
(۲۲۱۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : یَعْتِقُ ثُلُثُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22187) হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, এর এক তৃতীয়াংশ মুক্ত বলে গণ্য হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۸۸) حَدَّثَنَا حُسَینُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، قَالَ : قَالَ إبْرَاہِیمُ فِی رَجُلٍ أَعْتَقَ غُلاَمًا لَہُ عِنْدَ مَوْتِہِ وَلَیْسَ لَہُ مَالٌ غَیْرُہُ ، فَقَالَ إبْرَاہِیمُ : یَعْتِقُ ثُلُثُہُ وَیَسْعَی فِی ثُلُثَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22188) হজরত ইব্রাহীম ( রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মৃত্যুর অসুস্থতার সময় তার ক্রীতদাসকে মুক্ত করে এবং তার ব্যতীত অন্য কোনো সম্পদ থাকে না , তার এক তৃতীয়াংশ স্বাধীন বলে গণ্য হবে এবং বাকি দুই তৃতীয়াংশ সে হবে চেস্টা করবো?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۸۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ سَالِمٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إذَا أَوْصَی الرَّجُلُ بِعِتْقِ مَمْلُوکٍ لَہُ ، فَہُوَ مِنَ الثُّلُثِ ، فَإِنْ کَانَ أَکْثَرَ مِنَ الثُّلُثِ یَسْعَی فِیمَا زَادَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22189) হজরত শাবি ( র.) বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি তার দাসকে মুক্ত করার জন্য অসিয়ত করে , তবে তা সম্পত্তির এক - তৃতীয়াংশের জন্য বলবৎ হবে , যদি ক্রীতদাসের মূল্য এক তৃতীয়াংশের বেশি হয়, তাহলে দাস । অতিরিক্ত পরিমাণ জন্য চেষ্টা করা হবে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، قَالَ : زَعَمُوا أَنَّ الْحَسَنَ کَانَ یَقُولُ فِی رَجُلٍ أَعْتَقَ بَعْضَ مَمْلُوکِہِ عِنْدَ مَوْتِہِ ، قَالَ : یَعْتِقُ مِنْہُ مَا عَتَقَ وَیُسْتَسْعَی فِیمَا بَقِیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২১৯০) হজরত ইয়াবিনাস ( রহঃ ) থেকে বর্ণিত যে, লোকেরা মনে করত যে, যে ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে তার কিছু দাসকে আযাদ করেছে সে সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে যতটুকু তিনি আযাদ করেছেন ততটুকুই তিনি করবেন মুক্ত হিসাবে গণনা করা হবে , এবং অবশিষ্ট অংশের মূল্য এই ক্রীতদাস থেকে চেষ্টা করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۱) حَدَّثَنَا الضَّحَّاکُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی رَجُلٍ أَعْتَقَ ثُلُثَ عَبْدِہِ فِی مَرَضِہِ ، قَالَ : یُقَامُ فِی ثُلُثِہِ ، فَإِنْ کَانَ أَوْصَی بِوَصَایَا اسْتُسْعِی الْعَبْدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22191) হজরত আত্তাই (রা.) মৃত্যুর পর যে ব্যক্তি তার এক তৃতীয়াংশ ক্রীতদাসকে মুক্ত করে তার সম্পর্কে বলেন : তার সম্পত্তির তৃতীয়াংশ বলবৎ করা হবে এবং যদি সে অসিয়ত করে তাহলে তার ইচ্ছা ভঙ্গ হলে দাসের বিচার করা হবে । ৷
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۲) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا أَعْتَقَ بَعْضَ عَبْدِہِ فِی مَرَضِہِ عَتَقَ کُلُّہُ ، فَإِنْ کَانَ أَکْثَرَ مِنَ الثُّلُثِ سَعَی فِیمَا بَقِیَ مِنَ الثُّلُثِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22192) হজরত ইব্রাহিম ( রহ. ) বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর অসুস্থতার সময় তার কিছু ক্রীতদাসকে মুক্ত করে, তাহলে গোলামের মূল্য এক - তৃতীয়াংশের বেশি হলে পুরো গোলাম মুক্ত বলে গণ্য হবে ক্রীতদাস সম্পদের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি চেষ্টা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، قَالَ : سُئِلَ ہِشَامٌ عَنْ رَجُلٍ أَعْتَقَ شَقِیصًا مِنْ مَمْلُوکٍ لَہُ عِنْدَ مَوْتِہِ ، فَحَدَّثَنَا عَنْ حَفْصِ بْنِ سُلَیْمَانَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ قَالَ : ہُوَ فِی ثُلُثِہِ ، لاَ یَعْدُو ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22193) হজরত হিশাম (রা.) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর সময় তার গোলামের কিছু অংশ মুক্ত করে দিয়েছিলেন , তাই তিনি হজরত হাফস ইবনে সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেন , হজরত হাসান ( রা. ) বলেন যে, সে মুক্ত হবে আমার সম্পদের এক তৃতীয়াংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ۔ وَعَنْ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالا : شَہَادَۃُ السَّمْعِ جَائِزَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22194) হযরত শাবি ( রহঃ) ও হযরত ইব্রাহীম ( রহঃ ) বলেন , শ্রবণ দ্বারা সাক্ষ্য দেওয়া জায়েয নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۵) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ وَرْدَانَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لَوْ أَنَّ رَجُلاً سَمِعَ مِنْ قَوْمٍ شَیْئًا فَإِنَّہُ یَأْتِی الْقَاضِی فَیَقُولُ : لَمْ یُشْہِدُونِی ، وَلَکِنِّی سَمِعْت کَذَا وَکَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22195) হজরত হাসান (রহঃ) বলেন , কোন ব্যক্তি কোন দল থেকে কিছু শুনে বিচারকের কাছে গেলে সে বলবে যে , তারা আমাকে সাক্ষী করেননি কিন্তু আমি তার কাছ থেকে শুনেছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۶) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ فُرَاتٍ ، عَنْ أَبِیہِ فُرَاتٍ ، قَالَ : کَانَ لِی عَلَی رَجُلٍ خَمْسُونَ دِرْہَمًا فَذَہَبْت أَتَقَاضَاہُ وَرَجُلٌ یَسْمَعُ ، فَقُمْت بِہِ إلَی شُرَیْحٍ فَجَحَدَنِی فَقَالَ شُرَیْحٌ : بَیِّنَتُک ، فَقُلْتُ : رَجُلٌ کَانَ یَسْمَعُ وَہُوَ مُقِرٌّ لِی ، فَقَالَ : اُدْعُ بِہِ ، فَدَعَوْت بِہِ فَشَہِدَ ، فَقَالَ : قُمْ فَأَعْطِہِ حَقَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22196) হজরত ফিরাত থেকে বর্ণিত যে, আমার পঞ্চাশ দিরহাম এক ব্যক্তির কাছে ছিল , আমি তার কাছে গিয়েছিলাম , তার কাছে ঋণ চেয়েছিলাম , এবং এই ব্যক্তিটি আমি যা শুনছিলাম , আমি তাকে হজরত শরীয়াহ ( রহ.)-এর কাছে নিয়ে আসি । তিনি আমাকে অস্বীকার করলেন , হযরত শরীফ ( রহঃ ) বললেনঃ তোমার সাক্ষীরা কোথায় ? আমি বললামঃ এক ব্যক্তি আমার দিরহাম কবুল করে বললো , আমি তাকে ডাকলাম , সে সাক্ষ্য দিল , হজরত শরীফ ( রহঃ ) তাকে বললেন , দাঁড়াও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۷) حَدَّثَنَا عَبِیدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ کُلْثُومِ بْنِ الأَقْمَرِ ، قَالَ : کَانَ شُرَیْحٌ لاَ یُجِیزُ شَہَادَۃَ مُخْتَبِیئٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22197) হজরত শরীয়াহ ( র.) বদ বিবেকসম্পন্ন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۸) حَدَّثَنَا عَبِیدَۃُ ، عَنْ بَیَانٍ أَبِی بِشْرٍ ، قَالَ : کَانَ الشَّعْبِیُّ لاَ یُجِیزُ شَہَادَۃَ مُخْتَبِیئٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22198) হজরত শাবি ( র.) একজন সংবেদনশীল ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۱۹۹) حَدَّثَنَا إسحاق بن منصور، عن إسرائیل، عن مغیرۃ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ تجوز شہادۃ المختبیئ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22199) হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) বলেন , অন্ধ ব্যক্তির সাক্ষ্য নির্ভরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یُجِیزُ شَہَادَۃَ الْمُخْتَبِئِ ، قَالَ : قَالَ عَمْرُو بْنُ حُرَیْثٍ : کَذَا یُفْعَلُ بِالْخَائِنِ الظَّالِمِ ، أَوْ قَالَ الْفَاجِرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22200) হযরত শ্রী ( র.) দৃঢ় বিবেকসম্পন্ন ব্যক্তির সাক্ষ্যকে নির্ভরযোগ্য মনে করতেন না । হজরত আমর বিন হারিস বলেন , নিষ্ঠুর বিশ্বাসঘাতকের সাক্ষ্য দিয়েও একই কাজ করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২১৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۱) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ وَالشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إذَا أَتَاک الْمُشْرِکُونَ فَحَکَّمُوک فِیمَا بَیْنَہُمْ بِحُکْمِ الْمُسْلِمِینَ ، فَلاَ تَعْدُہُ إلَی غَیْرِہِ ، أَوْ أَعْرِضْ عَنْہُمْ ، وَخَلِّہِمْ وَأَہْلَ دِینِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22201) হজরত শাবি ( রহ .) বলেন , যখন মুশরিকরা আপনার কাছে আসে এবং আপনাকে মুসলমানদের ফয়সালা অনুযায়ী তাদের বিচারক নিযুক্ত করে , তখন তাদেরকে অ - ইসলামী বলবেন না, অথবা তাদের মধ্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন না তারা এবং তাদের অনুসারীরা তাদের প্রতি আপত্তি জানায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۲) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ، عَنِ الزُّہْرِیِّ، قَالَ: سَأَلْتُ عَنْ حُکُومَۃِ الْیَہُودِ وَالنَّصَارَی إذَا تَحَاکَمُوا إلَیْنَا ؟ فَقَالَ : اُحْکُمْ بَیْنَہُمْ بِحُکْمِکَ فِی الْمُسْلِمِینَ ، لاَ یَجُوزُ بَیْنَہُمْ إلاَّ مَا یَجُوزُ بَیْنَ الْمُسْلِمِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22202 ) হযরত যাহরি ( রা . ) - এর কাছে ইহুদী ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি ফয়সালা করা উচিত ছিল , যখন তিনি আমাদের কাছে তাঁর সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছিলেন ? তিনি ( রহঃ ) বললেনঃ তাদের মধ্যে এই মুসলমানদের মত বিচার কর , তাদের জন্যও একই বিষয় জায়েয যা মুসলমানদের জন্য জায়েয ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : خَلُّوا بَیْنَ أَہْلِ الْکِتَابِ وَبَیْنَ أَحْکَامِہِمْ ، فَإِذَا ارْتَفَعُوا إلَیْکُمْ فَأَقِیمُوا عَلَیْہِمْ مَا فِی کِتَابِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22203) হজরত হাসান (রা.) বলেন : আহলে কিতাব ও তাদের হুকুম ত্যাগ করুন , তারা যখন তাদের হুকুম নিয়ে আপনার কাছে আসে , তখন তাদের মধ্যে তাদের কিতাব ( ইয়ান সালাত পবিত্র কোরআন অনুযায়ী ) থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَص ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ قَابُوسَ بْنِ مُخَارِقٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : بَعَثَ علی مُحَمَّدَ بْنَ أَبِی بَکْرٍ أَمِیرًا عَلَی مِصْرَ ، فَکَتَبَ مُحَمَّدٌ إلَی عَلِیٍّ یَسْأَلُہُ ، عَنْ مُسْلِمٍ فَجَرَ بِنَصْرَانِیَّۃٍ ؟ فَکَتَبَ عَلِیٌّ : أَنْ أَقِمِ الْحَدَّ عَلَی الْمُسْلِمِ الَّذِی فَجَرَ بِالنَّصْرَانِیَّۃِ ، وَارْفَعِ النَّصْرَانِیَّۃَ إلَی النَّصَارَی یَقْضُونَ فِیہَا مَا شَاؤُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22204) হজরত আলী ( রা.) হজরত মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর ( রা. )- কে মিশরের শাসক হিসেবে পাঠান , হজরত মুহাম্মদ (রা.) হজরত আলী ( রা. ) - কে চিঠি লিখে বললেন , যে মুসলমান ব্যভিচার করে তার হুকুম কী ? একজন খ্রিস্টান মহিলার সাথে ? হজরত আলী ( রা.) লিখিতভাবে উত্তর দিলেন , যে মুসলিম একজন খ্রিস্টান মহিলার সাথে ব্যভিচার করেছে তাকে নিষিদ্ধ করা উচিত এবং খ্রিস্টান মহিলাকে সেই খ্রিস্টান মহিলার কাছে রেফার করা উচিত আপনি আমার সম্পর্কে কী চান
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ السُّدِّیِّ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : نُسِخَتْ ہَذِہِ الآیَۃُ {وَأَنِ احْکُمْ بَیْنَہُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّہُ} {اُحْکُمْ بَیْنَہُمْ ، أَوْ أَعْرِضْ عَنْہُمْ}۔ (طبری ۲۴۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২২০৫ ) হজরত ইকরামা ( রহ . ) বলেন , আমরা পবিত্র কোরআনকে রহিত করে দিয়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إِنْ شَائَ حَکَمَ ، وَإِنْ شَائَ لَمْ یَحْکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22206) হজরত আতা বলেন, তুমি চাইলে সওয়াব করো , চাইলে করো না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : رَجَمَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَہُودِیًّا بَعَثَتْ بِہِ إِلَیْہِ یَہُودُ مَعَ یَہُودِیٍّ وَمُنَافِقٍ۔ (ابوداؤد ۴۴۴۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( 22207) হজরত শাবি ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, নবী ( সা . ) যে ফণাকে পাথর মেরেছিলেন , সেই ফণাটি তিনি মেরেছিলেন । তিনি মুনাফিক ও মুনাফিকের সাথে গেলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۸) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ، عَنْ سِمَاکٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَۃَ: أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجَمَ یَہُودِیًّا وَیَہُودِیَّۃً۔ (ترمذی ۱۴۳۷۔ احمد ۵/۹۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(22208) হজরত জাবির ইবনে সামরাহ ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) একজন হুদি পুরুষ ও একজন নারীকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۰۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ وَحَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَش ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُرَّۃَ : عنِ الْبَرَائِ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجَمَ یَہُودِیًّا۔ (مسلم ۱۳۲۷۔ ابوداؤد ۴۴۴۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(22209) হজরত বারাই ( রা. ) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) হুদিকে পাথর ছুড়ে মারা হয়েছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۱۰) حَدَّثَنَا عبد الرحیم بن سلیمان ، عَنْ مجالد ، عن عامر ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجَمَ یَہُودِیًّا وَیَہُودِیَّۃً۔ (مسلم ۱۳۲۸۔ ابوداؤد ۴۴۴۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( 22210 ) হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) একজন হুদি পুরুষ ও একজন নারীকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۱۱) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجَمَ یَہُودِیَّیْنِ أَنَا فِیمَنْ رَجَمَہُمَا۔ (مسلم ۱۳۲۶۔ ابوداؤد ۴۴۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(22211) হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে , নবী ( সা . ) দুই মহিলাকে পাথর মেরেছিলেন । যারা তাকে পাথর মেরেছে আমিও তাদের একজন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۱۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ کُرْدُوسٍ ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّ رَجُلاً حُدَّ فِی الْخَمْرِ، فَشَہِدَ عِنْدَ شُرَیْحٍ ، فَسَأَلَنِی عَنْہُ ؟ فَقُلْتُ : مِنْ خَیْرِ شَبَابِنَا ، فَأَجَازَ شَہَادَتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22212) হযরত কুরদৌস (রহঃ ) থেকে বর্ণিত যে, এক যুবক মদ্যপ অবস্থায় সংযত ছিল , অতঃপর তিনি হযরত শরীয়া ( রহঃ)-এর সামনে সাক্ষ্য দিলেন , তিনি তাকে বললেন , তুমি আমার সম্পর্কে কি জানতে পেরেছ ? আমি জমা দিয়েছিলাম যে আমাদের যুবক আমার চেয়ে ভাল । তাই আপনি তার সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۱۳) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ سِمَاکِ بْنِ حَرْبٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَدَّادٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ : أَنَّ عُمَرَ کَتَبَ إلَی أَبِی مُوسَی فِی رَجُلٍ شَرِبَ الْخَمْرَ : إِنْ تَابَ فَاقْبَلْ شَہَادَتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(22213) হজরত ওমর (রা.) হজরত আবু মূসা ইয়া আশআরী ( রা. ) -কে লিখেছিলেন যে , মাতাল ব্যক্তি তওবা করলে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۱۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ إسْرَائِیلَ، عَنْ عِیسَی بْنِ أَبِی عَزَّۃَ، عَنِ الشَّعْبِیِّ: أَنَّہُ أَجَازَ شَہَادَۃَ رَجُلٍ ضُرِبَ فِی الْخَمْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 22214 ) হযরত শাবি ( রহঃ ) মদ্যপানের কারণে সীমাবদ্ধ ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۱۵) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ مُوسَی ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ : أَنَّہُ أَجَازَ شَہَادَۃَ الأَخِ لأَخِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২২২১৫) হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ ( রা . ) তার ভাইয়ের সাক্ষ্যের অধিকার গ্রহণ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۲۲۱۶) حَدَّثَنَا ابْن فضیل ، عن عطاء بن أبی رباح ، قَالَ : کان بین رجلین من الحی خصومۃ ، فشہد لأحدہما أخوہ لأبیہ وأمہ عند شریح ، فقال الرجل : أنت أخوہ ، قَالَ : فہل لک من الذی تشہد علیہ شیء ؟ قَالَ : لاَ ، قَالَ لخصمہ : فبأی شیء أرد شہادتہ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২২২৬) হজরত আতা ইবনে আবি রাবাহ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , আশেপাশের দু’জন লোকের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল , তিনি শরীআহ ( রা . ) - এর সামনে সাক্ষ্য দিলেন , অন্য ব্যক্তি বললেন , তুমি তার ভাই হজরত শারঈ ( রা . ) র . তিনি বলেন , না . আপনি প্রতিপক্ষকে বললেন , তার সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করছেন কেন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২২২১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস