(১৬২) নফল সালাত [হাদিসের সীমা (১২৫০ – ১৩৭০), সর্বমোট হাদিসঃ ১২১টি]

অনুচ্ছেদ-৩০১ [মোট হাদিসঃ ১০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৮৬টি]


সালাতুদ্- দুহা (চাশতের সলাত)




22148 OK

(১২৮৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبَّادٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، - الْمَعْنَى - عَنْ وَاصِلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عُقَيْلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمُرَ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏`‏ يُصْبِحُ عَلَى كُلِّ سُلاَمَى مِنِ ابْنِ آدَمَ صَدَقَةٌ تَسْلِيمُهُ عَلَى مَنْ لَقِيَ صَدَقَةٌ وَأَمْرُهُ بِالْمَعْرُوفِ صَدَقَةٌ وَنَهْيُهُ عَنِ الْمُنْكَرِ صَدَقَةٌ وَإِمَاطَتُهُ الأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ صَدَقَةٌ وَبُضْعَةُ أَهْلِهِ صَدَقَةٌ وَيُجْزِئُ مِنْ ذَلِكَ كُلِّهِ رَكْعَتَانِ مِنَ الضُّحَى ‏`‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدِيثُ عَبَّادٍ أَتَمُّ وَلَمْ يَذْكُرْ مُسَدَّدٌ الأَمْرَ وَالنَّهْىَ زَادَ فِي حَدِيثِهِ وَقَالَ كَذَا وَكَذَا وَزَادَ ابْنُ مَنِيعٍ فِي حَدِيثِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَحَدُنَا يَقْضِي شَهْوَتَهُ وَتَكُونُ لَهُ صَدَقَةٌ قَالَ ‏`‏ أَرَأَيْتَ لَوْ وَضَعَهَا فِي غَيْرِ حِلِّهَا أَلَمْ يَكُنْ يَأْثَمُ ‏`‏ ‏.‏


আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম সন্তানের শরীরের প্রতিটি অস্থি প্রতিদিন নিজের উপর সদাক্বাহ ওয়াজিব করে। কারোর সাক্ষাতে তাকে সালাম দেয়া একটি সদাক্বাহ। সৎ কাজের আদেশ একটি সদাক্বাহ, অন্যায় হতে নিষেধ করা একটি সদাক্বাহ। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা একটি সদাক্বাহ। পরিবার-পরিজনের দায়-দায়িত্ব বহন করা একটি সদাক্বাহ। আর চাশতের দু’ রাক’আত সলাত এসব কিছুর পরিপূরক হতে পারে।
ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী ‘আব্বাদের বর্ণনাটি পরিপূর্ণ ও ক্রটিমুক্ত। অপর বর্ণনাকারী মুসাদ্দাদ তার বর্ণনায় “সৎ কাজের আদেশ ও অন্যায় হতে নিষেধ” বাক্যটি উল্লেখ করেননি। তিনি তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, “এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অমুক অমুক কাজ।’’ ইবনু মানী’ তার হাদীসে বৃদ্ধি করেছেন যে, লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কেউ তার স্ত্রী সাথে সহবাস করে যৌন-তৃপ্তি মিটাবে এটাও কি তার জন্য সদাক্বাহ? তিনি বললেনঃ তোমার কি ধারণা যদি সে তা অবৈধ স্থানে ব্যবহার করতো তবে কি সে গুনাহগার হতো না?

সহীহ: মুসলিম। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



22149 OK

(১২৮৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ وَاصِلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عُقَيْلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمُرَ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ الدُّؤَلِيِّ، قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ عِنْدَ أَبِي ذَرٍّ قَالَ ‏`‏ يُصْبِحُ عَلَى كُلِّ سُلاَمَى مِنْ أَحَدِكُمْ فِي كُلِّ يَوْمٍ صَدَقَةٌ فَلَهُ بِكُلِّ صَلاَةٍ صَدَقَةٌ وَصِيَامٍ صَدَقَةٌ وَحَجٍّ صَدَقَةٌ وَتَسْبِيحٍ صَدَقَةٌ وَتَكْبِيرٍ صَدَقَةٌ وَتَحْمِيدٍ صَدَقَةٌ ‏`‏ ‏.‏ فَعَدَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ هَذِهِ الأَعْمَالِ الصَّالِحَةِ ثُمَّ قَالَ ‏`‏ يُجْزِئُ أَحَدَكُمْ مِنْ ذَلِكَ رَكْعَتَا الضُّحَى ‏`‏ ‏.‏


আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা আবু যার (রাঃ) এর নিকট অবস্থানকালে তিনি বলেছেন, প্রতিদিন তোমাদের প্রত্যেকের দেহের প্রতিটি অস্থি একটি সদাক্বাহ ওয়াজিব করে। প্রত্যেক সলাত, প্রত্যেক সওম, প্রত্যেক হাজ্জ, প্রত্যেক তাসবীহ, প্রত্যেক তাকবীর এবং প্রত্যেক তাহমীদ তার জন্য সদাক্বাহ স্বরূপ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ উত্তম কাজগুলোকে গণনা করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেনঃ চাশতের দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলে তা ঐগুলোর পরিপূরক হবে (অনুরূপ সওয়াব পাবে)।

সহীহ: মুসলিম। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



22150 OK

(১২৮৭)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، عَنْ زَبَّانَ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ أَنَسٍ الْجُهَنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ `‏ مَنْ قَعَدَ فِي مُصَلاَّهُ حِينَ يَنْصَرِفُ مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ حَتَّى يُسَبِّحَ رَكْعَتَىِ الضُّحَى لاَ يَقُولُ إِلاَّ خَيْرًا غُفِرَ لَهُ خَطَايَاهُ وَإِنْ كَانَتْ أَكْثَرَ مِنْ زَبَدِ الْبَحْرِ ‏`‏ ‏.‏


সাহল ইবনু মু’আয ইবনু আনাস আল-জুহানী (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি ফাজ্‌রের সলাত আদায় শেষে চাশতের সলাত আদায় পর্যন্ত তার জায়গাতে বসে থাকলে এবং এ সময়ে উত্তম কথা ছাড়া অন্য কিছু না বললে তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করা হয়্ যদিও গুনাহের পরিমাণ সমুদ্রের ফেনারাশির চেয়ে অধিক হয়। [১২৯০] [সুনানে আবু দাউদ : ১২৮৭]


[আহমাদ (৩/৪৩৮) উভয়ে যাব্বান হতে। সানাদের যাব্বান ইবনু ফায়িদ সম্পর্কেহাফিয আত-তাক্বরীর গ্রন্থে বলেন : দুর্বল।]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



22151 OK

(১২৮৮)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ `‏ صَلاَةٌ فِي أَثَرِ صَلاَةٍ لاَ لَغْوَ بَيْنَهُمَا كِتَابٌ فِي عِلِّيِّينَ ‏`‏ ‏.‏


আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক সলাতের পরে আরেক সলাত যার মধ্যবর্তী সময়ে কোনো গুনাহ হয়নি, তা ইল্লীয়্যুনে (উচ্চ মর্যাদায়) লিপবদ্ধ করা হয়। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৮৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



22152 OK

(১২৮৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ أَبِي شَجَرَةَ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ هَمَّارٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ `‏ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يَا ابْنَ آدَمَ لاَ تُعْجِزْنِي مِنْ أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ فِي أَوَّلِ نَهَارِكَ أَكْفِكَ آخِرَهُ ‏`‏ ‏.‏


নু’আইম ইবনু হাম্মার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন,আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি : মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন, হে আদম সন্তান! তোমরা দিনের পূর্বহ্নের মধ্যে চার রাক’আত সলাত হতে আমাকে ত্যাগ করো না, তাহলে আমি আখিরাতে তোমার জন্য যথেষ্ট হবো। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



22153 OK

(১২৯০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي عِيَاضُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ كُرَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ أُمِّ هَانِئٍ بِنْتِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْفَتْحِ صَلَّى سُبْحَةَ الضُّحَى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ يُسَلِّمُ مِنْ كُلِّ رَكْعَتَيْنِ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْفَتْحِ صَلَّى سُبْحَةَ الضُّحَى فَذَكَرَ مِثْلَهُ ‏.‏ قَالَ ابْنُ السَّرْحِ إِنَّ أُمَّ هَانِئٍ قَالَتْ دَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَذْكُرْ سُبْحَةَ الضُّحَى بِمَعْنَاهُ ‏.‏


আবূ ত্বালিবের কন্য উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন আট রাক’আত চাশতের সলাত আদায় করেছেন। তিনি প্রতি দু’ রাক’আতে সালাম ফিরিয়েছেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আহমাদ ইবনু সলিহ বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন চাশতের সলাত আদায় করেছেন। অতঃপর পূর্ববতী হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। ইবনুস সারহ বলেন, উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এলেন, কিন্ত এ হাদীসে চাশতের সলাতের উল্লেখ নেই। তবে তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের ভাবার্থ বর্ণনা করেছেন। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৯০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



22154 OK

(১২৯১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ مَا أَخْبَرَنَا أَحَدٌ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الضُّحَى غَيْرَ أُمِّ هَانِئٍ فَإِنَّهَا ذَكَرَتْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ اغْتَسَلَ فِي بَيْتِهَا وَصَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ فَلَمْ يَرَهُ أَحَدٌ صَلاَّهُنَّ بَعْدُ ‏.‏


ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, উম্মু হানী (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ আমদেরকে অবহিত করেননি যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে চাশতের সলাত আদায় করতে দেখেছেন। অবশ্য তিনি বর্ণনা করেছেন, মাক্কাহ বিজয়ের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ঘরে গোসল করে আট রাক’আত সলাত আদায় করেছেন। এরপর কেউই তাকেঁ উক্ত সলাত আদায় করতে দেখেনি।

সহীহ: বুখারী ও মুসলিম। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



22155 OK

(১২৯২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى فَقَالَتْ لاَ إِلاَّ أَنْ يَجِيءَ مِنْ مَغِيبِهِ ‏.‏ قُلْتُ هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرِنُ بَيْنَ السُّورَتَيْنِ قَالَتْ مِنَ الْمُفَصَّلِ ‏.‏


আব্দুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি (একই রাক’আতে) একাধিক সূরাহ একত্রে পাঠ করতেন? তিনি বললেন, (হাঁ) তিনি মুফাসসাল হতে পাঠ করতেন। (অর্থাৎ সূরাহ হুজরাত হতে নাস পর্যন্ত কুরাআনের শেষ দিকের সূরাহগুলো মিলিয়ে পড়তেন)।

সহীহ: মুসলিমে এর প্রথমাংশ। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



22156 OK

(১২৯৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ مَا سَبَّحَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُبْحَةَ الضُّحَى قَطُّ وَإِنِّي لأُسَبِّحُهَا وَإِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيَدَعُ الْعَمَلَ وَهُوَ يُحِبُّ أَنْ يَعْمَلَ بِهِ خَشْيَةَ أَنْ يَعْمَلَ بِهِ النَّاسُ فَيُفْرَضَ عَلَيْهِمْ ‏.


রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো চাশতের সলাত আদায় করেননি। তবে আমি তা আদায় করি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো কোনো কাজকে যদিও প্রিয় মনে করতেন, কিন্ত তা এ আশংকায় বর্জন করতেন যে, লোকেরা তার উপর আমল করলে হয়ত তাদের উপর তা ফরয করে দেয়া হবে।

সহীহ : বুখারী ও মুসলিম। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



22157 OK

(১২৯৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ نُفَيْلٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، قَالاَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا سِمَاكٌ، قَالَ قُلْتُ لِجَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ أَكُنْتَ تُجَالِسُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَعَمْ كَثِيرًا فَكَانَ لاَ يَقُومُ مِنْ مُصَلاَّهُ الَّذِي صَلَّى فِيهِ الْغَدَاةَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَإِذَا طَلَعَتْ قَامَ صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সিমাক (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমি জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহচর্যে থাকতেন? তিনি বলেন, হাঁ, অধিক সময় তার সাহচর্যে ছিলাম। তিনি সূর্যোদায় পর্যন্ত ঐ স্থানেই বসে থাকতেন সেখানে তিনি ফজরের সলাত আদায় করেছেন। অতঃপর সূর্যোদয় হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে যেতেন।

সহীহ: মুসলিম [সুনানে আবু দাউদ : ১২৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস