
(۲۱۴۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ فِی الرَّجُلِ یَتَصَدَّقُ بِالصَّدَقَۃِ ، ثُمَّ یَرِثُہَا ، قَالَ : إنَّ السِّہَامَ لَمْ تَزِدْہَا إلاَّ حَلاَلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৪০৭) হজরত শাবি ( রা. ) এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন , যে ব্যক্তি দান করে , অতঃপর সে যদি কোনো কিছুর উত্তরাধিকারী হয় , তবে আমি তার অংশের অধিকারী হব , সে হালত ছাড়া আর কিছু যোগ করবে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۰۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَتَصَدَّقُ بِالصَّدَقَۃِ ، ثُمَّ تَرْجِعُ إلَیْہِ فِی الْمِیرَاثِ ، قَالَ : یَجْعَلُہَا مِنْ حِصَّۃِ غَیْرِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২১৪০৮) হজরত আতা (রা.) বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি দান করে, তাহলে তার উত্তরাধিকার থেকে কিছু ফেরত পেলে সে যেন অন্য উত্তরাধিকারকে দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُزَرِّعٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ الشَّعْبِیَّ عَنْہَا فَقَالَ : إِنْ أَخَذَہَا فَلاَ بَأْسَ ، وَإِنْ أَمْضَاہَا أَفْضَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৪০৯) হযরত মুজরা (রহঃ) বলেন যে, আমি হযরত শাবি ( রহঃ ) থেকে এ সম্পর্কে জানতে পেরেছি । তিনি (রাঃ) বললেন, যদি তুমি তোমার অংশ গ্রহণ কর তাতে কোন ক্ষতি নেই , আর যদি ছেড়ে দাও তবে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۱۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یَجْعَلُہَا فِی مِثْلِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21410) হজরত ইব্রাহিম ( রা.) বলেন , আমি তাকে তার মতো রাখব ( আবার দান করুন ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۱۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ ، قَالَ عُمَرُ : السَّائِبَۃُ وَالصَّدَقَۃُ لِیَوْمِہِمَا۔ (عبدالرزاق ۱۶۲۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৪১১) হজরত ওমর ( রা . ) বলেন , উটের কুরবানী ও সদকা একই দিনের জন্য । ( জাতি দিবসের জন্য ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أخْبَرَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ یُونُسَ ، قَالَ : حدَّثَنَا أبوعَبْدِ الرَّحْمَنِ بَقِیُّ بْنُ مَخْلَدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ عَبْدُ اللہِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی شَیْبَۃَ ، قَالَ : (۲۱۴۱۲) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ فِی الرَّجُلِ یُقْرِضُ الرَّجُلَ الدَّرَاہِم ثُمَّ یَأْخُذْ بِقِیمَتِہَا طَعَامًا : أَنَّہُ کَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21412) হজরত ইবনে উমর (রা.) এটাকে অপছন্দ করতেন যে, কোনো ব্যক্তি কাউকে দিরহাম ধার দেয় এবং তার বিনিময়ে তার কাছ থেকে খাদ্য ( গম) গ্রহণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۱۳) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ وَحَمَّادٍ وعِکْرِمَۃَ ، قَالوا : کَانُوا لاَ یَرَوْنَ بِذَلِکَ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৪১৩) হজরত সাঈদ বিন জাবায়ের ( রা. ) , হজরত হাম্মাদ ও হজরত ইকরামা (রা . ) এতে কোনো ক্ষতি দেখতে পাননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۱۴) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ أَصْلُ الْحَقِّ دَیْنًا فَلاَ تَأْخُذْ مِنْہُ إلاَّ مَا بِعْتہ بِہِ ، فَإِذَا کَانَ قَرْضًا فَلاَ یَضُرُّک أَنْ تَأْخُذَ غَیْرَ مَا أَقْرَضْتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21414) হজরত তাউস বলেন, যখন প্রকৃত হক আদায় করা হয় ( অর্থাৎ মেয়াদ নির্ধারিত হয় ) তখন যা দেওয়া হয় তা গ্রহণ কর এবং যদি তা ঋণ হয় ( আয়ত নির্ধারিত না হয় ) তাই অ - নেক ক্ষতি নেই । যৌনতা যে ঋণ দেওয়া হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۱۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ إذَا کَانَ لِلرَّجُلِ عَلَی الرَّجُلِ الدَّرَاہِمَ فَأَتَاہُ فَتَقَاضَاہُ فَقَالَ : خُذْ بِحَقِّکَ شَعِیرًا ، أَوْ حِنْطَۃً ، أَوْ تَمْرًا ، أَوْ شَیْئًا غَیْرَ الذَّہَبِ ، قَالَ : إذَا کَانَتْ دَرَاہِمُہُ قَرْضًا فَإِنَّہُ یَأْخُذُ بِہَا مَا شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৪১৫) হজরত ইব্রাহিম ( রহ.) বলেন , এক ব্যক্তির কাছে এক ব্যক্তির কাছে কয়েক দিরহাম ঋণী , সে তার কাছে এসে ঋণ চায় এবং ঋণগ্রহীতা বলে যে, এর বিনিময়ে যব, গম, খেজুর দিলে কোনো ক্ষতি নেই । সে স্বর্ণ ব্যতীত অন্য কিছু রাখে যখন সে অন্যের কাছে দিরহাম দেয় , তার বিনিময়ে সে তার কাছ থেকে যা চায় তা নিতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۱۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدِ الْقَطَّانُ ، عَنِ ابْنِ حَرْمَلَۃَ ، قَالَ : بِعْت جُزُورًا بِدَرَاہِمَ إلَی الْحَصَادِ ، فَلَمَّا حَلَّ قَضَوْنِی الْحِنْطَۃَ وَالشَّعِیرَ وَالسُّلْتَ فَسَأَلْتُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ فَقَالَ : لاَ یَصْلُحُ ، لاَ تَأْخُذْ إلاَّ دَرَاہِمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21416) হজরত ইবনে হারমালা ( রা . ) বলেন , আমি উটটি বিক্রি করেছি কারণ ফসল কাটার দিন আমি উটটি দিরহামের বিনিময়ে দিতে চেয়েছিলাম । যখন আত্মসমর্পণের সময় এল , আমি গম , যব এবং গম কেনার সিদ্ধান্ত নিলাম , তখন হজরত সাঈদ বিন আল - মুসাইব ( রা . ) থেকে জানতে পারলাম .হ্যাঁ ? তিনি (রহঃ ) বললেন , দিরহাম ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ না করা ঠিক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۱۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُیَسَّر ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ لِلرَّجُلِ عَلَی الرَّجُلِ الدَّیْنُ فَلاَ بَأْسَ أَنْ یَشْتَرِیَ مِنْہُ عَبْدًا رَخِیصًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21417) হজরত জাবির (রা.) বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি অন্যের ওপর ঈমান রাখে , তাহলে তার কাছ থেকে ( তার বিনিময়ে ) সস্তা দাস নিতে কোনো অসুবিধা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۱۸) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَوْہَبٍ، عَنْ حَفْص أَبِی الْمُعْتَمِرِ، عَنْ أَبِیہِ، أَنَّ عَلِیًّا ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یُعْطِیَ الْمَالَ بِالْمَدِینَۃِ وَیَأْخُذَ بِإِفْرِیقِیَّۃَ
থেকে বর্ণিতঃ
( 21418 ) হজরত আলী ( রা . ) বলেন , মদীনা ও মুনওয়ারাহ আমাকে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি আফ্রিকায় গিয়ে সেগুলো গ্রহণ করেছেন , তাতে কোনো ক্ষতি নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۱۹) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عَبْدِالرَّحْمَنِ بْنِ مَوْہَبٍ، عَنْ حَفْص أبی الْمُعْتَمِرِ، عَنْ أَبِیہِ، عَنْ عَلِیٍّ بِنَحْوِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21419) হযরত আলী (রাঃ) থেকে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، وَابْنِ الزُّبَیْرِ أَنَّہُمَا کَانَا لاَ یَرَیَانِ بَأْسًا أَنْ یُؤْخَذَ الْمَالُ بِأَرْضِ الْحِجَازِ وَیُعْطَی بِأَرْضِ الْعِرَاقِ ، وَیُؤْخَذَ بِأَرْضِ الْعِرَاقِ وَیُعْطَی بِأَرْضِ الْحِجَازِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21420) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) এবং ইবনে জুবায়ের ( রা . ) হিজাজে পৌঁছানো এবং ইরাকে থাকা অবস্থায় মালামাল গ্রহণে কোনো দোষ ছিল বলে মনে করেননি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ لَمْ یَرَی بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৪২১) হজরত ইব্রাহিম ( রা . ) এতে কোনো সমস্যা আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ أَبِی مِسْکِینٍ وَخَارِجَۃَ ، عَمَّنْ حَدَّثَہُ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِیٍّ ، أَنَّہُ کَانَ یَأْخُذُ الْمَالَ بِالْحِجَازِ وَیُعْطِیہِ بِالْعِرَاقِ ، أَوْ بِالْعِرَاقِ وَیُعْطِیہِ بِالْحِجَازِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২১৪২২ ) হজরত আলী ( রা ) ইরাকে যে সম্পদ দিতেন বা হিজাজে যে সম্পদ পাঠাতেন তা তিনি পেতেন ( ২১৪২২ )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنْ حَجَّاجٍ، قَالَ: کَانَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الأَسْوَدِ یَأْخُذُ الدَّرَاہِمَ بِالْحِجَازِ وَیُعْطِیہِ بِالْعِرَاقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৪২৩) হজরত আবদ আল-রহমান বিন আল-আসওয়াদ (রা. ) হিজাজে ( যখন ) ইরাকে ছিলেন তখন তিনি দিরহাম পেয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَدْفَعَ الدَّرَاہِمَ بِالْبَصْرَۃِ وَیَأْخُذَہَا بِالْکُوفَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২১৪২৪ ) হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসরায় দিরহাম দিয়ে দিরহাম পেতে কোনো সমস্যা আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالسَّفْتَجَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21425 ) হজরত মুহাম্মদ ( সা . ) বলেন , এটা গ্রহণে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی العُمَیْسِ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ جُعْدُبَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ السَّبَّاقِ ، عَنْ زَیْنَبَ الثَّقَفِیَّۃِ امْرَأَۃِ عَبْدِ اللہِ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَعْطَاہَا جُذَاذَ خَمْسِینَ وَسْقًا تَمْرًا وَعِشْرِینَ وَسْقًا شَعِیرًا ، فَقَالَ لَہَا عَاصِمُ بْنُ عَدِیٍّ : إِنْ شِئْتَ وَفَّیْتُکِیہَا ہُنَا بِالْمَدِینَۃِ وَتُوفِینہَا بِخَیْبَرَ ، فَقَالَتْ : حَتَّی أَسْأَلَ أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ عُمَرَ ، فَسَأَلَتْہُ فَقَالَ : وَکَیْفَ بِالضَّمَانِ ؟۔ (عبدالرزاق ۱۴۶۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(21426) হজরত জয়নাব আল - সাকফাহ ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, হজরত মুহাম্মদ ( সা. ) জাযাদকে পঞ্চাশ ওয়াসক খেজুর এবং বিশ ওয়াসক যব দিয়েছিলেন , হযরত আসিম বিন আদ ( রা . ) তাদেরকে বললেন , যদি তোমরা চাও , আমরা তোমাকে এই মদীনা ও মুনওয়ারাম দান করব , আর তুমি আমাদেরকে খীর বার্মা দাও , তিনি বললেন : (থাক) যতক্ষণ না আমি আমীরুল মুমিনীন হজরত ওমর (রা.)- এর কাছ থেকে জানতে পারি , তিনিও আপনার কাছ থেকে জানতে পারলেন । আরএ ) ? আপনি (রহঃ) বললেন এর নিশ্চয়তা কে দেবে?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، أَنَّ ابْنَ الزُّبَیْرِ کَانَ یُعْطِی التُّجَّارَ الْمَالَ ہَاہُنَا وَیَأْخُذُ مِنْہُمْ بِأَرْضٍ أُخْرَی ، فَذُکِرَ ، أَوْ ذَکَرْتُ ذَلِکَ لابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ : لاَ بَأْسَ مَا لَمْ یَشْتَرِطْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৪২৭) হজরত আতা ( রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত ইবনে জুবায়ের ( রা . ) বণিকদের টাকা দিতেন এবং অন্য জায়গায় পৌঁছানোর পর তা গ্রহণ করতেন । তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি শর্ত হিসেবে না করা হয় তবে তা সঠিক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالسَّفْتَجَۃِ ، وَکَانَ مَیْمُونُ بْنُ أَبِی شَبِیبٍ یَکْرَہُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21428) হজরত ইব্রাহিম ( রা . ) বলেন , রশিদ পাওয়ার কোনো ক্ষতি নেই এবং হজরত মায়মুন ইবনে আবু শাবিব তা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۲۹) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الرُّؤَاسِیُّ ، عَنْ دِینَارٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَسَنَ : أُعْطِی الصَّرَّافَ الدِّرْہَمَ بِالْبَصْرَۃِ وَآخُذُ السَّفْتَجَۃَ ، آخُذُ مِثْلَ دَرَاہِمِی بِالْکُوفَۃِ ، فَقَالَ : أنَّمَا یُفْعَلُ ذَلِکَ مِنْ أَجْلِ اللُّصُوصِ ، لاَ خَیْرَ فِی قَرْضٍ جَرَّ مَنْفَعَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২১৪২৯) হজরত দিনার (রহ . ) বলেন , আমি হজরত হাসান (রা.) - এর কাছ থেকে জানতে পেরেছি : আমি মহাজনকে দিরহাম দিয়েছি এবং তার কাছ থেকে রশিদ নিয়েছি ? আমি কি কুফহামে গিয়ে তার কাছ থেকে দিরহাম সংগ্রহ করব ? তিনি ( রাঃ ) বললেনঃ এটা চোরদের কারণে করা হয়েছে , কিন্তু এই ঋণে কোন কল্যাণ বা কল্যাণ নেই , যার সুদ আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : تجوز شَہَادَۃُ الصِّبْیَانِ بَعْضِہمْ عَلَی بَعْضٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১৪৩০) হজরত ইব্রাহীম ( রা. ) বলতেন, অন্যের বিরুদ্ধে সন্তানদের সাক্ষ্য দেওয়া জায়েজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۱) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عن الشیبانی ، عن الشعبی ، عن شریح : أنہ کان یجیز شہادۃ الصبیان ، بعضہم علی بیع بعض۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21431 ) হজরত শরীয়াহ ( রা . ) কিছু শিশুর সাক্ষ্যকে সহীহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۲) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : تَجُوزُ شَہَادَۃُ الصِّبْیَانِ وَیُؤْخَذُ بِأَوَّلِ قَوْلِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২১৪৩২) হজরত উরওয়া ( রা. ) বলতেন, শিশুদের সাক্ষ্য জায়েজ , তাদের প্রথম বক্তব্য নেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِی شَہَادَۃِ الصِّبْیَانِ: قَالَ اللَّہُ تَعَالَی: {مِمَّنْ تَرْضَوْنَ مِنَ الشُّہَدَائِ} وَلَیْسُوا مِمَّنْ یُرْضَی ، قَالَ ابْنُ الزُّبَیْرِ : ہُمْ أَحْرَی إذَا سُئِلُوا عَمَّا رَأَوْا أَنْ یَشْہَدُوا ، وقَالَ ابْنُ أَبِی مُلَیْکَۃَ : فَمَا رَأَیْت الْقُضَاۃَ أَخَذَتْ إلاَّ بِقَوْلِ ابْنِ الزُّبَیْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21433) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) শিশুদের সাক্ষ্যদান সম্পর্কে বলেন যে, মহান আল্লাহ বলেছেন , শহীদ কারা অথচ শিশুরা আমার কাছে আসে না যে তাদের খুশি করে । হজরত ইবনে জুবায়ের ( রা . ) বলেন , তারা কীসের বেশি যোগ্য ও যোগ্য । যখন তারা তা দেখল এবং এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল , তখন তারা সাক্ষ্য দিল , এবং হজরত ইবনে আবি থেকে বর্ণিত হয়েছে যে , তিনি ( রা . ) বলছিলেন যে , আমি বিচারকদের বলেছিলাম যে তারা এর কথা ছাড়া অন্য কারো কথা গ্রহণ করে হজরত ইবনে যুবায়ের ( রা . )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۴) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ وَرْدَانَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ تَجُوزُ شَہَادَۃُ الصِّبْیَانِ عَلَی الْکِبَارِ ، وَتَجُوزُ شَہَادَۃُ الصِّبْیَانِ بَعْضِہِمْ عَلَی بَعْضٍ إذَا فُرِّقَ بَیْنَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21434) প্রাপ্তবয়স্কদের বিরুদ্ধে শিশুদের সাক্ষ্য দেওয়া জায়েয নয় এবং যখন তাদের মধ্যে ঝগড়া বা বিভেদ হয় তখন শিশুদের সাক্ষ্য দেওয়া জায়েয ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۵) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ شُرَیْحٍ ، أَنَّہُ کَانَ یُجِیزُ شَہَادَۃَ الصِّبْیَانِ فی السِّنِّ وَالْمُوضِحَۃِ ، وَیَأباہُمْ فِیمَا سِوَی ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21435) হযরত শরিয়াহ ( র.) শিশুদের দাঁত ও দৃশ্যমান ক্ষতকে বৈধ মনে করতেন এবং তা ছাড়া তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۴۳۶) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنْ أَبِی بَکْرِ بْنِ مَرْیَمَ ، قَالَ : سَمِعْتُ مَکْحُولاً یَقُولُ : إذَا بَلَغَ الْغُلاَمُ خَمْسَۃَ عَشَرَ جَازَتْ شَہَادَتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21436) হযরত মাখুল (রহঃ) বলেন, শিশু যখন পনের বছর বয়সে উপনীত হয় তখন তার সাক্ষ্য সহীহ হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১৪৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস