
(۲۰۴۱) حَدَّثَنَا مُعَاذٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَابْنِ سِیرِینَ ، أَنَّہُمَا قَالاَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَرُشَّ الْجُنُبُ وَالْحَائِضُ الْمَسْجِدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2041 ) হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সিরীন বলেন , জুনবী ও হায়জা মসজিদে পানি ছিটিয়ে দিতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۲) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ؛ أَنَّ أَعْرَابِیًّا بَالَ فِی الْمَسْجِدِ ، فَدَعَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِذَنُوبٍ مِنْ مَائٍ ، فَصَبَّہُ عَلَی بَوْلِہِ۔ (بخاری ۲۲۱۔ مسلم ۲۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 2042 ) হজরত আনাস ( রা . ) বলেন , একবার এক মহিলা মসজিদকে অপবিত্র করে ফেললে রাসুলুল্লাহ ( সা . ) এক বালতি পানি আনতে বললেন .তার ওপর ঢেলে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِیلُ ، عَنْ قَیْسٍ قَالَ : بَالَ أَعْرَابِیٌّ فِی الْمَسْجِدِ ، فَأَمَرَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَصُبَّ عَلَی بَوْلِہِ مَائٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2043 ) হজরত কায়েস বলেন , একবার এক গ্রাম্য মহিলা মসজিদকে অপবিত্র করেছিল এবং নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাকে শাস্তি দিলেন .তিনি অজুহাত দেওয়ার নির্দেশ দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۴) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ قَالَ : دَخَلَ أَعْرَابِیٌّ الْمَسْجِدَ وَرَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِیہِ ، فَبَالَ ، فَأَمَرَ بِسَجْلٍ مِنْ مَائٍ ، فَأَفْرَغَ عَلَی بَوْلِہِ۔ (احمد ۲/۵۰۳۔ ابن حبان ۹۸۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৪৪ ) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , তিনি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর উপস্থিতিতে মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং তিনি প্রস্রাব করলেন , হ্যাঁ , আপনি এক বালতি পানি ডেকে তাঁর উপর ঢেলে দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۵) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ عِیسَی الرَّمْلِیُّ ، عَنْ رَزِینٍ قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إِلَی أَبِی جَعْفَرٍ ، فَقَالَ لَہُ : إِنِّی أَخْرُجُ فِی اللَّیْلَۃِ الْمَطِیرَۃِ فَأَدُوسُ الطِّینَ ؟ قَالَ : صَلِّ ، قَالَ : إِنِّی أَخَافُ أَنْ یَکُونَ فِیہَا النَّتَنُ وَالْقَذَرَۃُ ، فَکَأَنَّہُ غَضَبَ ، فَقَالَ : أَنْ کُنْتُ تَدُوسُ النَّتَننَ بِرِجْلَیْکَ ، فَخُذْ مَعَکَ مَائً فَاغْسِلْ بِہِ رِجْلَیْکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2045) হজরত রাযীন বলেন , একবার এক ব্যক্তি হজরত আবু জাফর ( রা. ) - এর কাছে এসে বললেন , আমি কখনো কখনো বৃষ্টির রাতে ঘর থেকে বের হই এবং আমার পায়ে কাদা পড়ে , এখন আমার জন্য কি আদেশ ? প্রার্থনা , এই লোকটি বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন , মাঝে মাঝে মুখে দুর্গন্ধ ও ময়লা থাকে । তিনি বলেন , দুর্গন্ধযুক্ত কিছু দেখলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ ابْنِ الْمُسَیِّبِ ، أَنَّہُ قَالَ لِرَجُلٍ :أَلاَ مَسَحْتَہُمَا وَدَخَلْتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2046) হজরত সাঈদ বিন মুসাইব ( রা ) এই লোকটিকে বললেন , তুমি পা ধুইয়ে প্রবেশ করলে না কেন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۷) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنِ الْحَکَمِ قَالَ : کَانَ عَلِیٌّ یَخُوضُ طِینَ الْمَطَرِ وَیَدْخُلُ الْمَسْجِدَ ، فَیُصَلِّی وَلاَ یَتَوَضَّأُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2047) হযরত হাকাম বলেন, হযরত আলী বৃষ্টির কাদা পাড়ি দিয়ে মসজিদে আসতেন এবং অজু না করে নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۸) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ الدَّیْلَمِ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ مَعْقِلٍٍ فِی یَوْمٍ مَطِیرٍ ، قَائِمًا یُصَلِّی إِلَی سَارِیَۃٍ فِی الْمَسْجِدِ ، وَعَلَی رِجْلَیْہِ مِثْلُ الْخَلْخَالَیْنِ أَوِ الْحِجَالَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2048 ) হজরত হাকিম ইবনে দিলম বলেন , আমি হজরত ইবনে মুয়াকাল (রা.) - কে বৃষ্টির দিনে বলেছিলাম যে , মসজিদে একটি স্তম্ভ রয়েছে যার দিকে মুখ করে আছে । তারা নামাজ পড়ছিল এবং তাদের পায়ে মাটির দাগ ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۴۹) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَلْقَمَۃَ ، وَالأَسْوَدَ یَخُوضَانِ مَائَ الْمَطَرِ ، وَأَنَّ الْمَیَازِیبَ تَنْثَعِبُ ، ثُمَّ دَخَلاَ الْمَسْجِدَ ، فَصَلَّیَا وَلَمْ یَتَوَضَّآ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২০৪৯) হযরত আবদ আল-রহমান বিন আসওয়াদ বলেন , আমি হযরত আলকামা ও হযরত আসওয়াদকে বৃষ্টির পানির মধ্য দিয়ে যেতে দেখেছি , যখন তারা স্রোতের মতো প্রবাহিত হচ্ছিল , অতঃপর তারা মসজিদে প্রবেশ করে নামায পড়ার জন্য অজু করে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ إِذَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ فِی الأَمْطَارِ نَظَرَ إِلَی خُفَّیْہِ ، فَإِنْ کَانَ فِیہِمَا طِینٌ قَلِیلٌ مَسَحَہُ ، ثُمَّ دَخَلَ فَصَلَّی ، وَإِنْ کَانَ کَثِیرًا خَلَعَہُمَا وَأَمَرَ بِہِمَا فَغَسَلاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2050) হযরত ইউনুস (রাঃ) বলেন , হযরত হাসানের অভ্যাস ছিল যে , বৃষ্টির দিনে মসজিদে প্রবেশ করলে তার মোজা দেখাতেন যদি তাতে সামান্য কাদা লেগে থাকে তবে তা পরিস্কার করে প্রবেশ করতেন মসজিদে নামায পড়া বেশি হলে খুলে ফেলতেন এবং ধোয়ার নির্দেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ قَالَ : کَانَ أَصْحَابُنَا یَخُوضُونَ الْمَائَ وَالطِّینَ إِلَی مَسَاجِدِہِمْ ، وَیصَلُّونَ وَلاَ یَغْسِلونَ أَرْجُلَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২০৫১) হজরত ইব্রাহিম বলেন , আমাদের বাপ - দাদারা পানি ও কাদা পাড়ি দিয়ে মসজিদে যেতেন । আর পা না ধুয়েই নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۲) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ دَخَلَ الْمَسْجِدَ یَوْمَ مَطَرٍ، وَلَمْ یَغْسِلْ رِجْلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2052) হযরত মুখতার বিন সাদ বলেন , আমি কাসিম বিন মুহাম্মদকে বৃষ্টির দিনে মসজিদে প্রবেশ করতে দেখেছি এবং তার পা ধোচ্ছে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۳) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : کُنْتُ أَخَوضُ الْمَطَرَ ، فَسَأَلْتُ الْحَکَمَ ؟ فَقَالَ : صَلِّہْ ، صَلِّہْ۔ قَالَ : وَسَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ ، یَقُولُ : کَانُوا یَخُوضُونَ ثُمَّ یُصَلُّونَ ، وَلاَ یَحْمِلُونَ مَعَہُمُ الأَکْوَازَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৫৩ ) হজরত শুবা বলেন , আমি আমার সাথে বৃষ্টি কাটাতাম , আমি হজরত হাকিমকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , এভাবে নামায পড়, সেভাবে নামায পড় , আমি আবু ইসহাককে বলতে শুনেছি যে , বাপ - দাদারা বৃষ্টির মধ্য দিয়ে যেতেন । প্রার্থনা ছিল তারা তাদের সাথে লুটপাট বহন করেনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۴) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ بْنِ الْمُہَاجِرِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : کَانَ ہُذَیْلٌ یَخُوضُ الرِّدَاغَ فِی خُفَّیْہِ ، ثُمَّ یُصَلِّی فِیہِمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2054 ) হজরত আমর ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , হাযিল বৃষ্টির কাদায় মোজা পরে হাঁটতেন , তারপর তিনি সেগুলো ধৌত করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۵) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ : مَرَرْتُ مَعَ ابْنِ سِیرِینَ فِی طَرِیقٍ ، فقَطَرَ عَلَیْہِ مِیزَابٌ ، فَسَأَلَ عَنْہُ ، فَقِیلَ : إِنَّہُ نَظِیفٌ ، فَلَمْ یَلْتَفِتْ إِلَیْہِ ، وَلَمْ یُبَالِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৫৫) হজরত আবু মূসা (রা ) বলেন , আমি হজরত ইবনে সীরীনের সঙ্গে একটি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম , তার ওপর একটি খালের পানি পড়ল , তিনি বললেন , প্রশ্নটা কী ? আপনাকে বলা হয়েছিল যে এটি বিশুদ্ধ , তাই আপনি এই জলের যত্ন নিলেন না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ مَسْعَدَۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ الرُّومِیُّ قَالَ : کَانَ عُثْمَانُ یَقُومُ مِنَ اللَّیْلِ فَیَلِی طَہُورَہُ بِنَفْسِہِ ، فَیُقَالُ لَہُ : لَوْ أَمَرْتَ بَعْضَ الْخَدَمِ ، فَقَالَ : إِنِّی أُحِبُّ أَنْ أَلِیَہُ بِنَفْسِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2056) হজরত আবদুল্লাহ রুমি বলেন , হজরত উসমান যখন রাতে ঘুম থেকে উঠতেন , তখন তিনি নিজে ওযুর পানি নিতেন। কেউ একজন তাকে বলল যে , তিনি যদি তার কোন খাদেমকে এ কাজ করার আদেশ দেন , তাহলে তিনি বললেন , আমি নিজে আমার ওযুর পানি বহন করতে পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَدَنِیِّ قَالَ : خَصْلَتَانِ لَمْ یَکُنْ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَکِلْہُمَا إِلَی أَحَدٍ مِنْ أَہْلِہِ ، کَانَ یُنَاوِلُ الْمِسْکِینَ بِیَدِہِ ، وَیَضَعُ الطَّہُورَ مِنَ اللَّیْلِ وَیُخَمِّرُہُ۔ (ابن ماجہ ۳۶۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(2057) হজরত আব্বাস বিন আবদুল রহমান মাদানী বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে দুটি কাজ করতেন । এ.কে একটি হচ্ছে তারা নিজ হাতে গরীবদের দান করতেন এবং অন্যটি হচ্ছে রাতে ওযুর জন্য পানি রেখে ঢেকে রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ شَیْبَۃَ ، عَنْ طَلْقٍ ، عَنِ ابْنِ الزُّبَیْرِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : عَشْرٌ مِنَ الْفِطْرَۃِ : قَصُّ الشَّارِبِ ، وَإِعْفَائُ اللِّحْیَۃِ ، وَالسِّوَاکُ ، وَالإِسْتِنْشَاقُ بِالْمَائِ ، وَقَصُّ الأَظْفَارِ ، وَغَسْلُ الْبَرَاجمِ ، وَنَتْفُ الإِبِطِ ، وَحَلْقُ الْعَانَۃِ ، وَانْتقَاصُ الْمَائِ ۔ قَالَ مُصْعَبٌ : وَنَسِیتُ الْعَاشِرَۃَ ، إِلاَّ أَنْ تَکونَ الْمَضْمَضَۃَ۔ (مسلم ۲۲۳۔ ابن ماجہ ۲۹۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(2058) হজরত আয়েশা ( রা ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , দশটি জিনিস প্রকৃতির অংশ । গোঁফ ছাঁটা , দাড়ি বাড়ানো , দাঁত মাজা , পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করা, নখ কাটা , আঙ্গুলের সন্ধি ধৌত করা , বগলের লোম উপড়ে ফেলা , গর্ভের চুল পরিষ্কার করা এবং পানি থেকে বিরত থাকা বর্ণনাকারী হযরত মুসআব বলেন , আমি দশম বৈশিষ্ট্যটি ভুলে গেছি এবং সম্ভবত এটি করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۵۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِی صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : خمْسٌ مِنَ الْفِطْرَۃِ : الْخِتَانُ ، وَالْاِسْتِحْدَادُ ، وَتَقْلِیمُ الأَظْفَارِ ، وَنَتْفُ الإِبِطِ ، وَقَصُّ الشَّارِبِ۔ (بخاری ۵۸۸۹۔ مسلم ۲۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২০৫৯) হজরত আবু হারি রাহ . বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , পাঁচটি জিনিস প্রকৃতির অংশ , খৎনা করা , ক্ষুর দিয়ে গর্ভের চুল পরিষ্কার করা , নখ ছাঁটা , বগলের চুল উপড়ে ফেলা , ছাঁটা । গোঁফ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۰) حَدَّثَنَا قَبِیصَۃُ بْنُ عُقْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ یَاسِرٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الْفِطْرَۃُ الْمَضْمَضَۃُ ، وَالْاِسْتِنْشَاقُ ، وَالسِّوَاکُ ، وَقَصُّ الشَّارِبِ ، وَنَتْفُ الإِبِطِ ، وَغَسْلُ الْبَرَاجِمِ ، وَتَقْلِیمُ الأَظْفَارِ ، وَالْاِنْتِضَاحُ بِالْمَائِ ، وَالْخِتَانُ۔ (ابوداؤد ۵۵۔ ابن ماجہ ۲۹۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 2060) হজরত আম্মার ইবনে আস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য । অর্থাৎ ব্রাশ করা , নাক পরিষ্কার করা, ব্রাশ করা, গোঁফ ছাঁটা , বগলের লোম উপড়ে ফেলা , আঙ্গুলের সন্ধি ধৌত করা , নখ ছাঁটা , পানি থেকে বিরত থাকা এবং সুন্নত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۱) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : سِتٌّ مِنْ فِطْرَۃِ إِبْرَاہِیمَ عَلَیْہِ السَّلاَمُ : قَصُّ الشَّارِبِ ، وَالسِّوَاکُ، وَالْفَرْقُ، وَقَصُّ الأَظْفَارِ، وَالْاِسْتِنْجَائُ، وَحَلْقُ الْعَانَۃِ۔ قَالَ: ثَلاَثَۃٌ فِی الرَّأْسِ، وَثَلاَثَۃٌ فِی الْجَسَدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2061) হজরত মুজাহিদ বলেন, ছয়টি বিষয় হজরত ইবরাহীমের স্বভাবের অংশ , গোঁফ ছাঁটা , ব্রাশ করা , চুল আঁচড়ানো , নখ কাটা , গর্ভের চুল কামানো থেকে বিরত থাকা । Tiin মাথার সাথে সম্পর্কিত এবং Tiin শরীরের বাকি অংশের সাথে সম্পর্কিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدیُّ ، وَأُسَامَۃَ ، قَالاَ : حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَیُّوبَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إِنَّ لِلشَّیْطَانِ زُفَّۃً ، یَعْنِی : بِلَّۃَ طَرْفِ الإِحْلِیلِ
থেকে বর্ণিতঃ
( 2062 ) হজরত শাবি বলেন , এটা শয়তানের দ্বারা তুচ্ছ হোতি হ্যায় অর্থাৎ সে যৌনাঙ্গে প্রস্রাব করে ফিসফিস করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : مَا تَفَقَّدہُ إِنْسَانٌ إِلاَّ رَأَی مَا یَکْرَہُ ، أَوْ یَسُوئُہُ ، یَعْنِی : بِلَّۃَ طَرْفِ الإِحْلِیلِ
থেকে বর্ণিতঃ
( 2063) হজরত ইব্রাহিম বলেন , একজন মানুষের যৌনাঙ্গ নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করা উচিত নয় , তবে শুধুমাত্র যদি কেউ এমন কিছু করে থাকে যা তার অপছন্দ হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، قَالَ : إِنَّہُ یبلُّ طَرْفَ الإِحْلِیلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2064) হজরত মনসুর বলেন , শয়তান স্মরণের গর্ত পূরণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ قُرَیْشٍ ، عَنْ أَبِی أُمَامَۃَ بْنِ سَہْلٍ ، قَالَ : کَانُوا لاَ یَتَفَقَّدُونَ ذَلِکَ التَّفقُّدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2065) হজরত আবু উমামা ইবনে সাহল বলেন, পূর্বপুরুষরা যৌনাঙ্গের ছিদ্র ভেজা নিয়ে খুব একটা পাত্তা দিতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، قَالَ : مَا وَسَاوِسُہُ بِأَوْلَعَ مِمَّنْ یَرَاہَا تَعْمَلُ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2066 ) হজরত আমর বিন মারাহ বলেন , শয়তানের কুমন্ত্রণা তাদের জন্যে মৃত্যু বরণ করতে সক্ষম নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۷) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ مُسْلِم بْنِ عَطِیَّۃَ ، قَالَ : قَالَ طَاوُوسٌ : وَلِمَ تَنْظرُ إلی ذَکَرِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2067) হযরত তাউস বলেন , তুমি তোমার যৌনাঙ্গের দিকে তাকাচ্ছ কেন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی بَکْرِ بْنِ رُوَیْبَۃَ ، عَنْ أَبِی أُمَامَۃَ بْنِ سَہْلٍ ، قَالَ : مَا تَفَقَّدَ رَجُلٌ ذَکَرَہُ ذَلِکَ التَّفقُّدَ إِلاَّ رَأَی مَا یَکْرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2068) হজরত আবু উমামা ইবনে সাহল বলেন, একজন মানুষের যৌনাঙ্গ ভিজে যাওয়ার জন্য খুব বেশি চিন্তা করা উচিত নয় , তবে যদি কোনো অপবিত্রতা থাকে তবে তাকে অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۶۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مُفَضَّلِ بْنِ مُہَلْہَلٍ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ تَمِیمِ بْنِ سَلَمَۃَ ، قَالَ : قَالَ ابْنُ الزُّبَیْرِ : إِنَّ الشَّیْطَانَ یَأْتِی الإِنْسَانَ مِنْ قِبَلِ الْوُضُوئِ وَالشَّعَرِ وَالظُّفْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2069) হজরত ইবনুল জুবায়ের বলেন , শয়তান আসে মানুষের অযু , চুল ও নখ থেকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۰۷۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِیمَنْ نَسِیَ الْمَضْمَضَۃَ فِی الْوُضُوئِ أَوِالْاِسْتِنْشَاقِ ، قَالَ : یُمَضْمِضُ وَیَسْتَنْشِقُ وَیُعِیدُ الصَّلاَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2070) হজরত কায়েস ইবনে সাদ বলেন , হজরত আতা ( রা .) - কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, যদি কোনো ব্যক্তি ওযু করতে ভুলে নাকে পানি ঢালে , তাহলে তার কী করা উচিত? তাকে নামাজ পড়তে বলুন , নাকে পানি ঢেলে আবার নামাজ পড়ুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২০৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস