(২১) ( 27260 ) মারহুম বিন আবদ আল আযীজ , আবূ ইয়াহ থেকে বর্ণিত : কান আবু আল সাওয়ার আল আরী বিন আদীতে [হাদিসের সীমা (২৭০২২-২৮৪৭০), সর্বমোট হাদিসঃ ১৪৪৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩৬৯টি]



26891 OK

(২৬৮৯১)

সহিহ হাদিস

(۲۶۸۹۲) حَدَّثَنَا عَفَّانُ قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَن ثَابِتٍ ، عَن بِلاَلٍ ، عَنْ أَبِیہِ قَالَ : إن مِنْ صِلَۃِ الرَّجُلِ أَبَاہُ أَنْ یَصِلَ إخْوَانَہُ الَّذِینَ کَانَ یَصِلُہُمْ ، قَالَ حَمَّادٌ : أَحْسَبُہُ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قِیلَ لِحَمَّادٍ : بِلاَلُ بْنُ أَبِی بُرْدَۃَ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26892 ) হজরত বিলাল বলেন , তার পিতা হজরত আবু বুরদা (রা.) বলেন , নিশ্চয়ই একজন ব্যক্তির তার পিতার কাছ থেকে দয়া করা উচিত । অর্থাৎ , তার উচিত তার ভাইদের প্রতি করুণা করা , যাদের প্রতি তিনি করুণা করতেন । হজরত হামাদ বলেন , আমি মনে করি তিনি হজরত আবু মুসাকে উল্লেখ করছেন এবং হজরত হামাদকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , তিনি কি বিলাল ইবনে আবু বুরদাকে বোঝাতে চেয়েছেন ? আপনি বলেছেন : হ্যাঁ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৮৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26892 OK

(২৬৮৯২)

সহিহ হাদিস

(۲۶۸۹۳) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامٌ ، عَنْ أَبِیہِ قَالَ : مَکْتُوبٌ فِی التَّوْرَاۃِ : أَحْبِبْ حَبِیبَک وَحَبِیبَ أَبِیک۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26893 ) হজরত হিশাম বলেন যে, তাঁর পিতা হজরত আরওয়া বলেছেন : এইভাবে লেখা আছে যে, তুমি তোমার প্রিয়তমকে এবং তোমার পিতার প্রিয়জনকে ভালবাস।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৮৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26893 OK

(২৬৮৯৩)

সহিহ হাদিস

(۲۶۸۹۴) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو عَقِیلٍ قَالَ : حَدَّثَنَا سَلَمَۃُ بْنُ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ : تَرِّبُوا صُحُفَکُمْ أَنْجَحُ لَہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৮৯৪ ) হজরত সালামা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন , হজরত উমর ইবনে খাত্তাব ( রা . ) বলেছেন : তুমি তোমার কিতাবের ওপর কাদা ছিটিয়ে দাও , এটাই তার উদ্দেশ্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৮৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26894 OK

(২৬৮৯৪)

সহিহ হাদিস

(۲۶۸۹۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ قَالَ : أَخْبَرَنَا بَقِیَّۃُ قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الدِّمَشْقِیِّ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : تَرِّبُوا صُحُفَکُمْ أَنْجَحُ لَہَا وَالتُّرَابُ مُبَارَکٌ۔ (ترمذی ۲۷۱۳۔ ابن ماجہ ۳۷۷۴)


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৮৯৫ ) হজরত জাবির ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : তোমরা তোমাদের কিতাবের ওপর কাদা ছিটিয়ে দাও , এটাই এখন কাজ , আর মাটি একটি বরকতময় জিনিস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৮৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26895 OK

(২৬৮৯৫)

সহিহ হাদিস

(۲۶۸۹۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو شَیْبَۃَ ، عَن رَجُلٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : تَرِّبُوا صُحُفَکُمْ أَعْظَمُ لِلْبَرَکَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26896) ইমাম শাবি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের কিতাবের উপর মাটি ছিটিয়ে দাও , এটা মহা বরকতের উৎস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৮৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26896 OK

(২৬৮৯৬)

সহিহ হাদিস

(۲۶۸۹۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ ذُرَیْحٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ قَالَ : قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : إنِّی لأَرَی لِجَوَابِ الْکِتَابِ عَلَیَّ حَقًّا کَرَدِّ السَّلاَمِ۔ (ابن عدی ۱۷۶)


থেকে বর্ণিতঃ

(26897) ইমাম শাবি বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , আমি মনে করি যে, আমি যেভাবে সালামের উত্তর দিয়েছিলাম সেভাবে চিঠির উত্তর দেওয়া আমার জন্য আবশ্যক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৮৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26897 OK

(২৬৮৯৭)

সহিহ হাদিস

(۲۶۸۹۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ ، عَنْ عَامِرٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : مَا کُنْت أُبَالِی لَوْ کُنْت عَاشِرَ عَشَرَۃٍ عَلَی دَابَّۃٍ بَعْدَ أَنْ تُطِیقَنَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26898) হজরত আমীর বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন ; তিনি আমাদের উত্তোলন করার ক্ষমতা পাওয়ার পর একটি রাইডের দশজনের দশমাংশ হলে আমার কিছু যায় আসে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৮৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26898 OK

(২৬৮৯৮)

সহিহ হাদিস

(۲۶۸۹۹) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَن خَالِدٍ ، عَن عِکْرِمَۃَ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ تَلَقَّاہُ غُلاَمَانِ مِنْ بَنِی عَبْدِ الْمُطَّلِبِ ، فَحَمَلَ وَاحِدًا بَیْنَ یَدَیْہِ وَالآخَرَ خَلْفَہُ۔ (عبدالرزاق ۱۹۴۸۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৮৯৯) হযরত ইকরামা (রাঃ) বলেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বনু আব্দুল মুত্তালিবের দু’টি ছেলেকে দেখতে পেলেন , তখন তিনি তাদেরকে হত্যা করলেন এবং তাঁর সামনে একটি সওয়ারী করলেন তার পিছনে অন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৮৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26899 OK

(২৬৮৯৯)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَن حَبِیبِ بْنِ الشَّہِیدِ ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ بْنُ جَعْفَرٍ لابْنِ الزُّبَیْرِ : أَتَذْکُرُ إذْ تَلَقَّیْنَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنَا وَأَنْتَ ، وَابْنُ عَبَّاسٍ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، فَحَمَلَنَا وَتَرَکَک۔ (مسلم ۱۸۸۵۔ احمد ۱/۲۰۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( 26900 ) হজরত ইবনে আবি মিলি বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জাফর হজরত ইবনে জুবায়েরকে বলেন যে , মনে আছে যে, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে , আপনি এবং ইবনে আব্বাসের সাথে দেখা করেছিলেন ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ , তাহলে আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদের দুজনকে জাহাজে তুলে নিয়ে গেলেন এবং তোমাদের সবাইকে রেখে গেলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৮৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26900 OK

(২৬৯০০)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ، عَنْ عَاصِمٍ قَالَ: حدَّثَنَا مُوَرِّقُ الْعِجْلِیّ قَالَ: حَدَّثَنَی عَبْدُ اللہِ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَ: کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ تُلُقِّیَ بِنَا ، قَالَ: فَتُلُقِّیَ بِی ، وَبِالْحَسَنِ، أَوْ بِالْحُسَیْنِ ، قَالَ : فَحَمَلَ أَحَدَنَا بَیْنَ یَدَیْہِ ، وَالآخَرَ خَلْفَہُ ، حَتَّی دَخَلْنَا الْمَدِینَۃَ۔ (ابوداؤد ۲۵۵۹۔ احمد ۲۰۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(26901) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) যখন সফর থেকে ফিরে এসে আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আমাকে এবং হজরত হাসান বা হজরত হুসাইনকে ডাকতেন অতঃপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) একটি সওয়ারী তার সামনে এবং অপরটি পেছনে করতেন । হ্যাঁ , যতক্ষণ না আমরা মদীনা ও মনোরুমে প্রবেশ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26901 OK

(২৬৯০১)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۲) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَن سُفْیَانَ الْعَطَّارِ ، قَالَ : رَأَیْتُ الشَّعْبِیَّ مُرْتَدِفًا خَلْفَ رَجُلٍ ، قَالَ : وَکَانَ یَقُولُ : صَاحِبُ الدَّابَّۃِ أَحَقُّ بِمُقَدَّمِہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26902 ) হযরত সুফিয়ান বিন আত্তার বলেন , আমি ইমাম শাবীকে দেখেছি যে , তিনি ঘোড়ায় চড়ে একজন লোকের পিছনে বসে বলতেন যে , মালিকের সামনে দাঁড়ানোর অধিক হকদার ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26902 OK

(২৬৯০২)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۳) حَدَّثَنَا عَبْدُالْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ، عَن خَالِدٍ، عَن مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَرْکَبَ ثَلاَثَۃٌ عَلَی دَابَّۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26903) হজরত খালিদ বলেন , হজরত মুহাম্মদ বিন স্যার নায়েক তাঁর ঘোড়ায় তিনজন লোক চড়াকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26903 OK

(২৬৯০৩)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَجْلَحِ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ قَالَ : أَیُّمَا ثَلاَثَۃٍ رَکِبُوا عَلَی دَابَّۃٍ فَأَحَدُہُمْ مَلْعُونٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26904 ) হযরত আল - জালাহ বলেন , ইমাম শাবী বলেছেন , যে ব্যক্তি দুজনের ঘোড়ায় চড়বে , সে অভিশপ্ত হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26904 OK

(২৬৯০৪)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَن جِبْرِیلَ بْنِ أَحْمَرَ ، عَنِ ابْنِ بُرَیْدَۃَ قَالَ : رَآنِی أَبِی رِدْفَ ثَالِثٍ فَقَالَ : مَلْعُونٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26905 ) হজরত ইবনে বুরিদাহ বলেন , আমার পিতা আমাকে সওয়ারীর পেছনে সওয়ার হতে দেখে বললেন , অভিশপ্ত ব্যক্তি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26905 OK

(২৬৯০৫)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۶) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ جَابِر ، عَنْ عَامِرٍ قَالَ : خَرَجْتُ إلَی الْحِیرَۃِ أَنْظُرُ إلَی الْفِیلِ ، فَرَأَیْت الْحَارِثَ الأَعْوَرَ رَاکِبًا وَخَلْفَہُ رِدْفٌ ، قَالَ : فَقَالَ : لَوْ صَلُحَ ثَلاَثَۃٌ حَمَلْنَاک۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26906) হজরত জাবির বলেন , হজরত আমীর (রা. ) বলেন , আমি আমার হাত দেখতে পাবার জন্য হীরার দিকে বের হলাম , তখন আমি হজরত হারিছ আওয়ারকে এমন অবস্থায় উঠিয়ে নিলাম যে , কেউ একজন তার পেছনে সওয়ার হয়েছে । তিনি বললেনঃ এই রাইড যদি শেষ পর্যন্ত করতে পারত , তাহলে আমরা তোমাকেও চড়তে দিতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26906 OK

(২৬৯০৬)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَن حسن ، عَن مُہَاجِرِ بْنِ قُنْفُذٍ قَالَ : کُنَّا نَتَحَدَّثُ مَعَہُ إذْ مَرَّ ثَلاَثَۃٌ عَلَی حِمَارٍ ، فَقَالَ لِلآخِرِ مِنْہُمْ : انْزِلْ لَعَنَک اللَّہُ ، قَالَ : فَقِیلَ لَہُ : تَلْعَنُ ہَذَا الإِِنْسَان ؟ قَالَ : فَقَالَ : إنَّا قَدْ نُہِینَا عَن ہَذَا : أَنْ یَرْکَبَ الثَّلاَثَۃُ عَلَی الدَّابَّۃِ۔ (طبرانی ۷۸۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(26907) হজরত হাসান বলেন , হজরত মাহাজির ইবনে কুনফুত (রা.) বলেন , আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলাম , যখন তিনজন লোক একটি গাধার ওপর দিয়ে যাচ্ছিল । তাদের একজন আরেকজনকে বললো : নাও , আল্লাহ তোমাকে অভিশাপ দেবেন ? তিনি উত্তরে বললেন , আমাদেরকে একটি পশুতে তিনজন লোক চড়তে নিষেধ করা হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26907 OK

(২৬৯০৭)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی الْعَنْبَسِ ، عَن زَاذَانَ قَالَ : رَأَی ثَلاَثَۃً عَلَی بَغْلٍ فَقَالَ لِیَنْزِلْ أَحَدُکُمْ ، فَإِنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لَعَنَ الثَّالِثَ۔ (ابوداؤد ۲۹۹)


থেকে বর্ণিতঃ

(26908) হজরত আবু আল - আনাব বলেন যে , হজরত জাযান একটি খচ্চরে আরোহী তিনজনকে দিয়ে বললেন : আমি চাই তুমি আমার কাছ থেকে নেমে যাও কারণ আল্লাহর রাসূল ( সা . ) তৃতীয় আরোহীকে অভিশাপ দিয়েছেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26908 OK

(২৬৯০৮)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن بَشِیرِ بْنِ سَلْمَانَ ، عَن سَیَّارِ أَبِی الْحَکَمِ ، عَن طَارِقِ بْنِ شِہَابٍ قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ إذَا صَلَّی الْفَجْرَ لَمْ یَدَعْ أَحَدًا مِنْ أَہْلِہِ صَغِیرًا ، وَلاَ کَبِیرًا یُطرِق حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26909 ) হজরত তারিক ইবনে শিহাব বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ যখন ফজরের নামাজ পড়তেন , তখন তিনি কোনো শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ককে তার ঘরে ঘুমাতে রাখতেন না যাতে সূর্য উদিত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26909 OK

(২৬৯০৯)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن فُضَیْلِ بْنِ غَزْوَانَ ، عَن مُہَاجِرِ بْنِ شَمَّاسٍ ، عَنْ عَمِّہِ قَالَ : کُنْتُ أَخْرُجُ إلَی جَبَّانَۃٍ مِنْ ہَذِہِ الْجَبَابِینِ أَنْصِبُ بِفَخٍّ لِی ، فَخَرَجْت ثَلاَثَ غَدَوَاتٍ أَرَی رَجُلاً بَعْدَ الْفَجْرِ جَالِسًا فِی مَکَان، قُلْتُ: یَا عَبْدَ اللہِ ، مَنْ أَنْتَ ؟ قَالَ : أَنَا حُذَیْفَۃُ بْنُ الْیَمَانِ ، قَالَ : قُلْتُ : أَیُّ شَیْئٍ تَصْنَعُ ہَاہُنَا ؟ قَالَ : أَنْظُرُ إلَی الشَّمْسِ مِنْ أَیْنَ تَطْلُعُ ؟۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26910 ) হজরত মাহাজির বিন শামাসের চাচা বলেন , ফজরের পর তিন দিন পর্যন্ত এক ব্যক্তি উঁচু স্থানে বসে খাচ্ছিল । আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম , হে আল্লাহর বান্দা, তুমি কে ? তিনি বললেন , আমি হুজাইফা বিন মান । আমি বললাম কি করছ ? তিনি বললেন, আমি ভাবছি সূর্য কোথা থেকে ওঠে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26910 OK

(২৬৯১০)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ قَالَ: حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ قَالَ: حَدَّثَنی قَیْسُ بْنُ أَبِی حَازِمٍ، عَن مُدْرِکِ بْنِ عَوْفٍ قَالَ: مَرَرْت عَلَی بِلاَلٍ وَہُوَ بِالشَّامِ جَالِسٌ غُدْوَۃً، فَقُلْت: مَا یُجلسک یَا أَبَا عَبْدِ اللہِ، قَالَ: أَنْتَظِرُ طُلُوعَ الشَّمْسِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26911) হজরত মুদরাক ইবনে আউফ বলেন , আমি হজরত বিলাল ( রা .)-এর ওপর দিয়ে গেলাম , যখন তিনি সন্ধ্যায় এবং সকালে বসেছিলেন । আমি জিজ্ঞেস করলাম , হে আবূ আবদুল্লাহ ! কিসে তোমাকে সেখানে বসিয়ে দিল ? আপনি বলেছেন : আমি সূর্য উদয়ের অপেক্ষায় আছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26911 OK

(২৬৯১১)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَن سِمَاکٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَۃَ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ إذَا صَلَّی الْفَجْرَ جَلَسَ فِی مُصَلاَّہُ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26912) হজরত জাবির ইবনে সামরা বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) যখন ফজরের সালাত আদায় করতেন , তখন সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত নিজের জায়গায় বসে থাকতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26912 OK

(২৬৯১২)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن سَلَمَۃَ ، عَنِ الضَّحَّاکِ قَالَ : عَجَبًا لأَصْحَابِ عَبْدِ اللہِ ، إنَّہُمْ یَنْظُرُونَ إلَی الشَّمْسِ مِنْ حَیْثُ تَطْلُعُ ، أَوَلاَ یَعْلَمُونَ أَنَّ الْفَجْرَ إذَا طَلَعَ مِنْ مَوْضِعٍ طَلَعَتْ مِنْہُ الشَّمْسُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26913) হজরত সালমা বলেন , হজরত দাহহাক (রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহর সাহাবীরা অবাক! যে তারা সূর্য উদিত হওয়ার সময় গভীরভাবে তাকায় । তারা কি জানে না যে সূর্যও যেখান থেকে ভোর হয় সেখান থেকেই উদিত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26913 OK

(২৬৯১৩)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَن جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللہِ الْبَجَلِیِّ ، ثُمَّ الْقَسْرِیِّ قَالَ : اسْتَأْذَنْت عَلَی حُذَیْفَۃَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ فَلَمْ یُؤْذَنْ لِی فَرَجَعْت : فَإِذَا رَسُولُہُ قَدْ لَحِقَنِی فَقَالَ : مَا رَدَّک ؟ قُلْتُ : ظَنَنْت أَنَّک نَائِمٌ ؟ قَالَ : مَا کُنْت لأَنَامَ حَتَّی أَنْظُرَ مِنْ أَیْنَ تَطْلُعُ الشَّمْسُ قَالَ : فَحَدَّثْتُ بِہِ مُحَمَّدًا فَقَالَ : قَدْ فَعَلَہُ غَیْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৯১৪ ) হজরত জুনদাব বিন আবদুল্লাহ বজলী কাসরি বলেন , আমি হজরত হুজাইফা ( রা . ) - এর কাছে তিনবার অনুমতি চেয়েছিলাম , তিনি অনুমতি দেননি , তাই আমি আপনার দূতকে গ্রহণ করলাম । তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ কি তোমাকে ফিরিয়ে এনেছে ? আমি বললাম : আমি ভেবেছিলাম আপনি ঘুমাচ্ছেন তিনি বললেনঃ সূর্য কোথায় উদিত হয় তা না দেখা পর্যন্ত আমি ঘুমাবো না বর্ণনাকারী বলেন . আমি এই হাদীসটি ইমাম মুহাম্মদের কাছ থেকে নিয়েছি তাই তিনি বললেনঃ মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর অনেক সাহাবী এ কাজ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26914 OK

(২৬৯১৪)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ قَالَ : لاَ تَبِتْ فِی بَیْتٍ وَحْدَک ، فَإِنَّ الشَّیْطَانَ أَشَدُّ مَا یَکُونُ وَلَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৯১৫) হজরত জাবির (রা) বলেন , হজরত আবু জাফর (রা.) বলেন , ঘরে একা রাত কাটাবেন না । কারণ শয়তান মানুষকে সবচেয়ে বেশি প্ররোচিত করে যখন সে একাকী রাত কাটায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26915 OK

(২৬৯১৫)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۶) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ قَالَ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُسَافِرَ الرَّجُلُ وَحْدَہُ ، أَوْ یَبِیتَ فِی بَیْتٍ وَحْدَہُ۔ (ابوداؤد ۳۱۱۔ احمد ۹۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৯১৬) হজরত আত্তাই বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কোনো ব্যক্তিকে একা ভ্রমণ বা একাকী রাত কাটাতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26916 OK

(২৬৯১৬)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَاصِمِ بن مُحَمَّد ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَوْ یَعْلَمُ أَحَدُکُمْ مَا فِی الْوَحْدَۃِ مَا سَارَ أَحَدُکُمْ بِاللَّیْلِ۔ (بخاری ۲۹۹۸۔ ترمذی ۱۶۷۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( 26917) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : তোমাদের কেউ যদি প্রাণ হারায় , তবে আমি রাতে সফর করতাম না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26917 OK

(২৬৯১৭)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَن سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَن مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ یَزِیدَ قَالَ : کَانَ أَبِی لاَ یَأْتَمِن عَلَی حَدِیثِہِ أَہْلَہُ ، کَانَ یَخْلُو ہُوَ وَأَصْحَابُہُ فِی غُرْفَۃٍ یَتَحَدَّثُونَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26918 ) হজরত মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ বলেন , আমার পিতা তার কথায় পরিবারের সদস্যদের বিশ্বাস করেননি । আর সে ও তার বন্ধুরা একা ঘরে বসে গল্প করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26918 OK

(২৬৯১৮)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۱۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن سُفْیَانَ ، عَن سَلَمَۃَ ، عَن عِیسَی بْنِ عَاصِمٍ ، عَن زِرٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الطِّیَرَۃُ شِرْکٌ ، الطِّیَرَۃُ شِرْکٌ ، وَمَا مِنَّا إلاَّ ، وَلَکِنَّ اللَّہَ یُذْہِبُہُ بِالتَّوَکُّلِ۔ (ابوداؤد ۳۹۰۵۔ ابن ماجہ ۳۵۳۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(26919) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : বদফাল শিরক । বদফাল শিরক । এবং আমাদের প্রত্যেকেরই কোন না কোন দুর্ঘটনা আছে কিন্তু আল্লাহর উপর ভরসা করার কারণে তিনি তা দূর করে দেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26919 OK

(২৬৯১৯)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن سُفْیَانَ ، عَن حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ ، عَن عُرْوَۃَ بْنِ عَامِرٍ قَالَ : سُئِلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنِ الطِّیَرَۃِ فَقَالَ : أَحْسَنُہَا الْفَأْلُ ، وَلاَ تَرُدَّ مُسْلِمًا ، فَإِذَا رَأَی أَحَدُکُمْ مِنْ ذَلِکَ مَا یَکْرَہُ فَلْیَقُلْ : اللَّہُمَّ لاَ یَأْتِی بِالْحَسَنَاتِ ، وَلاَ یَدْفَعُ السَّیِّئَاتِ إلاَّ أَنْتَ ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّۃَ إلاَّ بِک۔ (ابوداؤد ۳۹۱۴۔ بیہقی ۱۳۹)


থেকে বর্ণিতঃ

(26920) হজরত উরওয়া ইবনে আমির (রা.) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে খারাপ বিশ্বাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল । তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ) বললেনঃ তার মধ্যে সৌভাগ্য রয়েছে এবং কোন মুসলমানের কাছ থেকে কিছুই কেড়ে নেওয়া যায় না , আর যখন কেউ এমন কথা বলে যা তার অপছন্দ হয় , তখন সে যেন তা পাঠ করে । দুআ অনুবাদঃ হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কেউ কল্যাণ আনতে পারবে না এবং কেউ মন্দ দূর করতে পারবে না আর পাপ থেকে বাঁচার শক্তি এবং ভালো কাজ করার শক্তি শুধু তোমার সাহায্যেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26920 OK

(২৬৯২০)

সহিহ হাদিস

(۲۶۹۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی جُنَابٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ عَدْوَی ، وَلاَ طِیَرَۃَ ، وَلاَ ہَامَۃَ ، فَقَامَ إلَیْہِ رَجُلٌ فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، الْبَعِیرُ یَکُونُ بِہِ الْجَرَبُ فَتُجْرَبُ بِہِ الإِبِلُ ؟ قَالَ : ذَلِکَ الْقَدَرُ ، فَمَنْ أَجْرَبَ الأَوَّلَ ؟۔ (بخاری ۵۷۱۷۔ مسلم ۱۷۴۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( 26921 ) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : স্পর্শ করার কোনো অধিকার নেই এবং অন্যায়ের কোনো অধিকার নেই , এবং কোনোটির কোনো প্রকৃত সময় নেই তাদের . এক বেদুইন লোক উঠে দাঁড়িয়ে বলল । হে আল্লাহর রাসূল ( সা . ) ! কারো উটের চুলকানি হলে সব উট চুলকায় । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ এটাও নিয়তি , নইলে প্রথম জনকে চুলকালো কে দিল ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৯২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস