
(۲۳۸۰۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی الرَّجُلِ یَقُولُ : یَوْمَ أَشْتَرِی فُلاَنًا فَہُوَ حُرٌّ ، قَالَ : یَوْمَ یَشْتَرِیہِ فَہُوَ عَتِیقٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮০৭) হযরত আতা বলেন , যদি কেউ বলে যে আমি অমুক অমুক কিনব সেদিন সে মুক্ত । এখন যেদিন কিনবে সেদিন সে মুক্ত হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۰۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی عَبْدُ اللہِ بْنُ رِفَاعَۃَ ألأَنْصَارِیُّ ، قَالَ : قِیلَ لِرَجُلٍ : ذُکِرَ أَنَّک تُرِید أَنْ تَبْتَاعَ فُلاَنَۃَ وَلِیدَۃً سَمَّوْہَا ، فَقَالَ الرَّجُلُ : ہِیَ حُرَّۃٌ إنِ ابْتَعْتہَا ، فَزَعَمَ عَبْدُ اللہِ أَنَّہُ سَأَلَ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ فَقَالَ : أَمَّا أَنَا فَلاَ أَرَاہُ شَیْئًا ، وَأَمَّا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِیزِ فَیَأْبَاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23808) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে রিফাহ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তিকে বলা হলো , অমুক ব্যক্তি একজন ক্রীতদাসকে বিক্রি করার ইচ্ছা পোষণ করছে । আবদুল্লাহ অনুমান করলেন যে এটি হযরত সাঈদ বিন আল - মুসাইব থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে , তিনি বললেন : আমি কোনভাবেই খারাপ নই , এবং হযরত উমর বিন আব্দুল আজিজ নিষেধ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۰۹) حَدَّثَنَا ۔۔۔ وَکَانَ الْقَاسِمُ وَسَالِمٌ لاَ یُرَخِّصَانِ لأَحَدٍ فِی طَلاَقٍ ، أَوْ عَتَاقٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৮০৯) হযরত কাসেম ও হযরত সেলিম কাউকে তালাক ও তালাকের অবকাশ দেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ : فِی الرَّجُلِ یَقُولُ : إنِ اشْتَرَیْت فُلاَنَۃً فَہِیَ حُرَّۃٌ ، أَوْ کُلُّ جَارِیَۃٍ اشْتَرَیْتہَا عَلَیْک فَہِیَ حُرَّۃٌ : أَنَّہُ إنِ اشْتَرَی شَیْئًا مِنْ ذَلِکَ ، فَقَدْ عَتَقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23810) হজরত হাসান এ ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে, সে যদি বলে যে , আমি অমুক অমুক মুচলেকা কিনেছি , তাহলে সে মুক্ত । সুতরাং বলুন যে আমি আপনার কাছ থেকে যে ক্রীতদাস কিনি তা মুক্ত, সুতরাং যদি সে তার কাছ থেকে কিছু ক্রয় করে তবে সে স্বাধীন হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ : أَنَّ رَجُلاً قَالَ لِغُلاَمِہِ : أَنْتَ لِلَّہِ ، قَالَ فَسُئِلَ الشَّعْبِیُّ وَالْمُسَیَّبُ بْنُ رَافِعٍ وَحَمَّادُ بْنُ أَبِی سُلَیْمَانَ ؟ فَقَالُوا : ہُوَ حُرٌّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮১১) হজরত মুগীরাহ বলেন , এক ব্যক্তি তার বান্দাকে বলল , তুমি আল্লাহর জন্য , হযরত আল - মুসাইব ইবনে রাফি , হজরত হাম্মাদ ইবনে আবু সুলাইমান ( রা . ) সম্পর্কে কী আবিষ্কৃত হয়েছে ? সবাই বলেছে সে মুক্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۲) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا قَالَ الرَّجُلُ لِعَبْدِہِ ، أَوْ لأَمَتِہِ : أَنْتَ عَتِیقٌ أَنْتَ حُرٌّ أَنْتَ لِلَّہِ ، فَہُوَ عَتِیقٌ ، إذَا قَالَ : أَنْتَ مَوْلی بنیّ ، فَہُوَ عَتِیقٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮১২) হজরত ইব্রাহীম (আ.) বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি তার ক্রীতদাস বা দাসকে বলে যে সে মুক্ত, তাহলে সে স্বাধীন, অথবা সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, তাহলে এই সমস্ত পরিস্থিতিতে তাকে স্বাধীন বলে গণ্য করা হবে । আর যদি সে বলে : তুমি আমার ছেলের গোলাম , তাহলে সে স্বাধীন বলে গণ্য হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۳) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عُمَیْرٍ : أَنَّ عَبْدًا أَذِنَ لَہُ مَوْلاَہُ فِی الْخِیَاطَۃِ ، وَعَبْدًا أَذِنَ لَہُ فِی الصِّبْغِ ، قَالَ : فَضَمَّنَہُما شُرَیْحٌ ، فَضَمَّنَ الْخَیَّاطَ ثَمَنَ الْخُیُوطِ وَالإِبَرِ ، وَضَمَّنَ الآخَرَ الصِّبْغَ وَالْغَلْی ، وَمَا أَشْبَہَ أَعْمَالَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮১৩) হজরত উমাইর ( রা .) থেকে বর্ণিত যে , ক্রীতদাসকে তার মনিব সরবরাহ করার অনুমতি দিলে এবং সে যদি দাসকে রং করে দেয় , তাহলে হযরত শরীয়া উভয়েরই নিশ্চয়তা দিতেন , দর্জি সরবরাহ করতেন এবং সূঁচের নিশ্চয়তা দিতেন এবং রঞ্জকের মজুরি পরিশোধ করতেন । অন্যদের কাছে , এবং এই কাজগুলির অনুরূপ কিছু ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۴) حَدَّثَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : إذَا أَذِنَ لَہُ فِی نَوْعٍ مِنَ التِّجَارَۃِ فَتَجَرَ فِی نَوْعٍ غَیْرِ الَّذِی أَذِنَ لَہُ فِیہِ ، فَلَیْسَ عَلَیْہِ دَیْنُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮১৪) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , কোনো ক্রীতদাস যদি কোনো ধরনের ব্যবসা করার অনুমতি পায় এবং সে এই ব্যবসা ছাড়া অন্য কোনো ব্যবসা করে , তাহলে তার দায় নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۵) حَدَّثَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ : أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إذَا أَذِنَ لَہُ فِی نَوْعٍ وَاحِدٍ فَقَدْ أَذِنَ لَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23815) হজরত হাসান বিন সালেহ বলেন , যদি একজন ক্রীতদাসকে শুধুমাত্র এক ধরনের কাজের জন্য পাঠানো হয় , তবে এটি অনুমোদিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : قَالَ ابْنُ سِیرِینَ : الشُّفْعَۃُ لاَ تُورَثُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৮১৬) হজরত ইবনে সিরীন ( রহ . ) বলেন , উত্তরাধিকার সুপারিশের মাধ্যমে যাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۷) حُدِّثْتُ عَنْ جَرِیرٍ ، عَنِ ابْنِ سَالِمٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : الشُّفْعَۃُ لاَ تُورَثُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23817) হজরত শাবি ( রা . ) বলেন , উত্তরাধিকার সুপারিশের মাধ্যমে যাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ : أَنَّہُ رَکِبَہُ دَیْنٌ ، فَکَانَ یَقْضِی غُرَمَائَہُ بَعْضَہُمْ دُونَ بَعْضٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23818) হযরত ইবনে সীরীন যখন ঋণগ্রস্ত ছিলেন , তখন তিনি কিছু পরিশোধ করতেন এবং অন্যকে পরিশোধ করতেন না ( আপাতত ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۱۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، بِنَحْوٍ مِنْہُ ، أَوْ شَبِیہٍ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23819) হযরত আবু কালাবা (রাঃ ) থেকে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : کَانَ شُرَیْحٌ لاَ یُبْرِئُ الْبَائِعَ إلاَّ مِنْ دَائٍ أَعْلَمَہُ إیَّاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৮২০ ) হজরত মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন যে , হজরত শরী‘আত বিক্রেতাকে বেকসুর খালাস দেননি , তবে ক্রেতার জন্য কিছু করা যেতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنْ عَامِرٍ ، عَنْ شُرَیْحٍ : فِی رَجُلٍ کَانَ یَطْلُبُ رَجُلاً بِدَیْنٍ فَمَاتَ الْمَطْلُوبُ ، فَقَالَ شُرَیْحٌ : بَیِّنَتُہُ عَلَی أَصْلِ حَقِّہِ ، وَالْبَرَائَۃُ عَلَی أَہْلِ الْمُتَوَفَّی أَنَّ صَاحِبَہُمْ قَدْ بَرِئَ ، أَوْ یَمِینُ الطَّالِبِ أَنَّہُ مَاتَ یَوْمَ مَاتَ وَالْحَقُّ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23821) হজরত শরী‘আত এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন , যার কাছে কোনো ব্যক্তি তার হক চায় এবং অতঃপর কাঙ্খিত ব্যক্তিটি মারা যায়, তখন তিনি বলেন , মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে তার সাক্ষী রয়েছে যে তার কোম্পানি ধ্বংস হয়ে গেছে । অতঃপর ছাত্রটি তাকে শপথ করে যে সে এমন অবস্থায় মারা গেছে যে তার অধিকার মৃত ব্যক্তির উপর বাধ্যতামূলক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۲) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا بِعْت مَتَاعاً مُرَابَحَۃً فَاحْسُبْ مَا أَنْفَقْت عَلَیْہِ ، وَلاَ تَحْسُبْ مَا أَنْفَقْت عَلَی نَفْسِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮২২) হজরত হাসান বলেন , যখন তুমি লাভে কোনো কিছু বিক্রি করবে, তখন তার জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে তা হিসাব করো এবং তোমার জন্য যে পরিমাণ খরচ হয়েছে তার হিসাব করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۳) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَاشِدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ : أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یُعْطِیَ الرَّجُلُ الرَّجُلَ الدِّینَارَ فَیَقُولُ : اصْرِفْہُ بِکَذَا وَکَذَا وَلَک مَا فَضَلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮২৩) হজরত মাখুল এক ব্যক্তি অন্যদেরকে টাকা দিতে বলতে এই বলে অপছন্দ করতেন যে, সে এত সোনার বিনিময় কর , তারপর যা থাকবে তা তোমার হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَمَانٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ رَبِیعَۃَ الرَّأْیِ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ : فِی رَجُلٍ بَاعَ جَارِیَۃً وَوَلَدَہَا ثُمَّ ادَّعَی الْوَلَدَ ، قَالَ : یُرَدُّ عَلَیْہِ بِالْمِلْکِ ، وَلاَ یَثْبُتُ النَّسَبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮২৪) হজরত উমর বিন আবদুল আজিজ যে ব্যক্তি তার ছেলেকে বেঁধে বিক্রি করে তারপর ছেলের দাবি করে , সে সম্পর্কে বলেন : তাকে সম্পত্তিসহ ফেরত দেওয়া হবে এবং বংশ প্রমাণ হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۵) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ: حدَّثَنَا أَبُو شِہَابٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ دِینَارٍ ، عَنِ الْحَارِثِ الْعُکْلِیِّ: فِی شِرَی الْقَصِیلِ عَلَی أَنْ یَعْلِفَہُ ، قَالَ : إِنْ شَغَلَہُ شَیْئٌ عَنْ قَطْعِہِ حَتَّی یَزِیدَ فَلاَ بَأْسَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৮২৫) হজরত হারিছ আল-আকলি বলেন , কোনো ব্যক্তি পশুখাদ্যের জন্য খড় ( খাদ্য ) ক্রয় করে তারপর কোনো কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে তা কাটতে পারে না , তাই কোনো অসুবিধা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ طَاوُوسٍ : أَنَّہُ لَمْ یَرَ بَأْسًا أَنْ یَقُولَ الرَّجُلُ لِلرَّجُلِ إذَا بَاعَہُ الطَّعَامَ : أَنْقُدُک إذَا وَفَّیْتنِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23826 ) হযরত তাওস এভাবে বেচাকেনায় কোন সমস্যা মনে করেননি যে , গম বিক্রি করার সময় তিনি যেন বলবেন যে , যখন তুমি তা হস্তান্তর কর, তখন আমি দাম দিয়ে দেব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ الْقَطَّانُ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ : فِی رَجُلٍ قَالَ لِعَبْدِہِ : اخْدِمْنِی سَنَۃً وَأَنْتَ حُرٌّ ، قَالَ : یَخْدُمُہُ سَنَۃً وَہُوَ حُرٌّ ، وَإذَا قَالَ : أَنْتَ حُرٌّ عَلَی أَنْ تَخْدُمَنِی سَنَۃً ثُمَّ مَاتَ الرَّجُلُ : خَدَمَ وَلَدَہُ سَنَۃً مِنْ بَعْدِہِ وَیُعْتَقُ مِنْ ثُلُثِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮২৭) হজরত হাসান বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি তার গোলামকে বলে যে , সে এক বছর আমার সেবা করবে , তাহলে সে স্বাধীন , আর যদি সে গোলামকে বলে : তাহলে সে আমার সেবা করার শর্তে স্বাধীন এক বছরের জন্য , তারপর মালিক মারা যায় এবং ক্রীতদাস তার মৃত্যুর পর তার সন্তান হয় , যদি সে এক বছর চাকরি করে তবে সে তার সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ থেকে মুক্ত হয়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۸) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : شَہِدَ رَجُلٌ عِنْدَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ عَلَی شَہَادَۃٍ ، فَقَالَ الْمَشْہُودُ عَلَیْہِ: إِنَّہُ لاَ تُقْبَلُ شَہَادَتُہُ ، قَالَ : وَلِمَ ؟ قَالَ : لاَ یُدْرَی مَنْ أَبُوہُ ؟ قَالَ : ائْتِنِی بِشَاہِدٍ سِوَاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23828 ) হজরত মুতামার তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজের সামনে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন , যার বিরুদ্ধে তিনি সাক্ষ্য দিয়েছিলেন , তিনি বললেন : সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় না , তুমি কেন খুঁজে পেলে ? লোকটি বলল, কারণ তার পিতার পরিচয় ছিল না , হযরত ওমর রা . তিনি ছাড়া অন্য একজন সাক্ষীকে নিয়ে আসুন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۲۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ زُہَیْرٍ العَبْسِیِّ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : وَلَدُ الزِّنَا یَؤُمُّ ، وَتَجُوزُ شَہَادَتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23829) হজরত শাবি বলেন , ব্যভিচারের ছেলে আমানত করতে পারে এবং তার সাক্ষ্য গৃহীত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۳۰) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : لاَ تَجُوزُ شَہَادَۃُ وَلَدِ الزِّنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৮৩০ ) হজরত নাফি বলেন , ব্যভিচারের ছেলের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۳۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ : أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ کَانَ یَقُولُ : تَجُوزُ شَہَادَتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৮৩১ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা ) বলেন , তার সাক্ষ্য জায়েজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سُفْیَانَ وَزُہَیْرٌ ، عَنْ أَبِی سِنَانٍ ، عَنْ شَیْخٍ مِنْ بَنِی الْہُجَیْمِ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ یَقُولُ : أَیُّمَا رَجُلٍ کَانَ عَلَیْہِ دَیْنٌ فَأَیْسَرَ فَلَمْ یَقْضِہِ کَانَ کَآکِلِ سُحْتٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮৩২) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) বলেন , যার ঋণ আছে এবং সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও পরিশোধ করে না, সে হলো ভোগবাদী।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۳۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ أَبِی مَکِینٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : أَیُّمَا رَجُلٍ کَانَ عَلَیْہِ دَیْنٌ إلَی أَجَلٍ فَأَیْسَرَ وَلَمْ یَقْضِہِ ، فَقَدْ ہَلَکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮৩৩) হজরত ইকরামা বলেন , যদি কোনো ব্যক্তির কাছে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণ থাকে , তারপর সে ধনী হয়ে যায় এবং তারপর ঋণ পরিশোধ না করে , তাহলে সে ধ্বংস হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۳۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ : فِی الرَّجُلِ یَقُولُ : قدْ أَخَذْت قَدْ رَضِیت ، قَالَ : ہُوَ بِالْخِیَارِ مَا کَانَ عَلَی شَرْطِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৮৩৪ ) হজরত মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যে ব্যক্তি বলে , আমি তা পেয়েছি এবং এতে আমি সন্তুষ্ট , তাহলে সে যে শর্ত করল তা এখানে থাকুক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۳۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ : أَنَّ رَجُلاً سَاوَمَ رَجُلاً بِثَوْبٍ فَقَالَ رَجُلٌ : أَبِیعُک مِثْلَہُ بِکَذَا وَکَذَا ، فَبَاعَہُ مِنْہُ ، ثُمَّ انْطَلَقَ إلَی صَاحِبِ الثَّوْبِ فَاشْتَرَاہُ مِنْہُ ، ثُمَّ أَتَاہُ بِہِ فَأَبَی أَنْ یَقْبَلَہُ ، فَخَاصَمَہُ إلَی شُرَیْحٍ فَقَالَ : لاَ نَجِدُ شَیْئًا أَشْبَہَ بِہِ مِنْہُ ، فَأَجَازَہُ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৮৩৫) হজরত মুহাম্মদ ( সা .) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির কাছে একটি কাপড়ের দাম রাখল , সে ব্যক্তি বলল, আমি তোমাকে এত দামে একটি কাপড় বিক্রি করব , তারপর তার সঙ্গে বিক্রেতা ও কাপড় ব্যবসায়ীর কাছে গেল এবং ক্রয় করল তাঁর কাছ থেকে কাপড়টি নিয়ে গেলে তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করলেন , হযরত শরীয়াহর খেদমতে তাঁরা বললেন : এর চেয়ে বেশি কিছু আমরা দেখতে পাই না এটা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۸۳۶) حَدَّثَنَا الضَّحَّاکُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی رَجُلَیْنِ وَرِثَا أَمْوَالاً وَمَتَاعًا یَبِیعُ أَحَدُہُمَا صَاحِبَہُ قَبْلَ أَنْ یَقْتَسِمَا ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৮৩৬ ) হজরত আত্তাই (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, দুই ব্যক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু সম্পত্তি ও মালামাল পেয়েছিলেন , তারপর তাদের একজন তা অন্যের কাছে বণ্টন করে দিয়েছেন , যদি কিছু আগে বিক্রি হয়ে থাকে তবে তা কেমন ? দৃঢ় সঠিক .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৮৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস