
(۲۳۴۷۷) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ رِبْعِیٍّ ، عَنْ أَبِی الْیَسَرِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا ، أَوْ وَضَعَ لَہُ ، أَظَلَّہُ اللَّہُ فِی ظِلِّ عَرْشِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৭৭) মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন অভাবীকে অবকাশ দেয় সে যেন তাকে ক্ষমা করে দেয় , আল্লাহ তাকে আরশের পাশে স্থান দান করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۷۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ عُمَیْرٍ ، قَالَ : شَہِدَ رَجُلاَنِ عِنْدَ شُرَیْحٍ لِرَجُلٍ عَلَی شَیْئٍ ، قَالَ الأَعْمَشُ : أَرَاہُ قَالَ : عَلَی بَغْلٍ فَقَالَ : نَشْہَدُ أَنَّ ہَذَا اشْتَرَاہُ مِنْ ہَذَا ، قَالَ أَحَدُ الشَّاہِدَیْنِ: وَأَشْہَدُ أَنَّہُ فَاجِرٌ ، فَقَالَ شُرَیْحٌ : وَمَا یُدْرِیک أَنَّہُ فَاجِرٌ ؟ قُمْ لاَ شَہَادَۃَ لَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৭৮ ) হজরত আম্মার ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , দুজন ব্যক্তি হজরত শরীয়াহর কাজী শরীয়াহ - এর উপস্থিতিতে এক ব্যক্তি সম্পর্কে সাক্ষ্য দিলেন । আমিশ বলেছেন যে তিনি গাধাটিকে সাক্ষী হিসাবে ভাবছেন . প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন , আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে , তিনি অমুকের কাছ থেকে এই গাধাটি কিনেছিলেন । তখন সাক্ষী বললো , আমি সাক্ষ্য দিয়েছি যে ইনি একজন মিথ্যাবাদী । শরীয়া বলেছেন যে, আপনি কিভাবে বুঝলেন যে , ফজর হয়ে গেছে , উঠে দাঁড়াও এবং আপনার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۷۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ ، عَنِ الْجَعْدِ بْنِ ذَکْوَانَ ، قَالَ : تَقَدَّمَ رَجُلٌ إلَی شُرَیْحٍ ، قَالَ : فَدَعَا بِشَاہِدٍ لَہُ فَقَالَ : أَیْنَ رَبِیعَۃُ الْکُوَیْفِرُ ، فَجَائَ ہُ ، فَقَالَ شُرَیْحٌ : أَقْرَرْتَ بِکُوَیْفِر ، فَرَدَّ شَہَادَتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23479) হজরত জাদ বিন জাকওয়ান থেকে বর্ণিত যে , এক ব্যক্তি হজরত শারিয়ার কাছে আসলেন এবং হজরত শারিয়ার সাক্ষীকে ডাকলেন । হজরত শরীয়াহ জানতে পারলেন যে তিনি তাকে একজন কুফির ( ছোট কাফের ) দিয়ে পবিত্র করছেন , তারপর তার সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ : لَوْ شَہِدَ رَجُلاَنِ عَلَی رَجُلٍ أَنَّہُ طَلَّقَ امْرَأَتَہُ ، ثُمَّ رَجَعَا عَنْ شَہَادَتِہِمَا قَالَ : الطَّلاَقُ بَاقٍ إِنْ لَمْ یَکُنْ دَخَلَ بِہَا ، رَجَعَ الزَّوْجُ عَلَیْہِمَا بِنِصْفِ الصَّدَاقِ ، وَإِنْ کَانَ قَدْ دَخَلَ بِہَا فَلاَ شَیْئَ عَلَیْہِمَا۔ یَعْنِی : مِنَ الصَّدَاقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৮০) হজরত সূফী (র.) থেকে বর্ণিত যে , দুই ব্যক্তি যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় যে, সে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে , তাহলে উভয়েই তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় , তিনি বলেন : যদি স্বামী অনুপ্রবেশ না করত, তাহলে তালাক দাঁড়াবে এবং স্বামীর হবে এই সাক্ষীদের কাছ থেকে অর্ধেক যৌতুক চাইবে, আর যদি স্বামী অনুপ্রবেশ করে থাকে , তাহলে সাক্ষীদের কিছু দিতে হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ عُثْمَانَ الْبَتِّیِّ ، عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِ إبْرَاہِیمَ ، عَنْ إبْرَہِیمٍ : فِی رَجُلٍ أَذِنَ لِعَبْدِہِ فَلَحقہُ دَیْنٌ ، وَمَاتَ الْمَوْلَی وَعَلَیْہِ دَیْنٌ ، قَالَ : یُبْدَأُ بِدَیْنِ الْمَوْلَی قَبْلَ دَیْنِ الْعَبْدِ۔ قَالَ الْبَتِّیُّ : لاَ یُعْجِبُنِی ذَلِکَ ، یُبْدَأُ بِدَیْنِ الْعَبْدِ قَبْلَ دَیْنِ الْمَوْلَی ، لأَنَّہُ أَطْلَقَ رَقَبَتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৮১) হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার ক্রীতদাসকে ব্যবসা করার অনুমতি দিল , অতঃপর সে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ল এবং মনিব ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মারা গেলেন তিনি বললেন : সে ঋণের পূর্বে মনিবের ঋণ দিয়ে শুরু করবে ক্রীতদাস তিনি বললেনঃ সে প্রভুর ঋণের আগে ক্রীতদাসের ঋণ দিয়ে শুরু করবে , কারণ সে তার স্বাধীনতা নিরঙ্কুশ রেখেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ مُبَارَکٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِعَطَائٍ : آتِی حَرِیفِی فَأَشْتَرِی مِنْہُ الْمَتَاعَ وَأَزِیدُہُ فِی ثَمَنِہِ ، وَلَوْ شِئْتَ أَخَذْتَہُ مِنْہُ بِدُونِ ذَلِکَ ، أَبِیعُہُ مِنْہُ مُشَافَّۃً ؟ قَالَ : لاَ ۔ یَعْنِی : مُرَابَحَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৮২ ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি হজরত আতা থেকে জানতে পারলাম যে , আমি আমার পেশার একজন ব্যক্তির কাছে গিয়ে পণ্য ক্রয় করি এবং আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ । আপনি যদি এই জিনিসগুলি কিনে থাকেন তবে আপনি সেগুলি কম টাকায় কিনবেন তাহলে , আমি কীভাবে তার কাছ থেকে জিততে পারি ? তিনি উত্তর দিলেন যে না ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۳) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : قبْض النخل : أَنْ یَنْظُرَ إلَیْہِ ویقلِّبہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23483) হজরত শাবি ( র . ) বলেন , খেজুরের অধিকার হল তা দেখে উল্টে দেওয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ : فِی رَجُلٍ ، قَالَ لِرَجُلٍ : إِنْ لَمْ آتِکَ بِحَقِّکَ إلَی کَذَا وَکَذَا فَدَارِی لَکَ ، فَقَالَ شُرَیْحٌ : إِنْ أَخْطَتْ یَدُہُ رِجْلَہُ غَرِمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৮৪ ) হজরত ইবনে সিরীন থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি অপরকে বলল , আমি যদি তোমাকে এতটুকু না আনি , তাহলে আমি তোমাকে হত্যা করব , হজরত শরীআহ বললেন : যদি তার হাতের ভুল হয় তাহলে কি তার পা হবে ? ভুল?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی شُرَیْحٍ فَقَالَ : إنِّی اسْتَوْدَعْتُ ہَذَا وَإِنَّہَا ذَہَبَتْ وَہُوَ یَنْظُرُ ، فَقَالَ شُرَیْحٌ : شُہُودُکَ أَنَّہَا ذَہَبَتْ وَہُوَ یَنْظُرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23485) জনৈক ব্যক্তি হযরত শরীআহ (র. ) - এর কাছে এসে বললেন , আমি তাঁর কাছে একটি আমানত রেখেছি । হারিয়ে গেলেও খেতে থাকল । হজরত শরীয়াহ বলেন , একজন সাক্ষী নিয়ে এসো যে, এটা নষ্ট হয়ে গেছে এবং খেতেই থাকলো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۶) حَدَّثَنَا علی ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ عَنِ الْقَرْیَۃِ یَتَقَبَّلُہَا وَفِیہَا الْعُلُوجُ وَالْبُیُوتُ وَالنَّخْلُ وَالشَّجَرُ ؟ فَکَرِہَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৮৬) হজরত সাঈদ বিন জাবিরের কাছ থেকে জানা গেল যে, যে গ্রামে বাড়িঘর , গাছপালা ও খেজুর বাগান আছে , সে গ্রাম ( এলাকা ) তারা কীভাবে মেনে নেবে ? আপনি এটা অপছন্দ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۷) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : سَأَلَہُ رَجُلٌ وَأَنَا أَسْمَعُ : أَیَتَقَبَّلُ الرَّجُلُ الأَرْضَ فِیہَا الْعُلُوجُ وَالثِّمَارُ وَالْبُیُوتُ ؟ فَقَالَ : لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৮৭ ) এক ব্যক্তি হজরত ইবরাহীম (আ. ) থেকে জানতে পারলেন যে , যে জমিতে ফলমূল , বাড়িঘর ও গাছপালা আছে , তা কি মানুষ গ্রহণ করবে ? সে বলল না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ: أَنَّہُ کَرِہَ قَبَالَۃَ الرُّؤُوسِ ، وَلَمْ یَرَ بِالْقُرَی بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৮৮) হজরত আবু জাফর সংখ্যার গ্যারান্টার হওয়া অপছন্দ করতেন, কিন্তু কিছু গ্রামে কোনো ক্ষতি আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۸۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْمُثَنَّی بْنُ سَعِیدٍ الضُّبَعِیُّ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ بُشَیْرِ بْنِ کَعْبٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اجْعَلُوا الطَّرِیقَ سَبْعَۃَ أَذْرُعٍ۔ (بخاری ۲۴۷۳۔ مسلم ۱۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(23489) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ সাত গজ চওড়া একটি পথ রাখো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا اخْتَلَفْتُمْ فِی الطَّرِیقِ فَاجْعَلُوہُ سَبْعَۃ أَذْرُعٍ۔(ابن ماجہ ۲۳۳۹۔ احمد ۱/۲۳۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(23490) মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ পথ নিয়ে বিবাদ হলে সাত গজ পথ রাখবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : مَنْصُورُ بْنُ دِینَارٍ ، عَنْ أَبِی عِکْرِمَۃَ الْمَخْزُومِیِّ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَمْنَعْ أَحَدُکُمْ جَارَہُ أَنْ یَضَعَ خَشَبَۃً عَلَی جِدَارِہِ۔ (احمد ۲/۴۴۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৯১ ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যেন তার প্রতিবেশীকে তার বেড়ার উপর লাঠি লাগাতে নিষেধ না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَمْنَعْ أَحَدُکُمْ جَارَہُ أَنْ یَضَعَ خَشَبَۃً عَلَی جِدَارِہِ۔ قَالَ : وَقَالَ أَبُو ہُرَیْرَۃَ : مَا لِی أَرَاکُمْ عنہا مُعْرِضِینَ ، وَاللَّہِ لأَرْمِیَنَّ بِہَا بَیْنَ أَکْتَافِکُمْ۔ (بخاری ۲۴۶۳۔ مسلم ۱۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৯২) হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন : যে ব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে দেয়ালে লাগাতে নিষেধ করবে না । হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) বললেন , আমার কী হল যে আমি তোমাকে এতে আপত্তি করতে দেখছি ? ! আমি সেই লাঠিটা তোমার কাঁধের মাঝে মারবো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ بَنَی بِنَائً فَلْیُدَعِّمْہُ بِحَائِطِ جَارِہِ۔ (احمد ۲۳۵۔ طبرانی ۱۱۸۰۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৯৩) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : যে ব্যক্তি ঘর নির্মাণ করে সে যেন তার প্রতিবেশীর জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِی النَّجُودِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ رَبِیعَۃَ، قَالَ: قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: عُدِلَتْ شَہَادَۃُ الزُّورِ بِالشِّرْکِ بِاللَّہِ، ثُمَّ قَرَأَ: {فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الأَوْثَانِ وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৯৪ ) হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , আল্লাহ তায়ালা মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়াকে শিরকের সমান ঘোষণা করেছেন । অতঃপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন :
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ سُفْیَانَ الْعُصْفُرِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ النُّعْمَانِ الأَسَدِیِّ ، عَنْ خُرَیْمِ بْنِ فَاتِکٍ ، قَالَ : صَلَّی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الصُّبْحَ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ قَامَ قَائِمًا فَقَالَ : عَدَلَتْ شَہَادَۃُ الزُّورِ بِالشِّرْکِ بِاَللَّہِ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ تَلاَ ہَذِہِ الآیَۃَ : {وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ حُنَفَائَ لِلَّہِ غَیْرَ مُشْرِکِینَ بِہِ}۔ (ترمذی ۲۲۹۹۔ ابوداؤد ۳۵۹۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৯৫) হজরত খুরাইম ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ফজরের নামায পড়লেন , তারপর তিনি বলতে লাগলেন , মিথ্যা সাক্ষী দেওয়া আল্লাহর সাথে শিরকের সমতুল্য । তিনি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) এটি তিনবার বললেন , এবং প্রতিবার তিনি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বললেন : তিনি পাঠ করলেন : { ওয়াজতানিবুওয়া কুল আল-জুর-ই-হুনাফাই লিল্লাহি গায়ি - রি - মুশরিক - ই - নি - বিহ -ই । }
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ : أَلاَ لاَ یُؤْسَرَنَّ أَحَدٌ فِی الإِسْلاَمِ بِشَہَادَۃِ الزُّورِ فَإِنَّا لاَ نَقْبَلُ إلاَّ الْعُدُولَ۔ (مالک ۷۲۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৯৬ ) হজরত উমর বিন খাত্তাব ( রা . ) বলেন , ইসলামে কেউ কখনো মিথ্যা সাক্ষ্য দেবে না , নিশ্চয়ই আমরা শুধু ধার্মিকদের সাক্ষ্য গ্রহণ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ ابنِ عُمَرَ ، عَنِ ابْنِ الْحَنَفِیَّۃِ : {وَلاَ تَقْفُ مَا لَیْسَ لَکَ بِہِ عِلْمٌ} قَالَ: شَہَادَۃُ الزُّورِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৯৭) হজরত ইবনুল হানাইফাহ বলেন , ওয়ালা তাকফ মা লা ইয়া সালাক বিহ ইলম অর্থ মিথ্যা সাক্ষী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۸) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ وَشَرِیکٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ وَائِلِ بْنِ رَبِیعَۃَ ، قَالَ : عَدَلَتْ شَہَادَۃُ الزُّورِ بِالشِّرْکِ بِاللَّہِ ، وَتَلاَ أَحَدُہُمَا : {وَالَّذِینَ لاَ یَشْہَدُونَ الزُّورَ} وَتَلاَ الآخَرF : {وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৯৮ ) হজরত ওয়াইল ইবনে রাবিয়াহ বলেন , মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া আল্লাহর সাথে শিরকের সমতুল্য , অতঃপর তিনি তাদের মধ্য থেকে এই আয়াতটি পাঠ করলেন : এবং অন্যজন এই আয়াতটি পাঠ করলেন :
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۹۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِیعَۃَ ، قَالَ : شَہِدْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَقَامَ شَاہِدَ زُورٍ عَشِیَّۃً فِی إزَارٍ یُنَکِّتُ نَفْسَہُ۔ (عبدالرزاق ۱۵۳۸۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৯৯) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমির ইবনে রাবিয়াহ বলেন , হজরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা . ) সন্ধ্যায় কম্বলে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মিথ্যা সাক্ষীকে তিরস্কার করছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۵۰۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی حَصِیْنٍ ، قَالَ : کَانَ شُرَیْحٌ یَبْعَثُ بِشَاہِدِ الزُّورِ إلَی مَسْجِدِ قَوْمِہِ ، أَوْ إلَی سُوقِہِ : إنَّا قَدْ زَیَّفْنَا شَہَادَۃَ ہَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৫০০) হযরত শরীয়া ( রহঃ ) মিথ্যা সাক্ষীকে মসজিদে বা বাজারে পাঠাতেন এবং ঘোষণা করতেন যে , আমরা তার সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করেছি ( সে মিথ্যা ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۵۰۱) حَدَّثَنَا وکیع ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، قَالَ : جَلَسَ إلَیَّ الْقَاسِمُ فَقَالَ : أَیَّ شَیْئٍ کَانَ یَصْنَعُ شُرَیْحٌ بِشَاہِدِ الزُّورِ إذَا أَخَذَہُ ؟ قَالَ : قُلْتُ : کَانَ یَکْتُبُ اسْمَہُ عِنْدَہُ ، فَإِنْ کَانَ مِنَ الْعَرَبِ بَعَثَ بِہِ إلَی مَسْجِدِ قَوْمِہِ ، وَإِنْ کَانَ مِنَ الْمَوَالِی بَعَثَ بِہِ إلَی سُوقِہِ ، یُعْلِمُہُمْ ذَلِکَ مِنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23501) হজরত আবু হুসাইন (রা.) বলেন , হযরত কাসিম (রা.) আমার কাছে আসতেন এবং তিনি বলতেন : হযরত শরীফ যখন কোনো মিথ্যা সাক্ষীকে ধরতেন, তখন তিনি এ বিষয়ে কথা বলতেন বললেন : আমি তার সাথে তার নাম লিখতাম , তারপর যদি সে আরব হতেন, তাহলে আমি তাকে মসজিদে পাঠাতাম , এবং যদি সে একজন শিক্ষক হতো , তাহলে আমি তাকে বাজারে পাঠাতাম এবং লোকদের সম্পর্কে জানাতাম এটা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৫০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۵۰۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ الْجَعْدِ بْنِ ذَکْوَانَ ، قَالَ : شَہِدْتُ شُرَیْحًا ضَرَبَ شَاہِدَ الزُّورِ خَفَقَاتٍ ، وَنَزَعَ عِمَامَتَہُ عَنْ رَأْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৫০২ ) হজরত জাদ বলেন , আমি হজরত শরিয়ার সঙ্গে উপস্থিত ছিলাম । তাকে যে জুতা দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল তা উল্লেখ করা যায়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৫০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۵۰۳) حَدَّثَنَا وکیع ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ الْجَزَرِیِّ ، قَالَ : شَہِدَ قَوْمٌ عِنْدَ عمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ عَلَی ہِلاَلِ رَمَضَانَ ، فَاتَّہَمَہُمْ فَضَرَبَہُمْ سَبْعِینَ سَبْعِینَ ، وَأَبْطَلَ شَہَادَتَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23503) হজরত আবদুল করিম আল - জাযারি ( রা.) বর্ণনা করেন যে, কিছু লোক হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ - এর কাছে রমজানের চাঁদ সম্পর্কে সাক্ষ্য দিলে তিনি তাদের মিথ্যাবাদী ঘোষণা করেন এবং তাদের সবাইকে বেত্রাঘাত করা হয় এবং তাদের সাক্ষ্য বাতিল করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৫০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۵۰۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : شَاہِدُ الزُّورِ یُعَزَّرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৫০৪ ) হযরত জাহরি ( রহঃ ) বলেন , মিথ্যা সাক্ষীর শাস্তি হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৫০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۵۰۵) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : شَاہِدُ الزُّورِ یُضْرَبُ شَیْئًا وَیُعَرَّفُ النَّاسَ ، وَیُقَالُ : إنَّ ہَذَا شَہِدَ بِزُورٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৫০৫ ) হযরত হাসান বলেন , মিথ্যা সাক্ষীকে হত্যা করা হবে, তাকে জনগণের মধ্যে প্রসিদ্ধ করা হবে এবং ঘোষণা করা হবে যে সে মিথ্যা সাক্ষী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৫০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۵۰۶) حَدَّثَنَا عَبَّادٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : شَاہِدُ الزُّورِ یُضْرَبُ مَا دُونَ أَرْبَعِینَ : خَمْسَۃً وَثَلاَثِینَ، سِتَّۃً وَثَلاَثِینَ ، سَبْعَۃً وَثَلاَثِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23506) হযরত শাবি ( র .) বলেন , মিথ্যা সাক্ষীর বয়স চল্লিশ , পঁচিশের কম । ছাদ ফলস্বরূপ তাদের বেত্রাঘাত করা হবে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৫০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস