
(۲۰۳۸۷) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، وَعَطَائٍ أَنَّہُمَا کَانَا لاَ یَرَیَانِ بِالرَّہْنِ فِی السَّلَمِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20387) হজরত সাঈদ বিন মুসাইব ও হজরত আতা সালাম বাইয়াত রাখাকে সঠিক মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِیدِ بْنُ بَہْرَامَ ، عَنْ شَہْرِ بْنِ حَوْشَبٍ ، عَنْ أَسْمَائَ بِنْتِ یَزِیدَ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ تُوُفِّیَ وَدِرْعُہُ مَرْہُونَۃٌ عِنْدَ یَہُودِیٍّ بِطَعَامٍ۔ (ابن ماجہ ۲۴۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৩৮৮ ) হজরত আসমা বিনতে যায়েদ ( রা .) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সা . ) যখন ইন্তেকাল করেন , তখন তাঁর বর্ম ছিল । ইয়ে হুদির কাছে শস্যের বিনিময়ে একটি বন্ধক ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۸۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قبِضَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَإِنَّ دِرْعَہُ لَمَرْہُونَۃٌ بِثَلاَثِینَ صَاعًا مِنْ شَعِیرٍ أَخَذَہَا رِزْقًا لِعِیَالِہِ۔ (احمد ۲۳۶۔ دارمی ۲۵۸۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 20389 ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) যখন ইন্তেকাল করেন , তখন তাঁর বর্ম ছিল। ইয়ে হুদির কাছে 3 সা ছিল যার বিনিময়ে আমাকে বন্ধক করা হয়েছিল এটি আপনি আপনার এক বছরের মূল্যের খাবারের জন্য পেয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ دِینَارٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَالِمًا عَنِ الرَّہْنِ فِی السَّلَمِ فَقَرَأَ (فَرِہَانٌ مَقْبُوضَۃٌ) کَأَنَّہُ لَمْ یَرَ بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20390 ) হযরত খালিদ বিন দী নার বলেন যে, আমি হযরত সালেমকে সালাম মু রহন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং তিনি কুরআন তিলাওয়াত করলেন । তিনি এই আয়াতটি ( ফারহান মাকবুজাহ ) এমনভাবে তিলাওয়াত করলেন যেন তার নামে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۱) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الزِّبْرِقَانِ السَّرَّاجِ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَبْدَ اللہِ بْنَ معقل عَنِ السَّلَمِ آخُذُ فِیہِ الرَّہْنَ ، أَوِ الْقَبِیلَ ؟ فَقَالَ : اسْتَوْثِقْ مِنَ الَّذِی لَکَ خیر۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20391) হজরত জুবারকান সিরাজ বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুআকাল ( রা. ) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে , বেই সালামের জন্য অঙ্গীকার ও জামিনদার কার ? তিনি বললেনঃ এমন একটি চুক্তি করো যা তোমার জন্য নিরাপদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۲) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ عَامِرٍ، قَالَ: إنِّی لأَعْجَبُ مِمَّنْ یَکْرَہُ الرَّہْنَ، وَ الْقَبِیلَ فِی السَّلَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20392) হজরত আমীর বলেন, যারা সালামে বিশ্বাস করে তাদের দেখে আমি অবাক হই । তারা অবিশ্বাসীদেরকে জঘন্য মনে করে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۳) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أَبِی خَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ تَأْخُذَ ثِقَۃً بِمَالِکَ ، فَقَالَ لَہُ : رَجُلٌ : إنَّ قَوْمًا یَکْرَہُونَ الْقَبِیلَ ، وَلاَ یَرَوْنَ بِالْکَفِیلِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20393 ) হজরত শাবি বলেন , সম্পত্তি রক্ষার জন্য চুক্তিতে কোনো ক্ষতি নেই । এক ব্যক্তি তাদের বললেন , এ জাতির লোকেরা শান্তির পরম গ্যারান্টিকে অপছন্দ করে এবং আত্মার গ্যারান্টির মধ্যে কোনো ক্ষতি দেখে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۴) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ، عَنْ إسْرَائِیلَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ عَامِرٍ، قَالَ: کَانَ أَصْحَابُ عَبْدِ اللہِ لاَ یَرَوْنَ بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20394) হজরত আমীর বলেন , হজরত আবদুল্লাহর সাহাবীরা এটাকে সঠিক মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۵) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، مِثْلَہُ۔
( 20395 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۶) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ وَسَالِمٍ وَالْقَاسِمِ قَالُوا : لاَ بَأْسَ بِالرَّہْنِ فِی السَّلَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20396 ) হজরত আবু জাফর , সেলিম ও কাসিম বলেন , সালামকে জিম্মি করে রাখলে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۷) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ أَوَّلُہ حَلاَلاً ، فَالرَّہْنُ مِمَّا أُمِرَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20397) হজরত মুহাম্মদ বলেছেন যে ভিত্তি যদি হালাল হয় , তবে বন্ধক অনেক জিনিসের মধ্যে একটি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ الرَّہْنِ فِی السَّلَمِ فَقَالَ : اسْتَوْثِقْ مِنْ مَالک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20398) হজরত ইবনে ওমর (রা. ) - কে বাইয়ের সালামের অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন , তোমার সম্পত্তি রক্ষার জন্য চুক্তি করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۳۹۹) حَدَّثَنَا مَالِکٌ حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی خَالِدٍ ، قَالَ : سُئِلَ عَامِرٌ عَنِ الرَّہْنِ فِی السَّلَمِ ، قَالَ : إنِّی لاَ أَقُولُ فِیہِ مِثْلَ قَوْلِ ابْنِ جُبَیْرٍ : إِنَّہُ رِبًا مَضْمُونٌ۔ (عبدالرزاق ۱۴۰۹۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 20399 ) হজরত আমীরকে সালামের বন্ধক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন , সাঈদ বিন জাবির এ সম্পর্কে যা বলেছেন তা আমি বলব । বললেন যে এটি চক্রবৃদ্ধি সুদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالرَّہْنِ وَالْکَفِیلِ فِی السَّلَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20400) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , অঙ্গীকার বা জামিনদারের কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৩৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۱) حَدَّثَنَا وَکِیعُ بْنُ الْجَرَّاحِ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی یَزِیدٍ ، عَنْ أَبِی عِیَاضٍ ، أَنَّ عَلِیًّا کَانَ یَکْرَہُ الرَّہْنَ وَالْقَبِیلَ فِی السَّلَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20401) হযরত আলী ( রা . ) জামিনদার ও জামিনদারকে মাকরূহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَص ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسٍ ، قَالَ : سُئِلَ ابْنُ عُمَرَ عَنِ الرَّجُلِ یُسْلِمُ السَّلَمَ وَیَأْخُذُ الرَّہْنَ فَکَرِہَہُ ، وَقَالَ : ذَلِکَ الشَّفُّ الْمَضْمُونُ یَعْنِی الرِّبْحَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৪০২ ) হজরত ইবনে উমর ( রা. ) - কে শান্তির অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , এটি একটি মিশ্র লাভ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۳) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ وَسَالِمٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الرَّہْنَ فِی السَّلَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20403) হজরত ইবনে আব্বাস সালাম অঙ্গীকার করাকে জঘন্য কাজ বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۴) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : کُلُّ بَیْعِ نَسَائٍ فَإِنَّہُ یُکْرَہُ الْقَبِیلُ وَالرَّہْنُ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৪০৪ ) হযরত তাওয়াস বন্ধক ও জামিনদারকে জঘন্য কাজ বলে বর্ণনা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ بُکَیْرِ بْنِ عَتِیقٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِسَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ : آخُذُ الرَّہْنَ فِی السَّلَمِ ؟ فَقَالَ : ذَلِکَ رِبْحٌ مَضْمُونٌ ، قَالَ : قُلْتُ : آخُذُ الْکَفِیلَ ؟ قَالَ : ذَلِکَ رِبْحٌ مَضْمُونٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৪০৫ ) হজরত বুখির ইবনে আতিক বলেন , আমি সাঈদ ইবনে জুবেরকে জিজ্ঞেস করলাম যে, আমি তুলা বন্ধক রাখতে পারি । তিনি বলেন যে এটি দরকারী . আমি বললাম যে আমি কি স্পনসর করতে পারি ? তিনি বলেন , এটি একটি মিশ্র লাভ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۶) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الْجَعْدِ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الرَّہْنَ فِی السَّلَفِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20406) হজরত শরী হুসলাম বন্ধক রাখাকে জঘন্য কাজ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ، عَنْ دَاوُدَ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الرَّہْنَ وَالْقَبِیلَ فِی السَّلَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৪০৭ ) হযরত সাঈদ বিন জাবির সালাম বন্ধক ও জামিনদারকে মাকরূহ খেলা মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۸) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی مَعْبَدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَیْنَ الْعَبْدِ وَبَیْنَ سَیِّدِہِ رِبًا ، وکان یبیع ثمرتہ من غلمانہ قبل أن تطعم۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20408) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) এর অভিমত ছিল যে , মনিব ও তার গোলামের মধ্যে কোনো সুদ নেই । তাই তারা তাদের দাসদের ফল পাকানোর আগেই কিনে নিয়ে যেত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۰۹) حَدَّثَنَا حَفْصٌ بن غیاث ، الشیبانی ، عن الشعبی ، قَالَ : لَیْسَ بَیْنَ الْعَبْدِ وَبَیْنَ سَیِّدِہِ رِبًا ؛ یُعْطِیہِ دِرْہَمًا وَیَأْخُذُ مِنْہُ دِرْہَمَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20409) শাবি বলেন , দাস ও তার মনিবের মধ্যে কোনো সুদ নেই । তিনি একজন ক্রীতদাসকে এক দিরহাম দিতে পারেন এবং তার কাছ থেকে দুই দিরহাম নিতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۱۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ أبی الْعَوَّامِ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لَیْسَ بَیْنَ الْعَبْدِ وَبَیْنَ سَیِّدِہِ رِبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20410) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , দাস ও তার মনিবের মধ্যে কোনো সুদ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۱۱) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، وَعَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ، وَعَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لَیْسَ بَیْنَ الْعَبْدِ وَبَیْنَ سَیِّدِہِ رِبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20411) হজরত জাবির ও হজরত ইব্রাহীম বলেন , গোলাম ও তার মনিবের মধ্যে কোনো সুদ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۱۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ إبْرَاہِیمَ وَالشَّعْبِیَّ ، عَنْ رَجُلٍ کَانَ لَہُ عَبْدٌ یُؤَدِّی خَمْسَۃَ دَرَاہِم کُلَّ شَہْرٍ فَقَالَ : أَعْطِنِی مِئَتَیْ دِرْہَمٍ کُلَّ شَہْرٍ وَأُعْطِیکَ کُلَّ شَہْرٍ تِسْعَۃَ دَرَاہِمَ ، قَالَ : فَلَمْ یَرَ بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20412) হজরত মুগীরাহ বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিম ও হজরত শাবিকে জিজ্ঞেস করলাম যে , একজন মালিক তার গোলামকে প্রতি মাছের জন্য পাঁচ দিরহাম দিতেন এবং আপনি আমাকে প্রতি মাসে দুইশত দিরহাম দেন এবং আমি আপনাকে প্রতি মাসে নয় দিরহাম দেব । এই ভদ্রলোকেরা বললেন , এতে কোনো সমস্যা নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۱۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ یُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، وَابْنِ سِیرِینَ أَنَّہُمَا کَرِہَا أَنْ یُعْطِیَ الرَّجُلُ مَمْلُوکَہُ الدَّرَاہِمَ عَلَی أَنْ یَزِیدَہُ فِی الْغَلَّۃِ ، وَقَالَ ابْنُ سِیرِینَ : یُعْطِیہِ بدنۃ ، أَوْ دَابَّۃً ، أَوْ غَیْرَ ذَلِکَ مِنَ الْمَنَائِحِ وَیَزِیدُ عَلَیْہِ مَا شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20413) হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সিরীন এটাকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন যে, একজন ব্যক্তি তার ক্রীতদাসকে দিরহাম প্রদান করবে যাতে সে ক্রীতদাসের সংখ্যা বাড়াতে পারে । ইবনে সিরীন বলেন , তাকে একটি পশু বা ঘোড়া দিন অথবা তাকে কিছু দিন এবং তারপর যতটা চান বাড়িয়ে দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۱۴) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ، وَالْحَسَنِ ، قَالاَ : لَیْسَ بَیْنَ الْعَبْدِ وَبَیْنَ سَیِّدِہِ رِبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20414) হজরত জাবির ইবনে যায়েদ ও হজরত হাসান বলেন , গোলাম ও তার মনিবের মধ্যে কোনো সুদ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۱۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : لَیْسَ بَیْنَ الْمَمْلُوکِ وَبَیْنَ سَیِّدِہِ رِبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20415) হজরত আতা বলেন , দাস ও তার মনিবের মধ্যে কোনো সুদ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۱۶) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِبَیْعِ الرِّطَابِ جَزَّۃً بَعْدَ جَزَّۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৪১৬ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , বাঁশসহ অন্যান্য জিনিস টুকরো টুকরো করে বিক্রি করার কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস