(১০) তায়াম্মুম [হাদিসের সীমা (৩৩৪ - ৩৪৮), সর্বমোট হাদিসঃ ১৫টি]

৭/৭. অধ্যায়ঃ [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৪টি]


অপবিত্র ব্যক্তির রোগ বেড়ে যাওয়ার, মৃত্যুর বা তৃষ্ণার্ত থেকে যাবার আশঙ্কাবোধ হলে তায়াম্মুম করা।


বর্ণিত আছে যে, এক শীতের রাতে ‘আমর ইবনু’ল ‘আস (রাঃ) জুনুবী হয়ে পড়লে তায়াম্মুম করলেন। আর (এ প্রসঙ্গে) তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন : তোমরা নিজেদের হত্যা করো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু। (৪ : ২৯) এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করা হলে তিনি তাকে দোষারোপ করেননি।



350 OK

(৩৪৫)

সহিহ হাদিস

--


আবূ ওয়াইল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ মূসা (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ (অপবিত্র ব্যক্তি) পানি না পেলে কি সালাত আদায় করবে না? ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) বললেনঃ হাঁ, আমি একমাসও যদি পানি না পাই তবে সালাত আদায় করবো না। এ ব্যাপারে যদি লোকদের অনুমতি দেই তা হলে তারা একটু শীত বোধ করলেই এরূপ করতে থাকবে। অর্থাৎ তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করবে। আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ তাহলে ‘উমর (রাঃ)-এর সামনে ‘আম্মার (রাঃ)-এর কথার তাৎপর্য কী হবে? তিনি উত্তরে বললেনঃ ‘উমর (রাঃ) ‘আম্মার (রাঃ)-এর কথায় সন্তুষ্ট হয়েছেন বলে আমি মনে করি না। [সহিহ বুখারী : ৩৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



351 OK

(৩৪৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، قَالَ سَمِعْتُ شَقِيقَ بْنَ سَلَمَةَ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي مُوسَى فَقَالَ لَهُ أَبُو مُوسَى أَرَأَيْتَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِذَا أَجْنَبَ فَلَمْ يَجِدْ، مَاءً كَيْفَ يَصْنَعُ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ لاَ يُصَلِّي حَتَّى يَجِدَ الْمَاءَ‏.‏ فَقَالَ أَبُو مُوسَى فَكَيْفَ تَصْنَعُ بِقَوْلِ عَمَّارٍ حِينَ قَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ `‏ كَانَ يَكْفِيكَ ‏`‏ قَالَ أَلَمْ تَرَ عُمَرَ لَمْ يَقْنَعْ بِذَلِكَ‏.‏ فَقَالَ أَبُو مُوسَى فَدَعْنَا مِنْ قَوْلِ عَمَّارٍ، كَيْفَ تَصْنَعُ بِهَذِهِ الآيَةِ فَمَا دَرَى عَبْدُ اللَّهِ مَا يَقُولُ فَقَالَ إِنَّا لَوْ رَخَّصْنَا لَهُمْ فِي هَذَا لأَوْشَكَ إِذَا بَرَدَ عَلَى أَحَدِهِمُ الْمَاءُ أَنْ يَدَعَهُ وَيَتَيَمَّمَ‏.‏ فَقُلْتُ لِشَقِيقٍ فَإِنَّمَا كَرِهَ عَبْدُ اللَّهِ لِهَذَا قَالَ نَعَمْ‏.‏


শাক্বীক ইব্‌নু সালামা (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’ঊদ ও আবূ মূসা (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। তাঁকে আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ ‘আবদুর রহমান। কেউ অপবিত্র হলে যদি পানি না পায় তবে কী করবে? তখন ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) বললেনঃ পানি না পাওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করবে না। আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ তা হলে ‘আম্মার (রাঃ)-এর কথার উত্তরে আপনি কী বলবেন? তাঁকে যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন (তায়াম্মুম করে নেয়া) তোমার জন্য যথেষ্ট ছিল। ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইব্‌নু মাস’ঊদ) (রাঃ) বললেনঃ তুমি দেখ না ‘উমর (রাঃ) ‘আম্মারের এই কথায় সন্তুষ্ট ছিলেন না? আবূ মূসা (রাঃ) পুনরায় বললেন ‘আম্মারের কথা বাদ দিলেও তায়াম্মুমের আয়াতের কী ব্যাখ্যা করবেন? ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) এর কোন উত্তর দিতে পারলেন না। তিনি তবুও বললেনঃ আমরা যদি লোকদের তার অনুমতি দিয়ে দেই তাহলে আশঙ্কা হয়, কারো নিকট পানি ঠাণ্ডা মনে হলেই তায়াম্মুম করবে। রাবী আ’মাশ (রহঃ) বলেনঃ আমি শাক্বীক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, “আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) এ কারণে কি তায়াম্মুম অপছন্দ করেছিলেন?” তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। [সহিহ বুখারী : ৩৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস