
(۲۷۲۲۲) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَن شُعْبَۃَ قَالَ حَدَّثَتْنِی شُمَیْسَۃُ ، قَالَتْ : سَمِعْت عَائِشَۃَ ، وَسُئلت عَنْ أَدَبِ الْیَتِیمِ فَقَالَتْ : إنِّی لأَضْرِبُ أَحَدَہُمْ حَتَّی یَنْبَسِطَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(27222 ) হজরত শামী সাহ ( রা. ) বলেন , আমি হজরত আয়েশা (রা.) - কে বলতে শুনেছি যে, তাঁকে একজন এতিম শিশুকে সাহিত্য শেখানোর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল । তিনি বললেনঃ আমি অবশ্যই তাদের একজনকে এত মারব যে সে খুশি হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۲۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنِ الْحَسَنِ الْعُرَنِیِّ ، أَنَّ رَجُلاً قَالَ لِلنَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مِمَّ أَضْرِبُ یَتِیمِی ؟ قَالَ : اضْرِبْہُ مِمَّا کُنْت ضَارِبًا مِنْہُ وَلَدَک۔ (طبری ۲۶۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 27223 ) হজরত হাসান আরনী বলেন , জনৈক সাহাবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন : আমি ইয়াতিমকে কতটুকু হত্যা করতে পারি ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তুমি তোমার সন্তানকে যেভাবে প্রহার কর, তাকেও প্রহার কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۲۴) حَدَّثَنَا عَفَّانُ قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ الْخَطْمِیِّ ، أَنَّ أَبَاہُ سَأَلَ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ ، أَوْ قَالَ : أَرْسِلْ مَوْلًی لَہُ وَأَنَا مَعَہُ یَسْأَلُہُ : مِمَّ یَضْرِبُ الرَّجُلُ یَتِیمَہُ ؟ قَالَ : مِمَّ یَضْرِبُ الرَّجُلُ وَلَدَہُ ، قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ : وَسَأَلَ مُحَمَّدَ بْنَ کَعْبٍ فَقَالَ مِثْلُ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 27224 ) হজরত আবু জাফর খাতামী বলেন , তার পিতা হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যিব (রা.) কে জিজ্ঞেস করলেন । হ্যাঁ তিনি বললেনঃ তারা তাদের দাস পাঠিয়েছে এবং আমি তাদের সাথে ছিলাম । ইয়াত -আই -এম কতদূর আঘাত করতে পারে? আপনি বলেছেন : একজন মানুষ তার সন্তানকে যতটা হত্যা করতে পারে । হজরত আবু জাফর বলেন , তিনি হজরত মুহাম্মদ ইবনে কাবকে জিজ্ঞেস করলেন : তিনিও এই যে তিনি বলেছেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۲۵) حَدَّثَنَا أَزْہَرُ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَن مُحَمَّدٍ قَالَ : قرَأْت کِتَابًا فِیہِ مَا شَائَ اللَّہُ وَالأَمِیرُ فَقَالَ : مَا شَائَ الأَمِیرُ بَعْدَ اللہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 27225 ) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত মুহাম্মদ বলেছেন : আমি একটি কিতাব পড়েছি যা আমি লেখা ছিল এভাবে : আল্লাহ যা চেয়েছেন এবং আমীর করেছেন , তিনি বলেছেন : আমীর আল্লাহর পরে ইচ্ছা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۲۶) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَن شُعْبَۃَ ، عَن مَنْصُورٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ یَسَارٍ ، عَن حُذَیْفَۃَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَقُولُوا : مَا شَائَ اللَّہُ وَشَائَ فُلاَنٌ ، وَلَکِنْ قُولُوا : مَا شَائَ اللَّہُ ، ثُمَّ شَائَ فُلاَنٌ۔ (ابوداؤد ۴۹۴۱۔ احمد ۳۸۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(27226) হজরত হুযায়ফা (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : বলো না , আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন , তাই করেন । এই বলুন এবং আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তাই করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۲۷) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الأَجْلَحِ ، عَن یَزِیدَ بْنِ الأَصَمِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَحَدَّثَہُ بِبَعْضِ الْکَلاَمِ فَقَالَ : مَا شَائَ اللَّہُ وَشِئْت ، فَقَالَ : جَعَلْتَنِی وَاللہ عَدْلاً ، لاَ بَلْ مَا شَائَ اللَّہُ۔ (ابن ماجہ ۲۱۱۷۔ احمد ۲۱۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৭২২৭) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর খেদমতে এসে তাকে কিছু বলল এবং তিনি বললেন : আল্লাহ যা চেয়েছিলেন এবং আপনি চান । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তুমি আমাকে আল্লাহর সমকক্ষ করেছ । না বলুন , কিন্তু বলুন : আল্লাহ যা চান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۲۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَن سَالِمٍ ، عَن زُرْعَۃَ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ جَرْہَدٍ ، عَنْ جَدِّہِ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَبْصَرَہُ فِی الْمَسْجِدِ وَعَلَیْہِ بُرْدَۃٌ قَدِ انْکَشَفَ فَخِذُہُ فَقَالَ : إنَّ الْفَخِذَ مِنَ الْعَوْرَۃِ۔ (ترمذی ۲۷۹۸۔ ابوداؤد ۴۰۱۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 27228 ) হজরত জারহাদ তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে মসজিদে এ অবস্থায় দেখেছেন যে , তাদের ওপর একটি চাদর ছিল এবং তাদের উরু খোলা ছিল । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ নিঃসন্দেহে উরু সত্তরের একটি অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۲۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ صَالِحٍ ، عَن مَنْصُورٍ قَالَ : قَالَ عُمَرُ : فَخْذُ الرَّجُلِ مِنَ الْعَوْرَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(27229) হজরত মনসুর বলেন, হজরত ওমর ( রা .) বলেছেন : ব্যক্তির উরু সত্তরের একটি অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَن مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : الْفَخِذُ مِنَ الْعَوْرَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৭২৩০) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইবরাহীম (আ. ) বলতেন , উরু সত্তরের একটি অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۱) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَن لَیْثٍ ، عَن مُجَاہِدٍ قَالَ : خُرُوجُ الْفَخْذِ فِی الْمَسْجِدِ مِنَ الْعَوْرَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(27231) হযরত লাইছ বলেন যে , হযরত মুজাহিদ বলেনঃ মিরান মসজিদ খোলা সত্তরের অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۲) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ أَبِی یَحْیَی ، عَن مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : الْفَخْذُ مِنَ الْعَوْرَۃِ۔ (ترمذی ۲۷۹۶۔ احمد ۲۷۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৭২৩২) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : উরু সত্তরের একটি অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۳) حَدَّثَنَا جَعفَر بْنُ عَوْنٍ ، عَنْ أَبِی الْعُمَیْسِ ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِی جُحَیْفَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ آخَی بَیْنَ سَلْمَانَ ، وَأَبِی الدَّرْدَائِ۔ (بخاری ۱۹۶۸۔ ترمذی ۲۴۱۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৭২৩৩) হজরত আবু জুহাইফা বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হজরত সালমান ও হজরত আবু আল - দারদাইয়ের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۴) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَن ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَن بَشِیرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ کَعْبِ بْنِ مَالِکٍ قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ آخَی بَیْنَ الزُّبَیْرِ وَبَیْنَ کَعْبِ بْنِ مَالِکٍ۔ (ابن سعد ۱۰۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৭২৩৪) হজরত বশীর ইবনে আবদ আল-রহমান ইবনে কাব ইবনে মালিক (রা. ) বলেন যে , নবী ( সা . ) হজরত জুবায়ের ও হজরত কাব ইবনে মালেককে বলেছেন যে , তারা চর প্রতিষ্ঠিত ভাই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۵) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَن زَائِدَۃَ ، عَنْ أَبِی فَرْوَۃَ قَالَ : قَالَ ابْنُ أَبِی لَیْلَی : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ آخَی بَیْنَ زَیْدٍ وحَمْزَۃَ ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 27235) হজরত ইবনে আবিল লায়লা বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত যায়েদ ও হজরত হামজা ( রা . ) - এর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۶) حَدَّثَنَا قَبِیصَۃُ ، عَن حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَن ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ آخَی بَیْنَ أَبِی طَلْحَۃَ وَبَیْنَ أَبِی عُبَیْدَۃَ بْنِ الْجَرَّاحِ۔ (حاکم ۲۶۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৭২৩৬) হজরত আনাস (রা) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হজরত আবু তালহা ও হজরত আবু উবাইদা ইবনে জাররাহ (রা. ) -এর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۷) حَدَّثَنَا عَفَّانُ قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَن ثَابِتٍ ، عَن شَہْرِ بْنِ حَوْشَبٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ آخَی بَیْنَ عَوْفِ بْنِ مَالِکٍ وَالصَّعْبِ بْنِ جَثَّامَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(27237) হজরত শাহর ইবনে হাউসাব (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) হজরত আওফ ইবনে মালিক এবং হজরত সাব ইবনে জাথামার মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۸) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الْحَجَّاجِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَن مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ لِعَلِیٍّ ، أَنتَ أَخِی وَصَاحِبِی۔ (ترمذی ۳۷۲۰۔ احمد ۲۳۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 27238 ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) হজরত আলীকে বললেন , তুমি আমার ভাই ও আমার সঙ্গী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۳۹) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ قَالَ : أَخْبَرَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ آخَی بَیْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَسَعْدِ بْنِ الرَّبِیعِ۔ (بخاری ۲۰۴۹۔ احمد ۲۷۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(27239) হজরত আনাস (রা.) বলেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) হজরত আবদুল রহমান ইবনে আউফ এবং হজরত সাদ ইবনে রাবি ( রা.) - এর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَن مُحَمَّدٍ قَالَ : مَا تَرَکَ الرَّجُلُ أَنْ یَأْخُذَ مِنْ دِرْہَمِ صَدِیقِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(27240) হজরত ইবনে আউন বলেন, হজরত মুহাম্মদ বলেছেন : কোনো ব্যক্তি তার বন্ধুর দিরহাম গ্রহণ করা ছেড়ে দেয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَن نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : لَقَدْ رَأَیْتنَا وَمَا الرَّجُلُ الْمُسْلِمُ بِأَحَقَّ بِدِینَارِہِ ، وَلاَ دِرْہَمِہِ مِنْ أَخِیہِ الْمُسْلِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(27241) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে ওমর ( রা .) বলেন : আমরা নিজেরাই দেখেছি যে, একজন মুসলিম ব্যক্তির তার মুসলিম ভাইয়ের চেয়ে তার দিরহাম ও দিনারের বেশি অধিকার নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَدِ قَالَ : قَالَ لَہُ عَلْقَمَۃُ : یَا أَبَا عَمْرٍو ، فَقَالَ : لَبَّیْکَ ، فَقَالَ لَہُ : عَلْقَمَۃُ : لبِّیْ یَدَیْک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(27242) হজরত আসওয়াদ বলেন যে, হযরত আলকামা তাকে ডেকেছিলেন । হে আবু আমর? আপনি বলেছেন : আমি এখানে আছি । হযরত আল কামা তোমাকে বললেনঃ তোমার দুই হাত পেশ কর।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۳) حَدَّثَنَا عَفَّانُ قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو عَوَانَۃَ ، عَن مُغِیرَۃَ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ قَالَ : کَانَ إذَا دُعِیَ قَالَ : لَبَّیِ اللَّہَ ، وَلاَ یَقُولُ : لَبَّیْکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৭২৪৩) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত আবু ওয়াইল (রা.) বলেন , যখন কাউকে ডাকা হয় , তখন সে যেন বলে , আল্লাহ আমাকে হাজির করেছেন । বলবেন না : আমি উপস্থিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۴) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَن سُفْیَانَ ، عَن سَعْدِ بْنِ یُوسُفَ بْنِ یَعْقُوبَ قَالَ : قالُوا لِطَاوُوس فِی عَبْدٍ لَہُ فَقَالَ : مَا لَہُ مَالٌ أکاتبہ ، وَلاَ ہُوَ صَالِحٌ فَأُزَوِّجُہُ ، وَکَانَ یَکْرَہُ الضَّرْبَ ، وَیَقُولُ : الْقَیْدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(27244) হজরত সাদ বিন ইয়াসুফ বিন ইয়াকুব বলেন যে, কিছু লোক হজরত তাউসকে তার এক ক্রীতদাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল : তার কাছে ধন-সম্পদ নেই এবং আমি তাকে স্কুল বানাই না , সে ভালো যে আমি তাকে বিয়ে করি এবং সে ব্যক্তি হত্যা করা অপছন্দ করে । আপনি বলেছেনঃ তাকে বন্দী কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۵) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ طَہْمَانَ عَمَّنْ حَدَّثَہُ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَجْعَلَ الرَّجُلُ فِی عُنُقِ غُلاَمِہِ الرَّایَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৭২৪৫) হজরত ইব্রাহিম বিন তাহমান তার এক শায়খ থেকে বর্ণনা করেন যে, হজরত জাবির বিন আবদুল্লাহ শিশুর গলায় কলার বাঁধাকে মাকরূহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۶) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَن ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَجْعَلَ الرَّجُلُ فِی عُنُقِ غُلاَمِہِ الْبَرَّایَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(27246) হজরত হিশাম বলেন, হজরত হাসান বসরি একজন ব্যক্তির জন্য তার সন্তানের গলায় কলার বাঁধাকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۷) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَن مَسْرُوقٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، أَنَّہُ قَالَ لِرَجُلٍ وَذَکَرَ امْرَأَتَہُ فَقَالَ : قیِّدْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৭২৪৭) হজরত মাসরূক বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা. ) ওই ব্যক্তিকে বললেন , যে তার স্ত্রীর কথা বলল , তুমি তাকে বন্দি করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن أُسَامَۃَ بْنِ زَیْدٍ ، عَن مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْکَدِرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : سَلُوا اللَّہَ عِلْمًا نَافِعًا وَتَعَوَّذُوا بِاللَّہِ مِنْ عِلْمٍ لاَ یَنْفَعُ۔ (بخار ی۳۲۲۰۔ احمد ۲۳۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৭২৪৮) হজরত জাবির (রাঃ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে বলতে শুনেছি যে , তোমরা আল্লাহর কাছে উপকারী ইলম চাও এবং এমন জ্ঞান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও যা লাভজনক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۴۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن شُعْبَۃَ ، عَن غَالِبٍ الْعَبْدِیِّ ، عَن رَجُلٍ مِنْ بَنِی نمیر ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ، أَوْ جَدِّ أَبِیہِ قَالَ : قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنَّ أَبِی یُقْرِئُک السَّلاَمَ ، قَالَ : عَلَیْک وَعَلَی أَبِیک السَّلاَمُ ، قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنَّ قَوْمِی یُرِیدُونَ أَنْ یُعَرِّفُونِی ، قَالَ : لاَ بُدَّ مِنْ عَرِیفٍ ، وَالْعَرِیفُ فِی النَّارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 27249 ) হজরত গালিব আবদি বলেন , বনু নিমির গোত্রের এক ব্যক্তি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন : আমি বললাম : ইয়া রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! আমার বাবা আপনাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন . তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমার ও তোমার পিতার উপর শান্তি বর্ষিত হোক । আমি বললামঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! আমার জাতি আমাকে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দিতে চায় । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ একজন তত্ত্বাবধায়ক বাধ্যতামূলক । আর অভিভাবক জাহান্নামে থাকবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۵۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ أََبِی سَعِید ، عَن رَجُلٍ لَمْ یَکُنْ یُسَمِّہِ سَمِعَ أَنَسًا یَقُولُ : وَیْلٌ لِلْعُرَفَائِ وَالنُّقَبَائِ ، وَیْلٌ لِلأمَنَائِ ، وَدَّ أَحَدُہُمْ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ لَوْ کَانَ مُعَلَّقًا بِالثُّرَیَّا۔ (احمد ۵۳۱۔ ابویعلی ۶۱۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( 27250 ) হজরত আবু সাঈদ এমন এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন যার নাম তিনি বলেননি । তিনি হজরত আনাসকে এভাবে বলতে শুনেছেন : প্রশাসক হল তত্ত্বাবধায়কদের মৃত্যু এবং তাদের মধ্যে একজন ইচ্ছা করবে যে সে তারকাটিকে আঁকড়ে ধরতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۷۲۵۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن عِمْرَانَ بْنِ حُدَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَقِیقٍ ، عَن حَبِیبِ بْنِ حَیْدَۃَ قَالَ : لأَنْ أُقْطَعَ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَکُونَ عَرِیفًا عَلَی عَشْرَۃٍ سَنَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 27251 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাকীক বলেন , হজরত হাবিব ইবনে হাইদাহ বলেছেন : আমি দশ জনের চেয়ে টুকরো টুকরো হয়ে যেতে চাই । এক বছরের জন্য একজন সুপারভাইজার নিয়োগ করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৭২৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস