
(۲۱۲۲۷) حَدَّثَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُیَسَّرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ : أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَأْخُذَ الْمُعَلِّمُ مَا أُعْطِیَ مِنْ غَیْرِ شَرْطِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২২৭) হজরত আত্তাই (রহ . ) শিক্ষকের বেতন নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো শর্ত না রাখলে তা দোষের কিছু মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ صَدَقَۃَ الدِّمَشْقِیِّ ، عَنِ الْوَضِینِ بْنِ عَطَائٍ ، قَالَ : کَانَ بِالْمَدِینَۃِ ثَلاَثَۃُ مُعَلِّمِینَ یُعَلِّمُونَ الصِّبْیَانَ ، فَکَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ یَرْزُقُ کُلَّ وَاحِدٍ مِنْہُمْ خَمْسَۃَ عَشَرَ کُلَّ شَہْرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21228 ) হযরত ওয়াযীন বিন আত্তাই ( রাঃ ) বলেন যে , মদীনার শিশুদের পাঠদানের জন্য 3 জন শিক্ষক নিযুক্ত ছিলেন , হযরত উমর বিন খাত্তাব ( রাঃ ) প্রত্যেক শিক্ষককে মাসিক 15 দিরহাম করে উপবৃত্তি দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۲۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یُشَارِطَ الْمُعَلِّمُ عَلَی تَعْلِیمِ الْقُرْآنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21229) হজরত ইব্রাহীম ( রা .) এই বিষয়টিকে অপছন্দ করতেন যে, শিক্ষক কুরআন শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি শর্ত রেখেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَعْمَرِ بْنِ مُوسَی ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، أَنَّہُ کَرِہَ للْمُعَلِّمِ أَنْ یُشَارِطَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৩০) হযরত আবু জাফর (রা.) শিক্ষকের জন্য বেতনের শর্ত আরোপ করা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَأْخُذَ عَلَی الْکِتَابَۃِ أَجْرًا ، وَکَرِہَ الشَّرْطَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৩১) হযরত হাসান (রহঃ) বলেন, শিক্ষক লেখার জন্য কিছু পারিশ্রমিক নিলে তাতে দোষের কিছু নেই , তবে তিনি কোনো শর্ত দেওয়া অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یُعَلِّمَ بِشَرْطٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৩২) হযরত তাওস (রা.) শিক্ষকের বেতন নির্ধারণ করা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۳) حَدَّثَنَا یزید بن ہارون، قَالَ: أَخْبَرَنَا شعبۃ، عن الحکم، قَالَ: ماعلمت أن أحدا کرہہ۔ یعنی: أجر المعلم۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২১২৩৩ ) হযরত হাকাম ( রহঃ ) বলেন , আমার জ্ঞান শিক্ষকের বেতন যে কেউ অপছন্দ করেনি তা নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۴) حَدَّثَنَا یَزِیدُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَۃُ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ قُرَّۃَ، قَالَ: إنِّی لاَرْجُو أَنْ یَأْجُرہُ اللَّہُ، یُؤَدِّبُہُمْ وَیُعَلِّمُہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৩৪) হজরত মুয়াবিয়া ইবনে কুরা (রা.) বলেন , মহান আল্লাহর রহমত থেকে প্রবল আশা রয়েছে যে , আল্লাহ তাকে অবশ্যই প্রতিদান দেবেন, তিনি শিশুদের শিক্ষা ও সাহিত্য খাওয়াবেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ عَائِذٍ الطَّائِیِّ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : الْمُعَلِّمُ لاَ یُشَارِطُ ، فَإِنْ أُہْدِیَ لَہُ شَیْئًا فَلْیَقْبَلْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21235) হজরত আমীর (রা.) বলেন, শিক্ষকের কোনো শর্ত করা উচিত নয় , তবে তাকে উপহার দেওয়া হলে তা গ্রহণ করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مَہْدِیُّ بْنُ مَیْمُونٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : کَانَ بِالْمَدِینَۃِ مُعَلِّمٌ عِنْدَہُ مِنْ أَبْنَائِ أُولئک الضخَامِ ، قَالَ : فَکَانُوا یَعْرِفُونَ حَقَّہُ فِی النَّیْرُوزِ وَالْمِہْرَجَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২১২৩৬) হজরত ইবনে সিরীন ( রহ . ) বলেন , মদীনা মানওয়ারায় একজন শিক্ষক ছিলেন এবং এই মহান ব্যক্তির (সখী ) সন্তানরাও তাঁর কাছে পড়াশুনা করতেন । নিরুজ ও মেহেরজানের এই শিক্ষকের অধিকার তিনি বুঝেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ وَحُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ بْنِ زِیَادٍ ، عَنْ عُبَادَۃَ بْنِ نُسَیٍّ ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ ثَعْلَبَۃَ، عَنْ عُبَادَۃَ بْنِ الصَّامِتِ ، قَالَ : عَلَّمْتُ نَاسًا مِنْ أَہْلِ الصُّفَّۃِ الْکِتَابَۃَ وَالْقُرْآنَ ، فَأَہْدَی إلَیَّ رَجُلٌ مِنْہُمْ قَوْسًا فَقُلْتُ : لَیْسَت بِمَالٍ ، وَأَرْمِی عَنْہَا فِی سَبِیلِ اللہِ ، لآتِیَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَلأَسْأَلَنَّہُ، فَأَتَیْتُہُ فَقُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، رَجُلٌ أَہْدَی إلیَّ قَوْسًا مِمَّنْ کُنْتُ أُعَلِّمُہُ الْکِتَابَۃَ وَالْقُرْآنَ ، وَلَیْسَتْ بِمَالٍ ، وَأَرْمِی عَنْہَا فِی سَبِیلِ اللہِ ، فَقَالَ : إِنْ کُنْتَ تُحِبُّ أَنْ تُطَوَّقَ بِہَا طَوْقًا مِنْ نَارٍ فَاقْبَلْہَا۔ (ابوداؤد ۳۴۰۹۔ احمد ۵/۳۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৩৭) হজরত উবাদা বিন সামিত (রা. ) বলেন , আমি মাদরাসা সাফার কয়েকজন ছাত্রকে কিতাব ও পবিত্র কোরআন সম্পর্কে শিক্ষা দিয়েছিলাম , তাদের একজন আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন , তাই আমি এটা বলে মেনে নিলাম যে , এটা সম্পদ নয় এবং আমি আল্লাহর পথে জিহাদ করতে গিয়ে শত্রুর দিকে তীর নিক্ষেপ করব । আমি বললাম , আমি অবশ্যই নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর খেদমতে উপস্থিত হব এবং তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করব । অতঃপর আমি আপনার ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খেদমতে উপস্থিত হয়ে বললাম , হে আল্লাহর রাসূল ! এক ব্যক্তি আমাকে আদেশ করেছেন , কারণ আমি তাকে কিতাব ও কোরআন শিক্ষা দিয়েছি এবং তার কাছে কোনো সম্পদ নেই । আমি আল্লাহর পথে জিহাদ করব , তিনি (সা . ) এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ الْجُرَیرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَقِیقٍ ، قَالَ : یُکْرَہُ أَرْشُ الْمُعَلِّمِ ، فَإِنَّ أَصْحَابَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانُوا یَکْرَہُونَہُ وَیَرَوْنَہُ شَدِیدًا
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৩৮) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাকীক ( রা . ) বলেন , শিক্ষকের বেতন অপছন্দ করা হয়েছে , সন্দেহ নেই নবী আকরাম ( সা . ) এটাকে অপছন্দ করতেন এবং এটাকে কঠিন (পাপ, মন্দ ) মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۳۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُیَسَّرٍ أَبُو سَعْدٍ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُلَیٍّ ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّ أُبَیَّ بْنَ کَعْبٍ کَانَ یُعَلِّمُ رَجُلاً مَکْفُوفًا ، فَکَانَ إذَا أَتَاہُ غَدَّاہُ ، قَالَ : فَوَجَدْتُ فِی نَفْسِی مِنْ ذَلِکَ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : إِنْ شَیْئاً یُتْحِفُکَ بِہِ فَلاَ خَیْرَ فِیہِ ، وَإِنْ کَانَ مِنْ طَعَامِہِ وَطَعَامِ أَہْلِہِ فَلاَ بَأْسَ بِہِ۔ (ابن ماجہ ۲۱۵۸۔ بیہقی ۱۲۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(21239) হজরত আবি ইবনে কাব (রা.) একজন অন্ধকে শিক্ষা দিতেন , এরপর যখনই তিনি ( রা. ) তার কাছে তিশরীফ আনতেন , তাকে খাওয়াতেন ইবনে কাব ( রা . ) একটি সন্দেহ এ সম্পর্কে আমার মনে উদয় হল , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে জিজ্ঞেস করলাম , আপনি কি তা জানতে পেরেছেন ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যদি সে জিনিস তোমাকে উপহার ( পুরস্কার ) দেয় , তবে তাতে তোমার জন্য কোন কল্যাণ নেই এবং তা যদি তোমার এবং তোমার পরিবারের জন্য হয় । তাহলে মেনে নিতে কোন সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَکْرَہُونَ أَنْ یَأْخُذُوا عَلَی الْغِلْمَانِ فِی الْکُتَّابِ أَجْرًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৪০) হজরত ইব্রাহীম ( রা.) বলেন , সাহাবায়ে কেরাম (রা.) শিশুদের পড়া শেখানোর মজুরি অপছন্দ করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَص ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : إذَا أَسْلَمْت فِی طَعَامٍ فَلاَ تَأْخُذَنَّ مَکَانَہُ طَعَامًا غَیْرَہُ ، وَإِنْ أردْتَ أَنْ تَأْخُذَ مَکَانَہُ عَلَفًا فَخُذْ إِنْ شِئْتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21241 ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , আপনি যখন পনির খান , তখন তার জায়গায় অন্য কোনো খাবার গ্রহণ করবেন না । আপনি যদি এর পরিবর্তে পশুখাদ্য নিতে না চান, তাহলে পশুখাদ্য নিন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، أَنَّ رَجُلاً أَسْلَمَ فِی شَیْئٍ فَلَمْ یَجِدْہُ فَسَأَلَ ابْنَ عَبَّاسٍ فَقَالَ : خُذْ عَرَضًا ، خُذْ غَنَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21242) হজরত তাউস বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি কিছু ভিক্ষা করে , অতঃপর সেই জিনিসটি না পায় , তবে তিনি হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) কে জিজ্ঞেস করলেন কেন ? আপনি (রাঃ) বললেন , মাল নাও , ছাগল নাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۳) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: إذَا أَسْلَمْتَ سَلَمًا فَلاَ بَأْسَ أَنْ تَأْخُذَ بِرَأْسِ مَالِکَ عَرَضًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৪৩) হজরত ইব্রাহীম ( রা.) বলেন , যখন তুমি শান্তিতে মূল্য পরিশোধ করবে , তখন নিজের পুঁজি দিয়ে পণ্য ক্রয় করতে কোনো সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۴) حدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ ، عَنْ أَبِی حَمْزَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : إذَا أَسْلَمْتَ فِی شَیْئٍ فَلاَ تَبِعْہُ حَتَّی تَقْبِضَہُ ، وَلاَ تَصْرِفْہُ فِی غَیْرِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৪৪) হজরত উমর (রা.) বলেন, যখন তুমি কোনো কিছু সমর্পণ কর, তখন তা দখল না করা পর্যন্ত বিক্রি করো না এবং খরচ করে অন্য কারো কাছে বিক্রি করো না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۵) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطِیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالسَّلَمِ ، وَلاَ تَصْرِفْہُ إلَی غَیْرِہِ، وَلاَ تَبِعْہُ حَتَّی تَقْبِضَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৪৫ ) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) বলেন , দ্বি - ইসলামে কোনো ক্ষতি নেই । কোন অপ্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য এটি ব্যয় করবেন না এবং যতক্ষণ না আপনি এটি দখল করবেন ততক্ষণ পর্যন্ত এটি বিক্রি করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۶) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا أَسْلَمْت فِی شَیْئٍ فَلاَ تَأْخُذْ إلاَّ مَا أَسْلَمْتَ فِیہِ ، وَلاَ تُسْلِمَنَّ فِی شَیْئٍ ، ثُمَّ تُحَوِّلَہُ إلَی شَیْئٍ آخَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21246 ) হজরত হাসান ( রা . ) বলেন , যখন তুমি কোনো কিছুর ওপর বিআসসালাম করবে , তখন যে জিনিসের ওপর বিআসসালাম করেছ শুধু সেই জিনিসটিই নেবে এবং এসব পনিরের কোনোটি গ্রহণ করবে না এবং অন্য কোনো পনির দিয়ে সেগুলোর পরিবর্তে গ্রহণ করবে না । আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۷) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ أَبِی عَوَانَۃَ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی الْمُخَارِقِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : أَسْلَمَ الْمُسْلِمُونَ ، فَمِنْ أَسْلَمَ فِی حِنْطَۃٍ فَلاَ یَأْخُذْ شَعِیرًا ، وَمَنْ أَسْلَمَ فِی شَعِیرٍ فَلاَ یَأْخُذْ حِنْطَۃٍ کَیْلٌ مَعْلُومٌ إلَی أَجَلٍ مَعْلُومٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21247) হজরত আবু হারি ( রা. ) বলেন , মুসলমানরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল । অতএব, এখন যে ব্যক্তি দ্বি - ইসলামে গম দেবে , সে তা গ্রহণ করতে পারবে না , আর যে ব্যক্তি দ্বি- ইসলামে গম দেবে , সে গম নিতে পারবে না , যার ওজন ও মেয়াদ জানা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ، عَنْ یُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: لاَ تَصْرِفْ سَلَمَک فِی شَیْئٍ حَتَّی تَقْبِضَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৪৮) হজরত হাসান (রা.) বলেন, দখল নেওয়ার আগে আপনার সম্পত্তির নিষ্পত্তি করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۴۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، وَیَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا اخْتَلَفَ الْبَیِّعَانِ فَالْقَوْلُ مَا قَالَ الْبَائِعُ ، وَالْمُبْتَاعُ بِالْخِیَارِ۔ (ترمذی ۳۳۷۰۔ ابوداؤد ۳۵۰۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(21249) হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, মহানবী ( সা. ) বলেছেন : বিক্রেতা ও ক্রেতা যদি মতানৈক্য না করে , তবে বিক্রেতার কথা বৈধ এবং ক্রেতার ইচ্ছা হলে বিক্রি করার অধিকার রয়েছে । এবং তিনি চাইলে তা পরিত্যাগ করতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۵۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ سَالِمٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إذَا اخْتَلَفَ الْبَیِّعَانِ وَلَیْسَ بَیْنَہُمَا بَیِّنَۃٌ ، وَالْمَبِیع قَائِمٌ بِعَیْنِہِ فَالْقَوْلُ قَوْلُ الْبَائِعِ ، أَوْ یَتَرَادَّانِ الْبَیْعَ ، وَإِنْ کَانَ الْمَبِیع قَدِ اسْتُہْلِکَ فَالْقَوْلُ قَوْلُ الْمُشْتَرِی ، وَالْبَیِّنَۃُ عَلَی الْبَائِعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21250) হযরত শাবী ( রহ.) বলেন , যদি বিক্রেতা ও ক্রেতার মধ্যে বিবাদ হয় এবং উভয়ের সাক্ষী না থাকে এবং বিক্রেতাও নিজের শর্তে অটল থাকে , তাহলে বিক্রেতার বক্তব্য বৈধ হবে এবং বিক্রয় হবে বন্ধ করা হবে , এবং যদি বিক্রেতা মারা যায় , তাহলে ক্রেতাকে গ্রহণ করা হবে এবং বিক্রেতাকে একজন সাক্ষী স্থাপন করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۵۱) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ فِی الْبَیِّعَیْنِ إذَا اخْتَلَفَا وَالْمَبِیع قَائِمٌ بِعَیْنِہِ یَسْأَلَہُمَا الْبَیِّنَۃَ ، فَإِنْ أَقَامَ أَحَدُہُمَا الْبَیِّنَۃَ أُعْطِیَ بِبَیِّنَتِہِ ، وَإِنْ لَمْ یَکُنْ لَہُمَا بَیِّنَۃٌ اسْتَحْلَفَہُمَا ، فَإِنْ جَائَا بِہَا جَمِیعًا رَدَّ الْبَیْعَ ، وَإِنْ لَمْ یَحْلِفَا رَدَّ الْبَیْعَ ، وَإِنْ حَلَفَ أَحَدُہُمَا وَنَکَلَ الآخَرُ أَعْطَی الَّذِی حَلَفَ ۔ وَإِنْ لَمْ یَکُنِ الْبَیْعُ قَائِمًا بِعَیْنِہِ ، أَوْ قَالَ : قدِ اسْتُہْلِکَ یُکَلَّفُ الْبَائِعُ الْبَیِّنَۃَ ، وَالْیَمِینُ عَلَی الْمُشْتَرِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১২৫১ ) হজরত শরীয়াহ ( র.) বলেন , যদি বিক্রেতা ও ক্রেতার মধ্যে মতানৈক্য হয় এবং বিক্রেতা ও ক্রেতা উপস্থিত না থাকে , তবে যে ব্যক্তি সাক্ষী হাজির করবে , তাকে তা দেওয়া হবে তার সাক্ষীর কারণে , এবং যদি তাদের উভয়েরই কোন সাক্ষী না থাকে , তবে উভয়েরই শপথ করা হবে , এবং যদি উভয়েই শপথ গ্রহণ করে তবে শপথ বাতিল করা হবে এবং উভয়েই শপথ গ্রহণ করতে অস্বীকার করলে উভয়ই । শপথ বাতিল করুন , এবং যদি একজন শপথ গ্রহণ করে , যদি অন্যটি অস্বীকার করে , তবে এটি শপথ গ্রহণকারীকে দেওয়া হবে এবং যদি বিক্রেতা উপস্থিত না থাকে বা মারা যায় তবে বিক্রেতাকে সাক্ষী করা হবে গ্রাহকের উপর শপথ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۵۲) حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : رَجُلاَنِ یَخْتَلِفَانِ فِی بَیْعٍ لَیْسَ بَیْنَہُمَا بَیِّنَۃٌ ، قَالَ : یُرَدُّ الْبَیْعُ إذَا لَمْ یَسْتَقِیمَا وإنْ لَمْ تَکُنْ لَہُمَا بَیِّنَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21252) হজরত ইবনে জারিজ ( রা. ) বলেন , আমি হজরত আত্তাই (রা.) -কে জিজ্ঞেস করলাম যে, যদি বিক্রেতা ও ক্রেতার মধ্যে মতানৈক্য থাকে , তাহলে আপনি (রা. ) বললেন , যদি তারা সত্যবাদী না হয় এবং যদি তাদের কোনো সাক্ষী না থাকে ? তাহলে শপথ বাতিল হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۵۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمُ بْنُ بَشِیرٍ، عَنْ یُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ النُّحْلِ عِنْدَ الْجَلْوَۃِ، فَقَالَ: لَیْسَ بِشَیْئٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21253 ) হজরত হাসান (রা. ) - কে মুখ দেখানোর সময় কি সেদিন সম্পর্কে কিছু আবিষ্কৃত হয়েছিল ? তিনি ( রহঃ ) বলেন , এর কোন সত্যতা নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۵۴) حَدَّثَنَا أَزْہَرُ السَمَّان ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانَ مُحَمَّدٌ یَکْرَہُ أَنْ یُنْحَلَ الشَّیْئَ الْمَرْأَۃَ لاَ یَفِی بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21254) হজরত মুহাম্মাদ (সা . ) যখন কোনো নারীর কাছে মুখ দেখাতেন তখন তিনি কিছু বিষয়কে অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۵۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، أَنَّ أَبَا الْخَلِیلِ أَوْصَی أَنْ یُدْفَعَ إلَی امْرَأَتِہِ نُحْل کَانَ نَحَلَہَا إیَّاہُ تَحَرُّجًا مِنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21255 ) হজরত আবু খলিল মরিয়মকে উপহার দেওয়ার জন্য অসিয়ত করলেন ।সমস্যাটি বিবেচনা করে (বিরক্ত হওয়া) তিনি তাকে উপহারটি দিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۲۵۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَیُّمَا رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَۃً عَلَی صَدَاقٍ ، أَوْ عِدَۃٍ ، فَہُوَ لَہَا إذَا کَانَ قَبْلَ عُقْدَۃِ النِّکَاحِ ، فَإِنْ حَبَا أَہْلَہَا حِبَائً بَعْدَ عُقْدَۃِ النِّکَاحِ ، فَہُوَ لَہُمْ ، وَأَحَقُّ مَا أُکْرِمَ بِہِ الرَّجُلُ ابْنَتُہُ وَأُخْتُہُ۔ (ابوداؤد ۲۱۳۔ احمد ۱۲۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(21256) হজরত মাখুল (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, মহানবী ( সা. ) বলেছেন : যখন কোনো পুরুষ কোনো নারীকে মোহরানা বা প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে বিয়ে করে , তাহলে যদি সেই প্রতিশ্রুতি ও যৌতুকের অধিকার পূর্বেই স্থির হয়ে যায় বিয়ে তাহলে নারীর অধিকার । আর যদি পুরুষটি বিয়ের পর মহিলার বাড়ির সদস্যদের কিছু দান করে , তবে তা তাদের জন্য , এবং পুরুষকে যা দেওয়া হয় , তার সবই তার কেটি এবং বোনের চেয়ে বেশি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১২৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস