(১৫) ( ২৩৮৭৯ ) আব্বাদ ইবনুল আওয়াম এর বরাতে জনগণের বরাতে : এক ব্যক্তি যে একজন ক্রীতদাসকে হত্যা করেছিল, সে বলল: সে স্বাধীন [হাদিসের সীমা (২১৫৩৭-২৫০৮৯), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৫৫৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২০৮৩টি]



21796 OK

(২১৭৯৬)

সহিহ হাদিস

(۲۱۷۹۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی العُمَیْس ، عَنْ عَبْدَۃَ بْنِ أَبِی لبابۃ ، عَنْ أَبِی یَحْیَی ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : فِی قولہ تعالی : {وَمَنْ کَانَ فَقِیرًا فَلْیَأْکُلْ بِالْمَعْرُوفِ} قَالَ : مِنْ مَالِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21797) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) আল্লাহ তায়ালার বাণী সম্পর্কে বলেন { ওয়ামান কান ফকিরা ফাল য়ি আকুল বি আল -মারুফ} তিনি তাদের ধন - সম্পদ অসহায় অবস্থায় খেতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21797 OK

(২১৭৯৭)

সহিহ হাদিস

(۲۱۷۹۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ الرَّازِیّ ، عَنِ الرَّبِیعِ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ۔ وَسُفْیَانَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ۔ وَعَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ قَالُوا : بِالْقَرْضِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21798) হজরত সুফীন , হজরত সাঈদ ইবনে জাবির ( রা.) এবং হজরত ওয়াইল (রা.) বলেন, সে যেন ঋণ নিয়ে খায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21798 OK

(২১৭৯৮)

সহিহ হাদিস

(۲۱۷۹۹) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ کَعْبٍ ، قَالَ : أَتَتْہُ امْرَأَۃٌ فَسَأَلَتْہُ ، فَقَالَتْ : إنَّ بَنِیَّ وَإِخْوَۃً لَہُمْ مِنْ أَبِیہِمْ وَہُمْ أَیْتَامٌ فِی حَجْرِی ، وَکَانَ لِی مَالٌ فَکُنْت أُنْفِقُہُ عَلَیْہِمْ حَتَّی ذَہَبَ ، وَلَہُمْ مَالٌ فَمَا تَرَی ؟ قَالَ : ضَعِی یَدَک مَعَ أَیْدِیہِمْ وَکُلِی بِالْمَعْرُوفِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21799) মুহাম্মাদ বিন কাব থেকে বর্ণিত যে, এক মহিলা এসে জিজ্ঞাসা করলেন যে , আমার ছেলে এবং তার ভাইরা তার পিতার পক্ষ থেকে । আমার সম্পদ আছে , আমি আমার সম্পদ তাদের জন্য ব্যয় করি , হ্যাঁ , এটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখন ওদের সম্পত্তি আছে , এটা নিয়ে আপনি কী বলবেন ? তিনি বললেনঃ তাদের হাতের পাশে হাত রেখে পরিচিত পদ্ধতিতে খাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21799 OK

(২১৭৯৯)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ عَطَائٍ ، وَعِکْرِمَۃَ {وَمَنْ کَانَ فَقِیرًا فَلْیَأْکُلْ بِالْمَعْرُوفِ} ، قَالَ : یَضَعُ یَدَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21800) হজরত ইকরামা (রা.) বলেন , আল্লাহ তায়ালার বাণী { ওয়ামান কান ফকী রা ফাল ইয়া আকুল বিউল মারুফ } এর অর্থ হচ্ছে , তিনি তার উপর হাত রাখবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21800 OK

(২১৮০০)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۱) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ فِی قَوْلِہِ : {وَمَنْ کَانَ غَنِیًّا فَلْیَسْتَعْفِفْ وَمَنْ کَانَ فَقِیرًا فَلْیَأْکُلْ بِالْمَعْرُوفِ} قَالَتْ : أُنْزِلَ ذَلِکَ فِی وَالِی مَالِ الیتیم یَقُومُ عَلَیْہِ وَیُصْلِحُہُ إذَا کَانَ مُحْتَاجًا أَنْ یَأْکُلَ مِنْہُ۔ (بخاری ۴۵۷۵۔ مسلم ۲۳۱۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(21801) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার বাণী হল { যে ধনী হবে সে বিনয়ী হবে এবং যে ধার্মিক হবে সে সম্পদের মালিক হবে । এটা থেকে খেতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21801 OK

(২১৮০১)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۲) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : أَرْسَلَتْنِی امْرَأَۃٌ إلَیْہِ أَسْأَلُہُ عَنْ یَتَامَی فِی حِجْرِہَا قَامَتْ عَلَیْہِمْ ہَلْ تَأْکُلُ مِنْ أَمْوَالِہِمْ شَیْئًا ؟ قَالَ : نَعَمْ ، بِالْمَعْرُوفِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21802 ) হজরত শাবি ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , একজন মহিলা তাঁর কাছে এতিমদের সম্পর্কে খোঁজ নিতে পাঠালেন যে তিনি তাদের অভিভাবক ছিলেন , তিনি কি তাদের সম্পদ থেকে কিছু খেতে পারবেন ? তুমি বললে : হ্যাঁ, চেনা উপায়ে খাওয়া যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21802 OK

(২১৮০২)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ العتکیۃ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : کُلِی مِنْ مَالِ الْیَتِیمِ وَاعْلَمِی مَا تَأْکُلِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21803) হজরত আয়েশা (রা. ) বলেন , এতিমের সম্পদ থেকে খাও এবং তোমার জ্ঞানে যতটুকু খাও ততটুকু রাখ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21803 OK

(২১৮০৩)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ ہَمَّام ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : قالَتْ عَائِشَۃُ : إنِّی لاَکْرَہُ أَنْ یَکُونَ مَالُ الْیَتِیمِ عِنْدِی عُرَّۃً حَتَّی أَخْلِطَ طَعَامَہُ بِطَعَامِی وَشَرَابَہُ بِشَرَابِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21804) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , আমি অপছন্দ করি যে , আমি এতিমের সম্পদ আমার কাছে আলাদা করে রাখি , যদিও আমি তার খাবারের সাথে আপনার পানীয় মিশিয়ে খাই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21804 OK

(২১৮০৪)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۵) حَدَّثَنَا ابْن إدریس ، عَنْ ہِشَامٍ بن عروۃ ، عن أبیہ أَنَّہ رخص لوالی الیتیم أن یأکل مکان قیامہ بالمعروف۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21805 ) হজরত উরওয়া ( রা . ) বলেন , এতিমের অভিভাবককে সুপরিচিত উপায়ে তার সম্পদ থেকে কিছু খেতে দেওয়া হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21805 OK

(২১৮০৫)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۶) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ الأَزْرَقُ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ : فِی وَالِی مَالِ الْیَتِیمِ : یَأْکُلُ مِنَ الرِّسْلِ وَالتمرۃ بحِسَابِ الأجیر۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21806) হজরত শাবি ( রহ . ) এতিমের সম্পদের মালিক সম্পর্কে বলেন , সে মজুরির কারণে দুধ ও খেজুর খেতে পারবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21806 OK

(২১৮০৬)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی رَجُلٍ آجَرَ غُلاَمَہُ سَنَۃً ، ثُمَّ أَرَادَ أَنْ یَبِیعَہُ ، قَالَ : یَبِیعُہُ إِنْ شَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21807) হজরত হাসান ( রহ. ) সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন , যে ব্যক্তি তার গোলামকে এক বছরের জন্য অর্থ প্রদান করে , তারপর সেই ক্রীতদাসকে বছরের মধ্যে বিক্রি করতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21807 OK

(২১৮০৭)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ إیَاسِ بْنِ مُعَاوِیَۃَ فِی الْغُلاَمِ یَدْفَعُہُ الرَّجُلُ إلَی الرَّجُلِ یُعَلِّمُہُ ، ثُمَّ یُخْرِجُہُ قَبْلَ أَنْ یَنْقَضِیَ شَرْطُہُ ، قَالَ : یُرَدُّ عَلَی مُعَلِّمِہِ مَا أَنْفَقَ عَلَیْہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21808) হজরত ঈস বিন মুয়াবিয়া ( রা ) বলেন , যে ব্যক্তি তার গোলামকে অন্যের কাছে পাঠায় যাতে সে তাকে শিক্ষা দেয় , অতঃপর সেই শর্ত পূরণ হওয়ার আগেই সে তাকে সেখানে পাঠায় , তারপর সেই দাসটির জন্য যা খরচ হয়েছে তা নিয়ে যাবে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21808 OK

(২১৮০৮)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۰۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : سَأَلْتُہ عَنْ رَجُلٍ آجَرَ غُلاَمَہُ سَنَۃً فَأَرَادَ أَنْ یُخْرِجَہُ ؟ قَالَ : لَہُ أَنْ یَأْخُذَہُ۔ قَالَ : وَسَأَلْت حَمَّادًا ، فَقَالَ : لاَ یَأْخُذُہُ إلاَّ مِنْ مَضَرَّۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21809) হযরত হাকামের মতে, এক ব্যক্তি জানতে পারলেন যে , এক ব্যক্তি তার গোলামকে এক বছরের মজুরি দিয়েছিল , তারপর সে তাকে তার কাছ থেকে উচ্ছেদ করার ইচ্ছা করল , তাহলে সে কেন করছে ? তিনি ( রা . ) বললেন , এটা ফেরত নেওয়ার অনুমতি নেই । অতঃপর আমি হযরত হামদ (রাঃ) এর নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলাম তিনি (রহঃ) ক্ষতি থেকে পরিত্রাণ ছাড়া তার কাছ থেকে না নিতে বলেছেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21809 OK

(২১৮০৯)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۰) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا الضُّحَی یَذْکُرُ : أَنَّ شُرَیْحًا وَمَسْرُوقًا کَانَا یَقُولاَنِ فِی الرَّجُلِ إذَا آجَرَ الْعَبْدَ سَنَۃً أَوْ شَہْرًا أَوْ نَحْوَ ذَلِکَ ، ثُمَّ بَدَا لَہُ أَنْ یَأْخُذَ مِنْہُ : فَذَلِکَ لَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21810) হজরত শরিয়াহ ( র. ) ও হযরত মাসরূক ( র. ) বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি তার ক্রীতদাস এক বছরের জন্য বা একটি মাছ ক্রয় করে । অথবা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি পর্দা ভাড়া করে , তারপর যদি সে তার কাছ থেকে ক্রীতদাস ফিরিয়ে নিতে চায় তবে সে তা ফিরিয়ে নিতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21810 OK

(২১৮১০)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۱) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی نَجِیحٍ ، قَالَ : سَأَلَہُ رَجُلٌ وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ رَجُلٍ اسْتَوْدَعَ مَالاً فَتَجَرَ فِیہِ ؟ فَقَالَ : کَانَ عَطَائُ یَقُولُ : مَا کَانَ فِیہِ مِنْ نَمَائٍ فَہُوَ لِرَبِّ الْمَالِ ، وَقَالَ مُجَاہِدٌ : لَیْسَ لِرَبِّ الْمَالِ وَلاَ المُسْتَودَعِ ، وَہُوَ لِلْمَسَاکِینِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21811) হজরত ইবনে আবি নাজিয়্যাহ ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি আবিষ্কার করলেন যে, যদি কোনো ব্যক্তির কাছে আমানত রাখা হয় এবং সে তা ব্যবসায় বিনিয়োগ করে ? হজরত আত্তা (র.) বলেন , অর্জিত মুনাফা টাকার মালিককে দেওয়া হবে এবং হজরত মুজাহিদ (র.) বলেন, তা অর্থের মালিককে দেওয়া হবে না , আমানতদারকেও দেওয়া হবে না , বরং দেওয়া হবে। গরীব ইচ্ছা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21811 OK

(২১৮১১)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۲) حَدَّثَنَا أبو بَکر ، قَالَ : حَدَّثَنَا ہِشَامٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ تُحَرَّکُ الْوَدِیعَۃُ إلاَّ بِإِذْنِ رَبِّہَا ، فَإِنْ فَعَلَ ، فَہُوَ ضَامِنٌ ، وَلَہُ الرِّبْحُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৮১২) হজরত হাসান (রা.) বলেন, আমানতের সম্পত্তি মালিকের অনুমতি ছাড়া বিনিয়োগ করবেন না , যদি তার অনুমতি ব্যতীত করেন তাহলে তিনিই জামিনদার এবং যা লাভ হবে তা তারই হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21812 OK

(২১৮১২)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ فِی الْوَدِیعَۃِ : لاَ ضَمَانَ عَلَیْہِ إلاَّ أَنْ یُحَوِّلَہَا عَنْ مَوْضِعِہَا ، أَوْ یُغَیِّرَہَا عَنْ حَالِہَا ، فَإِنْ ہُوَ غَیَّرَہَا عَنْ مَوْضِعِہَا ، فَکَانَ فِیہِ رِبْحٌ فَإِنَّہُ یَتَصَدَّقُ بِہِ ، وَلَیْسَ لِوَاحِدٍ مِنْہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21813) হজরত ইব্রাহিম ( রা.) আমানত সম্পর্কে বলেন , যতক্ষণ না তিনি একে তার স্থান থেকে তার জায়গায় স্থানান্তর করেন ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে তার অবস্থা থেকে পরিবর্তন করবেন না, যদি সে তাকে তার অবস্থা থেকে পরিবর্তন করে এবং সে কিছু লাভ পায় , তাহলে তাকে সদকা করতে হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21813 OK

(২১৮১৩)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : سُئِلَ ابْنُ عُمَرَ ، عَنْ مَالِ الْیَتِیمِ ؟ فَقَالَ : ہُوَ مَضْمُونٌ حَتَّی یَدْفَعَہُ إلَیْہِ ، قَالَ : إِنَّہُ قَدْ کَانَ فِیہِ فَضْلٌ ، قَالَ : اصْنَعْ بِفَضْلِہِ مَا شِئْت ، ہُوَ مَضْمُونٌ حَتَّی تَدْفَعَہُ إلَیْہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২১৮১৪) হজরত ইবনে ওমর ( রা. ) কে এতিমের সম্পত্তি সম্পর্কে অবহিত করা হলে তিনি বলেন , তা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত এটি একটি মালামাল থেকে যায় ( জামিনযোগ্য ) হ্যাঁ , এতে কিছু লাভ আছে বলে জানা যায় লাভের সাথে যা খুশি তাই করুন । এতিমের সম্পত্তি সে তা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত অরক্ষিত থাকবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21814 OK

(২১৮১৪)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۵) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : فِی الرَّجُلِ یَکُونُ عِنْدَہُ المَالُ لأَیْتَامِ فَیَعْمَلُ بِہِ ، قَالَ : ہُوَ ضَامِنٌ إذَا عَمِلَ بِغَیْرِ إذْنِہِمْ فَالرِّبْحُ یَتَصَدَّقُ بِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21815 ) হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) থেকে জানা গেল , একজন ব্যক্তির কাছে এতিমের সম্পদ আছে , তাহলে সে কি তা ব্যবসায় ব্যবহার করতে পারবে ? তিনি (রহঃ) বললেন যে, যদি তিনি তাদের অনুমতি ব্যতীত এটি করেন তবে তিনি একজন জামিনদার হবেন এবং তিনি যে লাভ পাবেন তা দান করবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21815 OK

(২১৮১৫)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۶) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : قُلْتُ لاِبْنِ عُمَرَ : رُبَّمَا أَسْلَمَ الرَّجُلُ إلَی الرَّجُلِ أَلْف درہم وَنَحْوَہَا فَیَقُولُ : إِنْ أَعْطَیْتنِی بُرًّا فَبِکَذَا ، وَإِنْ أَعْطَیْتنِی شَعِیرًا فَبِکَذَا ، قَالَ : سَمِّ فِی کُلِّ نَوْعٍ مِنْہَا وَرِقاً مُسَمَّاۃً ، فَإِنْ أَعْطَاک الَّذِی فِیہِ وَإِلاَّ فَخُذْ رَأْسَ مَالِکِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21816) মুহাম্মদ বিন যায়েদ ( রা. ) বলেন যে, আমি হজরত ইবনে উমর (রা. ) -কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কখনো কখনো একজন ব্যক্তি কারো কাছে এক হাজার দিরহাম ভিক্ষা করবে , তিনি কবুল করলেন এবং বললেন , আপনি যদি আমাকে গম দেন তাহলে এই চুক্তির মূল্য এত বেশি হবে , আর যদি তুমি আমাকে গম দাও , তাহলে তার উচিত প্রত্যেক প্রকারের জন্য আলাদা মূল্য নির্ধারণ করা , যদি সে আমাকে একই দাম দেয় , তাহলে জরিমানা , অন্যথায় , তার কাছ থেকে তার মূলধন ফেরত নেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21816 OK

(২১৮১৬)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَسْلَمَ الْمِنْقَرِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ : فِی الرَّجُلِ یُسْلِمُ فَیَقُولُ : مَا کَانَ عِنْدَکَ مَنْ حِنْطَۃٍ فَبِکَذَا ، وَمَا کَانَ عِنْدَکَ مِنْ حُبُوبٍ فَبِکَذَا : أَنَّہُ کَرِہَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21817) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, বেস সালাম করার সময় যদি কোনো ব্যক্তি বলে যে , তোমার কাছে যা কিছু গম আছে তার মূল্য এত বেশি এবং তোমাদের কারো কাছে আমার জ্ঞানের চেয়ে বেশি জ্ঞান আছে , তাহলে তা অনাকাঙ্ক্ষিত । তাই না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21817 OK

(২১৮১৭)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی ابْن أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : سُئِلَ عَامِرٌ عَنِ السَّلَمِ فِی الْحِنْطَۃِ وَالشَّعِیرِ أَیُّہُمَا اسْتَیْسَرَ عَلَیْہِ أَعْطَاہُ ؟ قَالَ : لاَ یَصْلُحُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21818 ) হযরত আমীরের কাছ থেকে গম ও বাজরা সম্পর্কে আবিষ্কৃত হয় যে দ্বি - ইসলাম সহজেই পেতে পারে । তিনি ( রাঃ ) বললেনঃ বিশ্বাসঘাতকতার ক্ষমতা নেই ( সঠিক না )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21818 OK

(২১৮১৮)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی رَجُلٍ أَسْلَمَ فِی شَیْئٍ مَعْلُومٍ إلَی أَجَلٍ مَعْلُومٍ ، فَإِنْ لَمْ یَدْفَعْہُ فَکَذَا وَکَذَا لِشَیْئٍ آخَرَ مَعْلُومٍ ، قَالَ : لاَ یَصْلُحُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21819 ) হজরত আত্তা ( রা . ) থেকে নাজিল হলো যে , কোনো ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুসলিম থাকতে হবে , যদি সে ততটুকু দিতে না পারে , অন্য কেউ কি আমাকে একই পরিমাণ দিতে পারবে ? আপনি ( রহঃ ) বলেছেন এটা ঠিক না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21819 OK

(২১৮১৯)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ : فِی الرَّجُلِ یُسْلِفُ فَیَقُولُ : إِنْ کَانَ بُرًّا فَبِکَذَا ، وَإِنْ کَانَ شَعِیرًا فَبِکَذَا : أَنَّہُ کَرِہَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21820) হজরত হাসান (রা. ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে , এক ব্যক্তি সালাম করে বললে যে , গম থাকলে এতটুকু আর যব থাকলে কেমন হয় ? আপনি (রাঃ) এটা অপছন্দ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21820 OK

(২১৮২০)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَسْلَمَ ، عْن عَلْقَمَۃَ بْنِ مَرْثَدٍ ، عَنْ رَزِینِ بْنِ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بالسَّلَمِ فِی الثِّیَابِ ، ذَرْعٌ مَعْلُومٌ إلَی أَجَلٍ مَعْلُومٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২১৮২১ ) হজরত সাঈদ বিন আল - মুসাইব ( রহ . ) বলেন , এভাবে কাপড়ে বি’আসলাম করলে কোনো ক্ষতি নেই , অথচ অস্ত্রও নির্দিষ্ট এবং সময়ও নির্দিষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21821 OK

(২১৮২১)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۲۲) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ نَشِیطٍ ، قَالَ : سَأَلَتْ بُکَیْر بْنَ عَبْدِ اللہِ بْنِ الأَشَجِّ عَنِ السَّلَمِ فِی الثِّیَابِ ؟ فَقَالَ : لاَ یَصْلح إلاَّ مَعْلُومَ الرُّقْعَۃِ مَعْلُومَ کَذَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21822 ) হযরত বাকির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল - আশাজ বি.ই. আসলামের পোশাক সম্পর্কে অবহিত হন । আপনি বলেছেন এটা ঠিক নয় , তবে কাপড়ের পরিমাণ জানা আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21822 OK

(২১৮২২)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۲۳) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ وَوَکِیعٌ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، قَالَ : سُئِلَ عَامِرٌ عَنِ السَّلَمِ فِی الْکَرَابِیسِ ؟ فَقَالَ : قَدْ کُنْت أَفْعَلُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21823 ) হযরত আমিরকে বাই সালাম সম্পর্কিত সুতির পোশাকে পাওয়া গিয়েছিল ? আপনি (রহঃ) বলেছেন যে আমি এটা করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21823 OK

(২১৮২৩)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۲۴) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنِ ابْنِ سَالِمٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : إذَا أَسْلَمَ فِی ثَوْبٍ یَعْرِفُ ذَرْعُہُ وَرُقعتہ فَلاَ بَأْسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২১৮২৪) হজরত আমীর (রা.) বলেন , যখন কাপড়ের দৈর্ঘ্য ও পরিমাণ জানা যাবে , তখন বি - আসলাম করতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21824 OK

(২১৮২৪)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۲۵) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ جَابِرٍ وَعَطَائٍ ، قَالاَ : لاَ بَأْسَ فِی السَّلَمِ فِی الصُّوفِ وَالأَکْسِیَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21825 ) হজরত জাবির ( রা. ) ও হজরত আত্তা বলেন , পশম ও কাপড়ে বিআসলাম করতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21825 OK

(২১৮২৫)

সহিহ হাদিস

(۲۱۸۲۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ السَّلَمِ فِی الْکَرَابِیسِ ؟ فَقَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ إذَا کَانَ فِی ذَرْعٍ مَعْلُومٍ إلَی أَجَلٍ مَعْلُومٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21826 ) হযরত কাসিম ( রহ . ) সুতির পোশাকে বিয়াস্লাম সম্পর্কে অবহিত ছিলেন ? আপনি বলেছেন হাত ও সময় ঠিক থাকলে সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৮২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস