
(۲۶۲۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنْ حَنْظَلَۃَ السَّدُوسِیِّ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : قلْنَا : یَا رَسُولَ اللہِ ، أَیُصَافِحُ بَعْضُنَا بَعْضًا ؟ قَالَ : نَعَمْ۔ (ترمذی ۲۷۲۸۔ احمد ۳/۱۹۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(26232) হজরত আনাস (রা) বলেন , আমরা লোকেরা পেশ করলাম । হে আল্লাহর রাসূল ( সা . ) ! আমরা কি একে অপরের সাথে করমর্দন করব ? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ হ্যাঁ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۳۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّ أَصْحَابَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : کَانَ یُصَافِحُ بَعْضُہُمْ بَعْضًا۔ (بخاری ۶۲۶۳۔ ترمذی ۲۷۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(26233) হজরত আনাস (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাহাবীগণ একে অপরের সাথে করমর্দন করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ غَالِبٍ ، قَالَ: قُلْتُ لِلشَّعْبِیِّ : إنَّ ابْنَ سِیرِینَ کَانَ یَکْرَہُ الْمُصَافَحَۃَ ، قَالَ: فَقَالَ الشَّعْبِیُّ : کَانَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَتَصَافَحُونَ ، وَإِذَا قَدِمَ أَحَدُہُمْ مِنْ سَفَرٍ عَانَقَ صَاحِبَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৬২৩৪) হজরত গালিব বলেন , আমি ইমাম শাবির সামনে উল্লেখ করেছি যে , হজরত ইবনে সীরীন করমর্দন করাকে জঘন্য মনে করতেন । এ বিষয়ে ইমাম শাবি বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগণ একে অপরের সাথে করমর্দন করতেন এবং যখন তাদের কেউ সফর থেকে ফিরে আসতেন তখন তিনি তার সঙ্গীকে আলিঙ্গন করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۳۵) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عَوْنٍ ، عَنِ الْمُصَافَحَۃِ ، قَالَ : کَانَ مُحَمَّدٌ لاَ یَفْعَلُہُ بِنَا ، وَلاَ نَفْعَلُہُ بِہِ ، وَکَانَ إذَا مَدَّ رَجُلٌ یَدَہُ ، لَمْ یَمْنَعْ یَدَہُ مِنْ أَحَدٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26235) হজরত মুয়াজ ইবনে মুয়াজ বলেন , আমি হজরত ইবনে আউনকে করমর্দন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম । তিনি বললেনঃ ইমাম মুহাম্মাদ আমাদের সাথে লেনদেন করেননি এবং আমরাও তার সাথে লেনদেন করিনি , এবং যখন একজন ব্যক্তি তার হাত বাড়িয়ে দেয় , তখন সে কারো কাছ থেকে তার হাত বন্ধ করেনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۳۶) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنِ ابْنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : إنَّ مِنْ تَمَامِ التَّحِیَّۃِ الْمُصَافَحَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26236) হজরত লায়ছ বলেন , হজরত ইবনুল আসওয়াদ বলেছেন : নিঃসন্দেহে করমর্দন সালাম পূর্ণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۳۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : إنَّ مِنْ تَمَامِ التَّحِیَّۃِ الْمُصَافَحَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26237) হজরত আবু ইসহাক বলেন , হজরত আসওয়াদ ( রাঃ ) বলেনঃ নিঃসন্দেহে করমর্দন সালাম পূর্ণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۳۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ یَحْیَی بن أَیُّوبَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ زَحْرٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ یَزِیدَ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِی أُمَامَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : تَمَامُ تَحِیَّتِکُمُ الْمُصَافَحَۃُ۔ (ترمذی ۲۷۳۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(26238) হজরত আবু উমামা (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : তোমার পূর্ণ সালাম হ্যান্ডশেক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ اللہِ الْعَسْقَلاَنِیِّ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی مَنْ رَأَی ابْنَ مُحَیْرِیزٍ یُصَافِحُ نَصْرَانِیًّا فِی مَسْجِدِ دِمَشْقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৬২৩৯ ) হজরত আবু আবদুল্লাহ আল -আসকালানী বলেন , যে ব্যক্তি হজরত ইবনে মুহাইরিজকে দেখেছিলেন , তিনি দামেস্কের মসজিদে একজন খ্রিস্টানকে হাত দিয়েছেন বলে আমাকে খবর দেওয়া হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یُصَافِحَ الْمُسْلِمُ الْیَہُودِیَّ ، وَالنَّصْرَانِیَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26240) হযরত আশআত বলেন যে, হযরত হাসান বসরী একজন মুসলিম ছিলেন । হ্যাঁ খ্রিস্টানদের সাথে করমর্দন করা জঘন্য বলে বিবেচিত হত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إنَّمَا الْمُشْرِکُونَ نَجَسٌ فَلاَ تُصَافِحُوہُمْ ، فَمَنْ صَافَحَہُمْ فَلْیَتَوَضَّأْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26241) হজরত আশআত বলেন , হজরত হাসান বলেছেন : নিশ্চয়ই মুশরিকরা অপবিত্র , তাই তাদের সঙ্গে হাত মেলাবে না যে , সে অজু করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۲) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : سَأَلْتُہ عَنْ مُصَافَحَۃِ الْمَجُوسِیِّ فَکَرِہَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26242) হজরত আবদুল মুলক বলেন , আমি হজরত আত্তাইকে একজন জাদুকরের সঙ্গে করমর্দন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম । তাই আপনি এটা জঘন্য বিবেচনা.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۳) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الأَجْلَحِ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ تَلَقَّی جَعْفَرَ بْنَ أَبِی طَالِبٍ فَالْتَزَمَہُ ، وَقَبَّلَ مَا بَیْنَ عَیْنَیْہِ۔ (ابوداؤد ۵۱۷۸۔ حاکم ۶۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(26243) ইমাম শাবী বলেন যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হজরত জাফর ইবনে আবি তালিবের সাথে দেখা হলে তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁকে আলিঙ্গন করলেন ও ) দুজনের চোখের মাঝে চুমু দিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ دِینَارٍ ، عَنْ عُتْبَۃَ بن أَبِی عُثْمَانَ ، أَنَّ عُمَرَ اعْتَنَقَ حُذَیْفَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৬২৪৪) হজরত উতবা ইবনে আবি উসমান বলেন , হজরত উমর (রা.) হজরত হুযিফার সঙ্গে করমর্দন করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی بَلْجٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَمْرَو بْنَ مَیْمُونٍ وَالأَسْوَدَ بْنَ ہلال الْتَقَیَا وَاعْتَنَقَ کُلٌّ مِنْہُمَا صَاحِبَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26245) হজরত আবু বিলাজ বলেন , আমি হজরত আমর ইবনে মায়মুন ও হজরত আসওয়াদ ইবনে হিলালকে সাক্ষাৎ করতে দেখেছি । দুজনেই একে অপরকে জড়িয়ে ধরল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۶) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبَّادٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا مِجْلَزٍ وَخَالِدًا الأَثْبَجَ الْتَقَیَا ، فَاعْتَنَقَ کُلٌّ مِنْہُمَا صَاحِبَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26246) হজরত ইবাদ বিন ইবাদ বলেন , আমি হজরত আবু মাজলেজ ও হজরত খালিদ আস্তাবজকে দেখেছি যে , তারা উভয়ে মিলিত হলে পরস্পরকে জড়িয়ে ধরেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۷) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ إیَاسِ بْنِ دَغْفَلٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا نَضْرَۃَ قَبَّلَ خَدَّ الْحَسَنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26247) হজরত আইস বিন দাগফল বলেন , আমি হজরত আবু নাজরা ( রা.) -কে দেখেছি এবং তিনি হজরত হাসান বসরির গালে চুম্বন করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۸) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ ، عَنْ مُعَاذَۃَ الْعَدَوِیَّۃِ ، قَالَتْ : کَانَ أَصْحَابُ صِلَۃِ بْنِ أَشْیَمَ إذَا دَخَلُوا عَلَیْہِ یَلْتزِم بَعْضُہُمْ بَعْضًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26248) হজরত মুআয আল - আদাবিয়া (রা.) বলেন , হজরত সালাহ ইবনে আশিমের সাহাবীরা যখন তাঁর কাছে আসতেন, তখন তারা একে অপরকে এই মুখ দিয়ে জড়িয়ে ধরতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴۹) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، قَالَ : حدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ حَازِمٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْحَسَنُ ، عَنِ الْمُہَاجِرِ بْنِ قُنْفُذٍ ، أَنَّہُ سَلَّمَ عَلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَہُوَ یَبُولُ فَلَمْ یَرُدَّ عَلَیْہِ حَتَّی فَرَغَ۔ (ابوداؤد ۱۸۔ ابن ماجہ ۳۵۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৬২৪৯) হযরত মাহাজির বিন কুনফুদ ( রাঃ ) বলেন যে , তিনি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে সালাম করলেন অথচ তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদের সালামের জবাব দিলেন না । হ্যাঁ , যতক্ষণ না আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ইন্তেকাল করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۰) حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الضَّحَّاکِ بْنِ عُثْمَانَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : مَرَّ رَجُلٌ عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَہُوَ یَبُولُ ، فَسَلَّمَ عَلَیْہِ فَلَمْ یَرُدَّ عَلَیْہِ۔ (مسلم ۱۱۵۔ ترمذی ۹۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(26250) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন যখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নামায পড়ছিলেন । তিনি আপনাকে ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সালাম করলেন , কিন্তু আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সালাম দিলেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۱) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِیَادٍ الأَلْہَانِیِّ ، عَنْ أَبِی أُمَامَۃَ ، قَالَ : أَمَرَنَا نَبِیُّنَا صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ نُفْشِیَ السَّلاَمَ۔ (ابن ماجہ ۳۶۹۳۔ طبرانی ۷۵۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 26251 ) হজরত আবু উমামা বলেন , আমাদের রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে শান্তি প্রচারের নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَص ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لِلْمُسْلِمِ عَلَی الْمُسْلِمِ یُسَلِّمُ عَلَیْہِ إذَا لَقِیَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26252) হযরত আলী (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ একজন মুসলমানের অধিকার আছে যে , যখনই সে তার সাথে সাক্ষাত করবে তখন তাকে সালাম দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اعْبُدُوا الرَّحْمَان ، وَأَفْشُوا السَّلاَمَ۔ (بخاری ۹۸۱۔ ابن ماجہ ۳۶۹۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(26253) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : করুণাময়ের ইবাদত কর এবং শান্তি পাঠাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنْ زُرَارَۃَ بْنِ أَوْفَی ، قَالَ : حدَّثَنِی عَبْدُ اللہِ بْنُ سَلاَمٍ ، قَالَ : لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْمَدِینَۃَ انْجَفَلَ النَّاسُ قِبَلَہُ ، وَقِیلَ : قَدِمَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَجِئْت فِی النَّاسِ لأَنْظُرَ ، فَلَمَّا تَبَیَّنْت وَجْہَہُ ، عَرَفْت أَنَّ وَجْہَہُ لَیْسَ بِوَجْہِ کَذَّابٍ ، فَکَانَ أَوَّلَ شَیْئٍ سَمِعْتہ یَتَکَلَّمُ بِہِ أَنْ قَالَ : یَا أَیُّہَا النَّاسُ ، أَفْشُوا السَّلاَمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26254) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন ছত্রভঙ্গ হলেন না , তখন লোকেরা দ্রুত তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছে এসে আমার খেদমতে এলো এবং বলা হচ্ছে যে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এসেছিলেন । তুমি বল যে আমি লোকদের সাথে এসেছি যাতে আমি তোমাকে ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) দেখতে পারি । আমি যখন আপনার ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর উজ্জ্বল মুখমন্ডল দেখলাম , তখন অবশ্যই চিনতে পারলাম । এই চেহারাটি মিথ্যাবাদীর চেহারা নয় এবং আমি আপনাকে ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সর্বপ্রথম বলতে শুনেছি যে , আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ হে লোক সকল ! অভিবাদন ফিরিয়ে আনুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۵) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِی الشَّعْثَائِ الْمُحَارِبِیِّ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ سُوَیْد ، عَنِ الْبَرَائِ بْنِ عَازِبٍ ، قَالَ : أَمَرَنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِإِفْشَائِ السَّلاَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26255) হজরত বারা ইবনে আযিব (রা) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদেরকে শান্তি ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، وَابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : وَالَّذِی نَفْسِی بِیَدِہِ ، لاَ تَدْخُلُوا الْجَنَّۃَ حَتَّی تُؤْمِنُوا ، وَلاَ تُؤْمِنُوا حَتَّی تَحَابُّوا ، أَلاَ أَدُلُّکُمْ عَلَی أَمْرٍ إذَا فَعَلْتُمُوہُ تَحَابَبْتُمْ ؟ أَفْشُوا السَّلاَمَ ۔ (مسلم ۹۳۔ ترمذی ۲۶۸۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(26256) হজরত আবু হারি রাহ . বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : জীবন ও মৃত্যুর ক্ষমতা যাঁর হাতে , তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না , যতক্ষণ না তোমরা ঈমান আনবে বিশ্বাস করবেন না যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালোবাসো .আমি কি তোমাদেরকে তোমাদের ব্যাপারে নির্দেশনা দেব না যে যখন তোমরা এটা করবে তখন তোমরা একে অপরকে ভালোবাসতে শুরু করবে ? শুভেচ্ছা জানানোর অভ্যাস করুন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ فِی الْجَنَّۃِ غُرَفًا تُرَی ظُہُورُہَا مِنْ بُطُونِہَا ، وَبُطُونُہَا مِنْ ظُہُورِہَا ، فَقَامَ أَعْرَابِیٌّ فَقَالَ : لِمَنْ ہِیَ یَا رَسُولَ اللہِ ؟ قَالَ : ہِیَ لِمَنْ قَالَ طَیَّبَ الْکَلاَمَ ، وَأَطْعَمَ الطَّعَامَ ، وَأَفْشَی السَّلاَمَ ، وَصَلَّی بِاللَّیْلِ وَالنَّاسُ نِیَامٌ۔ (ترمذی ۱۲۳۔ ابویعلی ۴۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 26257) হজরত আলী ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : নিশ্চয়ই জান্নাতে ওপরের কক্ষ রয়েছে , যার চেহারা ভেতর থেকে দেখানো হয়েছে এবং তাদের ভেতর থেকে দেখানো হয়েছে তাদের বাহ্যিক এতে তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন , হে আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! এই মাচাগুলো কার জন্য হবে ? তিনি (রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ) বললেনঃ এগুলো হবে ঐ ব্যক্তির জন্য যে শুদ্ধ কথা বলে , আহার করে, শান্তি আনয়ন করে এবং মানুষ ঘুমন্ত অবস্থায় রাতে নামায পড়ে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : حدَّثَنَا شَیْبَانُ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ یَعیش بن الْوَلِیدِ ، عَنْ مَوْلًی لِلزُّبَیْرِ ، عَنِ الزُّبَیْرِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَلاَ أُنَبِّئُکُمْ بِأَمْرٍ إذَا فَعَلْتُمُوہُ تَحَابَبْتُمْ ؟ أَفْشُوا السَّلاَمَ بَیْنَکُمْ۔ (احمد ۱۶۴۔ بیہقی ۲۳۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 26258) হজরত যুবায়ের ( রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , আমি তোমাদেরকে কোনো বিষয়ে সতর্ক করব না যে , যখন তোমরা কাজ করবে , তখন কি তোমরা একে অপরকে ভালোবাসতে শুরু করবে ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমরা এই সালামকে নিজেদের মধ্যে প্রথাবদ্ধ কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : إنَّ السَّلاَمَ اسْمٌ مِنْ أَسْمَائِ اللہِ فَأَفْشُوہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26259 ) হজরত যায়েদ ইবনে ওয়াহব বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) বলেছেন : নিশ্চয় আল্লাহর নামের মধ্যে একটি নাম থাকলে তা নিয়ে আসো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۶۰) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْمِنْہَالِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : إِنْ کُنْت لأَخْرُجُ إلَی السُّوقِ وَمَا لِی حَاجَۃٌ إلاَّ أَنْ أُسَلِّمَ وَیُسَلَّمَ عَلَیَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(26260) হজরত মুজাহিদ বলেন , হজরত ইবনে ওমর ( রা.) বলেন , আমি এ বাজারে যেতাম যদিও আমার কোনো প্রয়োজন ছিল না , তবে শুধু এ কারণে যে আমি সালাম দিতাম এবং সালামের জবাব দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۶۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ، قَالَ: إنَّ أَبْخَلَ النَّاسِ الَّذِی یَبْخَلُ بِالسَّلاَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 26261 ) হজরত আবু উসমান বলেন , হজরত আবু হুরায়রা (রা. ) বলেছেন : নিঃসন্দেহে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কৃপণ সেই ব্যক্তি যে সালাম দেওয়ার ক্ষেত্রে কৃপণ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস