
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سَلَمَةَ، عَنْ حُجْرٍ أَبِي الْعَنْبَسِ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَرَأَ { وَلاَ الضَّالِّينَ } قَالَ ` آمِينَ ` . وَرَفَعَ بِهَا صَوْتَهُ .
ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, (সালাত আদায়কালে সূরাহ ফাতিহার শেষে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন “ওয়ালাদদোয়াল্লীন” পড়তেন তখন তিনি সশব্দে আমীন বলতেন। [সুনানে আবু দাউদ : ৯৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ الشَّعِيرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ حُجْرِ بْنِ عَنْبَسٍ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، أَنَّهُ صَلَّى خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَهَرَ بِآمِينَ وَسَلَّمَ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ حَتَّى رَأَيْتُ بَيَاضَ خَدِّهِ .
ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে সালাত আদায় করেছেন। তাতে তিনি সশব্দে আমীন বলেছেন। তিনি ডানে ও বামে এভাবে সালাম ফিরিয়েছেন যে, আমি তাঁর গালের শুভ্রতা দেখেছি। [সুনানে আবু দাউদ : ৯৩৩]
হাদিসের মান : হাসান সহিহ

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، عَنْ بِشْرِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ عَمِّ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا تَلاَ { غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ } قَالَ ` آمِينَ ` . حَتَّى يَسْمَعَ مَنْ يَلِيهِ مِنَ الصَّفِّ الأَوَّلِ .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সালাত আদায়কালে সূরাহ ফাতিহার শেষে) যখন “গাইরিল মাগদূবি ‘আলাইহিম ওয়ালাদদোয়াল্লীন” পড়তেন তখন এমন জোরে আমীন বলতেন যে, প্রথম কাতারে তাঁর নিকটবর্তী লোকেরা তাঁর এ “আমীন” বলা শুনতে পেতো।[৯৩৪] [সুনানে আবু দাউদ : ৯৩৪]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ` إِذَا قَالَ الإِمَامُ { غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ } فَقُولُوا ` آمِينَ ` . فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ` .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সালাতে ইমাম যখন পড়বে “গাইরিল মাগদূবি ‘আলাইহিম ওয়ালাদদোয়াল্লীন” তখন তোমরা “আমীন” বলবে। কেননা যার কথা (আমীন বলা) ফেরেশতার কথার সাথে উচ্চারিত হবে তার পূর্বেকার গুনাহসমুহ মাফ করে দেয়া হবে।
সহীহ : বুখারী ও মুসলিম। [সুনানে আবু দাউদ : ৯৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ` إِذَا أَمَّنَ الإِمَامُ فَأَمِّنُوا فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ` . قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ` آمِينَ ` .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (সালাত সূরাহ ফাতিহা পাঠের পর) ইমাম যখন “আমীন” বলবে তখন তোমরাও “আমীন” বলবে। কেননা যে ব্যক্তির (আমীন বলা) মালায়িকাহ (ফেরেশতার) “আমীন” বলার সাথে মিলবে তার পূর্বেকার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। ইবনু শিহাব(রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সূরাহ ফাতিহার শেষে) আমীন বলতেন।
সহীহ : বুখারী ও মুসলিম [সুনানে আবু দাউদ : ৯৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ رَاهَوَيْهِ، أَخْبَرَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ بِلاَلٍ، أَنَّهُ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لاَ تَسْبِقْنِي ` بِآمِينَ `
বিলাল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসুল ! আপনি আমার আগে “আমীন” বলবেন না। (রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূরাহ ফাতিহা পাঠ শেষ হয়ে যেতো অথচ তখনও বিলালের (রাঃ) পড়া শেষ হত না। তাই তিনি এ কথা বলতেন)। [৯৩৭] [সুনানে আবু দাউদ : ৯৩৭]
[[৯৩৭]-বুখারী (অধ্যায়ঃ আযান, অনুঃ ইমামের সশব্দে আমীন বলা, হাঃ৭৮০), মুসলিম (অধ্যায়ঃ সালাত, অনুঃ তাসবিহ, তাহমিদ ও আমীন বলা) উভয়ে মালিক হতে। আহমাদ (৬/১২, ১৫), বায়হাক্কি ‘সুনান’ (২/২৩), হাকিম (১/২১৯) বামাম হাকিম বলেন, এই হাদিসটি বুখারি ও মুসলিমের শর্তে সহিহ। তবে তাঁরা এটি বর্ণনা করেননি। যাহাবী তার সাথে একমত পোষণ করেছেন। ডঃ সাইয়্যিম মুহাম্মাদ সাইয়্যিদ বলেনঃ বরং সনদটি দুর্বল। সনদে ইনকিতা (বিচ্ছিনতা) হয়েছে। আবু’ উসমান হাদিসটি বিলাল হতে শুনেননি।]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ عُتْبَةَ الدِّمَشْقِيُّ، وَمَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا الْفِرْيَابِيُّ، عَنْ صُبَيْحِ بْنِ مُحْرِزٍ الْحِمْصِيِّ، حَدَّثَنِي أَبُو مُصْبِحٍ الْمَقْرَائِيُّ، قَالَ كُنَّا نَجْلِسُ إِلَى أَبِي زُهَيْرٍ النُّمَيْرِيِّ - وَكَانَ مِنَ الصَّحَابَةِ - فَيَتَحَدَّثُ أَحْسَنَ الْحَدِيثِ فَإِذَا دَعَا الرَّجُلُ مِنَّا بِدُعَاءٍ قَالَ اخْتِمْهُ بِآمِينَ فَإِنَّ آمِينَ مِثْلُ الطَّابَعِ عَلَى الصَّحِيفَةِ . قَالَ أَبُو زُهَيْرٍ أُخْبِرُكُمْ عَنْ ذَلِكَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ فَأَتَيْنَا عَلَى رَجُلٍ قَدْ أَلَحَّ فِي الْمَسْأَلَةِ فَوَقَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَسْتَمِعُ مِنْهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ` أَوْجَبَ إِنْ خَتَمَ ` . فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ بِأَىِّ شَىْءٍ يَخْتِمُ قَالَ ` بِآمِينَ فَإِنَّهُ إِنْ خَتَمَ بِآمِينَ فَقَدْ أَوْجَبَ ` . فَانْصَرَفَ الرَّجُلُ الَّذِي سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَتَى الرَّجُلَ فَقَالَ اخْتِمْ يَا فُلاَنُ بِآمِينَ وَأَبْشِرْ . وَهَذَا لَفْظُ مَحْمُودٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ الْمَقْرَاءُ قَبِيلٌ مِنْ حِمْيَرَ .
আবু মুসাব্বিহ আল-মাকরাই (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবী আবু যুহাইর আন-নুমাইরী (রাঃ) এর নিকট বসতাম। তিনি সুন্দর সুন্দর হাদিস শুনাতেন। একবার আমাদের মধ্যকার এক ব্যাক্তি দু‘আ করতে থাকলে তিনি বললেন, তুমি আমীন বলে দু‘আ শেষ করবে। কেননা (দু‘আ শেষে) ‘আমীন’ বলা (গ্রন্থ বা) চিঠিতে সীলমোহর করার মত। অতঃপর আবু যুহাইর (রাঃ) বলেন, এ বিষয়ে আমি তোমাদের নিকট একটি ঘটনা জানাতে চাই। এক রাতে আমরা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে বের হই। অতঃপর আমরা এমন এক ব্যাক্তির কাছে উপস্থিত হই যিনি কাকুতি-মিনতি করে দু‘আ করছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থামলেন এবং তার দু‘আ শুনলেন, অতঃপর বললেন, যদি সে শেষ করে তবে তার জন্য (জান্নাত) অবধারিত। উপস্থিত লোকদের একজন বললো, কিসের দ্বারা সে দু‘আ শেষ করবে? নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমীন’ বলে। কেননা যদি সে ‘আমীন’ বলার উপর দু‘আ শেষ কহে তাহলে তার দু‘আ কবূল হয় (অথবা সে নিজের জন্য জান্নাত অবধারিত করে নেয়)। এরপর নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্নকারী লোকটি দু‘আরত ব্যাক্তির নিকট গিয়ে বলল, হে অমুক ! তুমি আমীন বলে দু‘আ শেষ কর এবং জান্নাত লাভের ও দু‘আ কবুলের) সুসংবাদ গ্রহণ করো। ইমাম আবু দাউদ(রহঃ) বলেন, আল-মাকরাই হলো হিময়ারের একটি গোত্র। [৯৩৮] [সুনানে আবু দাউদ : ৯৩৮]
[[৯৩৮]- আবু দাউদ এতে একক হয়ে গেছেন। মুনযিয়ী একে ‘আত-তারগীব’ গ্রন্থে (১/৩৩০) বর্ণনা করেছেন। এর সানাদে সুবাইহ ইবনু মুহরিয সম্পর্কে হাফিয বলেনঃ মাক্ববুল।]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস