
(۲۳۲۳۷) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৩৭) হযরত শরিয়াহ (রাঃ) থেকে এভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۳۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : الرَّہْنُ بِمَا فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৩৮) হযরত হাসান (রাঃ ) থেকে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۳۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ أَبِی نَجِیحٍ ، عَنِ الرَّہْنِ إذَا ہَلَکَ ، قَالَ : کَانَ عَطَائٌ یَقُولُ : الذَّہَبُ وَالْفِضَّۃُ وَالْعُرُوضُ یَتَرَادَّانِ ، وَالْحَیَوَانُ لاَ یَتَرَادَّانِ ، ہُوَ مِنَ الأَوَّلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৩৯ ) হজরত ইবনে আলী (রা) বলেন , আমি হজরত ইবনে আবি নাজিহ ( রা .) থেকে জানতে পেরেছি যে , বন্ধক নষ্ট হলে ? হযরত আতা (রাঃ) বললেনঃ স্বর্ণ , রুপা ও মালামাল ফেরত দেয়া হলো । এটা হবে যদিও প্রাণীটি ফেরত দেওয়া হবে না . এই প্রথম এক .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا کَانَ الرَّہْنُ بِأَکْثَرَ مِمَّا رُہِنَ بِہِ ، فَہُوَ أَمِینٌ فِی الْفَضْلِ ، فَإِنْ کَانَ نَاقِصًا فَأَحْسَنُ مِنْ ذَلِکَ أَنْ یَرُدَّ عَلَیْہِ النُّقْصَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৪০) হজরত ইব্রাহীম (রহঃ) বলেন , যে বন্ধকটি বন্ধক রাখা হয়েছে তার চেয়ে বেশি হলে তা তার চেয়ে বেশি এবং যদি তার চেয়ে কম হয় , তবে ক্ষতি ফেরত দিলে তা উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ زَمْعَۃَ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوسٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : الرَّہْنُ بِمَا فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৪১ ) হযরত তাওস বলেন , বন্ধকের মূল্য কমে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ بْنُ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : الرَّہْنُ بِمَا فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৪২ ) হজরত ইবনে সীরীন থেকে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إدْرِیسُ الأَوْدِیُّ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ عُمَیْرۃ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ یَقُولُ فِی الرَّہْنِ : یَتَرَادَّانِ الْفَضْلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৪৩) হজরত ইবনে ওমর (রা.) বন্ধক সম্পর্কে বলেন যে, উভয়েই একে অপরকে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দেবে ( অর্থাৎ যার কাছে অতিরিক্ত অর্থ আছে সে তা অন্যকে ফিরিয়ে দেবে ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الْحَکَمِ، عَنْ عَلِیٍّ، قَالَ: یَتَرَادَّانِ الْفَضْلَ فِی الرَّہْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৪৪) হযরত আলী ( রা . )ও একইভাবে ইন্তেকাল করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی بْنِ عَامِرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَنَفِیَّۃِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ: إذَا کَانَ الرَّہْنُ أَکْثَرَ مِمَّا رُہِنَ بِہِ فَہَلَکَ ، فَہُوَ بِمَا فِیہِ لأَنَّہُ أَمِینٌ فِی الْفَضْلِ ، وَإِذَا کَانَ أَقَلَّ مِمَّا رَہَنَ بِہِ فَہَلَکَ رَدَّ الرَّاہِنُ الْفَضْلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৪৫ ) হজরত আলী ইরশাদ করেন , বন্ধক যে জিনিসের জন্য বন্ধক রাখা হয়েছিল তার চেয়ে বেশি হলে তা নষ্ট হয়ে যায় , কেননা অতিরিক্ত এটা আমিন , আর বন্ধকদার যদি ইচের কম পড়ে এবং পরে ধ্বংস হয়ে যায় , তাহলে বন্ধককারী । অতিরিক্ত ফেরত দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ: إذَا کَانَ الرَّہْنُ أَکْثَرَ مِمَّا رُہِنَ بِہِ فَہَلَکَ، فَہُوَ بِمَا فِیہِ ، لأَنَّہُ أَمِینٌ فِی الْفَضْلِ ، وَإِذَا کَانَ أَقَلَّ مِمَّا رُہِنَ بِہِ فَہَلَکَ، رَدَّ الرَّاہِنُ الْفَضْلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৪৬) হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) থেকেও একইভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ شِبَاکٍ ، قَالَ : قُلْتُ لإِبْرَاہِیمَ : رَجُلٌ رَہَنَ مِئَۃ دِرْہَمٍ بمائتی درہم ، فَہَلَکَتِ الْمِئَۃُ ؟ فَقَالَ : إنَّ أَحْسَنَ أنْ یَتَرَادَّا فِی الْفَضْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৪৭) হজরত শাবাক বলেন , আমি হজরত ইব্রাহীম ( রা.)- এর কাছ থেকে জানতে পারলাম যে, এক ব্যক্তি দুইশ দিরহামের বিনিময়ে একশ দিরহাম বন্ধক রাখলো , তারপর শত দিরহাম শেষ হলো । তিনি বললেনঃ অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিলে ভালো হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسماعیل ، عن عامر قَالَ : الرہن بما فیہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৪৮ ) হজরত আমীর (রা . ) বলেন , যে সম্পত্তি বন্ধক রাখা হয়েছে তার বিনিময়ে বন্ধক রাখা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۴۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، قَالَ : الرَّہْنُ بِمَا فِیہِ۔قَالَ شُعْبَۃُ : قُلْتُ لِلْحَکَمِ فِی قَوْلِہِ : إذَا کَانَ أَقَلَّ ، أَوْ أَکْثَرَ سَوَائٌ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৪৯) হযরত শারিয়াহ ( রাঃ ) থেকেও অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে । হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকামকে জিজ্ঞেস করলাম , কম বেশি হলে কি সমান ? হ্যাঁ বলুন !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۵۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یُغْلَقُ الرَّہْنُ ، ہُوَ لِمَنْ رَہَنَہُ ، لَہُ غُنْمُہُ وَعَلَیْہِ غُرْمُہُ۔ (عبدالرزاق ۱۵۰۳۳۔ ابن حبان ۵۹۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(23250) মহানবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ বন্ধক রাখা জিনিস আটকে রাখা যায় না । এটা যে বন্ধক রেখেছে তার অধিকার । বন্ধককৃত বস্তুর লাভ ( অর্থাৎ বৃদ্ধি ও বৃদ্ধি ) তার এবং তার মুক্তিপণও তার উপর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۵۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ عَامِرِ بْنِ مَسْعُودٍ الْجُمَحِیِّ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ جَعْفَرٍ ، أَنَّ رَجُلاً رَہَنَ دَارًا إلَی أَجَلٍ ، فَلَمَّا حَلَّ الأَجَل ، قَالَ الْمُرْتَہِنُ : دَارِی ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یُغْلَقُ الرَّہْنُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৫১) হজরত মুয়াবিয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি বাড়ি বন্ধক রাখল , সময় শেষ হলে বন্ধকটি বলল : কাঁচা বাড়ি । মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ বন্ধক রাখা যাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۵۲) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : مَا زِلْنَا نَسْمَعُ ، أَنَّ الرَّہْنَ بِمَا فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৫২) হযরত আতা বলেন , আমরা রা তিনি শুনেছেন যে বন্ধক এবং তার সবকিছু হারিয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۵۳) حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ ، عَنْ عِمْرَانَ الْقَطَّانِ ، عَنْ مَطَرٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ: مَا زِلْنَا نَسْمَعُ ، أَنَّ الرَّہْنَ بِمَا فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23253) হযরত আতার কাছে বন্ধক রাখা জিনিসটি সেই সম্পত্তির বিনিময়ে দেওয়া হবে যার কারণে বন্ধক রাখা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۵۴) حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ ، عَنْ عِمْرَانَ الْقَطَّانِ ، عَنْ مَطَرٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ عُمَرَ ، قَالَ: إذَا کَانَ الرَّہْنُ أَکْثَرَ مِمَّا رُہِنَ بِہِ ، فَہُوَ أَمِینٌ فِی الْفَضْلِ ، وَإِذَا کَانَ أَقَلَّ رُدَّ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৫৪ ) হজরত ওমর ( রা . ) বলেন , যদি বন্ধক রাখা জিনিসের মূল্য তার চেয়ে বেশি হয় , তবে এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি ( যার কাছে বন্ধক রাখা হয়েছে ) তা করবে বন্ধক হিসাবে বিবেচিত হবে এবং যদি বন্ধক রাখা জিনিসের মূল্য কম হয় , তবে অবশিষ্ট মূল্য বন্ধক সেই ব্যক্তিকে প্রদান করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۵۵) حَدَّثَنَا عبد الوہاب بن عطاء ، عن ابن عون ، عن محمد بن سیرین ، قَالَ : الرہن بما فیہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৫৫ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , ঋণের পরিমাণ অনুযায়ী বন্ধকের মূল্য কমানো হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۵۶) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ جَابَانَ ، قَالَ خَاصَمْتُ إلَی شُرَیْحٍ فِی خَاتَمِ ذَہَبٍ فَقَالَ : الرَّہْنُ بِمَا فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৫৬ ) হজরত জবান বলেন , আমি যদি একটি সোনার আংটি নিয়ে তর্ক করতে করতে হযরত শরীহের কাছে আসি , তাহলে আমার কাছে যে জিনিসটি বন্ধক ছিল তার বিনিময়ে বিবাহ করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللہِ بْنُ یُونُسَ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ بَقِیُّ بْنُ مَخْلَدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ أَبِی شَیْبَۃَ ، قَالَ : (۲۳۲۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَسَنِ ، عَنْ أُمِّہِ فَاطِمَۃَ ابْنَۃِ حُسَیْنٍ ، أَنَّ زَیْدَ بْنَ حَارِثَۃَ قَدِمَ یَعْنِی مِنْ أَیْلَۃَ ، فَاحْتَاجَ إلَی ظَہْرٍ فَبَاعَ بَعْضَہُمْ ، فَلَمَّا قَدِمَ عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَأَی امْرَأَۃً مِنْہُمْ تَبْکِی ، قَالَ : مَا شَأْنُ ہَذِہِ ؟ فَأُخْبِرَ أَنَّ زَیْدًا بَاعَ وَلَدَہَا ، فَقَالَ لَہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اُرْدُدْہُ أَوِ اشْتَرِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৫৭) হজরত আবদুল্লাহ বিন আল হুসাইন তার মা ফাতিমা বিনতে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন যে , হযরত যায়েদ বিন হারিসা তাদের সাথে দেখা করতে আইলা থেকে ফিরে আসেন এবং তাদের কিছু জিনিসপত্রের প্রয়োজন হলে তারা একটি সন্তানকে বিক্রি করে দেন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জানতে পারলেন যে তিনি কাঁদছেন , তাঁর কি হয়েছে ? রাসুল ( সাঃ ) কে বলা হল যে হযরত যায়েদ তার ছেলেকে বিক্রি করে দিয়েছিলেন রাসুলুল্লাহ ( সাঃ ) বললেনঃ ফিরিয়ে দাও । সে বললো কিনে দাও .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۵۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : بَعَثَ مَعِی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِغُلاَمَیْنِ سَبِیَّیْنِ مَمْلُوکَیْنِ أَبِیعُہُمَا ، فَلَمَّا أَتَیْتُہُ ، قَالَ : جَمَعْتَ أَوْ فَرَّقْتَ ؟ قُلْتُ : فَرَّقْتُ ، قَالَ : فَأَدْرِکْ أَدْرِکْ۔ (ترمذی ۱۲۸۴۔ ابوداؤد ۲۶۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(23258) হজরত আলী ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, নবী ( সা . ) আমার সঙ্গে বন্দী দুটি শিশুকে পাঠিয়েছিলেন , যাতে আমি তাদের বিক্রি করতে পারি । রাসুল ( সাঃ ) এটি আবিষ্কার করেছিলেন এবং একসাথে বিক্রি করেছিলেন নাকি আলাদাভাবে ? আমি আলাদা করে বললাম , তুমি বলেছিলে তাদের ধর ( অর্থাৎ ফিরিয়ে আন ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۵۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنْ أَیُّوبَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِینَارٍ، عَنْ فَرُّوخَ، قَالَ: کَتَبَ عُمَرُ: أنْ لاَ تُفَرِّقُوا بَیْنَ الأَخَوَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৫৯ ) হজরত ওমর (রা. ) লিখেছেন : দুই ভাইয়ের মধ্যে ভাগ করবেন না , তাদের একসঙ্গে বিক্রি করবেন না বা একসঙ্গে রাখবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۶۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ فَرُّوخَ - وَرُبَّمَا قَالَ : عَنْ أَبِیہِ : أَنَّ عُمَرَ ، قَالَ : لاَ تُفَرِّقُوا بَیْنَ الأُمِّ وَوَلَدِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৬০) হজরত ওমর ( রা . ) দালালদের নির্দেশ দেন : ক্রীতদাস ও তার সন্তানদের মধ্যে বৈষম্য করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۶۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنْ حُمَیْدِ بْنِ ہِلاَلٍ ، قَالَ : قَالَ عِقَالُ - أَوْ حَکِیمُ بْنُ عِقَال - قَالَ : کَتَبَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ إلَی عِقَال : أَنْ یَشْتَرِیَ مِئَۃ أَہْلِ بَیْتٍ یَرْفَعُہُمْ إلَی الْمَدِینَۃِ ، وَلاَ تَشْتَرِی لِی شَیْئًا تُفَرِّقُ بَیْنَہُ وَبَیْنَ وَالِدِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23261) হজরত উসমান বিন আফফান ( রা. ) আকালকে লিখেছিলেন যে, তিনি যেন একটি পরিবারের একশত ক্রীতদাস ক্রয় করে মদীনায় নিয়ে যান , পাছে তাদের কেউ এমন কোনো ক্রীতদাস না কিনে দেন যাতে তার এবং তার মধ্যে এই মতভেদ আবশ্যক । পিতামাতা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۶۲) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ شِہَابٍ ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّہُ غَزَا مَعَ أبِی مُوسَی ، فَلَمَّا فَتَحُوا تُسْتَرَ کَانَ لاَ یُفَرِّقُ بَیْنَ الْمَرْأَۃِ وَوَلَدِہَا فِی الْبَیْعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩২৬২) হজরত হাবিব ইবনে শিহাব (রা. ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি হজরত আবু মূসা ( রা.) - এর সাথে জিহাদে অংশীদার ছিলেন , যখন তাস্তরের স্থান বিজয় করা হয়, তখন তিনি নারী ও তাদের সন্তানদের দিরহাম বিক্রি করতেন এই পার্থক্য .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۶۳) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حَبَّابٍ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُلَیٍّ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ أَبِی جَبَلَۃَ الْقُرَشِیَّ یَقُولُ : کَانُوا یُفَرِّقُونَ بَیْنَ السَّبَایَا ، فَیَجِیئُ أَبُو أَیُّوبَ فَیَجْمَعُ بَیْنَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩২৬৩ ) হজরত ইবনে জাবাল আল - কুরায়শি থেকে বর্ণিত আছে যে , ওই লোকেরা বন্দীদের মধ্যে বৈষম্য করত
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۶۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إنَّمَا کَرِہُوا بَیْعَ الرَّقِیقِ مَخَافَۃَ أَنْ یُفَرِّقُوا بَیْنَ الْوَلَدِ وَوَالِدِہِ وَبَیْنَ الإِخْوَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23264 ) হজরত ইব্রাহিম , ছেলে ও বাবাকে আলাদা করা উচিত নয় বা ভাইদের আলাদা করা উচিত নয় । এই ভয়ে তারা ক্রীতদাসদের ব্যভিচার করেনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا أُتِیَ بِالسَّبْیِ أَعْطَی أہل البیت جَمِیعًا کَرَاہِیَۃَ أَنْ یُفَرِّقَ بَیْنَہُمْ۔ (ابن ماجہ ۲۲۴۸۔ احمد ۳۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(23265) হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত যে, যখন একটি শিশুকে নবী ( সা. )- এর কাছে নিয়ে আসা হতো , তখন তিনি সেই শিশুটিকে সকল আহলে বাইতকে দিয়ে দিতেন যাতে তাদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি না হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۲۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ حُمَیْدِ بْنِ ہِلاَلٍ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ عِقَال ، قَالَ : کَتَبَ عُثْمَانُ إلَی أَبِی أَنِ اشْتَرِ لِی مِئَۃ أَہْلِ بَیْتٍ وَلاَ تُفَرِّقْ بَیْنَ وَالِدٍ وَوَلَدِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23266) হজরত উসমান বিন আফফান ( রা. ) আকালকে লিখেছিলেন যে, তিনি যেন একটি পরিবারের একশত ক্রীতদাস ক্রয় করে মদীনায় নিয়ে যান , পাছে তাদের মধ্যে কেউ এমন কোনো ক্রীতদাস না কিনে নেয় যাতে তার ও তার মধ্যে এই মতভেদ আবশ্যক হয় । পিতামাতা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩২৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস