(১৬২) নফল সালাত [হাদিসের সীমা (১২৫০ – ১৩৭০), সর্বমোট হাদিসঃ ১২১টি]

অনুচ্ছেদ-২৯৫ [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১০৪টি]


ফাজরের সুন্নাত ছুটে গেলে তা কখন আদায় করবে?




22130 OK

(১২৬৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ قَيْسِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً يُصَلِّي بَعْدَ صَلاَةِ الصُّبْحِ رَكْعَتَيْنِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ `‏ صَلاَةُ الصُّبْحِ رَكْعَتَانِ ‏`‏ ‏.‏ فَقَالَ الرَّجُلُ إِنِّي لَمْ أَكُنْ صَلَّيْتُ الرَّكْعَتَيْنِ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا فَصَلَّيْتُهُمَا الآنَ ‏.‏ فَسَكَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.


ক্বায়িস ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন একদা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজরের সলাতের পর এক ব্যাক্তিকে দু’ রাক’আত আদায় করতে দেখে বলেনঃ ফজরের সালাত তো দু’ রাক’আত। সে বলল, আমি তো ফজরের পূর্বে যে দু’ রাকা’আত আদায় করিনি, সেটাই এখন আদায় করে নিলাম। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব থাকলেন। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



22131 OK

(১২৬৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَامِدُ بْنُ يَحْيَى الْبَلْخِيُّ، قَالَ قَالَ سُفْيَانُ كَانَ عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ يُحَدِّثُ بِهَذَا الْحَدِيثِ عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَى عَبْدُ رَبِّهِ وَيَحْيَى ابْنَا سَعِيدٍ هَذَا الْحَدِيثَ مُرْسَلاً أَنَّ جَدَّهُمْ زَيْدًا صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذِهِ الْقِصَّةِ ‏.‏


সুফয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি ‘আত্বা ইবনু আবূ রাবাহ (রহঃ) এ হাদীস সা’দ ইবনু সাঈদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সা’দ এর দুই পুত্র ‘আবদ রাব্বিহী ও ইয়াহইয়া এ হাদীস মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের দাদা যায়িদ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সলাত আদায় করেছেন এবং ঘটনাটি তার সাথে সংশ্লিষ্ট।

সহীহঃ পূর্বেরটির কারনে। এবং তার উক্তিঃ (তাদের দাদা যায়িদ) কথাটি ভুল। সঠিক হচ্ছেঃ (তাদের দাদা ক্বায়িস)। [সুনানে আবু দাউদ : ১২৬৮]


[(১২৫৪-১২৬৮ নং) হাদীসসমূহ হতে শিক্ষাঃ ১। সুন্নাত সমূহের মধ্যে ফাজরের দু’ রাক’আত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২। ফজরের সুন্নাত সংক্ষেপে কিন্তু সুন্দরভাবে আদায় করতে হয়। ৩। এতে সূরাহ কাফিরুন ও ইখলাস পড়া সুন্নাত। ৪। ফাজরের ফারয্ সালাতের পূর্বে সুন্নাত পড়তে না পারলে ফারযের পরে আদায় করবে। ৫। ফাজরের সুন্নাত বাড়িতে আদায় করা সুন্নাত। ৬। ফাজরের সুন্নাত আদায়ের পর কাত হয়ে বিশ্রাম নেয়া সুন্নাত। ৭। ফাজরের সুন্নাত আদায়ের পর কারো সাথে কথা বলা জায়িজ আছে। ৮। কেউ মাসজিদে এসে ইমামকে ফাজরের জামা’আতে পেলে তখন সুন্নাত পড়বে না বরং জামা’আতে শরীক হবে। ছুটে যাওয়া সুন্নাত জামা’আতের পরে আদায় করবে। ৯। ফাজরের আজান শেষে সালাতের জন্য কাউকে জাগিয়ে দেয়া এবং কারো সম্মুখ দিয়ে যাওয়ার সময় সালাতের জন্য আহবান করা জায়িজ। ১০। ফাজরের সলাত আদায়ের জন্য মাসজিদে আসার পূর্বে স্বীয় পরিবারকেও জাগিয়ে দিবে।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস