকেই ফিতনা শুরু হবে, যেখান থেকে শয়তানের শিং বেরোয়।” এই কথাটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনবার বললেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4525 OK

(৪৫২৫)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا أَبُو جَنَابٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ هَذِهِ السَّارِيَةِ وَهِيَ يَوْمَئِذٍ جِذْعُ نَخْلَةٍ يَعْنِي يَخْطُبُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই স্তম্ভের উপর হেলান দিয়ে খুতবা দিতেন, সে সময় এটি ছিলো খেজুরের কাণ্ড। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4526 OK

(৪৫২৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا قُدَامَةُ بْنُ مُوسَى عَنْ شَيْخٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا صَلَاةَ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ إِلَّا رَكْعَتَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ফজরের দুইটি রাকাত সুন্নত ছাড়া, ফজরের পরে আর কোনো নফল সালাত নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4527 OK

(৪৫২৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ وَالْعُمَرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ فِي بَيْتِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাগরিবের পর নিজ ঘরে দুই রাকাত সুন্নত নামাজ পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4528 OK

(৪৫২৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ تَوْبَةَ الْعَنْبَرِيِّ عَنْ مُوَرِّقٍ الْعِجْلِيِّ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ أَتُصَلِّي الضُّحَى قَالَ لَا قُلْتُ فَصَلَّاهَا عُمَرُ قَالَ لَا قُلْتُ صَلَّاهَا أَبُو بَكْرٍ قَالَ لَا قُلْتُ أَصَلَّاهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا إِخَالُهُ


হজরত মুরাক আজলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি কি চাশতের নামাজ পড়েন?” তিনি বললেন, “না।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কি পড়তেন?” তিনি বললেন, “না।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু কি পড়তেন?” তিনি বললেন, “না।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি পড়তেন?” তিনি বললেন, “আমি মনে করি না যে, তিনি পড়তেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4529 OK

(৪৫২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَثَلُ صَاحِبِ الْقُرْآنِ مَثَلُ صَاحِبِ الْإِبِلِ الْمُعَقَّلَةِ إِنْ عَقَلَهَا صَاحِبُهَا حَبَسَهَا وَإِنْ أَطْلَقَهَا ذَهَبَتْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কুরআন বাহকের উদাহরণ হলো, বাঁধা উটের মালিকের মতো। উট যখন তার মালিক দ্বারা বাঁধা থাকে, তখন তার মালিকের নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর উট যখন খোলা থাকে, তখন তার মালিকের কাছ থেকে উট বেরিয়ে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4530 OK

(৪৫৩০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ السَّائِبِ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي عَاصِمٍ الثَّقَفِيِّ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الصَّلَاةِ بِمِنًى فَقَالَ هَلْ سَمِعْتَ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ نَعَمْ وَآمَنْتُ فَاهْتَدَيْتُ بِهِ قَالَ فَإِنَّهُ كَانَ يُصَلِّي بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ


হজরত দাউদ বিন আবি আসিম সাকাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে মিনায় নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, “আপনি কি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম শুনেছেন?” আমি বললাম, “হ্যাঁ! তাঁর প্রতি ঈমান এনে আমিও সঠিক পথে এসেছি।” সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিনায় দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4531 OK

(৪৫৩১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ أَبِيهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا قَالَ خَرَجْنَا مَعَ ابْنِ عُمَرَ فَصَلَّيْنَا الْفَرِيضَةَ فَرَأَى بَعْضَ وَلَدِهِ يَتَطَوَّعُ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فِي السَّفَرِ فَلَمْ يُصَلُّوا قَبْلَهَا وَلَا بَعْدَهَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ وَلَوْ تَطَوَّعْتُ لَأَتْمَمْتُ


হজরত হাফস বিন আসিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমরা সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে সফরে গিয়ে ফরজ নামায পড়লাম। কিছুক্ষণ পর সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর এক ছেলেকে লক্ষ্য করলেন যে, সে নফল নামায পড়ছে। তিনি বললেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তিন খলিফার সাথে সফরে কসর নামায পড়েছি, কিন্তু তারা সবাই ফরজ নামায আদায়ের আগে বা পরে কোনো নফল নামায আদায় করতেন না। আমি যদি সফরে নফল নামায পড়তাম, তাহলে আমি আমার ফরজ নামায পুরো রাকাতই পড়তাম, কসর নামায পড়তাম না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4532 OK

(৪৫৩২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْعُمَرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُلْحِدَ لَهُ لَحْدٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর মুবারক লাহদ পদ্ধতিতে নির্মিত হয়েছিলো।

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4533 OK

(৪৫৩৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَرَأَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ وَالرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ بِضْعًا وَعِشْرِينَ مَرَّةً أَوْ بِضْعَ عَشْرَةَ مَرَّةً قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ وَ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের আগে এবং মাগরিবের পরে দুই রাকাত সুন্নত নামাযে, সূরা আল-কাফিরুন এবং সূরা আল-ইখলাস বিশবার বা দশবার করে পাঠ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4534 OK

(৪৫৩৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِبَعْضِ جَسَدِي فَقَالَ يَا عَبْدَ اللَّهِ كُنْ فِي الدُّنْيَا كَأَنَّكَ غَرِيبٌ أَوْ عَابِرُ سَبِيلٍ وَاعْدُدْ نَفْسَكَ فِي الْمَوْتَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার আমার শরীরের একটি অংশ ধরে বললেন, “হে আবদুল্লাহ! দুনিয়াতে পথিক বা পথচারীর মতো থাকো এবং নিজেকে মৃত্যুর জন্যে প্রস্তুত করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4535 OK

(৪৫৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৭৩] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ يَعْنِي ابْنَ حُدَيْرٍ وَوَكِيعٌ الْمَعْنَى قَالَ أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عُطَارِدٍ قَالَ وَكِيعٌ السَّدُوسِيِّ أَبِي الْبَزَرِيِّ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الشُّرْبِ قَائِمًا فَقَالَ قَدْ كُنَّا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَشْرَبُ قِيَامًا وَنَأْكُلُ وَنَحْنُ نَسْعَى


হজরত ইয়াযীদ বিন আত্তারদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দাঁড়িয়ে পানি পান করার বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি উত্তরে বললেন যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে আমরা দাঁড়িয়ে পানি পান করতাম এবং হাঁটার সময় খেতাম। (কারণ জিহাদের ব্যস্ততার মাঝে খাওয়া-দাওয়ার সময় কোথায়?)” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4536 OK

(৪৫৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৭৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ أُوتِيَ نَبِيُّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَفَاتِيحَ كُلِّ شَيْءٍ غَيْرَ خَمْسٍ إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَاذَا تَكْسِبُ غَدًا وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঁচটি জিনিস ছাড়া সবকিছুর জ্ঞানের চাবি দেওয়া হয়েছিলো। অতঃপর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন,

إِنَّ ٱللَّهَ عِندَهُۥ عِلۡمُ ٱلسَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ ٱلۡغَيۡثَ وَيَعۡلَمُ مَا فِي ٱلۡأَرۡحَامِۖ وَمَا تَدۡرِي نَفۡسٞ مَّاذَا تَكۡسِبُ غَدٗاۖ وَمَا تَدۡرِي نَفۡسُۢ بِأَيِّ أَرۡضٖ تَمُوتُۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرُۢ٣٤
নিশ্চয় কেবল মাত্র আল্লাহর কাছেই কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন ও মায়ের গর্ভাশয়ের মধ্যে যা আছে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না যে, আগামীকাল সে কী উপার্জন করবে। আর কেউ জানে না যে, কোন দেশে সে মারা যাবে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, পূর্ণ অবগত। (৩১. লোকমান : ৩৪) [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4537 OK

(৪৫৩৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنِي عُيَيْنَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدِ بْنِ جُدْعَانَ حَدَّثَنِي سَالِمٌ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّمَا يَلْبَسُ الْحَرِيرَ مَنْ لَا خَلَاقَ لَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমের পোশাক পরে, আখেরাতে তার কোনো অংশ নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4538 OK

(৪৫৩৮)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْعُمَرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ ابْنَ رَوَاحَةَ إِلَى خَيْبَرَ يَخْرُصُ عَلَيْهِمْ ثُمَّ خَيَّرَهُمْ أَنْ يَأْخُذُوا أَوْ يَرُدُّوا فَقَالُوا هَذَا الْحَقُّ بِهَذَا قَامَتْ السَّمَوَاتُ وَالْأَرْضُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে খায়বরে প্রেরণ করলেন। তিনি তথাকার বাগানের ফলের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতেন। একবার ইহুদীরা তাদের স্ত্রীদের অলঙ্কার একত্রিত করে আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহাকে দিতে চাইলো আর ইহুদীরা বললো, “আপনি এই অলঙ্কার গ্রহণ করুন আর পরিমাণে কিছু হ্রাস করুন।” আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা বললেন, “হে ইহুদী সম্প্রদায়! আমি আল্লাহর সমস্ত সৃষ্ট বস্তুর মধ্যে, তোমাদেরকে নিকৃষ্ট মনে করে থাকি, তা সত্ত্বেও আমি তোমাদের উপর জুলুম করতে চাই না। তোমরা আমাকে যে উৎকোচ দিচ্ছো এটা হারাম, ইহা আমরা খাই না।” ইহুদীরা বলতে লাগলো, “এইজন্যই এখনও পৃথিবী ও জমি স্থির রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4539 OK

(৪৫৩৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ إِخْصَاءِ الْخَيْلِ وَالْبَهَائِمِ و قَالَ ابْنُ عُمَرَ فِيهَا نَمَاءُ الْخَلْقِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোড়া ও অন্যান্য গবাদি পশুকে খাসি বানাতে নিষেধ করেছেন এবং সাইয়্যিদনা ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, এতে পশুদের শারীরিক বিকাশ ঘটে থাকে।

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4540 OK

(৪৫৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫১৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي الْوَحْدَةِ مَا سَارَ أَحَدٌ وَحْدَهُ بِلَيْلٍ أَبَدًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি মানুষ একা ভ্রমণের ক্ষতি জানতো, তাহলে কেউ কখনোই রাতে একা ভ্রমণ করতো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4541 OK

(৪৫৪১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ عُمَارَةَ عَنْ أَبِي تَمِيمَةَ الْهُجَيْمِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فَلَا صَلَاةَ بَعْدَ الْغَدَاةِ حَتَّى تَطْلُعَ يَعْنِي الشَّمْسَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তিন খলিফার সঙ্গে সালাত আদায় করেছি। ফজরের নামাজের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো নামাজ নেই। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4542 OK

(৪৫৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ أَخْبَرَنِي أَبِي أَخْبَرَنِي ابْنُ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَتَحَرَّوْا بِصَلَاتِكُمْ طُلُوعَ الشَّمْسِ وَلَا غُرُوبَهَا فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَيْ شَيْطَانٍ فَإِذَا طَلَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَلَا تُصَلُّوا حَتَّى تَبْرُزَ وَإِذَا غَابَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَلَا تُصَلُّوا حَتَّى تَغِيبَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় নামাযের নিয়ত করো না। কারণ সূর্য উদিত হয় শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখানে। যখন সূর্য উদিত হয়, তবে তা দৃশ্যমান না হওয়া পর্যন্ত, সালাত আদায় করবে না। অনুরূপভাবে, যখন সূর্য অস্ত যেতে শুরু করে, তখন ততক্ষণ পর্যন্ত সালাত আদায় করবে না, যতক্ষণ না এটি সম্পূর্ণরূপে অস্ত যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4543 OK

(৪৫৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৫৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ الَّذِي يَجُرُّ ثَوْبَهُ مِنْ الْخُيَلَاءِ لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ نَافِعٌ فَأُنْبِئْتُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ قَالَتْ فَكَيْفَ بِنَا قَالَ شِبْرًا قَالَتْ إِذَنْ تَبْدُوَ أَقْدَامُنَا قَالَ ذِرَاعًا لَا تَزِدْنَ عَلَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি গর্বভরে নিজের কাপড় হেচড়িয়ে চলে (টাকনুর নিচে কাপড় পরে), কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তার প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন না।” উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, “ইয়া রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নারীরা তাদের কাপড়ের নিম্নাংশ কিভাবে রাখবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তারা তা এক বিঘত লম্বা করে দিবে।” উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, “তা হলে তো তাদের পা খোলা থাকবে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাহলে তারা তা এক হাত লম্বা করবে, এর উপর যেনো, তারা লম্বা না করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4544 OK

(৪৫৪৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْعُمَرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ مِنْ أَحْسَنِ أَسْمَائِكُمْ عَبْدَ اللَّهِ وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের জন্যে সর্বোত্তম নাম হলো, আবদুল্লাহ ও আব্দুর-রহমান।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4545 OK

(৪৫৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৯৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا سِمَاكٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوَى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا صَفَرَ وَلَا هَامَ فَذَكَرَ سِمَاكٌ أَنَّ الصَّفَرَ دَابَّةٌ تَكُونُ فِي بَطْنِ الْإِنْسَانِ فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَكُونُ فِي الْإِبِلِ الْجَرِبَةُ فِي الْمِائَةِ فَتُجْرِبُهَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَنْ أَعْدَى الْأَوَّلَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোন আদওয়া (আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত সংক্রামক রোগের সংক্রমণ), কোন তিয়ারাহ (শকুন পাখির কুসংস্কার পূর্ণ বিশ্বাস), কোন সাফার এবং কোন হাম নেই (একটি জাহিলি আরব ঐতিহ্যকে বোঝায় যা বিভিন্নভাবে বর্ণিত হয়েছে: একটি কীট যা কবরে আঘাত করে। হত্যার শিকার যতক্ষণ না তার প্রতিশোধ নেওয়া হয়; একটি পেঁচা; অথবা মৃত ব্যক্তির হাড় উড়তে পারে, এমন পাখিতে পরিণত হয়েছে)।” সিমাক বলেন যে সাফার (শব্দটি) একজন ব্যক্তির পেটে একটি কৃমিকে নির্দেশ করে। এক ব্যক্তি বললো, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, কোনো জায়গায় একশত উটের মধ্যে একটি সংক্রমিত উট থাকলে, ঐ একশতটি উটের মধ্যেও ঐ রোগ ছড়িয়ে পরে। এটা কেনো হয়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাহলে প্রথম উটটিকে কে সংক্রমিত করেছিলো?”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৫৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস