
(۲۱۰۷۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : کَانُوا یَکْرَہُونَ کُلَّ قَرْضٍ جَرَّ مَنْفَعَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21077) হজরত আতা বলেন , বাপ -দাদারা বলেন , যে ঋণ কোনো লাভের কারণ হয়, তা জায়েজ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۷۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کُلُّ قَرْضٍ جَرَّ مَنْفَعَۃً ، فَہُوَ رِبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21078 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , প্রত্যেক ঋণ যা লাভের কারণ হয় তা সুদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۷۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ وَمُحَمَّدٍ أَنَّہُمَا کَانَا یَکْرَہَانِ کُلَّ قَرْضٍ جَرَّ مَنْفَعَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21079) হজরত হাসান ও হজরত মুহাম্মাদ (রা.) বলেন, প্রত্যেক ঋণ যা কোনো লাভের কারণ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : أَقْرَضَ رَجُلٌ رَجُلاً خَمْسَمِئَۃِ دِرْہَمٍ وَاشْتَرَطَ عَلَیْہِ ظَہْرَ فَرَسِہِ فَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ : مَا أَصَابَ مِنْ ظَہْرِ فَرَسِہِ ، فَہُوَ رِبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21080) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , এক ব্যক্তি আরও পাঁচশত দিরহাম ধার দিয়ে তার ঘোড়ায় চড়ার শর্ত দিল , হজরত ইবনে মাসউদ ( রা . ) আমাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন , সব সওয়ারীই সুদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَرِہَ کُلَّ قَرْضٍ جَرَّ مَنْفَعَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21081 ) হজরত ইব্রাহীম বলেন , প্রত্যেক ঋণ যা কোনো লাভের কারণ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَص ، عَنْ طَارِقٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، أَنَّہُ کَرِہَ الرُّطَبَ بِالتَّمْرِ مِثْلاً بِمِثْلٍ ، وَقَالَ : الرُّطَبُ مُنْتَفِخٌ ، وَالتَّمْرُ یَابِسٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21082 ) হযরত সাঈদ বিন মুসায়্যিব কাঁচা খেজুরের পরিবর্তে পাকা খেজুর খাওয়াকে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۳) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کان یکرہ أن یُشْتَرَی الرطب بالتمر الیابس۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21083 ) হজরত ইব্রাহিম কাঁচা খেজুরের পরিবর্তে পাকা শুকনা খেজুর ক্রয় করাকে মাকরূহ ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۴) حَدَّثَنَا ابن فضیل ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ یُشْتَرَی الرُّطَبَ بِالْیَابِسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20184 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , কাঁচা খেজুরের বদলে পাকা খেজুর কেনা যাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۵) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَہَی عَنْ بَیْعِ الثَّمرِ بِالتَّمْرِ کَیْلاً ، وَعَنْ بَیْعِ الْعِنَبِ بِالزَّبِیبِ کَیْلاً ، وَعَنْ بَیْعِ الزَّرْعِ بِالْحِنْطَۃِ کَیْلاً۔ (مسلم ۱۱۷۱۔ ابوداؤد ۳۳۵۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(21085) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) কাঁচা খেজুর পাকা খেজুরের বদলে এবং আঙুরের বদলে কিসমিস দিতেন এবং গমের বিনিময়ে গম পরিমাপ করা হারাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۶) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّیَالِسِیُّ ، عَنْ زَائِدَۃَ بْنِ قُدَامَۃَ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّہُ کَرِہَ الرُّطَبَ بِالتَّمْرِ ، وَقَالَ : ہُوَ أَقَلُّہُمَا فِی الْمِکْیَالِ ، أَوْ فِی الْقَفِیزِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 20186) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) কাঁচা খেজুরের পরিবর্তে পাকা খেজুর কেনাকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন তিনি বলেন , এগুলো ওজনে ভিন্ন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ زَیْدٍ أَبِی عَیَّاشٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَعْدًا عَنِ السُّلْتِ بِالذُّرَۃِ فَکَرِہَہُ ، وقَالَ : سُئِلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، عَنِ الرُّطَبِ بِالتَّمْرِ فَقَالَ : أَیَنْقُصُ إذَا جَفَّ ؟ فَقَالُوا : نَعَمْ ، فَکَرِہَہُ۔ (ترمذی ۱۲۲۵۔ ابن ماجہ ۲۲۶۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 20187 ) হজরত যায়েদ বিন আবি আয়াশ বলেন , আমি হজরত সাদ (রা. ) - কে জিজ্ঞেস করেছিলাম , ভুট্টার পরিবর্তে সাদা মটরশুটি খাওয়া যাবে । তিনি এটাকে জঘন্য আখ্যা দিয়ে বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , তাজা খেজুর কি পাকা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করা যাবে ? আপনি জিজ্ঞাসা করেছেন তাজা খেজুর শুকানোর পরে সঙ্কুচিত হবে কিনা । লোকেরা যদি হ্যাঁ উত্তর দেয় , তবে আপনি এটি সঠিক ঘোষণা করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۸) حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، أَنَّہُ کَرِہَ التَّمْرَ الرُّطَب بالْیَابِسِ مِثْلاً بِمِثْلٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2018) হযরত হাকাম তাজা খেজুরকে শুকনো খেজুরের সমতুল্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۸۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ أَبَانَ بْنِ تَغْلِبَ ، عَنِ الْحَارِثِ عن إبْرَاہِیمَ وَغَیْرِہِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : مَنْ أَعْتَقَ شِقْصًا لَہُ فِی مَمْلُوکٍ لَہُ ، وَکَانَ لَہُ کُلُّہُ ، أَوْ بَعْضُہُ ، فَہُوَ عَتِیقٌ کُلُّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(20189) হজরত ইব্রাহিম (আ.) বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি তার ক্রীতদাসের একটি অংশ , তার একটি অংশ বা পুরোটি মুক্ত করে , তবে সেই ক্রীতদাস সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۰) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِی رَجُلٍ ، قَالَ لِجَارِیَتِہِ : فَرْجُکِ حُرٌّ ، قَالَ : ہِیَ حُرَّۃٌ ، وَإِذَا عَتَقَ مِنْہَا شَیْئٌ فَہِیَ حُرَّۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21090) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি তার ক্রীতদাসীকে বলে যে , তোমার গোপনাঙ্গ স্বাধীন , তাহলে সেও মুক্ত হবে , অনুরূপভাবে যদি তার শরীরের কোনো অংশ মুক্ত করা হয় , তাহলে পুরোটাই মুক্ত হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ سَلَمَۃَ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی عُمَرَ وَہُوَ بِعَرَفَۃَ فَقَالَ : إنِّی أَعْتَقْتُ ثُلُثَ عَبْدِی ، فَقَالَ عُمَرُ : ہُوَ حُرٌّ کُلُّہُ ، لَیْسَ للہِ شَرِیکٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21091) হজরত খালিদ বিন সালামা বলেন , এক ব্যক্তি হজরত ওমর (রা.)- এর কাছে আসলেন , হজরত ওমর ( রা. ) আরাফায় ছিলেন , এই ব্যক্তি বললেন , আমি এক - তৃতীয়াংশ ক্রীতদাস মুক্ত করেছি , হজরত ওমর ( রা.) বললেন , সব তাদের মুক্ত করা হয়েছে , আল্লাহর কোন শরীক নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۲) حَدَّثَنَا وکیع ، عن سفیان ، عن جابر ، عن عامر ، قَالَ : إذا أعتق بعضہ ، فہو حر کلہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21092) হজরত আমীর বলেন , কেউ যখন তার গোলামের একটি অংশকে মুক্ত করে , তখন সে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে যায়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۳) حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ فِی رَجُلٍ أَعْتَقَ ثُلُثَ عَبْدِہِ ، قَالَ : یَسْعَی لَہُ فِی الثُّلُثَیْنِ ، وَلاَ یَضْمَنُ لِبَقِیَّتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21093) হজরত শাবি বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি তার এক - তৃতীয়াংশ ক্রীতদাসকে মুক্ত করে দেয় , তবে সে যেন দুই - তৃতীয়াংশ মুক্ত করার চেষ্টা করে , এক - তৃতীয়াংশের জামিনদার না হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۴) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِی الْمَلِیحِ ، أَنَّ رَجُلاً أَعْتَقَ ثُلُثَ غُلاَمٍ لَہُ ، فَرُفِعَ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : ہُوَ حُرٌّ ، لَیْسَ للہ شَرِیکٌ۔ (ابوداؤد ۳۹۲۹۔ احمد ۵/۷۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( 21094 ) হজরত আবু মালিহ বলেন , এক ব্যক্তি তার এক তৃতীয়াংশ গোলামকে মুক্ত করে দিল । এ বিষয়টি মহানবী ( সা . ) - এর কাছে পেশ করা হলে তিনি বলেন , তিনি সকলের থেকে মুক্ত , আল্লাহর কোনো শরীক নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَکَمَ ، عَنْ رَجُلٍ ، قَالَ لِغُلاَمِہِ : نِصْفُکَ حُرٌّ ، قَالَ : إِنْ کَانَ کَمَا یَقُولُونَ : الضَّمَانُ حَقٌّ ، فَہُوَ عَتِیقٌ ، وَکَانَ مِنْ رَأْیِ الْحَکَمِ أَنْ یُعْتِقَہُ ، قَالَ : وَسَأَلْتُ حَمَّادًا فَقَالَ : یَعْتِقُ نِصْفَہُ وَیَسْعَی فِی النِّصْفِ الْبَاقِی
থেকে বর্ণিতঃ
(21095) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকামকে জিজ্ঞেস করলাম , যদি কোনো ব্যক্তি তার গোলামকে বলে যে , তোমার অর্ধেক মুক্ত , তাহলে হাকাম কী ? তিনি বলেন , বাপ -দাদা বলতেন , নিশ্চয়তা ঠিক আছে, তিনি মুক্তি পাবেন। হযরত হাকামের মতামত ছিল তাকে মুক্ত করা । বর্ণনাকারী বলেন , আমি হযরত হামাদকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি অর্ধেক মুক্ত করতে বলেন এবং বাকিটা তিনি চেষ্টা করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۶) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : یُعْتِقُ الرَّجُلُ مَا شَائَ مِنْ غُلاَمِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(21096) হজরত আলী ( রা.) বলেন , একজন মানুষ তার গোলামের যত অংশ ইচ্ছা মুক্ত করতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۷) حَدَّثَنَا عبدۃ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا أَعْتَقَ من عَبْدِہِ قَلِیلاً ، أَوْ کَثِیرًا ، فَہُوَ عَتِیقٌ ، وَإِذَا طَلَّقَ مِنِ امْرَأَتِہِ إصْبَعًا ، أَوْ أَکْثَرَ مِنْ ذَلِکَ فَہِیَ طَالِقٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21097 ) হজরত হাসান বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি তার ক্রীতদাসকে একটু বা বেশি মুক্ত করে , তখন সে তার স্ত্রীকে মুক্ত করে এর বেশি তালাক দিলে তালাক হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۸) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِی ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : مَضَتِ السُّنَّۃُ أَنْ تَجُوزَ شَہَادَۃُ النِّسَائِ فِیمَا لاَ یَطَّلِعُ عَلَیْہِ غَیْرُہُنَّ مِنْ وِلاَدَاتِ النِّسَائِ وَعُیُوبِہِنَّ ، وَتَجُوزُ شَہَادَۃُ الْقَابِلَۃِ وَحْدَہَا فِی الإِسْتِہْلاَلِ ، وَامْرَأَتَانِ فِیمَا سِوَی ذَلِکَ۔ (عبدالرزاق ۱۵۴۲۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 20198 ) হজরত জাহরি বলেন , যেসব বিষয়ে পুরুষদের অবহিত করা যায় না , সেসব বিষয়ে নারীদের সাক্ষ্য সঠিক , এ কারণেই নারীরা সন্তান প্রসব করে এবং নারীরা সন্তান প্রসব করে নবজাতক শিশুর শ্বাস - প্রশ্বাস সম্পর্কে সঠিক হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۰۹۹) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ فِیمَا لاَ تَجُوزُ فِیہِ شَہَادَاتُ الرِّجَالِ : أَرْبَع نسوۃ ، وَقَالَ الْحَکَمُ : امْرَأَتَانِ تُجْزیَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21099 ) হজরত শাবি বলেন , যেসব বিষয়ে পুরুষের সাক্ষ্য সঠিক নয় , তার জন্য দুই নারীর সাক্ষ্যই যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۱۰۰) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : تَجُوزُ شَہَادَۃُ النِّسَائِ عَلَی الاسْتِہْلاَلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১১০০) হযরত আতা বলেন , নবজাতক শিশুর শ্বাস - প্রশ্বাসের ব্যাপারে মহিলাদের সাক্ষ্যই সঠিক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১০৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۱۰۱) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : مِنَ الشَّہَادَاتِ شَہَادَات لاَ یَجُوزُ فِیہَا إلاَّ شَہَادَاتُ النِّسَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21101 ) হজরত আমীর বলেন , এমন কিছু সাক্ষ্য রয়েছে যেগুলোতে শুধুমাত্র মহিলারাই সাক্ষ্য দিতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১১০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۱۰۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، وَعَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَعَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ قَالُوا : تَجُوزُ شَہَادَۃُ امْرَأَۃٍ وَاحِدَۃٍ فِیمَا لاَ یَطَّلِعُ عَلَیْہِ الرِّجَالُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21102 ) হজরত ইব্রাহিম , হজরত হাসান ও হজরত শাবি বলেন , যেসব বিষয়ে পুরুষদের অবহিত করা যায় না , সে বিষয়ে শুধুমাত্র নারীর সাক্ষ্যই যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১১০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۱۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : لاَ تَجُوزُ أَقَلُّ مِنْ شَہَادَۃِ أَرْبَعِ نِسْوَۃٍ فِیمَا لاَ تَجُوزُ فِیہِ شَہَادَۃُ الرِّجَالِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২১১০৩ ) হজরত আতা বলেন , যেসব বিষয়ে পুরুষের সাক্ষ্য বৈধ নয় , সেসব বিষয়ে চারজনের কম নারীর সাক্ষ্য বৈধ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১১০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۱۰۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ شُرَیْحٍ ، أَنَّہُ أَجَازَ شَہَادَۃَ قَابِلَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21104 ) হযরত শরিয়াহ ধাত্রীর সাক্ষ্যকে বৈধ ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১১০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۱۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ نُجَیٍّ ، عَنْ عَلِیٍّ ، أَنَّہُ أَجَازَ شَہَادَۃَ قَابِلَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২১১০৫) হযরত আলী ( রাঃ ) ধাত্রীর সাক্ষ্যকে বৈধ ঘোষণা করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১১০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۱۱۰۶) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، وَأَبِی حَنِیفَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : تَجُوزُ شَہَادَۃُ قَابِلَۃٍ وَاحِدَۃٍ ، وَقَالَ أَحَدُہُمَا : وَإِنْ کَانَتْ یَہُودِیَّۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 21106 ) হজরত হাম্মাদ বলেন যে , তাদের একজনের সাক্ষ্যই যথেষ্ট এবং সে ইহুদী না হলেও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২১১০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস