
(۲۳۴۴۷) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، نَحْوَہُ إلأَأَنَّہُ زَادَ فِیہِ : فَإِنْ أَتَاہُ أَمْرٌ لاَ یَعْرِفُہُ فَلْیُقِرَّ ، وَلاَ یَسْتَحْیِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৪৭) হজরত আবদুল্লাহ ( রা .) থেকে এভাবে বর্ণিত হয়েছে , তবে এতে আরও অনেক কিছু আছে যে , যদি তিনি জানেন না , তাহলে তিনি তা স্বীকার করবেন না ( ইয়ান - ই - মান ) আমি এই ব্যাপারটা জানি না ) এবং লজ্জিত হওয়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۴۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَبِی یَزِیدَ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ إذَا سُئِلَ عَنِ الأَمْرِ ، وَکَانَ فِی الْقُرْآنِ أَخْبَرَ بِہِ ، وَإِنْ لَمْ یَکُنْ فِی الْقُرْآنِ ، فَکَانَ عَنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَخْبَرَ بِہِ ، فَإِنْ لَمْ یَکُنْ فَعَنْ أَبِی بَکْرٍ وَعُمَرَ رضی اللَّہُ عَنْہُما ، فَإِنْ لَمْ یَکُنْ قَالَ فِیہِ بِرَأْیِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23448 ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)- এর কাছে যখন কোনো কিছু নাযিল হতো এবং তা কুরআনে থাকতো, তখন তিনি তা বলতেন , আর যদি তা কুরআনে না থাকতো , তাহলে আমি তাকে জানাতাম । রাসূলুল্লাহ ( সাঃ) হতেন এবং আমি যদি সেখানে না থাকতাম তবে হযরত আবু বকর ও উমর ( রাঃ) এর বাণী পাঠ করতাম এবং আমি যদি সেখানে না থাকতাম তবে লোকেরা তাদের নিজস্ব মতামত নিয়ে ইজতিহাদ করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۴۹) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَیْفُ بْنُ سُلَیْمَانَ الْمَکِّیُّ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِینَارٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَضَی بِشہادۃ شَاہِدٍ وَیَمِینٍ۔ (مسلم ۳۔ ابوداؤد ۳۶۰۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৪৯) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সাক্ষী ও শপথের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا جُوَیْرِیَۃُ بْنُ أَسْمَائَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ سُرَّق: أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَضَی بِشَہَادَۃِ شَاہِدٍ مَعَ یَمِینٍ۔ (ترمذی ۱۳۴۵۔ ابن ماجہ ۲۳۷۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৫০ ) হযরত সুরাক (রহঃ) থেকে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَضَی بِشَہَادَۃِ شَاہِدٍ وَیَمِینٍ ، قَالَ : وَقَضَی بِہَا عَلِیٌّ رضی اللَّہُ عَنْہُ بَیْنَ أَظْہُرِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23451) হজরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) একজন সাক্ষী ও শপথ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং হজরত আল হে ( রা. ) ও তাঁর সাথে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন । তোমার সামনে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِی کَرِیمَۃَ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَضَی بِشَہَادَۃِ شَاہِدٍ وَیَمِینٍ فِی الْحُقُوقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৫২) হজরত আবু জাফর (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সাক্ষী ও শপথের মাধ্যমে অধিকারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ سَوَّارِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قُلْتُ لِرَبِیعَۃَ : قَوْلُکُمْ فِی شَہَادَۃِ شَاہِدٍ وَیَمِینِ صَاحِبِ الْحَقِّ ؟ قَالَ : وُجِدَ فِی کِتَابِ سَعْدٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৫৩) হজরত সাওয়ার ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , আমি হজরত রাবিয়া ( রা . ) থেকে জানতে পেরেছি যে , তিনি বলেন , সাহাবী হক সাক্ষী এবং শপথের সঙ্গে রায় দেবেন বলুন , হযরত সাদ ( রা ) এর কিতাবটি এরকম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ الْقَطَّانُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ أَبِی الزِّنَادِ : أَنَّ عَبْدَ الْحَمِیدِ کَانَ یَقْضِی بِالْیَمِینِ بِالْکُوفَۃِ مَعَ الشَّاہِدِ ، قَالَ : فَأَنْکَرَ عَلَیْہِ نَاسٌ مِنْ أَہْلِ الْکُوفَۃِ ، فَکَتَبَ إلَی عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ فَکَتَبَ إلَیْہِ : أَنْ یَقْضِیَ بِالْیَمِینِ مَعَ الشَّاہِدِ ، فَقَالَ شَیْخٌ مِنْ مَشِیْخَتِہِمْ ، أَوْ قَالَ : مِنْ کُبَرَائِہِمْ : شَہِدْتُ شُرَیْحًا یَقْضِی بِالْیَمِینِ مَعَ الشَّاہِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৫৪ ) হজরত আবু জানাদ থেকে বর্ণিত যে , হজরত আবদুল হামিদ কুফায় সাক্ষী ও শপথ নিয়ে ফয়সালা দিতেন ব্যাপার । কে বললেন, আমি হযরত শরীহের কাছে উপস্থিত ছিলাম , তিনি সাক্ষী ও শপথ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۵) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَصِینٍ ، قَالَ : قَضَی عَلَیَّ عَبْدُ اللہِ بْنُ عُتْبَۃَ بِشَہَادَۃِ شَاہِدٍ مَعَ یَمِینِ صَاحِبِ الْحَقِّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৫৫) হজরত হুসাইন বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উতবা সাহাব হকের পক্ষে এক সাক্ষী ও শপথ নিয়ে আমার বিরুদ্ধে রায় দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۶) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِیدِ الْعَتَکِیِّ : أَنَّ یَحْیَی بْنَ یَعْمُرَ کَانَ یَقْضِی بِشَہَادَۃِ شَاہِدٍ وَیَمِینٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৫৬) হযরত ইয়াহইয়া বিন উমর ( রাঃ ) সাক্ষী ও শপথ নিয়ে বিচার করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ سَالِمٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الشَّعْبِیَّ وَسُئِلَ عَنْ قَاضٍ قَضَی بِجَوْرٍ ، فَقَالَ الشَّعْبِیُّ : أَمَّا الْجَوْرُ فَلاَ أَقُولُ فِیہِ ، یَقُولُ : إِنَّہُ لاَ یَنْبَغِی لَہُ أَنْ یَجُورَ ، وَلَکنْ أَیُّمَا قَاضٍ قَضَی ، فَجَائَ قَاضٍ مِنْ بَعْدِہِ ، فَلاَ یَنْبَغِی لَہُ أَنْ یَنْظُرَ فِی قَضَائِہِ ، وَیُوَلِّیہِ مِنْ ذَلِکَ مَا کَانَ تَوَلَّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৫৭ ) হজরত শাবি থেকে জানা গেল , বিচারক যদি অন্যায়ভাবে শাস্তি দেন ? হযরত শাবি ( রহঃ ) বলেনঃ আমি যুলুম সম্পর্কে কিছু বলি না , তিনি বলেন , বিচারকের পক্ষে অন্যায়ভাবে বিচার করা ঠিক নয় । তবে বিচারক নেই করবেন , তারপর অন্য বিচারকের কাছে রায় নিয়ে আসতে হবে , প্রথম বিচারকের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা এই দ্বিতীয় বিচারপতির পক্ষে উপযুক্ত নয় । এবং যে সিদ্ধান্তের জন্য তিনি দায়ী ছিলেন তার হাতে তুলে দেওয়া উচিত
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رَاشِدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : لاَ یُبَاعُ حُرٌّ فِی إفْلاَسٍ ، قَالَ : وَکَتَبَ بِذَلِکَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِیزِ رحمہ اللہ تعالی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৫৮ ) হজরত মাখুল বলেন , দারিদ্র্যের কারণে মুক্ত মানুষকে বিক্রি করা যায় না । এই বলে যে এটি উমর বিন আবদুল আজিজ লিখেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۵۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ یَزِیدَ ، عَنْ أَیُّوبَ أبی الْعَلاَئِ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، وَأَبِی ہَاشِمٍ : فِی رَجُلٍ ادَّعَی قِبَلَ رَجُلٍ مَالاً، فَقَالَ : أَعْطِنِی کَفِیلاً حَتَّی آتِیَ بِبَیِّنَتِی ، قَالَ : لَیْسَ لَہُ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23459) যদি কোন ব্যক্তি দাবী করে যে, অন্যের কাছে তার সম্পত্তি আছে এবং বলে যে যতক্ষণ না আমি একজন সাক্ষী আনব , আমাকে তোমার কিছু জামিন দাও । এ ব্যক্তি সম্পর্কে হযরত কাতাদা ও হাশেম বলেন যে , তার এ অধিকার নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۰) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، قَالَ : أَخْبَرَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عُقْبَۃَ بْنِ أَبِی الْعَیْزَارِ ، قَالَ : أَتَیْتُ الشَّعْبِیَّ بِرَجُلٍ لِی عَلَیْہِ حَقٌّ لَمْ یَکُنْ لِی عَلَیْہِ بَیِّنَۃٌ ، فَقُلْت : خُذْ لِی مِنْہُ کَفِیلاً ، فَأَبَی أَنْ یَأْخُذَ لِی مِنْہُ کَفِیلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৬০) হজরত উকবা ইবনে আবুল ইজর বলেন , আমি এক ব্যক্তিকে নিয়ে হজরত শাবি ( রা .)-এর কাছে এসেছিলাম , যার ওপর আমার কোনো অধিকার ছিল না কিন্তু কোনো সাক্ষী ছিল না , আমি পেশ করলাম যে , তিনি আমার অভিভাবক হবেন , কিন্তু তিনি আমার অভিভাবক হতে অস্বীকার করলেন । আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی الْفَیْضِ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ اللہِ بْنَ یَسَارٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا الدَّرْدَائِ سَاوَمَ رَجُلاً ، فَحَلَفَ الرَّجُل أَنْ لاَ یَبِیعَہُ ، ثُمَّ أَعْطَاہُ بَعْدَ ذَلِکَ بِذَلِکَ الثمنِ ، فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَائِ : إنِّی أَخْشَی أَوْ أَکْرَہُ أَنْ أَحْمِلَک عَلَی إِثْمٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৬১) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াসার বলেন , আমি হজরত আবু দারদাহ (রা.)-কে অন্য একজনের কাছ থেকে ভ্রু তুলতে শুনেছি । কিন্তু এই ব্যক্তি শপথ করেছে যে আমি এই জিনিসটি বিক্রি করতে চাই না . পরে তিনি এত দামে আবু দারদাকে সেই জিনিস দেন । আবু দারদা (রাঃ) বললেন , আমি তোমাকে পাপের দোষারোপ করতে পছন্দ করি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۲) حَدَّثَنَا وکیع ، عن یُونُسَ بْنِ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ مُعَاذٍ : أَنَّہُ سَاوَمَ رَجُلاً بِبَیْعٍ فَحَلَفَ أَنْ لاَ یَبِیعَہُ ، ثُمَّ دَعَاہُ أَنْ یَبِیعَہُ ، فَکَرِہَ أَنْ یَشْتَرِیَ مِنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৬২) হজরত মুআয ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে , এক ব্যক্তি পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করলো , তারপর সেগুলো বিক্রি না করার শপথ করল , অতঃপর সেগুলো বিক্রি করার জন্য ডাকল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۳) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ : أَنَّ مُعَاذًا سَاوَمَ رَجُلاً بِشَیْئٍ فَحَلَفَ أَنْ لاَ یَبِیعَہُ فَذَکَرَ نَحْوَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৬৩) হযরত মুআয (রাঃ ) এভাবে বর্ণিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۴) حَدَّثَنَا ابن علیۃ ، عن ابن عون ، عن محمد قَالَ : قلت لہ : الرجل یحلف علی الشیء أن لاَ یبیعہ ، ثم یبیعہ أشتریہ منہ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، وأذکِرْہ یمینہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৬৪) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হজরত মুহাম্মদ (সা .) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে , কোনো ব্যক্তি কোনো কিছু বিক্রি না করার শপথ নেয় , তখন সে তা বিক্রি করে , তাহলে আমি কি তার কাছ থেকে জিনিসটি ক্রয় করব ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ , এটা কিনুন এবং তাকে এর শপথ করান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، بِنَحْوٍ مِنْہُ ، قَالَ : ہَذَا أحْرَزُ لِیَمِینِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৬৫ ) হজরত ইবনে সিরীন থেকে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে , তিনি বলেন : এটি মানুষের জন্য সুরক্ষার উৎস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ مُرَّۃَ بْنِ شَرَاحِیلَ ، قَالَ إنَّ صُہَیْبًا بَاعَ دَارَہُ مِنْ عُثْمَانَ ، وَاشْتَرَطَ سُکْنَاہَا کَذَا وَکَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৬৬) হজরত মারাহ ইবনে শিরাহিল থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত সাহেব হজরত উসমানের কাছ থেকে একটি বাড়ি ক্রয় করেন এবং শর্ত দেন যে তিনি সেখানে দীর্ঘ সময় অবস্থান করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قَیْسٍ الأَسَدِیُّ ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُتْبَۃَ : أَنَّ تَمِیمًا الدَّارِیَّ بَاعَ دَارِہِ وَشَتَرَطَ سُکْنَاہَا حَیَاتَہُ ، وَقَالَ : إنَّمَا مَثَلِی مَثَلُ أُمِّ مُوسَی رُدَّ عَلَیْہَا ابْنُہَا وَأُعْطِیَتْ أَجْرَ رَضَاعِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৬৭ ) হজরত তামিম দারি তার বাড়ি বিক্রি করে সারাজীবন সেখানে থাকার শর্ত দিয়েছিলেন এবং বললেন , আমার উদাহরণ হল হযরত মুসা ( আ . ) এর মাতা , তার পুত্র তাকে নার্সের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল , এবং তাকে নার্সিংয়ের জন্য একটি পুরষ্কার দেওয়া হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ : أَنَّ امْرَأَتَیْنِ بَاعَتَا دَارَیْنِ لَہُمَا وَاشْتَرَطَتَا سُکْنَاہُمَا حَیَاتَہُمَا۔ فَقَالَ : عَامِرٌ : تَسْکُنَانِ حَتَّی تَمُوتَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৬৮ ) হজরত আমীর থেকে বর্ণিত হয়েছে যে , দুইজন মহিলা তাদের বাড়ি বিক্রি করে দিয়েছিলেন , এবং তারা উভয়েই তাদের বাকি জীবন এখানে থাকতে রাজি হয়েছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۶۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : کان ابن أبی لیلی یجیزہ عندنا ، وأما غیرہ ، فکان یردہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৬৯ ) হজরত ওয়াকিয়া বলেন , হজরত ইবনে আবি লায়লা আমাদের সামনে এটাকে জায়েজ করতেন । কিন্তু , আবেল লায়লা ছাড়া অন্যান্য ভদ্রলোকেরা তা প্রত্যাখ্যান করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۷۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ شَبِیبِ بْنِ غَرْقَدَۃَ الْبَارِقِیِّ ، قَالَ : سَمِعْتُ شُرَیْحًا یَقُولُ : لِکُلِّ مُسْلِمٍ شَرْطُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23470) হজরত শরীয়াহ বলেন , এটা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য একটি শর্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۷۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ وَیَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالاَ : حدَّثَنَا أَبُو عَوَانَۃَ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِی الشَّعْثَائِ ، قَالَ : وَقَعَ حَائِطٌ لِرَجُلٍ بَیْنَہُ وَبَیْنَ جَارِہِ ، فَخَاصَمَہُ جَارُہُ إلَی شُرَیْحٍ ، فَلَمْ یُجْبرہُ عَلَی بِنَائِہِ ، وَقَالَ لِجَارِہِ : اذْہَبْ فَاسْتُرْ عَلَی نَفْسِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৭১) হজরত আশআত ( রা . ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে , এটি মানুষের পতন । যা তার এবং তার প্রতিবেশীর মধ্যে ছিল । বিষয়টি তিনি প্রতিবেশী বিচারকের কাছে নিয়ে যান তিনি জনাব দিওয়ারকে এটি তৈরি করতে বাধ্য করেননি বরং প্রতিবেশীকে নিজেই পর্দা সাজানোর নির্দেশ দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۷۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِیقٍ، عَنْ أَبِی مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: حُوسِبَ رَجُلٌ مِمَّنْ کَانَ قَبْلَکُمْ ، فَلَمْ یُوجَدْ لَہُ مِنَ الْخَیْرِ شَیْئٌ ، إلاَّأَنَّہُ کَانَ رَجُلاً مُوسِرًا یُخَالِطُ النَّاسَ، فَیَقُولُ لِغِلْمَانِہِ : تَجَاوَزُوا عَنِ الْمُعْسِرِ ، فَقَالَ اللَّہُ تَعَالی لِمَلاَئِکَتِہِ : نَحْنُ أَحَقُّ بِذَلِکَ مِنْہُ تَجَاوَزُوا عَنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৭২ ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ তোমাদের পূর্বে প্রথম উম্মতের একজন ব্যক্তিকে গণনা করা হয়েছে , তিনি একজন ধনী ব্যক্তি এবং লোকদের সাথে লেনদেন করতেন এবং তিনি বলেছিলেন তার অধীনস্থদের সীমালংঘন ( ক্ষমা ) করে তাকে অবকাশ দিন , আল্লাহতায়ালা ফেরেশতাদের বললেন : আমি এসবের বেশি হকদার , তোমরা এটা উপেক্ষা করো । (বাদ দাও)
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۷۳) حَدَّثَنَا یُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ الْخَطْمِیِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ کَعْبٍ ، عَنْ أَبِی قَتَادَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَنْ نَفَّسَ عَنْ غَرِیمِہِ ، أَوْ مَحَا عَنْہُ کَانَ فِی ظِلِّ الْعَرْشِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৭৩ ) মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন ঋণখেলাপিকে ক্ষমা করবে , সেই ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের সাথে থাকবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۷۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی بُکَیْرٍ ، عَنْ زُہَیْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِیلٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَہْلِ بْنِ حُنَیْفٍ : أَنَّ سَہْلَ بْن حُنَیْفٍ حَدَّثَہُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ أَعَانَ مُجَاہِدًا فِی سَبِیلِ اللہِ ، أَوْ غَارِمًا فِی عُسْرَتِہِ ، أَوْ مُکَاتَبًا فِی رَقَبَتِہِ ، أَظَلَّہُ اللَّہُ فِی ظِلِّہِ یَوْمَ لاَ ظِلَّ إلاَّ ظِلُّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23474 ) মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদদের সাহায্য করবে বা ঋণগ্রস্তকে অবকাশ দেবে , আমাকে এই মাযহাবের মুক্তির জন্য সাহায্য করুন , আল্লাহ তাকে ছায়া দান করবেন । যেদিন তাঁর আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না । এটা হবে না.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۷۵) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ رِبْعِیٍّ ، قَالَ : قَالَ عُقْبَۃُ بْنُ عَمْرٍو لِحُذَیْفَۃَ : حَدِّثْنِی بِشَیْئٍ سَمِعْتَہُ مِنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : کَانَ فِیمَنْ کَانَ قَبْلَکُمْ رَجُلٌ أَتَاہُ الْمَلَکُ لِیَقْبِضَ رُوحَہُ فَقَالَ : ہَلْ عَمِلْتَ خَیْرًا ؟ قَالَ: مَا أَعْلَمُہُ ، قَالَ : اُنْظُرْ ، قَالَ : مَا أَعْلَمُہُ إلاَّ أَنِّی کُنْتُ رَجُلاً أُحَارِفُ النَّاسَ فِی ألدُّنْیَا وَأُخَالِطُہُمْ ، فَکُنْتُ أُنْظِرُ الْمُعْسِرَ ، وَأَتَجَاوَزُ عَنِ الْمُوسِرِ ، فَأَدْخَلَہُ اللَّہُ الْجَنَّۃَ ، قَالَ عُقْبَۃُ : وَأَنَا سْمِعْتہُ یَقُولُ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৭৫) হজরত উকবা ইবনে আমীর (রা.) হজরত খুসিফা (রা.)-কে বলেন যে , তিনি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর কাছ থেকে কিছু শুনেছেন , তিনি বলেন , হজরত হুযায়ফা ( রা . ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) থেকে শুনেছি । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আমি তোমার আগে মৃত্যুবরণ করব যখন ফেরেশতা একজন ব্যক্তির আত্মা দখল করতে এলো , সে লোকটিকে জিজ্ঞেস করল , তোমার আমল কি ? তিনি বললেন , আমি জানি নাভদ্রতা ও অবহেলায় মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতে দাখিল করেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ الشُّعَیْثِی ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : خُذْ حَقَّک فِی عَفَافٍ وَافیاً ، أَوْ غَیْرِ وَافٍ۔ (ابن ماجہ ۲۴۲۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(23476) মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ তোমার হক পূর্ণ কর বা না পাও , ক্ষমা ও ক্ষমা করে কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস