(১৫) ( ২৩৮৭৯ ) আব্বাদ ইবনুল আওয়াম এর বরাতে জনগণের বরাতে : এক ব্যক্তি যে একজন ক্রীতদাসকে হত্যা করেছিল, সে বলল: সে স্বাধীন [হাদিসের সীমা (২১৫৩৭-২৫০৮৯), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৫৫৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২৪৪৩টি]



21436 OK

(২১৪৩৬)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَیْنِ ، قَالَ : شہد غُلاَم عِنْدَ قَاضٍ مِنْ قُضَاۃِ أَہْلِ الْمَدِینَۃِ یُقَالُ لَہُ سَلَمَۃُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِیُّ ، فَأَرْسَلَ إلَی سَالِم وَالْقَاسِمِ فَسَأَلَہُمَا عَنْ شَہَادَتِہِ ، قَالاَ : إِنْ کَانَ أَنْبَتَ فَأَجِزْ شَہَادَتَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৩৭ ) হজরত দাউদ বিন হুসাইন ( রা. ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, এক শিশু , যার নাম ছিল সালামা , মদীনা - ই - মুনাওয়ারার একজন বিচারক ইবনে আবদ আল - রহমান আল - মাখজুম - এর সামনে সাক্ষ্য দেন হযরত সেলিম ( রহঃ ) ও হযরত কাসিম ( রহঃ ) তাঁর সাক্ষ্য সম্পর্কে অবহিত ছিলেন ? তিনি (রহঃ) বলেন , যদি পিউবিক অঞ্চলের নিচে কিছু চুল গজিয়ে থাকে তাহলে তার সাক্ষ্য বৈধ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21437 OK

(২১৪৩৭)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ، أَنَّہُ قَالَ فِی شَہَادَۃِ الصِّبْیَانِ: تُکْتَبُ شَہَادَتُہُمْ وَیُسْتَثْبَتُونَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২১৪৩৮ ) হজরত ইবনে সীরীন শিশুদের সাক্ষ্য সম্পর্কে বলেন , তাদের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করা হবে এবং তা তদন্ত ও যাচাই - বাছাই করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21438 OK

(২১৪৩৮)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۹) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، عَنْ حُمَیْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : یسْتَثْبَتُونَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৩৯) হযরত হামেদ বিন আব্দুল রহমান ( রহঃ ) বলেন , তদন্ত করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21439 OK

(২১৪৩৯)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۰) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لاَ تَجُوزُ شَہَادَۃُ الصَّبِیِّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৪০) হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন , শিশুদের সাক্ষ্য নির্ভরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21440 OK

(২১৪৪০)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۱) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : لاَ تَجُوزُ شَہَادَۃُ الصِّغَارِ حَتَّی یَکْبُرُوا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৪১) হযরত আত্তাই (রহঃ) বলেন , শিশুরা বড় হওয়ার পূর্বে তাদের সাক্ষ্য নির্ভরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21441 OK

(২১৪৪১)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۲) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ أَبِی سَہْلٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : کَانَ لاَ یُجِیزُ شَہَادَۃَ الصَّبی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৪২) হযরত আমীর (রাঃ) সন্তানদের সাক্ষ্যকে জায়েয মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21442 OK

(২১৪৪২)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ الزُّبَیْرِ بْنِ عَدِیٍّ ، عَنْ سُلَیْمَانَ الْہَمْدَانِیِّ ، قَالَ : شَہِدْت عِنْدَ شُرَیْحٍ وَأَنَا غُلاَمٌ فَقَالَ : بِإِصْبَعِہِ فِی بَعْضِ جَسَدِی : حَتَّی تَبْلُغَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২১৪৪৩) হজরত সুলাইমান আল - হামদানী ( রহ. ) বলেন , আমি যখন ছোট ছিলাম তখন হজরত শরিয়াহ ( রহ. ) -এর সামনে সাক্ষ্য দিয়েছিলাম , তিনি ( রহ.) আঙুল দিয়ে কোনো শরীর স্পর্শ করে মারা গেছেন , তিনি বললেন : যৌবনের আগে প্রমাণ নেই নির্ভরযোগ্য
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21443 OK

(২১৪৪৩)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : شَہِدَ عِنْدَ ابْنِ أَبِی لَیْلَی صِبْیَانٌ مِنَ الْحَیِّ لَمْ یَبْلُغُوا ، فَقَالَ : اکْتُبْ : شَہِدَ فُلاَنٌ وَفُلاَنٌ وَہُمْ صِغَارٌ لَمْ یَبْلُغُوا ، فَإِذَا بَلَغُوا فَإِنْ ثَبَتُوا عَلَی شَہَادَتِہِم جَازَتْ ، وَإِنْ رَجَعُوا فَلَیْسَ بِشَیْئٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21444 ) হজরত ওয়াকিয়া ( রহঃ) বলেন , আশেপাশের কিছু শিশু যারা নাবালক ছিল তারা হজরত ইবনে আবিল লাইলী ( রহঃ ) এর কাছে সাক্ষ্য দিল , তিনি ( রহঃ ) বললেনঃ অমুক অমুকের সাক্ষ্য লিখে রাখ, যখন তুমি প্রাপ্তবয়স্ক হবে । দেখবেন যদি আপনি প্রমাণ করেন এবং তার উপর দাঁড়ান তবে সাক্ষ্যটি বৈধ এবং যদি আপনি মুখ ফিরিয়ে নেন তবে সেই সাক্ষ্য বাতিল এবং বাতিল হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21444 OK

(২১৪৪৪)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ عِیسَی بْنِ أَبِی عَزَّۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، أَنَّہُ کَانَ یُجِیزُ شَہَادَۃَ الصِّبْیَانِ وَیُرْسِلُ إلَیْہِمْ فَیَسْأَلُہُمْ عَنْہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৪৫) হযরত শাবি ( রহঃ) সন্তানদের সাক্ষ্যকে নির্ভরযোগ্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21445 OK

(২১৪৪৫)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، أَنَّہُ أَجَازَ شَہَادَۃَ غِلْمَانَ فِی آمَّۃٍ ، وَقَضَی فِیہَا بِأَرْبَعَۃِ آلاَفٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২১৪৪৬ ) হজরত শরীয়াহ ( রা . ) অপহরণের ঘটনায় শিশুটির সাক্ষ্য গ্রহণ করেন এবং চার হাজার দিরহামের রায় দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21446 OK

(২১৪৪৬)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدِ الْقَطَّانُ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، أَنَّہُ کَانَ یُجِیزُ شَہَادَۃَ الصِّبْیَانِ بَعْضِہِمْ عَلَی بَعْضٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৪৭) হযরত আলী ( রাঃ ) সন্তানদের সাক্ষ্যকে জায়েয মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21447 OK

(২১৪৪৭)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۸) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنِ ابن عَبیدِ بْنِ الأَبْرَصِ ، أَنَّ عَلِیًّا ضَمَّنَ نَجَّارًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২১৪৪৮) হযরত আলী ( রাঃ) কাঠমিস্ত্রীকে জামিনদার বানিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21448 OK

(২১৪৪৮)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۴۹) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ طَلْحَۃَ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ بُکَیْر بْنَ عَبْدِ اللہِ بْنِ الأَشَجِّ یُحَدِّثُ ، أَنَّ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ضَمَّنَ الصُّنَّاعَ الَّذِینَ انْتَصَبُوا لِلنَّاسِ فِی أَعْمَالِہِمْ مَا أَہْلَکُوا فِی أَیْدِیہِمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৪৯) হযরত ওমর বিন খাত্তাব (রা. ) শ্রমিকদের তাদের হারিয়ে যাওয়া জিনিসের জামিনদার হিসেবে ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21449 OK

(২১৪৪৯)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۰) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، أَنَّہُ کَانَ یُضَمِّنُ الْقَصَّارَ وَالصَّوَّاغَ ، وَقَالَ : لاَ یُصْلِحُ النَّاسَ إلاَّ ذَلِکَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21450 ) হযরত আলী ( রাঃ ) রঞ্জক ও রঞ্জককে জামিনদার বানিয়ে বললেনঃ এটা মানুষের জন্য উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21450 OK

(২১৪৫০)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۱) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ الأَقْمَرِ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، أَنَّہُ کَانَ یُضَمِّنُ الْقَصَّارَ ، وَقَالَ : أَعْطِہِ ثَوْبَہُ ، أَوْ شَرْواہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 21451 ) হযরত কাজী শরীয়া ( রহ . ) রঞ্জককে জামিনদার করে বললেনঃ লোকসান হলে যে কাপড় দিয়েছিলেন , সেই কাপড়ই দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21451 OK

(২১৪৫১)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۲) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ مَسْرُوقٍ وَشُرَیْحٍ ، قَالَ : کَانَا یُضَمِّنَانِ الْقَصَّارَ شرواہ یَوْمَ أَخْذِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৫২) হযরত মাসরুক ( রহঃ ) ও হযরত শরীহ ( রহঃ) ডাইরকে জামিনদার হিসাবে ঘোষণা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21452 OK

(২১৪৫২)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ وَشُرَیْحٍ ، أَنَّہُمَا قَالاَ فِی قَصَّارٍ خَرَقَ ثَوْبًا : یضْمَّنُ قِیمَتَہُ وَیَأْخُذُ ثَوْبَہُ إلَیْہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21453) হযরত মাসরূক (রহঃ) ও হযরত শরীহ ( রহঃ ) বলেন , রঞ্জক যদি কাপড়টি ছিঁড়ে ফেলে তবে তিনি এর মূল্যের জামিনদার হবেন । এবং তার কাছ থেকে কাপড় নেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21453 OK

(২১৪৫৩)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ قَالَ فِی الْقَصَّارِ إذَا أَفْسَدَ ، قَالَ : ہُوَ ضَامِنٌ ، قَالَ : وَکَانَ لاَ یُضَمِّنُہُ غَرَقًا ، وَلاَ حَرْقًا ، وَلاَ عَدُوًّا مُکَابِرًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৫৪) হজরত হাসান (রা.) বলেন, রঞ্জক যদি তা নষ্ট করে, তবে সে জামিনদার, আর যদি জিনিসটি ডুবে যায়, পুড়ে যায় বা শত্রু দ্বারা ধ্বংস হয়ে যায় , তাহলে সে জামিনদার হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21454 OK

(২১৪৫৪)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَش ، قَالَ : أَمَرَنِی جَارٍ لِی قَصَّارٌ یُقَالُ لَہُ ثَابِتٌ : أسْأل لہ إِبْرَاہِیمَ : عَن رَجُلٍ أَعْطَی غُلاَمًا لَہُ ثَوْبًا فَضَاعَ فَسَأَلْتُہُ فَقَالَ : أَلَیْسَ یَعْلَمُ أَنَّہُ غُلاَمہ ؟ قُلْتُ : نَعَمْ ، قَالَ : ہُوَ ضَامِنٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21455) হজরত আমিশ (রহঃ) বলেন , আমার প্রতিবেশী সাবিত , যিনি একজন ডাইর ছিলেন, আমাকে বললেন যে, আমি হজরত ইব্রাহিম ( রা.)- এর কাছ থেকে জানতে চাই যে, এই ব্যক্তি তার ক্রীতদাসের জামাকাপড় তাকে দিয়েছিল , সে সেগুলো নষ্ট করে দিয়েছে , তাহলে কী হবে? তার আদেশ কি ? আমি হযরত ইব্রাহীম ( রাঃ ) কে জিজ্ঞেস করলাম , তিনি বললেন যে তিনি জানেন না যে তিনি তাঁর দাস । আমি বললাম হ্যাঁ . আপনি (রহঃ) বলেছেন যে তিনি জামিনদার হবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21455 OK

(২১৪৫৫)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ إِبْرَاہِیمَ ، عَن حَائِکٍ مَشَی فِی غَزْلٍ بِشُعْلَۃٍ مِنْ نَارٍ ، فَوَقَعَتْ شَرَارَۃٌ فَأَحْرَقَتِ الْغَزْلَ ، قَالَ : یضمَّنُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২১৪৫৬ ) হজরত মুগীরা ( রা.) বলেন , আমি হজরত ইবরাহীম ( রা.) -এর কাছ থেকে জানতে পেরেছি যে, তিনি যখন পাশ দিয়ে যেতেন , তখন আগুনের অঙ্গারগুলো আগুনের কয়লা দিয়ে তৈরি হয় তার আদেশ কি ? আপনি (রহঃ) বলেছেন যে তিনি জামিনদার হবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21456 OK

(২১৪৫৬)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ عَبْدِالْمَلِکِ بْنِ أَبِی غَنِیَّۃَ، عَنِ الْحَکَمِ، قَالَ: یضمَّنُ الصَّبَّاغُ وَالْقَصَّارُ وَکُلُّ أَجِیرٍ مُشْتَرَکٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21457) হজরত হাকাম (রহ.) বলেন, রঞ্জক এবং প্রত্যেক সাধারণ মানুষ সন্তুষ্ট হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21457 OK

(২১৪৫৭)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ جَابِرٍ وَمُطَرِّفٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : لاَ یُضَمَّنُ الْقَصَّارُ إلاَّ مَا جَنَتْ یَدُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৫৮) হজরত আমীর (রা.) বলেন, রঞ্জক তার হাত যা করেছে তার জামিনদার হবে । ( এর কারণে যে ক্ষতি হয়েছে ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21458 OK

(২১৪৫৮)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۵۹) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ بْنِ مُوسَی ، عَنِ ابْنِ قُسَیْطٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ یَسَارٍ ، أَنَّ أَمَۃً أَتَتْ قَوْمًا فَغَرَّتْہُمْ وَزَعَمَتْ أَنَّہَا حُرَّۃٌ ، فَتَزَوَّجَہَا رَجُلٌ فَوَلَدَتْ مِنْہُ أَوْلاَدًا فَوَجَدُوہَا أَمَۃً ، فَقَضَی عُمَرُ بِقِیمَۃِ أَوْلاَدِہَا فِی کُلِّ مَغْرُورٍ غُرَّۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21459) হজরত সুলাইমান বিন সার (রা.) থেকে বর্ণিত যে , এক বন্দী এক সম্প্রদায়ের কাছে এসে তাদের ধোঁকা দিয়ে বলল , সে মুক্ত , এক ব্যক্তি তাকে বিয়ে করেছে এবং তার কিছু সন্তান রয়েছে , তখন জানা গেল যে সে। একজন ক্রীতদাস ছিলেন , তাই হযরত ওমর (রা.) তার সন্তানদের পারিশ্রমিক দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন এ কথা বলার সময় তিনি বলেন , যার সঙ্গে প্রতারণা করা হবে, তাকে জরিমানা হিসেবে ঘরা ( দাস বা মুচলেকা ) দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21459 OK

(২১৪৫৯)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۶۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ خِلاَسٍ ، أَنَّ أَمَۃً أَتَتْ طَیّئاً فَزَعَمَتْ أَنَّہَا حُرَّۃٌ فَتَزَوَّجَہَا رَجُلٌ ، ثُمَّ إنَّ سَیِّدَہَا ظَہَرَ عَلَیْہَا فَقَضَی عُثْمَانُ أَنَّہَا وَأَوْلاَدَہَا لِسَیِّدِہَا ، وَجَعَلَ لِزَوْجِہَا مَا أَدْرَکَ مِنْ مَتَاعِہ، وَجَعَلَ فِیہِمَ السُّنَّۃَ ، أَوِ الْمِلَّۃَ : فِی کُلِّ رَأْسٍ رَأْسَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৬০) হজরত খালাস ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে , আমার কাছে এক বন্দী গোত্রের লোক এলো , সে বলল যে , সে বিবাহিত , অতঃপর ক্রীতদাসের মনিব তার কাছে আসলেন , হজরত উসমান ( রা. ) সিদ্ধান্ত নিলেন যে , ক্রীতদাস এবং তার ছেলেমেয়েরা কর্তা খুঁজে পাবে , আর তার স্বামীর জন্যই সে আমার কাছ থেকে লালন-পালন করে । তাহলে তোমরা মানুষ এভাবে তিনি বলতে থাকেন যে প্রতিটি আত্মায় দুটি আত্মা থাকে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21460 OK

(২১৪৬০)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۶۱) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُہ ، عَنْ جَارِیَۃٍ أَبِقَتْ مِنْ أَرْضٍ إلَی أَرْضٍ أُخْرَی ، فَأَتَتْ قَوْمًا فَزَعَمَتْ أَنَّہَا حُرَّۃٌ ، فَرَغِبَ فِیہَا رَجُلٌ فَتَزَوَّجَہَا فَوَلَدَتْ أَوْلاَدًا ، ثُمَّ عَلِمُوا أَنَّہَا أَمَۃٌ ، فَجَائَ مَوْلاَہَا فَأَخَذَہَا ، قَالَ : یَأْخُذُ الْمَوْلَی أَمَتَہُ ، وَیَفْدِی الأَبُ أَوْلاَدَہُ بغُرَّۃٍ غرَّۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(21461) হজরত শাবি ( রা. ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, একজন ক্রীতদাস এক শহর থেকে অন্য শহরে পালিয়ে যায় , এবং জাতির কাছে এসে আত্মহত্যা করে তাকে স্বাধীন দেখানো হয় , তখন সে একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা আকৃষ্ট হয় এবং তাকে পছন্দ করে এবং তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তার সাথে কিছু সন্তানের জন্ম হয় , তারপর দেখা যায় যে সে আবদ্ধ হয়েছে এবং তার প্রভুও এসেছেন , তাহলে সে কি এই দাসকে নিতে পারবে ? তিনি ( রাঃ ) বললেন , প্রভু তার গোলামকে নিয়ে যাবে আর গোলাম তার সন্তানদের পিতার দাস । ( সে তাকে দাসত্ব দেবে ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21461 OK

(২১৪৬১)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۶۲) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ شَیْبَۃَ بْنِ نِصَاحٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : فِی وَلَدِ کُلِّ مَغْرُورٍ غُرَّۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২১৪৬২ ) হজরত সাঈদ বিন আল -মুসাইব ( রহ. ) বলেন , প্রতারণামূলক বিবাহের ফলে জন্মগ্রহণকারী প্রতিটি সন্তানের স্থলাভিষিক্ত হবে একটি ঘরা ( দাস বা বন্ধন ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21462 OK

(২১৪৬২)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۶۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ صَالِحِ بْنِ أَبِی الأَخْضَرِ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ سَعِیدٍ ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ ، قَالَ : مَنْ بَاعَ عَبْدًا ، أَوْ رَجُلاً مَحْجُورًا عَلَیْہِ فَمَالُہُ أَتْوَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৬৩) হজরত উমর ইবনে আবদ আল- আযীয ( রা.) বলেন , যে ব্যক্তি এমন ক্রীতদাস ক্রয় করল , যাকে কেনাবেচা থেকে বিরত রাখা হয়েছিল , সে তার সম্পদ নষ্ট করল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21463 OK

(২১৪৬৩)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۶۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا أَتَی أَہْلَ سُوقِہِ فَأَعْلَمَہُمْ أَنَّہُ حَجَرَ عَلَیْہِ فَلَیْسَ لأَِحَدٍ أَنْ یُخَالِطَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৬৪) হজরত ইব্রাহিম ( রহঃ) বলেন , মনিব যখন বাজারে এসে লোকদের বলেন যে, তিনি তার ক্রীতদাসকে বেচাকেনা থেকে বিরত রেখেছেন, তখন কারও জন্য তার সঙ্গে লেনদেন করা জায়েজ হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21464 OK

(২১৪৬৪)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۶۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: إذَا حَجَرَ الرَّجُلُ عَلَی عَبْدِہِ فِی أَہْلِ سُوقِہِ لَمْ یَجُزْ عَلَیْہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৬৫) হজরত হাসান (রহ.) বলেন , কেউ যদি কোনো ক্রীতদাসকে বাজারের সামনের ময়দানে মীমাংসা করতে বাধা দেয় , তাহলে তার নাফরমানি করা জায়েয হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



21465 OK

(২১৪৬৫)

সহিহ হাদিস

(۲۱۴۶۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی فِی الْحَجْرِ شَیْئًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২১৪৬৬) হজরত ইবনে সীরীন ( রহ. ) ব্যবসা বন্ধ হওয়ার কিছু মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস