(২৬) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৩৩৬৮-৪২১৬), সর্বমোট হাদিসঃ ৮৪৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫১৯টি]



3697 OK

(৩৬৯৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ خَالِدِ بْنِ رِبْعِيٍّ الْأَسَدِيِّ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيلُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “আল্লাহ তোমাদের নবীকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বানিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3698 OK

(৩৬৯৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ حَجَجْنَا مَعَ ابْنِ مَسْعُودٍ فِي خِلَافَةِ عُثْمَانَ قَالَ فَلَمَّا وَقَفْنَا بِعَرَفَةَ قَالَ فَلَمَّا غَابَتْ الشَّمْسُ قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ لَوْ أَنَّ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَفَاضَ الْآنَ كَانَ قَدْ أَصَابَ قَالَ فَلَا أَدْرِي كَلِمَةُ ابْنِ مَسْعُودٍ كَانَتْ أَسْرَعَ أَوْ إِفَاضَةُ عُثْمَانَ قَالَ فَأَوْضَعَ النَّاسُ وَلَمْ يَزِدْ ابْنُ مَسْعُودٍ عَلَى الْعَنَقِ حَتَّى أَتَيْنَا جَمِيعًا فَصَلَّى بِنَا ابْنُ مَسْعُودٍ الْمَغْرِبَ ثُمَّ دَعَا بِعَشَائِهِ ثُمَّ تَعَشَّى ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ ثُمَّ رَقَدَ حَتَّى إِذَا طَلَعَ أَوَّلُ الْفَجْرِ قَامَ فَصَلَّى الْغَدَاةَ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ مَا كُنْتَ تُصَلِّي الصَّلَاةَ هَذِهِ السَّاعَةَ قَالَ وَكَانَ يُسْفِرُ بِالصَّلَاةِ قَالَ إِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي هَذَا الْيَوْمِ وَهَذَا الْمَكَانِ يُصَلِّي هَذِهِ السَّاعَةَ


হজরত আবদুর-রহমান বিন ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত উসমান গনি রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফত কালে আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে হজ করেছিলাম। আমরা যখন আরাফাতে দাঁড়ালাম, যখন সূর্য ডুবে গেলো, তখন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমীরুল মুমিনীন যদি এখন অগ্রসর হন, তবে তিনি সঠিক কাজটিই করবেন।” আমি জানি না, কোনটি প্রথমে হয়েছিলো, হজরত ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বাক্যটি প্রথম পূর্ণ হয়েছিলো, নাকি হজরত উসমান গণি রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রত্যাবর্তন প্রথম শুরু হয়েছিলো। লোকেরা প্রচণ্ড গতিতে পশু চালাতে শুরু করলো, কিন্তু হযরত ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার যাত্রাকে শুধুমাত্র মাপা গতিতে সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন, যতক্ষণ না আমরা মুযদালিফায় পৌঁছলাম। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে মাগরিবের নামায পড়ালেন। তারপর তিনি তার নৈশভোজের জন্যে খাদেমকে ডাকলেন এবং তার নৈশভোজ করলেন। তারপর তিনি উঠে এশার সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি ঘুমাতে গেলেন, যতক্ষণ না ফজর হলো। তিনি উঠে ফজরের সালাত আদায় করলেন। আমি তাকে বললাম, “আপনি সাধারণত এই সময়ে নামাজ পড়েন না।” তিনি বললেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই দিনে, এই সময়ে, এই স্থানে সালাত আদায় করতে দেখেছি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3699 OK

(৩৬৯৯)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ شَقِيقِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ جَدَبَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ السَّمَرَ بَعْدَ الْعِشَاءِ قَالَ خَالِدٌ مَعْنَى جَدَبَ إِلَيْنَا يَقُولُ عَابَهُ ذَمَّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এশার নামাজের পর গল্প বলা আমাদের জন্যে খারাপ কাজ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৯৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



3700 OK

(৩৭০০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ شُعْبَةَ قَالَ حَدَّثَنِي سَعْدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ كَأَنَّهُ عَلَى الرَّضْفِ قُلْتُ حَتَّى يَقُومَ قَالَ حَتَّى يَقُومَ


আবূ উবাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে তার পিতা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, “রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই রাকাত নামাযের পর (অর্থাৎ প্রথম তাশাহহুদে) এমন ভাবে বসতেন, যেনো তিনি গরম পাথরের ওপর বসে আছেন।” আমি (বর্ণনাকারী) বললাম, “যতক্ষণ না তিনি পুনরায় দাঁড়াতেন, ততক্ষণ বসে থাকতেন?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হ্যাঁ।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3701 OK

(৩৭০১)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ وَإِنَّ الْبِرَّ يَهْدِي إِلَى الْجَنَّةِ وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَصْدُقُ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ صِدِّيقًا وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَكْذِبُ وَيَتَحَرَّى الْكَذِبَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ كَذَّابًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি তোমাদেরকে সত্যবাদী হওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। কেননা সত্যবাদিতা কল্যাণের পথে নিয়ে যায় এবং কল্যাণ জান্নাতের পথে নিয়ে যায়। একজন মানুষ সত্য কথা বলতে থাকে, যতক্ষণ না সে আল্লাহর কাছে সত্যবাদী হিসেবে লেখা হয়। তোমরা নিজেদেরকে মিথ্যা থেকে বাঁচাও। কেননা মিথ্যাবাদিতা পাপের পথে নিয়ে যায় এবং পাপ জাহান্নামের পথে নিয়ে যায়। একজন মানুষ মিথ্যা কথা বলতে থাকে, যতক্ষণ না সে আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী হিসেবে লেখা হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3702 OK

(৩৭০২)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৮০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِذَا لَبَّى يَقُولُ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ قَالَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ انْتَهِ إِلَيْهَا فَإِنَّهَا تَلْبِيَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত দাহহাক ইবনে মুযাহিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন তালবিয়া বলতেন, তখন তিনি বলতেন,

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ

“আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত। তোমার কোন শরীক নেই, আমি উপস্থিত। নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও সমস্ত বরকত তোমারই এবং সমস্ত সার্বভৌমত্ব তোমারই, তোমার কোন শরীক নেই।”

এবং হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তোমরাও এভাবেই তালবিয়া পাঠ করো, কেননা এটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তালবিয়া।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3703 OK

(৩৭০৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫০৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كُنْتُ أَمْشِي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَرْثٍ بِالْمَدِينَةِ وَهُوَ مُتَّكِئٌ عَلَى عَسِيبٍ قَالَ فَمَرَّ بِقَوْمٍ مِنْ الْيَهُودِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ سَلُوهُ عَنْ الرُّوحِ قَالَ بَعْضُهُمْ لَا تَسْأَلُوهُ فَسَأَلُوهُ عَنْ الرُّوحِ فَقَالُوا يَا مُحَمَّدُ مَا الرُّوحُ فَقَامَ فَتَوَكَّأَ عَلَى الْعَسِيبِ قَالَ فَظَنَنْتُ أَنَّهُ يُوحَى إِلَيْهِ فَقَالَ وَيَسْأَلُونَكَ عَنْ الرُّوحِ قُلْ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي وَمَا أُوتِيتُمْ مِنْ الْعِلْمِ إِلَّا قَلِيلًا قَالَ فَقَالَ بَعْضُهُمْ قَدْ قُلْنَا لَكُمْ لَا تَسْأَلُوهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে মদীনার বসতিহীন এলাকা দিয়ে চলছিলাম। তিনি একখানি খেজুরের ডালে ভর দিয়ে একদল ইয়াহুদীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তারা একজন অন্য জনকে বলতে লাগলো, ‘তাঁকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো।’ আর একজন বললো, ‘তাঁকে কোনো প্রশ্ন করো না, হয়তো তিনি এমন কোনো জবাব দিবেন, যা তোমরা পছন্দ করোনা।’ আবার কেউ কেউ বললো, ‘তাঁকে আমরা প্রশ্ন করবোই।’ অতঃপর তাদের মধ্যে হতে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, ‘হে আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! রূহ কী?’ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ করে রইলেন, আমি মনে মনে বললাম, তাঁর প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ হচ্ছে। তাই আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। অতঃপর যখন সে অবস্থা কেটে গেল তখন তিনি বললেন,

وَيَسۡـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلرُّوحِۖ قُلِ ٱلرُّوحُ مِنۡ أَمۡرِ رَبِّي وَمَآ أُوتِيتُم مِّنَ ٱلۡعِلۡمِ إِلَّا قَلِيلٗا٨٥
তারা আপনাকে আত্মা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। আপনি বলুন, “আত্মা আমার প্রভুর আদেশ ঘটিত। বস্তুত তোমাদেরকে এ বিষয়ে সামান্য জ্ঞান দেওয়া হয়েছে।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৮৫)

এ কথা শুনে তারা একে অপরকে বললো, আমরা বলেছিলাম যে, ‘তাঁকে কোনো প্রশ্ন করো না।’ [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3704 OK

(৩৭০৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৩০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ البُنَانِيِّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ آخِرَ مَنْ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ رَجُلٌ يَمْشِي عَلَى الصِّرَاطِ فَيَنْكَبُّ مَرَّةً وَيَمْشِي مَرَّةً وَتَسْفَعُهُ النَّارُ مَرَّةً فَإِذَا جَاوَزَ الصِّرَاطَ الْتَفَتَ إِلَيْهَا فَقَالَ تَبَارَكَ الَّذِي نَجَّانِي مِنْكِ لَقَدْ أَعْطَانِي اللَّهُ مَا لَمْ يُعْطِ أَحَدًا مِنْ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ قَالَ فَتُرْفَعُ لَهُ شَجَرَةٌ فَيَنْظُرُ إِلَيْهَا فَيَقُولُ يَا رَبِّ أَدْنِنِي مِنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ فَأَسْتَظِلَّ بِظِلِّهَا وَأَشْرَبَ مِنْ مَائِهَا فَيَقُولُ أَيْ عَبْدِي فَلَعَلِّي إِنْ أَدْنَيْتُكَ مِنْهَا سَأَلْتَنِي غَيْرَهَا فَيَقُولُ لَا يَا رَبِّ وَيُعَاهِدُ اللَّهَ أَنْ لَا يَسْأَلَهُ غَيْرَهَا وَالرَّبُّ عَزَّ وَجَلَّ يَعْلَمُ أَنَّهُ سَيَسْأَلُهُ لِأَنَّهُ يَرَى مَا لَا صَبْرَ لَهُ يَعْنِي عَلَيْهِ فَيُدْنِيهِ مِنْهَا ثُمَّ تُرْفَعُ لَهُ شَجَرَةٌ وَهِيَ أَحْسَنُ مِنْهَا فَيَقُولُ يَا رَبِّ أَدْنِنِي مِنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ فَأَسْتَظِلَّ بِظِلِّهَا وَأَشْرَبَ مِنْ مَائِهَا فَيَقُولُ أَيْ عَبْدِي أَلَمْ تُعَاهِدْنِي يَعْنِي أَنَّكَ لَا تَسْأَلُنِي غَيْرَهَا فَيَقُولُ يَا رَبِّ هَذِهِ لَا أَسْأَلُكَ غَيْرَهَا وَيُعَاهِدُهُ وَالرَّبُّ يَعْلَمُ أَنَّهُ سَيَسْأَلُهُ غَيْرَهَا فَيُدْنِيهِ مِنْهَا فَتُرْفَعُ لَهُ شَجَرَةٌ عِنْدَ بَابِ الْجَنَّةِ هِيَ أَحْسَنُ مِنْهَا فَيَقُولُ رَبِّ أَدْنِنِي مِنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ أَسْتَظِلُّ بِظِلِّهَا وَأَشْرَبُ مِنْ مَائِهَا فَيَقُولُ أَيْ عَبْدِي أَلَمْ تُعَاهِدْنِي أَنْ لَا تَسْأَلَنِي غَيْرَهَا فَيَقُولُ يَا رَبِّ هَذِهِ الشَّجَرَةُ لَا أَسْأَلُكَ غَيْرَهَا وَيُعَاهِدُهُ وَالرَّبُّ يَعْلَمُ أَنَّهُ سَيَسْأَلُهُ غَيْرَهَا لِأَنَّهُ يَرَى مَا لَا صَبْرَ لَهُ عَلَيْهَا فَيُدْنِيهِ مِنْهَا فَيَسْمَعُ أَصْوَاتَ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَيَقُولُ يَا رَبِّ الْجَنَّةَ الْجَنَّةَ فَيَقُولُ عَبْدِي أَلَمْ تُعَاهِدْنِي أَنَّكَ لَا تَسْأَلُنِي غَيْرَهَا فَيَقُولُ يَا رَبِّ أَدْخِلْنِي الْجَنَّةَ قَالَ فَيَقُولُ عَزَّ وَجَلَّ مَا يَصْرِينِي مِنْكَ أَيْ عَبْدِي أَيُرْضِيكَ أَنْ أُعْطِيَكَ مِنْ الْجَنَّةِ الدُّنْيَا وَمِثْلَهَا مَعَهَا قَالَ فَيَقُولُ أَتَهْزَأُ بِي وَأَنْتَ رَبُّ الْعِزَّةِ قَالَ فَضَحِكَ عَبْدُ اللَّهِ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ ثُمَّ قَالَ أَلَا تَسْأَلُونِي لِمَ ضَحِكْتُ قَالُوا لَهُ لِمَ ضَحِكْتَ قَالَ لِضَحِكِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَا تَسْأَلُونِي لِمَ ضَحِكْتُ قَالُوا لِمَ ضَحِكْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ لِضَحِكِ الرَّبِّ حِينَ قَالَ أَتَهْزَأُ بِي وَأَنْتَ رَبُّ الْعِزَّةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সর্বশেষ জান্নাতে প্রবেশ করবে এমন ব্যক্তি, যে একবার চলবে একবার হোঁচট খাবে, একবার আগুন তাকে ঝলসে দিবে, যখন সে তা অতিক্রম করবে, তার দিকে ফিরে তাকাবে, অতঃপর বলবে, ‘বরকতময় সে সত্তা, যিনি আমাকে তোমার থেকে নাজাত দিয়েছেন। নিশ্চয় আল্লাহ আমাকে এমন বস্তু দান করেছেন, যা পূর্বাপর কাউকে দান করেননি।’ অতঃপর তার জন্যে একটি গাছ জাহির করা হবে, সে বলবে, ‘হে আমার রব আমাকে এ গাছের নিকটবর্তী করুন, যেনো তার ছায়া গ্রহণ করতে পারি ও তার পানি পান করতে পারি।’ আল্লাহ তাআলা বলবেন, ‘হে আদম সন্তান! যদি আমি তোমাকে এটা দান করি হয়তো (আবারও) অন্য কিছু তলব করবে।’ সে বলবে, ‘না, হে আমার রব।’ সে ওয়াদা দিবে যে, এ ছাড়া কিছু তলব করবে না, তার রব তাকে ছাড় দিবেন, কারণ তিনি দেখবেন যে, যার ওপর তার ধৈর্য সম্ভব হবে না। তাকে তার নিকটবর্তী করবেন, ফলে সে তার ছায়া গ্রহণ করবে ও তার পানি পান করবে। অতঃপর তার জন্যে অপর গাছ জাহির করা হবে, যা পূর্বের তুলনায় অধিক সুন্দর। সে বলবে, ‘হে আমার রব, আমাকে এর নিকটবর্তী করুন, যেনো তার পানি পান করতে পারি ও তার ছায়া গ্রহণ করতে পারি, এ ছাড়া কিছু চাইবো না।’ তিনি বলবেন, ‘হে বনি আদম! তুমি কি আমাকে ওয়াদা দাওনি অন্য কিছু চাইবে না? আমি যদি তোমাকে এর নিকটবর্তী করি হয়তো (আবারও) অন্য কিছু চাইবে।’ ফলে সে ওয়াদা দিবে যে, অন্য কিছু চাইবে না। তার রব তাকে ছাড় দিবেন, কারণ তিনি দেখবেন যে, যার ওপর তার ধৈর্য নেই। অতঃপর তাকে তার নিকটবর্তী করবেন, সে তার ছায়া গ্রহণ করবে ও তার পানি পান করবে। অতঃপর তার সামনে জান্নাতের দরজার মুখে একটি গাছ জাহির করা হবে, যা পূর্বের দুটি গাছ থেকে অধিক সুন্দর। সে বলবে, ‘হে আমার রব! আমাকে এ গাছের নিকটবর্তী করুন, আমি তার ছায়া গ্রহণ করবো ও তার পানি পান করবো, এ ছাড়া কিছু চাইবো না।’ তিনি বলবেন, ‘হে বনি আদম! তুমি কি আমাকে ওয়াদা দাওনি অন্য কিছু চাইবে না?’ সে বলবে, ‘অবশ্যই হে আমার রব, এটাই আর কিছু চাইবো না।’ তার রব তাকে ছাড় দিবেন, কারণ তিনি দেখবেন যে, যার ওপর তার ধৈর্য নেই। অতঃপর তিনি তাকে তার নিকটবর্তী করবেন, যখন তার নিকটবর্তী করা হবে, সে জান্নাতিদের আওয়াজ শুনবে। সে বলবে, ‘হে আমার রব! আমাকে তাতে প্রবেশ করান।’ তিনি বলবেন, ‘হে বনি আদম! কিসে তোমার থেকে আমাকে নিষ্কৃতি দিবে? তুমি কি এতে সন্তুষ্ট যে, আমি তোমাকে দুনিয়া ও তার সাথে তার সমান দান করি?’ সে বলবে, ‘হে আমার রব! আপনি কি আমার সাথে ঠাট্টা করছেন অথচ আপনি দুই জাহানের রব’?” ইবনে মাসউদ হেসে দিলেন, তিনি বললেন, “তোমরা আমাকে কেনো জিজ্ঞাসা করছো না যে, আমি কেনো হাসছি?” তারা বললো, “আপনি কেনো হাসছেন?” তিনি বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপ হেসেছেন।” সাহাবিরা বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি কেনো হাসছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আল্লাহর হাসি থেকে আমি হাসছি। যখন সে বললো, ‘আপনি আমার সাথে ঠাট্টা করছেন অথচো আপনি দুই জাহানের রব?’ আল্লাহ বললেন, ‘আমি তোমার সাথে ঠাট্টা করছি না, তবে আমি যা চাই করতে পারি’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3705 OK

(৩৭০৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْأَعْمَشِ سَمِعَ أَبَا وَائِلٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ وَيُقَالُ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلَانٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কেয়ামতের দিন প্রত্যেক প্রতারকের জন্যে একটি পতাকা থাকবে। আর বলা হবে যে, ‘এটি অমুক প্রতারকের পতাকা’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3706 OK

(৩৭০৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا عَاصِمُ بْنُ بَهْدَلَةَ عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ كُنَّا يَوْمَ بَدْرٍ كُلُّ ثَلَاثَةٍ عَلَى بَعِيرٍ كَانَ أَبُو لُبَابَةَ وَعَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ زَمِيلَيْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ وَكَانَتْ عُقْبَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَقَالَا نَحْنُ نَمْشِي عَنْكَ فَقَالَ مَا أَنْتُمَا بِأَقْوَى مِنِّي وَلَا أَنَا بِأَغْنَى عَنْ الْأَجْرِ مِنْكُمَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

বদর যুদ্ধের দিন আমরা তিনজন লোক এক উটে চড়ে ছিলাম। আর আবু লুবাবা ও আলী ইবনে আবি তালিব ছিলেন এমন দুইজন ব্যক্তি, যারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে আরোহণ করেছিলাম। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাঁটার পালা এলো, তখন তারা উভয়ে বললো, “আমরা আপনার বদলে হাঁটবো এবং আপনাকে উটে চড়তে দিবো।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা আমার চেয়ে বেশি শক্তিশালী নও এবং তোমাদের চেয়ে পুরস্কারের প্রয়োজন আমারও কম নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3707 OK

(৩৭০৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪২৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ قَسْمًا قَالَ فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْأَنْصَارِ إِنَّ هَذِهِ لَقِسْمَةٌ مَا أُرِيدَ بِهَا وَجْهُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ قَالَ فَقُلْتُ يَا عَدُوَّ اللَّهِ أَمَا لَأُخْبِرَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَا قُلْتَ قَالَ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاحْمَرَّ وَجْهُهُ قَالَ ثُمَّ قَالَ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَى مُوسَى لَقَدْ أُوذِيَ بِأَكْثَرَ مِنْ هَذَا فَصَبَرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন কিছু গনীমতের মাল বন্টন করলেন এবং আনসারদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বললো, “এটা এমন একটি বন্টন যা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে করা হয়নি।” আমি বললাম, “হে আল্লাহর দুশমন, তুমি যা বলেছো, তা আমি অবশ্যই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলবো।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে তা উল্লেখ করলে, তাঁর মুখমন্ডল লাল হয়ে গেলো। তারপর তিনি বললেন, “আল্লাহ হজরত মূসা (আঃ)-এর প্রতি রহম করুন, তাঁকে এর চেয়েও বেশি কষ্ট দেওয়া হয়েছিলেন এবং তিনি ধৈর্যশীল ছিলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3708 OK

(৩৭০৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৬৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي زُبَيْدٌ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ سِبَابُ الْمُسْلِمِ فُسُوقٌ وَقِتَالُهُ كُفْرٌ قَالَ قُلْتُ لِأَبِي وَائِلٍ أَنْتَ سَمِعْتَ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ نَعَمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোনো মুসলমানকে গালি দেওয়া হচ্ছে মন্দ কাজ এবং তার সঙ্গে যুদ্ধ করা হচ্ছে কুফরী।” বর্ণনাকারী বলেন, আমি আবু ওয়াইলকে জিজ্ঞাসা করলাম, “আপনি কি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এ কথা শুনেছেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3709 OK

(৩৭০৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫০৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعِفَّةَ وَالْغِنَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করতেন,


اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعِفَّةَ وَالْغِنَى


“হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট পথনির্দেশ, আল্লাহভীতি, চারিত্রিক উৎকর্ষতা ও সচ্ছলতার জন্যে প্রার্থনা করছি।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৩৭০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3710 OK

(৩৭১০)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا مَسْعُودُ بْنُ سَعْدٍ حَدَّثَنَا خُصَيْفٌ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَتَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي صَدَقَةِ الْبَقَرِ إِذَا بَلَغَ الْبَقَرُ ثَلَاثِينَ فَفِيهَا تَبِيعٌ مِنْ الْبَقَرِ جَذَعٌ أَوْ جَذَعَةٌ حَتَّى تَبْلُغَ أَرْبَعِينَ فَإِذَا بَلَغَتْ أَرْبَعِينَ فَفِيهَا بَقَرَةٌ مُسِنَّةٌ فَإِذَا كَثُرَتْ الْبَقَرُ فَفِي كُلِّ أَرْبَعِينَ مِنْ الْبَقَرِ بَقَرَةٌ مُسِنَّةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গরুর যাকাত সম্পর্কে লিখেছেন, “যখন গরুর সংখ্যা ত্রিশে (৩০) পৌঁছায়, তখন চল্লিশ (৪০) সংখ্যা পর্যন্ত, এক বছর বয়সী, গরু যাকাত হিসাবে গন্য হবে। যখন সংখ্যা চল্লিশ (৪০) ছুঁয়ে যায়, তখন দুই বছর বয়সী, গরু যাকাত হিসাবে গন্য হবে। যদি গরুর সংখ্যা বেশি হয়, তাহলে প্রতি চল্লিশের (৪০) জন্যে একটি দুই বছর বয়সী, গরু যাকাত হিসাবে গন্য হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



3711 OK

(৩৭১১)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫১৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ خُمَيْرِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَرَأْتُ مِنْ فِي رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَبْعِينَ سُورَةً وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ لَهُ ذُؤَابَةٌ فِي الْكُتَّابِ


হজরত আবূ ওয়ায়ল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, “তোমরা আমাকে হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতো কুরআন পড়তে বলছো কি করে? অথচ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বরকতময় মুখ থেকে শুনে সওরেরও (৭০) অধিক সূরা পাঠ শিখেছি, অথচো হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু তখনো ছোট ছেলেদের সাথে খেলাধুলা করতো ও তখন তার মাথায় দুইটি চুলের ঝুঁটি ছিলো। (অর্থাৎ সে তখন নিতান্তই শিশু, আর তোমরা আমাকে সেই সেদিনের যায়দের মতো করে কুরআন পড়তে বলছো?)” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3712 OK

(৩৭১২)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ عَنِ النَّزَّالِ بْنِ سَبْرَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ رَجُلًا يَقْرَأُ آيَةً وَسَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَيْرَهَا فَأَتَيْتُ بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتَغَيَّرَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ عَرَفْتُ فِي وَجْهِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْكَرَاهِيَةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كِلَاكُمَا مُحْسِنٌ إِنَّ مَنْ قَبْلَكُمْ اخْتَلَفُوا فِيهِ فَأَهْلَكَهُمْ قَالَ شُعْبَةُ وَحَدَّثَنِي مِسْعَرٌ عَنْهُ وَرَفَعَهُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَا تَخْتَلِفُوا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি এক ব্যক্তিকে সূরা আহকাফ পাঠ করতে শুনলাম। অথচ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অন্যভাবে তা পড়তে শুনেছি। আমি তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে নিয়ে গেলাম। তাঁকে এ খবর জানালাম। আমি তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারায় বিরক্তির ভাব লক্ষ্য করলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা দুজনেই শুদ্ধ ভাবে পড়েছো। এ নিয়ে তোমরা কলহ বিবাদ করো না। তোমাদের পূর্বেকার জাতিগুলো তাদের পারস্পরিক বিভেদের জন্যেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3713 OK

(৩৭১৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ عَنِ النَّزَّالِ بْنِ سَبْرَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ رَجُلًا يَقْرَأُ آيَةً وَسَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَيْرَهَا فَأَتَيْتُ بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتَغَيَّرَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ عَرَفْتُ فِي وَجْهِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْكَرَاهِيَةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كِلَاكُمَا مُحْسِنٌ إِنَّ مَنْ قَبْلَكُمْ اخْتَلَفُوا فِيهِ فَأَهْلَكَهُمْ قَالَ شُعْبَةُ وَحَدَّثَنِي مِسْعَرٌ عَنْهُ وَرَفَعَهُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَا تَخْتَلِفُوا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি এক ব্যক্তিকে সূরা আহকাফ পাঠ করতে শুনলাম। অথচ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অন্যভাবে তা পড়তে শুনেছি। আমি তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে নিয়ে গেলাম। তাঁকে এ খবর জানালাম। আমি তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারায় বিরক্তির ভাব লক্ষ্য করলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা দুজনেই শুদ্ধ ভাবে পড়েছো। এ নিয়ে তোমরা কলহ বিবাদ করো না। তোমাদের পূর্বেকার জাতিগুলো তাদের পারস্পরিক বিভেদের জন্যেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3714 OK

(৩৭১৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৩৯৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي أَبْرَأُ إِلَى كُلِّ خَلِيلٍ مِنْ خُلَّتِهِ وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيلًا لَاتَّخَذْتُ أَبَا بَكْرٍ خَلِيلًا وَإِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيلُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি বলে যে, আমি তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, আমি তার বন্ধুত্বকে অস্বীকার করি। আমি যদি একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু (খলীল) গ্রহণ করতাম, তবে আমি হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করতাম। কিন্তু তোমাদের সঙ্গী (অর্থাৎ তিনি নিজেই) আল্লাহর একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু (খলীল)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3715 OK

(৩৭১৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ شَقِيقِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ مِنْ بَنِي بَجِيلَةَ يُقَالُ لَهُ نَهِيكُ بْنُ سِنَانٍ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ كَيْفَ تَقْرَأُ هَذِهِ الْآيَةَ أَيَاءً تَجِدُهَا أَوْ أَلِفًا مِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ أَوْ غَيْرِ يَاسِنٍ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ أَوَكُلَّ الْقُرْآنِ أَحْصَيْتَ غَيْرَ هَذِهِ الْآيَةِ قَالَ إِنَّنِي لَأَقْرَأُ الْمُفَصَّلَ فِي رَكْعَةٍ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ هَذًّا كَهَذِّ الشِّعْرِ إِنَّ مِنْ أَحْسَنِ الصَّلَاةِ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ وَلَيَقْرَأَنَّ الْقُرْآنَ أَقْوَامٌ لَا يُجَاوِزُ تَرَاقِيَهُمْ وَلَكِنَّهُ إِذَا قَرَأَهُ فَرَسَخَ فِي الْقَلْبِ نَفَعَ إِنِّي لَأَعْرِفُ النَّظَائِرَ الَّتِي كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ سُورَتَيْنِ فِي رَكْعَةٍ قَالَ ثُمَّ قَامَ فَدَخَلَ فَجَاءَ عَلْقَمَةُ فَدَخَلَ عَلَيْهِ قَالَ فَقُلْنَا لَهُ سَلْهُ لَنَا عَنْ النَّظَائِرِ الَّتِي كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ سُورَتَيْنِ فِي رَكْعَةٍ قَالَ فَدَخَلَ فَسَأَلَهُ ثُمَّ خَرَجَ إِلَيْنَا فَقَالَ عِشْرُونَ سُورَةً مِنْ أَوَّلِ الْمُفَصَّلِ فِي تَأْلِيفِ عَبْدِ اللَّهِ


হজরত আবূ ওয়ায়িল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

নাহীক ইবনু সিনান নামে জনৈক ব্যক্তি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এসে বলেন, “হে আবদুর রহমানের পিতা। নিম্নোক্ত শব্দটি আপনি কিভাবে পড়েন, ‘আলিফ’ সহযোগে না ‘ইয়া’ সহযোগে, অর্থাৎ ( ءَاسِنٖ ) অথবা ( ياسِنٖ ) ।”

فِيهَآ أَنۡهَٰرٞ مِّن مَّآءٍ غَيۡرِ ءَاسِنٖ
সেখানে এমন পানির ঝর্ণা আছে যার স্বাদ পরিবর্তিত হয় না।..........(৪৭. মোহাম্মদ : ১৫)

مَّثَلُ ٱلۡجَنَّةِ ٱلَّتِي وُعِدَ ٱلۡمُتَّقُونَۖ فِيهَآ أَنۡهَٰرٞ مِّن مَّآءٍ غَيۡرِ ءَاسِنٖ وَأَنۡهَٰرٞ مِّن لَّبَنٖ لَّمۡ يَتَغَيَّرۡ طَعۡمُهُۥ وَأَنۡهَٰرٞ مِّنۡ خَمۡرٖ لَّذَّةٖ لِّلشَّٰرِبِينَ وَأَنۡهَٰرٞ مِّنۡ عَسَلٖ مُّصَفّٗىۖ وَلَهُمۡ فِيهَا مِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ وَمَغۡفِرَةٞ مِّن رَّبِّهِمۡۖ كَمَنۡ هُوَ خَٰلِدٞ فِي ٱلنَّارِ وَسُقُواْ مَآءً حَمِيمٗا فَقَطَّعَ أَمۡعَآءَهُمۡ١٥
আল্লাহ ভীরুদেরকে যে বেহেশতের অঙ্গীকার দেওয়া হয়েছে, তার উপমা হচ্ছে, সেখানে এমন পানির ঝর্ণা আছে যার স্বাদ পরিবর্তিত হয় না। আর সেখানে এমন দুধের ঝর্ণা আছে যার স্বাদ পরিবর্তিত হয় না। আর সেখানে এমন মদের ঝর্ণা আছে যা পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু। আর সেখানে এমন মধুর ঝর্ণা আছে যা পরিশোধিত। আর সেখানে তাদের জন্যে সব রকমের ফল ও তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে ক্ষমা রয়েছে। আল্লাহ ভীরুরা কি তাদের মতো, যারা আগুনের মধ্যে অনন্তকাল থাকবে ও যাদেরকে ফুটন্ত পানি পান করতে দেওয়া হবে, ফলে সেই ফুটন্ত পানি তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিড়ে ফেলবে? (৪৭. মোহাম্মদ : ১৫)

বর্ণনাকারী আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) বলেন, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “এ শব্দটি ছাড়া তুমি কি কুরআনের সবটুকু আয়ত্ত করে ফেলেছো?” সে বললো, “আমি তো মুফাসসাল সূরাহ সমূহ (সূরা ৫০. ক্বাফ থেকে সূরা ১১৪. নাস পর্যন্ত অংশ) এক রাকআতেই পড়ি।” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “দ্রুত গতিতে অর্থাৎ কবিতা পড়ার ন্যায় দ্রুত গতিতে? কোনো কোনো লোক কুরআন পড়ে, কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করে না। বরং (সুষ্ঠুভাবে পড়লে) তা যখন অন্তরে প্রবেশ করে, তখন তা হৃদয়ে বদ্ধমূল হয় এবং উপকারে আসে। সলাতের মধ্যে রুকু সাজদাহ হলো সর্বাধিক ফাযীলাতপূর্ণ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তা আমি অবশ্যই জানি। তিনি প্রতি রাকআতে দুটি সূরা মিলিয়ে পড়তেন।” অতঃপর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু উঠে দাঁড়ান, আলক্বামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু-ও তার পিছনে পিছনে প্রবেশ করেন। অতঃপর তিনি বের হয়ে এসে বলেন, “হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এ সম্পর্কে আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি মুফাসসাল সূরাহ গুলো থেকে বিশটি সূরার উল্লেখ করলেন, যার দুইটি করে সূরাহ প্রতি রাকআতে পড়া হতো।” ইবনু নুমায়র-এর রিওয়ায়াতে আছে, বাজীলাহ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এলো। তার এ বর্ণনায় নাহীক ইবনু সিনান নাম উল্লেখ করেননি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3716 OK

(৩৭১৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ أَخْبَرَنَا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ عَنِ ابْنِ أُذْنَانَ قَالَ أَسْلَفْتُ عَلْقَمَةَ أَلْفَيْ دِرْهَمٍ فَلَمَّا خَرَجَ عَطَاؤُهُ قُلْتُ لَهُ اقْضِنِي قَالَ أَخِّرْنِي إِلَى قَابِلٍ فَأَتَيْتُ عَلَيْهِ فَأَخَذْتُهَا قَالَ فَأَتَيْتُهُ بَعْدُ قَالَ بَرَّحْتَ بِي قَدْ مَنَعْتَنِي فَقُلْتُ نَعَمْ هُوَ عَمَلُكَ قَالَ وَمَا شَأْنِي قُلْتُ إِنَّكَ حَدَّثْتَنِي عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ السَّلَفَ يَجْرِي مَجْرَى شَطْرِ الصَّدَقَةِ قَالَ نَعَمْ فَهُوَ كَذَاكَ قَالَ فَخُذْ الْآنَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি হযরত আল-কামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ঋণ হিসেবে দুই হাজার দিরহাম দিয়েছিলাম। অতঃপর যখন সে তার গনীমতের অংশ পেলো, তখন আমি তাকে বললাম, “আমাকে আমার ঋণ ফেরত দাও।” তিনি বললেন, “আমাকে আগামী বছর পর্যন্ত অবকাশ দিন।” কিন্তু আমি জোর দিয়েছিলাম যে, সে টাকা দেবে এবং আমি তা নিয়েছি। অতঃপর আমি পরে তার কাছে এলাম এবং তিনি বললেন, “আপনি আমাকে কষ্ট দিয়েছেন এবং আমার কাছ থেকে তা জোর করে নিয়েছেন।” আমি বললাম, “হ্যাঁ, আর এটা আপনার কারণেই হয়েছে।” তিনি বললেন, “আমার কারণে তা কিভাবে হয়েছে?” আমি বললাম, “আপনি আমাকে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘টাকা ধার দেওয়া, ঋণ দানের মতো’।” তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তাহলে এখন আবার ঋণ দাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3717 OK

(৩৭১৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ بَهْدَلَةَ عَنْ أَبِي الضُّحَى عَنْ مَسْرُوقٍ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ الْعَيْنَانِ تَزْنِيَانِ وَالْيَدَانِ تَزْنِيَانِ وَالرِّجْلَانِ تَزْنِيَانِ وَالْفَرْجُ يَزْنِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের গোপনাঙ্গই শুধু ব্যভিচার করে না, মানুষের চোখও ব্যভিচার করে, হাতও ব্যভিচার করে, এমনকি পাও ব্যভিচার করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3718 OK

(৩৭১৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنِي الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ أَحَدٌ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ كِبْرٍ وَلَا يَدْخُلُ النَّارَ مَنْ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ مِنْ إِيمَانٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যার অন্তরে সরিষার দানার পরিমাণ অহঙ্কার আছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর যার অন্তরে সরিষার দানার পরিমাণও ঈমান আছে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3719 OK

(৩৭১৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ لَحِقَ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَبْدٌ أَسْوَدُ فَمَاتَ فَأُوذِنَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ انْظُرُوا هَلْ تَرَكَ شَيْئًا فَقَالُوا تَرَكَ دِينَارَيْنِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَيَّتَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সুফফাবাসীর মধ্যে থেকে একজন কালো দাস এসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলো। কিছুক্ষণ পর ঐ দাসটি মারা গেলো। এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জানানো হলো। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, “তোমরা দেখো সে কিছু রেখে গেছে কি না?” লোকেরা বললো, “সে তার চাদরের মধ্যে দুই দিনার রেখে গেছে।” রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এ দুটি দিনার জাহান্নামের দুটি কয়লা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3720 OK

(৩৭২০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬৭০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِي الْكَهْتَلَةِ قَالَ مُحَمَّدٌ أَظُنُّهُ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّهُ قَالَ إِنَّ مُحَمَّداً لَمْ يَرَ جِبْرِيلَ فِي صُورَتِهِ إِلَّا مَرَّتَيْنِ أَمَّا مَرَّةٌ فَإِنَّهُ سَأَلَهُ أَنْ يُرِيَهُ نَفْسَهُ فِي صُورَتِهِ فَأَرَاهُ صُورَتَهُ فَسَدَّ الْأُفُقَ وَأَمَّا الْأُخْرَى فَإِنَّهُ صَعِدَ مَعَهُ حِينَ صَعِدَ بِهِ وَقَوْلُهُ وَهُوَ بِالْأُفُقِ الْأَعْلَى ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّى فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى فَأَوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى قَالَ فَلَمَّا أَحَسَّ جِبْرِيلُ رَبَّهُ عَادَ فِي صُورَتِهِ وَسَجَدَ فَقَوْلُهُ وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَى عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى عِنْدَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَى إِذْ يَغْشَى السِّدْرَةَ مَا يَغْشَى مَا زَاغَ الْبَصَرُ وَمَا طَغَى لَقَدْ رَأَى مِنْ آيَاتِ رَبِّهِ الْكُبْرَى قَالَ خَلْقَ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلَام


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হজরত জিবরীল (আঃ)-কে তার আসল রূপে দুইবার দেখেছেন। একবার তিনি তাকে তার আসল রূপ দেখাতে বললেন, তাই তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তার আসল রূপ দেখালেন এবং হজরত জিবরীল (আঃ) দিগন্ত পূর্ণ করে দাড়িয়ে ছিলেন।

وَهُوَ بِٱلۡأُفُقِ ٱلۡأَعۡلَىٰ٧
আর ফেরেশতা জিবরিল ছিলেন উর্ধ্ব দিগন্তে, (৫৩. আন নাজম : ৭)
ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّىٰ٨
তারপর তিনি নিকটবর্তী হলেন, তারপর তিনি রসূলের দিকে ঝুঁকে গেলেন। (৫৩. আন নাজম : ৮)
فَكَانَ قَابَ قَوۡسَيۡنِ أَوۡ أَدۡنَىٰ٩
তখন তাদের মধ্যে দুই ধনুকের ব্যবধান ছিলো অথবা আরো কম। (৫৩. আন নাজম : ৯)
فَأَوۡحَىٰٓ إِلَىٰ عَبۡدِهِۦ مَآ أَوۡحَىٰ١٠
তখন আল্লাহ রসূলের প্রতি যা ওহী করবার, তা ওহী করলেন। (৫৩. আন নাজম : ১০)

দ্বিতীয়বার, যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিরাজের রাতে আকাশে আরোহণ করেছিলেন, তখন তিনি হজরত জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন।

وَلَقَدۡ رَءَاهُ نَزۡلَةً أُخۡرَىٰ١٣
অবশ্যই রসূল ফেরেশতা জিবরিল কে অবতরণের সময় আরেকবার দেখেছিলেন, (৫৩. আন নাজম : ১৩)
عِندَ سِدۡرَةِ ٱلۡمُنتَهَىٰ١٤
দিগন্তের গাছের নিকটে, (৫৩. আন নাজম : ১৪)
عِندَهَا جَنَّةُ ٱلۡمَأۡوَىٰٓ١٥
ঐ গাছের নিকটে রয়েছে বসবাসের বেহেশত। (৫৩. আন নাজম : ১৫)
إِذۡ يَغۡشَى ٱلسِّدۡرَةَ مَا يَغۡشَىٰ١٦
যখন গাছটি ফেরেশতাগণ দ্বারা আচ্ছন্ন ছিলো, যে ফেরেশতাগণ দ্বারা গাছটিকে আচ্ছন্ন করা হয়। (৫৩. আন নাজম : ১৬)
مَا زَاغَ ٱلۡبَصَرُ وَمَا طَغَىٰ١٧
রসূলের দৃষ্টি বিভ্রম হয়নি এবং তিনি সীমালঙ্ঘনও করেননি। (৫৩. আন নাজম : ১৭)
لَقَدۡ رَأَىٰ مِنۡ ءَايَٰتِ رَبِّهِ ٱلۡكُبۡرَىٰٓ١٨
অবশ্যই রসূল তাঁর প্রভুর নিদর্শন গুলোর মধ্যে বড় নিদর্শন গুলো দেখেছেন। (৫৩. আন নাজম : ১৮) [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3721 OK

(৩৭২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَالَ اللَّهُمَّ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ إِنِّي أَعْهَدُ إِلَيْكَ فِي هَذِهِ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا أَنِّي أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيكَ لَكَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ فَإِنَّكَ إِنْ تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي تُقَرِّبْنِي مِنْ الشَّرِّ وَتُبَاعِدْنِي مِنْ الْخَيْرِ وَإِنِّي لَا أَثِقُ إِلَّا بِرَحْمَتِكَ فَاجْعَلْ لِي عِنْدَكَ عَهْدًا تُوَفِّينِيهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ إِلَّا قَالَ اللَّهُ لِمَلَائِكَتِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّ عَبْدِي قَدْ عَهِدَ إِلَيَّ عَهْدًا فَأَوْفُوهُ إِيَّاهُ فَيُدْخِلُهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ قَالَ سُهَيْلٌ فَأَخْبَرْتُ الْقَاسِمَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ عَوْنًا أَخْبَرَ بِكَذَا وَكَذَا قَالَ مَا فِي أَهْلِنَا جَارِيَةٌ إِلَّا وَهِيَ تَقُولُ هَذَا فِي خِدْرِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি এই দুয়া পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার ফেরেশতাদেরকে বলবেন, ‘আমার বান্দা আমার সাথে অঙ্গীকার করেছে, তাই তোমরা তার জন্যে তা পূরণ করো’।”

اللَّهُمَّ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ إِنِّي أَعْهَدُ إِلَيْكَ فِي هَذِهِ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا أَنِّي أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيكَ لَكَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ فَإِنَّكَ إِنْ تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي تُقَرِّبْنِي مِنْ الشَّرِّ وَتُبَاعِدْنِي مِنْ الْخَيْرِ وَإِنِّي لَا أَثِقُ إِلَّا بِرَحْمَتِكَ فَاجْعَلْ لِي عِنْدَكَ عَهْدًا تُوَفِّينِيهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ

“হে আল্লাহ, নভোমন্ডল ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা, অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী, আমি তোমাকে পার্থিব জীবনে আমার অঙ্গীকার দিচ্ছি যে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তুমি ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই, যার কোনো শরীক নেই। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমার বান্দা এবং তোমার রসূল; আপনি যদি আমাকে আমার নিজের নফসের উপর ছেড়ে দেন, আপনি আমাকে মন্দের কাছাকাছি পৌঁছে দেবেন এবং আমাকে ভাল থেকে আরও দূরে সরিয়ে দেবেন। আমি তোমার রহমত ব্যতীত আর কিছুই বিশ্বাস করি না, তাই তোমার সাথে আমার জন্য একটি অঙ্গীকার করো, যা তুমি কিয়ামতের দিন আমার জন্যে পূরণ করবে। কেননা তুমি কখনই তোমার অঙ্গীকার ভঙ্গ করো না।”

সুহাইল বললেন, এবং আল -কাসিম বিন আবদুর-রহমান আমাকে বলেছেন যে আউন তাকে অমুক অমুক কথা বলেছিলেন। তিনি আরো বললেন, “আমাদের পরিবারে এমন কোনো যুবতী নেই, যে নির্জনে এই দুয়া পাঠ করে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3722 OK

(৩৭২২)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪২১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ خَيْثَمَةَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ قَوْمِهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا سَمَرَ بَعْدَ الصَّلَاةِ يَعْنِي الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ إِلَّا لِأَحَدِ رَجُلَيْنِ مُصَلٍّ أَوْ مُسَافِرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এশার নামাজের পরে কারো কথা বলার কোনো অনুমতি নেই। শুধু মাত্র ঐ দুইজন ব্যক্তি ছাড়া, যে ব্যক্তি নামাজ পড়ছে বা যে ব্যক্তি ভ্রমণ করছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3723 OK

(৩৭২৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৬৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْأَسْوَدِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ أَقْرَأَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ فَقَالَ رَجُلٌ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُدَّكِرٍ أَوْ مُذَّكِّرٍ قَالَ أَقْرَأَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُدَّكِرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এই আয়াতটি শিখিয়েছেন,
وَلَقَدۡ يَسَّرۡنَا ٱلۡقُرۡءَانَ لِلذِّكۡرِ فَهَلۡ مِن مُّدَّكِرٖ١٧
আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি? (৫৪. আল ক্বামার : ১৭)
এক ব্যক্তি বললো, হে আবু আবদ আল-রহমান! مُّدَّكِرٖ শব্দটি কি د না ذ -এর সাথে? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে مُّدَّكِرٖ বলা শিখিয়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3724 OK

(৩৭২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كُنَّا إِذَا جَلَسْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الصَّلَاةِ قُلْنَا السَّلَامُ عَلَى اللَّهِ قَبْلَ عِبَادِهِ السَّلَامُ عَلَى جِبْرِيلَ السَّلَامُ عَلَى مِيكَائِيلَ السَّلَامُ عَلَى فُلَانٍ السَّلَامُ عَلَى فُلَانٍ فَسَمِعَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ هُوَ السَّلَامُ فَإِذَا جَلَسَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلَاةِ فَلْيَقُلْ التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ فَإِذَا قَالَهَا أَصَابَتْ كُلَّ عَبْدٍ صَالِحٍ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ثُمَّ يَتَخَيَّرُ بَعْدُ مِنْ الدُّعَاءِ مَا شَاءَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নামাযে বসতাম, তখন আমরা বলতাম, “আল্লাহর উপর শান্তি বর্ষিত হোক, তাঁর বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, জিবরীলের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, মিকাঈলের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, অমুকের উপর, অমুকের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।” অতঃপর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “আল্লাহ স্বয়ং শান্তি, সুতরাং তোমাদের কেউ যখন নামাযে বসে, তখন সে যেনো এই দুয়া বলে, অতঃপর সে যে দুয়া করতে চায়, সে তা করতে পারে।”

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ فَإِذَا قَالَهَا أَصَابَتْ كُلَّ عَبْدٍ صَالِحٍ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

“সকল সম্ভাষণ (মৌখিক ইবাদত), সকল (শারিরিক) ইবাদত ও সকল পবিত্রতা (আর্থিক ইবাদত) আল্লাহর জন্যে। হে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো প্রভু নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রসূল।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৩৭২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3725 OK

(৩৭২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كُنَّا إِذَا جَلَسْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الصَّلَاةِ قُلْنَا السَّلَامُ عَلَى اللَّهِ قَبْلَ عِبَادِهِ السَّلَامُ عَلَى جِبْرِيلَ السَّلَامُ عَلَى مِيكَائِيلَ السَّلَامُ عَلَى فُلَانٍ السَّلَامُ عَلَى فُلَانٍ فَسَمِعَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ هُوَ السَّلَامُ فَإِذَا جَلَسَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلَاةِ فَلْيَقُلْ التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ فَإِذَا قَالَهَا أَصَابَتْ كُلَّ عَبْدٍ صَالِحٍ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ثُمَّ يَتَخَيَّرُ بَعْدُ مِنْ الدُّعَاءِ مَا شَاءَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নামাযে বসতাম, তখন আমরা বলতাম, “আল্লাহর উপর শান্তি বর্ষিত হোক, তাঁর বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, জিবরীলের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, মিকাঈলের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, অমুকের উপর, অমুকের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।” অতঃপর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “আল্লাহ স্বয়ং শান্তি, সুতরাং তোমাদের কেউ যখন নামাযে বসে, তখন সে যেনো এই দুয়া বলে, অতঃপর সে যে দুয়া করতে চায়, সে তা করতে পারে।”

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ فَإِذَا قَالَهَا أَصَابَتْ كُلَّ عَبْدٍ صَالِحٍ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

“সকল সম্ভাষণ (মৌখিক ইবাদত), সকল (শারিরিক) ইবাদত ও সকল পবিত্রতা (আর্থিক ইবাদত) আল্লাহর জন্যে। হে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো প্রভু নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রসূল।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৩৭২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3726 OK

(৩৭২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي يُونُسُ وَحُجَيْنٌ قَالَا حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ وَطَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعَلِّمُنَا التَّشَهُّدَ كَمَا يُعَلِّمُنَا الْقُرْآنَ فَكَانَ يَقُولُ التَّحِيَّاتُ الْمُبَارَكَاتُ الصَّلَوَاتُ الطَّيِّبَاتُ لِلَّهِ السَّلَامُ عَلَيْكَ قَالَ حُجَيْنٌ سَلَامٌ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে তাশাহহুদ শেখাতেন, যেভাবে তিনি আমাদেরকে কুরআন শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন,

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

“সকল সম্ভাষণ (মৌখিক ইবাদত), সকল (শারিরিক) ইবাদত ও সকল পবিত্রতা (আর্থিক ইবাদত) আল্লাহর জন্যে। হে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো প্রভু নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রসূল।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৭২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস