
(۲۲۵۱۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنِ الصَّلْتِ بْنِ بَہْرَامَ ، عْن أُمِّ صَالِحٍ : أَنَّ امْرَأَۃً قَالَتْ لِعَائِشَۃَ : یَصْلُحُ لِلْمَرْأَۃِ أَنْ تَأْخُذَ مِنْ بَیْتِ زَوْجِہَا الشَّیْئَ بِغَیْرِ إذْنِہِ ؟ فَقَالَتْ : مَا عَلَیْہَا إِنْ فَعَلَتْ ذَلِکَ أَمْ نَقَبَتْ بَیْتَ جَارَتِہَا فَسَرَقَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22517) হজরত উম্মে সালেহ (রা.) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক মহিলা হজরত আয়েশা (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলেন , একজন মহিলা কি তার স্বামীর বাড়ি থেকে তার অনুমতি ছাড়া কিছু নিতে পারবে ? সে এভাবে করুক বা প্রতিবেশীর বাড়িতে ঢুকে চুরি করুক তাতে কোনো পার্থক্য নেই । ( অর্থাৎ স্বামীর অনুমতি ছাড়া এ কাজ করা এবং প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে চুরি করা সমতুল্য )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : جَائَتْ ہِنْدٌ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَتْ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنَّ أَبَا سُفْیَانَ رَجُلٌ شَحِیحٌ ، فَلاَ یُعْطِینِی مَا یَکْفِینِی وَوَلَدِی ، إلاَّ مَا أَخَذْت مِنْ مَالِہِ وَہُوَ لاَ یَعْلَمُ ، فَقَالَ : خُذِی مَا یَکْفِیک وَوَلَدَک بِالْمَعْرُوفِ۔ (بخاری ۲۲۱۱۔ احمد ۶/۳۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(22518) হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন যে, হজরত হিন্দ রাসুলুল্লাহ (সা.) - এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বললেন , হে আল্লাহর রাসূল ! আবু সুফী একজন কৃপণ ব্যক্তি এবং সে আমাকে আমার এবং আমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট দেয় না , তাহলে আমি তার সম্পদ থেকে তার অনুমতি ব্যতীত নিয়ে নেব . আপনি যা কিছু বের করবেন , তিনি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন : আপনার এবং আপনার সন্তানদের জন্য যা যথেষ্ট তা ভালোভাবে গ্রহণ করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۱۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا إیَاسُ بْنُ دَغْفَلٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: جَائَ رَجُلٌ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، مَا أَمْرِی وَأَمْرُ صَاحِبَتِی ؟ قَالَ : وأَیُّ أَمْرِکُمَا ؟ قَالَ : تَصَّدَّقُ مِنْ بَیْتِی بِغَیْرِ إذْنِی ، قَالَ : الأَجْرُ بَیْنَکُمَا ، قَالَ : أَرَأَیْت إِنْ مَنَعْتہَا ؟ قَالَ لَہَا مَا اَحْتَسَبَتْ ، وَلَک مَا بَخِلْتَ بِہِ۔(عبدالرزاق ۱۶۶۱۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(22519) হজরত হাসান ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর খেদমতে এসে বলল , হে আল্লাহর রাসূল! মীরা ও মরিয়ম খাতুনের হুকুম কি ? তোমাদের দুজনের মধ্যে কি ব্যাপার ? তিনি বললেন , আমার অনুমতি ছাড়াই সে আমার বাড়ি থেকে দান -খয়রাত করছে । তাকে এ থেকে বিরত রাখবে ? তিনি বললেন , সে যা নিয়ত করেছে তার প্রতিদান পাবে এবং তুমি কৃপণতা থেকে যা করেছ তা তোমার জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنْ سَعْدٍ ، قَالَ : لَمَّا بَایَعَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ النِّسَائَ قَامَتْ إلَیْہِ امْرَأَۃٌ جَلِیلَۃٌ کَأَنَّہَا مِنْ نِسَائِ مُضَرَ ، فَقَالَتْ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنَّا کَلٌّ عَلَی آبَائِنَا وَأَزْوَاجِنَا وَأَبْنَائِنَا ، فَمَا یَحِلُّ لَنَا مِنْ أَمْوَالِہِمْ ؟ قَالَ : الرَّطْبُ تَأْکُلِینَہُ وَتُہْدِینَہُ۔ (ابوداؤد ۱۶۸۳۔ حاکم ۱۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(22520) হজরত সাদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন মহিলাদের কাছে বাইয়াত করলেন , তখন একজন মহিলা উঠে দাঁড়ালেন এবং তিনি বললেন , হে আল্লাহর রাসূল ! সবই আমাদের বাবা - মা , স্বামী - সন্তানের জন্য , এসব সম্পত্তি থেকে আমাদের জন্য হালাল কী ? তিনি ( রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ প্রত্যেক মসলাযুক্ত জিনিস ( যা আপনি সংরক্ষণ করতে পারবেন না ) খাও এবং তা উপহার হিসেবে দান কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۱) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ شُرَحْبِیلَ بْنِ مُسْلِمٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَۃَ الْبَاہِلِیَّ یَقُولُ : سَمِعْت النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ فِی حَجَّتِہِ عَامَ حَجَّۃِ الْوَدَاعِ : لاَ تُنْفِقُ أمْرَأَۃٌ شَیْئًا مِنْ بَیْتِ زَوْجِہَا إلاَّ بِإِذْنِہِ ، قِیلَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، وَلاَ الطَّعَامُ ؟ قَالَ : ذَلِکَ أَفْضَلُ أَمْوَالِنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৫২১) হজরত আবু ইমামা বাহলী ( রা . ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা. )-কে হজের সময় বলতে শুনেছি : কোনো নারী যেন তার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত তার ঘর থেকে অর্থ ব্যয় না করে , হে আল্লাহর রাসূল ৫ ! খাবারও ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ এটি সর্বোত্তম সম্পদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ وَمُحَمَّدٌ وَشُرَیْحٌ ، قَالَ : بَیْعُ الشَّرِیکِ جَائِزٌ مَا لَمْ یُنْہَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৫২২) হজরত শাবি ( রা.), মুহাম্মাদ ( সা . ) ও হজরত শরীফ ( রহ . ) বলেন , সঙ্গীর বায়আত করা জায়েয যতক্ষণ না তা হারাম না হয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ سَیَّارٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : کُلُّ شَرِیکٍ بَیْعُہُ فِی شِرْکَتِہِ جَائِزٌ إلاَّ شَرِکَۃً فِی مِیرَاثٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৫২৩ ) হজরত শাবি ( রহ . ) বলেন , প্রত্যেক অংশীদারের জন্য উত্তরাধিকারের অংশীদারি জিনিস ব্যতীত তার অংশগ্রহণের জিনিস বিক্রি করা জায়েয ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ سُوَیْد بْنِ قَیْسٍ ، قَالَ : جَلَبْت أَنَا وَمَخْرَفَۃُ الْعَبْدِیُّ بَزًّا مِنْ ہَجَرَ ، فَجَائَنَا النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَسَاوَمَنَا سَرَاوِیلَ ، وَعِنْدَنَا وَزَّانٌ یَزِنُ بِالأَجْرِ ، فَقَالَ لَہُ النبی صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَاوَزَّانُ زِنْ وَأَرْجِحْ۔ (ترمذی ۱۳۰۵۔ ابوداؤد ۳۳۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৫২৪) হযরত সুওয়াইদ বিন কায়স বলেন , আমি ও মাখারফা আবদি মাকাম হিজর থেকে কাপড় নিয়ে আসি । রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে তিশরীফ নিয়ে এসে কাপড় কিনতে চাইলেন । আমাদের একজন ওজনকারী ছিল যিনি পুরস্কারটি ওজন করতেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাকে বললেন ওজন করতে এবং বেশি দিতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : اشتری منی النبی صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بعیرًا ، فوزن لی ثمنہ ، وأرجح لی۔ (بخاری ۳۰۸۹۔ احمد ۳/۳۰۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 22525) হজরত জাবির (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ (সা. ) আমার কাছ থেকে একটি উট ক্রয় করলেন এবং তার মূল্য ওজন করে সামান্য অতিরিক্ত দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عن مسعر ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : کان لی علی النبی صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ دین ، فقضانی وزادنی۔ (بخاری ۴۴۳۔ احمد ۳/۳۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(22526) হজরত জাবির (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে আমার কিছু পাওনা ছিল এবং তিনি তাও পরিশোধ করলেন এবং আরও কিছু ঋণ দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسماعیل بن أبی خالد ، عن أبیہ ، قَالَ : کَانَ لِی عَلَی الْحَسَنِ بْنِ عَلِیٍّ دَیْنٌ، فَأَتَیْتہ أَتَقَاضَاہُ ، فَوَجَدْتہ قَدْ خَرَجَ مِنَ الْحَمَّامِ وَقَدْ أَثَّرَت الْحِنَّائُ بِأَظْفَارِہِ وَجَارِیۃٌ لہُ تَحُکُّ الْحِنَّائَ عَنْہُ بِقَارُورَۃٍ ، فَدَعَا بقَعْب فِیہِ دَرَاہِمُ فَقَالَ : خُذْ ہَذَا ، فَقُلْتُ : ہَذَا أَکْثَرُ مِنْ حَقِّی ، قَالَ : خُذْہُ ، فَأَخَذْتہ فَوَجَدْتہ یَزِیدُ عَلَی حَقِّی بِسِتِّینَ ، أَوْ سَبْعِینَ دِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22527) হজরত খালিদ বলেন, হযরত হাসান বিন আলী (রা.) - এর আমার কাছে ঋণ ছিল , তিনি গোসল থেকে বের হওয়ার সময় আমি তা আদায় করতে এসেছিলাম , এবং মেহেদির প্রভাব ছিল নখের ওপর, এবং তার দল তার মেহেদি পরিষ্কার করছিল । বোতল তিনি আমার জন্য দিরহাম সম্বলিত থিলিমের মতো একটি পাত্র পাঠালেন এবং আমাকে বললেন : এটা নাও , আমি বলেছিলাম এটা আমার অধিকারের চেয়ে বেশি , তুমি বললে রাখ , আমি রাখলাম এবং সে তার অধিকারের চেয়ে ষাট সত্তর দিরহাম বেশি পেল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ فِی الرُّجْحَانِ فِی الْوَزْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22528 ) হজরত ইব্রাহিম ( আঃ ) বলেন , আমার ওজন বৃদ্ধিতে কোন ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۲۹) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ أَبِی الْخَطَّابِ ، عَنْ أَبِی زُرْعَۃَ ، عَنْ أَبِی إدْرِیسَ ، عَنْ ثَوْبَانَ ، قَالَ : لَعَنَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الرَّاشِیَ ، وَالْمُرْتَشِیَ ، وَالرَّائِشَ ، یَعْنِی الَّذِی یَمْشِی بَیْنَہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22529) হযরত সাওবান ( রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহণকারীকে অভিশাপ দিয়েছেন এবং তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ছিল সে ঘুষখোর হয়ে গেল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ خَالِہِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : لَعَنَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الرَّاشِیَ وَالْمُرْتَشِیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22530) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, হুজুর ( সা . ) ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহণকারীকে অভিসম্পাত করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ، عَنْ شُرَیْحٍ، قَالَ: الرَّاشِی، وَالْمُرْتَشِی، وَالْمُفْتَری۔ قَالَ وَکِیعٌ : یَعْنِی الْمُفْتَری الَّذِی یَقُولُ : أَرْتَشَی الْقَاضِیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22531) হজরত শরীয়াহ ( র .) বলেন: যে ঘুষ দেয় , যে ঘুষ খায় এবং যে বিচারককে ঘুষ দেয় ( অভিশপ্ত ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِی النَّجُودِ ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَیْشٍ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : السُّحْتُ الرِّشْوَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22532) হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন: আল - সুহাত অর্থ ঘুষ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ أبْرَاہِیمَ : فِی رَجُلٍ رَہَنَ عَبْدًا فَأَعْتَقَہُ ، قَالَ : عِتْقُ الْعَبْدِ جَائِزٌ وَیَتْبَعُ الْمُرْتَہِنُ الرَّاہِنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22533) হজরত ইব্রাহিম ( র.) বলেন , যদি কোনো পাওনা দালাল কোনো ক্রীতদাসকে মোহরা হিসেবে রেখে তাকে মুক্ত করে, তাহলে সেই ক্রীতদাস মুক্ত হয়ে যাবে এবং বন্ধক পেয়াদা দালালের অনুসরণ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَسَنَ بْنَ صَالِحٍ وَشَرِیکًا عَنِ الرَّجُلِ یَرْہَنُ عَبْدَہُ ، ثُمَّ یُعْتِقُہُ ؟ قَالاَ: عِتْقُہُ جَائِزٌ۔ وَقَالَ شَرِیکٌ : یَسْعَی الْعَبْدُ لِلْمُرْتَہِنِ۔ وَقَالَ الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ : لَیْسَ عَلَیْہِ سِعَایَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৫৩৪) ইয়াহইয়া বিন আদম বলেন , আমি হযরত হাসান বিন সালিহ ও হযরত শিরিকের কাছ থেকে জানতে পেরেছি যে, কোনো ব্যক্তি একটি ক্রীতদাস বন্ধক রাখবে এবং তারপর তাকে মুক্ত করবে । তিনি বলেন , তাকে মুক্ত করা জায়েজ, এবং হযরত শিরিক বলেন , দাস মুরগির ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করবে , এবং হযরত হাসান বলেন , মুরগির জন্য প্রচেষ্টা ক্রীতদাসের মতো দায়ী নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۵) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی رَجُلٍ اشْتَرَی مِنْ رَجُلٍ عَبْدًا فَلَمْ یَقْبِضْہُ حَتَّی أَعْتَقَہُ ، قَالَ : لاَ یَجُوزُ عِتْقُہُ حَتَّی یَقْبِضَہُ ، أَوْ یَنْقُدَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22535) হজরত আতা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, কোনো ব্যক্তি যদি অন্যের কাছ থেকে একটি ক্রীতদাস ক্রয় করে , অতঃপর তা দখল করার আগে তাকে মুক্ত করে , তবে তিনি তা দখল করার আগে বলেছিলেন যে তাকে মুক্ত করা ঠিক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ سَمِعْت سُفْیَانَ یَقُولُ : إذَا أَعْتَقَ الرَّجُلُ عَبْدَہُ خَرَجَ مِنَ الرَّہْنِ ، وَإِذَا دَبَّرَہُ خَرَجَ مِنَ الرَّہْنِ ، وَإِذَا کَانَتْ أَمَۃً فَوَطِئَہَا فَجَائَتْ بِوَلَدٍ خَرَجَتْ مِنَ الرَّہْنِ ، وَإِنْ کَانَ السَّیِّدُ مُوسِرًا أَتْبَعَ الْمُرْتَہِنُ السَّیِّدَ بِالرَّہْنِ ، وَإِنْ کَانَ مُعْسِرًا سَعَی ہَؤُلاَئِ فِی الأَقَلِّ مِنْ قِیمَتِہِمْ وَالرَّہْنِ۔ وَقَالَ سُفْیَانُ : یَرْجِعُ بِمَا سَعَی فِیہِ عَلَی الْمَوْلَی إذَا أَیْسَرَ ، وَأُمُّ الْوَلَدِ وَالْمُدَبَّرُ لاَ یَرْجِعَانِ عَلَی مَوْلاَہُمَا بِشَیْئٍ لأَنَّ خِدْمَتَہُمَا لِلْمَوْلَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22536) হজরত সূফী বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি কোনো ক্রীতদাসকে মুক্ত করে, তাহলে সে বন্ধক থেকে মুক্ত হবে, আর যদি সে তাকে গোলাম বানায়, তাহলে সে বন্ধক থেকেও মুক্তি পাবে , আর যদি সে ক্রীতদাস হয় এবং সে যদি তার কাছে থাকে। তার সাথে সহবাস এবং একটি সন্তান হয়, তাকেও বন্ধক থেকে মুক্তি দেওয়া হবে , এবং তারপর যদি প্রভু ধনী হয় তবে বন্ধক মালিককে ধরে নেবে, এবং যদি প্রভু গরীব হয় তবে এই লোকেরা ( দাস - দাসী ) আমরা চেষ্টা করব । যার মূল্য দাম ও বন্ধকের ক্ষেত্রে কম । ( ইয়াকিমাত পাবে ) কিন্তু মা , ছেলে ও পরামর্শদাতারা প্রভুর দিকে ফিরবেন না কারণ তাদের সেবা প্রভুর জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہشام ، عَنِ الْحَسَنِ : أَنَّہُ لَمْ یَکُنْ یَرَی بَأْسًا بِالرَّجُلَیْنِ یَشْتَرِکَانِ فَیَجِیئُ ہَذَا بِدَنَانِیرَ وَالآخَرُ بِدَرَاہِمَ ، وَقَالَ : الدَّنَانِیرُ عَیْنٌ کُلُّہُ ، فَإِذَا أَرَادَا أَنْ یَفْتَرِقَا أَخَذَ صَاحِبُ الدَّنَانِیرِ دَنَانِیرَ ، وَأَخَذَ صَاحِبُ الدَّرَاہِمِ دَرَاہِمَ ، ثُمَّ اقْتَسَمَا الرِّبْحَ۔ قَالَ ہِشَامٌ : وَکَانَ مُحَمَّدٌ یُحِبُّ أَنْ یَکُونَ دَرَاہِمَ وَدَرَاہِمَ ، وَدَنَانِیرَ وَدَنَانِیرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৫৩৭ ) হজরত হাসান বলেন , যদি দুজন ব্যক্তি অংশ নিতে চায় , একজন দীনার এবং অন্যজন এক দিরহাম আনলে তাতে কোনো অসুবিধা নেই দিনার এবং যার সাথে দিরহাম আছে সে দিরহাম নিয়ে তারপর লাভ ভাগ করে নেবে । হজরত মুহাম্মদ ( সা . ) পছন্দ করতেন দিরহামের সঙ্গে দিরহাম এবং দিনার দিনারের সঙ্গে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۸) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أَبِی خَالِدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ شُرَیْحًا یَقْضِی وَعِنْدَہُ أَبُو عَمْرٍو الشَّیْبَانِیِّ وَأَشْیَاخٌ نَحْوُہُ یُجَالِسُونَہُ عَلَی الْقَضَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৫৩৮) হজরত ইসমাইল বলেন , আমি হযরত শরীহ ( রা. ) কে একটি সিদ্ধান্ত নিতে দেখেছি এবং তার সাথে আবু আমর আল - শি বানী ও অন্যরা ইয়ে ওয়াখ তিশরীফ ফরমা ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۳۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : رَأَیْتُ مُحَارِبَ بْنَ دِثَارٍ وَحَمَّادًا وَالْحَکَمَ وَأَحَدُہُمَا عَنْ یَمِینِہِ وَالآخَرُ عَنْ یَسَارِہِ ، یَنْظُرُ إلَی الْحَکَمِ مَرَّۃً ، وَإِلَی حَمَّادٍ مَرَّۃً ، وَالْخُصُومُ بَیْنَ یَدَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৫৩৯ ) হজরত ইদ্রিস বলেন , আমি হযরত মোহারেব বিন দাসার, হযরত হামদ ও হযরত হাকামকে দেখেছি , একজন আপনার ডানে এবং অন্যজন আপনার বামে ছিলেন , কখনো হযরত হাকাম, কখনো হযরত হাম্মাদ (রা .) কে সম্বোধন ও বিতর্ক করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۴۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَش ، قَالَ : قَالَ لِی الْقَاسِمُ : اجْلِسْ إلَیَّ وَہُوَ یَقْضِی بَیْنَ النَّاسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22540) হজরত আমিশ বলেন যে, হজরত কাসিম আমাকে বললেন , আমার পাশে বস , সে সময় তিনি লোকদের মধ্যে বিচার করছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۴۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ اشْتَرَی مِنْ أَعْرَابِیٍّ جَزُورًا بِوَسْقٍ مِنْ تَمْرٍ ، فَأَرْسَلَ إلَی خَوْلَۃَ بِنْتِ حَکِیمٍ فَأَوْفَتْہُ ، وَقَالَ : خِیَارُکُمَ الْمُوفُونَ المطَیَبُونَ۔ (احمد ۶/۲۶۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৫৪১ ) হজরত আরওয়া ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) এক জোড়া ওয়াসক খেজুরের বিনিময়ে এক আরবের কাছ থেকে একটি উট কিনেছিলেন বিনতে হাকিম, তাই তিনি তার অনুরোধটি পূরণ করলেন এবং এটি সম্পূর্ণ করলেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম যে পূর্ণ দান করে এবং উত্তমরূপে দান করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۴۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یُونُسُ بْنُ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : اشْتَرَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مُہْرًا مِنْ أَعْرَابِیٍّ بِمِئَۃِ صَاعٍ مِنْ تَمْرٍ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لِلرَّجُلِ : انْطَلِقْ فَقُلْ لَہُمْ : تَأْکُلُون حَتَّی تَشْبَعُوا ، وَتَکْتَالُون حَتَّی تَسْتَوْفُوا۔ یَعْنِی : الْکَیْلَ ، فَخَرَجَ الرَّجُلُ وَہُوَ یَحُکُ بِمِرْفَقَیْہِ۔ یَعْنِی : یَشْتَدُّ۔ (ابوداؤد ۱۶۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৫৪২ ) হজরত মুজাহিদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এক আরবের কাছ থেকে একশত সা খেজুরে একটি বাছুর ক্রয় করলেন ব্যক্তি : যাও এবং লোকেদেরকে তাদের পেট ভরে খেতে বল এবং ওজন পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত খেতে থাক ( অর্থাৎ যদি কিছু ধার্মিক হয় )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۴۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنی أَبِی ، عَنِ الأَعْمَش ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: لاَ قُدِّسَتْ أُمَّۃٌ لاَ یُعْطَی الضَّعِیفُ فِیہَا حَقَّہُ غَیْرَ مُتَعْتِعٍ۔(ابویعلی ۱۰۹۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৫৪৩ ) হজরত আবু সাঈদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন : সেই উম্মত শুদ্ধ হবে না , যার সদস্য দুর্বলদেরকে বিনা দ্বিধায় অধিকার দেওয়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۴۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ سَالِمٍ ، قَالَ : شَہِدْت الْقَاسِمَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَخَاصَمَ إلَیْہِ رَجُلٌ عَامِلاً مِنْ عُمَّالِ الْحَجَّاجِ غَصَبَہُ طَعَامًا کَانَ لَہُ ، فَسَأَلَہُ الْقَاسِمُ الْبَیِّنَۃَ ، فَجَائَ بِبَیِّنَۃ فَشَہِدُوا أَنَّہُ أَخَذَ طَعَامًا لَہُ مِنْ بُیُوتِہِ ، فَقَالَ لَہُم الْقَاسِمُ : کَم الطعام الذی أخذہ ؟ قالوا : لاَ ندری ما کیلہ ، قَالَ : فإنی لاَ أقضی لہ بشیء حتی تُخْبِرُونِی بِکَیْلِ مَا أَخَذَ مِنَ الطَّعَامِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৫৪৪) হজরত ইসমাইল বলেন , আমি হজরত কাসিম বিন আবদ আল-রহমান- এর খেদমতে উপস্থিত ছিলাম , এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে হজের কর্মীদের সঙ্গে তার খাবার নিয়ে তর্ক করে , হজরত কাসিম তাঁর কাছে সাক্ষী দাবি করলেন , তিনি সাক্ষী আনলেন , তারা সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি তাঁর বাড়ি থেকে খাবার নিয়েছিলেন , হযরত কাসিম বললেন , তিনি কতটুকু খাবার তুলেছিলেন ? তিনি বলেন , তিনি আমাদের পরিচিত নন , তিনি বলেন , যতক্ষণ না আপনারা তার ওজন সম্পর্কে বলবেন , আমি বিচার করব না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۴۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ سَالِمٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : شَہِدْتہ وَاخْتَصَمَ إلَیْہِ رَجُلاَنِ اشْتَرَی أَحَدُہُمَا مِنَ الآخَرِ دَابَّۃً ، فَقَالَ لِلْقَاسِمِ : مُرْہُ فَلْیُعْطِنِی کَفِیلاً إن أَدْرَکَنِی فِی ہَذِہِ الدَّابَّۃِ دَرَکٌ ، فَقَالَ : ہَلْ کُنْت اشْتَرَطْت عَلَیْہِ ذَلِکَ عِنْدَ عُقْدَۃِ الْبَیْعِ ؟ قَالَ : لاَ قَالَ : لَیْسَ لَکَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৫৪৫) হজরত ইসমাইল বলেন , আমি হজরত কাসিমের কাছে উপস্থিত ছিলাম যখন দুজন লোক ঝগড়া করতে করতে তার কাছে এসেছিল , তাদের মধ্যে একজন অন্যজনের কাছ থেকে একটি পশু কিনেছিলেন , হযরত কাসিমকে বললেন, আমাকে কোনো ক্ষতি হলে তার নিশ্চয়তা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আমাকে এই ঘোড়ার ব্যাপারে , তিনি মুক্তিপণ পরিশোধ করবেন । আপনি বলেছিলেন যে আপনি বিক্রি করার সময় এটির জন্য একটি শর্ত রেখেছিলেন ? তিনি বললেনঃ আপনি তো বলেন নি , তাহলে সেটা করা আপনার জন্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۵۴۶) حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِیفَۃَ ، عَنْ جمیل بْنِ بِشْرٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللہِ مَرَّ بِصَاحِبِ صِیرٍ ، یَعْنِی صَحْنَاۃً ، فَأَخَذَ مِنْہُ فَذَاقَہُ ، فَقَالَ : کَیْفَ تَبِیعُ ہَذَا ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৫৪৬) হজরত জামিল ইবনে বশীর বলেন , আমি হজরত সেলিম ইবনে আবদুল্লাহ (রা.)-কে দেখেছি যে, তিনি এক জেলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন । আপনি এটির স্বাদ নিয়েছেন এবং তারপর জিজ্ঞাসা করেছেন কিভাবে আপনি এটি বিক্রি করছেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৫৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস