(২১) ( 27260 ) মারহুম বিন আবদ আল আযীজ , আবূ ইয়াহ থেকে বর্ণিত : কান আবু আল সাওয়ার আল আরী বিন আদীতে [হাদিসের সীমা (২৭০২২-২৮৪৭০), সর্বমোট হাদিসঃ ১৪৪৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৮১৯টি]



26441 OK

(২৬৪৪১)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۴۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سُرِّیَّۃِ الرَّبِیعِ ، قَالَتْ : کَانَ الرَّبِیعُ یَأْمُرُ بِالدَّارِ تُنَظَّفُ کُلَّ یَوْمٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26442 ) হজরত সারিয়াতুল রাবিয়া বলেন , হজরত রাবিয়া প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করার নির্দেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26442 OK

(২৬৪৪২)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۴۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : لَمَّا قَدِمَ الأَشْعَرِیُّ الْبَصْرَۃَ ، قَالَ لَہُمْ : فیما تقولون إنَّ أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ بَعَثَنِی إلَیْکُمْ لأَعَلِّمَکُمْ سُنَّتَکُمْ وَأُنَظِّفَ لَکُمْ طُرُقَکُمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26443) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , হজরত আবু মূসা আশআরী যখন বসরায় আসেন , তখন তিনি এই লোকদের বলেন , নিশ্চয়ই আমিরুল মুমিনীন আমাকে তোমাদের কাছে নিয়ে এসেছেন এবং আমি তোমাদেরকে তোমাদের আচার- আচরণ শেখাতে ও পবিত্র করার জন্য প্রেরিত হয়েছি তোমার পথ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26443 OK

(২৬৪৪৩)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۴۴) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ یَقُولُ : قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : سَمُّوا بِاسْمِی ، وَلاَ تَکَنَّوْا بِکُنْیَتِی۔ (بخاری ۳۵۳۹۔ مسلم ۱۶۸۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(26444) হজরত আবু হারি রাহ. বলেন , হজরত আবুল কাসেম ( রা . ) বলেছেন , তোমরা আমার নামের সঙ্গে আমার নাম রাখবে এবং আমার নাম বেছে নেবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26444 OK

(২৬৪৪৪)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۴۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : تَسَمَّوْا بِاسْمِی ، وَلاَ تَکَنَّوْا بِکُنْیَتِی۔ (احمد ۳۱۳۔ ابویعلی ۱۹۱۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৪৪৫) হজরত জাবির ( রা. ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , তোমরা আমার নাম অনুসারে নাম রাখবে এবং আমার ওপর তোমাদের কর্তৃত্ব থাকবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26445 OK

(২৬৪৪৫)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۴۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِالْبَقِیعِ ، فَنَادَی رَجُلٌ آخَرَ یَا أَبَا الْقَاسِمِ ، فَالْتَفَتَ إلَیْہِ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : إنِّی لَمْ أَعْنِکَ یَا رَسُولَ اللہِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : تَسَمَّوْا بِاسْمِی ، وَلاَ تَکَنَّوْا بِکُنْیَتِی۔ (بخاری ۲۱۲۰۔ مسلم ۱۶۸۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৪৪৬) হজরত আনাস (রাঃ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জান্নাতুল বাক্বীতে ছিলেন , এমন সময় এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে এভাবে ডাকলো । হে আবূ আল-কাসিম, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে ফিরে বললেন , হে আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! আমি তোমাকে বোঝাতে চাইনি . এতে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আমার নামের উপর তোমার নাম লিখ এবং আমার নাম নির্বাচন করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26446 OK

(২৬৪৪৬)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۴۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: تَسَمَّوا بِاسْمِی ، وَلاَ تَکَنَّوْا بِکُنْیَتِی ، فَإِنَّمَا جُعِلْت قَاسِمًا أَقْسِمُ بَیْنَکُمْ۔ (بخاری ۶۱۸۷۔ مسلم ۱۶۸۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(26447) হজরত জাবির ( রা. ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , তোমরা আমার নাম অনুসারে নাম রাখবে এবং আমার ওপর তোমাদের কর্তৃত্ব থাকবে । যেহেতু আমাকে কাসিম করা হয়েছে , আমি তাদের তোমাদের মধ্যে ভাগ করে দেব
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26447 OK

(২৬৪৪৭)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی عَمْرَۃَ ، عَنْ عَمِّہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَجْمَعُوا بَیْنَ اسْمِی وَکُنْیَتِی۔ (احمد ۵/۳۶۴۔ ابن سعد ۱۰۷)


থেকে বর্ণিতঃ

(26448) হজরত আবদ আল - রহমান ইবনে আবি উমরাহ ( রা . ) - এর চাচা বলেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26448 OK

(২৬৪৪৮)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۴۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْکَدِرِ سَمِعَ جَابِرًا یَقُولُ : وُلِدَ لِرَجُلٍ مِنَّا غُلاَمٌ ، قَالَ : فَسَمَّاہُ الْقَاسِمَ ، قَالَ : فَقُلْنَا : لاَ نُکَنِّیہِ أَبَا الْقَاسِمِ ولاَ نُنْعِمُہُ عَیْنًا ، فَأَتَی رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَذَکَرَ لَہُ ذَلِکَ فَقَالَ : أَسْم ابْنَک عَبْدَ الرَّحْمَن۔ (بخاری ۶۱۸۶۔ مسلم ۱۶۸۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(26449 ) হজরত মুহাম্মদ বিন মানকাদের বলেন , হজরত জাবির ( রা.) বলেন , যখন আমার থেকে একটি মানব সন্তানের জন্ম হয় , তখন তিনি তার নাম রাখেন কাসিম । এ বিষয়ে আমরা বললাম! যে আমরা আপনাকে আবূ আল - কাসিম নামে ডাকব না এবং তার মাধ্যমে আপনার চোখ শীতল করব না , তাই সেই ব্যক্তি , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । তিনি তাঁর খেদমতে এসে তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমার ছেলের নাম রাখ আব্দুল রহমান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26449 OK

(২৬৪৪৯)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِمُحَمَّدٍ : أَکَانَ یُکْرَہُ أَنْ یُکَنَّی الرَّجُلُ بِأَبِی الْقَاسِمِ ، وَإِنْ لَمْ یَکُنِ اسْمُہُ مُحَمَّدًا ؟ قَالَ : نَعَمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26450) হজরত ইবনে আউন বলেন যে, আমি ইমাম মুহাম্মাদকে জিজ্ঞেস করলাম : একজন ব্যক্তির জন্য কি আবুল কাসিম উপাধি রাখা মাকরূহ যদিও তার নাম মুহাম্মদ নয় ? আপনি বলেছেন : হ্যাঁ ! .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26450 OK

(২৬৪৫০)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ الأَحْوَلِ ، قَالَ : کُنَّا نَطُوفُ وَمَعَنَا مِقْسَمٌ فَجَعَلَ طَاوُوسٌ یُحَدِّثُہُ وَیَقُولُ إِیہًا فَقُلْنَا : أَبُو الْقَاسِمِ ، فَقَالَ : وَاللَّہِ لاَ أَکْنِیہِ بِہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26451) হজরত সুলাইমান আহুল বলেন , আমরা লোকেরা তাওয়াফ করছিলাম, তখন হযরত মুকাস (আঃ) আমাদের সাথে ছিলেন এবং হযরত তাউস (আঃ) কথা বলছিলেন । তিনি বললেনঃ চুপ থাক , আমরা বললামঃ আবুল কাসিমঃ তখন হযরত তাওস বললেনঃ আল্লাহর কসম ! আমি এই উপাধি রাখি না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26451 OK

(২৬৪৫১)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، عَنْ أَبِی الْمُہَلَّبِ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَیْنٍ ، قَالَ : بَیْنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی بَعْضِ أَسْفَارِہِ وَامْرَأَۃٌ مِنَ الأَنْصَارِ عَلَی نَاقَۃٍ ، فَضَجِرَتْ فَلَعَنَتْہَا ، فَسَمِعَ ذَلِکَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : خُذُوا مَا عَلَیْہَا وَدَعُوہَا فَإِنَّہَا مَلْعُونَۃٌ ، قَالَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَیْنٍ : فَکَأَنِّی أَرَاہَا تَجُولُ فِی السُّوقِ مَا یَعْرِضُ لَہَا أَحَدٌ۔ (مسلم ۲۰۰۴۔ ابوداؤد ۲۵۵۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(26452) হজরত ইমরান বিন হিসান বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে ছিলেন এবং আনসাররা বললেন যে , একজন মহিলা একটি উটের পিঠে ছিলেন , তখন রাসূলুল্লাহ সা ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ঐ মহিলা উটকে অভিশাপ দিতে শুনেছেন , তিনি বললেনঃ এটা নাও এবং অবশ্যই ছেড়ে দাও । সে অভিশপ্ত , হজরত ইমরান বিন হুসাইন বলেছেন যেন আমি তাকে বাজারে ঘুরে বেড়াতে দেখি এবং কেউ তাকে কিনতে চায় না । কেন আমি বুঝতে পারছি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26452 OK

(২৬৪৫২)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ أَخْبَرَنَا سُلَیْمَانُ التَّیْمِیُّ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، عَنْ أَبِی بَرْزَۃَ ، أَنَّ جَارِیَۃً بَیْنَمَا ہِیَ عَلَی بَعِیرٍ ، أَوْ رَاحِلَۃٍ عَلَیْہَا مَتَاعٌ لِلْقَوْمِ بَیْنَ جَبَلَیْنِ فَتَضَایَقَ بِہَا الْجَبَلُ ، فَأَتَی عَلَیْہَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَلَمَّا أَبْصَرَتْہُ جَعَلَتْ تَقُولُ : حل اللَّہُمَّ الْعَنْہُ حَلَّ اللَّہُمَّ الْعَنْہُ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ صَاحِبُ الرَّاحِلَۃِ ؟ لاَ یَصْحَبُنَا بَعِیرٌ ، أَوْ رَاحِلَۃٌ عَلَیْہَا لَعَنْۃٌ مِنَ اللہِ ، أَوْ کَمَا قَالَ۔ (مسلم ۲۰۰۵۔ احمد ۴/۴۱۹)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৬৪৫৩) হজরত আবু বারজাহ (রাঃ) বলেন , আমাদের মধ্যে একজন মহিলা ছিলেন যে একটি উট বা অন্য কিছুতে চড়েছিল এবং এই উটের উপর কয়েকজন লোকের জিনিসপত্র ছিল যারা দুই পাহাড়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল , তাই পাহাড়টি তার পথ সংকুচিত করে দিল । তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তার কাছে এলেন । মহিলাটি তাঁকে ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবার দিলে তিনি উটকে বলতে লাগলেন , যাও । হে আল্লাহ! অভিশাপ, চল যাই. হে আল্লাহ! তাকে অভিশাপ দাও। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই সওয়ারীর মালিক কে ? আমাদের সাথে সেই উট এমন বাইক চলবে না যা আল্লাহর অভিশাপ , যেমনটি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26453 OK

(২৬৪৫৩)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۴) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، قَالَ : حدَّثَنَا لَیْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ أَبِیہِ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ، قَالَ: بَیْنَمَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَسِیرُ فِی نَاسٍ مِنْ أَصْحَابِہِ إذْ لَعَنْ رَجُلٌ مِنْہُمْ بَعِیرَہُ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَنْ لَعَنْ بَعِیرَہُ ؟ فَقَالَ: أَنَا یَا رَسُولَ اللہِ، قَالَ: أَخِّرْہُ عَنَّا، فَقَدْ أُجِبْت۔ (احمد ۲/۴۲۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৬৪৫৪ ) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , সে সময় রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁর কয়েকজন সাহাবীর মধ্যে সফর করছিলেন তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ কে তার উটকে অভিসম্পাত করেছে ? লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! আমি , আপনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তাকে আমাদের কাছ থেকে নিয়ে যাও । আপনার দোয়া কবুল হয়েছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26454 OK

(২৬৪৫৪)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ شِمْرٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ وَثَّابٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، أَنَّہَا قُرِّبَ إلَیْہَا بَعِیرًا لِتَرْکَبَہُ ، فَالْتَوَی عَلَیْہَا فَلَعَنَتْہُ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَرْکَبِیہِ فَإِنَّک لَعَنْتِیہِ۔ (احمد ۶/۲۵۷۔ ابویعلی ۴۷۱۶)


থেকে বর্ণিতঃ

(26455) হজরত ইয়াহইয়া বিন ওয়াতাব বলেন , হজরত আয়েশা (রা.) -এর এক আত্মীয়ের কাছে একটি উট আনা হয়েছিল যাতে তিনি তাতে আরোহণ করতে পারেন , এই উটটি তার ওপর আরোহণ করা কঠিন করে দিয়েছিল , তাই আপনি তাকে অভিশাপ দিলেন , রাসূলুল্লাহ (সা . ) আল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তার উপর আরোহণ করো না কারণ তুমি তাকে অভিশাপ দিয়েছ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26455 OK

(২৬৪৫৫)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنِ الْجُرَیْرِیِّ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : بَیْنَمَا عُمَرُ یَسِیرُ فِی أصْحَابِہِ وَفِی الْقَوْمِ رَجُلٌ یَسِیرُ عَلَی بَعِیرٍ لَہُ مِنَ الْقَوْمِ یَضَعُہُ حَیْثُ یَشَائُ ، فَلاَ أَدْرِی بِمَا الْتَوَی عَلَیْہِ فَلَعَنْہُ ، فَقَالَ عُمَرُ : مَنْ ہَذَا اللاَّعِنُ ؟ قَالُوا : فُلاَنٌ ، قَالَ : تَخَلَّفْ عَنَّا أَنْتَ وَبَعِیرُک ، لاَ تَصْحَبُنَا رَاحِلَۃٌ مَلْعُونَۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26456 ) হজরত আবু উসমান বলেন , হজরত উমর ( রা . ) যখন তাঁর সঙ্গে সফর করছিলেন, তখন লোকদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি ছিল যে তার উটে চড়ে বেড়াচ্ছিল এবং লোকদের মধ্যে আমি জানি না যে , তিনি উটটিকে অভিশাপ দিয়েছিলেন হযরত ওমর (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ যে অভিশাপ দেয় সে ব্যক্তি কে? লোকেরা বললঃ অমুক অমুক লোক আছে। তিনি বললেনঃ তুমি এবং তোমার উট আমাদের কাছ থেকে চলে যাও , আমরা আমাদের সাথে কোন অভিশপ্ত আরোহী রাখব না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26456 OK

(২৬৪৫৬)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدِ بْنِ سِنَانٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ مُوسَی ، قَالَ : إنَّ لِکُلِّ شَیْئٍ شَرَفًا ، وَأَشْرَفُ الْمَجَالِسِ مَا اسْتَقْبَلَ بِہِ الْقِبْلَۃَ ، وقَالَ : مَا رَأَیْت سُفْیَانَ یَجْلِسُ إلاَّ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26457 ) হজরত সুলাইমান বিন মুসা বলেন , নিশ্চয়ই সব কিছুর জন্য সম্মান ও মহত্ত্ব রয়েছে । সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সমাবেশ হল সেই যেটিতে একজন কেবলার দিকে মুখ করে বসেন এবং তিনি বলেনঃ আমি হযরত সূফীকে কেবলার দিকে মুখ করে বসে খেতে দেখিনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26457 OK

(২৬৪৫৭)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانَ مُحَمَّدٌ إذَا نَامَ اسْتَقْبَلَ الْقِبْلَۃَ وَرُبَّمَا اسْتَلْقَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26458) হজরত ইবনে আউন বলেন, ইমাম মুহাম্মদ যখন ঘুমাতেন, তখন তিনি কেবলার দিকে মুখ করে ঘুমাতেন এবং কখনও কখনও শুয়ে ঘুমাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26458 OK

(২৬৪৫৮)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۵۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ جَلَسَ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26459) হজরত আবদুল রহমান ইবনে ইয়াজিদ বলেন , হজরত ইবনে মাসউদ কিবলার দিকে মুখ করে বসেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26459 OK

(২৬৪৫৯)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِاللہِ الشُّعَیْثِیِّ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ: أَفْضَلُ الْمَجَالِسِ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26460 ) হজরত মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ শাইয়ী বলেন , হজরত মাখুল বলেছেন : সর্বোত্তম মজলিস হল সেই যেটিতে কিবলার দিকে মুখ করে বসে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26460 OK

(২৬৪৬০)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ مُوسَی، قَالَ: لِکُلِّ شَیْئٍ سَیِّدٌ، وَسَیِّدُ الْمَجَالِسِ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26461) হজরত থর বলেন , হজরত সুলাইমান বিন মূসা ( রা . ) বলেছেন : সব কিছুরই একজন নেতা থাকে এবং মজলিসের নেতা হল সেই সমাবেশ যেখানে কেবলামুখী হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26461 OK

(২৬৪৬১)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنِ الْجُرَیْرِیِّ ، عَنْ أَبِی الْعَلاَئِ ، قَالَ : مَا أُعْطِیَ عَبْدٌ بَعْدَ الإِسْلاَمِ أَفْضَلَ مِنْ عَقْلٍ صَالِحٍ یُرْزَقُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26462 ) হজরত জারিরি বলেন , হজরত আবু আল - আলাই বলেছেন : ইসলামের পর কোনো বান্দাকে এর চেয়ে উত্তম বুদ্ধি আর কিছু দেওয়া হয়নি । যার মাধ্যমে সে রিযিক পায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26462 OK

(২৬৪৬২)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا زَکَرِیَّا ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : حَسْبُ الرَّجُلِ دِینُہُ وَمُرُوئَتُہُ: خُلُقُہُ ، وَأَصْلُہُ : عَقْلُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26463) হজরত আমীর বলেন, হজরত ওমর ( রা .) বলেছেন : একজন মানুষের পারিবারিক সম্মান তার দ্বীন এবং তার মৃত্যু তার নৈতিকতা এবং এর উৎস তার বুদ্ধি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26463 OK

(২৬৪৬৩)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۴) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی السَّفَرِ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ حُدِیرٍ ، عَنْ عُمَرَ بِنَحْوِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26464) হযরত ওমরের উপরোক্ত বক্তব্যটিও এই দলিল থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26464 OK

(২৬৪৬৪)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : {فَإِنْ آنَسْتُمْ مِنْہُمْ رُشْدًا} قَالَ : عَقْلاً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26465) হজরত মনসুর বলেন যে, হজরত মুজাহিদ বলেছেন : এই আয়াতের অর্থ হল বুদ্ধি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26465 OK

(২৬৪৬৫)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : حَسْبُ الْمَرْئِ دِینُہُ وَمُرُوئَتُہُ ، خُلُقُہُ ، وَأَصْلُہُ : عَقْلُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26466) হজরত আমীর বলেন, হজরত ওমর ( রা .) বলেছেন : একজন মানুষের পারিবারিক সম্মান তার দ্বীন , তার মৃত্যু তার নৈতিকতা এবং এর উৎস তার দ্বীন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26466 OK

(২৬৪৬৬)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ قَابُوسَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِی قَوْلِہِ تَعَالَی : {قَسَمٌ لِذِی حِجْرٍ} قَالَ : لذی النُّہَی وَالْعَقْلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26467) হজরত কাবুসের পিতা বলেন যে, হজরত ইবনে আব্বাস মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বলেছেন : অনুবাদ : জ্ঞানীদের জন্য শপথ এবং জ্ঞানীরা হলেন মুরাদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26467 OK

(২৬৪৬৭)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۸) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ فِی قَوْلِہِ: {قَسَمٌ لِذِی حِجْرٍ} قَالَ: لِذِی لُبٍّ وَلِذِی عَقْلٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26468) হজরত আসিম বলেন , হজরত ইকরামা মহান আল্লাহ তায়ালার এ বাণী সম্পর্কে বলেছেন : { قَسْمٌ لذِي هيجْرٍ } : জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26468 OK

(২৬৪৬৮)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۶۹) حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِیفَۃَ ، عَن ہِلاَلِ بن خَبَّاب ، عَن مُجاہِد : {قَسَمٌ لِذِی حِجْرٍ} قَالَ : لِذِی عَقْلٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26469) হজরত হিলাল ইবনে খাবাব বলেন যে , হজরত মুজাহিদ মহান আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে বলেছেন : জ্ঞানী ব্যক্তিদেরকে বুঝানো হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26469 OK

(২৬৪৬৯)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَن سُفیان ، عن الأَغَر ، عَنْ خَلِیفَۃَ بْنِ حُصَیْنٍ ، عَنْ أَبِی نَصْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ {قَسَمٌ لِذِی حِجْرٍ} : لِذِی لُبٍّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(26470) হজরত আবু নসর বলেন যে, হজরত ইবনে আব্বাস মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বলেছেন : এভাবে তিনি বললেনঃ জ্ঞানী ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



26470 OK

(২৬৪৭০)

সহিহ হাদিস

(۲۶۴۷۱) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ جُوَیْبِرٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ {قَسَمٌ لِذِی حِجْرٍ} قَالَ : لِذِی عَقْلٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 26471) হজরত জু- ইবার বলেন , হজরত দাহহাক মহান আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে বলেছেন : জ্ঞানী ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৪৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস