
(۲۳۴۱۷) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ بْنُ سَوَّارٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ رُفَیْعًا أَبَا الْعَالِیَۃِ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : الْقُضَاۃُ ثَلاَثَۃٌ : اثْنَانِ فِی النَّارِ ، وَوَاحِدٌ فِی الْجَنَّۃِ ، فَذَکَرَ اللَّذَیْنِ فِی النَّارِ ، قَالَ : رَجُلٌ جَارَ مُتَعَمِّدًا فَہَذَا فِی النَّارِ ، وَرَجُلٌ أَرَادَ الْحَقَّ فَأَخْطَأَ فَہُوَ فِی النَّارِ ، وَآخَرُ أَرَادَ الْحَقَّ فَأَصَابَ فَہُوَ فِی الْجَنَّۃِ۔ قَالَ : فَقُلْتُ لِرُفَیْعٍ : أَرَأَیْت ہَذَا الَّذِی أَرَادَ الْحَقَّ فَأَخْطَأَ ! قَالَ : کَانَ حَقُّہُ إذَا لَمْ یَعْلَمِ الْقَضَائَ أَنْ لاَ یَکُونَ قَاضِیًا۔ (ترمذی ۱۳۲۲۔ ابوداؤد ۳۵۶۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( 23417 ) হজরত আলী ( রা . ) বলেন , বিচার তিন প্রকার , দুটি জাহান্নামে যাবে এবং একটি জান্নাতে যাবে , অতঃপর উভয়েই যারা জাহান্নামে যাবে তাদের উল্লেখ করে তিনি বলেন : এক ব্যক্তি যে ইচ্ছাকৃতভাবে । অন্যায় করলে সে জাহান্নামে যাবে , আর অন্যটি হলো সে ব্যক্তি যে ইনসাফ করতে চায় , সে যদি কোনো অন্যায় করে তাহলে সেও জাহান্নামে যাবে এবং তৃতীয়ত , যার উদ্দেশ্য সঠিক ছিল এবং তার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল । তাহলে এমন ব্যক্তি বেহেশতে যাবে । বর্ণনাকারী বলেন , আমি হযরত রাফি (রা. )- এর কাছ থেকে জানতে পেরেছি যে , তাঁর চিন্তাধারা এই ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে , যে ঠিক করতে চেয়েছিল , কিন্তু সে ভুল করেছে !তিনি বললেন : তার যদি ন্যায়বিচারের জ্ঞান না থাকত , তাহলে সে বিচারক হতে পারত না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۱۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ : أَنَّ أَبَا مُوسَی الأَشْعَرِیَّ ، قَالَ : لاَ یَنْبَغِی لِقَاضٍ أَنْ یَقْضِیَ حَتَّی یَتَبَیَّنَ لَہُ الْحَقُّ کَمَا یَتَبَیَّنُ اللَّیْلُ عَنِ النَّہَارِ ، قَالَ : فَبَلَغَ ذَلِکَ عُمَرَ فَقَالَ : صَدَقَ أَبُو مُوسَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪১৮) হজরত আবু মূসা আল- আশআরী ( রা .) বলেন , কোনো বিচারকের পক্ষে রায় দেওয়া ঠিক নয় যতক্ষণ না তার কাছে দিনরাত জি - এর কাছ থেকে সত্য প্রকাশ পায় । বিষয়টি হজরত ওমর (রা.)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেন , হজরত আবু মূসা ( রা.) সত্য বলেছেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۱۹) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ : فِی قَوْلِہِ (وَفَصْلَ الْخِطَاب) قَالَ: الْعِلْمُ بِالْقَضَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23419) হজরত হাসান (রা.) বলেন, পবিত্র কুরআনের আয়াত এবং আল - খাত্তাবের অধ্যায়টি ন্যায়বিচারের জ্ঞানকে নির্দেশ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۰) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، قَالَ : الشُّہُودُ وَالأَیْمَانُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23420) হজরত শরীয়াহ বলেন , সাক্ষী ও শপথ বলতে বোঝানো হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۱) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ :فِی قَوْلِہِ : (یُؤْتِی الْحِکْمَۃَ مَنْ یَشَائُ) قَالَ : لَیْسَتِ النُّبُوَّۃُ ، وَلَکِنَّہُ الْعِلْمُ وَالْقُرْآنُ وَالْفِقْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23421) হযরত মুজাহিদ কুরআনের আয়াত ইয়াওতি আল - হিকমা মনীষা সম্পর্কে বলেছেন যে এর অর্থ নবুওয়াত নয় . বরং জ্ঞান, কুরআন ও আইনশাস্ত্র বোঝানো হয়েছে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ زِیَادٍ ، قَالَ : (فَصْلَ الْخِطَابِ) أَمَّا بَعْدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪২২) হযরত যায়েদ বলেন , ওয়াফসল আল - খাত্তাব দ্বারা পরে বুঝানো হয়েছে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، قَالَ : الشُّہُودُ وَالأَیْمَانُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪২৩) হজরত শরীয়াহ বলেন , সাক্ষী ও শপথ বোঝানো হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی بَکْرَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَحْکُمُ الْحَکَمُ بَیْنَ اثْنَیْنِ وَہُوَ غَضْبَانُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23424 ) মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ শান্তির বিচারক রাগের বশে দুই ব্যক্তির মধ্যে শান্তি স্থাপন করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا دَاوُد بْنُ أَبِی ہِنْدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، قَالَ : مَا شَہِدْتُ عَلَی لَہَوَاتِ خَصْمٍ قطّ ، وَلاَ لَقَّنْتُہُ حُجَّتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪২৫ ) হজরত শরীহ বলেন , আমি কখনো আমার প্রতিপক্ষের অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে মনোযোগ দেইনি এবং তার অন্তরের প্রতিও কখনো মনোযোগ দেইনি । লি নিজেও তা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۶) حَدَّثَنَا عَبِیْدَۃُ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی بَکْرَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : لاَ یَحْکُمُ الْحَکَمُ بَیْنَ اثْنَیْنِ وَہُوَ غَضْبَانُ۔ (بخاری ۷۱۵۸۔ مسلم ۱۳۴۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 23426 ) হজরত আবু বকর ( রা. ) বলেন , একজন বিচারক যেন রাগের বশে দুই ব্যক্তির মধ্যে বিচার না করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ زَیْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَۃَ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: إنَّکُمْ تَخْتَصِمُونَ إلَیَّ ، وَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ ، وَلَعَلَّ بَعْضَکُمْ أَنْ یَکُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِہِ مِنْ بَعْضٍ ، وَإِنَّمَا أَقْضِی بَیْنَکُمْ عَلَی نَحْوٍ مِمَّا أَسْمَعُ مِنْکُمْ ، فَمَنْ قَضَیْتُ لَہُ مِنْ حَقِّ أَخِیہِ بِشَیْئٍ فَلاَ یَأْخُذْہُ ، فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَہُ قِطْعَۃً مِنَ النَّارِ یَأْتِی بِہَا یَوْمَ الْقِیَامَۃِ۔ (بخاری ۶۹۶۷۔ مسلم ۱۳۳۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(23427) মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ তোমরা আমার কাছে নিজেদের ঝগড়া - বিবাদ নিয়ে আস , অথচ আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ , তর্ক - বিতর্কে অন্যদের উপর বিজয়ী হোক , আমি বিচার করব আমি আপনার কাছ থেকে যা শুনেছি সে অনুযায়ী তোমাদের মধ্যে । আমি তার ভাইকে আমার কাছ থেকে কিছু দিয়ে পুরস্কৃত করব , সে যেন তা না নেয় , নিশ্চয় সে আগুনের টুকরো । কেয়ামতের দিন তার সাথে কে আসবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا أُسَامَۃُ بْنُ زَیْدٍ اللَّیْثِیُّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ رَافِعٍ مَوْلَی أُمِّ سَلَمَۃَ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَتْ : جَائَ رَجُلاَنِ مِنَ الأَنْصَارِ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَخْتَصِمَانِ فِی مَوَارِیثَ بَیْنَہُمَا ، قَدْ دَرَسَتْ لَیْسَ بَینَہُمَا بَیِّنَۃٌ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّکُمْ تَخْتَصِمُونَ إلَیَّ ، وَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ ، وَلَعَلَّ بَعْضَکُمْ أَنْ یَکُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِہِ مِنْ بَعْضٍ ، وَإِنَّمَا أَقْضِی بَیْنَکُمْ عَلَی نَحْوٍ مِمَّا أَسْمَعُ مِنْکُمْ ، فَمَنْ قَضَیْتُ لَہُ مِنْ حَقِّ أَخِیہِ بِشَیْئٍ فَلاَ یَأْخُذْہُ ، فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَہُ بِہِ قِطْعَۃً مِنَ النَّارِ ، یَأْتِی بِہَا إسْطَامًا فِی عُنُقِہِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ ، قَالَتْ : فَبَکَی الرَّجُلاَنِ وَقَالَ کُلٌّ مِنْہُمَا : حَقِّی لأَخِی ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَمَّا إذْ فَعَلْتُمَا فَاذْہَبَا فَاقْتَسِمَا وَتَوَخَّیَا الْحَقَّ ، ثُمَّ اسْتَہِمَا ، ثُمَّ لْیَحْلِلْ کُلُّ وَاحِدٍ مِنْکُمَا صَاحِبَہُ۔ (ابوداؤد ۳۵۷۹۔ دارقطنی ۱۲۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(23428) হজরত উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আনসারদের মধ্য থেকে দুজন লোক মহানবী ( সা. )- এর কাছে উত্তরাধিকার নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করতে লাগল , তাদের কোনো সাক্ষী ছিল না, রাসূলুল্লাহ (সা . ) আল্লাহ বললেনঃ তোমরা আমার কাছে তোমাদের ঝগড়া - বিবাদ নিয়ে আসছ , আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ , হয়তো তোমাদের কারো কারো উপর তর্ক - বিতর্ক প্রাধান্য পাবে , আমি যা শুনছি সে অনুযায়ী আমি তোমাদের মধ্যে বিচার করব , তাই কার জন্য ? তার ভাইয়ের হক যদি ফয়সাল যায় তবে সে যেন না মেনে নেয় , নিশ্চয়ই সে আগুনের টুকরো , যা কিয়ামতের দিন তার গলায় আগুনের আংটি হয়ে থাকবে । তারা দুজনেই কান্নাকাটি শুরু করে , এবং তারা একে অপরকে বলতে শুরু করে যে আমার অধিকার আমার ভাইয়ের জন্য । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন তোমরা এটা করেছ , এখন তোমরা উভয়ে গিয়ে তা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নাও , এবং সত্যের জন্য মনস্থির করো এবং তারপরে তা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নাও তোমরা প্রত্যেকে তার ভাইয়ের জন্য তার অংশ হালাল কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۲۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِیُّ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّمَا أَنَا بَشَرٌ ، وَلَعَلَّ بَعْضَکُمْ أَنْ یَکُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِہِ مِنْ بَعْضٍ ، فَمَنْ قَطَعْتُ لَہُ مِنْ حَقِّ أَخِیہِ فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَہُ قِطْعَۃً مِنَ النَّارِ۔ (احمد ۲/۳۳۲۔ ابن حبان ۵۰۷۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪২৯ ) আবূ হুরায়রা ( রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম ( সাঃ ) বলেছেনঃ আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ , তাদের মধ্যে কেউ কেউ অন্যের উপর বিজয়ী হতে পারে , সুতরাং যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের একটি টুকরাও নেবে সে এক টুকরো হবে বিচারের দিন আগুনের .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن شُرَیْحٍ : أنَّہُ کَانَ یَقُولُ لِلْخُصُومِ : سَیَعْلَمُ الظَّالِمُونَ حَقَّ مَنْ نَقَصُوا ، إنَّ الظَّالِمَ یَنْتَظِرُ الْعِقَابَ ، وَإِنَّ الْمَظْلُومَ یَنْتَظِرُ النَّصْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৩০) হজরত শারিহী বিরোধকারীদের উদ্দেশে বলছিলেন যে, জালিম জালিম তার কৃতকর্মের সত্যতা জানতে পারবে , নিশ্চয়ই জালেম ঈগলের জন্য অপেক্ষা করছে এবং মজলুম সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۱) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : کَانَ شُرَیْحٌ مِمَّا یَقُولُ لِلْخَصمِ : یَا عَبْدَ اللہِ ، وَاللَّہِ إنِّی لأَقْضِی لَکَ ، وَإِنِّی لأَظُنُّک ظَالِمًا ، وَلَکِنْ لَسْتُ أَقْضِی بِالظَّنِّ ، وَلَکِنْ أَقْضِی بِمَا أَحْضَرْتَنِی ، وَإِنَّ قَضَائِی لاَ یُحِلُّ لَکَ مَا حُرِّمَ عَلَیْک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(23431) হজরত মুহাম্মদ (সা . ) বলেন , হজরত শরীয়া খাসফিকে বলতেন , হে আবদুল্লাহ! ঈশ্বরের কসম , আমি আপনার পক্ষে সিদ্ধান্ত নিয়েছি , এবং আমি মনে করি আপনি নিষ্ঠুর , কিন্তু আমি আমার চিন্তাভাবনা এবং মতামতে বিশ্বাস করি । আমি বিচার করি না , আপনি যে সাক্ষী উপস্থাপন করেছেন তার উপর আমি বিচার করি । এটা হালাল হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی بْنِ عَامِرٍ الثَّعْلَبِیِّ ، عَنْ بِلاَلِ بْنِ أَبِی بُرْدَۃَ بْنِ أَبِی مُوسَی ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ سَأَلَ الْقَضَائَ وُکِلَ إلَی نَفْسِہِ ، وَمَنْ أُجْبِرَ عَلَیْہِ نَزَلَ عَلَیْہِ مَلَکٌ فَسَدَّدَہُ۔ (ترمذی ۱۳۲۳۔ ابوداؤد ۳۵۷۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৩২) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কাযা চায় তাকে তার নিজের উপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং যে ব্যক্তি কাযা করতে বাধ্য হয় সে যদি যায় , তখন একজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় । আকাশ এবং তাকে গাইড করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ الْحَارِثِ الْبَصْریِّ ، قَالَ : کَانَتْ بَنُو إسْرَائِیلَ إذَا اسْتُقْضِیَ لِلرَّجُلِ مِنْہُمْ أُونِسَ لَہُ مِنَ النُّبُوَّۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৩৩ ) হজরত হারিছ বলেন , বনী ইসরাঈলের কোনো ব্যক্তিকে বিচারক করা হলে তাকে ভবিষ্যদ্বাণী দ্বারা সাহায্য করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا بَعْضُ الْمَدَنِیِّینَ ، عَنِ الْمَقْبُرِیِّ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ وَلِیَ الْقَضَائَ فَکَأَنَّمَا ذُبِحَ بِغَیْرِ سِکِّینٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 23434 ) মহানবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যাকে বিচারক করা হয় , সে যেন ছুরি ছাড়াই জবাই করা হয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، عَنْ شُرَیْحٍ ، قَالَ: إنَّمَا الْقَضَائُ جَمْرٌ ، فَادْفَعِ الْجَمْرَ عَنْک بِعُودَیْنِ یَعْنِی الشَّاہِدَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৩৫ ) হজরত শরীয়াহ বলেন , ন্যায়বিচার হলো অঙ্গার , সাক্ষীর মাধ্যমে নিজের থেকে অঙ্গার সরিয়ে ফেল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ مَعْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : کَانَ شُرَیْحٌ یَقُولُ لِلشَّاہِدَیْنِ : إنِّی لَمْ أَدَعُکُمَا ، وَلاَ أَنَا مَانِعُکُمَا إِنْ قُمْتُمَا ، وَإِنَّمَا یَقْضِی أَنْتُمَا وَإِنِّی مُتَحَرِّزٌ بِکُمَا ، فَتَحَرَّزَا لأَنْفُسِکُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৩৬) হযরত শরীফ সাক্ষীদের বলতেন যে , আমি তোমাদের উভয়কে ডাকি না এবং দাঁড়াতেও বাধা দিই না , এ কারণে অবশ্যই আমি তোমাদের উভয়কে রক্ষা করব , তাই তোমরা উভয়ে নিজেদের রক্ষা কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا فُرَاتُ بْنُ أَبِی بَحْرٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الشَّعْبِیَّ - وَقَالَ لَہُ رَجُلٌ : اقْضِ بَیْنَنَا بِمَا أَرَاک اللَّہُ - قَالَ : إنِّی لَسْتُ بِرَأْیِی أَقْضِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৩৭ ) জনৈক ব্যক্তি হযরত শাবী ( রাঃ ) কে জিজ্ঞাসা করলেন যে , আল্লাহ তাকে যা জ্ঞান দিয়েছেন সে অনুযায়ী আমাদের মধ্যে বিচার করুন , হযরত শাবী বললেনঃ আমি আমার মতের বিচার করি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : لَمَّا أُمِرَ دَاوُد بِالْقَضَائِ قُطِعَ بِہِ ، فَأَوْحَی اللَّہُ إلَیْہِ : سَلْہُمُ الْبَیِّنَۃَ وَاسْتَحْلِفْہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৩৮) হজরত আবদ আল-রহমান থেকে বর্ণিত আছে যে, যখন হজরত দাউদ (আ . ) কে কাযা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল , তখন তিনি সিদ্ধান্ত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেন ( তিনি সিদ্ধান্তটি করতে পারেননি ) । আল্লাহ তায়ালা তাদের কাছে নাযিল করেন , এই লোকদেরকে সাক্ষ্য দিতে বলুন এবং তাদের কাছ থেকে শপথ নিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۳۹) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، قَالَ : کَتَبَ الْحَکَمُ بْنُ أَیُّوبَ فِی نَفَرٍ یَسْتَعْمِلُہُمْ عَلَی الْقَضَائِ ، فَقَالَ جَابِرُ بْنُ زَیْدٍ : لَوْ أَرْسَلَ إلَیَّ لَہَرَبْتُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৩৯) হজরত আমর থেকে বর্ণিত যে, হজরত হুকম ইবনে আইয়ুব (রা.) একটি দলকে একটি চিঠি লিখে তা পূরণ করার জন্য কাজ করতে বলেন : হজরত জাবির ইবনে যায়েদ ( রা.) বলেন : তিনি যদি আমার কাছে চিঠি পাঠাতেন , আমি দৌড়াতাম । দূরে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۴۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، قَالَ : لَمَّا تُوُفِّیَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أُذَیْنَۃَ ذُکِرَ أَبُو قِلاَبَۃَ لِلْقَضَائِ فَہَرَبَ حَتَّی أَتَی الشَّامَ ، فَوَافَقَ ذَلِکَ عَزْلَ صَاحِبِہَا ، فَہَرَبَ حَتَّی أَتَی الْیَمَامَۃَ فَلَقِیتُہُ بَعْدَ ذَلِکَ فَقَالَ : مَا وَجَدْتُ مَثَلَ الْقَاضِی إلاَّ کَمَثَلِ رَجُلٍ سَابِحٍ فِی بَحْرٍ ، وَکَمْ عَسَی أنْ یَسْبَحَ حَتَّی یَغْرَقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৪০) হজরত আইয়ুব থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত আবদ আল -রহমান বিন আজনিয়াহ মারা গেলেন , তখন হজরত আবু কালাবার প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা বলা হলো , তিনি পালিয়ে সিরিয়ায় আসেন , তখন সিরিয়ার গভর্নরও রাজি হন আমি পদচ্যুত হলাম , সে সেখান থেকে পালিয়ে তার মায়ের কাছে এলো , এরপর মরিয়ম তার সাথে দেখা করলে সে বললো : আমি কাজীকে সমুদ্রে পাঠিয়েছি , সাঁতার কাটার মতো এটি খুবই বিরল ডুবে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۴۱) حَدَّثَنَا مُعَلَّی بْنُ مَنْصُورٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ جَعْفَرٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنِ الْمَقْبُرِیِّ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : مَنْ جُعِلَ قَاضِیًا بَیْنَ النَّاسِ ، فَقَدْ ذُبِحَ بِغَیْرِ سِکِّینٍ۔ (ترمذی ۵۹۲۵۔ ابوداؤد ۳۵۶۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৪১ ) মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ যাকে মানুষের বিচারক করা হয়েছে তাকে ছুরি ছাড়াই জবাই করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۴۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی عَوْنٍ ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَمْرٍو الثَّقَفِیِّ ، عَنْ رِجَالٍ مِنْ أَہْلِ حِمْصٍ مِنْ أَصْحَابِ مُعَاذٍ ، عَنْ مُعَاذٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لَمَّا بَعَثَہُ قَالَ لَہُ : کَیْفَ تَقْضِی ؟ قَالَ : أَقْضِی بِمَا فِی کِتَابِ اللہِ ، قَالَ : فَإِنْ جَائَک أَمْرٌ لَیْسَ فِی کِتَابِ اللہِ ، قَالَ : أَقْضِی بِسُنَّۃِ رَسُولِ اللہِ ، قَالَ : فَإِنْ لَمْ تَکُنْ سُنَّۃٌ مِنْ رَسُولِ اللہِ ؟ قَالَ : أَجْتَہِدُ رَأْیِی ، قَالَ : الْحَمْدُ لِلَّہِ الَّذِی وَفَّقَ رَسُولَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔ (ترمذی ۱۳۲۷۔ احمد ۵/۲۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(23442) হজরত মুআয ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) যখন তাকে বিচারক হিসেবে ইয়েমেনে পাঠালেন , তখন তিনি তাকে বললেন : তুমি কাকে পুরস্কার দেবে ? হজরত মুআয ( রা . ) বললেন , আমি আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিচার করব । আমি না ? হজরত মুআয ( রা . ) বললেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সুন্নাত অনুযায়ী সন্ধি করব । রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সুন্নত ? হযরত মুআয ( রাঃ ) বললেন , আমি আমার মত অনুসারে বিচার করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۴۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ الثَّقَفِیِّ ، قَالَ : لَمَّا بَعَثَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مُعَاذًا إلَی الْیَمَنِ ، قَالَ : یَا مُعَاذُ بِمَ تَقْضِی ؟ قَالَ : أَقْضِی بِکِتَابِ اللہِ ، قَالَ : فَإِنْ جَائَ ک أَمْرٌ لَیْسَ فِی کِتَابِ اللہِ ؟ قَالَ أقضی بما قضی بہ نبیہ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : فَإِنْ جَائَ ک أَمْرٌ لَیْسَ فِی کِتَابِ اللہِ وَلَمْ یَقْضِ فِیہِ نَبِیُّہُ وَلَمْ یَقْضِ فِیہِ الصَّالِحُونَ ؟ قَالَ : أَؤُمُّ الْحَقَّ جَہْدِی ، قَالَ : فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الْحَمْدُ لِلَّہِ الَّذِی جَعَلَ رَسُولَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْضِی بِمَا یَرْضَی بِہِ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৪৩) হজরত মুহাম্মাদ বিন উবায়দুল্লাহ ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হজরত মুআয (রা. ) - কে ইয়েমেনে বিচারক হিসেবে পাঠালে তিনি বললেন , হে মোয়াজ! আপনি কাকে পুরস্কৃত করবেন ? হযরত মুআয ( রাঃ ) বললেনঃ আমি আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিচার করব । হযরত মুআয ( রাঃ ) বললেনঃ আমি রাসুল ( সাঃ ) এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব আর এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন উপদেশ দেননি এবং এ বিষয়ে অগ্রগতি কতজন লোকের বিচার নেই ?হজরত মুআয (রা.) বললেন, আমি আমার নিজের চেষ্টা ও মতামত দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেব । মহানবী ( সা . ) বললেন : এতেই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি নবীকে রসূল করেছেন ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যে বিষয়ে ফয়সালা করেন সে অনুযায়ী আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সন্তুষ্ট হন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۴۴) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ شُرَیْحٍ : أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضی اللَّہُ عَنْہُ کَتَبَ إلَیْہِ : إذَا جَائَ کَ شَیْئٌ فِی کِتَابِ اللہِ فَاقْضِ بِہِ ، وَلاَ یَلْفِتَنَّکَ عَنْہُ الرِّجَالُ ، فَإِنْ جَائَ کَ أَمْرٌ لَیْسَ فِی کِتَابِ اللہِ فَانْظُرْ سُنَّۃَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَاقْضِ بِہَا ، فَإِنْ جَائَ کَ مَا لَیْسَ فِی کِتَابِ اللہِ وَلَیْسَ فِیہِ سُنَّۃٌ مِنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَانْظُرْ مَا اجْتَمَعَ النَّاسُ عَلَیْہِ فَخُذْ بِہِ ، فَإِنْ جَائَ کَ مَا لَیْسَ فِی کِتَابِ اللہِ ، وَلَمْ یَکُنْ فِیہِ سُنَّۃٌ مِنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَلَمْ یَتَکَلَّمْ فِیہِ أَحَدٌ قَبْلَکَ ، فَاخْتَرْ أَیَّ الأَمْرَیْنِ شِئْتَ : إِنْ شِئْتَ أَنْ تَجْتَہِدَ بِرَأْیِکَ وَتُقَدَّمَ فَتَقَدَّمْ ، وَإِنْ شِئْتَ أَنْ تَتَأَخَّرَ فَتَأَخَّرْ ، وَلاَ أَرَی التَّأَخُّرَ إلاَّ خَیْرًا لَک۔ (نسائی ۵۳۹۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৪৪) হজরত শরিয়াহ বলেন , হজরত ওমর (রা . ) তাঁকে লিখেছিলেন , যদি কোনো বিষয় কোরআনে থাকে , তাহলে সে অনুযায়ী বিচার করুন , তাতে আপনি প্রলুব্ধ হবেন না , এবং যদি কুরআনে নেই এমন একটি বিষয় উঠে আসে , তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সুন্নাহ দেখে সে অনুযায়ী বিচার করুন এবং যদি এমন কোনো বিষয় থাকে যা কুরআনে নেই না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সুন্নাতে , তাহলে লোকে যে বিষয়ে একমত হয়েছে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নাও , এবং যদি এমন কোনো বিষয় আসে যা কুরআনে নেই । আল্লাহর রাসূলের সুন্নাতেও না , যদি কেউ আপনার আগে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে , তাহলে আপনি দুইটি বিষয়ের মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন এবং আপনি নিজেও দেরি করতে চাইলে থাকতে পারেন বিলম্বিত আমি দেরি করছি , আমি আপনার কল্যাণ বিবেচনা করছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۴۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : أَکْثَرُوا عَلَی عَبْدِ اللہِ ذَاتَ یَوْمٍ فَقَالَ : یَا أَیُّہَا النَّاسُ ، قَدْ أَتَی عَلَیْنَا زَمَانٌ لَسْنَا نَقْضِی ، وَلَسْنَا ہُنَاکَ ، ثُمَّ إنَّ اللَّہَ قَدَّرَأَنْ بَلَغَنَا مِنَ الأَمْرِ مَا تَرَوْنَ ، فَمَنْ عَرَضَ لَہُ مِنْکُمْ قَضَائٌ بَعْدَ الْیَوْمِ فَلِیَقْضِ بِمَا فِی کِتَابِ اللہِ ، فَإِنْ جَائَ ہُ أَمْرٌ لَیْسَ فِی کِتَابِ اللہِ فَلْیَقْضِ بِمَا قَضَی بِہِ نَبِیُّہُ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَإِنْ جَائَ ہُ أَمْرٌ لَیْسَ فِی کِتَابِ اللہِ ، وَلَمْ یَقْضِ بِہِ نَبِیُّہُ ، فَلْیَقْضِ بِمَا قَضَی بِہِ الصَّالِحُونَ ، فَإِنْ أَتَاہُ أَمْرٌ لَیْسَ فِی کِتَابِ اللہِ ، وَلاَ قَضَی بِہِ نَبِیُّہُ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَلاَ قَضَی بِہِ الصَّالِحُونَ ، فَلْیَجْتَہِدْ بِرَأْیِہِ ، وَلاَ یَقُولُ : إنِّی أَخَافُ وَإِنِّی أَخَافُ ، فَإِنَّ الْحَلاَلَ بَیِّنٌ وَالْحَرَامَ بَیِّنٌ ، وَبَیْنَ ذَلِکَ أُمُورٌ مُشْتَبِہَاتٌ ، فَدَعْ مَا یَرِبْیُکَ إلَی مَا لاَ یَرِبْیُکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৩৪৪৫) হজরত আবদুল রহমান ইবনে ইয়াজিদ থেকে বর্ণিত যে, একদিন লোকেরা হজরত আবদুল্লাহ (রা.) - এর কাছে এসে বলল , হে লোক সকল! আমাদের উপর গবেষণা আমাদের উপর এমন একটি সময় অতিবাহিত হয়েছে যে আমরা সিদ্ধান্ত নিইনি এবং সিদ্ধান্তের জায়গায় উপস্থিতও ছিলাম না । অতঃপর আল্লাহ তায়ালা আমিরাতের কাজকে আমাদের ভাগ্য বানিয়ে দিলেন । আপনি যেমন খাচ্ছেন . তাই আজকের পর যাকে ন্যায়বিচারের পদ দেওয়া হয় , তাকে কুরআন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং যদি এমন কোনো বিষয় উঠে আসে যা কুরআনে নেই , তাহলে তার উচিত হবে কুরআন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া মহানবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সুন্নত । যদি এমন কোন বিষয় থাকে যা কুরআন ও হাদিস অনুসারে না হয় তাহলে নেককাররা যা ফয়সালা করেছেন সে অনুযায়ী ফয়সালা করুন এবং যদি এমন কোন বিষয় থাকে যা কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী না হয় এবং সালিহ এটি সম্পর্কে একটি সিদ্ধান্ত নেননি , তাহলে আপনার মতামত অনুযায়ী ইজতিহাদ করুন , এবং তিনি না বলুন যে আমি ভয় পাচ্ছি , আমি ভীত , সত্যই হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট , এবং কিছু সন্দেহ আছে তাদের মধ্যে বিষয় , সুতরাং যে জিনিসটি সন্দেহ জাগিয়েছে তা ত্যাগ করুন এবং যা নিশ্চিত তা গ্রহণ করুন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۳۴۴۶) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، مِثْلَ حَدِیثِ أَبِی مُعَاوِیَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৩৪৪৬) হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ ) থেকে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৩৪৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস