(১৫৮) পবিত্রতা অর্জন [হাদিসের সীমা (০১ – ৩৯০), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯০টি]

অনুচ্ছেদ- ৯০ [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৬৭টি]


যে বলে, অপবিত্র ব্যক্তি উযু করবে




21087 OK

(২২৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَنَامَ تَوَضَّأَ ‏.‏ تَعْنِي وَهُوَ جُنُبٌ ‏.‏


আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপবিত্র অবস্থায় খানা খাওয়ার অথবা ঘুমাবার ইচ্ছা করলে উযু করে নিতেন।
সহীহঃ মুসলিম। [সুনানে আবু দাউদ : ২২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21088 OK

(২২৫)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُوسَى، - يَعْنِي ابْنَ إِسْمَاعِيلَ - حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ - أَخْبَرَنَا عَطَاءٌ الْخُرَاسَانِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَخَّصَ لِلْجُنُبِ إِذَا أَكَلَ أَوْ شَرِبَ أَوْ نَامَ أَنْ يَتَوَضَّأَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ بَيْنَ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ وَعَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ فِي هَذَا الْحَدِيثِ رَجُلٌ وَقَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَابْنُ عُمَرَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو الْجُنُبُ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ تَوَضَّأَ ‏.‏


আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপবিত্র ব্যক্তিকে উযু করে পানাহার করার অথবা ঘুমাবার অনুমতি প্রদান করেছেন। ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) বলেছেন, অপবিত্র ব্যক্তি খাওয়ার ইচ্ছা করলে উযু করে নিবে।

দুর্বল।

ইমাম আবূ দাউদ বলেনঃ এ হাদীসে ইয়াহইয়া ইবনু ইয়া’মার ও ‘আম্মার ইবনু ইয়াসারের মাঝে এক ব্যক্তি রয়েছে। আর ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব, ইবনু ‘উমার, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর বলেনঃ জুনুবী খাওয়ার ইচ্ছা করলে উযু করে নিবে। [সুনানে আবু দাউদ : ২২৫]


[[২২৪] তিরমিযী (অধ্যায়ঃ সালাত, অনুঃ উযু করে নিলে জুনুবী ব্যক্তির খাওয়া ও ঘুমানোর অনুমতি আছে, হাঃ ৬১৩), আহমাদ (৪/৩২০) হাম্মাদ সূত্রে ইমাম তিরমিযী বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আহমাদ শাকির তিরমিযীর উপর তার তালীক্ব গ্রন্থে হাদীসটির পরে আবূ দাউদের কৃত বক্তব্য উল্লেখ করেন । অনুরূপভাবে উল্লেখ করেন ইমাম দারাকুতনীর বক্তব্যঃ ইয়াহইয়া ‘আম্মারের সাক্ষাত পাননি, সানাদটি মুনকাতি। অতঃপর আহমাদ শাকির বলন, ‘আম্মার নিহত হয় সিফফিনে ৩৭ হিজরীতে। অতএব এটা অসম্ভব বা দূরের কথা নয় যে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াসার এর সাক্ষাত পেয়েছেন। আলবানী একে দুর্বল বলেছেন ।]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস