(১৫) ( ২৩৮৭৯ ) আব্বাদ ইবনুল আওয়াম এর বরাতে জনগণের বরাতে : এক ব্যক্তি যে একজন ক্রীতদাসকে হত্যা করেছিল, সে বলল: সে স্বাধীন [হাদিসের সীমা (২১৫৩৭-২৫০৮৯), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৫৫৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৬৩টি]



23716 OK

(২৩৭১৬)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَقُولَ الرَّجُلُ لِلرَّجُلِ : اشْتَرِ مِنِّی ہَذَا الدِّینَارَ وَأَقْضِیک۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭১৭) হজরত ইব্রাহীম (আঃ) তা অপছন্দ করতেন যখন কেউ অন্যকে বলে , আমার কাছ থেকে এই আগুন কিনে নাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23717 OK

(২৩৭১৭)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۱۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : نَہَیْت ابْنَ الزُّبَیْرِ عَنْ بَیْعِ النَّخْلِ مُعَاوَمَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

(23718) হজরত জাবির বলেন, হজরত ইবনে যুবাইর ( রা . ) বছরের ভিত্তিতে খেজুর বিক্রি করাকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23718 OK

(২৩৭১৮)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ حُمَیْدٍ الأَعْرَجِ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ عَتِیقٍ ، عَنْ جَابِرٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَہَی عَنْ بَیْعِ النَّخْلِ سِنِینَ۔ (ابوداؤد ۳۳۶۷۔ مسلم ۱۱۷۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭১৯) হজরত জাবির ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) কয়েক বছর ধরে খেজুর বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23719 OK

(২৩৭১৯)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنْ أَیُّوبَ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ، عَنْ جَابِرٍ: أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَہَی عَنِ الْمُعَاوَمَۃِ۔ (مسلم ۱۱۷۵۔ ابوداؤد ۳۳۹۷)


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭২০ ) হজরত জাবির ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নিষেধ করেছেন ( অর্থাৎ বহু বছর করতে ) ক .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23720 OK

(২৩৭২০)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِیٍّ ، قَالَ : وُلِّیتُ صَدَقَۃَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إلَیَّ فَأَتَیْت مَحْمُودَ بْنَ لَبِیدٍ فَسَأَلْتُہُ ؟ فَقَالَ : إنَّ عُمَرَ کَانَ عِنْدَہُ یَتِیمٌ فَبَاعَ مَالَہُ ثَلاَثَ سِنِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(23721) হজরত মুহাম্মদ বিন আলী বলেন , আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর দান - খয়রাতের রক্ষক করা হয়েছিল , তাই আমি হজরত মুহাম্মদ বিন লাবীদ ( রা . ) -এর কাছে এলাম এবং তিনি তাদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারলেন । তিনি বললেনঃ হযরত ওমর ( রাঃ ) এর একটি এতিমের সম্পত্তি ছিল , তুমি তিন বছরের জন্য তার সম্পত্তি বিক্রি করেছ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23721 OK

(২৩৭২১)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : کَانَ إبْرَاہِیمُ یَکْرَہُ بَیْعَ النَّخْلِ السَّنَتَیْن ؟ قَالَ: کَانَ یَکْرَہ مَا ہُوَ أَہْوَنُ مِنْ ہَذَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭২২) হজরত মনসুরকে বলা হয় যে, হজরত ইব্রাহীম (আ.) দুই বছর পর্যন্ত খেজুর কসম খাওয়া অপছন্দ করতেন । হযরত মনসুর (রাঃ) বললেনঃ এর চেয়েও সহজ জিনিস তিনি অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23722 OK

(২৩৭২২)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ سَعد مَوْلَی عُمَرَ : أَنَّ أُسَیْدَ بْنَ حُضَیْرٍ مَاتَ وَعَلَیْہِ دَیْنٌ ، فَبَاعَ عُمَرُ ثَمَرَۃ أَرْضِہِ سَنَتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭২৩) হজরত সাদ থেকে বর্ণিত আছে যে , হজরত আসীদ বিন খাযির যখন মারা যান , তখন তার ওপর ঋণ ছিল, হজরত ওমর (রা.) তার জমির ফল দুই বছর বিক্রি করে দেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23723 OK

(২৩৭২৩)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۴) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، قَالَ :قَالَ سُفْیَانُ : لاَ رُجُوعَ فِی ہِبَۃٍ إِلاَّ عِنْدَ الْقَاضِی۔ وَقَالَ ابْنُ أَبِی لَیْلَی : یَرْجِعُ دُونَ الْقَاضِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(23724) হযরত সুফিয়ান বলেন যে হিবার রেফারেন্সটি বিচারকের কাছে থাকবে এবং হযরত ইবনে আবিল লায়লা বলেছেন যে তিনি বিচারকের কাছেও উল্লেখ করতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23724 OK

(২৩৭২৪)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : إذْ أَقَرَّ عِنْدَ الْقَاضِی بِشَیْئٍ ثُمَّ کَافَرَ أُخِذَ بِإِقْرَارِہِ إلاَّ الْحَدَّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭২৫) হজরত আমীর বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি বিচারকের কাছে কিছু স্বীকার করে এবং পরে তা অস্বীকার করে , তাহলে সে সীমা ছাড়া বাকিগুলো স্বীকার করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23725 OK

(২৩৭২৫)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ : فِی رَجُلَیْنِ تَدَارَآن الشَّیْئَ ، فَقَالَ أَحَدُہُمَا لِصَاحِبِہِ : إِنْ حَلَفْت ، فَہُوَ لَک۔ قَالَ : إِنْ حَلَفَ فَہُوَ لَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 23726 ) হজরত আমীর (রা.) বলেন , কোনো বিষয়ে দুজন মতভেদ করলে তাদের একজন যেন অন্যজনকে বলে , হাতিরা , যদি তুমি বাইয়াত করো , তিনি বললেন , যদি সে বাইয়াত করে , তাহলে তা তার হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23726 OK

(২৩৭২৬)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عُبَادَۃَ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ طَاوُسًا یَکْرَہُ بَیْعَ جُلُودِ النُّمُورِ ، وَعِظَامِ الْفِیلِ ، وَشِرَائَہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭২৭ ) হজরত মুহাম্মদ বিন মাইসরা বলেন , আমি হযরত তাওয়াস থেকে শুনেছি : তিনি একটি চিতাবাঘের চামড়া এবং একটি উটের হাড় ক্রয় - বিক্রয় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23727 OK

(২৩৭২৭)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ رَبِیعَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ : أَنَّہُ لَمْ یَرَ بَأْسًا بِبَیْعِ جُلُودِ النُّمُورِ وَشِرَائِہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭২৮ ) হযরত হাসান বলেন , চিতার চামড়া ক্রয় - বিক্রয়ে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23728 OK

(২৩৭২৮)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۲۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ وَابْنِ سِیرِینَ : أَنَّہُمَا لَمْ یَرَیَا بَأْسًا بِشِرَاء أَنْیَابِ الفِیَلَۃ ، وَلاَ بِبَیْعِہَا بَأْسًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 23729 ) হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সীরীন হাতির দাঁত ক্রয় - বিক্রয়ে কোনো ক্ষতি দেখতে পাননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23729 OK

(২৩৭২৯)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالتِّجَارَۃِ فِی الْعَاجِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 23730 ) হজরত মুহাম্মদ ( সা . ) বলেছেন , হাতির দাঁত কেনাবেচায় কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23730 OK

(২৩৭৩০)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ : فِی رَجُلٍ دَفَعَ إلَی نَسَّاجٍ غَزْلاً فَأَفْسَدَہُ، قَالَ : کَانَ شُرَیْحٌ یَقُولُ : أَقِمِ الْبَیِّنَۃَ أَنَّہُ أَفْسَدَہُ ، فَإِذَا أَقَامَ الْبَیِّنَۃَ ، قَالَ لِلنَّسَّاجِ : أَعْطِہِ مِثْلَ غَزْلِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭৩১ ) হজরত ইবনে সিরীনকে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কাপড় প্রস্তুতকারীর পশম নষ্ট করে দেয় । তিনি বলেন, হযরত শারঈ বলতেন যে, একজন সাক্ষী হাজির কর যে সে কাপড় নষ্ট করেছে , যদি সাক্ষী এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় , তাহলে কাপড় বুননকারীকে বলা হবে যে , তার পশমের মতো তাকে ফিরিয়ে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23731 OK

(২৩৭৩১)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، قَالَ : سَلَّمْتُ غَزْلاً لأُمِی إلَی نَسَّاجٍ فَأَفْسَدَہُ ، فَسَأَلْتُ إبْرَاہِیمَ ؟ فَقَالَ : یَضْمَنُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 23732 ) হজরত মনসুর বলেন , আমি আমার মায়ের একটি পশমী কাপড় একজন তাঁতিকে দিয়েছিলাম এবং সে তা নষ্ট করে দেয় .আপনি কি এটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন ? আপনি বলেছেন তিনি জামিনদার হবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23732 OK

(২৩৭৩২)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۳) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُسٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : لاَ یَبِیعَنَّ بِسُوقِکُمْ إنْسَانٌ إلاَّ إنْسَان یَعْقِلُ الْبَیْعَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭৩৩ ) হজরত ওমর (রা.) বললেন , তোমাদের বাজারে যে ব্যক্তি বেয়াহ্‌ বোঝে কেবল সে বিয়া করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23733 OK

(২৩৭৩৩)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ زَاذَانَ ، قَالَ : اسْتَوْدَعَ رَجُلاَنِ امْرَأَۃً وَدِیعَۃً وَقَالاَ لَہَا : لاَ تَدْفَعِیہَا إِلَی وَاحِدٍ مِنَّا حَتَّی نَجْتَمِعَ عِنْدَکَ ، ثُمَّ انْطَلَقَا فَغَابَا ، فَجَائَ أَحَدُہُمَا إلَیْہَا فَقَالَ : أَعْطِینِی وَدِیعَتِی فَإِنَّ صَاحِبِی قَدْ مَاتَ ، فَأَبَتْ حَتَّی کَثُرَ اخْتِلاَفُہُ إلَیْہَا ، ثُمَّ أَعْطَتْہُ ، ثُمَّ جَائَ الآخَرُ بَعْدُ فَقَالَ : ہَاتِی وَدِیعَتِی ، فَقَالَتْ : قَدْ جَائَ صَاحِبُک فَذَکَرَ أَنَّک قَدْ مِتَّ ، فَأَخَذَ وَدِیعَتَکُمَا مِنِّی ، فَارْتَفَعَا إلَی عُمَرَ ، فَلَمَّا قَصَّا عَلَیْہِ الْقِصَّۃَ ، قَالَ لَہَا عُمَرُ : مَا أَرَاک إلاَّ قَدْ ضَمِنْت ، قالَتِ الْمَرْأَۃُ : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ ، اجْعَلْ عَلِیًّا بَیْنِی وَبَیْنَہُ ، قَالَ لِعَلِیٍّ : اقْضِ بَیْنَہُمَا یَا عَلِیُّ ، قَالَ عَلِیٌّ : ہَذِہِ الْوَدِیعَۃُ عِنْدِی ، وَقَدْ أَمَرْتُماہَا أَلاَّ تَدْفَعَ إلَی وَاحِدٍ مِنْکُمَا حَتَّی تَجْتَمِعَا عِنْدَہَا ، فَأْتِنِی بِصَاحِبِکَ ، فَلَمْ یُضَمِّنْہَا ، قَالَ : فَرَأَوْا أَنَّہُمَا إنَّمَا أَرَادَا أَنْ یَذْہَبَا بِمَالِ الْمَرْأَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(23734) হজরত জাযান ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, দুই ব্যক্তি এক মহিলার কাছে আমানত রাখতে চাইলেন এবং তারা উভয়েই তাকে বললেন যে, আমরা দুজনে একত্রিত হওয়া ব্যতীত আমাদের কাউকে তা দেব না , অতঃপর তারা উভয়েই চলে গেল। কোথাও অদৃশ্য হয়ে গেল , তারপর কিছুক্ষণ পর তাদের একজন এসে মহিলাকে বলল , আমাকে আমার ভরসা দাও । আমার বন্ধু মারা গেছে , মহিলাটি অস্বীকার করল । যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মতানৈক্য বাড়ল , তখন মহিলাটি তাকে রেফার করল , তারপর কিছুক্ষণ পর আরেকজন এসে বলল , মেরী আমানত , আমাকে রেফার করুন , মহিলাটি বলল যে , আপনার বন্ধুটি এসেছে এবং সে বলছে আমার বন্ধু মারা গেছে সে আমার কাছ থেকে তোমার আমানত কেড়ে নিয়েছে । হজরত ওমর (রা.) - কে সম্পূর্ণ ঘটনাটি বলা হলে , হজরত ওমর ( রা.) ওই মহিলাকে বললেন , আমি তোমাকে জামিনদার ছাড়া তোমার কথা মনে করি না । মহিলাটি বলল , হে আমিরুল মুমিনীন ! হযরত আলী ( রাঃ) আমাদের মধ্যে এই নিয়মগুলি তৈরি করেছিলেন । হজরত ওমর (রা.) হজরত আলীকে বললেন , তাদের মধ্যে শান্তি স্থাপন কর , হজরত আলী বললেন , এই ভরসা আমার কাছে , এবং আপনি এই মহিলাকে এই আদেশ দিয়েছিলেন যে আমরা এটি আমাদের কাউকে দেব না , যতক্ষণ না উভয়ে একসাথে উপস্থিত না হয় । তাই, সবার আগে, সাথে অন্য কিছু নিয়ে আসুন । তিনি মহিলাকে জামিনদার করেননি , বর্ণনাকারী বলেছেন যে লোকেরা মনে করেছিল যে তারা উভয়েই এই মহিলার সম্পত্তি দখল করতে চায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23734 OK

(২৩৭৩৪)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ فِی الْمُضَارِبِ یَمُرُّ عَلَی الْعَاشِرِ فَیُہْدِی لَہُ وَیَصْنَعُ لَہُ قَارُورَۃً مِنَ الدُّہْنِ، قَالَ یَحْسَبُہُ مِنَ الرِّبْحِ، فَإِنْ لَمْ یَکُنْ رِبْحٌ فَمِنْ رَأْسِ الْمَالِ، قَالَ: یُصَانِعُ بِالْمَالِ عَنِ الْمَالِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭৩৫) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এই মুদারব সম্পর্কে বলেন , যে আশেরের পাশ দিয়ে যায় , তাকে একটি উপহার দিতে হবে এবং তিলককে উপহার দিতে হবে , তিনি লাভ থেকে এই ব্যয়টি গণনা করবেন এবং যদি লাভ না হয় তবে তিনি তা রাজধানী থেকে তুলে নেবেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23735 OK

(২৩৭৩৫)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ : فِی الرَّجُلِ یَبِیعُ سُرِّیَّۃً قَدْ وَلَدَتْ مِنْہُ فَیَشْتَرِیہَا رَجُلٌ فَیَقَعُ عَلَیْہَا فَتَلِدُ مِنْہُ أَیْضًا ، قَالَ : تُرَدُّ إلَی الأَوَّلِ ، وَیَکُونُ لَہَا صَدَاقُ مِثْلِہَا ، وَیَکُونُ وَلَدُہَا من الآخَرِ بِمَنْزِلَتِہَا یُعْتَقُونَ بِعِتْقِہَا ، وَیَأْخُذُ الآخَرُ ثَمَنَہَا مِنَ الأَوَّلِ ، فَإِنْ کَانَ وَاحِدٌ مِنْہُمَا عَلِمَ أَنَّہُ لاَ یَصْلُحُ عُوقِبَ ، فَإِنْ عَلِمَا کِلاَہُمَا عُوقِبَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭৩৬) হজরত হামদ (রা.) থেকে বর্ণিত যে , কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীকে কোনো ছেলের কাছে বিক্রি করে দেয় , তাহলে ক্রেতাকেও তার কাছে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে এবং তার সঙ্গে আরেকটি সন্তান হবে ? তিনি উত্তর দিলেন যে এই বন্ড প্রথম ব্যক্তির কাছে ফেরত দেওয়া হবে । ক্রীতদাসকে যৌতুক হিসেবে গণ্য করা হবে এবং তার দ্বিতীয় সন্তানটিও তার মতোই ক্রীতদাস হিসেবে গণ্য হবে এবং সম্পত্তি মুক্ত করার সাথে সাথে সেও মুক্ত হবে এবং দ্বিতীয় ব্যক্তিটি প্রথম থেকে ক্রীতদাসের সন্তান হবে । যদি তাদের মধ্যে কেউ জানত যে এটি সত্য নয় , তবে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে, এবং যদি তারা উভয়ই জানত তবে তাদের উভয়ই শাস্তির অধিকারী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23736 OK

(২৩৭৩৬)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۷) حَدَّثَنَا أَزْہَرُ السَّمَّانُ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ : فِی رَجُلٍ بَاعَ مِنْ رَجُلٍ مَتَاعًا فَوَضَعَہُ عِنْدَہُ ، فَبَاعَہُ الْمُبْتَاعُ ، قَالَ : الرِّبْحُ لِلأَوَّلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭৩৭) হজরত মুহাম্মাদ বলেন , যে ব্যক্তি অন্যের কাছে কিছু বিক্রি করে তার কাছে মাল রাখল , আর ক্রেতা তা বিক্রি করলে প্রথম লাভ হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23737 OK

(২৩৭৩৭)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ : فِی رَجُلٍ اشْتَرَی مِنْ رَجُلٍ مَتَاعًا ، فَذَہَبَ یَجِیئُ بِحَمَّالٍ یَنْقُلُہُ، فَوَجَدَ صَاحِبَہُ قَدْ بَاعَہُ ، قَالَ : إِنْ وَجَدَ شَیْئًا بِعَیْنِہِ أَخَذَہُ ، وَإِنْ کَانَ قَدْ ذَہَبَ فَلَمْ یُقْدَرْ عَلَیْہِ فَلاَ شَیْئَ لَہُ ، وَرِبْحُہُ لِلَّذِی بَاعَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭৩৮) হজরত হামদ (রা.) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি অন্যের কাছ থেকে মালামাল ক্রয় করল , অতঃপর সে মাল বহনকারী ব্যক্তিকে নিয়ে গেল , তারপর যখন সে ফিরে এল, তখন সে তা অগ্রিম বিক্রি করে দিয়েছিল, তাই তিনি বললেন যদি সে পনির খুঁজে পায় না , তার কাছ থেকে নেওয়া উচিত । আর যদি দ্বিতীয় ক্রেতা তা নিয়ে থাকে এবং এখন জিনিসটি খুঁজে না পাওয়া যায় , তাহলে প্রথম ক্রেতার কাছে বিক্রি হবে না । আর লাভ বিক্রেতারই হবে যদি সে এর অনুরূপ কিছু পায় তাহলে তার কাছ থেকে লাভ হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23738 OK

(২৩৭৩৮)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۳۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : شَہِدْت الْحَکَمَ سَأَلَ إبْرَاہِیمَ فَلَمْ یُجِبْہُ عَنْہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭৩৯ ) হজরত মুগীরা বলেন , আমি হজরত হাকামের কাছে উপস্থিত ছিলাম এবং তিনি হজরত ইব্রাহিম (আ.) - এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলেন , কিন্তু তাকে কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23739 OK

(২৩৭৩৯)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۴۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا زَکَرِیَّا ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الرَّہْنُ یُرْکَبُ إذَا کَانَ مَرْہُونًا ، وَلَبَنُ الدَّرِّ یُشْرَبُ إذَا کَانَ مَرْہُونًا ، وَعَلَی الَّذِی یَرْکَبُ وَیَشْرَبُ نَفَقَتُہُ۔ (بخاری ۲۵۱۱۔ ابوداؤد ۳۵۲۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭৪০) হজরত আবু হুরায়রা ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : সে বন্ধক রাখা জিনিসের ওপর চড়বে এবং দুধ পান করবে এবং যে ব্যক্তি দুধ পান করবে এবং তার ওপর চড়বে সে তার জীবিকা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23740 OK

(২৩৭৪০)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۴۱) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ۔ وَعَنْ عَبَّادِ بْنِ الْعَوَّامِ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ : فِی عَبْدٍ رُہِنَ ، قَالَ : نَفَقَتُہُ عَلَی الرَّاہِنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭৪১) হজরত শাবিকে বন্ধক রাখা ক্রীতদাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , তার ভরণ-পোষণ বন্ধকের ওপর রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23741 OK

(২৩৭৪১)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۴۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُفَضَّلُ بْنُ مُہَلْہِلٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، قَالَ : نَفَقَۃُ الرَّہْنِ عَلَی الرَّاہِنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭৪২) হজরত সুফীন বলেন , বন্ধকের ভরণপোষণ বন্ধকদারের ওপর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23742 OK

(২৩৭৪২)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۴۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ: سَمِعْتُ حَسَنَ بْنَ صَالِحٍ ، قَالَ: نَفَقَۃُ الرَّہْنِ عَلَی الْمُرْتَہِنِ لأَنَّہُ فِی ضَمَانِہِ۔ وَقَوْلُ أَبِی حَنِیفَۃَ : عَلَی الرَّاہِنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৩৭৪৩) হজরত হাসান বিন সালেহ বলেন , বন্ধকের ভরণপোষণ বন্ধকদারের ওপর, কারণ সে তার জামিনদার , আর হজরত আবু হানিফা বলেন , রক্ষণাবেক্ষণ বন্ধকদারের ওপর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23743 OK

(২৩৭৪৩)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۴۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : سَأَلْتُ شَرِیکًا : عَلَی مَنْ نَفَقَۃُ الْحَیَوَانِ إذَا کَانَ رَہْنًا ؟ قَالَ : عَلَی الرَّاہِنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭৪৪ ) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে আদম বলেন , আমি হজরত শিরকের কাছ থেকে জানতে পেরেছি যে , কোনো পশু বন্ধক হিসেবে দিলে তার ভরণপোষণ কে দেবে ? পথে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23744 OK

(২৩৭৪৪)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۴۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الرَّبِیعِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَبَا جَعْفَرٍ عَنْ رَجُلٍ أَشْتَرِی مِنْہُ طَعَامًا فَیُعْطِینِی بَعْضَہُ ثُمَّ یُقْطَعُ بِہِ فَلاَ یَجِدُ مَا یُعْطِینِی فَیَقُولُ : بِعْنِی مِنْ طَعَامِکَ حَتَّی أُعْطِیَک ؟ قَالَ : لاَ تَقْرَبَنَّ ہَذَا ، ہَذَا الرِّبَا الصَّرَاحِیَۃُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭৪৫ ) হজরত রাবী বলেন , আমি হজরত আবু জাফর ( রা.)- এর কাছ থেকে জানতে পারলাম যে, আমি এই ব্যক্তির কাছ থেকে গম কিনেছিলাম , তারপর তিনি আমাকে কিছু গম দিয়েছিলেন । তার কাছে আমাকে দেওয়ার মতো কিছুই ছিল না। তিনি বললেন, তোমার গম আমার কাছে বিক্রি কর যাতে আমি তোমাকে ( বাকী অংশ ) দিতে পারি ? হযরত আবু জাফর (রাঃ) বললেনঃ তার ধারে কাছে যেও না , এটা উন্মুক্ত সুদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



23745 OK

(২৩৭৪৫)

সহিহ হাদিস

(۲۳۷۴۶) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَامِرٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ : فِی رَجُلٍ اسْتَأْجَرَ أَجِیرًا فَآجَرَہُ بِأَکْثَرَ مِمَّا اسْتَأْجَرَہُ ، قَالَ الْفَضْلُ لِلأَوَّلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৩৭৪৬ ) হজরত ইবনে ওমর (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি কোনো শ্রমিককে ভাড়ায় নেয় এবং তাকে বেশি ভাড়ায় দেয় , তাহলে প্রথম ব্যক্তি বেশি পরিমাণ পাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৭৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস