(২৫) ( 30944 ) ইবনুল ইয়াহ এর সূত্রে , খালিদের কর্তৃত্বে , তিনি বলেন : আমি ইবন সিরিকে দেখেছি ইয়া কারা ফী ই মুশাফ মানকুত [হাদিসের সীমা (৩১৭৪২-৩২১৫৪), সর্বমোট হাদিসঃ ৪১৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৭৩টি]



30771 OK

(৩০৭৭১)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۷۲) حَدَّثَنَا قَبِیصَۃُ ، عَن سُفْیَانَ ، عَن لَیْثٍ ، عَن شَہْرٍ ، قَالَ: الأَنْعَامُ مَکِّیَّۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৭২) হযরত লাইছ বলেন , হযরত শাহর (রা.) বলেন ; সূরা আল-আনআম একটি মক্কার সূরা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30772 OK

(৩০৭৭২)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۷۳) حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ ، عَنْ مِسْعَر ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ قَیْسٍ ، عَن عُرْوَۃَ: مَا کَانَ {یَا أَیُّہَا النَّاسُ} بِمَکَّۃَ ، وَمَا کَانَ {یَا أَیُّہَا الَّذِینَ آمَنُوا} بِالْمَدِینَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৭৭৩ ) হজরত নাজর বিন কায়স বলেন , হজরত আরওয়া বলেছেন : আমার ( হে লোকসকল ! ) সম্বোধন করা প্রতিটি আয়াত মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং ( হে ঈমানদারগণ ! ) আমাকে সম্বোধন করা প্রতিটি আয়াত আমার ওপর অবতীর্ণ হয়নি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30773 OK

(৩০৭৭৩)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ: ذَکَرُوا عِنْدَ الشَّعْبِیِّ قَوْلَہُ: {وَشَہِدَ شَاہِدٌ مِنْ بَنِی إسْرَائِیلَ علی مثلہ} فَقِیلَ: عَبْدُ اللہِ بْنُ سَلامٍ ، فَقَالَ: کَیْفَ یَکُونُ ابْنُ سَلامٍ وَہَذِہِ السُّورَۃُ مَکِّیَّۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৭৪) হজরত ইবনে আউন বলেন , কিছু লোক ইমাম শাবি ( রহ . ) - এর কাছে আয়াতটি তেলাওয়াত করেছিল : তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন , আমি ইসরাঈল দেশ থেকে সাক্ষী হয়েছি । তাই বলা হলো : সাক্ষী মানে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম , তাই তিনি বললেন : এ সূরাটি মক্কার হলেও ইবনে সালাম থেকে কে হতে পারে ? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30774 OK

(৩০৭৭৪)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۷۵) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَن ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ: إنِّی لأَعْلَمُ مَا نَزَلَ مِنَ الْقُرْآنِ بِمَکَّۃَ ، وَمَا أُنْزِلَ بِالْمَدِینَۃِ ، فَأَمَّا مَا نَزَلَ بِمَکَّۃَ فَضَرْبُ الأَمْثَالِ وَذِکْرُ الْقُرُونِ ، وَأَمَّا مَا نَزَلَ بِالْمَدِینَۃِ فَالْفَرَائِضُ وَالْحُدُودُ وَالْجِہَادُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৭৭৫) হজরত হিশাম বিন আরওয়া বলেন, তাঁর পিতা হজরত আরওয়া বলেছেন : নিঃসন্দেহে কুরআনের যে অংশটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছিল এবং যে অংশটি মাদীতে অবতীর্ণ হয়েছিল তা আমি ভালো করেই জানি . যাইহোক , মক্কায় যে অংশটি নাজিল হয়েছিল তাতে উদাহরণ এবং পূর্ববর্তী ঘটনা রয়েছে এবং বাকি অংশ যা মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছিল তা কর্তব্য , সীমাবদ্ধতা এবং জিহাদের অন্তর্ভুক্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30775 OK

(৩০৭৭৫)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ جَرِیرِ بْنِ حَازِمٍ ، عَن قَتَادَۃَ ، قَالَ: سَأَلْتُ أَنَسًا ، عَن قِرَائَۃِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: یَمُدُّ بِہَا صَوْتَہُ مَدًّا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৭৬) হজরত কাতাদাহ বলেন , আমি হজরত আনাস ( রা . )- কে রাসূলুল্লাহ ( সা . )- এর তিলাওয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম । অতঃপর তিনি বললেনঃ তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কণ্ঠে তিলাওয়াত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30776 OK

(৩০৭৭৬)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۷۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ ، عَن أُمِّ سَلَمَۃَ قَالَتْ: کَانَت قِرَائَ ۃُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: {الْحَمْدُ لِلَّہِ رَبِّ الْعَالَمِینَ} فَذَکَرَتْ حَرْفًا حَرْفًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৭৭) হজরত ইবনে আবি মিলি ( রা . ) বলেন , হজরত উম্মে সালামা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) পাঠ করতেন : সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য । তাই আপনি চিঠি A.K.A. উল্লেখ করেছেন :
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30777 OK

(৩০৭৭৭)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۷۸) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَن مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ: کَانَ عَلْقَمَۃُ یَقْرَأُ عَلَی عَبْدِ اللہِ فَقَالَ: رَتِّلْ فِدَاک أَبِی وَأُمِّی فَإِنَّہُ زَیْنُ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(30778) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত আল - কামাহ হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)-কে শিক্ষা দিতেন এবং তিনি বলতেন! থাকুন এবং পড়ুন। আমার পিতা-মাতা , আমি আপনার কাছে একনিষ্ঠ। তাই এটাই কুরআনের সারমর্ম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30778 OK

(৩০৭৭৮)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۷۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، قَالَ: کَانَ ابْنُ سِیرِینَ إذَا قَرَأَ یَمْضِی فِی قِرَائَتِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৭৭৯) হজরত আবুব বলেন , হজরত ইবনে সীরীন যখন পড়তেন , তখন তার তিলাওয়াত ছুটে যেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30779 OK

(৩০৭৭৯)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۰) حَدَّثَنَا الضَّحَّاکُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَن عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ، عَن مُجَاہِدٍ، وَعَطَائٍ أَنَّہُمَا کَانَا یَہُذَّانِ الْقِرَائَۃَ ہَذًّا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৮০) হজরত উসমান বিন আল-আসওয়াদ বলেন , হজরত মুজাহিদ ও হজরত আত্তাই দ্রুত কোরআন তেলাওয়াত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30780 OK

(৩০৭৮০)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَن سُفْیَانَ، عَن سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ، عَن حُجْرِ بْنِ عَنْبَسَ، عَن وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ سَمِعْت النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَرَأَ: {وَلا الضَّالِّینَ} فَقَالَ: آمِینَ یَمُدُّ بِہَا صَوْتَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৭৮১ ) হজরত ওয়াইল ইবনে হাজার বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে তিলাওয়াত করতে শুনেছিঃ ওয়ালা আল - দালিন এবং না হে পথভ্রষ্ট , তখন তিনি বললেনঃ আমীন । এবং তার কন্ঠ দীর্ঘ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30781 OK

(৩০৭৮১)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن عِیسَی ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللہِ لاَ تَہُذُّوا الْقُرْآنَ کَہَذِّ الشِّعْرِ ، وَلا تَنْثُرُوہُ نَثْرَ الدَّقَلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৮২) ইমাম শাবি বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা . ) বলেছেন : দ্রুত কোরআন পাঠ করো না , যেমন দ্রুত কবিতা পাঠ করা হয় এবং খেজুর ছিঁড়ে ফেলার মতো অবিন্যস্তভাবে পাঠ করো না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30782 OK

(৩০৭৮২)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَن سُفْیَانَ، عَن مَنْصُورٍ، عَن مُجَاہِدٍ: {وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِیلاً} قَالَ: بَعْضُہُ عَلَی أَثَرِ بَعْضٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৮৩) হজরত মনসুর বলেন , হজরত মুজাহিদ বলেছেন : আর অবিচলভাবে কোরআন তেলাওয়াত কর। অর্থাৎ একের পর এক এর কিছু অংশ পড়ুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30783 OK

(৩০৭৮৩)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَن مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: {وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِیلاً} قَالَ بَیِّنْہُ تَبْیِینًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৮৪) হজরত মুকাসম বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) এ আয়াত সম্পর্কে বলেছেন : কুরআন অবিচলিতভাবে পড় । পরিষ্কারভাবে পড়ুন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30784 OK

(৩০৭৮৪)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن سُفْیَانَ ، عَن عُبَیْدٍ الْمُکَتِّبِ ، قَالَ: سُئِلَ مُجَاہِدٌ ، عَن رَجُلَیْنِ قَرَأَ أَحَدُہُمَا الْبَقَرَۃَ وَقَرَأَ آخَرُ الْبَقَرَۃَ وَآلَ عِمْرَانَ ، فَکَانَ رُکُوعُہُمَا وَسُجُودُہُمَا وَجُلُوسُہُمَا سَوَائً أَیُّہُمَا أَفْضَلُ ؟ قَالَ: الَّذِی قَرَأَ الْبَقَرَۃَ ، ثُمَّ قَرَأَ مُجَاہِدٌ: {وَقُرْآنًا فَرَقْنَاہُ لِتَقْرَأَہُ عَلَی النَّاسِ عَلَی مُکْثٍ وَنَزَّلْنَاہُ تَنْزِیلاً}۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৭৮৫) হজরত উবায়দ মক্তব বলেন , হযরত মুজাহিদকে এমন দুই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল , যাদের একজন সূরা বাকারা তেলাওয়াত করেছেন এবং অন্যজন সূরা আলে ইমরান তেলাওয়াত করেছেন এবং উভয়ের রুকু ও সিজদা এবং উভয়ের বসার অবস্থা । তাদের মধ্যে সমান ছিল। এই দুজনের চেয়ে কে ভালো ? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সূরা বাকারা পাঠ করবে , মুজাহিদ তা নিশ্চিত করবে । এই আয়াতটি পড়ুন : এবং আমি এই কোরআনকে সুস্পষ্ট নির্দেশ সহ অবতীর্ণ করেছি যাতে আপনি এটি মানুষের কাছে স্থিরভাবে তিলাওয়াত করতে পারেন এবং আমরা এটিকে ধীরে ধীরে অবতীর্ণ করেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30785 OK

(৩০৭৮৫)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَیْدُاللہِ بْنُ عَبْدِالرَّحْمَنِ بْنُ مَوْہَبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ کَعْبٍ الْقُرَظِیَّ یَقُولُ: لأَنْ أَقْرَأَ: {إذَا زُلْزِلَتْ} وَ {الْقَارِعَۃُ} أُرَدِّدُہُمَا وَأَتَفَکَّرُ فِیہِمَا أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَہُذَّ الْقُرْآنَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৮৬) হজরত উবায়দ আল্লাহ ইবনে আবদ আল-রহমান ইবনে মোহাব বলেন , আমি হজরত মুহাম্মদ ইবনে কাব আল - কুরজাইকে বলতে শুনেছি : আমার এই সূরাগুলো পাঠ করা উচিত : যদি ভূমিকম্প হয় এবং সূরা আল - কারাআ । আমি বারবার পড়তে এবং তাদের সম্পর্কে চিন্তা করতে পছন্দ করি , আমি তাদের দ্রুত কোরআন পড়ার চেয়ে বেশি পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30786 OK

(৩০৭৮৬)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۷) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی، عَن ثَابِتِ بْنِ قَیْسٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِالْعَزِیزِ إذَا قَرَأَ تَرَسَّلَ فِی قِرَائَتِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৮৭) হজরত সাবিত বিন কায়স বলেন , আমি হজরত উমর বিন আবদুল আজিজ (রা.) - কে কোরআন তেলাওয়াত করতে শুনেছি : তিনি অবিরাম পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30787 OK

(৩০৭৮৭)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۸) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلابَۃَ ، أَنَّ أُنَاسًا مِنْ أَہْلِ الْکُوفَۃِ أتوا أبَا الدَّرْدَائِ، فَقَالُوا: إنَّ إخْوَانًا لک مِنْ أَہْلِ الْکُوفَۃِ یُقْرِئُ وْنَک السَّلامَ وَیَأْمُرُونَک أَنْ تُوصِیَہُمْ ، قَالَ: فَأَقْرِئُ وْہُمُ السَّلامَ وَمُرُوہُمْ فَلْیُعْطُوا الْقُرْآنَ خَزَائِمَہُ ، فَإِنَّہُ یَحْمِلُہُمْ عَلَی الْقَصْدِ وَالسُّہُولَۃِ ، وَیُجَنِّبُہُمُ الْجَوْرَ وَالْحُزُونَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৮৮) হজরত আবু কালাবা বলেন , কুফা থেকে কিছু লোক হজরত আবু আল- দারদাই - এর খেদমতে এসে বললো , কুফা থেকে আপনার ভাইয়েরা আপনাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল এবং অনুরোধ করছিল আপনি তাদের জন্য অসিয়ত করুন তিনি বললেন : সুতরাং আপনি যদি তাদেরকে সালাম দেন এবং হৃদয় ও প্রাণ দিয়ে কুরআন অনুসরণ করার নির্দেশ দেন , তাহলে তা তাদের স্বস্তি ও স্বস্তি দেবে । এবং তাদের অত্যাচার ও শোক থেকে রক্ষা করবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30788 OK

(৩০৭৮৮)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۸۹) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلابَۃَ ، قَالَ: قَالَ أَبُو الدَّرْدَائِ: لاَ تَفْقَہُ کُلَّ الْفِقْہِ حَتَّی تَرَی لِلْقُرْآنِ وُجُوہًا کَثِیرَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৭৮৯) হজরত আবু কালাবা বলেন , হজরত আবু আল দারদাই বলেছেন : যতক্ষণ না আপনি কোরআনের সব বাস্তব দিক না দেখবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি পুরো কোরআন বুঝতে পারবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30789 OK

(৩০৭৮৯)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۰) حَدَّثَنَا ہَوْذَۃُ بْنُ خَلِیفَۃ ، قَالَ: حدَّثَنَا عَوْفٌ ، عَن زِیَادِ بْنِ مِخْرَاقٍ ، عَنْ أَبِی کِنَانَۃَ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ: أَعْطُوا الْقُرْآنَ خَزَائِمَہُ ، یَأْخُذْ بِکُمُ الْقَصْدَ وَالسُّہُولَۃَ وَیُجَنِّبْکُمُ الْجَوْرَ وَالْحُزُونَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৯০) হজরত আবু কানানা বলেন, হজরত আবু মূসা (রা.) বলেছেন : তুমি মন ও প্রাণ দিয়ে কোরআনের অনুসরণ কর , এটা তোমাকে স্বস্তি ও স্বস্তি দেবে এবং তোমার ওপর থেকে জুলুম ও কষ্ট দূর করবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30790 OK

(৩০৭৯০)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۱) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَن مُحَمَّدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، عَن سَعْدٍ مَوْلَی عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ ، قَالَ: تَشَاجَرَ رَجُلانِ فِی آیَۃٍ فَارْتَفَعَا إِلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: لاَ تُمَاروا فِیہِ فَإِنَّ مراء فِیہِ کُفْرٌ۔ (احمد ۲۰۴۔ بیہقی ۲۲۶۶)


থেকে বর্ণিতঃ

(30791) হজরত সাদ, যিনি হজরত আমর বিন আল-আস-এর একজন আযাদকৃত ক্রীতদাস, তিনি বলেন যে , দুই ব্যক্তি কোরানের একটি আয়াত নিয়ে ঝগড়া করে এবং উভয়ে ঝগড়া করে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পাঠায় । ) আল্লাহর রসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর খেদমতে আসলেন , অতঃপর তিনি বললেনঃ তার সাথে ঝগড়া করো না । কেননা কোরান নিয়ে বিতর্ক করা কুফরী
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30791 OK

(৩০৭৯১)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۲) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ: حدَّثَنَا مُوسَی بْنُ عُبَیْدَۃَ ، قَالَ: أَخْبَرَنِی عَبْدُ اللہِ بْنُ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: دَعُوا الْمِرَائَ فِی الْقُرْآنِ فَإِنَّ الأُمَمَ قَبْلَکُمْ لَمْ یُلْعَنُوا حَتَّی اخْتَلَفُوا فِی الْقُرْآنِ ، فَإِنَّ مِرَائً فِی الْقُرْآنِ کُفْرٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৯২) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : কুরআন নিয়ে বিবাদ পরিত্যাগ কর , তাহলে নিঃসন্দেহে তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের ওপর অভিশাপ হয়নি হ্যাঁ , এমনকি তারা কুরআনের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছিল । নিঃসন্দেহে কুরআন নিয়ে তর্ক করা কুফরী।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30792 OK

(৩০৭৯২)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۳) حَدَّثَنَا مَالِکٌ ، حَدَّثَنَا أَبُو قُدَامَۃَ ، قَالَ: حدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِیُّ ، عَن جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: اقْرَؤُوا الْقُرْآنَ مَا ائْتَلَفَتْ عَلَیْہِ قُلُوبُکُمْ ، فَإِذَا اخْتَلَفْتُمْ فِیہِ فَقُومُوا۔ (بخاری ۵۰۶۱۔ مسلم ۲۰۵۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৯৩) হজরত জুনদাব ইবনে আবদুল্লাহ (রা) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার অন্তর কুরআনের সাথে পরিচিত থাকে ততক্ষণ কুরআন পড় এবং যখন তুমি তার সাথে দ্বিমত পোষণ করো , তখন উঠে পড়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30793 OK

(৩০৭৯৩)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۴) حَدَّثَنَا حَفْص ، عَن لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: لاَ تَضْرِبُوا الْقُرْآنَ بَعْضَہُ بِبَعْضٍ فَإِنَّ ذَلِکَ یُوقِعُ الشَّکَّ فِی الْقُلُوبِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৭৯৪ ) হজরত আত্তাই বলেন, হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেছেন : কোরআনের কিছু অংশকে অন্যের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না , যাতে সে মনে সন্দেহ সৃষ্টি করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30794 OK

(৩০৭৯৪)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۵) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَعْلَی التَّیْمِیُّ ، عَن مَنْصُورٍ ، عَن سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: جِدَالٌ فِی الْقُرْآنِ کُفْرٌ۔ (احمد ۴۷۸۔ ابویعلی ۵۹۹۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৭৯৫ ) হজরত আবু হারি রাহ . বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : কুরআন নিয়ে তর্ক করা কুফর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30795 OK

(৩০৭৯৫)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَن شُعْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّزَّالَ یَقُولُ: قَالَ عَبْدُ اللہِ: سَمِعْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ: إنَّ مَنْ قَبْلَکُمُ اخْتَلَفُوا فِیہِ فَأَہْلَکَہُمْ فَلا تَخْتَلِفُوا فِیہِ یَعْنِی فی الْقُرْآنِ۔ (بخاری ۲۴۱۰۔ احمد ۳۹۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৯৬) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-কে বলতে শুনেছি যে , তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তাঁর সাথে মতানৈক্য করেছিল তাই আল্লাহ তাদের ধ্বংস করে দিয়েছেন । সুতরাং আমার সাথে অর্থাৎ কুরআনের সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30796 OK

(৩০৭৯৬)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۷) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ: مَثَلُ الَّذِی جَمَعَ الإِیمَانَ وَجَمَعَ الْقُرْآنَ مِثْلُ الأُتْرُجَّۃِ الطَّیِّبَۃِ الطَّعْمِ ، وَمَثَلُ الَّذِی لَمْ یَجْمَعِ الإِیمَانَ وَلَمْ یَجْمَعِ الْقُرْآنَ مِثْلُ الْحَنْظَلَۃِ خَبِیثَۃُ الطَّعْمِ وَخَبِیثَۃُ الرِّیحِ۔ (دارمی ۳۳۶۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৯৭) হজরত হারিছ বলেন , হজরত আলী (রা.) বলেছেন : যে ব্যক্তি ঈমান ও কোরআন সংগ্রহ করে, তার উদাহরণ হল টেঙ্গারিনের মতো , এর সুগন্ধি চমৎকার এবং এর স্বাদ সুস্বাদু আর যে ব্যক্তি ঈমান সংগ্রহ করে না এবং কুরআনও সংগ্রহ করে না তার উদাহরণ হানজাল ফলের মত, যার স্বাদ খারাপ এবং দুর্গন্ধযুক্ত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30797 OK

(৩০৭৯৭)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۸) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ: حدَّثَنَا ہَمَّامٌ ، قَالَ: حَدَّثَنَا قَتَادَۃُ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّ أَبَا مُوسَی حَدَّثَہُ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِی لاَ یَقْرَأُ الْقُرْآنَ کَمَثَلِ التَّمْرَۃِ طَعْمُہَا طَیِّبٌ ، وَلا رِیحَ لَہَا ، وَمَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِی یَقْرَأُ الْقُرْآنَ کَمَثَلِ الأُتْرُجَّۃِ طَیِّبَۃُ الطَّعْمِ طَیِّبَۃُ الرِّیحِ ، وَمَثَلُ الْفَاجِرِ الَّذِی لاَ یَقْرَأُ الْقُرْآنَ کَمَثَلِ الْحَنْظَلَۃِ طَعْمُہَا مُرٌّ ، وَلا رِیحَ لَہَا۔ (بخاری ۵۰۲۰۔ ابن حبان ۷۷۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৯৮) হজরত আবু মূসা ( রা .) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা .) বলেছেন : উদাহরণ : যে মুমিন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে না সে খেজুরের মতো , স্বাদ মিষ্টি , কিন্তু সুগন্ধ কিছুই নয় , এবং যে মুমিন পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করে তার উদাহরণ হল টেঙ্গারিনের মতো, যে স্বাদও সুস্বাদু এবং সুগন্ধিও চমৎকার । আর যে গুনাহগার কোরআন পড়ে না তার উদাহরণ হানজাল ফলের মতো , যার স্বাদ তিক্ত এবং যার সুগন্ধি ভালো নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30798 OK

(৩০৭৯৮)

সহিহ হাদিস

(۳۰۷۹۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: الْقُرْآنُ وَحْشِیٌّ، وَلا یَصْلُحُ مَعَ اللَّغَطِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৭৯৯) হজরত আমিশ বলেন , হজরত আবু আবদ - আল - রহমান বলেছেন : কোরআন একা এবং উচ্চস্বরে পড়ার ক্ষমতা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30799 OK

(৩০৭৯৯)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا ہِشَامٌ الدَّسْتَوَائِیّ ، عَن قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَن قَیْسِ بْنِ عُبَادٍ ، قَالَ: کَانَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَکْرَہُونَ رَفْعَ الصَّوْتِ عِنْدَ الذِّکْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮০০) হজরত হাসান বলেন , হজরত কায়েস ইবনে উবাদ (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাহাবীগণ যিকিরের সময় কণ্ঠস্বর উচ্চারণ করা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30800 OK

(৩০৮০০)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۱) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَن حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَکْرَہُ رَفْعَ الصَّوْتِ عِنْدَ قِرَائَۃِ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(30801) হজরত হাসান বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) কুরআন তিলাওয়াতের সময় কণ্ঠস্বর উঁচু করা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস