(১৫৯) সালাত (নামায) [হাদিসের সীমা (৩৯১ – ১১৬০), সর্বমোট হাদিসঃ ৭৭০টি]

অনুচ্ছেদ-৩০ [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৬৪৯টি]


একজনের আযান ও আরেকজনের ইক্বামাত দেয়া




21375 OK

(৫১২)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَمِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ أَرَادَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي الأَذَانِ أَشْيَاءَ لَمْ يَصْنَعْ مِنْهَا شَيْئًا قَالَ فَأُرِيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ الأَذَانَ فِي الْمَنَامِ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ فَقَالَ ‏`‏ أَلْقِهِ عَلَى بِلاَلٍ ‏`‏ ‏.‏ فَأَلْقَاهُ عَلَيْهِ فَأَذَّنَ بِلاَلٌ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ أَنَا رَأَيْتُهُ وَأَنَا كُنْتُ أُرِيدُهُ قَالَ ‏`‏ فَأَقِمْ أَنْتَ ‏`‏ ‏.


‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আযান প্রচলনের জন্য কয়েকটি বিষয়ের ইচ্ছা করেছিলেন। কিন্তু এর কোনটিই করেননি। অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদকে স্বপ্নে দেখানো হলো। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে স্বপ্নের কথা জানালে তিনি বললেনঃ বিলাল কে শিখিয়ে দাও। তিনি বিলাল কে শিখানোর পর বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন।
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি স্বপ্নে আযান দেখেছি, সেজন্য আমিই আযান দিতে চেয়েছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আচ্ছা, তুমি ইক্বামাত দাও। [৫১১] [সুনানে আবু দাউদ : ৫১২]


[[৫১১] আহমাদ (৯৪/৪২), দারাকুতনী (১/২৪৫) মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর সূত্রে, এর সানাদ দুর্বল। সানাদে মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর ওয়াক্বিফী আনসারী দুর্বল বর্ণনাকারী, যেমন ‘আত-তাক্বরীব’ গ্রন্থে আছে। তাকে আরো দুর্বল বলেছেন কাত্তান, ইবনু নুমাইর ও ইয়াইয়া ইবনু মাঈন।]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



21376 OK

(৫১৩)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، - شَيْخٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ مِنَ الأَنْصَارِ - قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدٍ قَالَ كَانَ جَدِّي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ يُحَدِّثُ بِهَذَا الْخَبَرِ قَالَ فَأَقَامَ جَدِّي ‏.‏


‘আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ তার দাদা ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

এরূপই বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার দাদা (‘আবদুল্লাহ) ইক্বামাত দিলেন। [৫১২] [সুনানে আবু দাউদ : ৫১৩]


[[৫১২] পূর্বের হাদীস দেখুন]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



21377 OK

(৫১৪)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ غَانِمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادٍ، - يَعْنِي الإِفْرِيقِيَّ - أَنَّهُ سَمِعَ زِيَادَ بْنَ نُعَيْمٍ الْحَضْرَمِيَّ، أَنَّهُ سَمِعَ زِيَادَ بْنَ الْحَارِثِ الصُّدَائِيَّ، قَالَ لَمَّا كَانَ أَوَّلُ أَذَانِ الصُّبْحِ أَمَرَنِي - يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم - فَأَذَّنْتُ فَجَعَلْتُ أَقُولُ أُقِيمُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَجَعَلَ يَنْظُرُ إِلَى نَاحِيَةِ الْمَشْرِقِ إِلَى الْفَجْرِ فَيَقُولُ ‏`‏ لاَ ‏`‏ ‏.‏ حَتَّى إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ نَزَلَ فَبَرَزَ ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَىَّ وَقَدْ تَلاَحَقَ أَصْحَابُهُ - يَعْنِي فَتَوَضَّأَ - فَأَرَادَ بِلاَلٌ أَنْ يُقِيمَ فَقَالَ لَهُ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏`‏ إِنَّ أَخَا صُدَاءٍ هُوَ أَذَّنَ وَمَنْ أَذَّنَ فَهُوَ يُقِيمُ ‏`‏ ‏.‏ قَالَ فَأَقَمْتُ ‏.‏


যিয়াদ ইবনুল হারিস আস-সুদাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, ফাজরের প্রথম আযান নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশক্রমে আমি দিয়েছিলাম। আযান শেষে আমি বলতে লাগলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি ইক্বামাত দিব? তিনি তখন পূর্ব দিগন্তে ভোরের আভা লক্ষ্য করে বললেনঃ না। ভোরের আলো প্রকাশ পাওয়ার পর তিনি বাহন থেকে নেমে পেশাব-পায়খানা সেরে আমার দিকে ফিরে এলেন। সাহাবীগণ তার সাথে মিলিত হলেন (চারপাশে উপস্থিত হলেন)। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি উযু করলেন। বিলাল (রাঃ) ইক্বামাত দিতে চাইলে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ সুদা গোত্রের ভাই আযান দিয়েছে। আর যে আযান দেয় সে-ই ইক্বামাত দিবে। অতঃপর আমি ইক্বামাত দিলাম। [৫১৩]

দুর্বলঃ ইরওয়া ২৩৭, যঈফাহ ৩৫। [সুনানে আবু দাউদ : ৫১৪]


[[৫১৩] তিরমিযী (অধ্যায়ঃ সলাত অনুঃ আযানদাতা ইক্বামাত দিবে। হাঃ ১৯৯), ইবনু মাজাহ (অধ্যায়ঃ আযান, অনুঃ আযানের সুন্নাত, হাঃ ৭১৭) বায়হাক্বী (১/৩৯৯) তিনি বলেন, এর সানাদে দুর্বলতা আছে। সকলেই ’আবদুর রহমান ইফরীক্বী সূত্রে। ‘আবদুর রহমান ইবনু যিয়াদ ইফরিক্বী দুর্বল। যেমন বলেছেন হাফিয ‘আত-তাক্ববীর’ গ্রন্হে। ইয়াহইয়া ইবনু কাত্তান এবং অন্যরা তাকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম আহমাদ বলেন, আমি ইফরীক্বীর হাদীস লিখি না। ইমাম বাগাভী ও ইমাম বায়হাক্বীও হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন।]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস