
عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ فِرَاشَهُ فَلْيَنْفُضْهُ بِصَنِفَةِ ثَوْبِهِ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ وَلْيَقُلْ بِاسْمِكَ رَبِّ وَضَعْتُ جَنْبِي وَبِكَ أَرْفَعُهُ إِنْ أَمْسَكْتَ نَفْسِي فَاغْفِرْ لَهَا وَإِنْ أَرْسَلْتَهَا فَاحْفَظْهَا بِمَا تَحْفَظُ بِهِ عِبَادَكَ الصَّالِحِينَ تَابَعَهُ يَحْيَى وَبِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَزَادَ زُهَيْرٌ وَأَبُو ضَمْرَةَ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَرَوَاهُ ابْنُ عَجْلاَنَ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ বিছানায় গেলে তখন সে যেন তার কাপড়ের আঁচল দিয়ে তা তিনবার ঝেড়ে নেয়। আর বলে, হে আমার প্রতিপালক! একমাত্র তোমারই নামে আমার শরীরের পার্শ্বদেশ বিছানায় রাখলাম এবং তোমারই সাহায্যে আবার তা উঠাব। তুমি যদি আমার জীবনকে আটকে রাখ, তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিবে। আর যদি তা ফিরিয়ে দাও, তাহলে তোমার নেককার বান্দাদের যেভাবে হিফাযত কর, সেভাবে তার হিফাযাত করবে।
ইয়াহ্ইয়া ও বিশ্র ইব্নু মুফাদ্দাল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই হাদীসেরই অনুকরণে বর্ণনা করেছেন। যুহায়র, আবূ যামরাহ, ইসমা’ঈল ইব্নু যাকারীয়্যা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইব্নু আজলান (রাঃ).........আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৯) [সহিহ বুখারী : ৭৩৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ عَنْ رِبْعِيٍّ عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ قَالَ اللهُمَّ بِاسْمِكَ أَحْيَا وَأَمُوتُ وَإِذَا أَصْبَحَ قَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আপন বিছানায় যেতেন, তখন বলতেন- হে আল্লাহ্! আমি তোমারই নামে মৃত্যুবরণ করি, আবার তোমারই নামে জীবিত হই। আবার ভোর হলে বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহ্র যিনি আমাদের কে মৃত্যুর (ঘুমের) পর জীবিত করেছেন এবং তাঁরই কাছে সমবেত হতে হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯০) [সহিহ বুখারী : ৭৩৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

سَعْدُ بْنُ حَفْصٍ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ عَنْ خَرَشَةَ بْنِ الحُرِّ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهُ مِنْ اللَّيْلِ قَالَ بِاسْمِكَ نَمُوتُ وَنَحْيَا فَإِذَا اسْتَيْقَظَ قَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রাতে তাঁর বিছানায় যেতেন তখন বলতেনঃ আমরা তোমারই নামে মৃত্যুবরণ করি ও জীবিত হই এবং তিনি যখন জাগতেন তখন বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহ্র, যিনি মৃত্যুর পর আমাদের জীবিত করেন এবং তাঁরই কাছে সমবেত হতে হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯১) [সহিহ বুখারী : ৭৩৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ سَالِمٍ عَنْ كُرَيْبٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْتِيَ أَهْلَهُ فَقَالَ بِاسْمِ اللهِ اللهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبْ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا فَإِنَّهُ إِنْ يُقَدَّرْ بَيْنَهُمَا وَلَدٌ فِي ذَلِكَ لَمْ يَضُرُّهُ شَيْطَانٌ أَبَدًا
ইনবু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা করে এবং সে বলে আল্লাহ্র নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ্! আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদের যে রিযিক দেন তা থেকে শয়তান কে দূরে রাখুন এবং উভয়ের মাধ্যমে যদি কোন সন্তান নির্ধারণ করা হয় তাহলে শয়তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারে না। [২১০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯২) [সহিহ বুখারী : ৭৩৯৬]
[[২১০] হাদীসে উল্লেখিত এই শেষোক্ত আযাবেই বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা আজ পিষ্ট হচ্ছে। তারা বিভিন্ন মাযহাব, বিভিন্ন তরীকা, বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে হিংসা বিদ্বেষ ও হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে পড়ায় ইয়াহূদ-নাসারা, মুশরিক মুনাফিকরা সর্বত্র মুসলমানদেরকে গোলামে পরিণত করছে। মুসলমানরা ও আই সি গঠন করেছে কিন্তু ও আই সির অবস্থা হচ্ছে-تحسبهم جميع وقلوبهم شتى - মনে করছ তারা একত্রিত, কিন্তু তাদের অন্তরগুলো ভিন্ন ভিন্ন- ঐক্যহীন।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا فُضَيْلٌ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ هَمَّامٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ قَالَ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ أُرْسِلُ كِلاَبِي الْمُعَلَّمَةَ قَالَ إِذَا أَرْسَلْتَ كِلاَبَكَ الْمُعَلَّمَةَ وَذَكَرْتَ اسْمَ اللهِ فَأَمْسَكْنَ فَكُلْ وَإِذَا رَمَيْتَ بِالْمِعْرَاضِ فَخَزَقَ فَكُلْ
আদী ইনবু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করলাম- আমি আমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ছেড়ে দেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তুমি আল্লাহ্র নাম উচ্চারণ করে তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলো ছেড়ে দাও এবং যদি সে কোন শিকার ধরে আনে, তাহলে তা খাও। আর যদি তীক্ষ্ণ তীর নিক্ষেপ কর এবং এতে যদি শিকার দেহ ফেড়ে দেয়, তবে তা খাও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৩) [সহিহ বুখারী : ৭৩৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

يُوسُفُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ قَالَ سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ عُرْوَةَ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ هَا هُنَا أَقْوَامًا حَدِيثٌ عَهْدُهُمْ بِشِرْكٍ يَأْتُونَا بِلُحْمَانٍ لاَ نَدْرِي يَذْكُرُونَ اسْمَ اللهِ عَلَيْهَا أَمْ لاَ قَالَ اذْكُرُوا أَنْتُمْ اسْمَ اللهِ وَكُلُوا تَابَعَهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَالدَّرَاوَرْدِيُّ وَأُسَامَةُ بْنُ حَفْصٍ
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এখানে এমন কতকগুলো সম্প্রদায় আছে, যারা সবে মাত্র শিরক ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছে। তারা আমাদের জন্য গোশত নিয়ে আসে। সেগুলো যবাই করার কালে তারা আল্লাহর নাম নেয় কিনা তা আমরা জানি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে নেবে এবং তা খাবে। এ হাদীস বর্ণনায় আবূ খালিদ (রহঃ) -এর অনুসরণ করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান, দায়াওয়ার্দী এবং উসামাহ ইবনু হাফস। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৪) [সহিহ বুখারী : ৭৩৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَفْصُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ ضَحَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِكَبْشَيْنِ يُسَمِّي وَيُكَبِّرُ
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিস্মিল্লাহ্ পড়ে এবং তাকবীর বলে দু'টি ভেড়া কুরবানী করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৫) [সহিহ বুখারী : ৭৩৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَفْصُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ جُنْدَبٍ أَنَّهُ شَهِدَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ النَّحْرِ صَلَّى ثُمَّ خَطَبَ فَقَالَ مَنْ ذَبَحَ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيَذْبَحْ مَكَانَهَا أُخْرَى وَمَنْ لَمْ يَذْبَحْ فَلْيَذْبَحْ بِاسْمِ اللهِ
জুনদাব ইবনু আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'র কাছে উপস্থিত ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত পড়লেন। অতঃপর খুতবা দিলেন এবং বললেনঃ সালাত পড়ার আগে যে ব্যক্তি কুরবানীর পশু যবেহ করেছে, সে যেন তদস্থলে আরেকটি পশু যবেহ করে। আর যে ব্যক্তি (সলাতের আগে) যবেহ করেনি সে যেন আল্লাহর নামে যবেহ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৬) [সহিহ বুখারী : ৭৪০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ وَمَنْ كَانَ حَالِفًا فَلْيَحْلِفْ بِاللهِ
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করো না। যে ব্যক্তি কসমকারী হবে সে যেন আল্লাহর নামেই কসম করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৭) [সহিহ বুখারী : ৭৪০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস