
(۲۳۲۶۷) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ وَمُحَمَّدٍ: أَنَّہُمَا کَانَا یَکْرَہَانِ أَنْ یُفَرَّقَا بَیْنَ الأَمَۃِ وَوَلَدِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23267) হজরত হাসান এবং হজরত মুহাম্মদ বান্দি এবং তাঁর বংশধরদের মধ্যে এই পার্থক্য করা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۶۸) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ: أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُہُ، وَیَقُولُ: لاَ بَأْسَ بِہِ إذَا أُوصِفَ، أَوْ أُوصِفَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23268) হযরত হাসান ( রাঃ ) এটা অপছন্দ করতেন এবং বলতেন যে, বয়ঃসন্ধির সীমায় পৌঁছে গেলে পার্থক্য করতে কোন অসুবিধা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۶۹) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ طُلَیْقِ بْنِ عِمْرَانَ ، عَنْ أَبِی بُرْدَۃَ ، عَنْ أَبِی مُوسَی : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَہَی أَنْ یُفَرَّقَ بَیْنَ الأَمَۃِ وَوَلَدِہَا فِی الْبَیْعِ۔ (ابن ماجہ ۲۲۵۰۔ دارقطنی ۲۵۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 23269 ) মহানবী ( সা . ) ক্রয় - বিক্রয়ের সময় বর ও তার সন্তানদের মধ্যে বৈষম্য করতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۰) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَتَبْتُ إلَی نَافِعٍ أَسْأَلُہُ عَنْ أَہْلِ الْبَیْتِ یَکُونُونَ لِلرَّجُلِ أَیَصْلُحُ أَنْ یُفَرِّقَ بَیْنَہُمْ ؟ قَالَ : فَقَالَ : لاَ أَعْلَمُ ذَلِکَ حَرَامًا ، وَلَکِنْ یُکْرَہُ عِنْدَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23270) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হজরত নাফিকে চিঠি লিখে তার কাছ থেকে জানতে পারলাম যে, এ বাড়ির কিছু সদস্য যদি কারো দাস হয় , তাহলে তাদের মধ্যে পার্থক্য করা যাবে কি ? আপনি বলেছেন , আমি এটাকে হারাম মনে করি না , কিন্তু এটা অবাঞ্ছিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۱) حَدَّثَنَا عَبْدُالْوَہَّابِ بْنُ عَطَائٍ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی الْقَصَّافِ، عَنْ رِیَاحِ بْنِ عَبِیْدَۃَ: أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِالْعَزِیزِ کَتَبَ إلَیْہِ أَنْ یَبِیعَ رَقِیقًا مِنْ رَقِیقِ الإِمَارَۃِ وَأَنْ یَبِیعَ أَہْلَ الْبَیْتِ جَمِیعًا، وَلاَ یُفَرِّقَ بَیْنَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23271) হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ হজরত রিয়া ইবনে উবাইদাকে রাজকীয় ক্রীতদাসদের বিক্রি করার জন্য চিঠি লিখেছিলেন । কিন্তু এক পরিবারের ক্রীতদাসদের একসঙ্গে ক্রয় করতে হবে যাতে তাদের মধ্যে কোনো বৈষম্য না থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۲) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : کَتَبَ عُمَرُ : أَلاَ تُفَرِّقُوا بَیْنَ السَّبَایَا وَأَوْلاَدِہِنَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৭২ ) হজরত ওমর ( রা.) লিখেছেন , বন্দি ও তাদের সন্তানদের বিক্রি করার সময় আলাদা করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۳) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : نُبِّئْتُ أَنَّ ابْنًا لاِبْنِ عُمَرَ ، قَالَ لَہُ : تَکْرَہُ أَنْ یُفَرَّقَ بَیْنَ الأَمَۃِ وَبَیْنَ ابْنِہَا وَقَدْ فَرَّقْتَ بَیْنِی وَبَیْنَ أُمِّی؟!۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৭৩ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , আমি এ খবর পেয়েছি যে, ইবনে উমরের ছেলে তার কাছে অভিযোগ করেছেন যে, শিশু ও তার মা আমি আমার পিতা- মাতার মধ্যে বিচ্ছেদ ঘৃণা করি না , অথচ আপনি আমাকে ও আমার মাকে আলাদা করেছেন । আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ رَفَعُہُ قَالَ : کَانَ ألنَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا قَدِمَ عَلَیْہِ السَّبْیُ أَعْطَی أَہْلَ الْبَیْتِ : أَہْلَ الْبَیْتِ ، کَرَاہِیَۃَ أَنْ یُفَرِّقَ بَیْنَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23274) হজরত আবু জাফর ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, যখন বন্দী শিশুরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে আসত , তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) পরিবার - পরিজনদের দিতেন , তিনি ক্রীতদাস ও সন্তানদের দিতেন । তার পরিবার থেকে যাতে তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য না থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ بَاعَ بِنْتَ جَارِیَۃٍ لَہُ ، قَالَ مَنْصُورٌ : فَقُلْتُ لَہُ : أَلَیْسَ کَانُوا یَکْرَہُونَ التَّفْرِیقَ ؟ قَالَ : بَلَی ! وَلَکِنْ أُمُّہَا رَضِیَتْ وَقَدْ وَضَعْتُہَا مَوْضِعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23275 ) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তার ক্রীতদাস কেবিটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন । এই বিচ্ছেদ কে অপছন্দ করেননি ? হযরত ইব্রাহীম ( আঃ ) বললেনঃ কিন্তু তার মা তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন , তিনি তার স্থলে আরেকটি সন্তান প্রসব করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ وَعَطَائٍ وَمُحَمَّدِ بْنِ عَلِیٍّ ، قَالُوا : لاَ بَأْسَ أَنْ یُفَرَّقَ بَیْنَ الْمُوَلَّدَاتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23276 ) হজরত আমীর, হজরত আতা ও হজরত মুহাম্মদ বিন আলী বলেন , মা ও সন্তানকে বিক্রি করার সময় পার্থক্য করা কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۷) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ إذَا أُوصِفَ ، أَوْ أُوصِفَتْ۔ وَقَالَ وَکِیعٌ : السَّبْیُ لاَ یُفَرَّقُ بَیْنَہُمْ ، فَأَمَّا الْمُوَلَّدَاتُ إذَا اسْتَغْنَیْنَ عَنْ أُمَّہَاتِہِنَّ فَلاَ بَأْسَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৭৭ ) হজরত হাসান বলেন , শিশুরা বয়ঃসন্ধিকালে উপনীত হলে কোনো অসুবিধা নেই । হজরত ওয়াকিয়া বলেন , তারা বন্দীদের আলাদা করবেন না , আর সন্তানরা যদি তাদের মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয় , তাহলে কোনো সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۸) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ عَامِرٍ وَأَبِی جَعْفَرٍ: أنَّہُمَا کَرِہَا التَّفْرِیقَ بَیْنَ السَّبَایَا، فَأَمَّا الْمُوَلَّدُونَ فَلاَ بَأْسَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৭৮ ) হজরত আমীর ও হজরত আবু জাফর বন্দীদের মধ্যে এই পার্থক্য করা অপছন্দ করতেন , কিন্তু নবজাতক শিশুদের সঙ্গে তা করাকে তারা ভুল মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۷۹) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ فِرَاسٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : لاَ غَلَتَ فِی الإِسْلاَمِ یَعْنِی لاَ غَلَطَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23279 ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , ইসলামে অন্যায়ের কোনো অস্তিত্ব নেই , অর্থাৎ বিক্রি করার পর এই বলে যে আমি অন্যায় করেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ : أَنَّہُ کَانَ لاَ یُجِیزُ الْغَلَطَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23280 ) হজরত ইবনে সীরীন এটি কার্যকর করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ : فِی رَجُلٍ بَاعَ رَجُلاً ثَوْبًا فَقَالَ : غَلِطْتُ ، فَقَالَ : الشَّعْبِیُّ : لَیْسَ بِشَیْئٍ ، الْبَیْعُ خُدْعَۃٌ ، وَقَالَ الْقَاسِمُ : یَرُدُّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৮১) হজরত আমীর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি অন্যের কাছে একটি কলস বিক্রি করে বলল যে , আমি কিছু ভুল করেছি এটা সত্য নয় যে , বিশ্বাসঘাতকতা প্রতারণার নাম এবং হজরত কাসিম বললেন : কলস ফেরত দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللہِ مَوْلَی عَمْرِو بْنِ حُرَیْثٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قدِمَ رَجُلٌ مِنْ أَہْلِ الْبَادِیَۃِ بِعَشَرَۃِ أَبْعِرَۃٍ فَجَعَلَ یُعْطَی بِالْبَعِیرِ مِئَۃ وَثَلاَثِینَ ، وَمِئَۃً وَعِشْرِینَ ، فَیَأْبَی ، فَأَتَاہُ رَجُلٌ مِنَ النَّخَّاسِینَ فَقَالَ : قَدْ أَخَذْتُہَا مِنْکَ بِأَلْفٍ أَقْرَعَ ، فَبَاعَہَا ، فَلَمَّا حَسَبَ حِسَابَہَا نَدِمَ ! فَخَاصَمَہُ إلَی شُرَیْحٍ ، فَأَجَازَ الْبَیْعَ وَقَالَ: الْبَیْعُ خُدْعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৮২) হজরত আবদ আল - রহমান থেকে বর্ণিত যে , এক গ্রামবাসী কিছু উট নিয়ে এলো , তাকে প্রতিটি উটের বিনিময়ে একশত বাইশ দিরহাম দেওয়া হলো , সে তা বিক্রি করতে অস্বীকার করল , নাখাসিনের এক ব্যক্তি তার কাছে এলো আর বললো আমি তোমার কাছ থেকে এক হাজারে সব উট কিনবো । এই গ্রামবাসী তা বিক্রি করে , পরে গ্রামবাসী হিসেব করলে তিনি খুবই দুঃখিত হন এবং তার বিরোধ হযরত শরীয়াহর কাছে নিয়ে যান .এটা প্রতারণার নাম জারি করা এবং প্রয়োগ করা .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْ بَیْعِ الطَّعَامِ حَتَّی یَجْرِیَ فِیہِ الصَّاعَانِ ، فَتَکَُونُ لَہُ زِیَادَتُہُ وَعَلَیْہِ نُقْصَانہ۔ (ابن ماجہ ۲۲۲۸۔ دارقطنی ۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৮৩) হজরত হাসান ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু সা না খাওয়া পর্যন্ত কসম খেতে নিষেধ করেছেন । তাহলে বৃদ্ধি এবং হ্রাস উভয়ই গ্রাহকের জন্য হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۴) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أشعث ، عن ابن سیرین ، عَنْ عَبِیْدَۃَ ، قَالَ : نُہِیَ عَنْ بَیْعِ الطَّعَامِ حَتَّی یَجْرِیَ فِیہِ الصَّاعَانِ ، فَتَکُونَ زِیَادَتُہُ لِمَنَ اشْتَرَی ، وَنُقْصَانُہُ عَلَی الْبَائِعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23284) হজরত উবাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত যে , তিনি বেয়াহ থেকে এ খাদ্য হারাম করেছেন যাতে দুটি সাআ করা হয় না । অতিরিক্ত ক্রেতার ক্ষতির জন্য বিক্রেতার খরচ হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ وَالْحَسَنِ : أَنَّہُمَا سُئِلاَ عَنِ الرَّجُلِ یَشْتَرِی الطَّعَامَ أَیَبِیعُہُ بِکَیْلِہِ؟ فَقَالاَ : لاَ ، حَتَّی یَجْرِیَ فِیہِ الصَّاعَانِ ، فَتَکُونُ لَہُ الزِّیَادَۃُ وَعَلَیْہِ النُّقْصَانُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23285 ) হজরত ইবনে সিরীন ও হজরত হাসান বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি খাদ্য ক্রয় করে থাকে , তাহলে সে কি পেরেক দিয়ে বিক্রি করতে পারবে ? সে বলল না . হ্যাঁ , যতক্ষণ না এর মধ্যে দুই দিন থাকে , ততক্ষণ বৃদ্ধি এবং হ্রাস উভয়ই গ্রাহকের হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ وَالْحَکَمِ : فِی الرَّجُلِ یَشْتَرِی الطَّعَامَ فَیَزِیدُ ، فَقَالاَ: إِنْ کَانَ غَلِطَ رَدَّہُ ، وَإِنْ کَانَ زِیَادَۃً رَدَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৮৬) হজরত শাবি ও হজরত হাকাম (রা. ) থেকে বর্ণিত আছে যে, কোনো ব্যক্তি খাদ্য ক্রয় করলে বেশি নিয়ে বের হয় , তিনি বলেন : ভুল হলে তা ফেরত দাও , বেশি হলে ফেরত দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۷) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا مَہْدِیُّ بْنُ مَیْمُونٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَشِیرِ بْنِ الْبَرَائِ ، قَالَ : سَمِعْتُ مُوَرِّقًا الْعِجْلِیّ یَقُولُ: لَقَدْ بَعَثْنَا بِسَفِینَۃٍ مِنَ الأَہْوَازِ إلَی الْبَصْرَۃِ فِیہَا ثَلاَثُونَ کُرًّا، مَا ہُوَ إلاَّ فَضْلُ مَا بَیْنَ الْکَیْلَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23287 ) হজরত মুরাক আল - আজলী বলেন , আমরা আহওয়াজ থেকে বসরায় প্রচুর মালামাল নিয়ে একটি নৌকা পাঠিয়েছিলাম । আর সেই জিনিসটি ছিল দুটি নখের মাঝখান থেকে অবশিষ্ট থাকা জিনিসগুলি ( অর্থাৎ , একটি পেরেক থেকে অন্য পেরেক দেওয়ার সময় যা অবশিষ্ট ছিল ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۸) حَدَّثَنَا عُمَرُ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ، عَنْ عَطَائٍ، قَالَ: إِنْ بِعْتَ طَعَامًا فَوَجَدْتَ زِیَادَۃً فَلَکَ، أَوْ نُقْصَانًا فَعَلَیْک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23288) হজরত আতা বলেন , যদি আপনি খাদ্য বিক্রি করেন , তাহলে যদি তা বেশি হয় , তবে অতিরিক্ত আপনার জন্য এবং যদি ক্ষতি হয় তবে তা বিক্রেতার উপর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۸۹) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا أَقَرَّ عَلَی نَفْسِہِ بِالْعُبُودِیَّۃِ ، فَہُوَ عَبْدٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23289) হজরত আলী বলেন , যদি কোনো স্বাধীন ব্যক্তি ক্রীতদাস হওয়ার কথা স্বীকার করে, তবে সে ক্রীতদাস হিসেবে গণ্য হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۹۰) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : لاَ یُسْتَرَقُّ حُرٌّ بِإِقْرَارِہِ عَلَی نَفْسِہِ بِالْعُبُودِیَّۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23290) হজরত শাবি বলেন , কোনো স্বাধীন ব্যক্তি যদি নিজের কাছে তার দাসত্ব স্বীকার করে তবে সে গোলাম হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۹۱) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الْحَارِثِ : فِی الرَّجُلِ یَقُولُ : کُنْتُ مَمْلُوکًا لِفُلاَنٍ ، أَوْ کَانَ أَبِی مَمْلُوکًا لِفُلاَنٍ ، أَوْ کَانَتْ أُمِّی مَمْلُوکَۃً لِفُلاَنٍ ، فَقَالَ فُلاَنٌ : أَنْتُمْ عَبِیدِی الْیَوْمَ ، قَالَ : إذَا کَانُوا قَدْ جروا فِی الْعِتْقِ وَعُرِفَ أَنَّہُمْ مَوَالٍ ، لاَ یَکُونُونَ لِہَذَا مَمْلُوکِینَ لِلَّذِینَ یَدَّعُونَ إلاَّ أَنْ یَجِیئَ بِشُہُودٍ عُدُولٍ یَشْہَدُونَ أَنَّہُمْ مَمْلُوکُوہ إلَی الْیَوْمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23291 ) হজরত হারিছ ( রা ) থেকে বর্ণিত যে , এক ব্যক্তি বলল , আমি অমুকের গোলাম , অথবা আমার পিতা অমুকের গোলাম , অথবা আমার মা অমুকের গোলাম । s . সেই অমুক ব্যক্তি বলতে শুরু করল যে, তুমি আজ আমার গোলাম , সে বলল যে, তারা যখন স্বাধীন এবং জানা যাবে যে তারা ক্রীতদাস , তখন শুধু দাবি করলেই তাদের দাস হিসেবে গণ্য হবে না বরং তাদের নিয়ে আসা উচিত । একজন ন্যায্য সাক্ষী । এবং সেই সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিয়েছিল যে তারা ক্রীতদাস .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۹۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ زَکَرِیَّا بْنِ أَبِی زَائِدَۃَ، عَنِ ابْنِ أَبِی غَنِیَّۃَ، عَنِ الْحَکَمِ، قَالَ: إذَا لَحِقَ أَحَدَ الْمُتَفَاوِضَیْنِ دَیْنٌ ، فَہُوَ عَلَیْہِمَا جَمِیعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৯২ ) হযরত হুকুম দেন যে , শরীকদের মধ্যে একজনের ঋণ থাকলে তা উভয়ের উপর ওয়াজিব হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۹۳) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ عَامِرٍ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، قَالَ : الْکَفِیلُ غَارِمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23293) হজরত শরীয়াহ ( রহ . ) বলেন , জামিনদারই হবেন জামিনদার ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۹۴) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِشُرَیْحٍ : کَفِیلِی حِیلَ دُونَہُ ، وَمَالِی اُقْتُضِیَ مُسَمًّی ، وَمَالُ غَرِیمِی اُقْتُسِمَ دُونِی ، فَقَالَ : إِنْ کَانَ الْکَفِیلُ مُخَیَّرًا فَالْکَفِیلُ غَارِمٌ ، وَإِنْ کَانَ مَالُکَ اُقْتُضِیَ مُسَمًّی فَأَنْتَ أَحَقُّ بِہِ ، وَإِنْ کَانَ مَالُ غَرِیمِکَ اُقْتُسِمَ دُونَکَ فَہُوَ بِالْحِصَصِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৯৪ ) হজরত মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন যে , আমি হজরত শরী‘আহকে বললাম , আমার পৃষ্ঠপোষক আমাকে বাদ দিয়ে হাইলাহ করেছেন এবং আমার ধন - সম্পদ আমার থেকে আলাদা হয়ে গেছে আমি তিনি বললেনঃ যদি জামিনদার ভাল হয় তবে সে জামিনদার , এবং আপনি আপনার সম্পত্তির বেশি অধিকারী , এবং যদি তিনি আপনার শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি আপনার থেকে আলাদা করে দেন তবে তিনি অংশের সাথে থাকবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۹۵) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ شُرَحْبِیلَ بْنِ مُسْلِمٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَۃَ البَاہِلِی یَقُولُ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی خُطْبَتِہِ فِی عَامِ حَجَّۃِ الْوَدَاعِ یَقُولُ : الدَّیْنُ مَقْضِیٌّ وَالزَّعِیمُ غَارِمٌ۔ یَعْنِی : الْکَفِیلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23295) হজরত আবু ইমামা আল-বাহলী ( রহ. ) বলেন , আমি হযরত হুযূর আকদাস ( সা. ) -কে বিদায় হজের খুতবায় বলতে শুনেছি যে, ঋণ যে কোনো অবস্থায় মাফ করা আবশ্যক ও যথেষ্ট গ্যারান্টি । ( ঋণ পরিশোধকারী । )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۹۶) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی نَجِیحٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ وَطَاوُوسٍ : فِی قولہ تعالی : {فَکَاتِبُوہُمْ إِنْ عَلِمْتُمْ فِیہِمْ خَیْرًا} قَالاَ : مَالٌ وَأَمَانَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৯৬) হজরত তাউস ও হযরত মুজাহিদ বলেন, আল্লাহর বাণী {ফাকাতিব্বুহুম ইন্নে আলামতুম ফী ইয়ি খায়রা } অর্থ সম্পদ ও আমানতকে নির্দেশ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস