
(۲۱۷۰۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَکَمِ وَحَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : الْمُضَارِبُ یُنْفِقُ وَیَکْتَسِی بِالْمَعْرُوفِ ، فَإِنْ رَبِحَ کَانَ مِنْ رِبْحِہِ ، وَإِنْ وَضَعَ کَانَ مِنْ رَأْسِ الْمَالِ۔ قَالَ : وَسَأَلْت ابْنَ سِیرِینَ ، قَالَ : مَا أُحِبُّ أَنْ یُنْفِقَ حَتَّی یَسْتَأْذِنَ رَبَّ الْمَالِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৭০৭) হজরত ইব্রাহিম (রা.) বলেন, মুদারিব মধ্যবিত্তের পোশাক খরচ করবে এবং ব্যবহার করবে , যদি তার উপকার হয় , তাহলে তার উপকার হবে , আর যদি ক্ষতি হয় , তা হবে আমার মূলধন থেকে বর্ণনাকারী বলেন , আমি হজরত ইবনে সিরীন ( রা .) থেকে এ সম্পর্কে জানতে পেরেছি । তিনি বললেনঃ আমি সম্পদের মালিকের অনুমতি ছাড়া অর্থ ব্যয় করতে পছন্দ করি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۰۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : إِنْ شَائَ الْمُضَارِبُ اسْتَأْجَرَ الأَجِیرَ وَأَطْعَمَ الرَّقِیقَ إذَا کَانَ مِنَ الْمُضَارَبَۃِ ، وَلاَ یَأْکُلُ مَعَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21708) হযরত হাম্মাদ বলেন , মুদারিব ইচ্ছা করলে একজন ভাড়াটে চাকর রাখতে পারেন এবং একজন মুদারিবের হলে একজন গোলামকে খাওয়াতে পারেন , কিন্তু নিজে তাদের সাথে খাবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۰۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : لاَ یَشْتَرِطُ الْمُضَارِبُ طَعَامًا ، وَلاَ شَیْئًا یَنْتَفِعُ بِہِ إلاَّ أَنْ یَکُونَ فِیہِ مَنْفَعَۃٌ لِلْمُضَارَبَۃِ ، فَإِنْ لَمْ تَکُنْ فِیہِ مَنْفَعَۃٌ لِلْمُضَارَبَۃِ کَانَ ذَلِکَ فِی مَالِ نَفْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21709 ) হজরত হামদ বলেন , তিনি মুদারাবের জন্য খাবার বা অন্য কিছু শর্ত দেবেন না , যাতে তার উপকার হয় , হ্যাঁ , যদি মুদারাবা থেকে কোনো উপকার হয় , তাহলে ভালো , যদি মুদারাবা থেকে কোনো উপকার না হয় । , এটা তার নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۰) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنِ ابْنِ لَہِیعَۃَ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِی عِمْرَانَ ، عَنِ الْقَاسِمِ وَسَالِمٍ : أَنَّہُ سَأَلَہُمَا عَنِ الْمُقَارِضِ یَأْکُلُ وَیَشْرَبُ وَیَکْتَسِی وَیَرْکَبُ بِالْمَعْرُوفِ ، قَالَ : إذَا کَانَ فِی سَبَبِ الْمُضَارَبَۃِ فَلاَ بَأْسَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21710) হযরত কাসিম ও সালেমের কাছ থেকে আবিষ্কৃত হয় যে , এই টাকা দিয়ে মুদারিবরা খাওয়া - দাওয়া , চড়া এবং পোশাক পরিধান করতে পারে । তিনি বলেন , যদি মুদারাবার কারণে হয় তাহলে কোনো অসুবিধা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۱) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الشَّفِیعُ أَحَقُّ بِشُفْعَۃِ جَارِہِ ، یَنْتَظِرُ بِہَا ، وَإِنْ کَانَ غَائِبًا إذَا کَانَتْ طَرِیقُہُمَا وَاحِدَۃً۔ (ابوداؤد ۳۵۱۲۔ ترمذی ۱۳۶۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(21711) হজরত জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন : সুপারিশকারী প্রতিবেশীর জন্য সুপারিশ করার অধিক হকদার , যদি উভয়ের পথ এক ও শাফিয়া অনুপস্থিত থাকে তবে তাকে অপেক্ষা করা হবে । জন্য
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ : أَنَّہُ قَضَی بِالشُّفْعَۃِ لِلشَّرِیکِ بَعْدَ عَشْرِ سِنِینَ وَکَانَ غَائِبًا صَاحِبُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21712) হযরত উমর বিন আবদ আল- আযীয ( রা. ) দশ বছর পর সঙ্গীর জন্য সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেন , তার সঙ্গী অনুপস্থিত ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۳) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ یَرَی الشُّفْعَۃَ لِلصَّغِیرِ وَالْغَائِبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৭১৩) হজরত হাসান (রহ.) শিশু ও নিখোঁজদের জন্য সুপারিশের অধিকার মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۴) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنْ شُرَیْحٍ : فِی الدَّارِ تُبْتَاعُ وَبِہَا شَفِیعٌ غَائِبٌ ، أَوْ صَغِیرٌ ، قَالَ : الْغَائِبُ أَحَقُّ بِالشُّفْعَۃِ حَتَّی یَرْجِعَ ، وَالصَّغِیرُ حَتَّی یَکْبُرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21714) হজরত শরীয়া ( রহ.) বলেন , যদি বাড়িটি বিক্রি হয়ে যায় এবং তার সুপারিশকারী অনুপস্থিত বা অল্পবয়সী হয় , তবে অনুপস্থিত ব্যক্তি ফিরে না আসা পর্যন্ত সুপারিশের বেশি হকদার এবং ছোট শিশুটি বড় হওয়া পর্যন্ত সুপারিশের বেশি হকদার অধিকারী
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لَیْسَ لِغَائِبٍ شُفْعَۃٌ۔ وَکَانَ الْحَارِثُ یَرَی ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21715) হজরত ইব্রাহিম ( রা . ) ও হজরত হারিস বলেন , অনুপস্থিতদের জন্য সুপারিশের কোনো অধিকার নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ وَالحَکَم ، قَالاَ : لِلْغَائِبِ شُفْعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21716) হযরত শাবি ( রহঃ) ও হযরত হাকিম (রহঃ) বলেন, অনুপস্থিতদের জন্য সুপারিশ করার অধিকার রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۷) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ مُجَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : لِلْغَائِبِ شُفْعَۃٌ تُکْتَبُ إلَیْہِ، فَإِنْ أَخَذَ وَبَعَثَ بِالثَّمَنِ وَإِلاَّ فَلاَ شُفْعَۃَ لَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21717) হযরত শাবি ( রহঃ) বলেন , অনুপস্থিতদের জন্য সুপারিশ করার অধিকার রয়েছে । তাকে একটি চিঠি লেখা হবে, যদি তিনি সুপারিশ গ্রহণ করেন এবং বাড়ির মূল্য পাঠান , তাহলে জরিমানা , অন্যথায় তার জন্য কোন সুপারিশ নেই । (অধিকারের মেয়াদ শেষ হবে।)
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۸) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْحَسَنِ وَابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : صَارَ قَوْلُہُمَا إلَی أَنَّ التَّوْلِیَۃَ بَیْعٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21718 ) হযরত হাসান ও ইবনে সিরীন ( রা . ) বলেন , গামছাটি বিবিয়া । গামছা বলে যে তারা যতটা কিনেছে , লাভ না করে আর বিক্রি করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۱۹) حَدَّثَنَا شَرِیک ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : التَّوْلِیَۃُ بَیْعٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21719 ) হযরত আমির ( রা . ) বলেন , গামছাটি ভি বিয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : التَّوْلِیَۃُ بَیْعٌ ، وَلاَ تُوَلَّی حَتَّی تُقْبَضَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21720 ) হজরত জাহরি ( রা . ) বলেন , গামছা একটি বিশ্বাসঘাতকতা , তা না ধরে তা ফিরে যাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ وأبو أسامۃ ، عَنْ فطر ، عن الحکم ، قَالَ : التولیۃ بیع۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21721 ) হযরত হুকুম করেন যে গামছা বিয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۲) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بِالتَّوْلِیَۃِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21722 ) হজরত তাউস ( রহ . ) শপথ গ্রহণে কোনো ক্ষতি আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَبِی قَیْسٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : التَّوْلِیَۃُ بَیْعٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21723 ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , তুলাহী হল কাফের ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۴) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : التَّوْلِیَۃُ بَیْعٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21724 ) হজরত জাহরি বলেন : তুলাহি মুনাফেক
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۵) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : التَّوْلِیَۃُ بَیْعٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21725 ) হজরত মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন , গামছাটি ভি বিয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْیَانَ ، عَنْ حَزْنِ بْنِ بِشْرٍ ، عَنْ رَجَائِ بْنِ الْحَارِثِ : أَنَّ رَجُلاً اجْتَعَلَ فِی عَبْدٍ آبِقٍ ، فَأَخَذَہُ لِیَرُدَّہُ ، فَأَبِقَ مِنْہُ ، فَخَاصَمَہُ إلَی شُرَیْحٍ فَضَمَّنَہُ ، فَبَلَغَ ذَلِکَ عَلِیًّا فَقَالَ : أَسَائَ الْقَضَائَ ، یَحْلِفُ بِاللَّہِ : لاَبِقَ مِنْہُ ، وَلاَ ضَمَانَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21726) এক ব্যক্তি তার মনিবকে ফিরিয়ে আনার জন্য একটি পলাতক ক্রীতদাসকে ধরে নিয়ে যায় , সেই দাসও তার কাছ থেকে পালিয়ে যায় , তারা উভয়েই হযরত আলী ( রা. ) - এর কাছে এ কথা জানিয়ে জামিন হন সিদ্ধান্তে তিনি বলেন , বিচারক ভুল করেছেন । তিনি তার নামে শপথ করে বলতেন যে সে তার কাছ থেকে পালিয়ে গেছে এবং তার গ্যারান্টি দেয়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۷) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، وَعَبْدَۃُ وَوَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی خَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ : فِی رَجُلٍ أَخَذَ عَبْدًا آبِقًا لِیَرُدَّہُ ، فَذَہَبَ مِنْہُ ، قَالَ : لَیْسَ عَلَیْہِ شَیْئٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21727) হজরত শাবি ( রহ.) বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি পলাতককে ধরে ফেলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এবং সেই গোলামও তার কাছ থেকে পালিয়ে যায় , তাহলে তার ওপর কিছুই ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدِ الْقَطَّانُ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لَیْسَ عَلَیْہِ شَیْئٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21728) হজরত হাসান ( রা. ) বলেন , এর ওপর কোনো কিছু ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۲۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، أَنَّ رَجُلاً أَخَذَ عَبْدًا آبِقًا فَأَبَقَ مِنْہُ ، قَالَ : فَجَائَ مَوْلَی الْعَبْدِ فَقَدَّمَہُ إلَی شُرَیْحٍ ، فَقَالَ شُرَیْحٌ : قَدْ أَبِقَ مِنْک قَبْلَہُ ، فَلَیْسَ عَلَیْہِ شَیْئٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21729) হজরত শরীয়াহ ( রহ. ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি এক পলাতক ক্রীতদাসকে ধরে ফেলল এবং সেও তার কাছে দৌড়ে গেল , গোলামের মনিব এলেন এবং তাদের উভয়ের মামলা হজরত শরীফ আনলেন । তিনি যখন পাশ দিয়ে গেলেন , তখন তিনি বললেনঃ গোলামটি আগে তোমার কাছ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল , তাই তার কোন প্রয়োজন নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۳۰) حَدَّثَنَا الضَّحَّاکُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ، قَالَ: قَالَ لِی ابْنُ أَبِی مُلَیْکَۃَ: إِنْ ذَہَبَ مِنْہُ فَلَیْسَ عَلَیْہِ شَیْئٌ
থেকে বর্ণিতঃ
(21730) হজরত ইবনে জারিজ ( রহ. ) বলেন , হজরত ইবনে আবি মালিক (রা.) আমাকে বলেছেন , পলাতক গোলাম তার কাছ থেকে পালিয়ে গেলেও তার ওপর কিছুই ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۳۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ یَزِیدَ ، عَنْ أَبِی الْعَلاَئِ ، عَنْ قَتَادَۃَ وَأَبِی ہَاشِمٍ وَمَنْصُورٍ قَالُوا : إِنْ فَرَّ مِنَ الَّذِی أَخَذَہُ فَلَیْسَ عَلَیْہِ ضَمَانٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21731) হযরত কাতাদাহ, হযরত হাশিম ও মনসুর (রাঃ) বলেন , যে পলাতক ক্রীতদাসকে ধরল, সেই গোলাম পালিয়ে গেলেও তার উপর কিছুই ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۳۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی زَائِدَۃَ وَابْنُ أَبِی غَنِیَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ أَبِی غَنِیَّۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : قدِّمَ لِعُثْمَانَ طَعَامٌ عَلَی عَہْدِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : اذْہَبُوا بِنَا إلَی عُثْمَانَ نُعِینُہُ عَلَی بَیْعِ طَعَامِہِ ، فَقَامَ إلَی جَنْبِہِ وَعُثْمَانُ یَقُولُ : فِی ہَذِہِ الْغِرَارَۃِ کَذَا وَکَذَا ، وَأَبِیعُہَا بِکَذَا وَکَذَا ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا سَمَّیْتَ فَکِلْ۔ (عبد بن حمید ۵۲۔ احمد ۷۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( 21732 ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাদের সাথে হযরত উসমান (রাঃ)-এর কাছে এসো যাতে আমরা সাহায্য করতে পারি । তিনি গম বিক্রি করেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁর পাশে দাঁড়ালেন , হজরত উসমান ( রা . ) বলছিলেন , এই বস্তায় এত গম আছে , আমি বিক্রি করব আল্লাহ তায়ালা বললেনঃ যখন নাম নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে তখন তা কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۳۳) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، عَنِ التَّیْمِیِّ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ، قَالَ: إذَا سُمِّی الْکَیْلَ وَالْوَزْنَ فَلاَ تَبِعْہُ حَتَّی تَکِیلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21733 ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , নাম নিয়ে যখন দাম ও ওজন নির্ধারণ করা হয় , তখন দাম করার আগে বিক্রি করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۳۴) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، عَنْ سَعِیدٍ، عَنْ قَتَادَۃَ ، وَالْحَسَنِ ، أَنَّہُمَا قَالاَ : إذَا سَمَّی الْکَیْلَ وَالْوَزْنَ فَلْیَکِلْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21734 ) হজরত কাতাদাহ ও হজরত হাসান ( রহ. ) বলেন , যখন নাম দ্বারা কিল ও ওজন নির্ধারণ করা হয় , তখন কিল করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۳۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا أَسْلَمْتَ سَلَمًا ، وَسَمَّیْتَ کَیْلاً ، فَلاَ تَأْخُذْ جُزَافًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21735) হজরত ইব্রাহীম ( রা.) বলেন , যখন তুমি সালাম বেছে নেবে এবং পেরেক নির্ধারণ করবে , তখন অনুমান করে নিবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۷۳۶) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إذَا ابْتَعْت طَعَامًا فِی أَوْسَاقِہِ فَکتلْہُ ، یَعْنِی إذَا ابْتَعْتہ کَیْلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21736 ) হজরত শাবি ( রহ . ) বলেন , পেরেক ঠুকে কোনো কিছু বিক্রি করতে চাইলে পেরেক মেরে ফেল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৭৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস