
(۳۰۷۱۲) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَن زَائِدَۃَ ، عَن مَنْصُورٍ ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللہِ: لَوْ أَنَّ رَجُلاً بَاتَ یَحْمِلُ عَلَی الْجِیَادِ فِی سَبِیلِ اللہِ وَبَاتَ رَجُلٌ یَتْلُو کِتَابَ اللہِ لَکَانَ ذَاکِرُ اللہِ أَفْضَلَہُمَا قَالَ: وَقَالَ عَبْدُ اللہِ بْنُ عَمْرو: لَوْ بَاتَ رَجُلٌ یُنْفِقُ دِینَارًا دِینَارًا وَدِرْہَمًا دِرْہَمًا وَیَحْمِلُ عَلَی الْجِیَادِ فِی سَبِیلِ اللہِ حَتَّی یُصْبِحَ مُتَقَبَّلاً مِنْہُ، وَبِتُّ أَتْلُو کِتَابَ اللہِ حَتَّی أُصْبِحَ مُتَقَبَّلاً مِنِّی لَمْ أُحِبَّ ، أَنَّ لِی عَمَلَہُ بِعَمَلِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭১২) হজরত মনসুর বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি ঘোড়ায় চড়ে আল্লাহর পথে রাত কাটায় এবং সেই ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব পাঠ করার সময় আফজাল আল্লাহকে স্মরণ করে এই দুটি সেরা হবে . বর্ণনাকারী বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর আরও বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি এমন অবস্থায় রাত কাটায় যে , সে এত দিনার এবং এত দিরহাম খরচ করে এবং সে পথিমধ্যে সকাল পর্যন্ত ঘোড়ায় চড়ে ঘটনাটি গ্রামবাসীর কাছে তার গৃহীত হয়েছে । আর আমি সকালে ঘুম থেকে উঠা পর্যন্ত আল্লাহর কিতাব তেলাওয়াত করতে করতে রাত কাটাবো এই শর্তে যে আমার এ আমল কবুল হয়েছে । আমি পছন্দ করি না যে আমি আমার কাজের বিনিময়ে তার কর্মের প্রতিদান পাই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۱۳) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، قَالَ: حدَّثَنَا التَّیْمِیُّ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، عَن سَلْمَانَ ، قَالَ: لَوْ بَاتَ رَجُلٌ یُعْطِی الْقیَانِ الْبِیضَ وَبَاتَ آخَرُ یَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَیَذْکُرُ اللَّہَ لَرَأَیْت ، أَنَّ ذَاکِرَ اللہِ أَفْضَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭১৩) হজরত আবু উসমান বলেন, হজরত সালমান (রা.) বলেছেন : যদি কোনো ব্যক্তি এমন অবস্থায় রাত্রিযাপন করে যে, সে ক্রীতদাস-দাসী দেয় : আর কেউ এমন অবস্থায় রাত কাটায় যে , সে কোরআন তেলাওয়াত করে এবং আল্লাহকে স্মরণ করে । যে আল্লাহকে স্মরণ করবে সে হবে সর্বোত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۱۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَن شَقِیقٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ: قرَائَۃُ الْقُرْآنِ أَحَبُّ إلَیَّ مِنَ الصَّوْمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭১৪) হজরত শাকীক বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) বলেছেন : মৃতের জন্য রোজা রাখার চেয়ে কুরআন তিলাওয়াত অধিক পছন্দনীয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۱۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَہْدِیٍّ ، عَن شَقِیقٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی رَزِینٍ ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لِحَبَّۃَ بْنِ سَلَمَۃَ ،وَکَانَ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللہِ: قَرَأْت الْقُرْآنَ کُلَّہُ: قَالَ: وَمَا أَدْرَکْت مِنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭১৫) হজরত আবু রাজিন বলেন , এক ব্যক্তি হজরত হাবা ইবনে সালামা (রা.) - কে বললেন , যিনি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের একজন সাহাবী । আমি পুরো কোরান পড়েছিঃ তিনি বললেনঃ কোরান থেকে কি বুঝলেন ? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۱۶) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ: حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَیْدٍ ، قَالَ حَدَّثَنَا أَیُّوبُ ، عَن نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَقُولَ: قَرَأْت الْقُرْآنَ کُلَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭১৬) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা. ) অপছন্দ করতেন : আমি পুরো কোরআন পড়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۱۷) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَن سُفْیَانَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَلِمَۃَ ، قَالَ: قَالَ حُذَیْفَۃُ: مَا تَقْرَؤُونَ رُبُعَہَا یَعْنِی بَرَائَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(30717) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালামা বলেন , হজরত হুযিফা ( রা . ) বলেন , তুমি এর এক চতুর্থাংশও পড়নি । তারা নিজেদেরকে খালাস দিয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۱۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَن عُبَیْدِ اللہِ ، عَن نَافِعٍ ، أن ابْنِ عُمَرَ کَرِہَ أَنْ یَقُولَ: الْمُفَصَّلُ ، وَیَقُولُ: الْقُرْآنُ کُلُّہُ مُفَصَّلٌ ، وَلَکِنْ قُولُوا: قِصَارُ الْقُرْآنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(30718) হজরত নাফি বলেন, হজরত ইবনে উমর (রা.) অপছন্দ করতেন: কোরআনের সূরাগুলোকে বিস্তারিত বলা: এবং তিনি বলতেন: পুরো কোরআন বিস্তারিত ও পরিষ্কার। তবে কোরানের ছোট সূরাগুলো বলতে হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۱۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عُمَر بْنِ حَمْزَۃَ ، عَن سَالِمٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ: سَأَلَنِی عُمَرُ ، کَمْ مَعَک مِنَ الْقُرْآنِ ؟ قُلْتُ: عَشْرُ سُوَرٍ ، فَقَالَ لِعُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ: کَمْ مَعَک مِنَ الْقُرْآنِ ؟ قَالَ: سُورَۃٌ ، قَالَ عَبْدُ اللہِ: فَلَمْ یَنْہَنَا وَلَمْ یَأْمُرْنَا غَیْرَ ، أَنَّہُ قَالَ: فَإِنْ کُنْتُمْ مُتَعَلِّمِینَ مِنْہُ بِشَیْئٍ فَعَلَیْکُمْ بِہَذَا الْمُفَصَّلِ فَإِنَّہُ أَحْفَظُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭১৯) হজরত সেলিম বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , হজরত উমর (রা.) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কতটুকু কোরআন মুখস্ত করেছ ? আমি বললাম : একটি সূরা , হজরত আবদুল্লাহ বলেন : তারপর তিনি আমাদেরকে কিছু করতে আদেশ করেননি বা কিছু করতে নিষেধ করেননি , কেবলমাত্র তিনি বলেছেন : সুতরাং আপনি যদি কুরআন থেকে কিছু শিখেন তবে এই বিস্তারিত অধ্যায়গুলি আপনার জন্য প্রয়োজনীয় । কারণ তারা আরও নিরাপদ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ ابْنِ سیرین قَالَ: لاَ تقل سورۃ قصیرۃ ، ولا سورۃ خفیفۃ ، قَالَ فکیف أقول ؟ قَالَ: سورۃ یسیرۃ ؛ فإن اللہ تبارک وتعالی قَالَ: {وَلَقَدْ یَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّکْرِ فَہَلْ مِن مُّدَّکِرٍ} ولا تقل خفیفۃ ؛ فإن اللہ قَالَ {سَنُلْقِی عَلَیْکَ قَوْلاً ثَقِیلاً}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭২০ ) হজরত আসিম বলেন , হজরত ইবনে সীরীন বলেছেন : বলো না , এটা ছোট সূরা নয় । এভাবে বলুন : হালকা সূরা । বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ তাহলে কি আপনাকে বলব ? তিনি বললেনঃ তাকে বলুন ! সহজ সূরা। কেননা আল্লাহ বলেছেনঃ আর নিশ্চয়ই আমি এই কুরআনকে হেদায়েতের জন্য সহজ করে দিয়েছি , সুতরাং কেউ কি আছে যে হিদায়াত গ্রহণ করে ? এবং তাকে বলবেন না । হালকা সূরাঃ কারণ আল্লাহ বলেছেনঃ আমরা তোমার উপর নাযিল করতে যাচ্ছি হে ভারী বাণী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ذَکَرَ نَحْوَہُ إِلاَّ أَنَّہُ خَالَفَہُ فِی بَعْضِ الْکَلامِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭২১) হজরত আসিম বলেন , হজরত আবুল আলিয়া ( রা ) আগের মতই একই বিষয় উল্লেখ করেছেন , কিন্তু তিনি তার কথায় কিছু পার্থক্য করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۲) حَدَّثَنَا عَبِیدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَن مَنْصُورٍ ، عَن ہِلالِ بْنِ یَِسَافٍ عَن فَرْوَۃَ بْنِ نَوْفَلٍ ، قَالَ: قَالَ خَبَّابُ بْنُ الأَرَتِّ وَأَقْبَلْت مَعَہُ مِنَ الْمَسْجِدِ إِلَی مَنْزِلِہِ فَقَالَ لِی: إنِ اسْتَطَعْت أَنْ تَقَرَّبَ إِلَی اللہِ فَإِنَّک لاَ تَقَرَّبُ إلَیْہِ بِشَیْئٍ أَحَبَّ إلَیْہِ مِنْ کَلامِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭২২) হজরত ফারাহ ইবনে নওফাল বলেন , হজরত খাব্বাব ইবনে আরত ( রা) বলেন , আমি তার সঙ্গে মসজিদ থেকে তার বাড়িতে যাচ্ছিলাম । তখন তিনি আমাকে বললেনঃ যদি তোমার শক্তি থাকে তবে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন কর। কারণ তার আনন্দদায়ক বক্তৃতা ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে তার কাছাকাছি যাওয়া যায় না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ: سَأَلْتُ عَبِیدَۃَ ، عَن آیَۃٍ فِی کِتَابِ اللہِ ؟ فَقَالَ: عَلَیْک بِتَقْوَی اللہِ وَالسَّدَادِ ، فَقَدْ ذَہَبَ الَّذِینَ کَانُوا یَعْلَمُونَ فِیمَ أُنْزِلَ الْقُرْآنُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭২৩ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , আমি হজরত উবাইদা (রা.) - কে আল্লাহর কিতাবের কোন আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম ? তাই তিনি বললেনঃ আল্লাহকে ভয় করা এবং সৎকর্ম করা তোমাদের উপর ওয়াজিব , যারা আমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে তা জেনে গেছে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۴) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَن شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ ، عَن آیَۃٍ مِنَ الْقُرْآنِ فَقَالَ: لاَ تَسْأَلْنِی عَنِ الْقُرْآنِ ، وَسَلْ عَنْہُ مَنْ یَزْعُمُ ، أَنَّہُ لاَ یَخْفَی عَلَیْہِ مِنْہُ شَیْئٌ یَعْنِی عِکْرِمَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭২৪ ) হজরত আমর ইবনে মুরাহ বলেন , এক ব্যক্তি হজরত সাঈদ ইবনে আল - মুসাইব (রা. ) -কে প্রশ্ন করল কোরআনের কোন আয়াতটি সম্পর্কে ? তাই তিনি বললেনঃ আমাকে কোরান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন না , বরং তাঁকে জিজ্ঞাসা করুন যে দাবি করে যে কোরানের কিছুই তাঁর কাছে গোপন নেই । হযরত ইকরামা সম্পর্কে ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَن سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: مَنْ قَالَ فِی الْقُرْآنِ بِغَیْرِ عِلْمٍ فَلْیَتَبَوَّأْ مَقْعَدَہُ مِنَ النَّارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭২৫ ) হজরত সাঈদ ইবনে জুবের বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন : যে ব্যক্তি জ্ঞান ছাড়াই কোরআন সম্পর্কে মত পোষণ করে , সে যেন তোমার বাসস্থান জাহান্নামে করে নেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن سُفْیَانَ ، عَن مُغِیرَۃَ ، قَالَ: کَانَ إبْرَاہِیمُ یَکْرَہُ أَنْ یَتَکَلَّمَ فِی الْقُرْآنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭২৬) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইবরাহীম (আ.) কোরআন সম্পর্কে কোনো মতামত প্রকাশ করা তাকে অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۷) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ: أَدْرَکْت أَصْحَابَ عَبْدِ اللہِ وَأَصْحَابَ عَلِیٍّ وَلَیْسَ ہُمْ لِشَیْئٍ مِنَ الْعِلْمِ أَکْرَہُ مِنْہُمْ لِتَفْسِیرِ الْقُرْآنِ ، قَالَ: وَکَانَ أَبُو بَکْرٍ یَقُولُ: أَیُّ سَمَائٍ تُظِلُّنِی وَأَیُّ أَرْضٍ تُقِلُّنِی إذَا قُلْتُ فِی کِتَابِ اللہِ مَا لاَ أَعْلَمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭২৭) ইমাম শাবী বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) ও হযরত আলী ( রা . ) - এর ছাত্রদের এমন অবস্থায় পেলাম যে , কুরআনের ব্যাখ্যা সম্পর্কে আমার কাছে খুবই অপ্রীতিকর ছিল শাবি বলেন , আর হজরত আবু বকর (রা . ) বলতেন : কোন আকাশ আমাকে ছায়া দেবে আর কোন পৃথিবী আমাকে আশ্রয় দেবে । যখন আমি কুরআন সম্পর্কে এমন কিছু বলি যা আমি জানি না ? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۸) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، قَالَ: حدَّثَنِی عَبْدُ اللہِ بْنُ حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ ، قَالَ: سَأَلْتُ طَاوُوسًا ، عَن تَفْسِیرِ ہَذِہِ الآیَۃِ: {شَہَادَۃُ بَیْنِکُمْ إذَا حَضَرَ أَحَدَکُمَ الْمَوْتُ} فَأَرَادَ أَنْ یَبْطِشَ حَتَّی قِیلَ ہَذَا ابْنُ حَبِیبٍ کَرَاہِیَۃً لِتَفْسِیرِ الْقُرْآنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭২৮) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হাবিব ইবনে আবি প্রমাণ করেন : আমি হজরত তাওয়াস থেকে এ আয়াতটি বর্ণনা করেছি : যখন তুমি আমার কাছ থেকে কাউকে জিজ্ঞেস কর , তোমার মধ্যে সাক্ষ্য দেওয়ার নিয়ম ? এর ব্যাখ্যা জানতে চাইলেন ? তাই তারা হামলার পরিকল্পনা করে হ্যাঁ , যতক্ষণ না তাদের বলা হল : ইনি ইবন হাবীব কুরআনের ব্যাখ্যা অপছন্দ করার কারণে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۲۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّ عُمَرَ ، قَرَأَ عَلَی الْمِنْبَرِ: {وَفَاکِہَۃً وَأَبًّا} ثُمَّ قَالَ: ہَذِہِ الْفَاکِہَۃُ قَدْ عَرَفْنَاہَا فَمَا الأَبُّ ؟ ثُمَّ رَجَعَ إِلَی نَفْسِہِ فَقَالَ: إنَّ ہَذَا لَہُوَ التَّکَلُّفُ یَا عُمَرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭২৯) হজরত আনাস বলেন , হজরত উমর (রা.) মিম্বরে বসে আয়াতটি পাঠ করেছিলেন । (এবং ফল এবং পশুখাদ্য)। তারপর বললেন , আমরা এই ফলটিকে চিনতে পেরেছি তাহলে এটা এখন কি ? তারপর নিজের দিকে ফিরে বললেনঃ হে ওমর ! আসলেই এ এক যন্ত্রণা!
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ: کَتَبَ رَجُلٌ مُصْحَفًا وَکَتَبَ عِنْدَ کُلِّ آیَۃٍ تَفْسِیرَہَا ، فَدَعَا بِہِ عُمَرُ فَقَرَضَہُ بِالْمِقْرَاضَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭৩০) হজরত জাবির (রা) বলেন , হজরত আমীর ( রা ) বলেন , এই ব্যক্তি কোরআন লিখেছেন এবং প্রতিটি আয়াতের সঙ্গে এর তাফসীরও লিখেছেন । তাই হযরত ওমর (রাঃ) তাকে ডেকে পাঠালেন । তারপর কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলল ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنِ الْعَوَّامِ بْنِ حَوْشَبٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، أَنَّ أَبَا بَکْرٍ سُئِلَ عَن (وفَاکِہَۃً وَأَبًّا) فَقَالَ: أَیُّ سَمَائٍ تُظِلُّنِی وَأَیُّ أَرْضٍ تُقِلُّنِی إذَا قُلْتُ فِی کِتَابِ اللہِ مَا لاَ أَعْلَمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭৩১) হজরত ইব্রাহিম আল তাইমি বলেন , হজরত আবু বকর (রা.) - কে এই আয়াত (এবং ফল ও পশুখাদ্য ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল ? তাই বলেছিলে : কোন আকাশ আমাকে ছায়া দেবে ? আর কোন ভূমি আমাকে আশ্রয় দেবে । আমি যখন আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে এমন কিছু বলি যা আমি জানি না ? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عبد اللہِ الزُّبَیْرِیُّ ، عَن سُفْیَانَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، قَالَ: کَانَ إذَا سُئِلَ عَن شَیْئٍ مِنَ الْقُرْآنِ ، قَالَ: قَدْ أَصَابَ اللَّہُ مَا أَرَادَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭৩২) হজরত আমিশ বলেন , হজরত আবু ওয়াইলকে যখন কোরআনের কোনো আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল । তিনি বলতেন: আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۳) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَن شُعَیْبٍ ، قَالَ: کَانَ أَبُو الْعَالِیَۃِ یُقْرِئُ النَّاسَ الْقُرْآنَ ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ یُغَیِّرَ علی الرجل لَمْ یَقُلْ: لَیْسَ کَذَا وَکَذَا ، وَلَکِنَّہُ یَقُولُ: اقْرَأْ آیَۃَ کَذَا ، فَذَکَرْتہ لإِبْرَاہِیمَ فَقَالَ: أَظُنُّ صَاحِبَکُمْ قَدْ سَمِعَ ، أَنَّہُ مَنْ کَفَرَ بِحَرْفٍ مِنْہُ ، فَقَدْ کَفَرَ بِہِ کُلِّہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭৩৩) হজরত শোয়াইব বলেন , হজরত আবুল আলিয়া ( রা . ) মানুষের কাছে কোরআন পাঠ করতেন : তাই তিনি যখন কোনো ব্যক্তির ভুল সংশোধনের ইচ্ছা করতেন , তখন বলতেন না : এটি y এবং y থেকে নয় । বরং তিনি এভাবে বলতেনঃ এ থেকে আয়াতটি পড় । তাই আমি হজরত ইব্রাহিমের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলাম এবং তিনি বললেন : আমি নিশ্চিত যে আপনার সঙ্গী এই হাদিসটি শুনেছেন : যে ব্যক্তি কোরআন তেলাওয়াত করেছে সে একটি অক্ষর অস্বীকার করেছে , বা প্রকৃতপক্ষে সে পুরো কোরআনকে অস্বীকার করেছে । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۴) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ ، قَالَ: أَمْسَکْت عَلَی عَبْدِ اللہِ فِی الْمُصْحَفِ فَقَالَ: کَیْفَ رَأَیْت ؟ قُلْتُ: قَرَأْتہَا کَمَا ہِیَ فِی الْمُصْحَفِ إِلاَّ حَرْفَ کَذَا قَرَأْتُہُ کَذَا وَکَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭৩৪) হজরত আলকামাহ বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা. ) - কে কুরআন তিলাওয়াত থেকে বিরত রাখলাম এবং তিনি বললেন , তোমার মতে এটা কার থেকে ? আমি বললামঃ আপনি যা পড়েছেন তাতে ক অক্ষর ব্যতীত আমার মধ্যে কোরআন বিদ্যমান রয়েছে । আপনি ই এবং ই থেকে এটি পড়েন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، قَالَ: کُنْتُ أَقْرَأُ عَلَی إبْرَاہِیمَ فَإِذَا مَرَرْت بِحَرْفٍ یُنْکِرُہُ لَمْ یَقُلْ لِی: لَیْسَ کَذَا وَکَذَا ، وَیَقُولُ: کَانَ عَلْقَمَۃُ یَقْرَأُہ کَذَا وَکَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭৩৫ ) হজরত আমিশ বলেন , আমি হজরত ইবরাহীমের ওপর কোরআন তেলাওয়াত করেছি । তাই আমি একটি চিঠি দিলে তারা তা বন্ধ করে দেয় । আমাকে বলা হয়নি যে এটি এখান থেকে এবং এটি থেকে নয় . বরং তিনি বলেনঃ হযরত আল - কামা এ আয়াতটি আঃ ও আঃ থেকে পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۶) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ: قَالَ لِی إبْرَاہِیمُ: إنَّ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیَّ یُرِیدُ أَنْ تُقْرِئَہُ قِرَائَۃَ عَبْدِ اللہِ ، قُلْتُ: لاَ أَسْتَطِیعُ ، قَالَ: بَلَی ، فَإِنَّہُ قَدْ أَرَادَ ذَاکَ ، قَالَ: فَلَمَّا رَأَیْتہ قَدْ ہَوِی ذَاکَ ، قُلْتُ: فَیَکُونُ ہَذَا بِمَحْضَرٍ مِنْک فَنَتَذَاکَرُ حُرُوفَ عَبْدِ اللہِ فَقَالَ: اکفنی ہَذَا ، قُلْتُ: وَمَا تَکْرَہُ مِنْ ہَذَا ؟ قَالَ أَکْرَہُ أَنْ أَقُولَ لِشَیْئٍ ہُوَ ہَکَذَا ، وَلَیْسَ ہُوَ ہَکَذَا ، أَوْ أَقُولُ فِیہَا وَاوٌ وَلَیْسَ فِیہَا وَاوٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭৩৬) হজরত আমিশ বলেন যে , হজরত ইব্রাহিম আমাকে বললেন : নিঃসন্দেহে ইব্রাহিম মাল্টিমি চান যে আপনি তাকে হজরত আবদুল্লাহর তিলাওয়াত শেখান । আমি বললামঃ আমার শক্তি নেই । তিনি বললেন : কেন না , তাহলে নিশ্চয়ই আমিশ বললেন : আমি যখন তাদের দেখালাম যে তারা এটাই চায় . তাই আমি বললাম : ঠিক আছে , এটা আপনার উপস্থিতিতেই হবে , তাই আমরা চিঠিগুলো নিয়ে আলোচনা করলাম । হযরত আবদুল্লাহ রা . তাই আপনি বলেছেন : আমি যথেষ্ট আছে . আমি বললামঃ আপনি এভাবে পড়াতে অপছন্দ করেন কেন তিনি বললেনঃ আমি কোন আয়াতের কথা বলব তা আমার অপছন্দ হলঃ যদি এটা y থেকে হয় তাহলে এরকম হওয়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ مَسْعُودٍ: {وَالَّذِینَ آمَنُوا وَاتَّبَعَتْہُمْ ذُرِّیَّتُہُمْ} فَجَعَلَ الرَّجُلُ یَقُولُ: ذُرِّیَاتُہُم ، فَجَعَلَ الرَّجُلُ یُرَدِّدُہَا وَیُرَدِّدُہَا ، وَلا یَقُولُ: لَیْسَ کَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭৩৭) হজরত ইব্রাহিম বলেন , এক ব্যক্তি হজরত ইবনে মাসউদ (রা.)-কে এই আয়াতটি উচ্চারণ করতে বললেন ! আর যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছে তারা তাদেরই বংশধর । তাই এই লোকটি অষ্টম বলা শুরু করল । তখন তিনি বারবার এই কথাটি উচ্চারণ করছিলেন। এবং আপনি বলেননি : এটি এই কারণে নয় .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ: إنِّی لأَکْرَہُ أَنْ أَشْہَدَ عَرْضَ الْقُرْآنِ فَأَقُولُ کَذَا وَلَیْسَ کَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭৩৮ ) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইবরাহীম ( রা . ) বলেছেন : আমি কোরআনের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিতে অপছন্দ করি , তাই বলি ! এই তাই , এবং যে তাই না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۳۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَن مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ: کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَقْرَأَ الْقُرْآنَ یَعْرِضُ مِنْ أَمْرِ الدُّنْیَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭৩৯ ) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইবরাহীম ( আ . ) এ ধরনের কোনো সমস্যায় কোরআন পড়া অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۴۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَن ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، قَالَ: کَانَ أَبِی إذَا رَأَی شَیْئًا مِنْ أَمْرِ الدُّنْیَا یُعْجِبُہُ ، قَالَ: لاَ تَمُدَّنَّ عَیْنَیْکَ إِلَی مَا مَتَّعْنَا بِہِ أَزْوَاجًا مِنْہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৭৪০ ) হজরত হিশাম বিন আরওয়া বলেন , আমার আব্বা যখন দিনের কিছু লিখতেন তখন আয়াতটি পড়তেন যা ভালো মনে করতেন ! আর চোখ তুলে দৃষ্টিশক্তি হারাবেন না আমরা বিভিন্ন ধরনের মানুষকে যে যন্ত্রপাতি দিয়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۷۴۱) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَن عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَبِی یَزِیدَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَن أُمِّ أَیُّوبَ قَالَتْ: قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: نَزَلَ الْقُرْآنُ عَلَی سَبْعَۃِ أَحْرُفٍ أَیُّہَا قَرَأْت أَصَبْت۔ (احمد ۴۳۳۔ حمیدی ۳۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৭৪১) হজরত উমাইয়াব (রা. ) বলেন , মহানবী ( সা . ) বলেছেন : কুরআন সাতটি অক্ষরে অবতীর্ণ হয়েছে , যে অক্ষর দিয়েই পাঠ করো । আপনি ঠিক হবে.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৭৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস