(২১) ( 27260 ) মারহুম বিন আবদ আল আযীজ , আবূ ইয়াহ থেকে বর্ণিত : কান আবু আল সাওয়ার আল আরী বিন আদীতে [হাদিসের সীমা (২৭০২২-২৮৪৭০), সর্বমোট হাদিসঃ ১৪৪৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৭৮৯টি]



26471 OK

(২৬৪৭১)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ، قَالَ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، عَنْ نَتْفِ الشَّیْبِ وَقَالَ : ہُوَ نُورُ الْمُؤْمِنِ۔ (ترمذی ۲۸۲۱۔ ابن ماجہ ۳۷۲۱)


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৪৭২) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) সাদা চুল সংগ্রহ করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন : এটি মুমিনের নূর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26472 OK

(২৬৪৭২)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَیُّوبَ السِّخْتِیَانِیِّ ، عَنْ یُوسُفَ ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِیبٍ ، أَنَّ حَجَّامًا أَخَذَ مِنْ شَارِبِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَرَأَی شَیْبَۃً فِی لِحْیَتِہِ ، فَأَہْوَی إلَیْہَا ، فَأَخَذَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِیَدِہِ وَقَالَ : مَنْ شَابَ شَیْبَۃً فِی الإِسْلاَمِ کَانَتْ لَہُ نُورًا یَوْمَ الْقِیَامَۃِ۔ (ترمذی ۱۶۳۵۔ ابن سعد ۴۳۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( 26473 ) হজরত তালাক ইবনে হাবীব বলেন , নাপিত রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর গোঁফ ছাঁটান । রাসূলুল্লাহ ( সা . )- এর দাড়িতে একটি সাদা চুল ছিল এবং তিনি চাইলেন । কেটে ফেললেন , তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত ধরলেন । আর বললেনঃ যে ব্যক্তি ইসলামে বৃদ্ধ হবে কিয়ামতের দিন তার জন্য আলো হয়ে থাকবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26473 OK

(২৬৪৭৩)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۴) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنِ الْمُثَنَّی ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ نَتْفَ الشَّیْبِ۔ (مسلم ۱۰۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(26474) হজরত কাতাদাহ বলেন , হজরত আনাস (রা) চুল সাদা করাকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26474 OK

(২৬৪৭৪)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۵) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : عُذِّبَ رَجُلٌ فِی نَتْفِ الشَّیْبِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26475 ) হজরত কাতাদাহ বলেন , হজরত সাঈদ ইবনে জুবায়ের বলেছেন : সাদা চুল থাকার কারণে একজনকে শাস্তি দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26475 OK

(২৬৪৭৫)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حُمَیْدٍ الأَعْرَجِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کَانَ یَقُولُ : لاَ تَنْتِفُوا الشَّیْبَ فَإِنَّہُ نُورٌ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26476) হজরত হামেদ ইরাজ বলেন , হজরত মুজাহিদ বলতেন , সাদা চুল তুলবেন না । খ. সন্দেহ এই জাতির দিনে আলো হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26476 OK

(২৬৪৭৬)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَرِہَ نَتْفَ الشَّیْبِ وَلَمْ یَرَ بِقَصِّہِ بَأْسًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26477) হজরত আবু মুশার বলেন , হজরত ইব্রাহীম সাদা চুল ছিঁড়ে ফেলাকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছিলেন এবং কাটাতে কোনো ক্ষতি আছে বলে মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26477 OK

(২৬৪৭৭)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ اللہِ بْنَ عُمَرَ یَقُولُ : الْقُعُودُ بَیْنَ الظِّلِّ وَالشَّمْسِ مَقْعَدُ الشَّیْطَانِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26478 ) ইমাম শাবী বলেন , আমি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমরকে বলতে শুনেছি যে , ছায়া ও সূর্যের মাঝখানে বসা শয়তানের পথ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26478 OK

(২৬৪৭৮)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یَقْعُدَ الرَّجُلُ بَیْنَ الظِّلِّ وَالشَّمْسِ۔ (بخاری ۱۱۷۴۔ عبدالرزاق ۱۹۸۰۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( 26479 ) হজরত কাতাদাহ বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো ব্যক্তিকে ছায়া ও সূর্যের মাঝখানে বসতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26479 OK

(২৬৪৭৯)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ زِیَادٍ مَوْلَی بَنِی مَخْزُومٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : حرْفُ الظِّلِّ مَقْعَدُ الشَّیْطَانِ۔ (ابوداؤد ۴۷۸۸۔ احمد ۲/۳۸۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( 26480) হজরত যায়েদ , যিনি বনু মাহজুমের আযাদকৃত ক্রীতদাস , তিনি বলেন , হজরত আবু হুরায়রা বলেছেন : ছায়ার প্রান্ত শয়তানের আবাসস্থল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26480 OK

(২৬৪৮০)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ قُرَّۃَ ، عَنْ نُفَیْعٍ الْجَمَّالِ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ، قَالَ: حرْفُ الظِّلِّ مَقِیلُ الشَّیْطَانِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26481) হজরত নাফী আল - জামাল বলেন , হজরত সাঈদ বিন আল - মুসাইব ( রা . ) বলেন : ছায়ার প্রান্ত হল সেই স্থান যেখানে শয়তান তার আর্তনাদ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26481 OK

(২৬৪৮১)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۲) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ الْجَعْدِ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ وَاسِعٍ ، عَنْ أَبِی عِیَاضٍ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ عُمَیْرٍ ، قَالَ : حَدُّ الظِّلِّ وَالشَّمْسِ مَقَاعِدُ الشَّیْطَانِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৪৮২ ) হজরত আবু আইয়াজ বলেন , হজরত উবাইদ ইবনে উমায়ের ( রা . ) বলেছেন : সূর্যের প্রান্ত ও ছায়া হলো শয়তান বসার স্থান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26482 OK

(২৬৪৮২)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۳) حَدَّثَنَا عَبْدُالأَعْلَی، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِکْرِمَۃَ فِی الَّذِی یَقْعُدُ بَیْنَ الظِّلِّ وَالشَّمْسِ: قَالَ ذَاکَ مَقْعَدُ الشَّیْطَانِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৪৮৩) হজরত খালিদ বলেন, সূর্য ও ছায়ার মাঝে যে ব্যক্তি বসে থাকে সে সম্পর্কে হজরত ইকরামা ( রা . ) বলেন , সে শয়তানের বসার জায়গা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26483 OK

(২৬৪৮৩)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۴) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنْ أَبِی الْمُنِیبِ ، عَنِ ابْنِ بُرَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّہُ نَہَی أَنْ یُقْعَدَ بَیْنَ الشَّمْسِ وَالظِّلِّ۔ (ابن ماجہ ۳۷۲۔ حاکم ۲۷۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৪৮৪ ) হজরত বুরিদা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের ছায়া ও রোদে বসতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26484 OK

(২৬৪৮৪)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُدَیْرٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عِکْرِمَۃَ یَقُولُ : مَنِ اسْتَمَعَ حَدِیث قَوْمٍ وَہُمْ لَہُ کَارِہُونَ صُبَّ فِی أُذُنِہِ الآنُکُ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ یَعْنِی الرَّصَاصَ۔ (بخاری ۷۰۴۲۔ ابوداؤد ۴۹۸۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৪৮৫) হজরত ইমরান বিন হুদায়র বলেন , আমি হজরত ইকরামা (রা.) - কে বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি কোনো জাতির কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং তারা তা অপছন্দ করবে , সে উম্মত থেকে বের হয়ে যাবে যেদিন তার কানে প্রস্রাব ঢেলে দেওয়া হবে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26485 OK

(২৬৪৮৫)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ الْمُبَارَکِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی أَیُّوبَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ دِینَارٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَتَّخِذُوا ظُہُورَ الدَّوَابِّ کَرَاسِیَ لأَحَادِیثِکُمْ ، فَرُبَّ رَاکِبِ مَرْکُوبَۃٍ ہِیَ خَیْرٌ مِنْہُ وَأَطْوَعُ لِلَّہِ وَأَکْثَرُ ذِکْرًا۔ (احمد ۳/۴۴۰۔ دارمی ۲۶۶۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৪৮৬) হজরত আতা ইবনে দিনার (রা ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : তোমরা তোমাদের কথার জন্য পশুর পিঠ ব্যবহার করো না কারণ অনেক রাইড আরোহীর চেয়ে উত্তম , কারণ তারা আল্লাহর আনুগত্য করে এবং অনেক বেশি স্মরণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26486 OK

(২৬৪৮৬)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۷) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَعِیدٍ الزُّبَیْدِیِّ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، أَنَّ عُمَرَ کَرِہَ الْوُقُوفَ عَلَی الدَّابَّۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26487 ) হজরত ইব্রাহিম মুতায়মি বলেন , উমর ( রা . ) কোনো প্রাণীকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করানোকে জঘন্য ঘোষণা করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26487 OK

(২৬৪৮৭)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ کَامِل، عَن حَبِیب قَالَ: کَانَ یَکرہ طُول الْوُقُوفِ عَلَی الدَّابَّۃِ وَأَنْ تُضْرَبَ وَہِیَ محسنۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৪৮৮ ) হজরত কামিল বলেন , হজরত হাবীব (রা.) ঘোড়াকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করানো এবং একে মেরে ফেলাকে জঘন্য মনে করতেন যদিও তা উপকারী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26488 OK

(২৬৪৮৮)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۸۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ، عَنْ مُوسَی الْجُہَنِیِّ، قَالَ: رَأَیْتُ الشَّعْبِیَّ وَطَلْحَۃَ مُتَوَاقِفَیْنِ عَلَی دَارِ سَعْدِ بْنِ طَلْحَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26489) হজরত মুসা জানী বলেন , আমি ইমাম শাবি ও হযরত তালহাকে দেখেছি যে, তারা উভয়েই হযরত সাদ বিন তালহার ঘরে দাঁড়িয়ে আছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26489 OK

(২৬৪৮৯)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا دَاوُد بْنُ أَبِی ہِنْدٍ ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، أَنَّ أَبَا مُوسَی اسْتَأْذَنَ عَلَی عُمَرَ ثَلاَثًا فَلَمْ یَأْذَنْ لَہُ ، قَالَ: فَانْصَرَفَ فَأَرْسَلَ إلَیْہِ عُمَرُ : مَا رَدَّک؟ قَالَ : اسْتَأْذَنْت الاِسْتِئْذَانَ الَّذِی أَمَرَنَا بِہِ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ثَلاَثًا ، فَإِنْ أُذِنَ لَنَا دَخَلْنَا ، وَإِنْ لَمْ یُؤْذَنْ لَنَا رَجَعْنَا ، قَالَ : لِتَأْتِینَّ عَلَی ہَذَا بِبَیِّنَۃٍ ، أَوْ لأَفْعَلَنَّ وَأَفْعَلَنَّ ، فَأَتَی مَجْلِسَ قَوْمِہِ فَنَاشَدَہُمْ ، فَشَہِدُوا لَہُ ، فَخَلَّی عَنْہُ۔ (بخاری ۲۰۶۲۔ مسلم ۳۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(26490) হজরত আবু সাঈদ বলেন , হজরত আবু মূসা ইয়া আশআরী (রা.) তিনবার হজরত ওমরের কাছে অনুমতি চাইলেও তিনি তাকে অনুমতি দেননি , তাই তিনি ফিরে আসেন । হযরত ওমর (রাঃ) একজন দূত পাঠিয়ে তাদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন ? কি তোমাকে ফিরিয়ে এনেছে ? তিনি বললেনঃ আমি তিনবার অনুমতি চাইলাম , যা করার জন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন , তাই আমরা প্রবেশ করি এবং অনুমতি না পেলে আমরা ফিরে যাব পেছনে . হযরত ওমর (রাঃ) বললেনঃ এ ব্যাপারে কিছু সাক্ষী আন । অন্যথায় আমি অমুক অমুক কাজ করব , ( আমি তোমাকে শাস্তি দেব ) তাই তারা জনতার মজলিসে এসে লোকদের কাছে কসম করে জিজ্ঞেস করলে তিনি তার পক্ষে সাক্ষ্য দেন , তখন হযরত ওমর ( রা . ) তাকে ছেড়ে দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26490 OK

(২৬৪৯০)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۱) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : الأُولَی إذن ، وَالثَّانِیَۃُ مُؤَامَرَۃٌ ، وَالثَّالِثَۃُ عَزْمَۃٌ ، إمَّا أَنْ یُؤْذَنُوا وَإِمَّا أَنْ یُرَدُّوا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26491 ) হজরত হাসান বসরি বলেন , হজরত আলী বলেছেন : প্রথমবার হলো অনুমতি , দ্বিতীয়বার হলো উপদেশ এবং তৃতীয়বার হলো দৃঢ় সংকল্প তারা ফিরিয়ে দিয়েছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26491 OK

(২৬৪৯১)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۲) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : الاِسْتِئْذَانُ ثَلاَثٌ ، فَإِنْ أُذِنَ لَکَ وَإِلاَّ فَارْجِعْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৪৯২ ) হজরত হিশাম বলেন , হজরত হাসান বসরি বলেছেন : তিনবার অনুমতি চাওয়া হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26492 OK

(২৬৪৯২)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الْقَوْمِ یَسْتَأْذِنُونَ ، قَالَ : قَالَ : إِنْ قَالَ رَجُلٌ مِنْہُمُ السَّلاَمُ عَلَیْکُمْ أَنَدْخُلُ ، أَجْزَأَ ذَلِکَ عَنْہُمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26493) হজরত হিশাম বলেন , হজরত হাসান বসরি এমন লোকদের সম্পর্কে বলেছেন যারা অনুমতি চায় । তিনি বললেনঃ যদি এই লোকদের একজনও হয় এভাবে বলুন , আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক । আমরা কি প্রবেশ করব ? তাই এটি সবার জন্য যথেষ্ট হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26493 OK

(২৬৪৯৩)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : دَخَلْنَا عَلَی أَبِی رَزِینٍ وَنَحْنُ ذُو عَدَدٍ ، فَکَانَ کُلُّ إنْسَانٍ مِنَّا یُسَلِّمُ وَیَسْتَأْذِنُ ، فَقَالَ : إِنَّہُ إذَا أُذِنَ لأَوَّلِکُمْ أُذِنَ لآخِرِکُمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26494 ) হজরত মুগীরাহ বলেন , আমরা এমন অবস্থায় হজরত আবু রাযিন ( রা .) - এর খেদমতে এসেছিলাম যে, আমরা অনেক ছিলাম এবং আমাদের প্রত্যেকেই সালাম করছিল এবং অনুমতি চাইছিল । তখন তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই প্রথম যখন তোমাকে এবং আমাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল , তখন অন্য সবাইকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26494 OK

(২৬৪৯৪)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، قَالَ : عَطَسَ رَجُلاَنِ عِنْدَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَشَمَّتَ ، أَوْ سَمَّتَ أَحَدَہُمَا وَلَمْ یُشَمِّتِ الآخَرَ ، فَقِیلَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، عَطَسَ عِنْدَکَ رَجُلاَنِ فَشَمَّتَ أَحَدَہُمَا وَلَمْ تُشَمِّتِ الآخَرَ ، فَقَالَ : إنَّ ہَذَا حَمِدَ اللَّہَ ، وَإِنَّ ہَذَا لَمْ یَحْمَدِ اللَّہَ۔ (بخاری ۶۲۲۱۔ مسلم ۲۲۹۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৪৯৫) হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন , দুজন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে হাঁচি দিতে আসলেন , অতঃপর তিনি তাদের একজনকে ‘ তুই রাহমাক আল্লাহ ’ বলে দোয়া করলেন এবং বললেন না । অপরকে ওয়াই রাহমাক আল্লাহ । তাঁকে (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জিজ্ঞেস করা হলঃ হে আল্লাহর রাসূল ( সাঃ ) ! দু’জন লোক তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছে হাঁচি দিতে এলো । আপনি (রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ) তাদের একজনকে ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলে দোয়া করেছিলেন এবং অপরজনকে ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলেননি ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তিনি আলহামদুলিল্লাহ বলেছেন এবং তিনি আলহামদুলিল্লাহ বলেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26495 OK

(২৬৪৯৫)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۶) حَدَّثَنَا قَاسِمُ بْنُ مَالِکٍ الْمُزَنِیّ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ کُلَیْبٍ ، عَنْ أَبِی بُرْدَۃَ ، قَالَ : دَخَلْت عَلَی أَبِی مُوسَی وَہُوَ فِی بَیْتِ بِنْتِ الْفَضْلِ فَعَطَسْت فَلَمْ یُشَمِّتْنِی وَعَطَسَتْ فَشَمَّتَہَا ؟ فَرَجَعْت إلَی أُمِّی فَأَخْبَرْتُہَا ، فَلَمَّا جَائَہَا ، قَالَتْ : عَطَسَ عِنْدَکَ ابْنِی فَلَمْ تُشَمِّتْہُ وَعَطَسَتْ فَشَمَّتَّہَا ، قَالَ : إنَّ ابْنَک عَطَسَ وَلَمْ یَحْمَدِ اللَّہَ فَلَمْ أُشَمِّتْہُ ، وَعَطَسَتْ ہذہ وَحَمِدَتِ اللَّہَ فَشَمَّتُّہَا ، وَسَمِعْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : إذَا عَطَسَ أَحَدُکُمْ فَحَمِدَ اللَّہَ فَشَمِّتُوہُ ، وَإِذَا لَمْ یَحْمَدِ اللَّہَ فَلاَ تُشَمِّتُوہُ۔ (بخاری ۹۴۱۔ مسلم ۲۲۹۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৪৯৬) হজরত আবু বুরদা বলেন , আমি হজরত আবু মূসা (রা.) -এর কাছে এলাম , যখন তিনি বিনতে ফজল ( রা.)- এর ঘরে ছিলেন , তখন আমি হাঁচি দিলাম , তিনি আমাকে হাঁচি দিলেন , তিনি বললেন না ইয়া রাহমাক আল্লাহ এবং যখন বিনতে ফজল হাঁচি দিলেন, তখন তিনি বললেন ইয়া রাহমাক। আল্লাহ তার কাছে । আমি আমার মায়ের কাছে ফিরে এলাম এবং যখন তিনি তার সেবায় এলেন , তখন তিনি বললেন : যখন আপনার কাছে একটি ছেলে হাঁচি দেয় , তখন আপনি তাকে বলবেন না , ইয়ে রাহমাক আল্লাহ আর এই মেয়েটি হাঁচি দিলে তুমি তাকে ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলে । তিনি বললেনঃ আপনার ছেলে হাঁচি দিয়েছে এবং সে আলহামদুলিল্লাহ বলল না । যখন নিকা এল , তখন সে আলহামদুলিল্লাহ বলল , আমিও করুণাময় আল্লাহর দ্বারা তাকে উত্তর দিলাম , এবং আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে বললাম , আমি শুনেছি যে আপনি যখন কাউকে হাঁচি দেন এবং তিনি আলহামদুলিল্লাহ বলেন , তখন আপনি তাকে ইয়া রাহমাকাল্লাহ বলেন , আর তিনি যখন আলহামদুলিল্লাহ না বলেন তখন আপনিও বলেন । ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলো না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26496 OK

(২৬৪৯৬)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مِنْ حَقِّ الْمُسْلِمِ عَلَی الْمُسْلِمِ تَشْمِیتُ الْعَاطِسِ إذَا حَمِدَ اللَّہَ۔ (مسلم ۱۷۰۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৪৯৭) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ একজন মুসলমানের উপর একজন মুসলমানের হক রয়েছে যে , যে হাঁচি দেয় তখন সে আলহামদুলিল্লাহ বলে আল্লাহ বলার মাধ্যমে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26497 OK

(২৬৪৯৭)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۸) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ أَبِی مُنَیْنٍ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : کُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَعَطَسَ رَجُلٌ فَحَمِدَ اللَّہَ فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَرْحَمُک اللَّہُ ، ثُمَّ عَطَسَ آخَرُ فَسَکَتَ ، فَلَمْ یَقُلْ لَہُ شَیْئًا ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، عَطَسَ ہَذَا فَقُلْت لَہُ : رَحِمَک اللَّہُ ، وَعَطَسْت فَلَمْ تَقُلْ لِی شَیْئًا ؟ فَقَالَ : إنَّ ہَذَا حَمِدَ اللَّہَ وَأَنْتَ سَکَتَّ۔ (بخاری ۹۳۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৪৯৮ ) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , আমরা রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে বসা ছিলাম , এক ব্যক্তি যখন আলহামদুলিল্লাহ বলল , তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন , হে করুণাময় আল্লাহ” তখন অন্য ব্যক্তি হাঁচি দিল , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাকে কিছু বললেন নাঃ এই লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল ( সাঃ ) । তার উপর শান্তি বর্ষিত হোক ) ! যখন তিনি হাঁচি দিলেন , তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) তাকে ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলে দোয়া করলেন এবং আমি যখন হাঁচি দিলাম তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) আমাকে কোন দোয়া করলেন না ! তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং আপনি চুপ থাকলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26498 OK

(২৬৪৯৮)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۹۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَوَائٍ، عَنْ غَالِبٍ، قَالَ: کَانَ الْحَسَنُ، وَابْنُ سِیرِینَ لاَ یُشَمِّتَانِ الْعَاطِسَ حَتَّی یَحْمَدَاللَّہَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26499) হযরত গালিব বলেন , হযরত হাসান বসরী ও হযরত ইবনে সিরীন রহ এই দুই ভদ্রলোক রাহমাক আল্লাহ , মেহেরবান আল্লাহ বলে হাঁচি দেওয়া ব্যক্তিকে আল - হামদুলিল্লাহ না বলা পর্যন্ত দোয়া করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26499 OK

(২৬৪৯৯)

সহিহ হাদিস

(۲۶۵۰۰) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، قَالَ : عَطَسَ رجل عِنْدَ الْقَاسِمِ فَقَالَ لَہُ الْقَاسِمُ : قُلْ : الْحَمْدُ لِلَّہِ ، فَلَمَا قَالَ شَمَّتَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26500) হজরত উবায়দ আল্লাহ বলেন , এক ব্যক্তি হজরত কাসিম (রা.)- এর কাছে হাঁচি দিতে আসলেন , তখন হজরত কাসেম তাকে বললেন , আলহামদুলিল্লাহ বল , তিনি যখন এটা বললেন , তখন আমি ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলে তার কাছে দোয়া করলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26500 OK

(২৬৫০০)

সহিহ হাদিস

(۲۶۵۰۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَالِمٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، أَنَّ رَجُلاً عَطَسَ عِنْدَہُ فَشَمَّتَہُ ، ثُمَّ عَطَسَ فَشَمَّتَہُ ، ثُمَّ عَادَ فِی الثَّالِثَۃِ فَقَالَ : إنَّک مَضْنُوکٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26501) হজরত নুমান ইবনে সালিম বলেন , এক ব্যক্তি যখন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) - এর সামনে হাঁচি দিল , তখন তিনি তাকে ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলে দোয়া করলেন , তারপর তিনি আবার হাঁচি দিলেন , তারপর তিনি তৃতীয়বার হাঁচি দিলেন তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই আপনি ঠান্ডায় ভুগছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৫০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস