
(۲۲۳۶۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، قَالَ : سَأَلْتُ الشَّعْبِیَّ عَنْ شِرَائِ تُرَابِ الصَّوَّاغِینَ ؟ فَکَرِہَہُ وَقَالَ : ہُوَ غَرَرٌ۔ قَالَ مُحَمَّدٌ : وَکَانَ أَبِی یَشْتَرِیہِ بِالْعُرُوضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22367 ) হজরত মুহাম্মদ বিন আবু জাদ বলেন , আমি হজরত শাবি ( রা. )- এর কাছ থেকে স্বর্ণকারের মাটি কেনার বিষয়টি জানতে পেরেছি । আপনি তার মিথ্যা কথা অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন এটা প্রতারণা । হজরত মুহাম্মদ ( সা . ) বলেন , আমার পিতা টাকার বিনিময়ে তা বিক্রি করেন । ( BEE করত )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۶۸) حَدَّثَنَا حَرَمِیُّ بْنُ عُمَارَۃَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یُشْتَرَی تُرَابُ الذَّہَبِ بِالْفِضَّۃِ وَتُرَابُ الْفِضَّۃِ بِالذَّہَبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৩৬৮ ) হজরত ইব্রাহীম বলেন , একটি সোনার মুদ্রা রৌপ্য দিয়ে এবং একটি রৌপ্যমুদ্রা সোনা দিয়ে বিক্রি করায় কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۶۹) حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ بَرْدَانَ بْنِ أَبِی النَّضْرِ ، قَالَ : کُنْتُ بِعْت مِنْ رَجُلٍ طَعَامًا ، فَأَعْطَی الرَّجُلُ أَجْرَ الْکَیَّالِ ، فَسَأَلْت الشَّعْبِیَّ عَنْ ذَلِکَ ؟ فَقَالَ : أَعْطِہِ أَنْتَ فَإِنَّمَا ہُوَ عَلَیْک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৩৬৯ ) হজরত বরদান বলেন , আমি এক ব্যক্তির কাছে গম বিক্রি করেছিলাম এবং সে ব্যক্তি নিজেই একজন পেরেক কারিগরের মজুরি পরিশোধ করেছিল । তুমি বলেছ মজুরি দিতে হবে , নিশ্চয়ই তোমার দায়িত্ব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، أَوِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ وَعَمْرِو بْنِ دِینَارٍ ، قَالاَ : مَازِلْنَا نَسْمَعُ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَضَی فِی الْعَبْدِ الآبِقِ یُوجَدُ خَارِجًا مِنَ الْحَرَمِ دِینَارًا أَوْ عَشَرَۃَ دَرَاہِمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22370) হজরত ইবনে আবি মিলি বলেন এবং হজরত আমর ইবনে দীনার ( রা. ) বলেন , আমরা আমরা শুনে আসছি যে, রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এক পলাতক বান্দা সম্পর্কে বলেছেন যে হারামের বাইরে ধরা পড়ে । এটি দশ দিরহামের একটি পুরস্কার .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ رَبَاحٍ ، عَنْ أَبِی عَمْرٍو الشَّیْبَانِیِّ : أَنَّ رَجُلاً أَصَابَ عَبْدًا آبِقًا بِعَیْنِ التَّمْرِ ، فَجَائَ بِہِ ، فَجَعَلَ ابْنُ مَسْعُودٍ فِیہِ أَرْبَعِینَ دِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22371) হজরত আবু আমর আল-শি বানি (রা.) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি আইন আল - তামর -এ একজন পলাতক ক্রীতদাসকে দেখতে পেলেন , তিনি তাকে হজরত ইবনে মাসউদ (রা.)- এর কাছে নিয়ে আসেন । হজরত ইবনে মাসউদ ( রা. ) তাদের মধ্যে চল্লিশ দিরহাম নির্ধারণ করেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۲) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شعیب ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ : أَنَّ عُمَرَ جَعَلَ فِی جُعْلِ الآبِقِ دِینَارًا ، أَوِ اثْنَیْ عَشَرَ دِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22372) হজরত সাঈদ বিন আল - মুসাইব থেকে বর্ণিত যে, হজরত ওমর ( রা . ) পলাতক ক্রীতদাসের জন্য কাজ করতেন । এতে বারো দিরহাম হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22373) হযরত আলী ( রাঃ ) ও একইভাবে বর্ণিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۴) حَدَّثَنَا الضَّحَّاکُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی ابْنُ أَبِی مُلَیْکَۃَ : أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ قَضَی فِی جُعْلِ الآبِقِ إذَا أُخِذَ عَلَی مَسِیرَۃِ ثَلاَثٍ ثَلاَثَۃَ دَنَانِیرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22374) হজরত ইবনে আবি মিলি (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ ( রা. ) সিদ্ধান্ত নেন যে , পলাতক ক্রীতদাস যে তিনদিনের পথ পাড়ি দিয়েছে তার শ্রম তুমি ধরা পড়বে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ یَزِیدَ ، عَنْ أَیُّوبَ أَبِی الْعَلاَئِ ، عَنْ قَتَادَۃَ وَأَبِی ہَاشِمٍ : أَنَّ عُمَرَ قَضَی فِی جُعْلِ الآبِقِ أَرْبَعِینَ دِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৩৭৫) হযরত ওমর ( রা . ) পলাতক ক্রীতদাসের শ্রমের জন্য চল্লিশ দিরহাম নির্ধারণ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُرَیسٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِجُعْلِ الآبِقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৩৭৬ ) হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) বলেন , পলাতক ক্রীতদাসকে ধরতে শ্রমে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْن مُہَاجِرٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : الْمُسْلِمُ یَرُدُّ عَلَی الْمُسْلِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22377) হজরত ইব্রাহিম ( রা.) বলেন , মুসলমান (পলাতক ক্রীতদাসকে বন্দী করে) মুসলমানকে ফিরিয়ে দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، قَالَ: أَعْطَیْت الْجُعْلَ فِی زَمَنِ مُعَاوِیَۃَ أَرْبَعِینَ دِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22378) হজরত আবু ইসহাক (রা.) বলেন, হজরত মুয়াবিয়া ( রা . ) - এর শাসনামলে আমি শ্রমিক হিসেবে চল্লিশ দিরহাম দিয়েছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۷۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ شُرَیْحٍ ۔ وَعَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إذَا أُخِذَ فِی الْمِصْرِ فَعَشَرَۃُ دَرَاہِمَ ، وَإِذَا أُخِذَ خَارِجًا مِنَ الْمِصْرِ فَأَرْبَعُونَ دِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22379) হজরত শারয়াহ ( রা. ) বলেন , কোনো ক্রীতদাস শহরের ভেতরে ধরা পড়লে দশ দিরহাম এবং শহরের বাইরে ধরা পড়লে চল্লিশ দিরহাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ الْحَکَمِ: أَنَّہُ قَالَ فِی الآبِقِ: یُؤخذُ، قَالَ: الْمُسْلِمُ یَرُدُّ عَلَی الْمُسْلِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22380) হযরত হাকাম (রহঃ) বলেন, পলাতক ক্রীতদাস ধরা পড়লে মুসলমানের উচিত বিনা পরিশ্রমে তা মুসলমানকে ফিরিয়ে দেওয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ جُرَیْجٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ وَعَمْرِو بْنِ دِینَارٍ ، قَالاَ : جَعَلَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی الْعَبْدِ الآبِقِ إذَا جِیئَ بِہِ خَارِجًا من الْحَرَمِ دِینَارًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৩৮১ ) হজরত ইবনে আবি মিলি (রা . ) ও হজরত আমর ইবনে দীনার ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) পলাতক ক্রীতদাসের জন্য কাজ করতেন , যদি সে হারাম থেকে ধরা পড়ে থাকে স্থির
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، قَالَ : قُلْتُ لِعَبْدِ اللہِ بْنِ عُتْبَۃَ : أَتجْتَعلُ فِی الآبِقِ؟ قَالَ : نَعَمْ ، قُلْتُ : الْحُرُّ ؟ قَالَ : لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৩৮২ ) হজরত আবদুল করিম ( রহ . ) বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উকবা ( রা. ) - কে জিজ্ঞেস করলাম : আপনি কি পলাতক ক্রীতদাসের শ্রম দেন ? তুমি বললে হ্যাঁ ! আমি জমা দিয়ে মুক্ত করেছি ? তুমি বললে না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : إِنْ لَمْ یُعْطِہِ جُعْلاً فَلْیُرْسِلْہُ فِی الْمَکَانِ الَّذِی أَخَذَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৩৮৩) হযরত কাসিম (রহঃ) বলেন , যদি তাকে ধরতে শ্রম না দাও , তবে তাকে যেখানে ধরেছিলে সেখানে রেখে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۴) حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِیفَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : الْقَاضِی إذَا أَخَذَ ہَدِیَّۃً ، فَقَدْ أَکَلَ السُّحْتَ ، وَإِذَا أَخَذَ الرِّشْوَۃَ بَلَغَتْ بِہِ الْکُفْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৩৮৪) হযরত মাসরূক (রহঃ) বলেন, কোন বিচারক উপহার গ্রহণ করলে সে হারাম খেয়েছে, আর ঘুষ গ্রহণ করলে সে কুফরির পর্যায়ে পৌঁছেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ الْعَلاَئِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ، قَالَ : خَطَبَ عَلِیٌّ بِالْکُوفَۃِ وَبِیَدِہِ قَارُورَۃٌ فَقَالَ : مَا أَصَبْت بِہَا مُنْذُ دَخَلْتہَا إلاَّ ہَذہ ، أَہْدَاہَا إلَیَّ دِہْقَانٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২৩৮৫ ) হজরত মুআয বিন আল-আলা তার পিতা ও পিতামহ থেকে বর্ণনা করেন যে , হযরত আলী ( রা . ) কুফায় একটি খুতবা দিয়েছিলেন এবং তাঁর হাতে একটি শিশ ছিল তিনি ( রা . ) বললেন, আমি খলিফা হওয়ার পর থেকে আমি কেবল এই উপহারটি পেয়েছি , যা তাঁর দাস দ্বারা আমার কাছে পাঠানো হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۶) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ یُوسُفَ بْنِ الْمُہَاجِرِ ، قَالَ : أَہْدَی الأَصْبَہْبَذُ إلَی عَبْدِ الْحَمِیدِ أَرْبَعِینَ أَلْفًا ، أَوْ أَقَلَّ ، أَوْ أَکْثَرَ ، فَکَتَبَ إلَی عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ ، فَکَتَبَ إلَیْہِ : إِنْ کَانَ یُہْدِی لَکَ وَأَنْتَ بِالْجَزِیرَۃِ فَاقْبَلْہَا مِنْہُ ، وَإِلاَّ فَاحْسِبْہَا لَہُ مِنْ خَرَاجِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৩৮৬) হজরত ওয়াসিফ বিন মাহাজির ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , সেনাপ্রধান আবদুল হামিদকে চল্লিশ হাজার বা তার চেয়ে কম বা বেশি কিছু উপহার পাঠান । তিনি হজরত উমর বিন আবদুল আজিজ ( রা. ) -এর কাছে চিঠি লিখেছিলেন । হজরত ওমর বিন আবদুল আজিজ লিখেছেন : যদি জাজিরা জীবিত অবস্থায় কোনো উপহার পেয়ে থাকেন তবে তা গ্রহণ করুন , অন্যথায় আমি তার পক্ষ থেকে তাকে শ্রদ্ধা জানাব না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ یُقَالُ : الرِّشْوَۃُ فِی الْحُکْمِ سُحْتٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22387) হজরত ইব্রাহীম ( রা. ) বলেন, ঘুষের হুকুম হলো , তা হারাম।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۸) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَش ، عَنْ خَیْثَمَۃَ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : بَابَانِ مِنَ السُّحْتِ یَأْکُلُہُمَا النَّاسُ : الرِّشَا ، وَمَہْرُ الزَّانِیَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22388) হজরত ওমর ( রা . ) বলেন , হারামের দুটি দরজা আছে যেগুলো দিয়ে মানুষ খায় , অর্থাৎ ঘুষ ও যৌতুক ব্যভিচারের উপার্জন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۸۹) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عن أبیہ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ ، عَنِ السُّحْتِ ؟ فَقَالَ : الرِّشَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৩৮৯) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে মারাহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন , তিনি বলেন , আমি হজরত সাঈদ ইবনে জুবায়ের ( রা . ) থেকে হারাম সম্পর্কে জানতে পেরেছি । আপনি (রহঃ) বলেছেন এটা ঘুষ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۹۰) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ، عَنْ شُعْبَۃَ، عَنْ أَبِی قَزَعَۃَ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ، قَالَ: ہَدَایَا الأُمَرَائِ غُلُولٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22390) হজরত আবু সাঈদ ( রা . ) বলেন , সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের হেদায়েত সর্বোত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۹۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ قَزَعَۃَ ، عَنْ أَبِی یَزِیدَ الْمَدِینِیِّ ، قَالَ: سُئِلَ جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللہِ عَنْ ہَدَایَا الأُمَرَائِ؟ فَقَالَ: ہِیَ فِی نَفْسِی غُلُولٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22391 ) হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ ( রা . ) কে অভিজাতদের উপহারের কথা জানানো হয়েছিল ? তিনি ( রাঃ ) বললেনঃ এটা আমার অন্তরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۹۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی مُعَاذٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : ہِیَ سُحْتٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২৩৯২) হযরত তাউস বলেন , এটা হারাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۹۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَش ، عَنْ شَقِیقٍ ، قَالَ : قدِمَ مُعَاذٌ مِنَ الْیَمَنِ بِرَقِیقٍ فِی زَمَنِ أَبِی بَکْرٍ ، فَقَالَ لَہُ عُمَرُ : ادْفَعْہُمْ إلَی أَبِی بَکْرٍ ، قَالَ : وَلِمَ أَدْفَعُ إلَیْہِ رَقِیقِی ؟ قَالَ : فَانْصَرَفَ إلَی مَنْزِلِہِ وَلَمْ یَدْفَعْہُمْ ، فَبَاتَ لَیْلَتَہُ ثُمَّ أَصْبَحَ مِنَ الْغَدِ ، فَدَفَعَہُمْ إلَی أَبِی بَکْرٍ ، فَقَالَ لَہُ عُمَرُ : مَا بَدَا لَکَ ؟ قَالَ : رَأَیْتُنِی فِیمَا یَرَی النَّائِمُ کَأَنِّی إلَی نَارٍ أہْوی إلَیْہَا ، فَأَخَذْتَ بِحُجْزَتِی فَمَنَعْتنِی مِنْ دُخُولِہَا ، فَظَنَنْت أَنَّہُمْ ہَؤُلاَئِ الرَّقِیقُ ، فَقَالَ أَبُو بَکْرٍ : ہُمْ لَکَ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ إِلَی مَنْزِلِہِ قَامَ یُصَلِّی فَرَآہُمْ یُصَلُّونَ خَلْفَہُ فَقَالَ : لِمَنْ تُصَلُّونَ ؟ فَقَالُوا : لِلَّہِ ، فَقَالَ : اذْہَبُوا أَنْتُمْ لِلَّہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22393) হজরত শাকীক থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত মুআয ( রা.) হজরত আবু বকর সাদিক (রা.) -এর শাসনামলে খিলাফত হন । তিনি ইয়ে ম্যান থেকে ক্রীতদাসদের নিয়ে এসেছিলেন । হজরত ওমর (রা . ) তাকে বললেন , এই দাসটি দাও, হজরত মুআয (রা.) বললেন , আমি কেন আমার গোলাম তাকে দেব ? অতঃপর হযরত মুআয (রাঃ) তিশরীফকে নিজ ঘরে নিয়ে গেলেন । আর তারা দাসদেরকে সাদিক আকবর (রহঃ ) এর কাছে নিয়ে যাননি । তারা রাত্রি যাপন করে , তারপর পরদিন সকাল হলে তারা গোলাম আবু বকর ( রাঃ ) -কে তা দিয়ে দেয় । হজরত ওমর ( রা. ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন , তোমার ( রা. ) কাছে কী দেখা গেল যে তুমি এটা করলে ? হজরত মুয়াজ ( রা . ) বলেন , আমি স্বপ্নে দেখলাম আমার কাছে আগুন রয়েছে এবং আমাকে তাতে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে । অতঃপর তুমি আমাকে আজরবাঁধের স্থান থেকে ধরে আগুনে পড়া থেকে রক্ষা করেছিলে । মনে করা হয় এই সব দাসদের কারণেই হয়েছে । হযরত আবু বকর ( রাঃ ) বললেনঃ এরা সবাই তোমার দাস । অতঃপর হযরত মুআয (রাঃ) যখন তিশরীফকে তাঁর ঘরে নিয়ে আসলেন , তখন তিনি নামায পড়তে দাঁড়ালেন , এবং দেখলেন যে , তাঁর পিছনে দাস - দাসীরাও নামায পড়ছে । হযরত মুআয (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন কার জন্য দোয়া করছেন ? তিনি বললেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজরত মুআয (রা.) বললেন , যাও এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মুক্ত হও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی حُمَیْدٍ السَّاعِدِیِّ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ اسْتَعْمَلَ ابْنَ اللُّتْبِیَّۃِ عَلَی صَدَقَاتِ بَنِی سُلَیْمٍ ، فَلَمَّا جَائَ قَالَ : ہَذَا لَکُمْ وَہَذَا أُہْدِیَ لِی ، فَقَامَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَمِدَ اللَّہَ وَأَثْنَی عَلَیْہِ ، ثُمَّ قَالَ : مَا بَالُ رِجَالٍ نُوَلِّیہِمْ أُمُورًا مِمَّا وَلاَّنَاہا اللَّہُ ، فَیَجِیئُ أَحَدُکُمْ فَیَقُولُ : ہَذَا لَکُمْ ، وَہَذَا أُہْدِیَ إلَیَّ ، أَفَلاَ یَجْلِسُ فِی بَیْتِ أَبِیہِ ، أَوْ بَیْتِ أُمِّہِ حَتَّی تَأْتِیَہُ ہَدِیَّۃٌ إِنْ کَانَ صَادِقًا۔ (بخاری ۱۵۰۰۔ مسلم ۱۴۶۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(22394) হজরত আবু হামিদ আল - সাঈদ ( রা. ) থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ইবনুল তাবিয়্যাহকে বনী সালিমের দানের প্রতিনিধি বানিয়েছিলেন । তারা এসে বললো এটা তোমার জন্য আর এটা আমার জন্য উপহার মহানবী ( সা . ) দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা করে লোকদেরকে খুতবা দিলেন , তারপর বললেন , আল্লাহ আমাদের যে জিনিস তৈরি করেছেন তা দিয়ে মানুষের কী হবে ? . তখন তাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি এসে বলে , এটা তোমার জন্য আর এটা আমার জন্য উপহার । যদি সে সত্য হয় , তাহলে কেন সে তার বাবা বা মায়ের বাড়িতে বসে থাকবে না যাতে এই উপহার তার কাছে আসে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۹۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ قَیْسٍ ، عَنْ عَدِیِّ بْنِ عَمِیرَۃَ الْکِنْدِیِّ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَنِ اسْتَعْمَلْنَاہُ مِنْکُمْ عَلَی عَمَلٍ فَکَتَمَنَا مِخْیَطًا فَمَا فَوْقَہُ کَانَ غُلُولاً یَأْتِی بِہِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ ، فَقَامَ إلَیْہِ رَجُلٌ أسود مِنَ الأَنْصَارِ کَأَنِّی أَنْظُرُ إلَیْہِ فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، اقْبَلْ عَنِّی عَمَلَک، قَالَ: وَمَا ذَاکَ؟ قَالَ: سَمِعْتُک تقول کَذَا وَکَذَا، قَالَ: فَأَنَا أَقُولُہُ الآنَ: مَنِ اسْتَعْمَلْنَاہُ مِنْکُمْ عَلَی عَمَلٍ فَلْیَأْتِنَا بِقَلِیلِہِ وَکَثِیرِہِ، فَمَا أُوتِیَ مِنْہُ أَخَذَ، وَمَا نُہِیَ عَنْہُ انْتَہَی۔ (مسلم ۳۰۔ ابوداؤد ۳۵۷۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 22395 ) হযরত উদী বিন উমী রহঃ আল - কিন্দী ( রাঃ ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কাজের জন্য একজন প্রতিনিধি নিযুক্ত করা উচিত , তারপর সে তা নিয়ে ঘুমায় । অথবা এর চেয়ে বেশি কিছু লুকান । তাই এই রাষ্ট্রদ্রোহিতাকে জাতির সামনে তুলে ধরা হবে আনসারদের মধ্য থেকে একজন কালো লোক এমন অবস্থায় দাঁড়ালো যেন আমি তাকে দেখছি তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আপনি আমাকে যে কাজ দিয়েছেন তা ফিরিয়ে নিন । তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জিজ্ঞেস করলেন এটা কি ? তিনি বললেন , আমি আপনাকে ( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) এরূপ বলতে শুনেছি । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আমি এখন আবার বলছি । তোমাদের কেউ যদি কোন কাজের দায়িত্বে নিযুক্ত হয় , সে যেন তার সামান্য ও উদ্বৃত্ত আমাদের কাছে নিয়ে আসে । তাকে যা দেওয়া হয় তা সে গ্রহণ করুক এবং যা তার কাছ থেকে বন্ধ রাখা হয়, তাকে নিষিদ্ধ করা হোক।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۳۹۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَعِیدُ بْنُ عُبَیْدٍ الطَّائِیِّ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ رَبِیعَۃَ : أَنَّ عَلِیًّا اسْتَعْمَلَ رَجُلاً مِنْ بَنِی أَسَدٍ یُقَالُ لَہُ : ضُبَیْعَۃُ بْنُ زُہَیْرٍ ، أَوْ زُہَیْرُ بْنُ ضُبَیْعَۃَ ، فَلَمَّا جَائَ قَالَ : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ ، إنِّی أُہْدِیَ إلَیَّ فِی عَمَلِی أَشْیَائُ وَقَدْ أَتَیْتُک بِہَا ، فَإِنْ کَانَتْ حَلاَلاً أَکَلْتہَا ، وَإِلأَفَقَدْ أَتَیْتُک بِہَا ، فَقَبَضَہَا عَلِیٌّ وَقَالَ : لَوْ حَبَسْتہَا کَانَ غُلُولاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22396) হজরত আলী ইবনে রাবিয়াহ ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, হজরত আলী ( রা. ) বনু আসাদের একজন ব্যক্তিকে প্রতিনিধি নিযুক্ত করেছিলেন । যার নাম জাবিয়াহ ইবনে জাহির ইয়াযাহির বিন জুবিয়াহ , যখন তিনি ফিরে আসেন , তিনি বলেন : হে ঈমানদার সেনাপতি ! আমাকে যথেষ্ট উপহার দেওয়া হয়েছিল . আমি তাদের সব আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি । যদি তারা আমার জন্য হালাল হয় , আমি তাদের খাব . নইলে আমি সেগুলো তোমাকে দিয়ে দেব । হজরত আলী ( রা .) তার কাছ থেকে তা নিয়ে বললেন , আপনি যদি এগুলো আপনার কাছে রাখতেন তাহলে এটা বিশ্বাসঘাতকতা হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২৩৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস