(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৬টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৬টি]



3361 OK

(৩৩৬১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بَلْجٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَوَّلُ مَنْ صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ خَدِيجَةَ عَلِيٌّ وَقَالَ مَرَّةً أَسْلَمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হযরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহুর পরে সর্বপ্রথম যিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেন ও মুসলমান হয়েছিলেন, তিনি হলেন হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৩৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3362 OK

(৩৩৬২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا ابْنُ خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের সময় আমার বয়স ছিলো পনের (১৫) বছর। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৩৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3363 OK

(৩৩৬৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَيُّوبُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ وَعَنْ كُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنْ الطَّيْرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন প্রত্যেক বন্য প্রাণীকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র থাবা দিয়ে শিকার করতে পারে। আর এমন প্রত্যেক পাখিকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র নখ দিয়ে শিকার করতে পারে। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৩৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3364 OK

(৩৩৬৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا ثَابِتٌ يَعْنِي ابْنَ يَزِيدَ حَدَّثَنَا هِلَالٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَبِيتُ اللَّيَالِي الْمُتَتَابِعَةَ طَاوِيًا وَأَهْلُهُ لَا يَجِدُونَ عَشَاءً قَالَ وَكَانَ عَامَّةُ خُبْزِهِمْ خُبْزَ الشَّعِيرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একের পর এক অনেক রাত এমন ভাবে ক্ষুধার্ত অবস্থায় কাটাতেন যে, তাঁর পরিবারের লোকেরা রাতের খাবারের জন্যে কিছুই পেতেন না। তাঁরা বেশিরভাগ সময় যে রুটি খেতে পেতেন, তা ছিলো কেবল মাত্র যবের রুটি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৩৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3365 OK

(৩৩৬৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ وَحَسَنٌ قَالَا حَدَّثَنَا ثَابِتٌ قَالَ حَسَنٌ أَبُو زَيْدٍ قَالَ عَبْدُ الصَّمَدِ قَالَ حَدَّثَنَا هِلَالٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أُسْرِيَ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ ثُمَّ جَاءَ مِنْ لَيْلَتِهِ فَحَدَّثَهُمْ بِمَسِيرِهِ وَبِعَلَامَةِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ وَبِعِيرِهِمْ فَقَالَ نَاسٌ قَالَ حَسَنٌ نَحْنُ نُصَدِّقُ مُحَمَّدًا بِمَا يَقُولُ فَارْتَدُّوا كُفَّارًا فَضَرَبَ اللَّهُ أَعْنَاقَهُمْ مَعَ أَبِي جَهْلٍ وَقَالَ أَبُو جَهْلٍ يُخَوِّفُنَا مُحَمَّدٌ بِشَجَرَةِ الزَّقُّومِ هَاتُوا تَمْرًا وَزُبْدًا فَتَزَقَّمُوا وَرَأَى الدَّجَّالَ فِي صُورَتِهِ رُؤْيَا عَيْنٍ لَيْسَ رُؤْيَا مَنَامٍ وَعِيسَى وَمُوسَى وَإِبْرَاهِيمَ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ فَسُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الدَّجَّالِ فَقَالَ أَقْمَرُ هِجَانًا قَالَ حَسَنٌ قَالَ رَأَيْتُهُ فَيْلَمَانِيًّا أَقْمَرَ هِجَانًا إِحْدَى عَيْنَيْهِ قَائِمَةٌ كَأَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ كَأَنَّ شَعْرَ رَأْسِهِ أَغْصَانُ شَجَرَةٍ وَرَأَيْتُ عِيسَى شَابًّا أَبْيَضَ جَعْدَ الرَّأْسِ حَدِيدَ الْبَصَرِ مُبَطَّنَ الْخَلْقِ وَرَأَيْتُ مُوسَى أَسْحَمَ آدَمَ كَثِيرَ الشَّعْرِ قَالَ حَسَنٌ الشَّعَرَةِ شَدِيدَ الْخَلْقِ وَنَظَرْتُ إِلَى إِبْرَاهِيمَ فَلَا أَنْظُرُ إِلَى إِرْبٍ مِنْ آرَابِهِ إِلَّا نَظَرْتُ إِلَيْهِ مِنِّي كَأَنَّهُ صَاحِبُكُمْ فَقَالَ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَام سَلِّمْ عَلَى مَالِكٍ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মিরাজের রাতে আকাশ ভ্রমণে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো, তারপর তিনি সেই রাতেই ফিরে এসেছিলেন এবং বাইতুল-মাকদিসের বর্ণনা প্রমাণ সহ তাদেরকে সফরের কথা বললেন। তাদের কাফেলার কিছু লোক বললো, “মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা বলছেন, আমরা কি তা বিশ্বাস করবো?” তারপর তারা ইসলাম ধর্মত্যাগ করে এবং কাফের হয়ে যায় এবং আল্লাহ তায়ালা আবু জেহেলের সাথে তাদেরকেও বদর যুদ্ধের দিন হত্যা করেন। আবু জেহেল বললো, “মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি আয-যাক্কুম গাছ দিয়ে আমাদেরকে ভয় দেখাতে চাইছেন? আমাদের জন্যে কিছু খেজুর এবং মাখন আনো এবং আমাদেরকে কিছু যাক্কুম খেতে দাও!” আর মিরাজের রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, দাজ্জালকে তার নিজের চোখে দেখেছেন, স্বপ্নে নয়। আর হযরত ঈসা (আঃ), হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত ইবরাহীম (আঃ)-কে দেখেছেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দাজ্জাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো এবং তিনি বলেছিলেন, “সে গোলাপী রঙের সাদা।” হাসান বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি তাকে বিশাল দেহের সাথে, গোলাপী রঙের সাদা দেখেছি। তার একটি চোখ উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো প্রসারিত হয় এবং তার মাথার চুলগুলি যেনো গাছের ডাল। আমি হযরত ঈসা (আঃ)-কে দেখলাম, একজন সাদা যুবক, কোঁকড়ানো চুলের, প্রখর দৃষ্টি সম্পন্ন। আমি হযরত মুসা (আঃ)-কে দেখলাম, তার মাথায় অনেক কালো চুল ও তা শক্তভাবে বাঁধা। আমি হযরত ইব্রাহিম (আঃ)-এর দিকে তাকালাম, এবং আমি তার শরীরের কোন অংশের দিকে তাকালাম না, কিন্তু আমি মনে করলাম যে, আমি আমার নিজের শরীরের অংশকে দেখছি, (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেকেই উল্লেখ করে করে বললেন) যেনো সে তোমাদের এই সঙ্গীর মতোই দেখতে। আর হযরত জিবরীল (আঃ) আমাকে বললেন, হযরত মালিক (আঃ)-কে সালাম দিন, তাই আমি তাকে সালাম দিলাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৩৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3366 OK

(৩৩৬৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ وَحَسَنٌ قَالَا حَدَّثَنَا ثَابِتٌ حَدَّثَنَا هِلَالٌ عَنْ عِكْرِمَةَ سُئِلَ قَالَ حَسَنٌ سَأَلْتُ عِكْرِمَةَ عَنِ الصَّائِمِ أَيَحْتَجِمُ فَقَالَ إِنَّمَا كُرِهَ لِلضَّعْفِ وَحَدَّثَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ حَسَنٌ ثُمَّ حَدَّثَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ مِنْ أَكْلَةٍ أَكَلَهَا مِنْ شَاةٍ مَسْمُومَةٍ سَمَّتْهَا امْرَأَةٌ مِنْ أَهْلِ خَيْبَرَ آخِرُ أَحَادِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا


হজরত হিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হযরত ইকরিমা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে একজন রোজাদার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, “তাকে কি শিঙ্গা দিয়ে চিকিৎসা করা যাবে?” তিনি বললেন, “রোজাদারকে শিঙ্গা দেয়া একটি অপছন্দের কারণ, শিঙ্গা কেবল মাত্র একজন ব্যক্তিকে দুর্বল করে দেয়। এবং তিনি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন, তখন তিনি খাইবার বাসীদের মধ্যে একটি মহিলার দ্বারা বিষ মেশানো কিছু বিষাক্ত ছাগলের গোশত খেয়েছিলেন, যার কারণে তিনি শিঙ্গা লাগিয়ে ছিলেন।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৩৩৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস