
(۲۶۰۲۲) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ أُسَامَۃَ ، عَنْ نَافِعٍ : قَالَ ابْنُ عُمَرَ یَسْتَلْقِی عَلَی قَفَاہُ وَیَضَعُ إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی لاَ یَرَی بِذَلِکَ بَأْسًا ، وَیَفْعَلُہُ وَہُوَ جَالِسٌ لاَ یَرَی بِذَلِکَ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26022) হজরত নাফি বলেন যে , হজরত ইবনে উমর গদির ওপর শুয়ে থাকতেন এবং তার এক পা অন্য পায়ের ওপর রাখতেন এবং এতে তার কোনো সমস্যা ছিল না তারা বুঝতেন এবং তারা এ অবস্থায় বসে থাকতেন এবং তারা চিন্তাও করতেন না এভাবে বসতে কোন সমস্যা ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۲۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : إنَّمَا یَنْہَی عَنْ ذَلِکَ أَہْلُ الْکِتَابِ ، وَقَالَ عَامِرٌ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَلِیٍّ : لاَ بَأْسَ بہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26023) হজরত জাবির বলেন , হজরত ইকরামা (রা.) বলেন , নিশ্চয়ই আহলে কিতাবরা এভাবে বসতে নিষেধ করতেন , আর হজরত আমীর ও হজরত মুহাম্মদ ইবনে আলী ( রা .) বলেছেন : তার কোনো সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۲۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ الغَسِیل ، قَالَ : حدَّثَنِی عَمْرُو بْنُ أَبِی عَمْرٍو ، أَنَّ بِلاَلاً فَعَلَہُ : وَضَعَ إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26024 ) হজরত আমর ইবনে আবি আমর বলেন , হজরত বিলাল তার এক পা অন্য পায়ের ওপর রেখে এটি করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ الْمَاجِشُونِ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، أَنَّ عُمَرَ وَعُثْمَانَ کَانَا یَفْعَلاَنِہِ۔ (بخاری ۴۷۵۔ ابوداؤد ۴۸۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(26025) হজরত সাঈদ বিন আল - মুসাইব বলেন , হজরত ওমর ও হজরত উসমান উভয়েই এভাবে দাঁড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ عَمِّہِ، قَالَ: رَأَیْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ فِی الأَرَاکِ مُسْتَلْقِیًا وَاضِعًا إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی وَہُوَ یَقُولُ: {رَبَّنَا لاَ تَجْعَلْنَا فِتْنَۃً لِلْقَوْمِ الظَّالِمِینَ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26026) হজরত আবদ আল-রহমান বিন আসওয়াদ (রা.)-এর চাচা বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)- কে একটি হলুদ গাছের নিচে হাঁটু বেঁধে বসে বলতে দেখেছি যে , তিনি তার এক পা অন্য পায়ের ওপর রেখে এই দোয়াটি পাঠ করছেন . (হে আমাদের রব, আমাদেরকে নিষ্ঠুর সম্প্রদায়ের জন্য পরীক্ষায় পরিণত করবেন না )।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۲۷) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عِمْرَانَ - یَعْنِی ابْنَ مُسْلِمٍ - قَالَ : رَأَیْتُ أَنَسًا وَاضِعًا إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26027) হজরত ইমরান বিন মুসলিম বলেন , আমি হজরত আনাস (রা.) - কে এমন অবস্থায় দেখেছি যে , তিনি তার একটি পা অন্যটির ওপরে রেখেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۲۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنِ الْعَوَّامِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَبَا مِجْلَزٍ عَنِ الرَّجُلِ یَجْلِسُ ، وَیَضَعُ إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی فَقَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ ، إنَّمَا ہُوَ شَیْئٌ کَرِہَتْہُ الْیَہُودُ ، قَالُوا : إِنَّہُ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ فِی سِتَّۃِ أَیَّامٍ ، ثُمَّ اسْتَوَی یَوْمَ السَّبْتِ فَجَلَسَ تِلْکَ الْجِلْسَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26028) হজরত হাকাম বলেন , আমি হজরত আবু মাজাল (রা.) -কে এই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম : কে বসে তার ডান পা অন্য পায়ের ওপর রাখে ? তিনি বললেনঃ এতে দোষের কিছু নেই খ. সন্দেহ এগুলি এমন জিনিস যা ইহুদিরা জঘন্য বলে মনে করে তারা বলেন : মহান আল্লাহ আসমান ও যমীন ছয় দিনে সৃষ্টি করেন , তারপর সাতাশতম দিনে তিনি মস্তবী হয়ে এভাবে বসেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۲۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی ہِلاَلٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، أَنَّ ہَارُونَ بْنَ رِئَابٍ ، قَالَ لَہُ وَہُوَ جَالِسٌ عَلَی سَرِیرِہِ وَاضِعًا إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی : یُکْرَہُ ہَذَا یَا أَبَا بَکْرٍ ؟ قَالَ : لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26029) হজরত ইবনে সিরীন বলেন যে, হজরত হারুন ইবনে রায়ব তাকে জিজ্ঞেস করলেন যখন তিনি তার পা অন্যটির ওপর রাখছিলেন । হে আবু বকর! আপনি কি এটা জঘন্য মনে করেন ? আপনি বলেছেন : না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۰) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی الرَّبِیعُ بْنُ الْمُنْذِرِ ، قَالَ : حَدَّثَنِی أَبِی ، قَالَ : رَأَیْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْحَنَفِیَّۃِ وَاضِعًا إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26030) হজরত রাবিয়া ইবনে আল - মুনজার বলেন , আমার পিতা হজরত মুনযর বলেন , আমি হজরত মুহাম্মদ ইবনে হানাফিয়া (রা.)- কে এক পায়ের ওপর অন্য পা রেখে থাকতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۱) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، قَالَ : قیلَ لَہُ : أَرَأَیْت الشَّعْبِیَّ یَضَعُ إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26031) হজরত হামিদ বিন আবদুল রহমান বলেন , হজরত ইসরাইলকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ! আপনি কি হযরত শাবিকে এক পা অন্য পা দিয়ে দেখেছেন ? আপনি বলেছেন : হ্যাঁ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أبی إسْمَاعِیلَ رَاشِدٍ ، قَالَ : اسْتَلْقَیْت فَرَفَعْت إحْدَی رِجْلَیْ عَلَی رُکْبَتِی ، فَرَمَانِی سَعِیدٌ بِحَصَیَاتٍ ، ثُمَّ قَالَ : إنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ کَانَ یَنْہَی عَنْ ہَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26032 ) হজরত ইসমাইল বিন আবু ইসমাইল রশীদ বলেন , আমি শুয়ে ছিলাম , তারপর আমি আমার পা হাঁটুর ওপর তুলে রাখলাম । এতে হযরত সা’দ আমাকে ছোট ছোট নুড়ি দিয়ে আঘাত করলেন , তারপর বললেনঃ হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) এভাবে শুয়ে থাকতে নিষেধ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی ہِلاَلٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَضْطَجِعَ وَیَضَعَ إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26033 ) হজরত ইবনে সিরীন বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) শুয়ে অন্য পায়ে মাথা রাখাকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْمَاعِیل ، عَنْ وَاصِلٍ ، أَنَّ جَرِیرًا جَلَسَ وَوََضَعَ إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی فَقَالَ لَہُ کَعْبٌ : ضَعْہَا ، فَإن ہَذَا لاَ یَصْلُحُ لِبَشَرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26034 ) হজরত ওয়াসিল বলেন , হজরত জারির ( রা . ) উঠে বসলেন এবং তারপর তার এক পা অন্যটির ওপর রাখলেন , হজরত কাব তাকে বললেন , এটা অবশ্যই একজন মানুষের জন্য রাখবে । এভাবে দাঁড়িয়ে থাকা ঠিক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُتْبَۃَ بْنِ فَرْقَدٍ ، أَنَّ کَعْبًا ، قَالَ لَہُ : ضَعْہَا ، فَإِنَّ ہَذَا لاَ یَصْلُحُ لِبَشَرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26035) হজরত আমর ইবনে উতবাহ ইবনে ফারকাদ বলেন যে, হজরত কাব তাকে বললেন : তাকে নিচে রাখো , অবশ্যই একজন মানুষের জন্য । এটা উপযুক্ত নয় .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۶) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ حَبِیبٍ ، قَالَ : رَآنِی مُحَمَّدٌ وَقَدْ وَضَعْت رِجْلِی ہَکَذَا وَوَضَعَ قَدَمَہُ الْیُمْنَی عَلَی فَخِذِہِ الْیُسْرَی ، قَالَ : فَقَالَ : ارْفَعْہَا ، قَدْ تَوَاطَؤُوا عَلَی الْکَرَاہِیَۃِ لَہَا ، قَالَ : فَذَکَرْت لِلْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَتِ الْیَہُودُ یَکْرَہُونَہُ فَخَالَفَہُمُ الْمُسْلِمُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26036 ) হজরত হাবীব বলেন , হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাকে আমার পা এমনভাবে রাখতে দেখেছেন যে , আমার ডান পা আমার বাম উরুর ওপর রাখা হয়েছে , তাই আপনি বললেন : এটা সরিয়ে ফেল । সকল সাহাবী একমত যে এটা জঘন্য । বর্ণনাকারী বলেছেন : আমি এটা করেছি বিষয়টি হযরত হাসানের সামনে উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন : হুদরা এটাকে জঘন্য মনে করত এবং মুসলমানরা তাদের বিরোধিতা করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۷) حَدَّثَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَجْلِسَ الرَّجُلُ فَیَضَعَ عَقِبَہُ عَلَی فَخِذِہِ وقال : ہُوَ التَّوَرُّکُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26037) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইবরাহীম (আ.) একজন ব্যক্তির জন্য তার উরুর ওপর হাঁটু রাখাকে জঘন্য মনে করতেন এবং বললেন , এভাবেই তিনি মাথার ওপর বসলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۸) حَدَّثَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، أَنَّہُ نَہَی عَنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26038) হযরত লাইছ বলেন , হযরত মুজাহিদ এভাবে বসতে নিষেধ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۳۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، أَنَّہُ کَرِہَ التَّرَبُّعَ وَقَالَ : جِلْسَۃُ مَمْلَکَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26039) হজরত লাইছ বলেন , হজরত তাউস হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে অপছন্দ করতেন এবং বলতেন : এটি একটি রাজকীয় রীতি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الْمُجَالِدِ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی عَامِرٌ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قَالَ الْعَبَّاسُ لابْنِہِ عَبْدِ اللہِ بن عباس : یَا بُنَیَّ ، إنِّی أَرَی أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ یُقَرِّبُک ، وَیَسْتَشِیرُک مَعَ أُنَاسٍ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَیَخْلُو بِکَ ، فَاحْفَظْ عَنِّی ثَلاَثًا : اتَّقِ اللَّہَ لاَ یُجَرِّبَنَّ عَلَیْک کِذْبَۃً ، وَلاَ تُفْشِیَنَّ لَہُ سِرًّا ، وَلاَ تَغتَابنَّ عِنْدَہُ أَحَدًا ، قَالَ : فَقُلْت لابْنِ عَبَّاسٍ : یَا أَبَا عَبَّاسٍ ، کُلُّ وَاحِدَۃٍ مِنْہُنَّ خَیْرٌ مِنْ أَلْفٍ ، قَالَ : وَمِنْ عَشَرَۃِ آلاَفٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26040 ) হজরত আমীর বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , হজরত আব্বাস ( রা .) আমাকে বললেন , হে বৎস ! আমি দেখতে পাচ্ছি যে , আমিরুল মুমিনীন তোমাকে তার কাছে রাখছেন এবং রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাহাবায়ে কেরামের কাছে পরামর্শ চাইছেন এবং আপনার সাথে একাকী থাকবেন আমার কাছ থেকে তিনটি জিনিস . তাদের থেকে সাবধান থাকুন যে আপনার উপর মিথ্যার চেষ্টা করছে এবং আপনি কখনই তাদের গোপনীয়তা প্রকাশ করবেন না এবং তাদের সামনে কাউকে অপবাদ দেবেন না । বর্ণনাকারী বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে , তাদের প্রত্যেকটি হাজারের চেয়ে উত্তম তিনি বললেনঃ বরং দশ হাজারের চেয়ে উত্তম।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۱) حَدَّثَنَا عَبْدُاللہِ بْنُ إدْرِیسَ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ مُرَّۃَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ شِہَابٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ: لاَ تَعْتَرِضْ فِیمَا لاَ یَعْنِیک ، وَاعْتَزِلْ عَدُوَّک ، وَاحْتَفِظْ مِنْ خَلِیلک إلاَّ الأَمِین ، فَإِنَّ الأَمِین لاَ یُعَادِلُہُ شَیْئٌ، لاَ تَصْحَبِ الْفَاجِرَ فَیُعَلِّمُک مِنْ فُجُورِہِ ، وَلاَ تُفْشِ إلَیْہِ بسِرّک ، وَاسْتَشِرْ فِی أَمْرِکَ الَّذِینَ یَخْشَوْنَ اللَّہَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26041) হজরত মুহাম্মদ বিন শিহাব বলেন , হজরত উমর (রা.) বলেন ; এমন কিছুর পিছনে ছুটবেন না যা আপনার উপকারে আসে না এবং আপনার শত্রু থেকে সাবধান থাকুন এবং বিশ্বস্ত ব্যক্তি ছাড়া আপনার বন্ধু থেকে সাবধান থাকুন। যাতে কোন কিছুই আমার সম্প্রদায়ের একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তির সমান হতে না পারে এবং অন্যায়কারীদের সঙ্গ বেছে না নেয় । যাতে তিনি আপনাকে তার পাপাচার থেকে শিক্ষা দেবেন এবং আপনার গোপনীয়তার কোনটি তার কাছে প্রকাশ করবেন না এবং যারা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন তাদের কাছ থেকে আপনার বিষয়ে পরামর্শ চান
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۲) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : لاَ تُحَدِّثْ بِالْحَدِیثِ مَنْ لاَ یَعْرِفُہُ ، فَإِنَّ مَنْ لاَ یَعْرِفُہُ یَضُرُّہُ ، وَلاَ یَنْفَعُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26042) হজরত আইয়ুব বলেন , হজরত আবু কালাবা (রা.) বলেছেন : যে ব্যক্তি তার সম্পর্কে কিছুই জানে না , তাকে নিজের সম্পর্কে বলো না । কারণ যে এই বিষয়ে কিছুই জানে না সে ক্ষতি করবে , এবং অন্তত কোন উপকার করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : حدَّثَنَا حُمَیْدٌ الطَّوِیلُ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ الْغِلْمَانِ فَمَرَّ عَلَیْنَا النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَسَلَّمَ عَلَیْنَا ، ثُمَّ بَعَثَنِی فِی حَاجَۃٍ وَجَلَسَ فِی جِدَارٍ ، أَوْ فِی ظِلٍّ حَتَّی أَتَیْتہ فَأَبْلَغْتہ حَاجَتَہُ ، فَلَمَّا أَتَیْتُ أُمَّ سُلَیْمٍ ، قَالَتْ : مَا حَبَسَک الْیَوْمَ ؟ قُلْتُ : بَعَثَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی حَاجَۃٍ ، قَالَتْ : مَا ہِیَ ؟ قُلْتُ : أَنَّہَا سِرٌّ ، قَالَتْ : فَاحْفَظْ سِرَّ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : فَمَا حَدَّثْت بِہَا أَحَدًا قَطُّ۔ (بخاری ۱۱۳۹۔ مسلم ۱۴۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(26043) হজরত আনাস (রাঃ) বলেন , আমি বাচ্চাদের সাথে ছিলাম যখন নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমরা একে অপরকে সালাম দিলাম , তখন আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) পাঠালেন । আমি কিছু কাজের জন্য এবং দেয়ালের ছায়ায় বসলাম .যতক্ষণ না আমি আপনার ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছে এলাম । আমি আপনাকে ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এ কাজের কথা বলেছিলাম । অতঃপর আমি হযরত উম্মে সালিম (রাঃ) -এর কাছে এলে তিনি বললেনঃ আজ তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছে ? আমি বললাম , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাকে কোন কাজের জন্য পাঠিয়েছেন । জিজ্ঞেস করলেনঃ কাজ কি ছিল ? আমি বললামঃ নিঃসন্দেহে এটা আল্লাহর রসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর গোপন কথা । তিনি বললেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর গোপনীয়তা রক্ষা কর । হযরত আনাস ( রাঃ ) বলেনঃ আমি এ বিষয়ে কাউকে বলিনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۴) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنِ غِیَاثٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ أَبِی ہُبَیْرَۃَ یَحْیَی بْنِ عَبَّادٍ ، قَالَ : الْمُسْلِمُ مِرْآۃُ أَخِیہِ ، فَإِذَا أَخَذَ عَنْہُ شَیْئًا فَلْیُرِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26044) হযরত লাইছ বলেন , হযরত আবু হাবী রাহ ইয়াহইয়া বিন উবাদ বলেন , একজন মুসলিম তার ভাইয়ের ভাই নয় , সে তার কাছ থেকে কিছু নিয়ে গেলে তাকে দেখাতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۵) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ غَالِبٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَسَنَ أو سَأَلَہُ رَجُلٌ عَنِ الرَّجُلِ یَأْخُذُ عَنِ الرَّجُلِ الشَّیْئَ فَیَقُولُ : لاَ یَکُنْ بِکَ السُّوئُ ، أَوْ صُرِفَ عَنْک السُّوئَ ، قَالَ : فَقَالَ : یَقُولُ : لاَ یَکُنْ بِکَ السُّوئُ فَإِنَّہُ إِلاَّ یَکُنْ بہ خَیْرٌ مِنْ أَنْ یَکُونَ بِہِ ثُمَّ یُصْرَفُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26045) হজরত হাসানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে , একজন লোক যদি অন্যের কাছ থেকে কিছু নিয়ে তাকে বলে যে , তোমার সাথে কোন মন্দ থাকে না বা যদি সে যায় তবে তার আদেশ কি ? তিনি বলেন , তাকে বলতে হবে মন্দ যেন আপনার সাথে না থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ مُوسَی ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : إذَا أَخَذَ أَحَدُکُمْ عَنْ أَخِیہِ شَیْئًا فَلْیُرِہِ إِیَّاہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26046 ) হজরত সুলাইমান বিন মূসা বলেন , হজরত উমর ( রা . ) বলেছেন , যখন তোমাদের মধ্যে কেউ তার ভাইয়ের কাছ থেকে কিছু নেয় , তখন সে যেন তা দেখায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۷) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ عُبَیْدِ اللہِ التَّیْمِیِّ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبِی یَقُولُ : سَمِعْت أَبَا ہُرَیْرَۃَ یَقُولُ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَحَدُکُمْ مِرْآۃُ أَخِیہِ ، فَإِذَا رَأَی أَذًی فَلْیُمِطْہُ عَنْہُ۔ (بخاری ۲۳۹۔ ابوداؤد ۴۸۸۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 26047) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারোরই তার ভাইয়ের স্ত্রী নেই , কাজেই যখন সে কোন কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায় তখন তার কাছ থেকে তা দূর করে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ شُعْبَۃَ، عَنْ یَحْیَی بْنِ الْحُصَیْنِ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِہَابٍ، قَالَ: کَانَ بَیْنَ خَالِدِ بْنِ الْوَلِیدِ وَبَیْنَ سَعْدٍ کَلاَمٌ ، قَالَ : فَتَنَاوَلَ رَجُلٌ خَالِدًا عِنْدَ سَعْدٍ ، قَالَ : فَقَالَ : سَعْدٌ : مَہْ ، فَإِنَّ مَا بَیْنَنَا لَمْ یَبْلُغْ دِینَنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26048) হজরত তারিক বিন শিহাব বলেন , হজরত খালিদ বিন ওয়ালিদ ও হজরত সাদ-এর মধ্যে কিছু কটু কথা হয়েছিল , তখন এই লোকটি হজরত সাদ- এর উপস্থিতিতে হযরত খালিদকে খারাপ কথা বলতে লাগল , হজরত সাদ বললেন , থামুন , অবশ্যই আমাদের মধ্যে লড়াই হবে আমাদের দিন না পৌঁছায় !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ شَقِیقٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ صُوحَانَ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : مَا یَمْنَعُکُمْ إذَا رَأَیْتُمُ الرَّجُلَ یَخْرِقُ أَعْرَاضَ النَّاسِ أن لاَ تُغَیِّرُوا عَلَیْہِ؟ قَالُوا: نَتَّقِی لِسَانَہُ، قَالَ: ذَاکَ أَدْنَی أَنْ تَکُونُوا شُہَدَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26049 ) হজরত যায়েদ বিন সুহান বলেন , হজরত ওমর ( রা . ) বললেন : এই লোকটিকে দেখে তোমাকে খেতে কিসে বাধা দিল ? যে তার ইজ্জত নষ্ট করছে এবং আপনি তার প্রতি ঈর্ষাও করলেন না , লোকেরা বলল : আমরা তার ভাষা এড়িয়ে যাচ্ছি । . তিনি বললেনঃ এটা আরও খারাপ যে আপনি সাক্ষী হচ্ছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۵۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ قَیْسٍ ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ مَرَّ عَلَی بَغْلٍ مَیِّتٍ فَقَالَ لأَصْحَابِہِ : إِنْ یَأْکُلْ أَحَدُکُمْ مِنْ ہَذَا حَتَّی یَمْلاَ بَطْنَہُ خَیْرٌ مِنْ أَنْ یَأْکُلَ لَحْمَ أَخِیہِ الْمُسْلِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26050) হজরত কায়েস বলেন , হজরত আমর ইবনে আল আস একটি মৃত খচ্চরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তার সঙ্গীদের বললেন , তোমাদের মধ্যে কে এটা খাবে ? তার জন্য তার মুসলমানের গোশত খাওয়ার চেয়ে তার পেট ভরানো উত্তম। ভাই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۵۱) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْعَلاَئُ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّہُ قَالَ لَہُ : مَا الْغِیبَۃُ یَا رَسُولَ اللہِ ؟ قَالَ : ذِکْرُک أَخَاک بِمَا یَکْرَہُ ، قَالَ : أَفَرَأَیْت إِنْ کَانَ فِی أَخِی مَا أَقُولُ یَا رَسُولَ اللہِ ؟ قَالَ : إِنْ کَانَ فِی أَخِیک مَا تَقُولُ ، فَقَدِ اغْتَبْتہ ، وَإِنْ لَمْ یَکُنْ فِیہِ مَا تَقُولُ ، فَقَدْ بَہَتَّہُ۔ (مسلم ۲۰۰۱۔ ابوداؤد ۴۸۴۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(26051) হজরত আবু হারি রাহ. বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে জিজ্ঞেস করলাম , ইয়া রাসূলাল্লাহ ! গীবত কি ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তুমি তোমার ভাইয়ের কাছে যা অপছন্দ করে তা উল্লেখ করো )! আমার ভাইয়ের মধ্যে যদি সেই জিনিসটি থাকে তবে আমি যা বলছি সে সম্পর্কে আপনার মতামত কী ? তিনি (রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তুমি যা বলছ তা যদি তোমার ভাইদের মধ্যে উপস্থিত থাকে, তাহলে আমি তার অ - অস্তিত্বের অনুসন্ধান করেছি , যদি তুমি যা বলেছ তা তোমার ভাই - বোনদের মধ্যে না থাকে । তাহলে আপনি সত্যিই তাকে অপবাদ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস