(২৫) ( 30944 ) ইবনুল ইয়াহ এর সূত্রে , খালিদের কর্তৃত্বে , তিনি বলেন : আমি ইবন সিরিকে দেখেছি ইয়া কারা ফী ই মুশাফ মানকুত [হাদিসের সীমা (৩১৭৪২-৩২১৫৪), সর্বমোট হাদিসঃ ৪১৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৪৩টি]



30801 OK

(৩০৮০১)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَن خَیْثَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ: انْتَہَیْت إلَیْہِ وَہُوَ یَنْظُرُ فِی الْمُصْحَفِ ، قَالَ: قُلْتُ: أَیُّ شَیْئٍ تَقْرَأُ فِی الْمُصْحَفِ ؟ قَالَ: حِزْبِی الَّذِی أَقُومُ بِہِ اللَّیْلَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮০২ ) হজরত খায়সামা বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমরের কাছে গেলাম এবং তিনি কোরআন পড়ছিলেন : বর্ণনাকারী বলেন : আমি জিজ্ঞেস করলাম ! আপনি কুরআনের কোন অংশ পড়ছেন ?তিনি বললেনঃ আমার তেলাওয়াতের সেই অংশ যা আমি রাতে পড়ি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30802 OK

(৩০৮০২)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن سُفْیَانَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَن زِرٍّ ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللہِ: أَدِیمُوا النَّظَرَ فِی الْمَصَاحِفِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(30803) হজরত জার বলেন, হজরত আবদুল্লাহ ( রা . ) বলেছেন : কুরআনের আয়াতের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30803 OK

(৩০৮০৩)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ: دَخَلُوا عَلَی عُثْمَانَ وَالْمُصْحَفُ فِی حِجْرِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮০৪) হজরত আবু মূসা (রা) বলেন , হজরত হাসান ( রা . ) বলেন , কোরআন কোলে থাকা অবস্থায় উসমানের ওপর ঝড় এসে পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30804 OK

(৩০৮০৪)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُس ، قَالَ: کَانَ من خُلُقُ الأَوَّلِینَ النَّظَرَ فِی الْمَصَاحِفِ ، وَکَانَ الأَحْنَفُ بْنُ قَیْسٍ إذَا خَلا نَظَرَ فِی الْمُصْحَفِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(30805) হজরত ইবনে আলিয়া বলেন, হজরত ইউনুস ( রা . ) বলেছেন : অতীতে মানুষের ভালো নৈতিকতার একটি ছিল খাওয়ার সময় কোরআন পাঠ করা , আর হযরত আহনাফ বিন কায়স যখন শেষ করতেন তখন আমি কোরআন পাঠ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30805 OK

(৩০৮০৫)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَن سُرِّیَّۃَ الرَّبِیعِ قَالَتْ: کَانَ الرَّبِیعُ یَقْرَأُ فِی الْمُصْحَفِ ، فَإِذَا دَخَلَ إنْسَانٌ غَطَّاہُ ، وَقَالَ: لاَ یَرَی ہَذَا أَنِّی أَقْرَأُ فِیہِ کُلَّ سَاعَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 30806) হযরত সাররি ইয়াহ আল - রাবী বলেন , হযরত রাবী মনে মনে কুরআন তিলাওয়াত করতেন । সুতরাং, যখন কোন ব্যক্তি প্রবেশ করবে, তখন এই মুসহাফটি গোপন থাকবে । এবং তিনি বলতেন : এই ব্যক্তি বলেনি যে আমি সর্বদা কুরআনের দিকে তাকিয়ে পড়ি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30806 OK

(৩০৮০৬)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، قَالَ: کَانَ إبْرَاہِیمُ یَقْرَأُ فِی الْمُصْحَفِ فَإِذَا دَخَلَ عَلَیْہِ إنْسَانٌ غَطَّاہُ ، وَقَالَ: لاَ یَرَی ہَذَا أَنِّی أَقْرَأُ فِیہِ کُلَّ سَاعَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(30807) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইবরাহীম ( আ .) কুরআনের দিকে তাকিয়ে তেলাওয়াত করতেন , তাই যখন কোনো ব্যক্তি প্রবেশ করত, তখন তিনি এই মুশাফটিকে লুকিয়ে রাখতেন এবং কেউ বলতেন : তিনি বলেননি যে আমি সর্বদা এটি দেখি এবং এটি পড়ি .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30807 OK

(৩০৮০৭)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَن مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ: إنِّی لأَقْرَأُ جزئی ، أَوْ عَامَّۃَ جزئی ، وَأَنَا مُضْطَجِعَۃٌ عَلَی فِرَاشِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮০৮ ) হজরত আসওয়াদ বলেন , হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , আমি আমার বিছানায় শুয়ে কোরআনের কিছু অংশ পাঠ করতাম ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30808 OK

(৩০৮০৮)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۰۹) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَن مُوسَی بْنِ عُلَیٍّ ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِی ، قَالَ: أَمْسَکْت عَلَی فَضَالَۃَ بْنِ عُبَیْدٍ الْقُرْآنَ حَتَّی فَرَغَ مِنْہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮০৯) হজরত মূসা ইবনে আলী বলেন , আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি : আমি হযরত ফজলা ইবনে উবাইদ (রা.) - কে কুরআন শেষ করা পর্যন্ত বিরত রেখেছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30809 OK

(৩০৮০৯)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۰) حَدَّثَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ حَرْبٍ ، قَالَ: حدَّثَنَا أَبُو ہِلالٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ الْعُقَیْلِیُّ ، قَالَ: کَانَ أَبُو الْعَلائِ یَزِیدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ بْنِ الشِّخِّیرِ یَقْرَأُ فِی الْمُصْحَفِ حَتَّی یُغْشَی عَلَیْہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮১০ ) হজরত আবু সালেহ আল - আকীলী বলেন , হজরত আবু আল - আলা ইয়াজিদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল - শাখীর অজ্ঞান হওয়া পর্যন্ত মনে মনে কোরআন তেলাওয়াত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30810 OK

(৩০৮১০)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۱) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَن لَیْثٍ ، قَالَ: رَأَیْتُ طَلْحَۃَ یَقْرَأُ فِی الْمُصْحَفِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮১১ ) হজরত লাইছ বলেন , আমি হজরত তালহাকে মনে মনে কোরআন তেলাওয়াত করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30811 OK

(৩০৮১১)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَن سُفْیَانَ، عَن مَنْصُورٍ، عَنْ إبْرَاہِیمَ کَرِہَ أَنْ یَقُولَ: قرَائَۃُ فُلانٍ وَیَقُولُ: کَمَا یَقْرَأُ فُلانٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮১২) হজরত মনসুর বলেন , হজরত ইব্রাহিম আ অপছন্দ করতেন বলতেন : অমুক অমুক পড়া , এভাবে বলতেন ! যেমন - এবং - তাই পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30812 OK

(৩০৮১২)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۳) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَن دَاوُد ، عَن عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: نَزَلَ الْقُرْآنُ جُمْلَۃً مِنَ السَّمَائِ الْعُلْیَا إِلَی السَّمَائِ الدُّنْیَا فِی رَمَضَانَ ، فَکَانَ اللَّہُ إذَا أَرَادَ أَنْ یُحْدِثَ شَیْئًا أَحْدَثَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮১৩) হজরত ইকরামা বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , পুরো কোরআন রমজানে আকাশ থেকে পৃথিবীর আকাশে অবতীর্ণ হয়েছে । অতঃপর আল্লাহ যখন কোন কিছুর অস্তিত্ব আনতে চান , তখন তা নাজিল করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30813 OK

(৩০৮১৩)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۴) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلابَۃَ ، قَالَ: نَزَلَتِ التَّوْرَاۃُ لِسِتٍّ خَلَوْنَ مِنْ رَمَضَانَ ، وَأُنْزِلَ الْقُرْآنُ لأَرْبَعٍ وَعِشْرِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮১৪ ) হজরত আইয়ুব বলেন , হজরত আবু কালাবা বলেন , তাওরাত রমজানের ষষ্ঠ দিনে অবতীর্ণ হয় । আর কোরান নাজিল হয়েছে রমজানের ৪ তারিখে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30814 OK

(৩০৮১৪)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۵) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَمَانٍ ، عَن سُفْیَانَ ، عَن خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی قِلابَۃَ ، قَالَ: نَزَلَتِ الْکُتُبُ کلہا لَیْلَۃَ أَرْبَعٍ وَعِشْرِینَ مِنْ رَمَضَانَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮১৫) হজরত খালিদ বলেন , হজরত আবু কালাবা বলেন ; সমস্ত আসমানী কিতাব অবতীর্ণ হয় রমজানের চব্বিশতম দিনে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30815 OK

(৩০৮১৫)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۶) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ: حدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ رُزَیْقٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَن حَسَّانَ بْنِ أَبِی الأَشْرَسِ ، عَن سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِی قَوْلِہِ: إنَّا أَنْزَلْنَاہُ فِی لَیْلَۃِ الْقَدْرِ ، قَالَ: دُفِعَ إِلَی جِبْرِیلَ لَیْلَۃَ الْقَدْرِ جُمْلَۃً ،فوضع فِی بَیْتِ الْعِزَّۃِ ثم جَعَلَ یَنْزِلُہ تَنْزِیلاً۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮১৬) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন যে, হজরত ইবনে আব্বাস রা . নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি কদরের রাতে । তিনি বলেন , হজরত জিব্রাইল (আ . ) - কে কদরের রাতে সম্পূর্ণ কোরআনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল । তাই এটিকে বায়তুল আযযামে স্থাপন করা হয় , তারপর তারা ধীরে ধীরে তা প্রকাশ করতে থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30816 OK

(৩০৮১৬)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۷) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَن سُفْیَانَ ، قَالَ: أَخْبَرَنِی مَنْ سَمِعَ أَبَا الْعَالِیَۃَ یَذْکُرُ ، عَنْ أَبِی الْجَلْدِ ، قَالَ: نَزَلَتْ صُحُفُ إبْرَاہِیمَ أَوَّلَ لَیْلَۃٍ مِنْ رَمَضَانَ ، وَنَزَلَت الزَّبُورُ فِی سِتٍّ ، وَالإِنْجِیلُ فِی ، ثَمَانِ عَشْرَۃَ ، وَالْقُرْآنُ فِی أَرْبَعٍ وَعِشْرِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮১৭ ) হজরত আবুল আলিয়া বলেন , হজরত আবু জালাদ বলেন , হজরত ইব্রাহিমের সহিহ রমজানের প্রথম রাতে নাজিল হয় । এবং ষষ্ঠ রাতে গসপেল এবং আটাশতম রাতে গসপেল । আর কোরান নাযিল হয় চব্বিশতম রাতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30817 OK

(৩০৮১৭)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۸) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ الشَّیْبَانِیِّ ، عَن وَاصِلِ بْنِ حَیَّانَ ، عَن شَقِیقِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ: کَیْفَ أَنْتُمْ إذَا أُسْرِیَ عَلَی کِتَابِ اللہِ فَذُہِبَ بِہِ ؟ قَالَ: یَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، کَیْفَ بِمَا فِی أَجَْوَافِ الرِّجَالِ ، قَالَ: یَبْعَثُ اللَّہُ رِیحًا طَیِّبَۃً فَتَکْفِتُ کُلَّ مُؤْمِنٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮১৮) হজরত শাকীক ইবনে সালামা বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বললেন , তোমরা কী অবস্থায় থাকবে যখন কোরআনের ওপর এমন একটি রাত আসবে যে , কোরআনকে উঠিয়ে নেওয়া হবে , বর্ণনাকারী জিজ্ঞেস করলেন : হে? আব্দুর রহমান! কুরআন মানুষের বুকে নিরাপদ থাকা সত্ত্বেও এটা কিভাবে সম্ভব হবে ? তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ , পবিত্র আত্মা জীবিত থাকবেন , তারপর সবাই মারা যাবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30818 OK

(৩০৮১৮)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۱۹) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ رُفَیْعٍ ، عَن شَدَّادِ بْنِ مَعْقِلٍ ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللہِ: إنَّ ہَذَا الْقُرْآنَ الَّذِی بَیْنَ أَظْہُرِکُمْ یُوشِکُ أَنْ یُنْزَعَ مِنْکُمْ ، قَالَ: قُلْتُ: کَیْفَ یُنْزَعُ مِنَّا وَقَدْ أثْبَتَہُ اللَّہُ فِی قُلُوبِنَا وَأَثْبَتْنَاہُ فِی مَصَاحِفِنَا قَالَ: یُسْرَی عَلَیْہِ فِی لَیْلَۃٍ وَاحِدَۃٍ فَیَنْتزِعُ مَا فِی الْقُلُوبِ وَیَذْہَبُ مَا فِی الْمَصَاحِفِ وَیُصْبِحُ النَّاسُ مِنْہُ فُقَرَائَ ، ثُمَّ قَرَأَ {وَلَئِنْ شِئْنَا لَنَذْہَبَنَّ بِالَّذِی أَوْحَیْنَا إلَیْک} ۔ (عبدالرزاق ۵۹۸۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮১৯) হজরত শাদ্দাদ ইবনে মুয়াকাল বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) বলেছেন : নিঃসন্দেহে এটি সেই কোরআন যা তোমার বুকে সংরক্ষিত আছে । এটা আপনার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হতে চলেছে . বর্ণনাকারী বলেন ! আমি বললামঃ আমরা আমাদের অন্তরে সংরক্ষন করে আমাদের ধর্মগ্রন্থে সংরক্ষন করেও তা কিভাবে আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া যায় ? জব্দ কি ? ! তিনি বললেনঃ এমন একটি রাত্রি এমনভাবে অতিবাহিত হবে যে , অন্তরে যা আছে তা কেড়ে নেওয়া হবে এবং বইয়ে যা আছে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে , হে পৃথিবী এবং লোকেরা সকালে ঘুম থেকে উঠবে , তারপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন : এবং আমরা যদি চাই তবে আমরা আপনার কাছে যা অবতীর্ণ করেছি তা নিয়ে যেতে পারি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30819 OK

(৩০৮১৯)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۰) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَن سِمَاکٍ ، عَن عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: لَیَقْرَأَنَّ الْقُرْآنَ أَقْوَامٌ مِنْ أُمَّتِی یَمْرُقُونَ مِنَ الإِسْلامِ کَمَا یَمْرُقُ السَّہْمُ مِنَ الرَّمِیَّۃِ۔ (ابن ماجہ ۱۷۱۔ احمد ۲۵۶)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮২০) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : মরিয়মের উম্মতের কিছু লোক অবশ্যই কোরআন পাঠ করবে এবং তারা ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে একটি তীর শিকারের মধ্য দিয়ে যায় .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30820 OK

(৩০৮২০)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۱) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَن یُسَیْرِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ: سَأَلْتُ سَہْلَ بْنَ حُنَیْفٍ: مَا سَمِعْتَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَذْکُرُ ہَؤُلائِ الْخَوَارِجَ ؟ ، قَالَ: سَمِعْتُہُ وَأَشَارَ بِیَدِہِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ: یَخْرُجُ مِنْہُ قَوْمٌ یَقْرَؤُونَ الْقُرْآنَ بِأَلْسِنَتِہِمْ لاَ یَعْدُو تَرَاقِیَہُمْ ، یَمْرُقُونَ مِنَ الدِّینِ کَمَا یَمْرُقُ السَّہْمُ مِنَ الرَّمِیَّۃِ۔ (بخاری ۶۹۳۴۔ مسلم ۷۵۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮২১) হজরত ইয়াসির ইবনে আমর বলেন , আমি হজরত সাহল ইবনে হানিফ ( রা .) - কে জিজ্ঞেস করলাম , আপনি কি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছেন , আপনি কি কখনো বিদেশীদের কথা শুনেছেন ? তিনি বলেনঃ আমি নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কথা শুনেছি যখন তিনি ( সা . ) নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইশারা করে বললেনঃ সেখান থেকে এমন এক দল বের হবে যারা নিজেদের জিহ্বা দিয়ে কুরআন তেলাওয়াত করবে এবং কুরআন তাদের গলা দিয়ে যাবে না । তিনি চাইবেন, তারা দিন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে আসবে যেভাবে একটি তীর শিকার থেকে বেরিয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30821 OK

(৩০৮২১)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۲) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، قَالَ: حدَّثَنِی قرۃ بْنُ خَالِدٍ السَّدُوسِیُّ ، قَالَ: حَدَّثَنِی أَبُو الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَجِیئُ قَوْمٌ یَقْرَؤُونَ الْقُرْآنَ لاَ یُجَاوِزُ تَرَاقِیَہُمْ ، یَمْرُقُونَ مِنَ الدِّینِ کَمَا یَمْرُقُ السَّہْمُ مِنَ الرَّمِیَّۃِ عَلَی فُوقِہِ۔ (مسلم ۱۴۲۔ احمد ۳۵۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮২২) হজরত জাবির ( রা . ) বলেন, রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : এমন একটি জাতি আসবে যারা কোরআন তেলাওয়াত করবে , কিন্তু কোরআন তাদের বৃত্তে থাকবে না । তীরের ফল শিকারের ভিতর দিয়ে যাওয়ার মত তারা ধর্ম ত্যাগ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30822 OK

(৩০৮২২)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۳) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَن زِرٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: یَخْرُجُ فِی آخِرِ الزَّمَانِ قَوْمٌ أَحْدَاثُ الأَسْنَانِ سُفَہَائُ الأَحْلامِ یَقْرَؤُونَ الْقُرْآنَ لاَ یُجَاوِزُ حَنَاجِرَہُمْ۔ (ترمذی ۲۱۸۸۔ احمد ۴۰۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮২৩) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : শেষ যুগে এমন কিছু লোকের আবির্ভাব হবে যারা হবে তরুণ ও বুদ্ধিমান , তারা হবে মূর্খ কুরআন কিন্তু তাদের হার অতিক্রম করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30823 OK

(৩০৮২৩)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۴) حَدَّثَنَا یُونُسُ بْنُ مُحَمَّد ٍحَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنِ الأَزْرَقِ بْنِ قَیْسٍ ، عَن شَرِیکِ بْنِ شِہَابٍ الْحَارِثِیِّ ، عَنْ أَبِی بَرْزَۃَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: یَخْرُجُ قَوْمٌ مِنَ قبل الْمَشْرِقِ یَقْرَؤُونَ الْقُرْآنَ لاَ یُجَاوِزُ تَرَاقِیَہُمْ یَمْرُقُونَ مِنَ الدِّینِ کَمَا یَمْرُقُ السَّہْمُ مِنَ الرَّمِیَّۃِ لاَ یَرْجِعُونَ إلَیْہِ۔ (احمد ۴۲۱۔ حاکم ۱۴۶)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮২৪) হজরত আবু বারজাহ (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ কিছু লোক পূর্ব দিক থেকে বের হবে , তারা কুরআন পাঠ করবে , কিন্তু তা তাদের গলা থেকে নামবে না । তারা দ্বীন থেকে বিদায় নেবে , যেভাবে একটি তীর তার শিকারের ভিতর দিয়ে চলে যায় , তারপর ইসলামে ফিরে আসবে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30824 OK

(৩০৮২৪)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَن سَالِمِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، عَن زِیَادِ بْنِ لَبِیدٍ ، قَالَ: ذَکَرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ شَیْئًا فَقَالَ: وَذَاکَ عِنْدَ أَوانِ ذَہَابِ الْعِلْمِ ، قَالَ: قُلْتُ: یَا رَسُولَ اللہِ ، کَیْفَ یَذْہَبُ الْعِلْمُ وَنَحْنُ نَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَنُقْرِئُہُ أَبْنَائَنَا وَیُقْرِئُہُ أَبْنَاؤُنَا أَبْنَائَہُمْ إِلَی یَوْمِ الْقِیَامَۃِ ، قَالَ: ثَکِلَتْک أُمُّک زِیَادُ ، إِنْ کُنْت لأرَاک مِنْ أَفْقَہِ رَجُلٍ بِالْمَدِینَۃِ ، أَو لَیْسَ ہَذِہِ الْیَہُودُ وَالنَّصَارَی یَقْرَؤُونَ التَّوْرَاۃَ وَالإِنْجِیلَ، لاَ یَعْمَلُونَ بِشَیْئٍ مِمَّا فِیہِمَا۔ (احمد ۱۶۰۔ طبرانی ۵۲۹۱)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮২৫ ) হজরত যায়েদ বিন লাবায়েদ বলেন , রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কিছু পরীক্ষা -নিরীক্ষার কথা উল্লেখ করেছেন , তারপর তিনি বললেন : এগুলো সবই জ্ঞানের উত্থানের কারণে হবে , বর্ণনাকারী বলেন: আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! এখন কার কাছ থেকে জ্ঞান আসবে যে আমরা কুরআন পড়ছি এবং আমাদের সন্তানদেরকে তা শিক্ষা দিচ্ছি এবং ভবিষ্যতে তারা তাদের সন্তানদেরকে তা শেখাবে , এবং এটি উম্মাহর শেষ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমার মা তোমাকে হারিয়েছে , হে আজিয়াদ ! আমি তোমাকে সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষ ভেবেছিলাম ! কেন ? হ্যাঁ ইহুদি ও খ্রিস্টানরা তাওরাত এবং বাইবেল পড়ে না এবং এই লোকেরা তাদের মধ্যে পাওয়া শিক্ষা অনুসরণ করে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30825 OK

(৩০৮২৫)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنِ أَبِی سِنَان ، عَنْ أَبِی الْمبَارکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: مَا آمَنَ بِالْقُرْآنِ مَنِ اسْتَحَلَّ مَحَارِمَہُ۔ (عبد بن حمدع ۱۰۰۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮২৬ ) হযরত আবু সাঈদ খুদরী ( রাঃ ) বলেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে কোরানে বিশ্বাস করে না যে তার মাহরামকে হালাল বলে গণ্য করেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30826 OK

(৩০৮২৬)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ سِنَانٍ ، عَنْ أَبِی الْمبَارکِ ، عَن صُہَیْبٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِہِ۔ (ترمذی ۲۹۱۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮২৭ ) হজরত সাহেব বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : অতঃপর বর্ণনাকারী আগের মতই হাদীসটি উল্লেখ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30827 OK

(৩০৮২৭)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۸) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَن زِرٍّ ، قَالَ: قُلْتُ لأُبَیٍّ: إنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ لاَ یَکْتُبُ الْمُعَوِّذَتَیْنِ فِی مُصْحَفِہِ ، فَقَالَ: إنِّی سَأَلْت عَنْہُمَا النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: قِیلَ لِی ، فَقُلْتُ: فَقَالَ: أُبَیٌّ: وَنَحْنُ نَقُولُ کَمَا قِیلَ لَنَا۔ (بخاری ۴۹۷۶۔ ابن حبان ۴۴۲۹)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮২৮) হযরত জার বলেন , আমি হযরত আবিকে জিজ্ঞেস করলাম ! হজরত ইবনে মাসউদ ( রা . ) মুআবিযতিন - এর সহীহ ফাহম লেখেন না এবং বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে এ দুটি সূরা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম : এগুলো আমাকে পড়ার জন্য দেওয়া হয়েছিল , তাই আমি সেগুলো পড়ি । তখন হজরত আবিয়া ( রা ) উত্তর দিলেন : এবং আমরা সেভাবে পড়ছি যেভাবে আমাদের বলা হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30828 OK

(৩০৮২৮)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۲۹) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَن زَائِدَۃَ ، عَن حُصَیْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ: الْمُعَوِّذَتَانِ مِنَ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮২৯ ) হজরত হুসাইন বলেন যে , ইমাম শাবী বলেছেন : মুয়াবিজ কুরআনের একটি অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30829 OK

(৩০৮২৯)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۳۰) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَن حُصَیْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ بِنَحْوٍ مِنْہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩০৮৩০) হজরত হুসাইন থেকে ইমাম শাবির পূর্বের উক্তিটি এই ট্রান্সমিশন থেকে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



30830 OK

(৩০৮৩০)

সহিহ হাদিস

(۳۰۸۳۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ: رَأَیْتُ عَبْدَ اللہِ یَحک الْمُعَوِّذَتَیْنِ مِنْ مَصَاحِفِہِ ، وقال: لاَ تَخْلِطُوا فِیہِ مَا لَیْسَ مِنْہُ۔ (احمد ۱۲۹۔ طبرانی ۹۱۴۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩০৮৩১ ) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে ইয়াজিদ বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা .) - কে দেখেছি যে , তিনি তার কিতাবগুলো থেকে মুয়াজতিনকে মুছে ফেলছেন এবং বলেছেন : যা কুরআন থেকে নেই তা গুলিয়ে ফেলবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস