(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১০৫৬টি]



2311 OK

(২৩১১)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৬০] view_link


সহিহ হাদিস


হাদিস নং ১৮১৯ দেখুন


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2312 OK

(২৩১২)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৬২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَبِيعَ الرَّجُلُ طَعَامًا حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ كَيْفَ ذَلِكَ قَالَ ذَلِكَ دَرَاهِمُ بِدَرَاهِمَ وَالطَّعَامُ مُرْجَأٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য বা কোনো শস্য ক্রয় করে, সে যেনো তা পুরোপুরি দখল করার আগে বিক্রি না করে।” আমি [বর্ণনাকারী] তাকে বললাম, “কেনো এমন হলো?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “এটা হবে দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম বিক্রি করার মতো, অথচ খাদ্যদ্রব্য এখনো স্থগিত রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৩১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2313 OK

(২৩১৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ كُلُوا فِي الْقَصْعَةِ مِنْ جَوَانِبِهَا وَلَا تَأْكُلُوا مِنْ وَسَطِهَا فَإِنَّ الْبَرَكَةَ تَنْزِلُ فِي وَسَطِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা পাত্রের কিনারা থেকে খাও, মাঝখান থেকে খেয়ো না। কারণ খাবারের পাত্রের মাঝখানে বরকত নাযিল হয় (এবং সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে)।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৩১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2314 OK

(২৩১৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَحْسِبُهُ رَفَعَهُ قَالَ كَانَ إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَاءِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন, তখন বলতেন,

سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَاءِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ

“আল্লাহ তার প্রশংসা শোনেন, যে তাঁর প্রশংসা করে। হে আল্লাহ, আমাদের পালনকর্তা, আপনার প্রশংসা আসমানকে পূর্ণ করে, পৃথিবীকে পূর্ণ করে এবং আপনি যা ইচ্ছা করেন, তা পূর্ণ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৩১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2315 OK

(২৩১৫)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيجٌ حَدَّثَنَا عَبَّادٌ يَعْنِي ابْنَ الْعَوَّامِ عَنِ الْحَجَّاجِ عَنِ الْحَكَمِ عَنِ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَطَبَ مَيْمُونَةَ بِنْتَ الْحَارِثِ فَجَعَلَتْ أَمْرَهَا إِلَى الْعَبَّاسِ فَزَوَّجَهَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হজরত মায়মুনা বিনতে হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। হজরত মায়মুনা বিনতে হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহু, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বিয়ের ব্যাপারে নিজের অভিভাবক নিযুক্ত করেন। সুতরাং, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু, হজরত মায়মুনা বিনতে হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে বিয়ে দেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩১৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2316 OK

(২৩১৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২১১৯] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ بَابٍ قَالَ ثَنَا الْحَجَّاجُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ قَتَلَ الْمُسْلِمُونَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ رَجُلًا مِنْ الْمُشْرِكِينَ فَأَعْطَوْا بِجِيفَتِهِ مَالًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ادْفَعُوا إِلَيْهِمْ جِيفَتَهُمْ فَإِنَّهُ خَبِيثُ الْجِيفَةِ خَبِيثُ الدِّيَةِ فَلَمْ يَقْبَلْ مِنْهُمْ شَيْئًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

খন্দকের যুদ্ধের দিনে মুসলমানরা মুশরিকদের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে, মুশরিকরা তার লাশ পাওয়ার জন্য ধন-সম্পদ দিতে শুরু করে। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাদের দেহ তাদের কাছে ফিরিয়ে দাও, কারণ এটি একটি মন্দ দেহ এবং মন্দ মুক্তিপণ।” এবং তিনি তাদের কাছ থেকে কিছুই গ্রহণ করেননি। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩১৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2317 OK

(২৩১৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا عَبَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ كِتَابًا بَيْنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ أَنْ يَعْقِلُوا مَعَاقِلَهُمْ وَأَنْ يَفْدُوا عَانِيَهُمْ بِالْمَعْرُوفِ وَالْإِصْلَاحِ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ حَدَّثَنِي سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا عَبَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে এই চুক্তিটি লিখেছিলেন যে, তারা যেনো তাদের পাওনা পরিশোধ করে, তাদের বন্দীদের মুক্তিপণ ভালোভাবে পরিশোধ করে এবং মুসলমানদের মধ্যে সংস্কারের চেষ্টা করে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2318 OK

(২৩১৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنِ الْأَعْمَى عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ تَنَفَّلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَيْفَهُ ذَا الْفَقَارِ يَوْمَ بَدْرٍ وَهُوَ الَّذِي رَأَى فِيهِ الرُّؤْيَا يَوْمَ أُحُدٍ فَقَالَ رَأَيْتُ فِي سَيْفِي ذِي الْفَقَارِ فَلًّا فَأَوَّلْتُهُ فَلًّا يَكُونُ فِيكُمْ وَرَأَيْتُ أَنِّي مُرْدِفٌ كَبْشًا فَأَوَّلْتُهُ كَبْشَ الْكَتِيبَةِ وَرَأَيْتُ أَنِّي فِي دِرْعٍ حَصِينَةٍ فَأَوَّلْتُهَا الْمَدِينَةَ وَرَأَيْتُ بَقَرًا تُذْبَحُ فَبَقَرٌ وَاللَّهِ خَيْرٌ فَبَقَرٌ وَاللَّهِ خَيْرٌ فَكَانَ الَّذِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বদরের যুদ্ধের দিনে তাঁর তরবারি যুল-ফকার গনীমতের মাল হিসেবে পেয়েছিলেন এবং তিনি উহুদের যুদ্ধের দিনে একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি বললেন, “আমি আমার স্বপ্নে আমার তরবারি যুল-ফকারের উপর একটি দাগ দেখেছি এবং আমি এটিকে এমন কিছু ক্ষতি হিসাবে ব্যাখ্যা করেছি, যা তোমাদের কাছে পৌঁছাবে। আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমার সওয়ারীর উপর আমার পিছনে একটি মেষ বসেছে এবং আমি এর ব্যাখ্যা এই করেছি যে, যুদ্ধে সেনাবাহিনীর একজন প্রধান ব্যক্তিকে হত্যা করা হবে। আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি শক্তিশালী বর্ম পরিহিত অবস্থায় আছি এবং আমি এর ব্যাখ্যা এই করেছি যে, আমি মদীনায় নিরাপদে আছি। আমি স্বপ্নে একটি গবাদি পশুকে জবাই হতে দেখেছি। আল্লাহর কসম, স্বপ্নে গবাদি পশু জবাই হতে দেখা অনেক ভালো বিষয়; আল্লাহর কসম, স্বপ্নে গবাদি পশু জবাই হতে দেখা অনেক ভালো বিষয়।” আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন, উহুদের যুদ্ধের দিনে তাই হয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2319 OK

(২৩১৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَتْ قِرَاءَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ قَدْرَ مَا يَسْمَعُهُ مَنْ فِي الْحُجْرَةِ وَهُوَ فِي الْبَيْتِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে তাঁর ঘরে এমন উচ্চস্বরে তেলাওয়াত করতেন যে, ঘরে কেউ উপস্থিত থাকলে তা শুনতে পেতো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2320 OK

(২৩২০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ الْخَبَرُ كَالْمُعَايَنَةِ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ أَخْبَرَ مُوسَى بِمَا صَنَعَ قَوْمُهُ فِي الْعِجْلِ فَلَمْ يُلْقِ الْأَلْوَاحَ فَلَمَّا عَايَنَ مَا صَنَعُوا أَلْقَى الْأَلْوَاحَ فَانْكَسَرَتْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, “লোক মুখে শুনা কথা, নিজের চোখে দেখার মতো এক নয়। এ কারণেই আল্লাহ তায়ালা যখন হজরত মূসা (আঃ)-কে বললেন যে, তার কওমের লোকেরা বাছুরের উপাসনা শুরু করেছে, তখনও তিনি তাওরাতের ফলকগুলি নিক্ষেপ করেননি। কিন্তু যখন তিনি তার কওমের লোকদেরকে তার নিজের চোখে দেখেলেন যে, তারা বাছুরের উপাসনা করছে, তখন তিনি তাওরাতের ফলকগুলি ছুঁড়ে ফেলেছিলেন এবং তা ভেঙে গিয়েছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৩২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2321 OK

(২৩২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا حُصَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ أَيُّكُمْ رَأَى الْكَوْكَبَ الَّذِي انْقَضَّ الْبَارِحَةَ قُلْتُ أَنَا ثُمَّ قُلْتُ أَمَا إِنِّي لَمْ أَكُنْ فِي صَلَاةٍ وَلَكِنِّي لُدِغْتُ قَالَ وَكَيْفَ فَعَلْتَ قُلْتُ اسْتَرْقَيْتُ قَالَ وَمَا حَمَلَكَ عَلَى ذَلِكَ قُلْتُ حَدِيثٌ حَدَّثَنَاهُ الشَّعْبِيُّ عَنْ بُرَيْدَةَ الْأَسْلَمِيِّ أَنَّهُ قَالَ لَا رُقْيَةَ إِلَّا مِنْ عَيْنٍ أَوْ حُمَةٍ فَقَالَ سَعِيدٌ يَعْنِي ابْنَ جُبَيْرٍ قَدْ أَحْسَنَ مَنْ انْتَهَى إِلَى مَا سَمِعَ ثُمَّ قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ عُرِضَتْ عَلَيَّ الْأُمَمُ فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ وَمَعَهُ الرَّهْطَ وَالنَّبِيَّ وَمَعَهُ الرَّجُلَ وَالنَّبِيَّ وَلَيْسَ مَعَهُ أَحَدٌ إِذْ رُفِعَ لِي سَوَادٌ عَظِيمٌ فَقُلْتُ هَذِهِ أُمَّتِي فَقِيلَ هَذَا مُوسَى وَقَوْمُهُ وَلَكِنْ انْظُرْ إِلَى الْأُفُقِ فَإِذَا سَوَادٌ عَظِيمٌ ثُمَّ قِيلَ انْظُرْ إِلَى هَذَا الْجَانِبِ الْآخَرِ فَإِذَا سَوَادٌ عَظِيمٌ فَقِيلَ هَذِهِ أُمَّتُكَ وَمَعَهُمْ سَبْعُونَ أَلْفًا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ بِغَيْرِ حِسَابٍ وَلَا عَذَابٍ ثُمَّ نَهَضَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَدَخَلَ فَخَاضَ الْقَوْمُ فِي ذَلِكَ فَقَالُوا مَنْ هَؤُلَاءِ الَّذِينَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ بِغَيْرِ حِسَابٍ وَلَا عَذَابٍ فَقَالَ بَعْضُهُمْ لَعَلَّهُمْ الَّذِينَ صَحِبُوا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ لَعَلَّهُمْ الَّذِينَ وُلِدُوا فِي الْإِسْلَامِ وَلَمْ يُشْرِكُوا بِاللَّهِ شَيْئًا قَطُّ وَذَكَرُوا أَشْيَاءَ فَخَرَجَ إِلَيْهِمْ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مَا هَذَا الَّذِي كُنْتُمْ تَخُوضُونَ فِيهِ فَأَخْبَرُوهُ بِمَقَالَتِهِمْ فَقَالَ هُمْ الَّذِينَ لَا يَكْتَوُونَ وَلَا يَسْتَرْقُونَ وَلَا يَتَطَيَّرُونَ وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ فَقَامَ عُكَّاشَةُ بْنُ مِحْصَنٍ الْأَسَدِيُّ فَقَالَ أَنَا مِنْهُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ أَنْتَ مِنْهُمْ ثُمَّ قَامَ الْآخَرُ فَقَالَ أَنَا مِنْهُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَبَقَكَ بِهَا عُكَّاشَةُ حَدَّثَنَا شُجَاعٌ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ مِثْلَهُ


হযরত হুসায়ন ইবনু আবদুর রহমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাঈদ ইবনু যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, “তোমাদের মধ্য হতে কেউ রাতে যে তারকাটি বিচ্যুত হয়েছিলো তা দেখেছো কি?” আমি বললাম, “আমি দেখেছি। অবশ্য আমি রাতের সলাতে রত ছিলাম না; আমাকে বিচ্ছু দংশন করেছিলো।” সাঈদ বললেন, “বিচ্ছু দংশন করার পর তুমি কী করেছিলে?” আমি বললাম, “আমি ঝাড়ফুঁক করিয়েছি।” তিনি বললেন, “তোমাকে এ ঝাঁড়ফুক গ্রহণে কিসে করলো?” আমি বললাম, “ঐ হাদীসটি আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে, যা আমাদেরকে শাবী বর্ণনা করেছেন।” তিনি বললেন, “শাবী কী হাদীস বর্ণনা করেছেন? আমি বললাম, “শাবী বুরাইদাহ ইবনু হুসায়ন আল আসলামী রাদিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, কুদৃষ্টি বা বিচ্ছু দংশন ব্যতীত অন্য বিষয়ে ঝাড়ফুঁক করানো উচিত নয়।” সাঈদ বললেন, তিনি ভালো বলেছেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন যে, “স্বপ্নে আমার সামনে সকল নবীদের উপস্থিত করা হয়। অতঃপর তখন কোন কোন নবীকে দেখলাম যে, তাঁর সঙ্গে ছোট্ট একটি দল রয়েছে; আর কাউকে দেখলাম, তাঁর সঙ্গে একজন কিংবা দুজন লোক আবার কেউ এমনও ছিলেন যে, তাঁর সাথে কেউ নেই। হঠাৎ আমার সামনে এক বিরাট দল দেখা গেলো। মনে হলো, এরা আমার উম্মাত। তখন আমাকে বলা হলো, ইনি হচ্ছেন মূসা (আঃ) ও তাঁর উম্মাত; তবে আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন। আমি ওদিকে তাকালাম, দেখি বিরাট একদল, আবার বলা হলো, আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন, আমি ওদিকে তাকিয়ে দেখলাম এক বিরাট দল। বলা হলো, এরা আপনার উম্মাত। এদের মধ্যে সত্তর হাজার এমন লোক আছে যারা শাস্তি ব্যতীত ও হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে।” এ বলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়ালেন, অতঃপর তাঁর ঘরে চলে গেলেন। তারা উপস্থিত সহাবাগণ তখন এ হিসাব ও আযাব বিহীন জান্নাতে প্রবেশকারী কারা হবেন? এ নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন। কেউ বললেন, তাঁরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহাবা। কেউ বললেন, তারা সে সব লোক যারা ইসলামের উপর জন্মলাভ করেছে এবং আল্লাহর সঙ্গে কোন প্রকার শিরক করেনি এবং তাঁরা বহু জিনিসের উল্লেখ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন, “তোমরা কী নিয়ে আলোচনা করছিলে?” সবাই বিষয়টি খুলে বললেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদের বললেন, “এরা সে সব লোক যারা ঝাড়ফুঁক করে না বা তা গ্রহণও করে না, পাখি উড়িয়ে শুভা-শুভের লক্ষণ মানে না বরং সর্বদাই আল্লাহর উপর নির্ভর করে।” তখন উক্কাশাহ ইবনু মিহসান রাদিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে বললো, “হে আল্লাহর রসূল! আমার জন্যে দুআ করুন, আল্লাহ যেনো আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি তাদেরই একজন থাকবে।” তারপর আরেক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, “হে আল্লাহর রসূল! আমার জন্যও দুআ করুন, আল্লাহ যেনো আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এ সুযোগ লাভে উক্কাশাহ ইবনু মিহসান রাদিয়াল্লাহু আনহু তোমার চাইতে অগ্রগামী হয়ে গেছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৩২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2322 OK

(২৩২২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَا صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَهْرًا كَامِلًا قَطُّ غَيْرَ رَمَضَانَ وَإِنْ كَانَ لَيَصُومُ إِذَا صَامَ حَتَّى يَقُولَ الْقَائِلُ وَاللَّهِ لَا يُفْطِرُ وَإِنْ كَانَ لَيُفْطِرُ إِذَا أَفْطَرَ حَتَّى يَقُولَ الْقَائِلُ وَاللَّهِ لَا يَصُومُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাস ব্যতীত কখনোই পুরো মাস রোজা রাখতেন না, তবে কখনো কখনো তিনি এত বেশি রোজা রাখতেন যে, আমরা বলতাম যে, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মাসে একটি রোজাও ছাড়বেন না। কখনো কখনো তিনি এমনভাবে রোজা ভঙ্গ করতেন যে, আমরা বলতাম যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মাসে আর একটি রোজাও রাখবেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2323 OK

(২৩২৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُؤَمَّلِ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَطَعَ الْأَوْدِيَةَ وَجَاءَ بِهَدْيٍ فَلَمْ يَكُنْ لَهُ بُدٌّ مِنْ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ وَيَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ قَبْلَ أَنْ يَقِفَ بِعَرَفَةَ فَأَمَّا أَنْتُمْ يَا أَهْلَ مَكَّةَ فَأَخِّرُوا طَوَافَكُمْ حَتَّى تَرْجِعُوا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি হাদি (কোরবানির পশু) নিয়ে এই সমস্ত উপত্যকা অতিক্রম করেছিলেন। আরাফাতে দাঁড়ানোর আগে কাবা ঘরের প্রদক্ষিণ করা এবং সাফা ও আল-মারওয়াহর মাঝখানে যাওয়া ছাড়া, তাঁর অন্য কোনো উপায় ছিলো না। কিন্তু তোমাদের ক্ষেত্রে, হে মক্কাবাসী, তোমরা ফিরে না আসা পর্যন্ত তোমাদের তাওয়াফকে বিলম্বিত করতে পারো।

[মুসনাদে আহমাদ : ২৩২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2324 OK

(২৩২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৮৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَمَّا نَزَلَ تَحْرِيمُ الْخَمْرِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ بِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ مَاتُوا وَهُمْ يَشْرَبُونَهَا فَنَزَلَتْ لَيْسَ عَلَى الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ جُنَاحٌ فِيمَا طَعِمُوا إِلَى آخِرِ الْآيَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন মদ হারাম হওয়ার ব্যাপারে আয়াত অবতীর্ণ হলো, তখন সাহাবীরা বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের ভাইদের কি হবে, যারা মদ হারাম হওয়ার আগে ইন্তেকাল করেছে এবং যারা তা পান করতো?” ফলে আল্লাহ তাআলা এই আয়াতটি অবতীর্ণ করলেন,
لَيۡسَ عَلَى ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ جُنَاحٞ فِيمَا طَعِمُوٓاْ إِذَا مَا ٱتَّقَواْ وَّءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ ثُمَّ ٱتَّقَواْ وَّءَامَنُواْ ثُمَّ ٱتَّقَواْ وَّأَحۡسَنُواْۚ وَٱللَّهُ يُحِبُّ ٱلۡمُحۡسِنِينَ٩٣
যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাদের উপরে সেই জন্যে কোনো অপরাধ হবে না, যে মদ তারা পূর্বে খেয়েছে, যখন তারা ভবিষ্যতের জন্যে আল্লাহকে ভয় করে ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে। পুনরায় তারা আল্লাহকে ভয় করে ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে। আবার তারা আল্লাহকে ভয় করে ও সৎকর্ম করে। বস্তুত আল্লাহ সৎকর্মীদেরকে ভালোবাসেন। (৫. আল মায়েদাহ : ৯৩) [মুসনাদে আহমাদ : ২৩২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2325 OK

(২৩২৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ يَعْنِي ابْنَ صَالِحٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ قَالَ حُدِّثْتُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُدْمِنُ الْخَمْرِ إِنْ مَاتَ لَقِيَ اللَّهَ كَعَابِدِ وَثَنٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি মদ্যপানে আসক্ত, সে যদি মারা যায়, তবে সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে ঐ ব্যক্তির মতো সাক্ষাৎ করবে, যে ব্যক্তি দুনিয়ায় মূর্তি পূজাকারী ছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৩২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2326 OK

(২৩২৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ عِيسَى بْنِ عَلِيٍّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ يُمْنَ الْخَيْلِ فِي شُقْرِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “লাল ও হলুদ রঙের ঘোড়ার মধ্যে বরকত রয়েছে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ২৩২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2327 OK
View Quran

(২৩২৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ يَعْنِي ابْنَ حَازِمٍ عَنْ كُلْثُومِ بْنِ جَبْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَخَذَ اللَّهُ الْمِيثَاقَ مِنْ ظَهْرِ آدَمَ بِنَعْمَانَ يَعْنِي عَرَفَةَ فَأَخْرَجَ مِنْ صُلْبِهِ كُلَّ ذُرِّيَّةٍ ذَرَأَهَا فَنَثَرَهُمْ بَيْنَ يَدَيْهِ كَالذَّرِّ ثُمَّ كَلَّمَهُمْ قِبَلًا قَالَ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ قَالُوا بَلَى شَهِدْنَا أَنْ تَقُولُوا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّا كُنَّا عَنْ هَذَا غَافِلِينَ أَوْ تَقُولُوا إِنَّمَا أَشْرَكَ آبَاؤُنَا مِنْ قَبْلُ وَكُنَّا ذُرِّيَّةً مِنْ بَعْدِهِمْ أَفَتُهْلِكُنَا بِمَا فَعَلَ الْمُبْطِلُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ আরাফাহর ময়দানে আদমের কোমর থেকে তাঁর সৃষ্ট প্রতিটি বংশধরকে পিঁপড়ার মতো বের করেছেন। তারপর তিনি তাদেরকে পিঁপড়ার মতো তাঁর সামনে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তারপর তিনি তাদের সাথে মুখোমুখি কথা বলেছেন এবং অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন।
وَإِذۡ أَخَذَ رَبُّكَ مِنۢ بَنِيٓ ءَادَمَ مِن ظُهُورِهِمۡ ذُرِّيَّتَهُمۡ وَأَشۡهَدَهُمۡ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمۡ أَلَسۡتُ بِرَبِّكُمۡۖ قَالُواْ بَلَىٰ شَهِدۡنَآۚ أَن تَقُولُواْ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ إِنَّا كُنَّا عَنۡ هَٰذَا غَٰفِلِينَ١٧٢
যখন আপনার প্রভু আদম সন্তানদের পৃষ্ঠদেশ থেকে তাদের বংশধরদেরকে বের করেছিলেন। আর তাদের নিজেদের সম্পর্কে তাদেরকে প্রতিজ্ঞা করালেন এবং প্রশ্ন করলেন যে, “আমি কি তোমাদের প্রভু নই?” তারা বলেছিলো, “হাঁ, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনিই আমাদের প্রভু।” এটা এজন্যে যেনো তোমরা কিয়ামতের দিনে বলতে না পারো যে, “নিশ্চয় আমরা এ সম্পর্কে অজ্ঞাত ছিলাম।” (৭. আল আরাফ : ১৭২)
أَوۡ تَقُولُوٓاْ إِنَّمَآ أَشۡرَكَ ءَابَآؤُنَا مِن قَبۡلُ وَكُنَّا ذُرِّيَّةٗ مِّنۢ بَعۡدِهِمۡۖ أَفَتُهۡلِكُنَا بِمَا فَعَلَ ٱلۡمُبۡطِلُونَ١٧٣
অথবা তোমরা বলতে না পারো যে, “অংশীদারিত্বের প্রথা আমাদের পূর্বে কেবল মাত্র আমাদের বাপ-দাদারা উদ্ভাবন করেছিলো আর আমরা তাদের পরবর্তী কালের বংশধর ছিলাম। তাহলে কি আপনি আমাদেরকে ঐ কাজের কারণে ধ্বংস করবেন, যা আমাদের পূর্বে পথভ্রষ্টরা করেছিলো?” (৭. আল আরাফ : ১৭৩) [মুসনাদে আহমাদ : ২৩২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2328 OK

(২৩২৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ الم تَنْزِيلُ وَهَلْ أَتَى عَلَى الْإِنْسَانِ حِينٌ مِنْ الدَّهْرِ حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে ফজরের নামাযে আলিফ-লাম-মীম তানযীল (৩৩. সূরা আস-সাজদাহ) এবং হাল আতাআলাল-ইনসান (৭৬. সূরা আদ দাহর / আল ইনসান) পাঠ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2329 OK

(২৩২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯২৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ أَوْ بِنِصْفِ دِينَارٍ وَلَمْ يَرْفَعْهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَلَا بَهْزٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঋতুস্রাব অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাসকারী ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন, “সে যেনো এক দিনার বা অর্ধ দিনার সদকা করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৩২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2330 OK

(২৩৩০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ عَجَّلَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ عَجَّلَ أُمَّ سَلَمَةَ وَأَنَا مَعَهُمْ مِنْ الْمُزْدَلِفَةِ إِلَى جَمْرَةِ الْعَقَبَةِ فَأَمَرَنَا أَنْ نَرْمِيَهَا حِينَ تَطْلُعُ الشَّمْسُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মুযদালিফা থেকে মিনায় তাড়াতাড়ি চলে যেতে বললেন, অথবা উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তাড়াতাড়ি চলে যেতে বললেন, যখন আমরা তাদের সাথে আল-মুযদালিফায় ছিলাম ও জামরাতাল-আকাবার দিকে যাচ্ছিলাম এবং তিনি আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন, যেনো সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত পাথর ছুড়া না হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2331 OK

(২৩৩১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا دَاوُدُ يَعْنِي الْعَطَّارَ عَنْ عَمْرٍو قَالَ حَدَّثَنِي عَطَاءٌ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ أَرْسَلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ ثَقَلَةِ وَضَعَفَةِ أَهْلِهِ لَيْلَةَ الْمُزْدَلِفَةِ فَصَلَّيْنَا الصُّبْحَ بِمِنًى وَرَمَيْنَا الْجَمْرَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে আল-মুযদালিফার রাতে আমার মালপত্রসহ এবং তাঁর পরিবারের দুর্বল লোকদেরকে নিয়ে মিনায় পাঠালেন, এবং আমরা মিনায় ফজরের নামায পড়লাম এবং জামরাকে পাথর মারলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2332 OK

(২৩৩২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَاءِ بْنِ عَلْقَمَةَ الْقُرَشِيِّ قَالَ دَخَلْنَا بَيْتَ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَجَدْنَا فِيهِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ فَذَكَرْنَا الْوُضُوءَ مِمَّا مَسَّتْ النَّارُ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ مِمَّا مَسَّتْهُ النَّارُ ثُمَّ يُصَلِّي وَلَا يَتَوَضَّأُ فَقَالَ لَهُ بَعْضُنَا أَنْتَ رَأَيْتَهُ يَا ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ فَأَشَارَ بِيَدِهِ إِلَى عَيْنَيْهِ فَقَالَ بَصُرَ عَيْنَيَّ


হজরত মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে আতা ইবনে আলকামাহ আল-কুরাশি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী মায়মুনার ঘরে প্রবেশ করলাম। সেখানে আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দেখতে পেলাম এবং আগুনে স্পর্শ করা (রান্না করা) খাবার খেয়ে উযু করার কথা উল্লেখ করলাম। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আগুনে স্পর্শ করা জিনিস খেতে দেখেছি, অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন এবং উযূ করলেন না।” আমাদের একজন তাকে বললেন, “হে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু! তুমি কি তা সত্যিই দেখেছো?” তিনি তার চোখের দিকে ইশারা করলেন (তখন তিনি অন্ধ ছিলেন) এবং বললেন, “আমার নিজের এই দুই চোখ তা দেখেছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2333 OK

(২৩৩৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯১৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَرَّ رَجُلٌ مِنْ بَنِي سُلَيْمٍ بِنَفَرٍ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَسُوقُ غَنَمًا لَهُ فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ فَقَالُوا مَا سَلَّمَ عَلَيْنَا إِلَّا لِيَتَعَوَّذَ مِنَّا فَعَمَدُوا إِلَيْهِ فَقَتَلُوهُ وَأَتَوْا بِغَنَمِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَزَلَتْ الْآيَةُ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا ضَرَبْتُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَتَبَيَّنُوا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

বনু সুলাইমের এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের একটি দলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো। সে তার কিছু বকরীর পাল চালাচ্ছিলো এবং তাদেরকে সালাম দিলো। সাহাবী বললেন, সে আমাদেরকে সালাম দিচ্ছে যাতে আমাদের থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। অতঃপর তারা গিয়ে তাকে হত্যা করলেন এবং তার বকরী গুলোকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর কাছে নিয়ে এলেন। অতঃপর এই আয়াতটি নাযিল হয়,
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا ضَرَبۡتُمۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ فَتَبَيَّنُواْ وَلَا تَقُولُواْ لِمَنۡ أَلۡقَىٰٓ إِلَيۡكُمُ ٱلسَّلَٰمَ لَسۡتَ مُؤۡمِنٗا تَبۡتَغُونَ عَرَضَ ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا فَعِندَ ٱللَّهِ مَغَانِمُ كَثِيرَةٞۚ كَذَٰلِكَ كُنتُم مِّن قَبۡلُ فَمَنَّ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمۡ فَتَبَيَّنُوٓاْۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٗا٩٤
ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা যখন আল্লাহর পথে জিহাদের জন্যে যাত্রা করো, তখন তোমরা সব কিছু যাচাই করে নিও। যে ব্যক্তি তোমাদের প্রতি সালাম নিবেদন করে, তোমরা তাকে এ কথা বলো না যে, “তুমি বিশ্বাসী নও।” তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদ অনুসন্ধান করো অথচ আল্লাহর কাছে প্রচুর যুদ্ধ লব্ধ সম্পদ রয়েছে। ইতিপূর্বে তোমরা এমনই ছিলে, কিন্তু আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। সুতরাং এখন থেকে তোমরা সব কিছু, যাচাই করে নিও। নিশ্চয় তোমরা যা করো আল্লাহ ঐ বিষয়ে সংবাদ রাখেন। [৪ : ৯৪] [মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2334 OK
View Quran

(২৩৩৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالَا حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنْ الْمُنْكَرِ قَالَ هُمْ الَّذِينَ هَاجَرُوا مَعَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمَدِينَةِ قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

كُنتُمۡ خَيۡرَ أُمَّةٍ أُخۡرِجَتۡ لِلنَّاسِ تَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَتَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَتُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِۗ وَلَوۡ ءَامَنَ أَهۡلُ ٱلۡكِتَٰبِ لَكَانَ خَيۡرٗا لَّهُمۚ مِّنۡهُمُ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ وَأَكۡثَرُهُمُ ٱلۡفَٰسِقُونَ١١٠
তোমরা হচ্ছো এক শ্রেষ্ঠ জাতি, পৃথিবীতে তোমাদেরকে মানব জাতির জন্যে বের করা হয়েছে, যেনো তোমরা মানুষকে ন্যায়ভাবে নির্দেশ দাও, অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করো আর আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করো। গ্রন্থপ্রাপ্তরাও যদি আল্লাহর প্রতি তোমাদের বিশ্বাস করার মতো বিশ্বাস করতো, তবে তাদের জন্যে এটাই ভালো হতো! তাদের মধ্যে অনেকেই বিশ্বাসী, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিপর্যয় সৃষ্টিকারী। (৩. আল ইমরান : ১১০)

এই আয়াতের দৃষ্টান্ত হলো সেই সমস্ত লোক, যারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে মদীনায় হিজরত করেছিলো।

[মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2335 OK

(২৩৩৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالَا حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ رُفَيْعٍ قَالَ حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ لَمْ يَنْزِلْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ عَرَفَاتٍ وَجَمْعٍ إِلَّا لِيُهَرِيقَ الْمَاءَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাত ও মুজদালিফার মধ্যে শুধু পানি ঢালার জন্য সফর করেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2336 OK

(২৩৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮১৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ عَمْرٌو أَخْبَرَنِي جَابِرُ بْنُ زَيْدٍ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَمَانِيًا جَمِيعًا وَسَبْعًا جَمِيعًا قَالَ قُلْتُ لَهُ يَا أَبَا الشَّعْثَاءِ أَظُنُّهُ أَخَّرَ الظُّهْرَ وَعَجَّلَ الْعَصْرَ وَأَخَّرَ الْمَغْرِبَ وَعَجَّلَ الْعِشَاءَ قَالَ وَأَنَا أَظُنَّ ذَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একত্রে আট রাকাত (জোহর ও আসরের) নামায পড়েছি এবং সাত রাকাত (মাগরিব ও এশার) নামায একত্রে আদায় করেছি। আমি [বর্ণনাকারী] বললাম, হে আবু আল-শাশা! আমি মনে করি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের নামায শেষ সময়ে বিলম্বিত করলেন এবং আসরের নামায প্রথম ওয়াক্তে ত্বরান্বিত করলেন, একইভাবে মাগরিবের নামায শেষ সময়ে বিলম্বিত করলেন এবং ইশার সালাত প্রথম ওয়াক্তে ত্বরান্বিত করলেন। আবু আল-শাশা বললেন, আমিও তাই মনে করি। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2337 OK

(২৩৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৭৫] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنِ الْحَكَمِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَهْدَى فِي بُدْنِهِ جَمَلًا كَانَ لِأَبِي جَهْلٍ بُرَتُهُ فِضَّةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

(বিদায় হজ্ব উপলক্ষে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একশটি উট কোরবানি করেছিলেন, যার মধ্যে আবু জাহেলের একটি লাল উট ছিলো, যার নাকে একটি রূপার আংটি ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2338 OK

(২৩৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا جَابِرٌ الْجُعْفِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِقِدْرٍ فَأَخَذَ مِنْهَا عَرْقًا وَكَتِفًا فَأَكَلَهُ ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাঁধ বা হাড়ের গোশত খেলেন, তারপর তিনি নতুন করে অযু না করে, পূর্বের অযু দ্বারা সালাত আদায় করলেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2339 OK

(২৩৩৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَمَّا قَذَفَ هِلَالُ بْنُ أُمَيَّةَ امْرَأَتَهُ قِيلَ لَهُ وَاللَّهِ لَيَجْلِدَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَمَانِينَ جَلْدَةً قَالَ اللَّهُ أَعْدَلُ مِنْ ذَلِكَ أَنْ يَضْرِبَنِي ثَمَانِينَ ضَرْبَةً وَقَدْ عَلِمَ أَنِّي قَدْ رَأَيْتُ حَتَّى اسْتَيْقَنْتُ وَسَمِعْتُ حَتَّى اسْتَيْقَنْتُ لَا وَاللَّهِ لَا يَضْرِبُنِي أَبَدًا قَالَ فَنَزَلَتْ آيَةُ الْمُلَاعَنَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হিলাল বিন উমাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন তার স্ত্রীকে ব্যভিচারের অভিযোগ আনলো, তখন তাকে বলা হলো, “আল্লাহর কসম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই তোমাকে আশিটি বেত্রাঘাত করবেন।” তিনি বললেন, “আল্লাহ আমাকে আশিটি বেত্রাঘাত থেকে রক্ষা করবেন। কারণ তিনি জানেন যে, আমি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত, দেখেছি এবং শুনেছি। না, আল্লাহর কসম, আল্লাহ কখনো আমাকে মারবেন না।” অতঃপর লিয়ান করার ব্যাপারে আয়াত নাযিল হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2340 OK

(২৩৪০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ ابْنَةَ خِذَامٍ أَتَتْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَتْ أَنَّ أَبَاهَا زَوَّجَهَا وَهِيَ كَارِهَةٌ فَخَيَّرَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক কুমারী মেয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে এসে বললো যে, তার পিতা তাকে এমন জায়গায় বিয়ে দিয়েছে, যা তার পছন্দ নয়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ মেয়েকে উক্ত বিবাহ টিকে রাখার বা না রাখার এখতিয়ার দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৩৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস