(১৩) আযান [হাদিসের সীমা (৬০৩ - ৮৭৫), সর্বমোট হাদিসঃ ২৭৫টি]

১০/১৬১. অধ্যায়ঃ [মোট হাদিসঃ ৭টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৯টি]


শিশুদের উযূ করা, কখন তাদের উপর গোসল ও পবিত্রতা অর্জন আবশ্যক হয় এবং সালাতের জামা‘আতে , দু' ‘ঈদে এবং জানাযায় তাদের উপস্থিত হওয়া এবং কাতারবন্দী হওয়া ।




864 OK

(৮৫৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنِي غُنْدَرٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ سُلَيْمَانَ الشَّيْبَانِيَّ، قَالَ سَمِعْتُ الشَّعْبِيَّ، قَالَ أَخْبَرَنِي مَنْ، مَرَّ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَلَى قَبْرٍ مَنْبُوذٍ، فَأَمَّهُمْ وَصَفُّوا عَلَيْهِ‏.‏ فَقُلْتُ يَا أَبَا عَمْرٍو مَنْ حَدَّثَكَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ‏.‏


শা'বী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন,এমন এক ব্যক্তি আমাকে খবর দিয়েছেন, যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি পৃথক কবরের নিকট গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে লোকদের ইমামত করেন। লোকজন কাতারবন্দী হয়ে তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গেল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আবূ 'আমর! কে আপনাকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন, ইব্‌নু 'আব্বাস (রাঃ)। [সহিহ বুখারী : ৮৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



865 OK

(৮৫৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنِي صَفْوَانُ بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ `‏ الْغُسْلُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ ‏`‏‏.‏


আবূ সা'ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) সুত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, জুমু‘আর দিন প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত (মুসলিমের) গোসল করা ওয়াজিব। [সহিহ বুখারী : ৮৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



866 OK
View Quran

(৮৫৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، قَالَ أَخْبَرَنِي كُرَيْبٌ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ لَيْلَةً، فَنَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا كَانَ فِي بَعْضِ اللَّيْلِ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَتَوَضَّأَ مِنْ شَنٍّ مُعَلَّقٍ وُضُوءًا خَفِيفًا ـ يُخَفِّفُهُ عَمْرٌو وَيُقَلِّلُهُ جِدًّا ـ ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي، فَقُمْتُ فَتَوَضَّأْتُ نَحْوًا مِمَّا تَوَضَّأَ، ثُمَّ جِئْتُ فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ، فَحَوَّلَنِي فَجَعَلَنِي عَنْ يَمِينِهِ، ثُمَّ صَلَّى مَا شَاءَ اللَّهُ، ثُمَّ اضْطَجَعَ فَنَامَ حَتَّى نَفَخَ، فَأَتَاهُ الْمُنَادِي يُؤْذِنُهُ بِالصَّلاَةِ فَقَامَ مَعَهُ إِلَى الصَّلاَةِ، فَصَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ‏.‏ قُلْنَا لِعَمْرٍو إِنَّ نَاسًا يَقُولُونَ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَنَامُ عَيْنُهُ وَلاَ يَنَامُ قَلْبُهُ‏.‏ قَالَ عَمْرٌو سَمِعْتُ عُبَيْدَ بْنَ عُمَيْرٍ يَقُولُ إِنَّ رُؤْيَا الأَنْبِيَاءِ وَحْىٌ ثُمَّ قَرَأَ ‏{‏إِنِّي أَرَى فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ‏}‏‏.‏


ইব্‌নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক রাতে আমার খালা (উম্মুল মু'মিনীন) মাইমূনাহ (রাঃ) এর নিকট রাত্র কাটালাম। সে রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও সেখানে নিদ্রা যান। রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হলে তিনি উঠলেন এবং একটি ঝুলন্ত মশ্‌ক হতে পানি নিয়ে হালকা উযূ করলেন। আম্‌র (বর্ণনাকারী) এটাকে হাল্‌কা এবং অতি কম বুঝলেন। অতঃপর তিনি সালাতে দাঁড়ালেন। ইব্‌নু 'আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি উঠে তাঁর মতই সংক্ষিপ্ত উযূ করলাম, অতঃপর এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বামপাশে দাঁড়িয়ে গেলাম। তখন তিনি আমাকে ঘুরিয়ে তাঁর ডানপাশে করে দিলেন। অতঃপর যতক্ষণ আল্লাহ্‌র ইচ্ছা সালাত আদায় করলেন, অতঃপর বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের আওয়াজ হতে লাগল, অতঃপর মুয়াজ্জিন এসে সালাতের কথা জানালে তিনি উঠে তাঁর সালাতের জন্য চলে গেলেন এবং সালাত আদায় করলেন। কিন্তু (নতুন) উযূ করলেন না। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, আমি আমর (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, লোকজন বলে থাকেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চোখ নিদ্রায় যেত কিন্তু তাঁর কাল্‌ব (হৃদয়) জাগ্রত থাকত। আম্‌র (রহঃ) বললেন, 'উবায়দ ইব্‌নু 'উমর (রহঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই নবীগণের স্বপ্ন ওয়াহী। অতঃপর তিনি তেলাওয়াত করলেন إِنّيِ أَرَى في المَنامِ أَنّيِ أَذبَحُكَ [ইব্‌রাহীম (আঃ), ইসমা'ঈল (আঃ)-কে বললেন] ''আমি স্বপ্ন দেখলাম, তোমাকে কুরবানী করছি।'' (সূরা আস্‌-সাফ্‌ফাত ৩৭/১০২)। [সহিহ বুখারী : ৮৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



867 OK

(৮৬০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ جَدَّتَهُ، مُلَيْكَةَ دَعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِطَعَامٍ صَنَعَتْهُ، فَأَكَلَ مِنْهُ فَقَالَ ‏ `‏ قُومُوا فَلأُصَلِّيَ بِكُمْ ‏`‏‏.‏ فَقُمْتُ إِلَى حَصِيرٍ لَنَا قَدِ اسْوَدَّ مِنْ طُولِ مَا لُبِسَ، فَنَضَحْتُهُ بِمَاءٍ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْيَتِيمُ مَعِي، وَالْعَجُوزُ مِنْ وَرَائِنَا، فَصَلَّى بِنَا رَكْعَتَيْنِ‏.‏


আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

ইসহাক (রহঃ)-এর দাদী মুলাইকা (রাঃ) খাদ্য তৈরি করে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দাওয়াত করলেন। তিনি তার তৈরি খাবার খেলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা উঠে দাঁড়াও, আমি তোমাদের দিয়ে সালাত আদায় করব। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি একটি চাটাইয়ে দাড়ালাম যা অধিক ব্যাবহারের কারণে কালো হয়ে গিয়েছিল। আমি এতে পানি ছিটিয়ে দিলাম। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে দাঁড়ালেন, আমার সঙ্গে এক ইয়াতীম বাচ্চাও দাঁড়াল এবং বৃদ্ধা আমাদের পিছনে দাঁড়ালেন। আমাদের নিয়ে তিনি দু'রাক'আত সালাত আদায় করলেন। [সহিহ বুখারী : ৮৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



868 OK

(৮৬১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهُ قَالَ أَقْبَلْتُ رَاكِبًا عَلَى حِمَارٍ أَتَانٍ وَأَنَا يَوْمَئِذٍ قَدْ نَاهَزْتُ الاِحْتِلاَمَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي بِالنَّاسِ بِمِنًى إِلَى غَيْرِ جِدَارٍ، فَمَرَرْتُ بَيْنَ يَدَىْ بَعْضِ الصَّفِّ، فَنَزَلْتُ وَأَرْسَلْتُ الأَتَانَ تَرْتَعُ وَدَخَلْتُ فِي الصَّفِّ، فَلَمْ يُنْكِرْ ذَلِكَ عَلَىَّ أَحَدٌ‏.‏


‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি একটি গাধার উপর আরোহণ করে অগ্রসর হলাম। তখন আমি প্রায় বয়ঃপ্রাপ্ত। এ সময় রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় প্রাচীর ব্যতীত অন্য কিছু সামনে রেখে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন। আমি কোন এক কাতারের সম্মুখ দিয়ে অগ্রসর হয়ে এক জায়গায় নেমে গেলাম এবং গাধাটিকে চরে বেড়ানোর জন্য ছেড়ে দিলাম। অতঃপর আমি কাতারে ঢুকে পড়লাম। আমার এ কাজে কেউ আপত্তি করলেন না। [সহিহ বুখারী : ৮৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



869 OK

(৮৬২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ أَعْتَمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم‏.‏ وَقَالَ عَيَّاشٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ أَعْتَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْعِشَاءِ حَتَّى نَادَاهُ عُمَرُ قَدْ نَامَ النِّسَاءُ وَالصِّبْيَانُ‏.‏ فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ `‏ إِنَّهُ لَيْسَ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ يُصَلِّي هَذِهِ الصَّلاَةَ غَيْرُكُمْ ‏`‏‏.‏ وَلَمْ يَكُنْ أَحَدٌ يَوْمَئِذٍ يُصَلِّي غَيْرَ أَهْلِ الْمَدِينَةِ‏.‏


‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ইশার সালাত আদায়ে দেরি করলেন। অবশেষে ‘উমর (রাঃ) তাঁকে আহবান করে বললেন, নারী ও শিশুরা ঘুমিয়ে পড়েছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে বললেনঃ তোমরা ছাড়া পৃথিবীতে কেউ আর এ সালাত আদায় করে না। (রাবী বলেন,) সে সময় মদীনাবাসী ছাড়া আর কেউ সালাত আদায় করতো না। [সহিহ বুখারী : ৮৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



870 OK

(৮৬৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَابِسٍ، سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ لَهُ رَجُلٌ شَهِدْتَ الْخُرُوجَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَعَمْ، وَلَوْلاَ مَكَانِي مِنْهُ مَا شَهِدْتُهُ ـ يَعْنِي مِنْ صِغَرِهِ ـ أَتَى الْعَلَمَ الَّذِي عِنْدَ دَارِ كَثِيرِ بْنِ الصَّلْتِ، ثُمَّ خَطَبَ ثُمَّ أَتَى النِّسَاءَ فَوَعَظَهُنَّ وَذَكَّرَهُنَّ وَأَمَرَهُنَّ أَنْ يَتَصَدَّقْنَ فَجَعَلَتِ الْمَرْأَةُ تُهْوِي بِيَدِهَا إِلَى حَلْقِهَا تُلْقِي فِي ثَوْبِ بِلاَلٍ، ثُمَّ أَتَى هُوَ وَبِلاَلٌ الْبَيْتَ‏.‏


ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করল, আপনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে কখনো ‘ঈদের মাঠে গমন করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, গেছি। তবে তাঁর নিকট আমার যে মর্যাদা ছিল তা না থাকলে আমি অল্প বয়স্ক হবার কারণে সেখানে যেতে পারতাম না। তিনি কাসীর ইব্‌নু সালাতের বাড়ির নিকট যে নিশানা ছিল সেখানে আসলেন (সালাত আদায়ের) পরে খুত্‌বা দিলেন। অতঃপর মহিলাদের নিকট গিয়ে তিনি তাদের ওয়ায ও নসীহাত করেন। এবং তাদের সদকা করতে নির্দেশ দেন। ফলে মহিলারা তাঁদের হাতের আংটি খুলে বিলাল (রাঃ)-এর কাপড়ের মধ্যে নিক্ষেপ করতে থাকলেন। অতঃপর নবী ও বিলাল (রাঃ) বাড়ি পৌছালেন। [সহিহ বুখারী : ৮৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস